মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার নুরুর
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে স্বর্ণলতা বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু। শনিবার (১১ মে) রাতে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে হাজির করা হলে তিনি তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।রোববার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান।রোববার (১২ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ অফিসে এ নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এর আগে বুধবার (৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুন রিমান্ড শুনানি শেষে পাঁচ আসামির প্রত্যেকের আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রিমান্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন-গাজীরপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার সালুয়াটেকি গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বাসচালক নূরুজ্জামান নূরু (৩৯), একই উপজেলার বীরউজলী গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে বাসের হেলপার লালন মিয়া (৩২) একই উপজেলার লোহাদী গ্রামের নজর আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিক (৩০), কটিয়াদী উপজেলার ভোগপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া (৩৮) এবং বাজিতপুর উপজেলার নীলক্ষি গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদ ভূঁইয়ার ছেলে বকুল মিয়া ওরফে ল্যাংড়া বকুল (৫০)।মঙ্গলবার (৭ মে) দিনগত রাতে নিহত তানিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে চার জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন বাজিতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
নুসরাত হত্যায় শাস্তি পাচ্ছেন ফেনীর এসপিও
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য ফেনী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে শিগগিরই বরখাস্ত করা হবে। শাস্তির অংশ হিসেবে ২-১ দিনের মধ্যে তাকে পুলিশের একটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হবে। পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বদলি নয় শিগগিরই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশের একটি ইউনিটে শাস্তিমূলক সংযুক্ত করা হবে। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ফেনীর পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাকেও একটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হবে। বিষয়টি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে অভিযুক্ত এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। বদলি ও সংযুক্তের বিষয়টি ভিন্ন উল্লেখ করে মো. সোহেল রানা বলেন, তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দূরবর্তী বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। সংযুক্তি কোনো বদলি নয়। এটি শাস্তি প্রক্রিয়ার একটি অংশ। সংযুক্তিকালে তাদের কোনো দায়িত্ব প্রদান করা হয় না। উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সকালে নুসরাত জাহান রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। সে সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে- এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় যান। সেখানে মুখোশ পরা চার-পাঁচজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত। ওই ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে সোনাগাজী থানায় অভিযোগ নিয়ে যাওয়া নুসরাতের সঙ্গে ওসি মোয়াজ্জেমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। নুসরাতের মৃত্যুর পরদিন নুসরাতের পরিবারকে অসহযোগিতার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয় ওসিকে। এরপর পুলিশ সদরদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ী চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।-আলোকিত বাংলাদেশ
গভীর রাতে ব্যবসায়ীর স্ত্রী নিরুদ্দেশ
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার লামচর গ্রামের হাজীবাড়ি থেকে ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস মিনা বুধবার গভীর রাতে টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী স্বামী ইসমাইল হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় মেম্বারকে আসামি করে থানায় এজাহার করেছে। সূত্র জানায়, উপজেলার লামচর গ্রামের হাজীবাড়ির মুক্তিযোদ্ধা আবু নাসেরের পুত্র ইসমাইল হোসেন ব্যবসায়ীর কাজে ঢাকা যাওয়ার সুযোগে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস মিনা বুধবার রাত ১২টার দিকে স্বামীর ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। স্বামী ইসমাইল হোসেন বলেন, পারিবারিক কলহের সুযোগে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. আলম আমার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। বুধবার রাত ১২টার দিকে আলম মেম্বার বসতঘর থেকে মিনাকে বাহির করে নিয়ে গ্রামের চৌধুরী বাড়ির পলাসী বেগমের বাসাতে রাখে এবং ভোর বেলায় অন্যত্র নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আলম মেম্বার বলেন, ইসমাইল হোসেন প্রতিনিয়ত স্ত্রীকে মারধর করতো। এতে অতিষ্ঠ হয়ে রাতের বেলা বসতঘর থেকে চলে যায়। আমার সঙ্গে যাওয়ার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।থানার এস.আই কাউছার হোসেন বলেন, স্বামী ইসমাইল হোসেনের দায়ের করা এজাহারটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দশম শ্রেণীর এক মাদ্রাসাছাত্রী (১৫) কে তুলে নিয়ে মাঠের মধ্যে রাতভর ধর্ষণ করেছে আল-আমিন নামে এক বখাটে ও তার সহযোগিরা। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আজ সকালে মাঠ থেকে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। ধর্ষক আল আমিন একই উপজেলার কোলা ইউনিয়নের বৃত্তি পাড়া গ্রামের আবদুর রউফ এর ছেলে।ছাত্রীটির বাবা জানায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পাশের বাড়িতে মোবাইল ফোনের চার্জার আনতে যায় তার মেয়ে। সে সময় চার্জার নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎপেতে থাকা আল-আমিন ও তার সহযোগীরা তার মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় আল-আমিন ও তার সহযোগীরা।শুক্রবার রাতে পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায় না।পরদিন সকালে গ্রামের এক কৃষক মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখতে পান, মেয়েটি হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে। খবর পেয়ে পরিবার ও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ব্যাপরে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইউনুস আলী জানান, খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেরপুরে ২ শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেরপুরের নকলায় এবার হতদরিদ্র পরিবারের ২ শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে শামীম মিয়া (১৮) নামে এক লম্পট নির্মাণ শ্রমিক। এ ঘটনায় নকলা থানায় মামলার পর রাতেই ধর্ষক শামীম মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ধর্ষণের শিকার ৬ ও ৭ বছর বয়সী ওই ২ শিশু উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ভুরদি নয়াপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু ও প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর ধর্ষক শামীম স্থানীয় নওশেন আলীর ছেলে ও পেশায় রাজমিস্ত্রির যোগালী (নির্মাণ শ্রমিক)।আজ সকালে ওই ২ শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক শামীমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে নকলা উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ভুরদি নয়াপাড়া গ্রামের লম্পট নির্মাণ শ্রমিক শামীম মিয়া দিনমজুর পরিবারের প্রতিবেশী পরস্পর চাচাতো-জ্যাঠাতো বোন ওই ২ শিশুকে খাবার দেওয়াসহ নানা প্রলোভনে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি কাঠগাছের বাগান নিয়ে যায়।এরপর তাদের পরনে থাকা হাফপ্যান্ট খুলে একে একে ২ শিশুকেই ধর্ষণ করে লম্পট শামীম। এরপর নানা ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।ওই সময় তারা ঘটনাটি চেপে গেলেও রাতে ব্যথা শুরু হওয়ায় একজন তার দাদিকে ঘটনাটি জানায়। এরপর শুক্রবার সকালে বিষয়টি এলাকায় তা জানাজানি হয়। এরপর ওই ২ শিশুর একজনের বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় নকলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হলে তাৎক্ষণিক ওই ২ শিশুকে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে রাতেই এসআই শরিফ আহমেদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শামীমকে।এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ওই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত একমাত্র আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ধর্ষণের শিকার ২ শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষা ও জবানবন্দি গ্রহণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় লরির গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় জ্বালানি তেলের লরির সিলিন্ডার মেরামতের সময় গ্যাস বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার সকালে উপজেলার সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে দগ্ধদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। কুলিয়ারচর থানার ওসি আবদুল হাই তালুকদার জানান, সকালে কুলিয়ারচর উপজেলায় জ্বালানি তেলের লরির সিলিন্ডার মেরামতের সময় গ্যাস বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে বাজিদপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান।
চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :চট্টগ্রাম-খুলনা মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশে চাঁদাবাজির অভিযোগে শরীয়তপুরের তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।পাশাপাশি অভিযোগ তদন্তে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর হায়দার শাওনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- এটিএসআই মো. কুদ্দুস, গোলাম মোস্তফা ও ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল সুব্রত। শুক্রবার (১০ মে) তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এদের বিরুদ্ধে শরীয়তপুরের আংগারিয়া থেকে নরসিংহপুর পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার সড়কের ৫ থেকে ৮টি পয়েন্টে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি গাড়িরচালক ও মালিকদের কাছ থেকে মাসিক চুক্তিতে চাঁদা নেয়ার অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়ে মিডিয়ায় খবর প্রকাশ হওয়ার পর তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া তদন্তে আরও কেউ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, চট্টগ্রাম-খুলনা মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশ দিয়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ যানবাহন যাতায়াত করে। সেই সঙ্গে জেলার ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের আওতায় রয়েছে আরও ৫ শতাধিক পরিবহন। অভিযোগ রয়েছে, শরীয়তপুরের আংগারিয়া থেকে নরহিসংপুর ৩৫ কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৮টি পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে এই পুলিশ সদস্যরা।
প্রতারক দলের ২০ সদস্য গ্রেফতার
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :চাকরি দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র। বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় লাইফওয়ে বাংলাদেশ (প্রাঃ) লিমিটেডের অফিস থেকে চক্রের ২০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে RAB-১। এসময় ১৩ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।RAB-১ এর পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, গাজীপুরসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরী দেওয়া নামে প্রতারণা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি । সাধারণ মানুষের বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনই একটি চক্রের ২০ জন্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- মিজানুর রহমান, মামুনুর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম, হুমায়ুন কবির, আশরাফুল আলম, তৈয়াবুর রহমান, মাসদিদ, সোহেল রানা, আতাউর রহমান, মেসবাউল হক, মোস্তাকিম, আব্দুল্লাহ আল সুমন, মোঃ রজব আলী, শাহাদত হোসেন, পিয়ারুল ইসলাম, কাউসার আলী, সাজিদুল ইসলাম, কাউসার আলম, কাউসার রহমান ও আরিফ হোসেন। তাদের কাছ থেকে নগদ ৭ হাজার ৬০টাকা এবং ১৪ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে ওই অফিসের গোপন দুইটি রুম থেকে ভিকটিম ফরিদ উদ্দিন, বাবু খন্দকার, শামীম খন্দকার, মোঃ বিল্লাল খান শাকিল হোসেন, শাহাদাত হোসেন, জুয়েল মিয়া, আকরাম হোসেন, তানজিদ হোসেন, মোঃ নাহিদ হাসান, সানা উল্লাহ পাটোয়ারী ও শ্রী তন্ময় কুমারকে উদ্ধার করা হয়। তন্ময় কুমার ছাড়া উদ্ধারকৃত সবার বাড়ি চাঁদপুরে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে, তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক দলের সক্রিয় সদস্য। তারা একে অপরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে লাইফওয়ে বাংলাদেশ (প্রাঃ) লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠান চালু করে দেশের সাধারণ মানুষের বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে তাদেরকে চাকুরী দেওয়ার নামে গোপন কক্ষে বন্দি করে রেখে অভিনব কায়দায় প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে আসিতেছিল। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বাসন থানায় মামলা করা হয়েছে।
কিশোরীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে মাকে কামড়ে জখম
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : পাথরঘাটা উপজেলায় ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে এক কিশোরী ও তার মাকে কামড়ে জখম করেছে এক বখাটে। ঘটনার পর তাদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে মামলা করেছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, কিশোরী পাথরঘাটার একটি বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী তানভীর তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। একপর্যায়ে ছাত্রীর বাবা তানভীরের বাবার কাছে ছেলের এসব ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত শনিবার বিকালে তানভীর ঘরে ঢুকে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ছাত্রীর মা পাশের বাড়ি থেকে এসে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে তানভীরকে জুতাপেটা করে।তখন ছাত্রী ও তার মায়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে জখম করে পালিয়ে যায় তানভীর। পরে ছাত্রীর বাবা এসে তাদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা বলেন, চারদিন চিকিৎসা দেয়ার পর গত বুধবার পাথরঘাটা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নেয়ায় গতকাল আদালতে মামলা করেছেন তিনি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পাথরঘাটা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা পারভীনকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। পাথরঘাটা থানার ওসি মো. হানিফ সিকদার মামলা না নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করতে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতো। পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা পারভীন বলেন, আমি এরকম একটি ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ ও মামলার কপি হাতে পাইনি। মামলার কপি হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।