বকেয়া বেতন ও ভাতার দাবীতে কুমিল্লায় বিআরডিবির কর্মচারীদের মানববন্ধন
০৪মে,সোমবার,মো.আহসান বিল্পব,কুমিল্লা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডর (বিআরডিবি) আওতাধীন বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে কর্মরত কর্মচারীরা বকেয়া বেতন ও ভাতার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন। আজ সোমবার সকালে কুমিল্লা সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে ১৭ টি উপজেলায় কর্মরত কর্মচারীরাও যোগ দেন। কর্মচারীরা জানান, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব জনিত ঋণ কার্যক্রম স্থবির আছে। যার ফলে মার্চ মাস থেকে তাদের বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে। এতে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এদিকে করোনা ভাইরাসের কারনে বিআরডিবির দেয়া ঋণ প্রকল্পসহ সব প্রকল্পই বন্ধ রয়েছে। এসব প্রকল্পের ঋণের লভ্যাংশ থেকে তাদের বেতন দেয়া হতো। বর্তমানে অবরুদ্ধ বা লকডাউন চলায় এসব প্রকল্পও থেমে আছে। লকডাইন না উঠা পর্যন্ত গ্রাহকদের ঋণ দেয়া ও লভ্যাংশ উঠানো যাবে না। উল্লেখ্য, কুমিল্লা জেলায় ১৭ টি উপজেলায় ২ শত ১৯ জন কর্মচারী এ সব প্রকল্পে কাজ করছেন।
রাজশাহীতে ত্রাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ
০৪মে,সোমবার,মো.মহিউদ্দিন,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীতে সড়ক অবরোধ করে ত্রাণের জন্য বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। সোমবার সকালে নগরের কেদুর মোড় এলাকায় এই বিক্ষোভ করে তারা। এ সময় তারা ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলীর বিরুদ্ধে ত্রাণ বিতরণের অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ জানায় এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর অভিযোগ, করোনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তারা বেকার হয়ে পড়ে থাকলেও কোন ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছেন না। এতে তাদের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা বাধ্য হয়ে সড়কে নেমেছেন। অটোরিকশা চালক কলিমউদ্দিন নামের একজন বিক্ষোভকারী জানান, ত্রাণ দেয়ার কথা বলে জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডের ফটোকপি নিয়েছিলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী। কিন্তু তাদের ত্রাণ দেয়া হয়নি। ত্রাণ না পেয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ত্রাণ দেওয়া না হলে লকডাউন তুলে নেয়ার দাবি জানান তিনি। ত্রাণ না দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী বলেন, সোমবার সকাল থেকে কিছু অটোরিকশাচালক গ্যারেজ খুলে দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করছিল। পরে প্রশাসনের লোকজন গিয়ে ত্রাণ দেয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা চলে যায়। ত্রাণের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষের তালিকা করে ত্রাণ দেয়া হয়েছে। এখানে কোন উচ্চবিত্ত পরিবারকে ত্রাণ দেয়া হয়নি। সুন্দরভাবে হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ দেয়া হয়েছে।
ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও
০৩মে,রবিবার,সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও এক স্কুলছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়েছে আইয়ুব আলী নামে এক স্কুলশিক্ষক। এঘটনায় ওই স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।জানা যায়, তাড়াশ উপজেলার রঘুনিলী মঙ্গলবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সাকুয়াদিঘী গ্রামের ইউসুব আলীল ছেলে আইয়ুব আলী একই উপজেলার কালিদাস নিলী গ্রামের জহরুল ইসলামের মেয়ে ও তার স্কুলছাত্রী জাকিয়া সুলতানাকে প্রাইভেট পড়াত। প্রাইভেট পড়ানোর নামে ১৬ মার্চ স্থানীয় লোকজন ওই শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। এ অবস্থায় শুক্রবার সকালে আইয়ুব আলী ওই স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আইয়ুবের স্ত্রী তাড়াশ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অপ্রাপ্ত একজন স্কুলছাত্রীকে নিয়ে উধাও হওয়ায় ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্ত দাবি করেন।
পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত
০৩মে,রবিবার,নোয়াখালী প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মো. ফিরোজ। পুলিশের দাবি, নিহত ফিরোজ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। ফিরোজ চাটখিল উপজেলার হাটপুকুরিয়া-ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে। শনিবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার হাটপুকুরিয়া এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। চাটখিল থানা পুলিশের ওসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার হাটপুকুরিয়া ইউনিয়নে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। একপর্যায়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র, ১৫ রাউন্ড গুলি ও ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ফিরোজের বিরুদ্ধে মাদকসহ ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত
০৩মে,রবিবার,ময়মনসিংহ প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।বরখাস্তকৃতরা হলো- কোতয়ালী মডেল থানার এএসআই রেজাউল করিম ও শাহ কামাল এবং কনস্টেবল কাউসার ও উজ্জল। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার-উজ্জামান জানান, কোতয়ালী মডেল থানার দুই এএসআই ও দুই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ এলাকায় ট্রাক ও পিকআপসহ বিভিন্ন পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল। পরে তাদেরকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাদেরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিক্রিত নবজাতককে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল জিএমপি কমিশনার
০২মে,শনিবার,গাজীপুর প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পারায় নিজের সন্তানকে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন এক দম্পতি। পরে সন্তান বিক্রির ২৫ হাজার টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন তারা। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নজরে এলে ওই শিশু সন্তানটিকে তার বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে এনে দেন জিএমপি কমিশনার মোঃ আনোয়ার হোসেন ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকায় সেন্ট্রাল হাসপাতালে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) গর্ভবতী অবস্থায় কেয়া খাতুন নামে এক নারী এলাকার কোনাবাড়ী সেন্ট্রাল হাসপাতালে বিকেল ৪ টায় ভর্তি হয়। ওই দিনই সন্ধ্যা ৭টায় সিজারের মাধ্যমে তার একটি পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। তার স্বামী মো. শরীফসহ তারা এনায়েতপুর এলাকায় বসবাস করে আসছিল। তারা দুজনেই স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। কেয়া খাতুন ওই হাসপাতালে ১১ দিন ভর্তি ছিল। এতে হাসপাতালের বিল আসে ৪২ হাজার টাকা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিল পরিশোধ করার জন্য তাদের চাপ প্রয়োগ করলে এত টাকা পরিশোধ করার মত সামর্থ্য না থাকার কারণে শরীফ-কেয়া খাতুন দম্পতি একপর্যায়ে নবজাতক সন্তান বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে শুক্রবার ২৫ হাজার টাকায় তাদের ১১ দিন বয়সের পুত্র সন্তান এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন। সন্তান বিক্রির সেই টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে ওই দম্পতি বাড়ি ফিরে যান।বিজনেস বাংলাদেশ। পরবর্তীতে বিষয়টি পুলিশের অতিরিক্ত মহা-পরিদর্শক (আইজি-এসবি) শহিদুল ইসলামের নজরে আসে। পরে তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনারকে বিষয়টি অবগত করেন। ঘটনাটি জেনে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন ২৫ হাজার টাকা ওই নিঃসন্তান দম্পতিকে ফিরিয়ে দিয়ে শিশুটিকে ফেরত নিয়ে আসেন। পরে মো. শরীফ-কেয়া খাতুন দম্পতির কাছে তাদের পুত্র সন্তানকে ফিরিয়ে দেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ওই দম্পতি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। দারিদ্রতার কারণে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পারায় তাদের পুত্র সন্তানটিকে বাধ্য হয়ে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। সেই টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে বাড়ি ফিরে যান। যাদের কাছে সন্তানটিকে বিক্রি করা হয়েছিল তাদের টাকা ফেরত দিয়ে ওই সন্তানকে তার বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
করোনায় আক্রান্ত ওসি গাজী সালাউদ্দিন
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে অস্তিত্ব পাওয়া গেছে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)) গাজী সালাউদ্দিনের শরীরে। গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন নিপসম থেকে তার করোনা শনাক্তের বিষয়টি জানায়। মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ৩০ এপ্রিল ওসি সালাউদ্দিনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে জানায়। এ খবর জানানর পর তাকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, তার সংস্পর্শে আসা সবার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তবে তিনি কিভাবে সংক্রমিত হয়েছেন তা জানা যায় নি।
করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জফেরত ইমন রহমান নামের এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে কিডনিতে সমস্যা, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ থাকায় ছুটি নিয়ে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার খলিলপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরেন। সেখানে কিছুদিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ এপ্রিল তাঁকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মানবজমিন | ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের শরীরে করোনার উপসর্গ ছিল। তবে নমুনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ এসেছে। তারপরও সতর্কতার জন্য করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফুল ইসলাম বলেন, ওই পুলিশ কনস্টেবলের লিভারে সমস্যা ছিল। ইমনের লাশ সতর্কতার সঙ্গে দাফন করা হবে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর