দীঘিনালায় গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্যসহ নিহত ২
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার বানছড়ি প্রেসবাজারে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) প্রসিত গ্রুপের এক সদস্যসহ দুজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল পোনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন পুলিশ সদস্যরা। নিহত দুজন হলেন, বাঙাল্লা চাকমা (৩৫) ও বাবুল চাকমা (৩০)। এরমধ্যে বাঙাল্লা চাকমা অটো রিকশাচালক এবং বাবুল চাকমা ইউপিডিএফ সদস্য। এ ব্যাপারে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) প্রসিত গ্রুপের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতির সংস্কার গ্রুপের সন্ত্রাসীদের দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ইউপিডিএফ সদস্য ছাড়াও টমটম চালক গ্রামবাসী মারা গেছেন। আমি এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
কিশোরগঞ্জে এবার করোনা জয় করে সুস্থ হলেন এক চিকিৎসক
২৭এপ্রিল,সোমবার,মোনায়েম হোসেন,কিশোরগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এবার করোনাভাইরাসমুক্ত হয়েছেন একজন চিকিৎসক। ডা. আরিফ আহমেদ জনি নামে ওই চিকিৎসক করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছেন। কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউজ একাত্তরকে জানান, গত ১২ এপ্রিল ডা. আরিফের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইপিএইচ-এ পাঠানো হয়। ১৩ এপ্রিল পাওয়া রিপোর্টে তার কোভিড-১৯ পজেটিভ আসে। পরে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ডা. আরিফের নমুনা পুনরায় পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পর পর দুটি নমুনা পরীক্ষায় তার কোভিড-১৯ নেগেটিভ আসায় সোমবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান আরও জানান, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে বর্তমানে ২৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ জেলায় রবিবার পর্যন্ত মোট ১৭৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে করোনাভাইরাসমুক্ত হন ইটনা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশীদ।
ট্রাক থেকে গাঁজা-ফেনসিডিল উদ্ধার, আটক ২
২৭এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রংপুরের কাউনিয়ায় পাথর ভর্তি একটি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ৪৫ কেজি গাঁজা ও ১৭৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে RAB-13। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান সিপিএসপি RAB-13 এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার এএসপি আহসান হাবীব। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে কাউনিয়া উপজেলার হলদিবাড়ী এলাকার সামনের একটি ফিলিং স্টেশনের কাছে রংপুর-লালমনিরহাট সড়কে অভিযান পরিচালনা করে RAB। এ সময় পাথর ভর্তি একটি ট্রাকে সু-কৌশলে রাখা ৪৫.৫ কেজি গাঁজা ও ১৭৬ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ট্রাক চালক শামীম ইসলাম (২২) ও চালকের সহকারী মশিয়ার রহমানকে (২০) আটক করা হয়। তাদের একজন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এবং অপরজন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বাসিন্দা। অভিযানে ওই দু'জনের কাছ থেকে পাথরসহ ট্রাক, দুইটি মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ ৪৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। RAB এর দাবি, গ্রেফতার শামীম ও মশিয়ার পেশাদার মাদক কারবারি। ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি বাড়ি হওয়াতে তারা পরিবহন শ্রমিকের আড়ালে ওই এলাকাতে মাদক সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছে। মাদক চোরা চালান ও কারবারির কথাও স্বীকার করেছেন। ট্রাকটি লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর সীমান্ত থেকে পাথর বোঝাই করে ঢাকার উদ্দেশে আসার পথে হাতিবান্ধাতে বিশেষ কায়দায় ট্রাকে গাঁজা ও ফেনসিডিল পাথরের ভেতরে রাখা হয়। দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত এলাকা থেকে সু-কৌশলে বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের সঙ্গে মাদকের বড় বড় চালান এনে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
২৭এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন ত্রাণবঞ্চিতরা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে দিনাজপুর সদর উপজেলার দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের দরবারপুরে এ অবরোধ করেন তারা। দুপুর ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পযর্ন্ত অবরোধ চলছিল।দিনাজপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার রহমান ঘটনাস্থলে থেকে বিক্ষুব্ধদের শান্ত করার চেষ্টা করছেন।বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করে বলেন, সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরবন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অশোক কুমার রায় নিজের আত্মীয়দের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন। অথচ আমরা না খেয়ে আছি। আমাদের এখন পযর্ন্ত ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের জীবন চলে গেলে যাক, কিন্তু আমরা ত্রাণ চাই।
একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার
২৭এপ্রিল,সোমবার,গাজীপুর প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি পারভেজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাজীপুর জেলা পিবিআইয়ের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) হাফিজুর রহমান জানান, গতকাল রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শ্রীপুর উপজেলার আবদার এলাকা থেকে মূল আসামি পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতার পারভেজ আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি ছাড়াও হত্যাকাণ্ডে আরও বেশ কয়েকজন অংশ নিয়েছিলেন। পিবিআইয়ের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) হাফিজুর রহমান বলেন, রাতে পারভেজকে আবদার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব স্বীকার করে। পরে তাকে নিয়ে অভিযানে বের হয় পিবিআই। এ সময় পারভেজের ঘর থেকে তার দেখানো মতে রক্তমাখা কাপড় ও মাটির নিচে চাপা দেয়া অবস্থায় মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি পায়জামার ভেতর থেকে তিনটি গলার চেইন, নিহত ফাতেমার কানের দুলসহ কিছু স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানায় পবিআই। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে মা ও তিন সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা- বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
ছুঁয়েও দেখেনি তার আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা,বাড়ির সিঁড়িতে পড়েই মারা যান এক ব্যবসায়ী
২৬এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে গলাচিপা এলাকায় করোনার উপসর্গ নিয়ে বাড়ির সিঁড়িতে পড়েই মারা যান এক ব্যবসায়ী। তবে নির্মম এই মৃত্যুর পর মরদেহ ছুঁয়েও দেখেনি তার আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা। স্ত্রী কন্যাদের কান্না দেখেও মন গলেনি তাদের। মৃত ওই ব্যবসায়ী কালীরবাজারে একটি অভিজাত কনফেকশনারীর মালিক। তিনি স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়ে নিয়ে বসবাস সেখানে করতেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে খবর পেয়ে মরদেহ সংগ্রহ করেন নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তিনি ও তার দলের লোকজন সৎকার সম্পন্ন করেন। মৃতের সম্প্রদায় কিংবা তার স্বজনরা কেউ না আসায় মুখাগ্নি করেন কাউন্সিলর খোরশেদ নিজেই।সময় টিভি। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই ব্যক্তির বাড়িতে তার স্ত্রী ও দুটি ছোট ছোট মেয়ে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা যখন খারাপ হয় তখন আশপাশের ফ্ল্যাটে থাকা তার বন্ধুদের এবং পরিচিত আত্মীয় স্বজনদের ডেকেছিলেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কেউ তার ডাকে সাড়া দেয়নি। পরে স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়েই বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে নামিয়ে আনছিলেন। তবে নামানোর পথে সিঁড়িতেই তিনি মারা যান। এরপরও কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে কাউন্সিলর খোরশেদকে খবর দেওয়া হয়। কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ জানান, সকালের দিকে যখন তিনি করোনা পজিটিভ এক নারীর দাফন করছিলেন; তখন তার কাছে ফোন আসে। জানতে পারেন ওই ব্যবসায়ী মারা গেছেন। কিন্তু তার আত্মীয় স্বজন বিষয়টি ফোন করে জানালেও কেউ মরদেহের কাছে আসেনি। খোরশেদ বলেন, শহরের গলাচিপায় এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবসায়ী তিনি। তিনিসহ তার ৭ বন্ধু মিলে একটি সাততলা ভবনটি তৈরি করেছিলেন। সেখানে থাকতেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ওই ভবনের তিন এবং চারতলার মাঝামাঝি সিঁড়িতে তার মরদেহ পড়ে আছে। পরে তার সৎকারের ব্যবস্থা করি।
মসজিদে শারীরিক দূরত্ব না মানায় ১০৮ মুসল্লির জরিমানা
২৬এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি নিষেধ অমান্য করে শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ১০৮ জন মুসল্লিকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (২৬ এপ্রিল) যোহর নামাজের সময় এ অভিযান পরিচালনা করেন সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্ষেমালিকা চাকমা। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের দেয়া নিষেধ অমান্য ও শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখে উপজেলার ছাতারপাইয়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনেক মুসল্লি একত্রিত হয়ে যোহরের নামাজ আদায় করছেন- এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যোহরের নামাজের সময় ছাতারপাইয়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রায় ৩’শ মুসল্লি একত্রিত হয়। সরকারি নিষেধ অমান্য করে শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখার অপরাধে ১০৮ জন মুসল্লিকে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। একই সাথে মসজিদের অন্য মুসল্লিদের সাবধান করা হয়েছে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাইকে বাড়িতে নামাজ পড়ার অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, শারীরিক দূরত্ব ছাড়াও বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে দোকান খোলা, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করার অপরাধে সেনবাগ বাজার, ছমির মুন্সিরহাট, কানকিরহাট, সেবারহাট এবং ছাতারপাইয়া বাজারের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
ইসকন মন্দির লকডাউন
২৬এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার স্বামীবাগের ইসকন মন্দির লকডাউন করা হয়েছে। মন্দিরের ৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর শনিবার সকালে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্দিরটি লকডাউন করা হয়। আক্রান্তদের মধ্য মন্দিরের পুরোহিত সেবায়েতরা রয়েছেন।আক্রান্ত সবাই মন্দিরের ভেতরে অবস্থান করছেন। লকডাউনের পর বাহিরে থেকে কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। মন্দিরের ওপর পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গেণ্ডারিয়া থানার ডিউটি অফিসার উপ পরিদর্শক এনায়েত করিম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার রাতে মন্দিরের ৩৬ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে শনিবার সকালে পুলিশ মন্দিরটি লকডাউন করে দিয়েছে। আপাতত আক্রান্তদের ভেতরেই রাখা হয়েছে। মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের একজন সহকারি উপ পরিদর্শকও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে তিনি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের কারণে ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষ বেশ কিছুদিন ধরে বাইরের কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছিলো না। আগে থেকেই এই ৩৬ জন ভেতরে অবস্থান করছিলেন। কিছুদিন ধরে তাদের কয়েকজনের মধ্য করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। তাই সবার একসঙ্গে করোনা পরীক্ষা করলে রেজাল্ট পজিটিভ আসে।
৪৯২ উপজেলায় আনসার ভিডিপির ত্রাণ বিতরণ
২৬এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপি বিস্তৃত প্রায় ৬১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী ভিডিপি সদস্যদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী । এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ঢাকা রেঞ্জের ১৩টি জেলার ৮৮টি উপজেলা এবং ঢাকা মহানগরের ২০টি থানাসহ সর্বমোট ১০৮টি উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। এতে ৩২ হাজার ৪শজন স্বেচ্ছাসেবী ভিডিপি-টিডিপি সদস্যদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ সম্ভব হয়েছে। আনসার ভিডিপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ঢাকা জেলার সাভার, ধামরাই, কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহার এই পাঁচটি উপজেলায় আজ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, পরিচালক ও রেঞ্জ কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, ঢাকা রেঞ্জ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আফজাল হোসেন, জেলা কমান্ড্যান্ট, ঢাকা, মো. শরফুজ্জামান, সহকারী পরিচালক (স্পেশাল) ও মো. আশরাফুল হক, সহকারী পরিচালক (টিডিপি) এবং ঢাকা জেলার বাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৫ লোখ ৫০ হাজার মানুষের এক সপ্তাহের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের ৬৪টি জেলার প্রতি উপজেলায় ৩০০টি পরিবার হিসেবে ৪৯২টি উপজেলায় মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬শ পরিবার এবং ঢাকা মহানগরের ২০টি থানায় ৬শটি পরিবারের মধ্যে এক সপ্তাহের খাবার হিসেবে চাল, ডাল, তেল, আলু, পিয়াজ, সাবান ও মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এতে প্রতি পরিবারে গড়ে চার জন করে প্রায় ৬ লাখ মানুষ এক সপ্তাহের খাবারের আওতায় আসবে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর