মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
সীতাকুন্ডে যুবলীগের বর্ধিত সভা
সীতাকুন্ড উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষনা দিয়েছেন জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দরা। গত মঙ্গলবার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় নৌকার বিজয়ের প্রত্যায় ব্যক্ত করা হয়। বর্ধিত সভায় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আলহাজ দিদারুল আলম শেখ হাসিনা প্রার্থী, আর শেখ হাসিনা প্রতিক নৌকা, নৌকা বাঁচলে, বাঁচবে আওয়ামী লীগ, আর আওয়ামী লীগ বাঁচলে, বাঁচবে দেশ ও নেতা-কর্মীরা। তাই সকল ভেদাভেদ ভূলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে নিশ্চিত করতে হবে নৌকার বিজয়। আর এ জন্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট ভিক্ষা চাইবে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. শাহজানের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় টেলিকনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন। উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম জসিমের সঞ্চলনায় বর্ধিত সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বিমল চন্দ্র নাথ, উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাংস্কৃতি সম্পাদক সফিউল আলম মুরাদ, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি মো.শাহ কামাল চৌধুরী, সহ-সভাপতি এসএমআল নোমান, সহ-সভপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঈদুল, দপ্তর সম্পাদক আনিসুল হক আরিফ, ১নং ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক প্রতাপ নাথ, ২নং যুগ্ন-সম্পাদক মেম্বার দিদারুল আলম, ৪নং ইউনিয়ন আহবায়ক আ ন ম রফিক, ৫নং সভাপতি আকবর হোসেন, ৬নং সভাপতি জয়নাল আবদীন টিটু, ৭নং সভাপতি রাজু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সালা উদ্দিন, ৮নং সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম, ৯নং সভাপতি মো. ফারুক, ১০নং সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকিম আরজু, আবদুস সামাদ ও উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. সোহেল, দাউদ সম্রাট, সেতু দাশ, ওমর ফারুক, এনাম মোমিন প্রমুখ। বর্ধিত সভা শেষে পৌরসদর বাজারে শত নেতাকর্মী ডিটি রোডে এক বিশাল মিছিল পদক্ষিণ করেন। অপরদিকে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে উপজেলা ১নং সৈয়দপুর উত্তর বগাচতর এলাকায় নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলমের পক্ষে গনসংযোগ করেন উনার সহধর্মীনি ইসমত দিদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দেলোয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক শাহীনূর আক্তার প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডা. আফছারুল আমীনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসন হতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. আফছারুল আমীনের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা সকাল ৮টায় বাবা-মা ও চট্টগ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ. আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ. মান্নান, এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী ও ইনামুল হক দানুর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। প্রথমে উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ও বিকেলে লালখান বাজার ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেন। এসময় তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাকে চলমান রাখার জন্য আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার সরকারকে বহাল রাখার জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহব্বান জানান। কবর জিয়ারত ও গণসংযোগ চলাকালীন অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লায়ন মো. হোসেন, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, মোমিনুল হক, সাংবাদিক মনজুরুল আলম মনজু, সিদ্দিক আহমদ, এফ. কবির আহমদ মানিক, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, নাজমুল হক ডিউক, শেখ দেলোয়ার, এড. রেহেনা কবির রানু, আবু তাহের, রেজাউল করিম কায়সার, অধ্যাপক মো. ইসমাইল, মো. আসলাম সওদাগর, নাজমুল ইসলাম, মো. জাকারিয়া, মো. সিরাজুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান, মো. বেলাল হোসেন, মো. শামসুল ইসলাম, মো. সাইফুদ্দিন, আজাদ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব পদক্ষেপ
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে কোন ধরনের উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পুলিশসহ আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থা যে কোন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামের কোথাও অপ্রীতিকর কোন ঘটনা না ঘটলেও সামনের দিনগুলোতে যাতে শান্তি থাকে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিশেষ চেক পোস্ট স্থাপন, ঝটিকা অভিযান, চিরুনি অভিযানের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করে প্রশাসন অগ্রসর হচ্ছে। নগর এবং জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা গতকাল আলাপকালে জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। আর মাত্র দিন কয়েক পর চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মহানগরী পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন নিয়ে বহু ধরনের শংকা রয়েছে মানুষের মনে। আমাদের কানে অনেক ধরনের কথা আসছে। কিন্তু আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধ পরিকর। আমাদেরকে নির্বাচন কমিশন থেকে যে ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আমরা তা পালন করতে সচেষ্ট। চট্টগ্রামের কোথাও যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালিয়েছি। চট্টগ্রামে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, আমরা প্রার্থীদের সাথে কথা বলেছি। তাদের বুঝিয়েছি। তারা শান্তিতে প্রচার প্রচারণা চালালে আমরা সব ধরনের সহায়তা করবো। কিন্তু কেউ যদি পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চায়, ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাহলে তা ঠেকানোর প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। আমরা শান্তিতে থাকলে শান্তি দেবো। কেউ অশান্তি করলে আমরা তা ঠেকাবো। চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের ব্যাপারে পুলিশের শীর্ষ এ কর্মকর্তা বলেন, কোন কেন্দ্রকেই আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। ভোটের দিন মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবেন, ভোট দেবেন। কেউ বাধা দিলে বা ব্যালট কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তা ঠেকানো হবে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা বলেন, নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে প্রচার-প্রচারণা বাড়ছে। বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। কিন্তু এই উত্তাপ যাতে কোনভাবেই উত্তপ্ত হয়ে না উঠে সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। জেলার প্রতিটি আসনের আইন-শৃংখলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ফোর্স মোতায়ন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আরেকজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আমরা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছি। সাদা পোশাকে আমাদের লোকজন বিভিন্ন সংসদীয় আসনে অবস্থান করছে। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আভাস পাওয়া গেলে তা ঠেকানো হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু পুলিশই নয়, র‌্যাব, আনসার, এপিবিএনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থাই নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে রয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। অবৈধ অস্ত্রের কদরও বাড়ে। এসব ঠেকাতে আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে। আমরা হুট করে যে কোন এলাকায় চেক পোস্ট স্থাপন করবো। কোন এলাকা ঘিরে ঝটিকা অভিযান চালাবো। চিরুনি অভিযান শুরু করবো। বিশেষ করে বস্তি এবং সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে এমন এলাকাগুলোতে আমাদের তৎপরতা বেশি থাকবে। শহরের প্রবেশ মুখগুলো আমাদের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে র‌্যাবের পদস্থ একজন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচন বলে কথা নেই। যে কোন পরিস্থিতিতে আমরা আইন-শৃংখলা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। তবে নির্বাচনী মৌসুমে যাতে কোন ধরনের অঘটন না ঘটে সেজন্য আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলার প্রার্থীদের নানা সমস্যার কথা শুনবেন জেলা প্রশাসক
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১০টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন। আগামী ১৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে মো. মুনীর হোসাইন খান জানান, জেলার ১০ সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে ১৭ ডিসেম্বর মতবিনিময় সভা হবে। প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতন থাকেন এবং তা মেনে চলেন সেজন্য এ মতবিনিময় সভা করা হচ্ছে। সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন। সভায় প্রার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনা হবে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তাদের মতামত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১০টি সংসদীয় আসনে ৬৬ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন প্রার্থীরা। চলছে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। এখন চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে বিভিন্ন দলের মোট ১১৪ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলার ১০ আসনের পাশাপাশি নগরীর ৩ আসন এবং নগরীর সাথে সংশ্লিষ্ট আরো ৩ আসনের প্রার্থীদের সাথেও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
দেখা হল নোমান-নওফেলের
অনলাইন ডেস্ক :সারাদেশে শুরু হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থণা শুরু করছেন। বন্দর নগরী চট্গ্রামেও নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু করেছেন সেখানকার স্থানীয় প্রার্থীরা।মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম-৯ আসনে হযরত শাহ সুফি আমানত খান (র.) এর মাযার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।এদিন একই মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে প্রচারণা শুরু করেন বিএনপির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান।এক পর্যায়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই প্রার্থীদ্বয়ের মধ্যে সাক্ষাত হয়।গণসংযোগ নিয়ে নওফেল মাজার থেকে বের হয়ে নগরীর কুরবানিগঞ্জে ঢোকার সময় টেরিবাজার এলাকায় সাক্ষাত হয় তাদের। নোমান তখন নেতাকর্মীদের নিয়ে মাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন এবং কুশল বিনিময় করেন।
পটিয়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দুপক্ষের গোলাগুলিতে কানা কামাল নিহত
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে সম্রাট কামাল উদ্দিন ওরফে কানা কামাল নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার হুলাইন আকবর পাড়ার মৃত আবদুল ছমদের ছেলে। শনিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের চন্দ্রকলা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ রাত তিনটার দিকে লাশ উদ্ধার মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি, অব্যবহূত তিন রাউন্ড কার্তুজ, দুটি গুলির খোসা, ৮০০ পিস ইয়াবা ও পকেটে থাকা ৪০০ টাকা উদ্ধার করেছে। তবে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা কারা সেটা পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি। নিহত কামালের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকসহ আটটি মামলা রয়েছে জানিয়ে পটিয়া থানার ওসি শেখ মো. নেয়াম উল্লাহ বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে কানা কামাল নিহত হয়েছেন।
বিভিন্ন প্রত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ
অনলাইন ডেস্ক: গত ০৯ নভেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পাহাড়তলী থানা এলাকার বিধবা রুপালি ধর এর বসত ভিটা গ্রাস করার চক্রান্তে প্রতিবাদে ও ভূয়া মামলা সৃজন করে পহাড়তলীর জুয়েলারী ব্যবসায়ী শিমুল ধরকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে আমি আবুল খায়েরকে নিয়ে মিথ্যা,বিভ্রান্তিকর তথ্য,মিথ্যা অপবাদের বিষয়ে আমার দৃষ্টি গোচর হওয়াতে আমি উক্ত সংবাদ সম্মেলনের প্রকাশিত সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত সকল সংবাদের তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মূলত আমি আবুল খায়ের পিতা মৃত- গনি আহমদ,সাং-মধ্যম দূর্গাপুর,ডাকঘর- ভরদ্বাজ হাট,থানা- মীরসরাই,জেলা- চট্টগ্রাম গত- ০৭/০৩/২০১২ ইং তারীখে শীমুল ধরের পিতা মৃত- গোপাল কৃঞ্চ ধরস হ তার অপরাঅপর অন্যান্য ভাইগনের নিকট হইতে চট্টগ্রাম সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত ৯৬০ নং আমমোক্তার নামা দলিল মোতাবেক চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়তলী থানাধীন সকল সম্পত্তি আমি খরীদ করিয়াছিলাম। উক্ত সম্মত্তি হইতে কিছু অংশ সম্মত্তি আমার স্ত্রী সুরমা আক্তারের নামে গত ৩০/০৯/২০১২ ইং তারিখে চট্টগ্রাম সদর রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত -৩৬৭২ নং বিক্রয় কবলা মূলে অর্পন করিয়া তাহার নামে বিএস খতিয়ান চূরান্ত প্রচার করি। উক্ত সম্মত্তির হাল সন পর্যন্ত সরকারী খাজনা প্রদান করিয়াছি। উক্ত সম্মত্তি নিয়ে গোপাল কৃঞ্চ ধর মারা যাওয়ার পর শিমুল ধর কু-মতলবে হয়রানীর উদ্দেশ্যে মাননীয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব আদালত) চট্টগ্রামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করিলে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা হিসেবে গত- ০৪/১২/২০১৬ ইং তারীখে খারিজ করেছেন। পরবর্ত্তীতে শিমুল ধর আমাকে হয়রানীর মানসে চট্টগ্রাম যুগ্ন জিলা জজ ২য় আদালত। চট্টগ্রামে আরো একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। যাহা অপর ২৪৭/২০১৩ ইং উক্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করার হইতে অদ্য পর্যন্ত শুধু সময় চেয়ে কালক্ষেপন করছেন। শিমুল ধর বর্তমানে পাহাড়তলী থানায় সেই স্বর্নের দোখানটি পরিচালনা করেন তাও আমার নিকট তার পিতার সম্মত্তি বিক্রয়ের অর্থে গড়া,শিমুল ধরের সহিত আমার কোন প্রকার সম্পর্ক বা শত্রুতা নেই ও ছিলনা। আমি মুসলমান হওয়ার সুবাদে তাকে কোন কথা বলিলে সে মুসলমান দ্বারায় হয়রানী হচ্ছে বলে সমলোচনা করার ভয়ে আমি তার সাথে কোন কথাও বলিনি। শিমুল ধর আমার বিরুদ্ধে পাহাড়তলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করিলে উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানা হইতে আমাকে বৈঠকের জন্য উপস্থিত হওয়ার কথা বলায় গত ১১/১০/২০১৮ ইং তারিখে রাত ৭ ঘটিকায় আমি পাহাড়তলী থানায় উপস্থিত হই এবং শিমুল ধরের অভিযোগের দায়েত্বে থাকা এস.আই অর্নব বড়য়ার সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে থানায় বসতে বলিলে তার কিছুক্ষন পর দেখি শিমুল ধরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তখন জানতে পারলাম শিমুল ধর মানুষ হত্যা করেছে। উক্ত খুনের ঘটনার বিষয়ে ঐ দিন দেশের সকল টিভি চ্যানেলে এবং তার পরদিন সকল পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। ঐ সংবাদেও উল্লেখ রয়েছে ঐ দিন থানায় আমার সাথে বৈঠক ছিল। অথচ গত ০৯/১১/২০১৮ ইং তারিখে তার মা ও তার স্ত্রী শিপ্রা ধরস হ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের সাথে প্রতারনা করেছেন। যাহা সম্পূর্ন বে-আইনি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আমাকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্য সম্পূর্ন অবান্তর মিথ্যা,উদ্দেশ্যপ্রনোদিত,মানহানিজনক। আমি উক্ত বক্তব্যর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিবেদক : আবুল খায়ের
সিতাকুন্ডকে নিয়ে আমি উন্নয়নের সপ্ন দেখি
ফয়সাল হাছাস,চট্টগ্রাম : আমি সিতাকুন্ডের ব্যবসায়ীক পরিবারের সন্তান। সিতাকুন্ড এলাকায় আমাদের পরিবারের পক্ষথেকে বেশ কিছু স্কুল,কলেজ,মসজিদ,মাদ্রাসা স্থাপন করেছি। অসহায়দের সাধ্যমত সহায়তা করছি। আমার এলাকায় আমি নির্বাচিত হওয়ার পরে খুন,ঘুম,ছিনতাই,রাহাজানী বন্ধ করেছি। সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করেছি। আমি এখনো সিতাকুন্ডকে নিয়ে উন্নয়নের সপ্ন দেখি। এই নির্বাচনে আমি আবারো জয় হলে আমার নির্বাচনি এলাকার অসম্পূর্ন কাজ গুলো আমি সমাপ্ত করবো। কথা গুলো বলেন, বর্তমান চট্টগ্রাম ০৪ সিতাকুন্ড আসনের সংসদ ও আওয়ামীলীগের ২য় বারের মতো মনোনিত সংসদ পদপ্রার্থী আলহাজ্ব দিদারুল আলম (এমপি.) আজ ৫ই ডিসেম্বর মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে আলহাজ্ব দিদারুল আলম এম.পির সাথে তার বাসভবনে এক সৈজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বলেন,আমার কোন লোভ লালসা নেই। আমার একটাই ইচ্ছা,সেটি হচ্ছে জনগনের সেবা করা। তাই আমি ২য় বার উক্ত আসনের প্রার্থী হয়েছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে সকলের কাছে দোয়া চাই। এই সময় সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,উপদেষ্টা কাজী আলতাপ হোসেন,চট্টগ্রাম জেলার চেয়ারম্যান লোকমান আলী,মহাসচিব মৃদুল মজুমদার,মহানগর চেয়ারম্যান এম.এ.নুরনবী চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার জেলার মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সবিতা রানি বিশ্বাস,মিলি চৌধুরী,সাংগঠনিক সচিব জুয়েল বড়য়া,আইন বিষয়ক সচিব এডভোকেট মোঃ জিয়া উদ্দিন,মহানগরের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরী জেলা যুগ্ন মহাসচিব সাইফুল ইসলাম,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব সুজন আশ্চার্য্য,নিবার্হী সদস্য আব্দুল মালেক,সদস্য মোঃ হারুন প্রমুখ। সাক্ষাতকালে এমজেএফ নেতৃবৃন্দ ফুলেল নৌকা দিয়ে সংস্থার উপদেষ্টা বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঠিকাদারি নিয়ে দ্বন্দ্ব,স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খুন
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন আকবরকে (৩৫) ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার কোলাগাঁও টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, ঠিকাদারি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত জামাল উদ্দিন আকবর কোলাগাঁও ইউনিয়নের আলাউদ্দিন দফাদার বাড়ির মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে। তিনি পটিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কোলাগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বুলবুল হোসেন জানান, প্রজন্ম লীগের সভাপতি শাহীন মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে জামালকে খুন করেছে। তারা এর আগেও একাধিক অপরাধ করে পার পেয়ে গেছে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. নেয়ামতউল্লাহ জানান, সোমবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে কোলাগাঁও টেক এলাকায় জামালকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরাও দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত। তবে ব্যবসায়িক বিরোধে হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কোলাগাঁও এলাকায় জাহাজ নির্মাণ কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে মালামাল সরবরাহ নিয়ে শাহীন মোল্লার সঙ্গে আকবরের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে দুই বছর আগে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বাহাদুরকে একইভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল। ওই মামলায় জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে খুনিরা একই সংগঠনের সভাপতিকে একই কায়দায় হত্যা করল। এ হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর