মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
কারাদণ্ড হবে কোন বাড়িতে এডিসের প্রজননক্ষেত্র থাকলে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) আওতাধীন যেসব বাড়িতে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র কিংবা লার্ভা পাওয়া যাবে, ওইসব বাসার মালিককে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র সাঈদ খোকন। আগামী ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে ডিএসসিসির এই অভিযান। সোমবার নগর ভবনের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জনান তিনি। স্বচ্ছ ঢাকা কর্মসূচির আওতায় চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং এডিস মশক নিধনে করণীয় নির্ধারণে এ সভার আয়োজন করা হয়। মেয়র বলেন, আমরা আগামীকাল গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবো। সব নাগরিক যেন তার বাসা পরিচ্ছন্ন রাখেন। আগামী ৮ এপ্রিল থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবো আমরা। তিনি বলেন, যেসব ভবনে এডিসের প্রজনন ক্ষেত্র কিংবা লার্ভা পাওয়া যাবে, ওইসব বাসার মালিককে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। ডিএসসিসির আইন ২৬৯-৭০ অনুযায়ী এই জরিমানা করা হবে। আমরা সবাইকে নোটিশ দেব। আপনারা নাগরিকরা অনুগ্রহ করে বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখবেন। মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, মশা নিধনে দুই সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন কাজ করছে। কিন্তু এই কাজগুলো সঠিকভাবে চলছে কি না সেজন্য মনিটরিং সেল করতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিও নিতে হবে। চলতি বছর ডেঙ্গুর বেশি আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, আমি মশা মারবো, প্রতিবেশি মারবে না, তাহলে লাভ হবে না। তাই সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি অফিসসহ সবার জন্য কঠোর নির্দেশ দিতে হবে- যদি কারো ছাদে অপরিষ্কার পানি পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চত করতে হবে। বিএসআরআইয়ের পিএসও ড. দেবাশীষ সরকার বলেন, ঢাকার অনেক ফাস্ট ফুডে অ্যারোসল ব্যবহৃত হয়। এই বিষয়টি দেখার জন্য সিটি কর্পোরেশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, মশা যেখানে ডিম পাড়ে সেখানেই মরণফাঁদ তৈরি করতে হবে। সভায় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী খান মোহাম্মদ বিল্লাল, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জোনারেল সালাহউদ্দিন ও আইডিসিআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নুজহাত নাসরীনসহ অন্য কর্মকর্তা ও কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী স্বচ্ছ ঢাকা অভিযান চালাচ্ছে ডিএসসিসি। গত ১৭ মার্চ থেকে যা শুরু হয়েছে।
২৩ জনের লাশ ঢাকায় আসছে আজ
কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে প্লেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২৩ মরদেহ ঢাকায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এয়ারফোর্সের একটি প্লেনে করে তাদের পাঠানো হবে। রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস জানিয়েছেন, এয়ারক্রাফট যতদ্রুত পৌঁছাবে তত দ্রুতই মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানো হবে। আশাকরি দুপুর ২টা নাগাদ মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে। অবশিষ্ট তিন মরদেহ শনাক্ত হওয়া সাপেক্ষে শিগগিরই দেশে পাঠানো হবে। এ পর্যন্ত মোট ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের জানাজা শেষে সোমবারই দেশে পাঠানো হচ্ছে। বাকি তিন বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। তারা হলেন- নজরুল ইসলাম, পিয়াস রয় ও আলিফুজ্জামান। তাছাড়া দুর্ঘটনায় আহত শাহীন ব্যাপারি নামে আরো একজনকে রোববার বিকেলে ইউএস-বাংলার তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) আহত যাত্রী শাহরিন আহমেদ, শুক্রবার (১৬ মার্চ) মেহেদী হাসান, কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও আলমুন নাহার অ্যানি এবং শনিবার (১৭ মার্চ ) শেখ রাশেদ রুবায়েত ঢাকায় ফিরেছেন। তারা সবাই ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। এ নিয়ে প্লেন দুর্ঘটনায় আহত ৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। এতে নিহত হন ৪৯ জন। যাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। আর আহত হন ১০ বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ডা. রেজওয়ানুল হক শাওন ও ইমরানা কবির হাসিকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকায় আনা হয়েছে শাহীন, তার আগে মেহেদী হাসান, তার স্ত্রী কামরুন নাহার স্বর্ণা, আলমুন নাহার অ্যানি, শেহরিন, শেখ রাশেদ রুবায়েত ও রোববার আনা হয়েছে শাহীন ব্যাপারিকে। বাকি দু’জনের মধ্যে ইয়াকুব আলীকে দিল্লি অ্যাপোলো হাসাপাতালে চিকিৎসার জন্য বিকেলেই পাঠানোর কথা। কবির হোসেন নামে অপর যাত্রীকে আনা হবে সোমবার।
চড়া দামে গ্রীষ্ণের ফল তরমুজ রাজশাহীতে
গ্রীষ্ণের ফল তরমুজ। এক ফালি তরমুজ যেন উত্তপ্ত দিনে একটু প্রশান্তি এনে দেয়। তাই গ্রীষ্ণেই তরমুজের চাহিদা থাকে ব্যাপক। কিন্তু এবার একটু আগেই রাজশাহীর বাজারে দেখা মিলছে ফলটির। গ্রীষ্ণকাল শুরু না হলেও শহরের বেশ কয়েকটি দোকানে বিক্রি করছে ছোট ছোট তরমুজ। ছোট আকৃতির এই ফল দামে পছন্দ না হলেও শখের বশেই কিনছেন অনেক। কেউবা আবার ছোট্ট সোনামনির আবদার রক্ষার জন্য দামের দিকে খেয়াল না করেই বেশি দাম দিয়ে কিনছেন। বাজারে নতুন হওয়ায় তরমুজের দাম একটু বেশি বলেই স্বীকার করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, বাজারে যে তরমুজ দেখা যাচ্ছে তা রাজশাহীর নয় বাইরের। তাই বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে তাদের। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় এবার কোনো তরমুজই চাষ হয়নি। তবে গত বছর চাষ হয়েছিল ১০ হেক্টর জমিতে। অতিবৃষ্টি আর নি¤œমানের বীজের কারণে চাষিরা ক্ষতিতগ্রস্ত হওয়ায় এবার এক বিঘা জমিতেও চাষ হয়নি তরমুজ। তরমুজ চাষ সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগের কোনো প্রকল্পও চালু নেই। বাজারে যে তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে তা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমদানি করা। রবিবার সকালে রাজশাহী নগরীর শালবাগান আড়তে এক ট্রাক তরমুজ নিয়ে আসেন ব্যবসায়ী রহমত উল্লাহ। তিনি বলছিলেন, বরিশাল, গাইবান্ধা, নোয়াখালি ও সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলে এবার আগাম তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। সেসব স্থান থেকেই তরমুজ আসছে রাজশাহীতে। তিনি প্রতি ১০০ তরমুজ কিনেছেন ৮ হাজার টাকায়। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে গাড়িভাড়া। তাই খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে। নগরীর সাহেববাজারে খুচরা তরমুজ বিক্রি করছিলেন ফল ব্যবসায়ী আবদুল মজিদ। তিনি জানালেন, প্রতিটি তরমুজের গড় ওজন আড়াই কেজি। আড়ৎ থেকে তিনি কিনেছেন প্রতিকেজি ৪০ টাকা দরে। বিক্রি করছেন ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। বাজারে নতুন আসায় তরমুজের দাম একটু বেশিই বলে জানান এই ব্যবসায়ী। আরেক ব্যবসায়ী মজিবর রহমান বলেন, গরম যত বাড়বে তরমুজের বিক্রিও তত বাড়বে। প্রথম দিকে দাম একটু বেশিই থাকবে। তবে কিছু দিন পর তরমুজের দাম কমে আসবে। সপ্তাহের প্রথম দিন থেকে তিনি তরমুজ বিক্রি করছেন। এখন প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে তার। এতে লাভ ভালো হচ্ছে বলেও জানান মজিবর রহমান। তবে আবদুর রহমান নামে তরমুজের এক ক্রেতা বললেন, ব্যবসায়ীরা দাম চাইছেন বেশি। দাম শুনেই যেন গলা শুকিয়ে কাঠ। শুধু ছোট বাচ্চা পছন্দ করে বলে তিনি কিনলেন। তা না হলে এখন কিনতেন না। দাম বেশি হওয়ায় বাজারে এখনও তরমুজ কেনার হিড়িক পড়েনি। জেলায় চাষ হলে কম দামে তরমুজ পাওয়া যেত বলেও মনে করেন তিনি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক বললেন, তরমুজ সাধারণত চরের জমিতে ভালো হয়। কিন্তু রাজশাহীর চরগুলোতে তরমুজ চাষ শুরু হয়নি। গত বছর মাঠের ১০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল। অতিবৃষ্টিতে তরমুজ ভালো হয়নি। তাই কেউ এবার চাষই করেননি। চরাঞ্চলে তরমুজ চাষ সম্প্রসারণের কথা তারা ভাবছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে কোনো প্রকল্প চালু নেই।
ইটের ভাটায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু যশোরে
যশোরে ইটের ভাটায় কাজ করার সময় মাটি চাপা পড়ে হযরত আলী (১৮) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুড়ি ইউনিয়নের ওয়াদিপুর গ্রামের ইমরান হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় একটি দখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলো। মৃত হযরত আলীর ভাই ইসলাম হোসেন জানান, পড়াশুনার পাশাপাশি হযরত আলী স্থানীয় সুপার ওয়ান-১ ইটের ভাটায় কাজ করতো। রোবাবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ভাটার ঢিবিতে কোদাল দিয়ে মাটি কাটছিল। এ সময় হযরত অসাবধানতাবশত মটির ঢিবি থেকে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার এম আব্দুর রশিদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এর সদস্যগনের অবগতির জন্য জরুরী বিজ্ঞপ্তি
সকলের অবগতির জন্য যানানো যাইতেছেযে,সুনাম খ্যাত মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর বিভিন্ন পদ পদবীর নাম দিয়ে ভূয়া পরিচয় পত্র (আইডি কার্ড) বানিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে বেশ কিছু ব্যক্তি দূর্নীতি ও প্রতারণা করার বিষয়ে এমজেএফ এর চট্টগ্রাম জেলার চেয়ারম্যান মৌখিক ভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে অবগত হয়েছেন। তাই সংস্থার সুনাম রক্ষার্থে এমজেএফ এর সদস্যদেরকে যত্রতত্র আইডি কার্ডের কপি প্রদান, যে কোন ব্যক্তির বিষয়ে ভালোভাবে না জানা পর্যন্ত সংস্থায় সদস্য করন এবং যে কোন ধরণের অপরাধীদের সাথে যোগাযোগ বা আআশ্রয় প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য সকল সদস্যর প্রতি অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। যে কোন ব্যক্তি আমাদের এমজেএফ এর সদস্য পরিচয় দিলে তাকে সনাক্ত করার জন্য আমাদের ওয়েবসাইট www.mjfctg.com ভিজিট করুন। ভূয়া প্রমানে উক্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ঠ থানায় সোপর্দ্দ করার জন্য নির্দেশ ক্রমে অনুরোধ করা যাচ্ছে। নিবেদক চেয়ারম্যান,এমজেএফ মোবাইল নংঃ ০১৮২৪-২৪৫৫০৪
পাবনা-১ আসনে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলের তৎপরতা
আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাবনা-১ আসনে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলের তৎপরতা। বারবার হাতবদল হলেও এ আসনটি পরিচিত বিএনপি-জামায়াত জোটের দুর্গ হিসেবে। তবে গেলো দুই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টানা জয়ে সে হিসেবে নিকেশকে পাল্টে গেছে অনেকটাই। সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্যে আগামী নির্বাচনেও জয় নিয়ে আশাবাদী ক্ষমতাসীন দল। আর আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি খুঁজছে হেভিওয়েট প্রার্থী। ১৯৯১ সালে পাবনা-১ আসনে নির্বাচিত হন বিএনপির মঞ্জুর কাদের। পরের নির্বাচনে জয় পান আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। ২০০১ সালে আসনটি যায় জামায়াতের দখলে। নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে জয়ে পায় আওয়ামী লীগ। এ অবস্থায় আগামী নির্বাচনকে ঘিরে তোড়জোড় শুরু হয়েছে এ সংসদীয় এলাকায়। বিশেষ করে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় ক্ষমতাসীন দল। এ কারণে নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য নিজাম উদ্দিন বলেন, 'দল যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা তার হয়ে কাজ করবো। আমাকে ছাড়াও যদি কাউকে দেয়, তারপরও আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।' পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাহবুব দেলোয়ার বলেন, 'জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিলে এই আসন থেকে জয়লাভ করবো। ইনশাল্লাহ।' এদিকে দলীয় প্রধানের মুক্তিসহ নানা দাবিতে মাঠে থাকলেও আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকতে হেভিওয়েট প্রার্থী বাছাইয়ে সতর্ক দলটি। পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বিএনপি সভাপতি মাহবুব মোর্শেদ জ্যোতি বলেন, 'আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞবোদ্ধ এটা আমাদের সিট। আমাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে।' পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বিএনপির উপদেষ্টা খায়রুন নাহার মিরু বলেন, 'তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমরা সঙ্গে আছে, থাকবে। কারণ আমার সঙ্গে কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই।' সাঁথিয়া উপজেলার ১০টি ও বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নিয়ে গঠিত পাবনা-১ আসন। মোট তিন লাখ ৭১ হাজার ভোটারের মধ্যে নারী-পুরুষ প্রায় সমান।
বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সুধী সমাবেশে অতিথিরা,চট্টগ্রামের জন্য আলাদা পাতা দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:চট্টগ্রামের জন্য 'বাংলাদেশ প্রতিদিন'-এ আলাদা পাতা দাবি করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভাবনার চিত্র সুনিপুণ ভাবে তুলে ধরার জন্য শুক্রবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে পত্রিকাটির ভূমিকার প্রশংসা করেন আগত অতিথিরা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কাটেন চট্টগ্রামের মেয়র।এতে অন্যান্য অতিথিরাও পৃথক দফায় কেক কেটে মিষ্টিমুখে মেতে ছিলেন প্রাণের উচ্ছ্বাসে। কেক, মোয়া, মন্ডা মিঠাই, মিষ্টির ঘ্রাণ আর ফুলের সৌরভে আনন্দের ঢেউ খেলে যায় অনুষ্ঠানস্থলে। সাথে যুক্ত হয় স্বপ্ন আর প্রত্যাশার কথামালা। বাংলাদেশ প্রতিদিনের চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ ও বিশেষ প্রতিনিধি রিয়াজ হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে চট্টল মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন ছাড়াও বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বিপিএম পিপিএম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক শাহাজাদা মহিউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী, জনকণ্ঠের ডেপুটি এডিটর মোয়াজ্জেমুল হক, প্রথম আলোর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ওমর কায়সার ,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. বেনু কুমার দে, ড. জিনবোধি ভিক্ষু, ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী, শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সভাপতি সৈয়দ লকিয়ত উল্লাহ, সম্মিলিত আবৃত্তি জোট সভাপতি অঞ্চল চৌধুরী, নারীনেত্রী রেহেনা কবির রানু, সাংবাদিক হাউজিং কো-অপারেটিভ পরিচালক কাজী মহসিন, জুনিয়র চেম্বার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, বর্তমান সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, গ্রুপ থিয়েটার ফোরামের সাইফুল আলম বাবু, ডা. সৌমিত্র বড়ুয়া হীরক, নাট্যজন জাহাঙ্গীর আলম, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বাবু, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন রেজা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক অর্থ সম্পাদক আবসার মাহফুজ, এক্স কাউন্সিলর ফোরাম সমন্বয়কারী মো. জামাল উদ্দিন, কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী ও শৈবাল দাশ সুমন, চট্টগ্রাম মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন দেবনাথ, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য এড. উম্মে হাবিবা, উন্নয়ন সংগঠক উৎপল বড়ুয়া,মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর,পূর্বদেশের সম্পাদনা সহকারী নীলরতন বড়ুয়া, পূর্বতারা সম্পাদক সাইফুল আলম রানা, জহুর আহমেদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক শরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়কারী জিনাত সোহানা চৌধুরী,ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি গাজী সিরাজ উল্লাহ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত হোসেন কচি, তরুণ সংগঠক মাহমুদুর রহমান শাওন, পরিবর্তন-চট্টগ্রাম সদস্যসচিব এহসান আল কুতুবী প্রমুখ। এছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিদিন'কে শুভেচ্ছা জানান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেব দুলাল ভৌমিক ও ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিইউজে টিভি ইউনিটের প্রধান গাজী টিভির ব্যুরো প্রধান অনিন্দ্য টিটো, সিনিয়র সাংবাদিক জালাল উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, আজকের সূর্যোদয়ের সহকারী সম্পাদক জুবায়ের সিদ্দিকী,সিপ্লাস টিভি সম্পাদক আলমগীর অপু, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক নির্বাহী সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম , সাংবাদিক খোরশেদুল আলম শামীম, সময় টিভির ব্যুরো প্রধান প্রমল কান্তি দে কমল, সিনিয়র রিপোর্টার পার্থ প্রতীম বিশ্বাস, কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার শিমুল নজরুল, বাংলা নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডট কমের সিনিয়র রিপোর্টার আল রহমান, বণিক বার্তার আলী মর্তুজা, নিউজ টুয়েন্টি ফোরের নয়ন বড়ুয়া জয়, বাংলা টিভির একে আযাদ, বিপ্লব পার্থ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ছড়াকার চৌধুরী আহসান খুররম ও চম্পক চক্রবর্তী, লেখক জোৎস্না কায়সার, সংগ্রামের ওমর ফারুক ও মিন্টু, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, শিল্পী লোপা মুৎসুদ্দী,নারীনেত্রী নবুয়াত আরা সিদ্দিকী, কাবেরী আইচ, রুমকী সেনগুপ্ত, অ্যাডভোকেট মোস্তফা এমরান সোহেল, জোবায়দা সরওয়ার নীপা, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, যুবনেতা হেলাল উদ্দিন,রবিউল হোসেন, হাসান মুরাদ চট্টগ্রাম আইনজীবী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি এড. টিপু শীল জয়দেব, তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের মুজাহিদুল ইসলাম, বোধনের বিপ্লব শীল, সংবাদ পত্র কম্পিউটার অপারেটর এসোসিয়েশনের পক্ষ রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ হারুন, কায়েস চৌধুরী, প্রকাশ পাল, কনকর্ডের বিশ্বজিত, কারিকার সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। এদিকে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতাদের মধ্যে সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান তারেক, ছাত্রদল নেতা বেলায়েত হোসেন বুলু, আবু সাঈদ সুমন, ফয়সাল বাপ্পী, বোরহান উদ্দিন গিফারী, ফাহিমা শারমিনসহ অনেকেই ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুজা উৎযাপন পরিষদ, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ও ফোরাম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বোধন, আলোর মিছিল, মানবাধিকার কমিশন, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, জাতীয় ছাত্রসমাজের বিভিন্ন শাখাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ঢাকার নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করার দাবি
রাজধানী ঢাকার নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ও জয় বাংলা মঞ্চ নামে দুইটি সংগঠন। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে। যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুকে ১৪ বছর জেল খাটতে হয়েছে এবং অনেক নির্যাতন-নিপীড়ন ভোগ করতে হয়েছে। পরপর দুইবার ফাঁসির মঞ্চের কাছাকাছি গেছেন (৬৯ ও ৭১ সালে)। তাই বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতেই দেশের রাজধানীর নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করা সময়ের দাবি। জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এমএ জলিলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জয় বাংলা মঞ্চের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী প্রমুখ।