চাঁদপুরে বজ্রপাতে একই পরিবারের ৪ জন নিহত
০৬অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁদপুর শহরের পর্যটন কেন্দ্র বড় স্টেশন মোলহেডে কুমিল্লা থেকে বেড়াতে আসা একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- অহিদা বেগম (৬০), তার মেয়ে রেহানা বেগম (৩২), নাতি সাব্বির হেসেন (১৪) ও নাতনি সামিয়া (১০)। অহিদা বেগমের বাড়ির কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলায়। মেয়ে রেহানা বেগমের স্বামীর বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আন্দির পাড় এলাকায়। ঘটনার সময় নিহতের সাথে থাকা আরেক মেয়ে শাহিদা বেগম বলেন, তার মা ও বোনসহ চারজন দুপুরে ঘুরতে আসেন বড় স্টেশন মোলহেডে। হঠাৎ বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে তারা সবাই আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নিহত চারজনের মরদেহ বর্তমানে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। অপরদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারো হাত নেই। নিহতদের পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।-আলোকিত বাংলাদেশ
প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী
০৫অক্টোবর,শনিবার,খুলনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেইসবুকে পরিচয়ের সূত্রে প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে গিয়ে একদল যুবকের ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক নবম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী। শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন খুলনা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ। এ ঘটনায় খুলনার রূপসার শ্রীফলতলার আব্দুর রশিদ ঢালীর ছেলে শরিফুল ইসলাম (২০), আলী হায়দারের ছেলে আসাদুল মোড়ল (২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের শাহ আলম হাওলাদার কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের মাসুম শেখের ছেলে নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের তৈয়েব শেখের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আবুল কাশেমের ছেলে সোহেল রানাকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকেও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী মেয়েটি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানা বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে। তার মা খুলনা নগরে থাকেন। মেয়েটি ফেইসবুকে পরিচয় সূত্রে মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামের এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় উল্লেখ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, মেয়েটি মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়।সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম এবং সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। ওই রাতে নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি টের পেয়ে নিয়ামুলের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং নাইম শেখ (১৯) ও মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮) এ কাজে সহায়তা করে বলেও জানান তিনি। মেয়েটি বাসায় ফিরে ঘটনা জানালে গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ঝুঁড়ি থেকে মিলল প্রায় ২২০০০ ইয়াবা
০৪ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ের ঝিমংখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ হাজার ৯৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৩ অক্টোবর মধ্যরাতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হোয়াইক্যং ঝিমংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ ৬নং স্লুইচ গেইট এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিমংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত এলাকায় গমন করে এবং ঝিমংখালী খালের নিকটের প্রান্তে অবস্থান গ্রহণ করে। কিছুক্ষণ পর টহলদল খালের পার্শ্ব দিয়ে ৩ জন ব্যক্তির চলাচল লক্ষ্য করা মাত্রই তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু সন্দেহভাজন লোকজন বিজিবি টহলদলেরর নিকট আত্নসর্মপন না করে উক্ত স্থান হতে পালানোর চেষ্টা করে এবং নিকটবর্তী পুকুরে লাফিয়ে পড়ে উক্ত স্থান হতে পালিয়ে যায়। উল্লেখিত সময় খালে প্রবল স্রোত থাকার কারনে টহলদলের সদস্যরা অপরপ্রান্তে পৌঁছে আসামিদের ধাওয়া করতে কিছুটা বিলম্ব হয়। টহলদলের সদস্যরা পরে খালের অপর পার্শ্বে পৌঁছালে চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া একটি ঝুঁড়ির ভিতর থেকে ৬৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা মূল্যের ২১ হাজার ৯৩০পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান,উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়নে জমা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হিলি স্থলবন্দরে পেয়াঁজের দাম কেজিতে কমেছে ৩০ টাকা
০২অক্টোবর,বুধবার,হিলি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত সরকার ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে। সেই সাথে হিলি স্থলবন্দর এলাকার আড়তগুলোতে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিল আড়তদারেরা। তবে সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মজুদদার ও আড়তদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। এরই প্রভাব পড়েছে হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে। কমতে শুরু করেছে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। যে পেঁয়াজ বন্দরের পাইকারি ও খোলা বাজারে ( রোববার, সোমবার, মঙ্গলবার) বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১১০ টাকা দরে। সেই পেঁয়াজ বুধবার সকাল থেকে বন্দরের আড়তগুলোতে প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কমে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। আর এতে খুশি বিভিন্ন স্থান থেকে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা। আড়তগুলোতে দাম কমার সাথে সাথে বন্দর এলাকার খোলা বাজারেও কমেছে পেঁয়াজের দাম, স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। কেজিতে কমেছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। তবে বন্দরের আড়তগুলোতে মজুদকৃত পেঁয়াজ বাজারে যদি ছাড়া হয় এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করা হলে দাম আরো স্বাভাবিক হয়ে আসবে এমনটাই আশা সাধারণ ক্রেতাদের। হিলি স্থলবন্দরের আড়তদাররা জানান, রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরেই বন্দরের বেশির ভাগ আড়তগুলো বন্ধ ছিল, সেই সাথে বেড়েছিল ক্রেতা সমাগম। দুই একটি আড়ত খোলা থাকায় বেশি দামে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ, তবে সব আড়তগুলো আজ খোলা রাখায় পেঁয়াজের দাম কমে এসেছে। তারা আরো জানান, আমদানিকারকরা আমাদেরকে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বলেছে, তাই আমরা বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। আজ তারা কম দামে বিক্রি করতে বলেছে। আমরা তাই কম দামে বিক্রি করতেছি।
উখিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে মিলল ৪ জনের গলাকাটা লাশ
২৬সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়ায় দুবাই প্রবাসী এক ব্যক্তির বাড়িতে তার পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব রত্নাপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে প্রবাসীর মা, স্ত্রী ও দুটি শিশু রয়েছে। নিহতরা হলেন- দুবাই প্রবাসী রোকেল বড়ুয়ার মা সুখিবালা বড়ুয়া (৬৫), তার স্ত্রী মিলা বড়ুয়া (২৬), তাদের ছেলে রবিন বড়ুয়া (২) এবং রোকেলের ভাই শিপু বড়ুয়ার মেয়ে সনি বড়ুয়া (৯)। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল মনসুর জানান, বুধবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাসার ছাদের সিঁড়ি দিয়ে প্রবেশ করে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করেছে উখিয়া থানা পুলিশ। কে বা কারা, কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানান উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এদিকে খবর পেয়ে কক্সবাজার থেকে জেলা পুলিশ সুপার একেএম মাসুদ হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান,আমরা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছি এবং ক্লু উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা, সে কারণে খুব গুরুত্ব সহকারে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পটিয়ার গোবিন্দরখীল এলাকায় ২৪ রোহিঙ্গা আটক
২০সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,পটিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়ার গোবিন্দরখীল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর চারটার দিকে তাদের আটক করে পটিয়া থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- নেজাম উদ্দীন (৬৫), শহীদুল ইসলাম (১৯),শফিক আলম (১৯), আবুল কালাম (৪২), মোহাম্মদ হোসেন (২১), জিয়াউর রহমান (১৯), সাইফুল ইসলাম (১৯), মো. ইউসুফ (২০), নবী হোসেন (২৭), আমিন (৪২), ইলিয়াছ (৩০), আবদুর রাজ্জাক (২৫), নুরুল আমিন (৪০), বশির আহমদ (৫৫), আবু মোনাফ (৬০), আলি আহমদ (১৯), আব্দুস সালাম (৪৮), মো. জুনায়েদ (৪২), মো. কাসেম (৩৯), আনোয়ার ছাদেক (২১), জিয়াউর রহমান (১৯), আহমদ কবির (৪৫), মুজিবুর রহমান (১৯) ও শরিফ (১৯)। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাত চারটার দিকে উপ-পরিদর্শক এনামুল, মোকতার ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মেহেরাজ ও লিটনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম উপজেলার গোবিন্দরখীল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পটিয়ার দক্ষিণভূর্ষি ইউনিয়নের হাইদগাঁও ও পৌর সদরের ১, ২, ৩ ও ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় প্রায় ২০ হাজার রোহিঙ্গা বসবাস করে আসছে। এরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মদ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে বলে এলাকার সাধারণ মানুষ জানান। পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকার স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতা জানান দক্ষিণভূর্ষি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় দীর্ঘদিন হানিফ ও আজিজুর রহমানের (আরজু) কলোনিতে প্রায় ৫০টি রোহিঙ্গা পরিবার বসবাস করে আসছে। স্থানীয়রা আরো জানায়, রোহিঙ্গারা দিনের বেলা রিকশাভ্যান চালানো ও দিনমজুরের কাজ করে। রাতের বেলায় তারা মদ, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকে।স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহলের নেতৃত্বে রোহিঙ্গারা এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উদ্দীন বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ১৯৪৬ সালের ১৪ ধারায় বিদেশি নাগরিক আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমারের ২১০ সিমকার্ডসহ তিন রোহিঙ্গা যুবক আটক
১৭সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে ২১০টি মিয়ানমারের মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সিমকার্ডসহ তিন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থল বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে টেকনাফ থানা পুলিশ। আটকৃতরা হলেন- মিয়ানমারের নুর আলমের ছেলে নুর হাছান (২৪), উখিয়া উপজেলার পালংখালী জাম্পতলী রোহিঙ্গা শিবিরের মো. শরীফের ছেলে রবি আলম ও টেকনাফ মোছনী ক্যাম্পের মো. হোছনের ছেলে মো. সলিম (২৫)। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল ক্যাম্পে বিক্রি করতে আসা তিন রোহিঙ্গাদের ২১০টি মিয়ানমারে সিমকার্ডসহ আটক করে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ বলেন,তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে গেল ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন ভেস্তে যাওয়া ও ২৫ আগস্ট লাখো রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশের আয়োজনের অন্যতম মাধ্যম রোহিঙ্গাদের হাতে মোবাইল ফোনের কারণে। সে বিষয়টি পর্যালোচনা করে সরকার ক্যাম্পে নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখে। মিয়ানমারের সীমান্ত সেদেশের নেটওয়ার্ক টাওয়ার হওয়ায় মিয়ানমারের সিম ব্যবহার করতে শুরু করে।
জিএমপি পুলিশ বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে
১৬সেপ্টেম্বর,সোমবার,গাজীপুর সংবাদাতা,নিউজ একাত্তর ডট কম:যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বলেছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে দ্বৈত শাসন চলছে। এই দ্বৈত শাসন মেনে নেয়া যায় না। যে কাজ করার কথা সিটি করপোরেশনের সেই কাজ করছে জিএমপি পুলিশ। সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা রাস্তায় রিকশা চালকদের মারধর করে; আর দুর্নাম হয় পুলিশের। উভয়পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে এই অবস্থার অবসান করতে হবে। তিনি সোমবার বিকেলে টঙ্গী পূর্ব থানা প্রাঙ্গনে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গৌরবময় সেবার ১ম বার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও গাছা জোনের এসি আশরাফুল ইসলামের (পিপিএম) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি শামসুন্নাহার ভূইয়া, সাবেক এমপি ও গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার কাজী মোজাম্মেল হক, টঙ্গী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, স্থানীয় ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরুল ইসলাম নূরু, সাংবাদিক আফজাল হোসাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন জিএমপি দক্ষিণের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. শাহাদাৎ হোসাইন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম আজাদ, টঙ্গী জোনের এসি আহসানুল হক, টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াস আহমেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রতিমন্ত্রী জিএমপি পুলিশ সদস্যদের কাজের ভূয়সি প্রসংসা করে বলেন, জিএমপি পুলিশ সদস্যরা যানজট নিরসনের মাধ্যমে মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি রাস্তার ময়লা-আবর্জনাও পরিষ্কার করছে। এমনকি তারা আবর্জনা অপসারণ করে সেসব স্থানে বৃক্ষ রোপন করে দৃষ্টি নন্দন পরিবেশ তৈরি করছে। অথচ এই কাজ করার কখা ছিল সিটি করপোরেশনের। এসব কাজ করে জিএমপি পুলিশ বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি আরো বলেন, প্রধান সড়কের পাশাপাশি শাখা সড়কগুলোতেও অটো রিকশা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে নগরবাসীর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অটো রিকশা বন্ধ না করে; আগে অটো রিকশা তৈরির কারখানাগুলো বন্ধ করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, রাস্তায় কে থাকবে; পুলিশ নাকি সিটি করপোরেশন সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একটা জায়গায় দুই শাসন চলতে পারে না। রাস্তা ঘাটে সিটি করপোরেশনের লোকজনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশের বদনাম হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর এই দিনে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত সাময়িক বরখাস্ত
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঘুষের ভিডিও আলোচিত হওয়ার পর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাশকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। আদেশে বলা হয়, সুব্রত কুমার দাশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী যথাক্রমে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযাগ গুরুতর হওয়ায় এবং অভিযোগের পুর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে তাকে বিভাগীয় মোকদ্দমা চলাকালীন কাজে বহাল রাখা সমীচীন হবে না। তাই সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী সুব্রতকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি সিরাজগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা ও অন্যান্য ভাতা পাবেন বলে আদেশে বলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ও সাংবাদিকদের হাতে আসা ভিডিওতে সুব্রত কুমার দাসকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিতে দেখা গেছে। আরেক ভিডিওতে দেখা যায়, এক দলিল লেখক আনিছ নামের এক কর্মচারীকে কিছু টাকা দিলে আনিছ ওই দলিল লেখককে বলেন- স্যার ৩৫শ টাকা দিতে বলেছেন। পরে দলিল লেখক টাকা না দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে ফোন দিতে বলেন। আনিছ সঙ্গে সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এরপর আগের টাকা ফেরৎ দিয়ে আনিছ বলেন- ৩৫শ টাকার কমে হবে না। তখন ওই দলিল লেখককে আবার টাকা দিতে দেখা যায়। স্থানীয়রা এবং দলিল লেখকরা এই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর