মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবেঃ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা চলছে। আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী স্বাড়ম্বরে পালনের লক্ষ্যে সকলের সমন্বয়ে নগরীর এম.এ আজিজ স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঐদিন সকালে আনন্দ Railly, নগরীর বিভিন্ন স্কুলের ২০২০ জন শিক্ষার্থী মুজিব কোট ও চশমা পরিধান করে একযোগে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন পরিবেশন করবে। বাকী শিক্ষার্থীরা ও সর্বস্তরের মানুষ সাধারণ পোষাকে কর্মসূচীতে অংশ নেবে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বিগত ১১ বছরে দেশের প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজ দৃশ্যমান। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে এদেশকে মধ্যম আয়ের ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়নে এখন থেকে সরকারী-বেসরকারী প্রত্যেক প্রতিষ্টানকে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। সরকারের উন্নয়ন কাজগুলো শতভাগ সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদেরকে বিল পরিশোধ না করতে মন্ত্রনালয়ে জানানো হবে। মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজগুলো যাতে করা না হয় সে ব্যাপারে সজাগদৃষ্টি রাখতে হবে।ভোগান্তি লাঘবে বর্ষা মৌসুম শুরুর পূর্বে সরকারের সকল প্রকল্পের কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। ডিসি বলেন, রাস্তার পার্শ্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও অবৈধ বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণসহ জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। জেলার বিভিন্ন এলাকার নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ফসলি জমির উর্বরতা নষ্ট করে টপ সয়েল তুলে নিয়ে ইট ভাটাসহ অন্যান্য স্থানে নেয়া বন্ধ করা ও বন উজার করে কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) একেএম এমরান ভূইয়া, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ সাহাব উদ্দিন, মহানগরীর সহকারী কমান্ডার এফ.এফ আকবর খান, উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী (আনোয়ারা) আবদুল জব্বার চৌধুরী (চন্দনাইশ), মোঃ জসিম উদ্দিন (মিরশ্বরাই), হোসাইন মোঃ আবু তৈয়ব (ফটিকছড়ি), মোঃ নুরুল আলম (বোয়ালখালী), মোতাহেরুল ইসলাম (পটিয়া), উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন (বোয়ালখালী), মোঃ রুহুল আমীন (হাটহাজারী), শেখ জোবায়ের আহমদ (আনোয়ারা), মোমেনা আক্তার (বাঁশখালী), ফারহানা জাহান উপমা (পটিয়া), মোঃ নোমান হোসেন (কর্ণফুলী), তৌছিফ আহমেদ (লোহাগাড়া), মোঃ রুহুল আমিন (মিরশ্বরাই), মোঃ সায়েদুল আরেফিন (ফটিকছড়ি), জোনায়েদ কবীর সোহাগ (রাউজান), ইমতিয়াজ হোসেন (চন্দনাইশ), মাসুদুর রহমান (রাঙ্গুনিয়া), উত্তর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বখতিয়ার নূও সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জি.এম মোঃ আবু বক্কও সিদ্দিকী, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জি.এম আবুল কালাম আজাদ, বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্য পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত সাহা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাধবী বড়ুয়া, জেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলী, পৌর মেয়র হাজী আবুল কালাম আবু (বোয়ালখালী), মোঃ মাহাবুবুল আলম (চন্দনাইশ), মোঃ গিয়াস উদ্দিন (মিরশ্বাই), মোঃ নিজাম উদ্দিন (বারৈয়ারহাট), পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার চৌধুরী, জেলা ট্রাক-কভার্ডভ্যান এন্ড মিনি ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা, পাঁচলাইশ থানা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিয়া খাতুন, সওজর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার, বিউবোর সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুপান্তর চাকমা, জেলা পরিষদের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ আবদুল মান্নানওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক হোসাইন মোঃ ইমরান প্রমূখ। সভায় সরকারের বিভিন্নস্তরে কর্মরত কর্মকর্তা, উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সদস্য ও জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
ওসি মঈনুর রহমানের বুদ্ধিমত্তায় শ্রেষ্ঠত্বের পুরষ্কার
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিএমপির মাসিক অপরাধ সভায় পুরষ্কৃত হলেন পাহাড়তলী থানার ওসি মঈনুর রহমান। দিনদিন নতুন কায়দায় চোর ডাকাতরা খারাপ কাজ করছিলো,কিন্তু ওসি মঈনুর রহমানের বুদ্ধিমত্তায় চোরাই টাকা উদ্ধার করে আসামী আটক করতে সক্ষম হন।তাছাড়া ওয়ারেন্ট তামিলেও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ করেছেন। সিএমপির থানার মধ্যে পাহাড়তলী থানায়- চোরাই টাকা উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিলে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য অপরাধ সভায় বিশেষ পুরষ্কার পেয়েছেন পাহাড়তলী থানার ওসি মঈনুর রহমান। এই পুরষ্কার পেয়ে ওসি মঈনুর রহমান বলেন, এটা পুরো পাহাড়তলী থানার টিম ওয়ার্কের ফসল,এজন্য ধন্যবাদ জানান টিম পাহাড়তলীর সকল সদস্যকে, বিশেষ করে এসআই পলাশ ঋতু রাজ ও এএসআই উত্তম ধর কে। এই পুরস্কার তোমাদের সবার। ওসি মঈনুর রহমান নিউজ একাত্তর কে বলেন, কাজের স্বীকৃতি সকলের জন্যই আনন্দের,তাছাড়া ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলে কাজের গতি বাড়ে। মাসিক অপরাধ সভায় পুরস্কৃত করায় সন্মানিত সিএমপি কমিশনার,সহকারী কমিশনারসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনে বিজিসি ট্রাস্টের প্রস্তুতি
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনে বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ উদযাপন পরিষদের এক প্রস্তুতিসভা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিজিসি ট্রাস্ট কনফারেন্স হলে উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের রেজিস্ট্রার এ এফ এম আখতারুজ্জামান কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী, অশোক কুমার দাশ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দিন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিন শাহরিয়ার, সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ সরওয়ার উদ্দীন, সহযোগী অধ্যাপক খালেদ বিন চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এলভিন সাহা, সহযোগী অধ্যাপক সৌমেন চক্রবর্তী, সহকারী অধ্যাপক, ডা. পিকে মজুমদার, সহকারী অধ্যাপক মিতা মজুমদার, সহকারী অধ্যাপক, আবদুল হান্নান, সহকারী অধ্যাপক, জিয়া উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক মাইকেল দত্ত, সহকারী রেজিস্ট্রার অজয় মজুমদার, সহকারী অধ্যাপক আবুল হোসেন, আজিজুল হক ভূইয়া, হাবিবুর রহমান, সুকান্ত বড়ুয়া, পিন্টু শীলসহ বিভিন্ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবগণ। সভায় মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বিজিসি ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বছরব্যপী বর্নাঢ্য আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি বিজিসি ট্রাস্টের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে স্ব স্ব উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আফছার উদ্দিন আহমদকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ গঠন করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সেবা প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে আপডেট জানানোর সিদ্ধান্ত
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর প্রতিটি থানায় জিডি করার পর সেবা প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে আপডেট জানানো হবে। গতকাল মঙ্গলবার দামপাড়া পুলিশ লাইন্স কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) মাসিক অপরাধ সভায় এই সিন্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। সভায় জানুয়ারি মাসে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার ও ভালো কাজের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফদের নগদ অর্থ ও সম্মাননা দেওয়া হয়। শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার, শ্রেষ্ঠ থানা, শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শকের সম্মাননা গ্রহণ করেন কর্ণফুলী জোনের মো. ইয়াসির আরাফাত, বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন ও কর্ণফুলী থানার এসআই মো. মনিরুল ইসলাম। সিএমপি কমিশনার নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। সকল থানা ও ডিবিকে যৌথভাবে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সকল জোনের ডিসিদের মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধে তৎপর হতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের মানুষ এতো ভালোবাসেন বোধগম্য ছিলো না
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজনীতি ও খেলাধুলা-এ দুটোকে এবাদত হিসেবে নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চরম দুঃসময়ে রাজনীতি শুরু করেছিলাম। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড আমাকে নাড়া দিয়েছিলো। ৭৫ এর পর সর্বপ্রথম জানুয়ারি মাসে আমরা চার-পাঁচজন ছেলে একত্রিত হয়ে মিছিল করেছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে চন্দনপুরা দিয়ে চলে গেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী এসে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছিলো। আমার কোনো অভিমান, ক্ষোভ, রাগ নেই। আমি রাজনৈতিক কর্মী, মাঠের কর্মী। মাঠ থেকে আজ এ পর্যায়ে এসেছি। অনেকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলাম। চট্টগ্রাম কলেজকে শিবিরমুক্ত করতে গিয়ে নির্মমভাবে আক্রান্ত হয়েছিলাম। নির্যাতন ছিলো নিত্যদিনের সঙ্গী। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী আমাকে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছেন। এরপর মেয়র পদে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, মনের কষ্টের কথা যদি বলেন একটা বিষয়ে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। যেখানে আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার পর চট্টগ্রাম কলেজে প্রতিবাদ মিছিল করেছি, বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল ফারুকের সভা পণ্ড করেছি এবং এ শহরে তাদের কোথাও কোনো সভা-সমাবেশ করতে দিইনি সেই জায়গায় খুনির কোন এক ভাইয়ের ছবি ফেসবুকে দিয়ে চরম অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হয়েছে। যে ছবিটি দেখানো হয়েছে সেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমার দুঃসময়ে পাশে থাকা আকরাম খানের আহ্বানে অক্সিজেন এলাকায় একটি দোকান উদ্বোধনে গিয়েছিলাম। অপপ্রচারকারীরা যে বঙ্গবন্ধুর খুনির ভাইয়ের ছবি দাবি করছে তাকে আমি চিনিও না, কোনো দিন দেখিওনি। হয়তো আকরাম খান বলতে পারবে। মেয়র পদের মনোনয়ন আটকে দেওয়ার জন্য এ ধরনের ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়া খুবই দুঃখজনক। কারও মেয়র পদ লাগলে আমাকে সরাসরি বলতে পারতো। প্রয়োজনে আমি মনোনয়ন সংগ্রহ করতাম না। কিন্তু এ রকম এ অপপ্রচার কিছুতেই কাম্য নয়। যার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। আমি শতভাগ চ্যালেঞ্জ করে বলছি। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে জয়ী করতে শতভাগ কাজ করবেন জানিয়ে মেয়র বলেন, আমি সবাইকে বলছি- তোমরা আমাকে নির্বাচিত করার জন্য যেভাবে কাজ করতে, সেই ভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থীর জন্য কাজ করবে। আমি শতভাগ উজাড় করে দেবো। বিগত দিনে এ শহরের প্রতিটি নির্বাচনে প্রত্যেকটি প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য কী করেছি সেটা আপনারা (সাংবাদিকরা) জানেন। তিনি বলেন, আমার বড় প্রাপ্তি হচ্ছে সততা। স্বচ্ছতার মধ্যে চসিকের দায়িত্ব পালন করেছি। চট্টগ্রামবাসী এতো ভালোবাসেন এটা আমার বোধগম্য ছিলো না।আমি জানি মানুষের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা আছে। আমাকে কাজ পাগল বলা যায়। আমার বাবাও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। খেলাধুলা আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। ১৯৯০ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ২৫ বছরে ২৫৫০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাবো। অনেক প্রকল্প দেওয়ার কারণে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি কাজ বাস্তবায়ন করেছি। আরও অনেক প্রকল্পের কাজ বাকি আছে। এলইডি লাইটের আওতায় আসছে পুরো শহরে। আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, এখানে সড়কবাতি ছিলো না। অন্ধকার থাকতো। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর লাইটিংয়ের আওতায় এনেছি। ময়লা-আবর্জনা মাসের পর মাস দুর্গন্ধ ছড়াতো। এখন সেই অবস্থায় আছে? আমার মূল লক্ষ্য ছিলো টেকসই উন্নয়ন। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। দেশপ্রেমী সেনাবাহিনী ড্রেন, খাল প্রশস্ত করছে, গভীর করছে। প্রকল্পগুলো যত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে জনগণ এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে। আগে সড়ক ছিলো ফুটপাত ছিলো না। নালা ছিলো না। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে আগে ফুটপাত, ড্রেন, লাইটিং ছিলো? এখন সবই করা হয়েছে। পোর্ট কানেকটিং রোড করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামের গুরুত্ব ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে নগরটা ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করেছি। আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- আমি মানুষকে ভালোবাসার চেষ্টা করি। মানুষের আর্থিক অবস্থা আমার কাছে বিবেচ্য নয়। তিনি বলেন, আমি সাংবাদিক সমাজের পক্ষে। আমি যেখানে থাকি, যে অবস্থানে থাকি সাংবাদিকদের পাশে থাকবো। সাংবাদিকদের কাছে আমি ঋণী ও কৃতজ্ঞ। আমরা যে কাজগুলো করেছি তার সুফল নগরবাসী পেতে শুরু করেছেন। কাজের মধ্যে সময় অতিবাহিত করেছি। রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত অফিস করেছি। কোনো ফাইল জমে থাকেনি। দিনের কাজ দিনে করার চেষ্টা করেছি। এরপরও ভুল ত্রুটি হলে চুল চেরা বিশ্লেষণ করবেন আপনারা। যত ব্যস্ততা থাক, স্টেডিয়াম ছুটে যাই। স্টেডিয়াম এলাকা আগে কোন অবস্থায় ছিলো, এখন কোন অবস্থায় এসেছে। অবকাঠামো থেকে শুরু করে খেলাধুলায় পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রামের দুইজন ক্রিকেটার আছেন আন্ডার ১৯ দলে। তারা বিরল সম্মান বয়ে এনেছে দেশের জন্য। বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম. শামশুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য কাজী আবুল মনসুর প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
শাহ আমানতে ৯৪৫ কার্টন সিগারেট জব্দ
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫ যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ৯৪৫ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিমানবন্দরে দায়িত্বরত এনএসআই টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিগারেটগুলো জব্দ করে। কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রীদের তল্লাশি করা হয়। এসময় পাঁচ যাত্রীর লাগেজ থেকে এসব সিগারেট জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রতি কার্টন ২ হাজার টাকা করে এসব সিগারেটের বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এসব সিগারেটের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিমানবন্দর কাস্টমসকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে সিটি মেয়র পদটি উপহার দেবো,জীবনবাজি রেখে চেষ্টা চালিয়ে যাবো: নাছির
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের প্রার্থী রেজাউল করিমকে জয়ী করতে যতটুকু সামর্থ্য আছে তার শতভাগ উজাড় করে দেবেন বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যার হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছেন, তাকে বিজয়ী করার জন্য আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে- তার শতভাগ উজাড় করে দেবো। জীবনবাজি রেখে চেষ্টা চালিয়ে যাবো। প্রধানমন্ত্রীকে সিটি মেয়র পদটি উপহার দেবো। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফিরে নিজ বাসভবনের সামনে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাতকার দিতে গত শনিবার তিনি ঢাকায় গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রেজাউল করিম ভাইয়ের সঙ্গে আজকেও আমার কথা হয়েছে। গতকালও আমরা কথা বলেছি। আগামী পরশুদিন তিনি চট্টগ্রামে আসবেন। তাকে রেলস্টেশন চত্বরে আমরা বরণ করে নেবো। এরপর নগর আওয়ামী লীগের নেতারা সবাই তার সঙ্গে বসে কীভাবে সিটি নির্বাচন পরিচালনা করা হবে তার কৌশল ঠিক করবো। পরিকল্পনা নেবো। আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মনোনয়ন আমার পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আজীবন আমি একটি পদে থাকবো না। প্রত্যেকেই ক্রমান্বয়ে পদে আসবে। এটি সাধারণ বিষয়। কেউ আসবেন, কেউ বিদায় নেবেন- এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এসব নিয়ে কাল্পনিক কারণ খোঁজাটা আমি স্বাভাবিক মনে করি না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলের সাধারণ সম্পাদক করেছেন। তিনবারের সফল মেয়র আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সরিয়ে তিনিই আমাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেন। তখন মহিউদ্দিন ভাইয়ের পরিবর্তে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিলো, এখন আমার পরিবর্তে আরেকজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। চসিক মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনে নিজেকে শতভাগ সফল দাবি করে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, কাজের ক্ষেত্রে আমাকে ব্যর্থ বলার কোনো সুযোগ নেই। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে ৪০ বছরে যত কাজ হয়নি, তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ এবার আমার আমলে হয়েছে। এ সময় যতগুলো প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী আমাকে দিয়েছেন, বিগত দিনে কেউ এতো প্রকল্প পাননি। কাজের ক্ষেত্রে আমি শতভাগ সফল। এটা নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারবে না। এদিকে দলের নেতাকর্মীদের ভিড় এড়াতে অনেকটা নিরবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফিরলেও নগরের আন্দরকিল্লা এলাকায় আ জ ম নাছির উদ্দীনের বাসভবনে বিকেলে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। মুহূর্তেই কয়েক হাজার নেতাকর্মী সেখানে ভিড় জমান। এ সময় অনেকে আবেগতাড়িত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
চট্টগ্রাম মহানগরীতে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে সমন্বয় সভা
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ দামপাড়া পুলিশ লাইন্স কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ব্যাটারী চালিত রিক্সা ও অবৈধ সি.এন.জি অটোরিক্সা চলাচল বন্ধের পাশাপাশি সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে প্যাডেল চালিত রিক্সা ও সিএনজি মালিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম মহানগরীতে ব্যাটারী চালিত রিক্সা ও অবৈধ সি.এন.জি অটোরিক্সা চলাচল বন্ধের পাশাপাশি ভ্যানে জিনিসপত্র বিক্রি নিষিদ্ধ করন, গ্রাম সিএনজি ও নিলাম সিএনজি চলাচল নিষিদ্ধ করণ, প্রধান প্রধান সড়কগুলো হকারমুক্ত রাখা, সর্বোপরি সুষ্ঠু ট্রাফিক নিশ্চিতকল্পে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসময় সেখানে উপ-পুলিশ কমিশনার ডিসি (ট্রাফিক-উত্তর) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) মোঃ তারেক আহম্মেদ সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও পরিবহন সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে ভেজাল ও নিম্নমানের ভোগ্যপণ্য ঠেকাতে নমুনা সংগ্রহে মাঠে নামছে বিএসটিআই
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রমজানের বাকি আর মাত্র ২ মাস ১ সপ্তাহ। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা নিম্নমানের, নকল, ভেজাল ভোগ্যপণ্য বাজারজাত করার কাজটি শুরু করেছে আরও আগেই। রমজানের সেহেরি, ইফতারে অত্যাবশ্যক এমন ভোগ্যপণ্য ও উপকরণে ভেজাল ঠেকাতে খোলাবাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে মাঠে নামছে বিএসটিআই টিম। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের বাজার থেকে তোলা হবে ঘি, ময়দা, আটা, সুজি, সরিষার তেল, ফর্টিফাইড সয়াবিন, পাম অয়েল, পাম অলিন, মরিচের গুঁড়া, হলুদের গুঁড়া, লাচ্ছা সেমাই, বাংলা সেমাই, দই, নুডলস, সফট ড্রিংকস পাউডার, লবণ, বিস্কুট ইত্যাদি পণ্যের নমুনা। সম্প্রতি বিএসটিআইয়ের পরিচালক (প্রশাসন) মো. তাহের জামিল রমজান সামনে রেখে বাজার থেকে বিভিন্ন পণ্যের নমুন সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে আগামী জুন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে খাদ্যপণ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যের ওপর সার্ভিল্যান্স বা মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। ওই চিঠিতে গৃহীত কার্যক্রমের সাপ্তাহিক অগ্রগতি প্রতিবেদন মহাপরিচালকের বরাবর পাঠাতেও অনুরোধ জানানো হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএসটিআই চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিএম) মোস্তাক আহমেদ বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, ঢাকা থেকে চিঠি পাওয়ার পর থেকে কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। শিগগির আমরা তালিকাভুক্ত পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করবো বাজার থেকে। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি নিম্নমানের পণ্য, নকল, ভেজাল পণ্য পাওয়া যায় তবে মামলাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থ, জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্যের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি আমরা। তিনি বলেন, ২০১৯ সালে বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করে অনেক পণ্যে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী উপকরণ বা প্যারামিটারগুলো সঠিক মাত্রায় পাওয়া যায়নি। মানোত্তীর্ণ না হওয়া পণ্যের নাম ও প্রতিষ্ঠানের নামসহ বিজ্ঞাপন দিয়ে সতর্ক করা হয়। এর ফলে অনেক কোম্পানি তাদের পণ্য বাজার থেকে তুলে নিতে বাধ্য হয়। ব্যাপক জনসচেতনতাও সৃষ্টি হয়।