শনিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২১
গৃহবধূকে বিবস্ত্রের ঘটনায় এবার ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের পূর্ব একলাশপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ধর্ষণ চেষ্টার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় এবার স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে সোহাগ (৪২)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর রাতে এখলাশপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তিনি এজাহারভুক্ত আসামি নন। একইসঙ্গে সোমবার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে মামলার ৪নং আসামি সাজুকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে নৃশংস এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করা হলো। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একইদিন সকালে মামলার প্রধান আসামি বাদল (২২)-কে ঢাকা থেকে ও কিশোর গ্যাং লিডার ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ারকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে Rab। আটকদের মধ্যে বাদল একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মোহর আলী মুন্সিবাড়ির রহমত উল্যার ছেলে, দেলোয়ার একই গ্রামের সাইদুল হকের ছেলে। এছাড়া মো. রহীম (২০) একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের হারিদন বাড়ির শেখ আহম্মদ দুলালের ছেলে ও মো. রহমত উল্যাহকে আবদুর (৪১) গ্রেফতার করা হয়। এদিকে নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে সোমবার রাতে ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামাসহ ৯ জনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেছেন। এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একই থানায় ওই ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা করা হয়। প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় ওই গৃহবধূর বসতঘরে ঢুকে তার স্বামীকে পাশের কক্ষে বেঁধে রাখেন স্থানীয় বাদল ও তার সহযোগীরা। এ সময় ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করে তার ভিডিও চিত্র ধারণ করে বিভিন্ন অংকের টাকা দাবি ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কুপ্রস্তাব দেয়। চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পেয়ে গত রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলের দিকে ঘটনার ৩২দিন পর গৃহবধূকে নির্যাতনের ঐ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে তা ভাইরাল হয়ে যায়। এতে টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ একমাস অভিযুক্ত স্থানীয় বখাটেরা গৃহবধূর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুরো ঘটনা থেকে যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ প্রশাসনের অগোচরে। স্থানীয়রা বলছে, গত মাসের (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নির্যাতিত গৃহবধূ এতোদিন বখাটেদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, ফেইসবুকে ভিডিওটি দেখার পরই আমরা ভিক্টিমকে তার আত্মীয়ের বাসা থেকে উদ্ধার করি। তার দেয়া তথ্যানুযায়ী অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন
০৫,অক্টোবর,সোমবার,মল্লিক উদ্দিন,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মানুষরূপী হায়েনাদের মধ্যযুগীয় বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোসহ দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতিবাদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) মানববন্ধন হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নারীর প্রতি প্রতিহিংসা বন্ধ করুন' নামে নোবিপ্রবি থিয়েটারের পক্ষ থেকে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ঘণ্টাব্যাপী এ মানবন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও এসিসিই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন,দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতন ও গণধর্ষণ বেড়েই চলেছে। পথেঘাটে নারীরা সামাজিকভাবে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ছে। দিনদিন নরপশুরা হিংস্র হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতন ও গণধর্ষণকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নোবিপ্রবি থিয়েটারের উপদেষ্টা ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন 'বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়ন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু তারপর ও কিছু অমানুষ নারীকে দুর্বল মনে করছে। বেগমগঞ্জসহ সারা বাংলাদেশে সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে যেনো এসব পশুরা বের হয়ে না যেতে পারে। নারীকে সম্মান দিতে হবে এবং এধরনের পাশবিকতার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নোবিপ্রবি থিয়েটার এর সভাপতি হাসিব আল আমিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মজনুর রহমান, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন পলাশসহ আরো অনেকে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও নোবিপ্রবি থিয়েটারের সদস্যবৃন্দ।
সিনহা হত্যা মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ, আদালতে আবেদন
০৫,অক্টোবর,সোমবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মেজর (অবঃ) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় তার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসের দায়ের করা মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ১নং আসামি বরখাস্ত পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকতের পক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবেদনটি করেন এডভোকেট মাসুদ সালাহ উদ্দিন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, সিনহার বোনের মামলাটির পুরো বিচার প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে তাতে আইনের ২০৫ ডি সেকশনকে অনুসরণ করা হচ্ছে না। ফলে সিনহা হত্যাকাণ্ডের বিচার সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা নিয়ে তার সন্দেহ আছে। এডভোকেট মাসুদ সালাহ উদ্দিন আবদনে বলেছেন, বিচারকার্য সঠিক ধারায় নিয়ে যেতে হলে ২০৫ ডি সেকশন অনুসরণ করার আবেদন করেন। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল মামলাটি গ্রহণ করে আগামী ২০ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন। গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মেজর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার আদেশের বিরুদ্ধে বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিভিশন মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। কেননা সিনহা হত্যার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ঘটনার পর পরই আরো দুইটি মামলা দায়ের করেছিল, জানান বাদির আইনজীবী। উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ রোডে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এরপর ৫ আগস্ট এ ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে মামলা করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। মামলাটি র‌্যাবকে তদন্তভার দেয়া হয়। ৬ আগস্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফের থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ এবং বাহারছরা পুলিশ ফাড়ীর তৎকালীন ইনচার্জ বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত সহ পুলিশের ৭ সদস্য। পরে র‌্যাব এপিবিএন’র ৩ সদস্য, পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষী ও সর্বশেষ পুলিশের একজন কনস্টেবলকে আটক করেন। এই মামলায় এখন মোট আসামী ১৪ জন। ১২ জন আসামি এ পর্যন্ত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
১ মাসে সংস্কার হবে ৮০ কিলোমিটার সড়ক
০৪,অক্টোবর,রবিবার,পাবনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চলতি মাসে চলাচলের অনুপযোগী ৮০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করবে পাবনা এলজিইডি। মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার সড়ক হবে সংস্কার স্লোগান নিয়ে গত বৃহস্পতিবার থেকে গ্রামীণ সড়ক সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণকাজ শুরু করে এলজিইডি। এরই অংশ হিসেবে গতকাল পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া বাজার থেকে টেবুনিয়া বাজার পর্যন্ত ৬ দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার সড়কটির খানাখন্দ মেরামত ও সংস্কার করা হয়। পাবনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেসুর রহমান জানান, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এলজিইডির পক্ষ থেকে গ্রামীণ সড়কের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, পাবনা জেলার নয়টি উপজেলার ৭৪টি ইউনিয়নে এলজিইডির আওতাধীন প্রায় ৫ হাজার ৮০৫ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫১৭ কিলোমিটার রাস্তা পাকা এবং ৩ হাজার ২৮৮ কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা। রোদ-বৃষ্টিতে জেলার ৮০ কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের কিছুটা অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এক মাসের মধ্যেই সেটা মেরামত করা হবে। জেলার ২ হাজার ৪৩৭ কিলোমিটার সড়ক চলাচলের উপযুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে কোনো কোনো রাস্তা চলমান বৃষ্টিতে কিছু খানাখন্দ হয়েছে, চলতি মাসের কর্মসূচিতে ওই খানাখন্দ মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। তিনি আরো জানান, গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের কারণে হাটবাজার, খামার, সরকারি দপ্তরের সঙ্গে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ সহজতর, শিক্ষা, সামাজিক ও কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান ও পল্লী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের পথ সুগম হয়েছে। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন হয়েছে। গ্রামীণ কুটিরশিল্পে উৎপাদিত পণ্য, কৃষিপণ্যসহ সব ধরনের পণ্য বাজারজাত করা সহজ হচ্ছে। পাবনা এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. আ. খালেক জানান, গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংগৃহীত নির্মাণসামগ্রী ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়োগকৃত জনবল সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এলজিইডি, পাবনা দপ্তরের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সড়ক সংস্কারের কাজ মাঠ পর্যায়ে তদারকি করছেন। এ মাসের মধ্যে ছোটখাটো খানাখন্দ সংস্কারের কাজ শেষ করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে বছরব্যাপী এ কাজ অব্যাহত রাখা হবে। পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান বলেন, জেলায় যে রাস্তাগুলো কাঁচা রয়েছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে পাকা করার জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া দরকার। তাহলে গ্রামীণ অবকাঠামোর আরো উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।
সীতাকুণ্ডে কুকুরের কামড়ে আহত ৭
০৩,অক্টোবর,শনিবার,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীতাকুণ্ড উপজেলায় বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের কামড়ে ৭ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার বার আউলিয়া এলাকার ফুলতলা গ্রামে বেওয়ারিশ কুকুর গ্রামের বাসিন্দাদের কামড়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকসাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতের মধ্যে বেশ কয়েকজনের পায়ে কুকুরের কামড়ের গভীর ক্ষত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনে অন্তত ৭ জনকে কামড়ে আহত করে পাগলা কুকুরের দল। এছাড়া দুইদিনে ১২ মুরগীকে কামড়ে খেয়ে ফেলে। শনিবার দুপরে ফুলতলা এলাকার ছেনোয়ারা বেগম (৫০) কে হেঁটে যাওয়ার সময় কুকুর কামড়ে মারাত্বকভাবে আহত করে। তাকে দ্রুত বিআইটিআইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্নস্থানে পাগলা কুকুর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ফুলতলা গ্রামের বাসিন্দা জনৈক ফারুক জানান, শুক্রবার ও শনিবার সকালে গ্রামের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি পাগলা কুকুর সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়েছে। বাড়ি থেকে বের হয়ে মানুষ বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার সময় কুকুরের কামড়ে আহত হন। আমাদের গ্রামে এই পর্যন্ত ৬ জনকে কুকুর কামড়িয়েছে। তাদের মধ্যে বৃদ্ধ মহিলাও রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১০ টিরমত মুরগীকে কামড়িয়েছে। এছাড়া অনেক দিন ধরে বেওয়ারিশ কুকুর আটক করা ও মারা বন্ধ থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রামের মানুষ। এব্যাপারে বিআইটিআইডি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, কুকুর কামড়ে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে রোগীরা বিআইটিআইডিতে আসছে। এখানে রোগীরা জলাতঙ্কের প্রতিষেধক পাচ্ছে। যারা কম আক্রান্ত তাদেককে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে আর যারা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসান
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (বেফাক) নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান হলেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান।তিনি ঢাকা যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রধান পরিচালক) ও গুলশান আজাদ মসজিদের খতিব। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (বেফাক) চেয়ারম্যান আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যু হলে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়। ১৫ দিন পর নতুন চেয়ারম্যান পেলো বেফাক। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর কাজলায় বেফাকের মজলিসে আমেলার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বোর্ডের সদস্যরা লিখিতভাবে মতামত প্রদান করেন। বেফাকের কর্মকর্তা মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু বলেন, মজলিসে আমেলার সদস্যদের লিখিত মতামতের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মজলিসে আমেলার বৈঠকে প্রায় ১২৫ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। লিখিত মতামতে মাওলানা মাহমুদুল হাসান পেয়েছেন ৬৪ ভোট। মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৫০ ভোট। আর হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী পেয়েছেন মাত্র ৩ ভোট। বেফাকের সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল থেকে বেফাকের সদস্যরা লিখিত মতামত প্রদান করেন। বিকাল ৩টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় মতামত প্রদানের কার্যক্রমে বিরতি চলছে। পরবর্তীতে মহাসচিব পদের জন্য লিখিত মতামত পেশ করবেন বেফাকের সদস্যরা। উল্লেখ্য, যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহমুদুল হাসান মজলিসে দাওয়াতুল হক নামে একটি আধ্যাত্মিক সংগঠনের আমির।
টেকনাফে অস্ত্র ও গুলিসহ ৪ ডাকাত আটক
০৩,অক্টোবর,শনিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতরাত থেকে আজ শনিবার ভোর রাত পর্যন্ত উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের উলুমারী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় দেশিয় তৈরি ৬টি অস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ডাকাত চক্রের আরও ৬/৭ জন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। আটকরা হলেন, উলুমারি গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন (৩২), মৃত মো. শফির ছেলে আনোয়ার হোসেন (২১), মৃত রুহুল আমিনের ছেলে জাফর আলম (৪২) ও রঙ্গিখালী গ্রামের মৃত মোজাফ্ফর আহমেদের ছেলে নজির আহম্মদ (৫০)। বিজিবি টেকনাফের ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, বিশ্বস্ত সূত্রে বিজিবি জানতে পারে উলুমারি গ্রামে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল আগ্নেয়াস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে শুক্রবার রাত থেকে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৬/৭ জন ডাকাত পালিয়ে যায়। তবে টহল দল ৪ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে বসতবাড়ি তল্লাশি করে ৬টি দেশিয় তৈরি এক নলা বন্দুক, ১০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৯ রাউন্ড গুলির খোসা, চার রাউন্ড রাইফেলের এ্যামুনেশন, চার রাউন্ড এলএমজি এ্যামুনেশন, চার রাউন্ড প্যারাসুট ফ্লেয়ার, একটি পুলিশ বেল্ট ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
ট্রাকের ধাক্কায় ট্রেনের উপর আছড়ে পড়ল পিকআপ, চালক নিহত
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিকআপ ভ্যান ও কার্গো ট্রাকের সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যানের চালক নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে চালকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার ওসি কাজী আইয়ুবুর রহমান বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাতিয়া এলাকায় পিকআপ ভ্যান ও মুরগির বাচ্চা ভর্তি কার্গো ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত ও তার সহকারী আহত হন। সংঘর্ষের পরপরই পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী ট্রেন লাইনে উঠে পড়ায় সিরাজগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের তেলের বগির সঙ্গে দ্বিতীয়বার সংঘর্ষ হয়। তখন থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। তবে বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সেতু স্টেশনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ইফতেখার রোকন। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব ট্রেন স্টেশনের সহকারী মাস্টার আব্দুল মান্নান বলেন, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
ফটিকছড়িতে ইয়াবা কারবারী গ্রেফতার
৩০সেপ্টেম্বর,বুধবার,সজল চক্রবর্তী ফটিকছড়ি ( চটগ্রাম)প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ৪০ পিস ইয়াবাসহ আলমগীর( ৩৫) নামে এক ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করেছে দাঁতমারা তদন্ত কেন্দ্রে পুলিশ। ২৯ সেপ্টম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইয়াবা কারবারী আলমগীর ভূজপুরধীন এলাকা নারায়নহাট ইউনিয়নের জুস খোলা গ্রামের মৃত আলী আজগরের পুত্র। পুলিশ জানায়, দাঁতমারা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী সরওয়ারের নেতৃত্বে দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪০পিস ইয়াবাসহ আলমগীরকে গ্রেফতার করে এবং আসামীর বিরুদ্ধে ভূজপুর থানায় নিয়মিত মামলা শেষে হাজতে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ আরো জানায়, আসামীর স্বীকারোক্তি মতে সে দাঁতমারা ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকা থেকে পাইকারি ইয়াবা ক্রয় করে তার এলাকা জুস খোলা গ্রামে বিক্রি করে। সে চট্টগ্রাম এলাকায় থাকতে একবার মাদক মামলায় জেলে যান।

সারা দেশ পাতার আরো খবর