মাদক ও ভেজাল খাবার রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে সড়ক ও নৌ-পথে মাদক পাচার করছে। যার ফলে যুব সমাজ মাদকাসক্ত হচ্ছে। নগরীর বরিশাল কলোনীসহ মাদকের আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আসামিদের দেখা সাক্ষাতে কেন্দ্রীয় কারাগারে কোন কায়দায় যাতে মাদক না ঢুকে সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আদালতের হাজতখানায় ও একই পন্থা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে আরো সিসি ক্যামেরা সংযোজন করতে হবে। ভেজাল খাবাররোধসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। সুস্থ জাতি গঠনে মাদক ও ভেজাল খাবার রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। গত রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বলেন, জেলার সকল উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বাহিনী কাজ করছে। সন্ত্রাসী-জঙ্গি গ্রেপ্তার, মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সভায় মাল্টিমিডয়ার মাধ্যমে গত আগস্ট মাসের খাতওয়ারি অপরাধ চিত্র, সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার মো. সাহাবউদ্দিন, কোস্টগার্ড প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট মো. নাঈমুল হক, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল (রাউজান), তৌহিদুল হক চৌধুরী (আনোয়ারা), হোসাইন মো. আবু তৈয়ব (ফটিকছড়ি), মোহাং জসিম উদ্দিন (মীরসরাই), আলহাজ্ব মো. খলিলুর রহমান (রাঙ্গুনিয়া), চৌধুরী মো. গালিব (বাঁশখালী), ফারুক আহমদ (কর্ণফুলী), উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার (বাঁশখালী), আছিয়া খাতুন (বোয়ালখালী), শেখ জোবায়ের আহমদ (আনোয়ারা), মোহাম্মদ মোবারক হোসেন (সাতকানিয়া) প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও পাহাড় উজাড় করা যাবে না
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশের বনাঞ্চলগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কারণে পরিবেশ ভারসাম্য হারাচ্ছে। দেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও পাহাড়গুলো উজাড় করা যাবেনা। দেশকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে মুক্ত করে আগামীতে বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে হলে বাড়ির ছাদ, বাগান, রাস্তা-ঘাটসহ সর্বত্র বেশী করে ফলজ, বনজ ও ওষধি গাছ লাগাতে হবে। দেশি-বিদেশি ফলমূলের চারা রোপনে আগ্রহী হতে হবে। আমাদের এ সুন্দর দেশ ও পরিবেশকে বাঁচাতে বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই। আমাদের দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮ শতাংশ বনভূমি রয়েছে। জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকার উন্নয়ন করতে হবে। দেশের সাধারণ বনাঞ্চল ২২ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে ও এক্সক্লুসিভ বনাঞ্চল ১৮ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ ১০টি উদ্যোগ বাস্তবায়ন, ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মান সম্ভব হবে। গতকাল ৯ সোমবার নগরীর ফয়স লেকস্থ রেঞ্জ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী চট্টগ্রাম রেঞ্জের পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহানগর জোনের কমান্ড্যান্ট এএসএম আজিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাহিনীর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান। আলোচনা সভা শেষে এক Railly প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে রেঞ্জ সদর দপ্তরে এসে শেষ হয়। রেঞ্জ-ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ের বিভিন্ন পদবীর কর্মকর্তা ৩০ আনসার ব্যাটালিয়ন চট্টগ্রাম জেলা, মহানগর আনসার, ১৫ আনসার ব্যাটালিয়ন, প্রত্যেক উপজেলা আনসার সদস্য ও বিভিন্ন ইউনিয়নের ভাতা ভুক্তসহ প্রায় ৯ শতাধিক সদস্য Railly তে অংশ নেন। সবশেষে রেঞ্জ সদর দপ্তর মাঠে চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। উল্লেখ্য গতকাল সোমবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী চট্টগ্রাম জেলায় ৫ হাজার সহ সারাদেশে একযোগে প্রায় দুই লক্ষ ফলদ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আজ মোঃ ইরফান চৌধুরীর শুভ জন্মদিন
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ১০ ই সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে ধনাঢ্য পরিবার ও ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন মোঃ ইরফান চৌধুরী। তৎকালিন চট্টগ্রামের জজকোর্টের বিশিষ্ট এক আইন লেখক এর বড় নাতি তিনি। তার পিতা: মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী একজন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সিনিয়র সাংবাদিক,লেখক,প্রাবন্ধিক, ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে একজন। ভবিষ্যৎ পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন লিমিটেড এর পরিচালক মোঃ ইরফান চৌধুরী তার শিক্ষা জীবনের পাশাপাশি দেশ মাতৃকার কাজে অসংখ্য কাজ করেছেন। যাহা বাংলাদেশের জনপ্রিয় পত্রিকা গুলোতে প্রকাশিত রয়েছে। বর্তমানে মোঃ ইরফান চৌধুরী নিজ গুনে গুনাজ্ঞিত হয়ে e-priyo24 নামক একটি ব্লগ সাইট ও binodhon24 নামক একটি বিনোদন পোর্টাল এর প্রকাশক। তিনি বাংলাদেশের একটি সুনামখ্যাত মানবাধিকার সংস্থা এর একজন সিনিয়র কর্মী ও জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল নিউজ একাত্তর ডট কম এর বিনোদন প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। তার জন্মদিনে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহ সহপাটি,শুভাকাক্ষী,বন্ধু-বান্ধব মহল তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আগামি দিনের পথ চলা যেন সুন্দরভাবে অতিবাহিত করতে পারে তার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নিহত ২
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:কক্সবাজারের টেকনাফের পুরান পল্লান পাড়ায় পাহাড় ধসে দুই শিশু নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও অন্তত ১০ জন। মঙ্গলবার ভোরে মুষলধারে বৃষ্টির সময় এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) কর্মকর্তা আব্দুল মতিন। নিহতরা হচ্ছে- টেকনাফের পুরান পল্লান পাড়ার মুহাম্মদ আলমের মেয়ে আফিয়া (৫) ও একই এলাকার রবিউল হাসানের ছেলে মেহেদী হাসান (১০)। টেকনাফ উপজেলা দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান, টেকনাফের পুরান পল্লান পাড়ার মুহাম্মদ আলম ও রবিউল হাসান পাহাড়ের পাদদেশে বাড়ি করে বাস করছিলেন। সোমবার দিবাগত রাতে থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। মঙ্গলবার ভোররাতে বৃষ্টির তোড়ে তাদের বাড়ির ওপর অংশে থাকা পাহাড়টি ধসে পড়ে। এতে দুই বাড়ির দুই শিশু মাটিচাপায় ঘটনাস্থলে মারা যায়। বাকিদের মাটিচাপা থেকে বের করে হাসপাতালে নেয়া হয়। টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
হাটহাজারীতে রেশমী আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
০৯সেপ্টেম্বর,সোমবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাটহাজারী থানার ১১ মাইল মিনহাজ ম্যানশন থেকে রবিবার সন্ধ্যায় রেশমী আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার ৮ সেপ্টেম্বর বিকালে হাটহাজারীর ফতেপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ১১মাইল ফরেস্ট গেইটের বিপরীতে পুরাতন সিনেমা হল সড়ক সংলগ্ন মিনহাজ ম্যানশনে এ ঘটনাটি ঘটে। সে মো. ইউসুফের ছেলে মোঃ নিয়ামত উল্লাহ জীবনের (৩৩) স্ত্রী। চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল ও (এমপি লতিফের) বাড়ির পাশে আব্দুন নূরের মেয়ে রেশমী আক্তার (২৫)। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রেশমি আক্তারের সাথে উক্ত ম্যানশনের মালিক ইউসুফের ছেলে নিয়ামত উল্লাহ জীবনের সাথে কোর্টের মাধ্যমে ৩ বছর আগে বিয়ে হয়েছে। রেশমী তার বাসায় আসা-যাওয়া করত। আজ রবিবার রেশমী স্বামী নিয়ামত উল্লাহ জীবনের সাথে দেখা করতে এসেছিল। এদিকে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে এলাকাবাসি থানায় খবর দিলে দ্রুত ঘটনাস্থলে হাটহাজারী মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাসার একটি কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রেশমীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বাসার দরজা জানালা ও মেইগেইট খোলা ছিল এবং বাসায় তখন কেউ ছিল না। জীবনের এক বন্ধু সানিম নিউজ একাত্তরকে বলেন, মেয়েটির সাথে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। আগেও কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল আমরা মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। মেয়েটির ৭ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। আজ বিকাল দুইটার দিকেও ১১ মাইলে জীবনের সাথে আমার দেখা ও কুশল বিনিময় হয়েছে। রেশমীর মা জেসমিন সুলতানা নিউজ একাত্তরকে বলেন, ৩বছর আগে কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়েছে। জীবন আমার ও আমার মেয়ের সব টাকা-পয়সা শেষ করে ফেলেছে। আমার মেয়েকে আজকে কালকে পারিবারিকভাবে অনুষ্ঠান করে তুলে নেবে বলে তিন বছরও ঘরে তুলেনি। আগেও রেশমির একবার বিয়ে হয়েছিল সে ঘরের তামান্না সুলতানা জেসি নামে ৭ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর নিউজ একাত্তরকে বলেন, খবর শুনে আমি ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল করে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ামত উল্লাহ জীবনের পিতা মোঃ ইউসুফকে আটক করা হয়েছে। জীবন পলাতক রয়েছে। এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত রেশমির পরিবার থানায় মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে খেলাঘরের বিকল্প নেই : মেয়র
০৯সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঙালি জাতির অস্তিত্বের উৎস- সংস্কৃতি। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ ও গোড়ামি মুক্ত মানুষ গড়তে খেলাঘরের বিকল্প নেই। কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তুলতে খেলাঘর নিরলসভাবে কাজ করছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যে ৬টায় প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হল মিলনায়তনে খেলাঘর চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন একথা বলেন। খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি ড. গাজী সালেহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুস সালাম। তিনি বলেন, শরীরের অসুখ দূর করতে যেমন হাসপাতাল তেমনি মনের অসুখ দূর করতে চাই বই পড়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চা। নৈতিকতার অবক্ষয়ের কারণে দেশে বর্তমানে হত্যা, রাহাজানি, মাদক ও শিশু নির্যাতন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নৈতিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত হয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সাংস্কৃতিক একাডেমির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক নিতাই কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, সংস্কৃতি পরিবর্তনশীল। শুদ্ধ সংস্কৃতি গ্রহণ ও অপসংস্কৃতি বর্জনের মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক চর্চায় সম্বৃদ্ধ করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. লেনিন চৌধুরী বলেন, খেলাঘর আন্দোলনের মূলভিত্তি সাহিত্য ও সংস্কৃতি। সাংস্কৃতিক একাডেমি উদ্বোধনের মাধ্যমে খেলাঘর চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গণে এক সোনালী অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। খেলাঘর চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক একাডেমির পরিচালক প্রকৌশলী রথীন সেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খেলাঘর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, দক্ষিণ জেলা কমিটির সভাপতি জসিম চৌধুরী সবুজ ও কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম। শেষে খেলাঘর জাতীয় শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম মহানগরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সকলে এগিয়ে আসলে শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন সম্ভব: ডিসি
০৯সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে ঝরে পড়া রোধসহ সাক্ষরতা ও মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বর্তমানে দেশে শিক্ষার হার প্রায় ৭৪ শতাংশ। সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯৭ শতাংশ ভর্তি নিশ্চিত হলেও চট্টগ্রামে তা শতভাগে উন্নীত হয়েছে। আমরা শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন করতে চাই। এজন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। তিনি বলেন, গত দেড় বছরে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম অনেকদূর এগিয়েছে। শিক্ষার পাশাপাশি নীতি-নৈতিকতা শিখাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে ১০টি প্রশ্ন সম্বলিত ডায়েরি প্রদান করা হচ্ছে। এগুলোর মাধ্যমে সন্তানদের মাঝে সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টি হবে। সকলে এগিয়ে আসলে আগামী ২০৩০ সালে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা ও সাক্ষরতা বাস্তবায়ন হবে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে দেশের শিক্ষার মান ও সাক্ষরতা উন্নত বিশ্বের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। গতকাল রোববার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, ‘বহু ভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিরাপত্তা।’ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো দিবসের আয়োজন করে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আবু হাসান সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও সুকুমার দাশের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হৃষিকেশ শীল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক জুলফিকার আমিন। ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন মো. সিরাজুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক মো. আজিজুল হক, রবার্ট কমল সরকার, সোহাইল উদ-দোজা, নজরুল ইসলাম, মো. আলী সিকদার, মাহবুব উল আলম, কানিজ ফাতেমা, মনজিলুর রহমান, টুটুল দাশ, অপূর্ব দে, প্রবীর দাশ, অলকা বড়ুয়া, সোমা দত্ত প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
লায়নরা মানবসেবায় সব সময় নিবেদিতপ্রাণ : কামরুন মালেক
০৯সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসির তরে সেবা এই স্লোগানকে ধারণ করে সমপ্রতি নগরীর কদমতলীতে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সলিডারিটি, খুলশী, গ্রীন সিটি ও গোল্ডেন সিটির যৌথ ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ডায়বেটিস পরীক্ষা, খতনা, নাক ও কান ছেদন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, লায়ন জেলা ৩১৫-বি৪ এর গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ১ম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাস। অতিথি ছিলেন, কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন জি, কে লালা, জিএমটি লিডার লায়ন জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। প্রধান অতিথি গভর্ণর লায়ন কামরুন মালেক বলেন, আমাদের লায়নরা সব সময় মানবসেবায় নিবেদিত প্রাণ। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থেকে লায়নরা নিজেদের বিলিয়ে দেন। তিনি সলিডারিটি, খুলশি, গ্রিন সিটি, গোল্ডেন সিটির এই যৌথ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, রিজিওন চেয়ারপারসন লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুর রহমান, লায়ন নিজাম উদ্দিন মামুন, জোন চেয়ারপারসন লায়ন আবু বক্কর সিদ্দিকী, লায়ন তারেক কামাল, লায়ন এরফান উদ্দিন, লায়ন তাহের উদ্দিন, লায়ন আব্দুল হান্নান ভূইয়া, ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপারসন লায়ন মনোয়ারা বেগম, লায়ন মোহাম্মদ হোসেন রানা, লায়নস ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন মুহাম্মদ গাউসুল হক চৌধুরী, লায়ন রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, লায়ন আলমগীর হোসেন বাবুল, লায়ন শওকত হোসেন, ডিস্ট্রিক্ট সেক্রেটারি লায়ন কামরুন নাহার দস্তগির, লায়ন জহিরুল ইসলাম সুজন, লায়ন কামরুজ্জামান, লায়ন জসিম উদ্দিন, লায়ন সালেহা , লায়ন শাহাবুদ্দিন মাহমুদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চবিতে দুইদিন ব্যাপী প্রতিকী জাতিসংঘ সম্মেলন সম্পন্ন
০৯সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইদিন ব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিকী জাতিসংঘ সম্মেলন গত শনিবার সম্পন্ন হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিটি, পরিবেশ বিষয়ক কমিটি, নিরস্ত্রীকরণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি এবং বাংলাদেশ বিষয়ক বিশেষায়িত কমিটির আওতায় এই সম্মেলনে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী। সম্মেলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অডিটোরিয়ামে সমাপ্তি ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এবিএম আবু নোমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রণব মিত্র চৌধুরী, সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ ইয়াকুব। সিউমুনা আয়োজিত এই সম্মেলনে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন সংস্থাটির ২০১৮-১৯ সেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাইম উদ্দীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির ট্রাস্টি বোর্ড মেম্বার আমজাদ হোসেন দিনার এবং আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দ ফজলুল মাহদী এবং সংস্থাটির সভাপতি লোকপ্রশাসন বিভাগের স্নাতকোত্তর ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মননশীল ও দক্ষ প্রজন্ম তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করে সিউমুনা। যেখানে শিক্ষার্থীরা পাবলিক স্পিকিং, বিতর্ক, কূটনীতি, নেটওয়ার্কিং, রিসার্চ এবং দলগত কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। সম্মেলন শেষে পারফর্মেন্সের ভিত্তিতে চার কমিটির ২০জনকে বেস্ট ডেলিগেইট, আউটস্ট্যান্ডিং ডেলিগেইট, স্পেশাল মেনশন এবং বেস্ট পজিশন পেপার এ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর