মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
ডা: মো: আফছারুল আমীনের ১২ ও ১৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ
চট্টগ্রাম-১০ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা: মো: আফছারুল আমীন নৌকা প্রতীকের সমর্থনে আজ ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডস্থ সিগন্যাল কলোনী, সিডিএ মার্কেট, শান্তা পুকুর এলাকা, আশরাফ আলী রোড ও প্রাণহরি দাস রোড এবং ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডস্থ ফ্লোরাপাস রোড, পিপিপি রোড, আমবাগান, ঝাউতলা ও সেগুন বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ করেন। গণসংযোগ কালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন, অধ্যাপক আসলাম হোসেন, নুরুল আমীন, কাউন্সিলর সাবের আহম্মদ সওদাগর, কায়সার মালিক, শওকত আলী, সিরাজুল ইসলাম, আবুল কাসেম, লুৎফুল কবীর খুশি, ডাঃ নুরুল ইসলাম, আকবর হোসেন, অধ্যাপক সাইদুল কবীর বাহার, সাইফুল ইসলাম মামুন, এসকান্দর আলী, ইসলাম সওদাগর, নুরুন নবী, আব্দুল হালিম, আবু তালিব, মোঃ আলী, ডিউক, নজরুল ইসলাম এবং আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এসময় তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাকে চলমান রাখার জন্য আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার সরকারকে বহাল রাখার জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ড. আবু রেজা নদভীর মাদার্শা ও সোনাকানিয়া এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ
সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শা ও সোনাকানিয়া ইউনিয়নে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ড. আবু রেজা নদভী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ও সাতকানিয়া উপজেলার সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ করেন। মাদার্শা ইউনিয়নের বাবুনগর, মাদার্শ আশ্রয়ন প্রকল্প, দেওদীঘি এলাকায় গণসংযোগ শেষে মৌলভীর দোকান এলাকায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিছ, সাতকানিয়ার পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসেন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সিকদার, উপ প্রচার সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক জানে আলম জামাল, মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, সাতকানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দিন, নলুয়া ইউপি চেয়ারম্যান তসলিমা আক্তার, মাদার্শা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল আলম চৌধুরী, লায়ন ওসমান গনি চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা কায়েস চৌধুরী, এরফানুল করিম চৌধুরী, মোহাম্মদ জোবায়ার, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হারেজ মোহাম্মদ, নিজানুর রহমান মারুফ, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ নাছির প্রমুখ।সোনাকানিয়া ইউনিয়নের উত্তর, মধ্যম, দক্ষিণ গারাংগিয়া আলুরঘাট, সেনেরহাট, মির্জারখীল বোর্ড অফিস ও বাংলা বাজার এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ শুরুর আগে গারাংগিয়ার পীর সাহেবকে সাথে নিয়ে হযরত বড় হুজুর ও ছোট হুজুর (রাহ:) এর মাজার জিয়ারত করেন এবং মাদ্রাসা সংলগ্ন মার্কেটের সামনে পথসভায় বক্তব্য রাখেন। গারাংগিয়ার পীর সাহেব হযরত শাহ মাওলানা আনোয়ারুল হক ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে পথসভায় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা মমতাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, এডিশনাল পিপি কামাল উদ্দিনসহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।পথসভায় বক্তব্যে প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, বিগত পাঁচ বছরে দীর্ঘ উন্নয়ন বঞ্চিত সাতকানিয়া লোহাগাড়ার উন্নয়নে দুই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর গৃহীত ভবিষ্যত মেগা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়িত হলে সাতকানিয়া লোহাগাড়া হবে দেশে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি আগামী জাতীয় একাদশ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় দিয়ে অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগদানের জন্য জনগনের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কারাবন্ধী ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণায় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
চট্টগ্রাম-৯ নির্বাচনী এলাকায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি কারাবন্ধী ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণায় গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ডা. শাহাদাত হোসেন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ, সজ্জন ব্যক্তি, দীর্ঘ সময় ধরে এ এলাকার জনসাধারণের সুখে দুঃখে ছিলেন। বিনা কারণে মিথ্যা গায়েবি মামলা দিয়ে কারাগারে বন্ধী করে রেখেছে। অদ্য ১৩ই ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় কাজীর দেউরী কাঁচা বাজার চত্বরে চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের সর্মথনে প্রচারণার সময় পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপরোক্ত কথা বলেন। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, দেশের মানুষের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করে আওয়ামী সরকার দেশে এক দলীয় স্বৈরচারী সরকারে পরিনত হয়েছে। তাই আজ হারানো গনতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২৩ দলীয় জোট সিইসির অধীনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে এসেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন যে লেভেল প্লেইন ফিল্ডের কথা বলেছিলো তার বিন্দু পরিমান বাস্তবায়ন এখনো হয় নি। প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ডা. শাহাদাত হোসেন সাহেব কারাবন্ধী থাকলেও উনার হাজার হাজার কর্মীবাহিনী মাঠে আছে। শত জুলুম নির্যাতন উপেক্ষা করে আগামী ৩০ই ডিসেম্বর ভোট সেন্টার পাহারা দিতে হবে। এখন থেকে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যেকোন কিছুর বিনিময়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়ী করতে হবে। চট্টগ্রাম-৯ নির্বাচনী এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এদেশের আপামর জনগণ ধানের শীষের পক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ও কারাবন্ধী ডা. শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করে কারামুক্ত করার শপথ নিতে হবে। চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্বাচন পরিচালনার প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট বদুরুল আনোয়ার বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে এবং এদেশের গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে কারাবন্ধী ডা. শাহাদাত হোসেনকে ধানের শীষ মার্কায় জয়যুক্ত করতে হবে। চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনে প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট বদুরুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে পথসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এস. এম সাইফুল আলম, কে.এম ফেরদৌস, নগর বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আব্দুল মান্নান, আব্দুল ওয়াহাব কাশেমী, ডা. সারওয়ার, মনোয়ার বেগম মনি, ফাতেমা বাদশা, জেলি চৌধুরী, কে. এম আনিসুর রহমান, জিয়া উদ্দিন খালেদ, শহিদুল ইসলাম, আবুল খায়ের মেম্বার, রফিক সরদার, সফিকুল ইসলাম খোকন, আ.খ.ম জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন চৌধুরী বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল ও অঙ্গসংগঠনের মহানগর, থানা, ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ানের গণসংযোগ
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্্রন্টের মনোনীত প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন,চান্দগাঁও কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত এই এলাকার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো । আপনাদের সেবা ও কল্যাণের জন্যই আমার রাজনীতি।অতীতের ন্যায় আগামীতেও আপনাদের সুখে-দু:খে,বিপদে -আপদে সার্বক্ষণিক পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। তিনি আরোও বলেন,এই নির্বাচন সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা,জনজীবনের নিরাপত্তা বিধান,ও জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের নির্বাচন।জনগণ নির্ভয়ে ও নির্বিঘে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায় । তাই আমরা আশা করবো নির্বাচন কমিশন জনগণের প্রতিপক্ষ না হয়ে, জাতিকে একটি অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবে। জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা ধানের শীষকে বিজয়ী করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। তিনি আজ ১৩ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ৪নং চান্দগাঁও ওয়ার্ড এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগকালে একথা বলেন।এসময় তিনি চান্দগাঁও ৪নং ওয়ার্ড এর শহীদবাড়ী, খতিববাড়ী,পাঠানীয়া গোদা,বরিশাল কলোনী , গাবতল,সিএন্ড বি, এলাকায় গণসংযোগ করেন। জনসাধারণের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনেন।এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সর্বসাধারণ স্বত:স্ফুর্তভাবে গণসংযোগে অংশগ্রহন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন,চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম,যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মো: বকতেয়ার, ২০দলীয় জোট নেতা আনোয়ার সাদিক,চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এস.এম মুসা,এম.এ হামিদ,আফিল উদ্দিন আহমেদ,বাকলিয়া থানার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো:আলমগীর,৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: ইলিয়াছ আলী,আবু বক্কর,মো:ফারুক, রফিক সও:,আবু তাহের,নুরুল আমিন চিশতী,মহানগর যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন ভূইঁয়া,মহানগর যুবদল এর সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসেন,এরশাদ হোসেন,গোলজার হোসেন,মো:আলী সাকি,আরিফুল ইসলাম,কামাল উদ্দিন,এস.এম.ফারুক,মনছুর আলম, আব্দুল নবী,মহিলা নেত্রী শাহনেওয়াজ চৌং মিনু, আব্দুস সাত্তার মুন্সী,সাইদুল ইসলাম, মো:ইসকান্দর,রাজন খান,রুহুল আমিন,দিদারুল আলম,আলমগীর টিটু,আলী হোসেন, নুরুল আমিন সানাবী,সিরাজুল ইসলাম ইকবাল,মহানগর ছাত্রদল নেতা মো:আলমগীর, সাজিদ হাসান রনি,আবু বক্কর রাজু,লোকমান হাকিম রাশেদ খাঁন টিপু.মোরশেদ কামাল,শহীদুজ্জামান,মনছুর আলম,আরিফুল ইসলাম,ফখরুল ইসলাম শাহীন,মো:রোহান, আব্দুর রশিদ,মো:বাদশা,মো:রুবেল, শাহজাদা মুন্না,মো:রুবেল সহ বিএনপি,যুবদল ও ছাত্রদল এর অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
হোটেল ২৪ ইন এর শুভ উদ্ভোধন
নিজেস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রামঃ আজ নগরীর আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদ এলাকার কৈবল্যধাম রাস্তার মাথাস্থ হোটেল ২৪ ইন নামক আবাসিক হোটেলের শুভ উদ্ভোদন করা হয়। উক্ত উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে হোটেল ২৪ ইন এর মালিক মোঃ জমির উদ্দিন মাসুদ,পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন লিঃ এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী,এমজেএফ চট্টগ্রাম জেলা কমিটির উপদেষ্টা ও আকবরশাহ্ থানা আওয়াশীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী আলতাপ হোসন। এমজেএফ চট্টগ্রাম জেলার চেয়ারম্যান ও আকবরশাহ্ থানা আওয়াশীলীগের সহ সভাপতি লোকমান আলী। এমেেজএফ চট্টগ্রাম মহানগর চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা কৃষকলীগের সভাপতি এম.এ নূরনবী চৌধুরী,মহানগর যুবলীগের সদস্য আফতাব উদ্দিন রুবেল, আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগের নেতা মোঃ জাহেদ,এমজেএফ এর নির্বাহী সদস্য আব্দুল মালেক ও আবুল খায়ের উপস্থিত ছিলেন। উদ্ভোধনী শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বলেন,এই হোটেল সামাজিক মান মর্যাদা বজায় রেখে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করিবেন। যাহাতে এলাকার বা প্রতিষ্ঠানের দূর্নাম না হয়।
কোন অপশক্তি বাঙালির অগ্রযাত্রাকে রোধ করতে পারবে না :মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী
১৯৭১ সনে বিজয়ের উষালগ্নে পাকিস্তানী দখলদার হামলার ও তাদের সহযোগী রাজাকার, আলবদর ও আলশামস এবং পাকিস্তানীদের সহযোগী বেসামরিক শান্তি বাহিনী সবাই মিলে বাঙালি জাতিকে মেধা-মননে দুর্বল করার প্রত্যয়ে এদেশের প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, ডাক্তার, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক, কাবি, প্রাবন্ধিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সকলকে ধরে ধরে নৃশংস কায়দায় হত্যা করে। বর্তমান রায়ের বাজারস্থ বধ্যভূমি সহ দেশের প্রতিটি জেলায় বধ্যভূমিতে পরিণত করে ঘাতক চক্র। ১৯৭১ সনের সে সকল বুদ্ধিজীবিদের স্মরণে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. বৃহস্পতিবার দুপুরে দেওয়ানহাটস্থ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৯৭১ এর নারী নির্যাতন ও বুদ্ধিজীবী হত্যা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু। সভায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম। ‘১৯৭১ এর নারী নির্যাতন ও বুদ্ধিজীবী হত্যা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। আলোচনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুনীল সরকার, উপদেষ্টা শফর আলী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, ড. সানাউল্লা, এ.কে. জাহেদ চৌধুরী, জাবেদ নজরুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন, ফয়সাল বাপ্পি, সহিদুল ইসলাম সুমন, সজল দাশ, কামাল উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন গিফারী ও রাশেদ মাহমুদ পিয়াস সহ অন্যরা অন্যরা আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সনে নারী ও বুদ্ধিজীবী হত্যার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল জাতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশূণ্য করা। তারা দীর্ঘ ৯ মাস নৃশংস তান্ডব ও হত্যাযজ্ঞ চালানোর পর বুদ্ধিজীবী হত্যা ছিল বাঙালির উপর সর্বশেষ পৈশাচিক ও বর্বর ঘটনা। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর নতুন করে দেশ ও জাতি মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আজ আর কোন অপশক্তি বাঙালির অগ্রযাত্রাকে রোধ করতে পারবে না। জনাব মাহতাব উদ্দিন নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস থেকে সমৃদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা থাকলে কাউকে দাবিয়ে রাখা যায় না। তিনি আসন্ন নির্বাচনে নারী-পুরুষ, তরুণ যুবা সবাইকে নৌকার পক্ষে রায় দেয়ার আহ্বান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চুয়েটে মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০১৮ উপলক্ষ্যে অদ্য ১৩ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার), ২০১৮ খ্রিঃ বিকেলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত কনফারেন্স হলে আয়োজিত উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম মহোদয়। চুয়েটের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রণজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূইয়াঁ, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। মানবিক বিভাগের প্রভাষক জনাবা নাহিদা সুলতানা এবং সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন হল প্রভোস্টগণের পক্ষে শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফীন, কর্মকর্তা সমিতির প্রকৌশলী অচিন্ত কুমার চক্রবর্তী ও কর্মচারী সমিতির পক্ষে সিনিয়র যুগ্ন-সম্পাদক জনাব মোঃ আব্দুল আল হান্নান। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে নিহতের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, স্বাধীনতা যে কোন জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। একটি সশস্ত্র ও প্রশিক্ষিত বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ নিরস্ত্র বাঙালির জন্য অবিশ্বাস্য ছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কারিশম্যাটিক নেতৃত্বে সেটা সম্ভব হয়েছে। এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যারা সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার সক্ষমতা রাখেন তাদেরকে হত্যার মিশনে নামে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর রক্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ভিশন থেকে পিছিয়ে দিতে পারেনি। আজ আমরা উন্নত ও সম্মৃদ্ধশালী বাংলাদেশের পথে হাঁটছি। তাই আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ গড়ায় অবদান রাখতে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে উন্নত ও সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মিশনে তরুণদের অবদান রাখতে হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু চট্টগ্রামে
অনলাইন ডেস্ক জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ও বিভিন্ন উপজেলার ১৬টি আসনের ৩৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু আজ বৃহস্পতিবার থেকে। চলবে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে তাদের দায়িত্ব, ক্ষমতার ব্যবহার ও ভোটগ্রহণবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া হবে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে এক হাজার ৮৯৯টি ভোটকেন্দ্র এবং ১০ হাজার ৮৮৭টি বুথ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি বুথে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও একজন পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকবেন। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ৩৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার মধ্যে ১৩ হাজার ৪২৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২২ হাজার ৮৬২ জন পোলিং অফিসার রয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, ক্ষমতার ব্যবহার, তারা কাকে নির্দেশনা দিতে পারবেন, কাকে পারবেন না, তাদের পূর্বপ্রস্তুতি, প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। ঢাকা থেকে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এসে তাদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রশিক্ষণে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কমকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন।
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও চাই মহাজোট সরকার
বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানী বর্বর বাহিনীকে হটিয়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। আমরা পেয়েছি বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশ উন্নয়ন সূচকে আনেকদুর এগিয়ে গেছে। এ সরকারের বিগত ১০ বছর মেয়াদে দেশের প্রত্যেকটি উন্নয়ন সূচক দৃশ্যমান। দেশের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি মহাজোট সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এজন্য দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ যাতে মাথাছাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। গত ১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার দ্বিতীয় দিনের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান কমান্ডার সাহাবউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ। শাহাব উদ্দিন মজুমদারে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিজয় মেলার স্মৃতিচারন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইউনুছ গনি চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে স্মৃতিচারণ করেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, কো-চেয়ারম্যান এ.কে.এম সরোয়ার কামাল দুলু, কো- চেয়ারম্যান এম.এন. ইসলাম, কো-চেয়ারম্যান মোঃ নুর উদ্দিন, পরিষদের অর্থ সচিব সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), চান্দগাঁও থানা কমান্ডার কুতুব উদ্দিন, পাহাড়তলি থানা কমান্ডার হাজী জাফর আহমদ, খুলশী থানা কমান্ডার মো. ইউসুফ, সদরঘাট থানা কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম, পাঁচলাইশ থানা কমান্ডার আহমদ মিয়া, বন্দর থানা কমান্ডার কামরুল আলম জতু, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মৃনাল ভট্টাচার্য্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রদ্যুৎ কুমার পাল, টি.এম মাহবুব, আবদুল লতিফ, এম.এ সবুর, এস.এম নজরুল ইসলাম তিতাস, রমজান মিয়া, এম.এ মনসুর চৌধুরী, অঞ্জন কুমার সেন, সামসুদ্দোহা আলী, সৈয়দ আহমদ, মোঃ আনোয়ার হোসেন, এম.এ মন্নান খান, লেয়াকত হোসেন, আশীষ গুপ্ত, শম্ভু দাশ, আবদুর রব কায়েস, গোলাম নবী, নুর আহমদ, ওয়াহিদুল্লাহ, বাবুল দত্ত, রঞ্জন সিংহ, মোঃ সোলায়মান, ওয়াহিদুল হক, শহীদুল হক দুলু, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাছান মোহাম্মদ আবু হান্নান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা ইউনিট কমান্ড, উপজেলা ও থানা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের লোকজন, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিকসেবী এবং পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার মঞ্চে বিপুল পাল ও সুরঞ্জনা চৌধুরীর সঞ্চালনায় দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুন্দরম শিল্পী গোষ্ঠী, প্রতিভা সঙ্গীত একাডেমী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সৎসঙ্গ সঙ্গীত নিকেতন অনিমা শিল্পী গোষ্ঠী। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্বীপশিখা নৃত্য গোষ্ঠী। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ বোতা ও টেলিভিশনের বিশিষ্ট শিল্পী বিপাশা ধর, মণিকা ইসলাম, পাপড়ী ভট্টাচার্য্য, হিমেল মন্ডল, মোনালিসা ও ইমন শীল। একক আবৃত্তি করেন ঈশান দাশ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর