মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
আজকের আবহাওয়া
রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। এছাড়া, সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। অন্যদিকে মধ্যরাত হতে সকাল পর্যন্ত দেশের পশ্চিমাঞ্চল এবং নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমির স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামীকাল ঢাকায় সুর্যোদয় ভোর ৬ টা ৪২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫ টা ৩৮ মিনিটে
গ্রাহকের হাতে ১৫টির সিম-রিম বেশি থাকতে পারবে না বিটিআরসি
বাড়তি সিম-রিম নিষ্ক্রিয় করার সময় আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিটিআরসির ঘোষণা অনুযায়ী গ্রাহকের হাতে ১৫টির বেশি মোবাইল সিম-রিম থাকতে পারবে না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়তি সিম-রিম নিষ্ক্রিয় না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিটিআরসি। বাড়তি সিম-রিম তুলে নেয়ার জন্য বিটিআরসি অপারেটরদের চিঠিও দিয়েছে। বিটিআরসি গত বছরের ডিসেম্বরে গ্রাহকের হাতে সিম বা রিম থাকতে পারবে না। তখন বলা হয়েছিল ১৫টির বেশি সিম থাকলে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করতে হবে। কিন্ত বিটিআরসির ওই ঘোষণা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। পরে বিটিআরসি দুই মাস সময় বাড়িয়ে দিয়েছে। এ যাত্রায়ও অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ এখনও অনেক সিম নিবন্ধন ছাড়াই ব্যবহার হচ্ছে। বিষয়টি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনও (বিটিআরসি) স্বীকার করে নিয়েছে। তাই গ্রাহকদের হাত থেকে বাড়তি সিম নিষ্ক্রিয় করার বিষয়টিও কঠিন হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে মোবাইল অপারেটরের ওপর। তারা চাইলে বাড়তি সিম গ্রাহকদের হাত থেকে তুলে নিতে পারে। সূত্র জানিয়েছে, বিটিআরসি দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নির্দেশ দিয়েছিল গ্রাহকদের হাত থেকে ১৫টির বেশি সিম থাকলে তা নিষ্ক্রিয় করে দেয়ার জন্য। সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর। কিন্ত বিটিআরসির এ নির্দেশ যথাসময়ে মোবাইল অপারেটররা পালন করেনি। পরে বিটিআরসি বাধ্য হয়ে আরও দুই মাস সময় বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি করেছে। বাড়তি সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্তি সিম নিষ্ক্রিয় না করলে বিটিআরসি পরে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল ও বন্ধ করে দেবে। সেক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে বিটিআরসির নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। বিটিআরসি জানিয়েছে, গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দুই মাস সময় বৃদ্ধি করে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহক ওই সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্তি সিম নিষ্ক্রিয় না করলে কমিশন নির্ধারিত পদ্ধতির ভিত্তিতে তা বন্ধ করে দেয়া হবে। কোনো গ্রাহকের হাতে ১৫টির বেশি মোবাইল সিম বা রিম থাকলে নিজ উদ্যোগে অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করার যে সময় দেয়া হয়েছিল তা আরও দুই মাস বাড়িয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। কোনো গ্রাহকের পাসপোর্ট, এনআইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা জন্ম নিবন্ধন সনদের বিপরীতে কতটি সিম রয়েছে তা দুটি পদ্ধতিতে জানা যাবে। একটি হচ্ছে স্টার ১৬০০১ হ্যাশ (*১৬০০১#) নম্বরে ডায়াল করলে ইউএসএসডি কোডে তার কাছে এনআইডির শেষ চার ডিজিট জানতে চাওয়া হবে। তা লিখে সেন্ড করলে ফিরতি এসএমএসে জানিয়ে দেয়া হবে তার নামে থাকা সিমের সংখ্যা কয়টি। অন্যভাবে এনআইডি নম্বরের শেষ চার ডিজিট লিখে ১৬০০১ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ওই এনআইডির বিপরীতে কয়টি সিম রয়েছে তা জানতে পারবে গ্রাহক। কর্পোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে সিম সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া বাস্তবসম্মত হবে না। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সিম বা রিম কেনার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি এ সীমার আওতামুক্ত থাকবেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ জুন গ্রাহক প্রতি সর্বোচ্চ ২০টি সিম রাখা যাবে বলে বিটিআরসি সীমা বেঁধে দিয়েছিল। তা আরও কমিয়ে গত বছরের আগস্টে সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম রাখার অনুমতি দেয়া হয়। এরপর ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে গত ২৪ অক্টোবর গ্রাহক প্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম বা রিম রাখার সুযোগ দেয় বিটিআরসি। সর্বশেষ পাঠানো নোটিসে বিটিআরসি জানিয়েছে, গ্রাহকদের কাছে ১৫টির বেশি সিম থাকলে তা অবৈধ। অবৈধভাবে কেউ সিম রাখলে তা আইনগতভাবে বেআইনি। ২৮ ফেব্রুয়ারির পরে যদি কারো হাতে ১৫টির বেশি সিম পাওয়া গেলে-তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি। বাড়তি সিম নিষ্ক্রিয় করতে অপারেটরদের কোন গাফলতি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
ব্যারিস্টার তাপসের আশ্বাসে ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ীদের অবরোধ প্রত্যাহার
তিন দফা দাবিতে রাজধানীর নিউমার্কেট ভবন দোতলা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নিউমার্কেট ক্রসিংয়ে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করছেন নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি। এতে মিরপুর রোডের নীলক্ষেত মোড়, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজে সড়ক যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা সড়ক অবরোধের ফলে মিরপুর রোড, নীলক্ষেত মোড়, ইডেন কলেজ, কাঁটাবন, ঢাবি সড়কসহ আশপাশ সড়কে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় সড়কগুলোতে দীর্ঘ লাইন করে যানবাহনগুলো নিথর দাঁড়িয়ে ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়ে যানবাহনের যাত্রীরা। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যান শত শত যাত্রী। একই ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দিন জানান, বিকেল পৌঁছে ৫টা দিকে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বিক্ষোভ স্থলে আসেন। পরে তিনি ব্যবসায়ীদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়ে তাদের রাস্তা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানান। বিকেলে ৫টার দিকে তারা রাস্তা থেকে সরে যান। অবরোধ তুলে নেন। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তাপস জানান, আমি আপনাদের সঙ্গে একমত। নিউমার্কেটের একটা নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। সিটি কর্পোরেশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তা তারা পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আমার বিশ্বাস। আমি দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি। আপনারা রাস্তাটি ছেড়ে দিন। এতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এরপর ৫টার দিকে ব্যবসায়ীরা সড়ক থেকে সরে গেলে সড়কে যান চলাচল শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে তিন দফা দাবিতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট ও চার প্রবেশ মুখ বন্ধ করে নিউমার্কেটের দক্ষিণে দিকের ১ নম্বর গেটের সামনে সড়কে ও নীলক্ষেত অবস্থান নেন। সড়ক অবরোধ করেন। এতে নীলক্ষেত মোড় থেকে বিজিবির তিন নম্বর গেট পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া নিউমার্কেট পুলিশ বক্সের সামনের চৌরাস্তা বন্ধ করে অবরোধের ফলে মিরপুর সড়ক টিচার্চ ট্রেনিং রোড পর্যন্ত বন্ধ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মিরপুর রোডের গাড়িগুলো সায়েন্সল্যাব থেকে বাইপাস করে দেয়া হয়। ফলে গাবতলী থেকে সায়েন্সল্যাব পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব আশপাশে সড়ক এলিফেন্ট রোড, কাঁটাবন, শাহবাগ সড়কটি তীব্র যানজট দেখা দেয়। এর লাগায়ো ঢাবি জহিরুল হক হল সড়ক, ইডেন কলেজ, আজিমপুর, পলাশী সড়কটি ভয়াবহ যানজট দেখা দেয়। এতে সড়কগুলোতে দীর্ঘ লাইন করে যানবহনগুলো নিথর দাঁড়িয়ে ছিল। এতে যানবাহনের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যায় শত শত যাত্রী। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ হেঁটে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে দেখা দিয়েছে। নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন জানান, তাদের তিন দাবি। নিউমার্কেট ভবন দোতলা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা আছে জানিয়ে তিনি জানান, সেটা অমান্য করে মাস্টারপ্ল্যানের বাইরে ছাদে দোকান হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের প্রথম গেট সংলগ্ন সমিতির ব্যবসায়ী অফিসের পাশে দোতালার ছাদ দিয়ে দোকান নির্মাণের পাঁয়তারা করছে। ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে এটি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ১ নম্বর গেটে বেআইনিভাবে পিলার বসিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং মার্কেটের দক্ষিণ-পশ্চিমে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে ময়লার ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তারা। এগুলো বন্ধের দাবিতে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করছেন ব্যবসায়ীরা। এগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করবেন বলে জানান সমিতির সভাপতি শাহীন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপসের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। এ সময় নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির কর্মসূচীতে বাক্কু শাহ মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও সংহতি প্রকাশ করেন। বিক্ষোভরত নিউমার্কেটে অগ্রণী বেডিং নামে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী নূরন্নবী জনকণ্ঠকে জানান, ডিএসসিসির কিছু অসৎ কর্মকর্তা নিউমার্কেটকে দ্বিতীয় তলা করতে চাচ্ছে। এটা ঐতিহ্যবাহী মার্কেটের অবকাঠামো নষ্ট করবে। আন্দোলনরত ব্যবসায়ীরা জানান, নিউমার্কেট ঐতিহ্যবাহী একটি মার্কেট। এখানে খোলামেলা পরিবেশে ক্রেতারা ৪৩৭ দোকান থেকে মনোরম পরিবেশে মালামাল কিনে বাড়ি ফিরছেন। অথচ গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ সিটি কর্পোরশন একতলা এই মার্কেটের ঐতিহ্য নষ্ট করে ১৬৮ দোকান করার জন্য পাঁয়তারা শুরু করেছে। একটি পত্রিকা বিজ্ঞাপন দিয়ে আতঙ্ক ছাড়াচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাঝে।
ব্যারিস্টার তাপসের আশ্বাসে ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ীদের অবরোধ প্রত্যাহার
তিন দফা দাবিতে রাজধানীর নিউমার্কেট ভবন দোতলা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নিউমার্কেট ক্রসিংয়ে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করছেন নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি। এতে মিরপুর রোডের নীলক্ষেত মোড়, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজে সড়ক যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা সড়ক অবরোধের ফলে মিরপুর রোড, নীলক্ষেত মোড়, ইডেন কলেজ, কাঁটাবন, ঢাবি সড়কসহ আশপাশ সড়কে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় সড়কগুলোতে দীর্ঘ লাইন করে যানবাহনগুলো নিথর দাঁড়িয়ে ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়ে যানবাহনের যাত্রীরা। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যান শত শত যাত্রী। একই ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দিন জানান, বিকেল পৌঁছে ৫টা দিকে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বিক্ষোভ স্থলে আসেন। পরে তিনি ব্যবসায়ীদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়ে তাদের রাস্তা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানান। বিকেলে ৫টার দিকে তারা রাস্তা থেকে সরে যান। অবরোধ তুলে নেন। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তাপস জানান, আমি আপনাদের সঙ্গে একমত। নিউমার্কেটের একটা নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। সিটি কর্পোরেশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তা তারা পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আমার বিশ্বাস। আমি দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি। আপনারা রাস্তাটি ছেড়ে দিন। এতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এরপর ৫টার দিকে ব্যবসায়ীরা সড়ক থেকে সরে গেলে সড়কে যান চলাচল শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে তিন দফা দাবিতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট ও চার প্রবেশ মুখ বন্ধ করে নিউমার্কেটের দক্ষিণে দিকের ১ নম্বর গেটের সামনে সড়কে ও নীলক্ষেত অবস্থান নেন। সড়ক অবরোধ করেন। এতে নীলক্ষেত মোড় থেকে বিজিবির তিন নম্বর গেট পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া নিউমার্কেট পুলিশ বক্সের সামনের চৌরাস্তা বন্ধ করে অবরোধের ফলে মিরপুর সড়ক টিচার্চ ট্রেনিং রোড পর্যন্ত বন্ধ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মিরপুর রোডের গাড়িগুলো সায়েন্সল্যাব থেকে বাইপাস করে দেয়া হয়। ফলে গাবতলী থেকে সায়েন্সল্যাব পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব আশপাশে সড়ক এলিফেন্ট রোড, কাঁটাবন, শাহবাগ সড়কটি তীব্র যানজট দেখা দেয়। এর লাগায়ো ঢাবি জহিরুল হক হল সড়ক, ইডেন কলেজ, আজিমপুর, পলাশী সড়কটি ভয়াবহ যানজট দেখা দেয়। এতে সড়কগুলোতে দীর্ঘ লাইন করে যানবহনগুলো নিথর দাঁড়িয়ে ছিল। এতে যানবাহনের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যায় শত শত যাত্রী। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ হেঁটে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে দেখা দিয়েছে। নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন জানান, তাদের তিন দাবি। নিউমার্কেট ভবন দোতলা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা আছে জানিয়ে তিনি জানান, সেটা অমান্য করে মাস্টারপ্ল্যানের বাইরে ছাদে দোকান হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের প্রথম গেট সংলগ্ন সমিতির ব্যবসায়ী অফিসের পাশে দোতালার ছাদ দিয়ে দোকান নির্মাণের পাঁয়তারা করছে। ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে এটি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ১ নম্বর গেটে বেআইনিভাবে পিলার বসিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং মার্কেটের দক্ষিণ-পশ্চিমে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে ময়লার ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তারা। এগুলো বন্ধের দাবিতে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করছেন ব্যবসায়ীরা। এগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করবেন বলে জানান সমিতির সভাপতি শাহীন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপসের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। এ সময় নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির কর্মসূচীতে বাক্কু শাহ মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও সংহতি প্রকাশ করেন। বিক্ষোভরত নিউমার্কেটে অগ্রণী বেডিং নামে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী নূরন্নবী জনকণ্ঠকে জানান, ডিএসসিসির কিছু অসৎ কর্মকর্তা নিউমার্কেটকে দ্বিতীয় তলা করতে চাচ্ছে। এটা ঐতিহ্যবাহী মার্কেটের অবকাঠামো নষ্ট করবে। আন্দোলনরত ব্যবসায়ীরা জানান, নিউমার্কেট ঐতিহ্যবাহী একটি মার্কেট। এখানে খোলামেলা পরিবেশে ক্রেতারা ৪৩৭ দোকান থেকে মনোরম পরিবেশে মালামাল কিনে বাড়ি ফিরছেন। অথচ গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ সিটি কর্পোরশন একতলা এই মার্কেটের ঐতিহ্য নষ্ট করে ১৬৮ দোকান করার জন্য পাঁয়তারা শুরু করেছে। একটি পত্রিকা বিজ্ঞাপন দিয়ে আতঙ্ক ছাড়াচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাঝে।
আগামী ২৪ ঘণ্টা আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে
অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ সকাল ৯ টা থেকে আগামী চব্বিশ ঘন্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এই কথা জানানো হয়। এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। অপরদিকে রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, কুষ্টিয়া এবং বরিশাল জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্য প্রবাহ কিছু এলাকায় প্রশমিত হতে পারে। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় জানানো হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আজ সকাল ৬ টায় ঢাকায় বাতাসের গতি ছিল ৯৫ শতাংশ। আগামী কাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬ টা ৪২ মিনিটে সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫ টা ৩৮ মিনিটে এবং ।
বিক্ষোভে বন্ধ নীলক্ষেত মোড়
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নিউমার্কেট ভবন দোতলা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নীলক্ষেত মোড়ে বিক্ষোভ করছে ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি। আজ সোমবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে নীলক্ষেত মোড়ের সঙ্গে যুক্ত সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ওই এলাকা দিয়ে হেঁটে হেঁটে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে সবাইকে। নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন তাঁদের তিন দাবির কথা জানিয়েছেন। নিউমার্কেট ভবন দোতলা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেটা অমান্য করে মাস্টারপ্ল্যানের বাইরে ছাদে দোকান হচ্ছে। সমিতির পক্ষ থেকে এটি বন্ধের দাবি জানান তিনি। সেই সঙ্গে ১ নম্বর গেটে বেআইনিভাবে পিলার বসিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং মার্কেটের দক্ষিণ পশ্চিমে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে ময়লার ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তাঁরা। এগুলো বন্ধের দাবিতে দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করছেন ব্যবসায়ীরা। নিউমার্কেট দোতলা করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসা পর্যন্ত সরবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপসের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তঁরা। নিউমার্কেটের ঐতিহ্য কোনোভাবেই নষ্ট করতে দেবে না বলে জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দেন তাঁরা। পরিস্থিতি নজরে রাখছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যাতে না হয়, তাঁরা সেই চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর শৈত্যপ্রবাহ!
শীত শেষ নয় বরং ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর শৈত্যপ্রবাহ! শীতের আমেজ কিছুটা কম বলে খুশি হবার আসলে কিছুই নেই কারণ জানুয়ারি মাসের ২৫ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত ভয়ঙ্কর শৈত্যপ্রবাহ বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা গুলোতে জানুয়ারি মাসের ৩০ ও ৩১ তারিখে তাপমাত্রা (বিশেষ করে কক্সবাজার, বান্দরবন জেলায় রাতের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে চলে আসতে পারে)। আবহাওয়া পূর্বাভাষ যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে এই শৈত্যপ্রবাহ গত শৈত্যপ্রবাহের চেয়েও ভয়াবহ রকমের ঠাণ্ডা হবে। বিশেষ করে পঞ্চগড়-দিনাজপুর-নীলফামারী জেলায় প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পরবে ও রাত ও সকাল বেলার তাপমাত্রা বছরের একই সময়ের গত ৩০ বছরের (১৯৮১ থেকে ২০১০ সাল) গড় তাপমাত্রা অপেক্ষা ৫ থেকে ১০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড কম থাকবে। আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল Global Forecast System (GFS) পূর্বাভাষ মতে আগামী ২৫ তারিখের পর থেকে একটি শৈত্যপ্রবাহ পঞ্চগড়-দিনাজপুর জেলার উপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা শুরু করবে। ২৭ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত পুরো দেশে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আবহাওয়া বিরাজ করবে।
আজকের আবহাওয়া
রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রোববার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬টা ৪৩ মিনিটে। আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
সন্তানদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের ভূমিকা বেশী : মেয়র
প্রায় ছয় শতাধিক অভিভাবকের জমজমাট উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজের স্কুল শাখার ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর অভিভাবক সমাবেশ। শিক্ষার মান উন্নয়ন শিক্ষার্থীদের নিয়ম শৃঙ্খলার ব্যাপারে অবহিতকরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমে অভিভাবকদের সহযোগিতার বিষয়ে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। গতকাল (২০ জানুয়ারি) শনিবার কাজেম আলী মেমোরিয়াল হলে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, একজন শিশুর শিক্ষার ভিত্তি গড়ে উঠে পরিবার থেকে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে শিশুকে আলোকিত ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারিবারিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। অভিভাবকদের উদ্দেশে সিটি মেয়র বলেন, শিক্ষার্থীদের মন কোমল। তারা বয়সের কারণে ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা রাখে না। তাই কোমলমতি এসব শিশুদের সাবির্কভাবে পরিচালনার জন্য অভিভাবকদের দায়িত্ব পালনে কোন রকম অবেহলা করা যাবে না। কারণ সন্তানদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে অভিভাবকদের শক্তিশালী ভূমিকা প্রয়োজন। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কি করছে, স্কুলে যাচ্ছে কিনা, ঠিকমতো শ্রেণীতে উপস্থিত হচ্ছে কিনা অভিভাবক হিসেবে আপনার এসব খোঁজ-খবর রাখা জরুরি। অন্তত: এতটুকু খোঁজ-খবর নিলে আপনার সন্তান বিপথগামী হবে না। কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চর সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অভিভাবক সামবেশে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শামসেদ বেগম চৌধুরী, অধ্যাপক শিলাব্রত দাশ ও মোহাম্মদ রানা চৌধুরী। শিক্ষিকা মুনমুন জাহানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ সানজিদা মোক্তার, সহকারী প্রধান শিক্ষক লুৎফুল কবির ভূঁইয়া প্রমুখ। মেয়র আরো বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফল হিসেবে গড়ে উঠে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিচালনা পরিষদ ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায়। অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান আজ চট্টগ্রাম শহরে নিজের অবস্থান গড়ে নিয়েছে। এর পেছনে অক্লান্ত শ্রম দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সৈয়দ উমর ফারুক। তার মেধা ও প্রজ্ঞায় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে অচিরেই প্রতিষ্ঠানটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থান করে নেবে। সভাপতির বক্তৃতায় দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চর সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক বলেন, ২০১০ সালে মাত্র ১০ জন অভিভাবক পেয়েছিলাম মতবিনিময় করার জন্য। আজ ৬ শতাধিক অভিভাবক নিয়ে সমাবেশ করছি। তিনি মায়েদের উদ্দেশে বলেন, মায়েরা যদি সচেতন না হয় তাহলে আপনার সন্তান কখনো ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে না। তাই সন্তানের দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা শ্রেণী নির্ভর পাঠদানের উপর জোর দিচ্ছি। কেননা শিক্ষার্থীরা বাসায় লেখাপড়ায় মনোযোগ দেয় না। একটা বিষয়েও যদি কেউ ফেল করে তাহলে আমরা প্রমোশন দেয়া হবে না। এক্ষেত্রে কোন তদবির কাজে আসবে না। আগামী দুই বছরের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের সৌরভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বক্তৃতায় অভিভাবকদেরকে দায়িত্ব-কর্তব্য, করণীয় ও ছেলেমেয়ের নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি, শৃঙ্খলা, একাডেমিক উন্নতি এবং জীবনবোধ ইত্যাদি নিয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।