কিডনি ফাউন্ডেশনে ৫ লাখ টাকার অনুদান
১৯আগস্ট,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোটারী ক্লাব চিটাগং খুলশীর সাবেক সভাপতি ও শাহিদী ট্রেডিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিজওয়ান শাহিদী সম্প্রতি চট্টগ্রাম কিডনি ফাউন্ডেশনে পাঁচ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও রোটারী ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ৩২৮২ মোহাম্মদ আতাউর রহমান পীরের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. মঈনুল ইসলাম মাহমুদের হাতে এ অনুদান তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে ডা. মঈনুল ইসলাম মাহমুদ ফাউন্ডেশনের চলমান কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরেন এবং সবাইকে চট্টগ্রাম কিডনি সেন্টারের নতুন ভবন নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এ সময় ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর ডা. ইমরান বিন ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডা. এম এ কাসেম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল আজিজ চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, নির্বাহী সদস্য আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পদক্ষেপ কখনোই ভুল প্রমাণিত হয়নি
১৯আগস্ট,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বহুগুণের অধিকারী। তাঁর ধ্যান ধারণা আবর্তিত ছিল মানবিক, জনগণ ও দেশকে নিয়ে। অদম্য সাহসের অধিকারী বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পদক্ষেপ কখনোই ভুল প্রমাণিত হয়নি। আপোষহীন মহানায়ক বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে। তাঁকে হত্যা করে খুনীরা দেশ ও জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি। বরঞ্চ সর্বক্ষেত্রেই ভারসাম্য নষ্ট করে দেশকে অস্থিতিশীল ও লুটেরাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে। গতকাল রবিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। মোছলেম উদ্দিন আরো বলেন, দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তিদানের গৃহীত কর্মসূচি ঘোষণা করে তার বাস্তবায়নের ঊষালগ্নে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সাম্রাজ্যবাদের ইন্ধন ও প্রশয়ে তাঁকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু সঠিক পথেই ছিলেন। বহু ত্যাগ তীতিক্ষার মধ্য দিয়ে আমরা সেই পথ থেকে সরে এসে উন্নয়নের পথে, আশা ও স্বপ্ন দেখার পথে এগিয়ে যাচ্ছি। আজ তাঁর যোগ্য কন্যার সফল নেতৃত্বের ফলশ্রুতিতে শিক্ষা, শিল্প, প্রযুক্তি, সামাজিক, যোগাযোগ ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতিতে দেশ বিশ্বমাঝে মর্যাদা পাচ্ছে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ একটি গৌরবের নাম। বঙ্গবন্ধুর আশীর্বাদপুষ্ট ইতিহাস সৃষ্টিকারী একটি সংগঠন। এই আদর্শিক প্রতিষ্ঠানটির সদস্য হওয়া গৌরবের। নিজেদের গৌরাবাম্বিত করতে হলে এই সংগঠনটির গৌরবজনক পরিচিতিকে লালন করতে হবে। শুধু ছবির মুজিব নয়, আদর্শের মুজিবকে চিন্তায়, কর্মে, বিশ্বাসে, আচরণে ধারণ করতে হবে। ছাত্রলীগ নেতৃত্ব সৃষ্টির পাঠশালা। মেধার অপচয় না করে মানবিক কর্মে নিজেদের একাত্ম করে এগিয়ে যাওয়া। অবক্ষয়, মাদক, অনিয়ম, অপচয়, জঙ্গিবাদ বিরোধী সামাজিক জাগরণ সৃষ্টি করে জনগণের প্রত্যাশার সাথে একাত্ম হয়ে জনগণের মন জয় করা ব্যতীত কোন আদর্শিক লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এস এম বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: আবু তাহেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, আবদুল্লাহ আল মামুন, আনিসুল হক চৌধুরী, তারেকুর রহমান তারেক, মুজিবুল হক টিটু, ফরহাদুল ইসলাম, শওকতুল ইসলাম, মোঃ হোসাইন, মিজবাহ উদ্দীন সিকদার সুমন, মো সোহেল উদ্দীন, মো সালাহউদ্দীন, কাজী ওয়াসিম, শাহাদাত হোসেন মানিক, সাইফুদ্দিন মানিক, আবু তৈয়ুব সোহেল, আবু বকর জীবন, দিদারুল আলম, সাহাব উদ্দিন, মো মাহফুজ, মোঃ ইদ্রিছ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো এমরান, মোঃ সাখাওয়াত, জাহাঙ্গীর রেজা, ইমতিয়ার ফারুক ইমু প্রমুখ। সভাশেষে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে শতাধিক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৫ আগস্টের মাস্টারমাইন্ডদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে
১৯আগস্ট,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িতদের বিচার করা হচ্ছে। কিন্তু নেপথ্যে যারা পরিকল্পনাকারী ও মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করেছে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এসব প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর কারণে দেশ আজ এতবছর পিছিয়ে ছিল। যেই নেতা আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন আমরা তাঁকেই হত্যা করেছি। জাতি হিসেবে তাই আমরা অকৃতজ্ঞ। চুয়েট ভিসি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পিতার অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ-নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার চেষ্টা করা। আগামী বছর দেশব্যাপী মুজিব বর্ষ পালন করা হবে। চুয়েট প্রশাসনও এ উপলক্ষে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করবে। চুয়েটের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহাজাহানের সঞ্চলনায় এতে বক্তব্য রাখেন প্রভোস্টগণের পক্ষে শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, স্টাফ ওয়েলফেয়ারের সভাপতি অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ, শিক্ষক সমিতির পক্ষে কোষাধ্যক্ষ ও উপ-ছাত্রকল্যাণ পরিচালক হুমায়ুন কবির, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম ও কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপরই বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পোর্ট সিটি ভার্সিটিতে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা
১৯আগস্ট,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার ভার্সিটির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা ও তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরল আনোয়ার বলেন, আমরা যে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, এই যুদ্ধের নায়ক বঙ্গবন্ধু। তিনি না থাকলে দেশ স্বাধীন করা অসম্ভব হত। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে ঘাতকেরা এই মহানায়ককে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে অভিভাবক শূন্য করে দিয়েছে। কিন্তু তারা জানে না বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওবায়দুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ইঞ্জি. মফজল আহমদ, ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ফসিউল আলম, সমাজ বিজ্ঞান, কলা ও আইন অনুষদের ডিন মোহাম্মদ ইউনূস, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. সেলিম হোসেন, টেঙটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি শেখ শাহ আলম, প্রক্টর সৈয়দ এনায়েত করিম, আইন বিভাগের সভাপতি আফরোজা পারভীন, ন্যাচারাল সাইয়েন্স বিভাগের শিক্ষক আতাউস সামাদ রাজু প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম হাটহাজারীর এশিয়ান পেপার মিলসের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ
১৮আগস্ট,রবিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী দূষণের দায়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নন্দীরহাট এলাকার এশিয়ান পেপার মিলস (প্রা.) লিমিটেড কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। রোববার পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন অধিদফতরের পরিচালক আজাদুর রহমান মল্লিক। পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সংযুক্তা দাশ গুপ্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এর আগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আরোপ ও সতর্ক করা হলেও তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, এর আগে গত ১৪ আগস্ট পরিবেশ অধিদফতরের একটি টিম সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি নাজুক দেখতে পান। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১৮ আগস্ট শুনানিতে অংশ নেয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
প্রত্যেক উপজেলা সদরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ করা হবে
১৮আগস্ট,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনোপলক্ষে গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের উদ্যোগে নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বিশুদ্ধতায় দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালোব্যাজ ধারণ এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও দুপুর ২টায় কোরানখানি ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত। মূল অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বেলা ৩টা ১ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত করে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ ইদ্রিছ। বক্তব্য দেন, মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ ও অধ্যক্ষ শেখ এ রাজ্জাক রাজু। প্রতিযোগিতায় চিত্রাঙ্কনে ৮ শত শিশু-কিশোর, কবিতা-আবৃত্তিতে ১৫০ জন, সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় ১৮০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা বিকেলে শিশু-কিশোর প্রতিযোগীদের মাঝে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা পান্টু লাল সাহার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, প্রতিটি উপজেলা হেড কোয়ার্টারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরাল নির্মাণ করা হবে। এর ফলে নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও দেশপ্রেম জাগ্রত হবে। কারণ তারাই আমাদের ভবিষ্যতে মানবসম্পদ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এম এম মনসুরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ রাশেদ, সাবেক এমপি মজহারুল হক শাহ, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ শামসুদ্দীন, মুক্তিযোদ্ধা এম এন ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, ড. জিনবোধি ভিক্ষু, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউসুফ, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন সেন, মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ, রেহানা ফেরদৌস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর আহমেদ তপু, জসিম উদ্দিন প্রমুখ। সভা শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের প্রাইজবন্ড ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ তুলে দেন প্রধান অতিথি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বাঙালির আত্মবিশ্বাসের মূল চালিকাশক্তি বঙ্গবন্ধু
১৮আগস্ট,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালির আত্মবিশ্বাসের মূল চালিকাশক্তি ও স্বাধীন বাংলাদেশের জনক। বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়-প্রতিটি জাতির ক্রান্তিলগ্নে একজন প্রকৃত বীর মহামানবের আবির্ভাব ঘটে। যাঁর হাত ধরে সেই জাতি জেগে ওঠে। সেই মহামানব বীরযোদ্ধার শৌর্য-বীর্য আর নেতৃত্বগুণে বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় সেই জাতি। অনেক বীরযোদ্ধা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাঙালি জাতির মুক্তির লক্ষে সংগ্রাম করেছেন, আর সবকিছুর নেতৃত্বে ছিলেন বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গত ১৬ আগস্ট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ক্ষণজন্মা এই দেশপ্রেমিক বাংলার বুকে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ হিসাবে এসেছিলেন। আমাদের ভাষা, দেশ, সংস্কৃতি, সবকিছুর মূলে অবিনাশী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জড়িয়ে আছেন। দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগ আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জোবাইদা গুলশান আরা জিমির সভাপতিত্বে ও রোকসানা আক্তার সুখীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন, চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. কামেলা খানম রূপা, সুলতানা জাহিদা কনা, কামরুন নাহার কমরু, দিপু সেন, আয়েশা সিদ্দিকা রুমী, শাহনাজ পারভীন নিলু, ইনসানা নাসরীন, ফারহানা ইয়াসমীন, সুমী দে সাথী, রুমা আক্তার, শাহানা আক্তার, হাসিনাতুন তাসকিন, ফাতেমা আক্তার, রোকসানা, রুনি, জেসমিন আক্তার প্রমুখ। সভায় ১৫ আগস্ট নিহত শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন অ্যাড. শামীমা হক বিথী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
২২ রোটারি ক্লাবের ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম সম্পন্ন
১৮আগস্ট,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোটারি ৩২৮২ জেলা কর্ণফুলী জোনের ২২টি ক্লাবের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণা গত শুক্রবার বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে রোটারিয়ান হাসিনা আকতার লিপির সঞ্চালনায় কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। তিনি ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা চালানোয় রোটারিয়ানদের ধন্যবাদ জানান এবং এ বিষয়ে আরো বেশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। ভবিষ্যতে যাতে ডেঙ্গু বিস্তার না করতে পারে সে ব্যাপারে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি চট্টগ্রামের ২২টি ক্লাবের একযোগে ডেঙ্গু নির্মূল অভিযানে কার্যক্রম পরিচালনাকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করে বলেন, এর মাধ্যমে সমাজ এবং রাষ্ট্র যেমন উপকৃত হবে তেমনি রোটারিতে সহমর্মিতার ভিত্তিও শক্ত হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং পাইওনিয়ার সদস্য রোটারিয়ান সুদীপ কুমার চন্দ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রোটারিয়ান প্রফেসর জাহাঙ্গীর চৌধুরী, মুনিরুজ্জামান, ফয়জুল কবির চৌধুরী, অধ্যাপক জাকারিয়া ও কামরুল ইসলাম। এ সময় রোটারিয়ানদের সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণার একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। পুরো কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলো হল- ডাউন টাউন, হিল টাউন, সিটি, কমার্শিয়াল সিটি, ইস্ট, পাইওনিয়ার, রোজ গার্ডেন, ওয়াটারফল, এলিগেন্স, বে-ভিউ, আগ্রাবাদ, কসমোপলিটন, এনশিয়েন্ট চিটাগং, এলিট, হেরিটেইজ, হিলসিটি, মেরিনসিটি, নর্থ, পোর্টসিটি, বেঙ্গলসিটি, সাগরিকা ও সাউথ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে কেজিডিসিএলের RALLY
১৭আগস্ট,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) গত ৯ আগস্ট RALLYর আয়োজন করা হয়। কেজিডিসিএল প্রধান কার্যালয় চত্বর থেকে RALLYনগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। রং-বেরংয়ের বিভিন্ন ফেস্টুন ও ব্যানার হাতে কেজিডিসিএলের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ RALLYতে অংশগ্রহণ করেন। RALLY পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কেজিডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী খায়েজ আহম্মদ মজুমদার বক্তব্য দেন। অন্যদের মধ্যে মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ও কেজিডিসিএল শ্রমিক কর্মচারী সংসদ (সিবিএ)- নেতৃবৃন্দসহ কোম্পানির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন শেল অয়েল কোম্পানির কাছ থেকে পাঁচটি গ্যাস ফিল্ড (তিতাস, বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলা ও রশিদপুর) ক্রয় করে জ্বালানি খাতে সরকারি মালিকানার সূচনা করেন। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী চিন্তা ও বিচক্ষণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বাংলাদেশ সরকার নামমাত্র মূল্যে এই পাঁচটি গ্যাস ফিল্ড ক্রয় করে যা অদ্যাবধি বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে এবং দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। মহান নেতার এই অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকারিভাবে প্রতি বছর ৯ আগস্ট জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে উদ্যাপন করা হচ্ছে। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে জ্বালানি খাতের কার্যক্রমকে উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছেন। সে ধারাবাহিকতায় জাতির জনকের উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার ও নিরাপদ জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তাছাড়া সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নিরন্তর কাজ করে চলছে। গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন নতুন কূপ খননসহ গ্যাসের অনুসন্ধান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে বিভিন্ন খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহে নব দিগন্তের সূচনা হয়। ফলে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে গ্যাস সংকট নিরসন হয়। মূল্যবান গ্যাসের অপচয় ও অবৈধ ব্যবহার রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর