মুন্সীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৮ বরযাত্রীর
২২নভেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোর সংঘর্ষে আট বরযাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৭ জন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ষোলগড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আমাদের শ্রীনগর প্রতিনিধি জানান, বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ঢাকার কামরাঙ্গীরচর যাচ্ছিল। জুমার নামাজের সময় উপজেলার ষোলগড় এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাইক্রোটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হয়। এছাড়া মাইক্রোবাসের আরও পাঁচ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নিহতদের সবার বাড়ি লৌহজং উপেজেলার কনকসার গ্রামে। তারা সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর যাচ্ছিলেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় বাসের ১২ যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
গোপালগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,অভিজিৎ,গোপালগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: গোপালগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভ্যানচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমদিয়া এলাকায় এ দুঘর্টনা ঘটে। নিহত মুঞ্জুর সরদার (৫০) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের মোতালেব সরদারের ছেলে এবং ভ্যানচালক মান্নান সিকদার (৪৫) তার বাড়ি নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার শংকর পাশা গ্রামে, তার বাবার নাম আয়েনউদ্দিন সিকদার। গুরুতর আহত হৃদয় সরদারকে (২২) গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি নিহত মঞ্জুর সরদারের ছেলে। সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঢাকাগামী প্রাণ গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যান (ঢাকা-মেট্রো-উ-১২-০৪৩৫) ঘটনাস্থলে বিপরীত মুখী একটি যাত্রীবাহী ইঞ্জিনচালিত ভ্যানকে চাপায় দেয়। এতে ভ্যানচালকসহ দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং অপর একজন আহত হন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পরে পুলিশ কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করলেও চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদেকুর রহমান খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক বাড়ি থেকে ৭ হাজার কেজি লবণ জব্দ
২০নভেম্বর,বুধবার,অনুপম,ময়মনসিংহ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের একটি বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা সাত হাজার কেজি লবণ জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো শাকিল ইসলাম (১৮), পারভেজ উদ্দিন (২৪), ছালেখ মিয়া (২২) ও হৃদয় ইসলাম (১৯)। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার ধলা বাজারের কাছে মুজিবর রহমান নামের এক প্রবাসীর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, দেশে লবণের দাম বেড়েছে এ গুজবকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ওই বাড়িতে তিনটি ঘরে কৃত্রিম গোদাম তৈরি করে লবণগুলো মজুদ করে রাখে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। এসময় ৭ হাজার কেজি লবন জব্দ ও ৪ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনার তাদের সাথে আরও যারা জড়িত আছে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি।
যৌন হয়রানির প্রতিবাদে বাগেরহাটে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,বাগেরহাট প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট টেনিং স্কুল (ম্যাটস) কর্মচারীদের হাতে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির প্রতিবাদে সোমবার রাত থেকে চলা বিক্ষোভ আজ (মঙ্গরবার) দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে। সকাল থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। এই অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কর্মচারীদের হাতে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির ঘটনা খতিয়ে দেখতে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তবে, শিক্ষার্থীরা ক্লাশ বর্জন করে অভিযুক্ত কর্মচারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বহিস্কার ও শাস্তিসহ ৬ দফা দাবি আদায়ে অনড় রয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৭টা থেকে শিক্ষার্থীরা কর্মচারীদের হাতে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে অভিযুক্ত কর্মচারীদের বহিস্কার ও শাস্তিসহ ৬ দফা দাবিতে শহরের মুনিগঞ্জ এলাকায় ম্যাটসের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করে। চরম উত্তোজনার মধ্যে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে ৬ দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের সাথে জড়িত কর্মচারীদের বহিস্কার ও শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়াও আন্দেলনরত শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- পুরুষ কর্মচারীদের ছাত্রীদের হোস্টেল ও পরীক্ষার হলে প্রবেশাধিকার না দেয়া, অধ্যক্ষের ক্যাম্পাসে থাকা এবং শিক্ষার্থীদের উপর কর্মচারীদের খরবদারি বন্ধ করার দাবিবী জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এদিকে বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট টেনিং স্কুলের অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুর রকিব জানান, কর্মচারীদের হাতে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির ঘটনা তদন্তে রাতেই ডা. সমিরকে প্রধান করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ বুধবারের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাতাব উদ্দিন জানান, রাতে মেডিকেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা হোস্টেল ছেড়ে কর্মচারীদের হাতে মেয়ে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির প্রতিবাদে আন্দোলন দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। কোন অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
অধ্যক্ষকে পানিতে ফেলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে টেনে হিঁচড়ে পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় পাঁচ মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দিনগত রাতে রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর এবং সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও চন্দ্রিমা থানা পুলিশ এ অভিযান চালায়। আরএমপির মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার পাঁচজন অধ্যক্ষের দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এরা হলেন, নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকোড় বাজারের বজলুর রহমানের ছেলে কামাল হোসেন সৌরভ (২৪), পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের রইচ শেখের ছেলে সাব্বির আহম্মেদ ওরফে শান্ত (২২), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা সদরের শামিমুল ইসলামের ছেলে সালমান টনি (২২), রাজশাহী মহানগরীর ভদ্রা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রায়হানুল ইসলাম ওরফে হাসিব (২১) ও জেলার চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের মাহাতাব আলীর ছেলে মুরাদ হোসেন (১৯)। এরা রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে সৌরভ মামলার এক নম্বর আসামি। এছাড়া মুরাদ দুই, শান্ত তিন, টনি ছয় এবং হাসিব সাত নম্বর আসামি। সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এদের মধ্যে সৌরভ পলিটেকনিক ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। অধ্যক্ষকে পানিতে ফেলার ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। মিডটার্মে ফেল এবং ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা এই সৌরভকেই ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে গত দুই নভেম্বর সকালে অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিনের কার্যালয়ে গিয়ে চাপ দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ওইদিন দুপুরে অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাসের ভেতরের একটি পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ নিয়ে রাতে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে আসামি করে নগরীর চন্দ্রিমা থানায় মামলা করেন অধ্যক্ষ। এরপর পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। তবে মূলহোতারা ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের ফলে এখন পর্যন্ত এ মামলায় মোট গ্রেপ্তার হয়েছে ১৮ জন। আরএমপি মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ঘটনার পর থেকেই মূলহোতারা আত্মগোপনে ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
জামালপুরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর স্বামীকে হত্যা
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,জামালপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জামালপুর সদর উপজেলায় এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর তার স্বামীকে হত্যা করে রশিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গেল শুক্রবার রাতে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা করলেও, ধর্ষণের মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ নির্যাতিতা গৃহবধূর। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ জানান, শুক্রবার রাত আটটার দিকে ঘর থেকে বের হলে প্রতিবেশী ছানোয়ার, শাওন ও রফিজ উদ্দিন তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে ছানোয়ারের বাড়ির পেছনে একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে। এরপর ওই গৃহবধূকে ছানোয়ারের বাড়িতে আটকে রেখে তার স্বামীকে ডেকে এনে মারধর করে। মারধরে গৃহবধূর স্বামী মারা গেলে তার লাশ বাড়ির পাশে একটি গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরদিন সকালে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে একটি অপমৃত্যু মামলা করে। তবে হত্যাকাণ্ড এবং ধর্ষণের বিষয়ে পুলিশ কোনও মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ। ওই গৃহবধূ বর্তমানে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা জানা যাবে। তবে ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই আমির হোসেন নির্বাচিত
১৭নভেম্বর,রবিবার,জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আমির হোসেন। গত(১৪/১১/১৯) বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে মাসিক কল্যাণ সভায় মোঃ আমির হোসেনকে সম্মাননা ও স্বারক ক্রেষ্ট প্রদাণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিলু মিয়া বিশ্বাস (বর্তমানে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস (সদর সার্কেল) সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক,আলমসাধু, নছিমন, করিমন, অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক, মটর সাইকেল এ হেলমেট বিহীন চলা সহ.বিভিন্ন যান এ মামলা ও নানাবিধ কাজে সফলতা অর্জন করায় ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিষয় টিএসআই আমির হোসন বলেন আমাদের সুযোগ্য পুলিশ সুপার স্যার এর সঠিক দিক নির্দেশনায়, আমি চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার জন্য।তিনি আরো বলেন এই সম্মাননা আমার কাজের গতি আরো বাড়িয়ে দেবে। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক,আলমসাধু, নছিমন, করিমন, অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক, মটর সাইকেল এ হেলমেট বিহীন চলা সহ.বিভিন্ন যান এ মামলা ও নানাবিধ কাজে সফলতা অর্জন করায় মুস্তাফিজ সাদ্দাম শাহরিয়ার জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছিলেন।
রাতে বিধবার ঘরে ব্যবসায়ী,আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা
১৬নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গভীর রাতে এক বিধবার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে এক ব্যবসায়ী। দুজনকে সারা রাত গাছের সাথে বেঁধে রেখে সকালে গ্রামবাসীকে জড়ো করে ১০ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ২টার দিকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামে। বিষয়টি টক অব দ্যা ইউপিতে পরিণত হয়েছে। এলাকার লোকজন বলেন, উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের শোলাবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা ও নারুয়া বাজারের গুড় ব্যবসায়ী মোঃ মইজুদ্দিন (৫৫) পাশের খালিয়া গ্রামের মৃত জনাব আলী ফকিরের স্ত্রী ৪ সন্তানের জননী আলেয়া বেগম (৫০) সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া করে আসছিল।নয়াদিগন্ত । এলাকার লোকজন এনিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা বললেও মইজুদ্দিন তা সত্ত্বেও ওই বাড়ীতে যাতায়াত অব্যাহত রাখে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে মইজুদ্দিন ওই বিধবার ঘরে ঢুকে অসামাজিক কার্যকলাপ করা অবস্থায় গ্রামবাসী তাকে হাতে নাতে আটক করে। পরে দুজনকে গাছের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। শনিবার সকালে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে দুজনই বিয়েতে সম্মতি দেওয়ায় স্থানীয় মসজিদের ইমাম ওমর আলী ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে পড়ান। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় টক অব দ্যা ইউপিতে পরিণত হয়েছে। নারুয়া বাজারের ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানসহ সর্বত্র মইজুদ্দিনের রসালো প্রেম কাহিনীর গল্পে মেতেছেন।
বন্ধুর বৌভাতে পেঁয়াজ উপহার!
১৬নভেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্ধুর বিয়েতে পেঁয়াজ উপহার দিয়ে রেকর্ড গড়লেন এক যুবক। এক কেজি পেঁয়াজের দাম এখন ২৩০-২৫০ টাকা। এই অবস্থায় পেঁয়াজের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, ঠিক সে সময়েই পেঁয়াজ নিয়ে চলছে নির্মম রসিকতা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বন্ধুর বৌভাতে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে পেঁয়াজ। কুমিল্লার সদর উপজেলার কালখাড়পাড় এলাকায় রিপন মিয়ার বাড়িতে ঘটেছে ব্যতিক্রমী এ ঘটনা। ঘটনাটি নিয়ে অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের মাঝে বেশ হাস্যরস তৈরি হয়। এদিকে এমন উপহার দেওয়ায় ওই এলাকায় ঘটনাটি রীতিমতো সাড়া ফেলেছে। জানা গেছে, গত শনিবার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী ও কালখাড়পাড় এলাকার হাজী আবদুর রহিমের ছেলে ইমদাদুল হক রিপনের বিয়ে হয়। শুক্রবার তার বাড়িতে বৌ-ভাতের আয়োজন করা হয়। এদিন দুপুরে রিপনের তিন বন্ধু সহিদ, শিপন ও শাহজাহান পাঁচ কেজি পেঁয়াজ বাজার থেকে ১ হাজার টাকায় কেনেন। এরপর সেই পেঁয়াজ রেপিং করে বন্ধুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান। উপহার হিসেবে রেপিং করা পেঁয়াজের বাক্স দেন তারা। বিশেষ প্রক্রিয়ায় করা ওই বক্সের বাইরে থেকে পেঁয়াজ দেখার ব্যবস্থাও ছিল। তাই বিয়ে বাড়িতে যারাই এসেছিলেন তাদের সবার দৃষ্টি ছিল ওই বাক্সের দিকে। কেউ কেউ দিনভর মোবাইলে ব্যতিক্রমী ওই পেঁয়াজের বাক্সের ছবিও তুলে নেন। দিন গড়িয়ে বিকেলে অনুষ্ঠান যখন শেষ হয় তখন বাক্স খোলার পালা। সবাই জানতো ভেতরে পেঁয়াজ, তবুও বিয়ে বাড়ির কারও আগ্রহের কমতি ছিল না ওই বাক্স নিয়ে। বাক্স খোলার পর অনেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভিডিও ও ছবি তুলতে। পেঁয়াজ উপহার পেয়ে বর ইমদাদুল হক রিপন বলেন,বিয়ের অনুষ্ঠানে আমার নিকট এ পুরস্কার আমরণ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমার বিয়েতে যত পুরস্কার পেয়েছি সব চেয়ে মূল্যবান মনে করবো এই পেঁয়াজের উপহারকে। কারণ পুরো বাংলাদেশ এখন পেঁয়াজের গরমে অস্থির। শুরু হয়েছে পেঁয়াজ রাজনীতি। হয়তো আমার বন্ধুদের এ পেঁয়াজ উপহার একটি নীরব প্রতিবাদও হতে পারে। বৌভাতে মূল্যবান ও ব্যতিক্রমী উপহার পেঁয়াজ দেওয়ার জন্য বন্ধুদের ধন্যবাদও জানান বর রিপন। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অস্থির হয়ে ওঠে পেঁয়াজের বাজার। ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে ভারত। বাংলাদেশ আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের ওপরই নির্ভরশীল। ফলে দেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়তে থাকে। গত বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গতকাল শুক্রবার ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়। ভারতীয় পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত এ দাম বাড়তে থাকবে বলে জানান পাইকারি ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে মিয়ানমার ও মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা কেজি। রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।- আলোকিত বাংলাদেশ

সারা দেশ পাতার আরো খবর