রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২০
মাদারীপুরে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটসের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
১১মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুরের নারী সাংবাদিক সাবরীন জেরিনের (২৫) ওপর হামলা চালিয়েছে এলজিইডি অফিসের কর্মচারী ও ঠিকাদাররা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় মাদারীপুর এলজিইডি অফিসে এ ঘটনা ঘটে। তিনি দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি ও স্টাফ রির্পোটার হিসেবে কর্মরত আছেন। সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত সাবরিন জেরিন মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । হামলার শিকার সাবরীন জেরিনের স্বামী আবদুল্লাহ আল মামুন বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান । তিনি জানান, পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য মাদারীপুর এলজিইডি অফিসের ইউডি নাসির উদ্দীন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রীকে ফোন করে অফিসে ডাকেন। অফিসে যাওয়ার পর তিনি বিজ্ঞাপন না দিয়ে আমার স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার, অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অশ্লীল আচরণ করে। স্ত্রীর ফোন পেয়ে আমি এলজিইডি অফিসে গেলে নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে ১০/১৫ জন ঠিকাদার আমাকে মারপিট করে। এ সময় আমার স্ত্রীর তলপেটে ৭/৮টি লাথি, কিলঘুষি, চড়থাপ্পড় ও চুল ধরে টানাহেঁচড়া করে। বেধড়ক হামলায় আমার স্ত্রী গুরুতর আহত হয়। আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মারধরের সময় নাসির উদ্দীন বলেন তুই কিসের সাংবাদিক তোদের মত কত সাংবাদিক আমার জীবনে মেরেছি। কেউ আমার কিছু করতে পারেনি। তুই যা পারিস তাই করিস। এসময় আমাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে আমাদের জীবন রক্ষা করে। এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানা ওসি কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন আহত সাংবাদিক সাবরীন জেরিনের স্বামী আবদুল্লাহ আল মামুন। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক নেতা মো. সাজ্জাদ হোসেন সাবরিন জেরিনের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকের উপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য হুমকি সরূপ। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন মাদারীপুরে কর্মরত সাংবাদিকরা। উক্ত হামলার ঘটনায় মিলেনিয়ামের হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির পক্ষ থেকে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় এবং দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
নগরীতে কোটি টাকা মুল্যের ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab
১১মার্চ,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন ইস্ট কলোনী বি টাইফ কোয়ার্টার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯,০২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার ১০ই মার্চ সকাল ১০:৪০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন ইস্ট কলোনী বি টাইফ কোয়ার্টারের সামনে বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯,০২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ১ আসামীকে গ্রেফতার করা হয় এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটি জব্দ করা হয় বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) মাহমুদুল হাসান মামুন । আটককৃত আসামী হল, মোঃ সেলিম উল্লাহ (৩৬) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন শিলবনিয়াপাড়া গ্রামের মৃত নজির আহম্মদ এর ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এসএসপি কাজি মোঃ তারক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পা্রি যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি পিকআপ যোগে বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে অলংকার বাস ষ্টেশনের দিকে । এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যা বের একটি টহল দল নগরীর বন্দর থানাধীন ইস্ট কলোনী বি টাইফ কোয়ার্টারের সামনে বিশ্বরোড এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায়। এসময় Rabর চেকপোস্টের দিকে আসা একটি পিকআপ (চট্ট মেট্রো-ন-১১-৪০৩৯) তল্লাশির জন্য সংকেত দিলে ড্রাইভার গাড়িটিকে না থামিয়ে Rabর চেকপোস্ট ভেঙ্গে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে Rab সদস্যরা গাড়িটির পিছু ধাওয়া করে আসামী্কে আটক করে। পরে আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো ও সনাক্ত মতে পিকআপ এর পিছনে বাম্পারের ভিতর সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ১৯,০২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় ইয়াবা পরিবহণে ব্যবহৃত পিকআপটি জব্দ করা তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ৯৫ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকা এবং জব্দকৃত পিকআপের আনুমানিক মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান।
ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab
১০মার্চ,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানাধীন পাইকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। আজ মঙ্গলবার ১০ই মার্চ সকাল ৯:১০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানাধীন পাইকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) মাহমুদুল হাসান মামুন । আটককৃত আসামীরা হলেন, রেজাউল করিম (৫২),পটিয়া থানাধীন পাইকপাড়া (হাজী অছি উদ্দিন সওদাগরের বাড়ী) গ্রামের মৃত আফজাল হোসেন এর ছেলে, মোঃ আকিব উদ্দিন ওপেল (২২),পটিয়া থানাধীন পাইকপাড়া (হাজী অছি উদ্দিন সওদাগরের বাড়ী) গ্রামের রেজাউল করিম এর ছেলে। আমির হোসেন (২২) পটিয়া থানাধীন পিতা- হাবিবুর পাড়া (তীর মোসল্লা কোম্পানীর বাড়ী) গ্রামের মোঃ শফির ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এসএসপি কাজি মোঃ তারক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানাধীন পাইকপাড়া সাকিন জসিম উদ্দিনের মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে আটককৃত আসামীদের দেহ তল্লাশী করে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসময় ১ জন আসামী সুকৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পলাতক আসামী মোঃ রাশেদ (২২) পটিয়া থানাধীন দক্ষিন হাইরগাঁও গ্রামের। তিনি আরও জানান,গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং গ্রেফতারকৃত আসামীদের পটিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা
১০মার্চ,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আজকে নগরীর বেশ কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগনের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট চালানো হয়। সোমবার ৯ই মার্চ বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের যাত্রা শুরু হয়।১৪জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে এ অভিযান আগামী ২৮শে মার্চ পর্যন্ত চলবে । আজকের অভিযানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, এসিল্যান্ড আগ্রাবাদ সার্কেল ,এসিল্যান্ড চান্দগাও সার্কেল (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মামনুন আহমেদ অনিক,শিরীন আক্তার,গালিব চৌধুরী,কাজী তাহমিনা সারমিন,মাসুদুর রহমান,আশিকুর রহমান,আবু বকর সিদ্দিক। এর মধ্যে ডবলমুরিং ও বন্দর এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেন আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুস সামাদ শিকদার। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক ডবলমুরিং ও বন্দর এলাকায়, গালিব চৌধুরী ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায়, কাজী তাহমিনা শারমিন পাহাড়তলী ও ডবলমুরিং এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ কোতোয়ালী ও ডবলমুরিং এলাকায়, মাসুদুর রহমান পাহাড়তলী এলাকায় এবং আশিক-উর-রহমান পাঁচলাইশ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিকের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টের একটি টিম কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বহদ্দার হাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা ও ৫নং মোহরা ওয়ার্ড এলাকায় অন্তত ১৩টি বড় ও রঙ্গিন পোষ্টার অপসারন করা হয়। এছাড়া ৫নং মোহরা ওয়ার্ড এর কালুরঘাট এলাকায় নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে পোস্টার টাঙ্গানোর দায়ে মোঃ আলম নামে একজনকে নির্বাচনী বিধিমালার ৮ ধারার ৩১ এর (১) উপধারায় ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড করা হয়। পরে তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং নির্বাচনী আইন যথাযথ ভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিক বলেন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে সচেতন ও সতর্ক করা। সাজা দেওয়া মুল উদ্দেশ্য নয়। আশা করি প্রার্থীরা যথাযথ ভাবে নির্বাচনী আইন মেনে চলবে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী আইনের ৮ ধারার ৩১ এর (১) উপধারায় বলা হয়েছে, রঙিন ও নিদিষ্ট সাইজের বাইরে পোস্টার প্রচার করা যাবে না। নিদিষ্ট সাইজের (৬০x ৪৫) সাদা কালো পোস্টার লাগাতে হবে(লেমিনাটিং ছাড়া)। মিছিল মিটিং ও সভা সমাবেশ করা যাবে না। ক্যাম্প স্থাপন করলে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন থেকে অনুমতি নিতে হবে। পথসভা করলে ও মাইক ব্যবহার করলে ২৪ ঘন্টা পূর্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে অনুমতি নিতে হবে।
চট্টগ্রামে করোনা মোকাবেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আগাম সতর্কতা হিসেবে যে কোনো তথ্য দিতে চট্টগ্রাম জেলার জন্য সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি নিউজ একাত্তরকে বলেন, ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ কাজ শুরু করেছে। করোনা সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানতে চাইলে বা কোনো সাহায্য সহযোগিতা চাইলে ০৩১-৬৩৪৮৪৩ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিটিং করেছি। এই রোগ মোকাবেলায় আমাদের কী করণীয় হতে পারে এবং কী প্রস্তুতি রয়েছে তা আলোচনা হয়ছে। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে কোনো করোনা রোগী এবং সন্দেহজনক কাউকে পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রামে করোনা মোকাবেলায় তিন হাসপাতালে আইসোলেশন বেড খোলা হয়েছে। এছাড়া কোয়ারেনন্টাইনের জন্য দুইটি স্কুল প্রস্তুতির কাজ চলছে। এর পাশাপাশি বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বায়েজীদ থানাধীন বিসিক শিল্প এলাকায় Rab-7 এর ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
১০মার্চ,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ থানাধীন বিসিক শিল্প এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিএসটিআই কর্তৃক প্রদানকৃত লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুসরণ না করে ভুয়া স্টিকার ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর উপায়ে তেল প্যাকিং করার অপরাধে জে.এস মার্কেটিং বাংলাদেশ নামক কারখানাকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং বিপুল পরিমাণ ভোজ্য তৈল এবং উৎপাদন সামগ্রী জব্দ করেছে Rab-7 এর ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার ৯ই মার্চ সকাল ১১:৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১:৩০ মিনিট পর্যন্ত নগরীর বায়েজীদ থানাধীন বিসিক শিল্প এলাকায় জে.এস মার্কেটিং বাংলাদেশ নামক তৈলের কারখানায় অভিযান চালিয়ে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা ও বিপুল পরিমান তেল জব্দ করা হয় বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) মাহমুদুল হাসান মামুন । Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এসএসপি কাজি মোঃ তারক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পা্রি যে, নগরীর বায়েজীদ থানাধীন বিসিক শিল্প এলাকায় জে.এস মার্কেটিং বাংলাদেশ নামক তৈলের কারখানায় জনসাধারণকে ঠকানোর উদ্দেশ্যে বিএসটিআই কর্তৃক প্রদানকৃত লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুসরণ না করে ভুয়া তৈল প্রক্রিয়াজাতকরণ, ভুয়া স্টিকার ব্যবহার এবং অপ্রযোজনীয় উপায়ে তেল প্যাকিং এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে বাজারজাত করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যলয়ের উপ-পরিচালক মোঃ ফয়েজ উল্লাহ এর সহায়তায় র্যা ব-৭ এর একটি টহল দল নগরীর বায়েজীদ থানাধীন ব্লক-এ, ব্লক-এ/২ বিসিক শিল্প এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জে.এস মার্কেটিং বাংলাদেশ এর ম্যানেজার মোঃ শহীদুল জামান (৩০), পিতা- মৃত রফিকুল আলমকে বিএসটিআই কর্তৃক প্রদানকৃত লাইসেন্সের শর্তাবলী অনুসরণ না করে ভুয়া তৈল প্রক্রিয়াজাতকরণ, ভুয়া স্টিকার ব্যবহার এবং অপ্রযোজনীয় উপায়ে তেল প্যাকিং এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে বাজারজাত করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭ ধারা মোতাবেক পণ্য উৎপাদনের পূর্বে মোরক এর গায়ে ভুয়া পণ্য উৎপাদনের ও মেয়াদত্তীর্ণের তারিখ ব্যবহার করায় ৫০ হাজা টাকা, ৪৩ ধারা মোতাবেক অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণে ১ লক্ষ টাকা ও ৪৫ ধারা মোতাবেক প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবারাহ না করায় ৫০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় ।(যার মামলা নং-০০১২২৮২, তাং- ০৯/০৩/২০২০ ইং)। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে ৩৫,০০০ লিটার সয়াবিন তৈল, ১৩,৫০০ লিটার সরিষার তৈল, ৩,০০,০০০ পিস নকল স্টিকার, ১০,০০০ পিস খালি বোতল, ৫ কেজি পলিথিন, ২১,০০০ পিস প্যাকিং কার্টুন, ২৭ টি তৈলের ব্যারেল, ৮ টি তৈলের ট্যাংকি (প্রতিটি- ১,০০০ লিটার) এবং ৫ পিস তৈলের মোটর পাম্প জব্দ করা হয়। এসএসপি কাজি মোঃ তারক আজিজ জানান, জব্দকৃত মালামাল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যলয়ের উপ-পরিচালক মোঃ ফয়েজ উল্লাহ এর উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধের দায়িত্ব তরুণদের: রিয়াজ হায়দার চৌধুরী
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেছেন, দেশ যারা স্বাধীন করেছেন সেই মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা নতুন প্রজন্ম শ্রদ্ধা জানাতে পারি। তারা যেই দেশ দিয়ে গেছেন, সেই দেশে সন্ত্রাস মাদক জঙ্গি-মৌলবাদ হটিয়ে দেশপ্রেমের বাতিঘর হতে পারেন তরুণরাই। মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ত-ঋণ শোধ করার পবিত্র দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের। চট্টগ্রামের পশ্চিম বাকলিয়ার স্বনামধন্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন- ফুটন্ত ফুল এর ৯ম বর্ষপূর্তিতে দুইদিনব্যাপী (৬ ও ৭মার্চ) অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাপনী দিনে ফুটন্ত ফুলের সদস্য সম্মাননা স্বারক প্রদান ও ডি.সি. রোড সমন্বয় কল্যাণ পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানও হয়। এতে তিনি সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিসি রোড সমন্বয় কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. ইফতেখার, সাধারণ সম্পাদক ও ফুটন্ত ফুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাশেদ কিবরিয়া, সভাপতি সৈয়দ মো. রিয়াজ উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন মোহাম্মদসহ সিনিয়র সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ১ম অধিবেশনে ছিল সকাল ৯টা থেকে চিত্রাঙ্কন, কুইজ প্রতিযোগিতা, যেমন খুশি তেমন সাজো, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশন এর প্রধান উপদেষ্টা সাইফ চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী, ক্রীড়া অনুরাগী হাজ্বী মন্জুর হোসেন, সমাজসেবক, হাসান নেওয়াজ খান, হাজ্বী আব্দুল মালেক, ডা. আবুল ফয়সাল মো. নুরউদ্দীন চৌধুরীসহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।
চসিক নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ৬ মেয়র প্রার্থী
০৯মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (০৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রতীক বরাদ্দ দেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম চৌধুরী পেয়েছেন নৌকা প্রতীক এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের এম এ মতিন পেয়েছেন মোমবাতি প্রতীক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবুল মনজুর পেয়েছেন আম প্রতীক, বাংলাদেশে ইসলামিক ফ্রন্টর ওয়াহেদ মুরাদ পেয়েছেন চেয়ার প্রতীক, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক। এরপর শুরু হয় কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম। মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, আজ (৯ মার্চ) থেকে ভোটের যুদ্ধ মাঠে চলে যাচ্ছে। ভোট একটি উৎসব। আচরণবিধির বাইরে যেতে দেওয়া যাবে না। কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্রোহী প্রার্থী বড় কোনো সমস্যা নয়: ওবায়দুল কাদের
০৮মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঢাকায় বিদ্রোহী প্রার্থীরা ১৫টি ওয়ার্ডে বিজয়ী হয়েছে। চট্টগ্রামেও যারা বিদ্রোহী প্রার্থী, তাদের বিষয়টা ঢাকায় গঠিত একটি কমিটি দেখবে। এটি বড় কোনো সমস্যা নয়। রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে পতেঙ্গায় নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ঢাকার সিটি নির্বাচনে এরকম সমস্যা হয়েছিল। শেষে সমাধানও হয়েছে। কর্ণফুলী টানেলের ৫১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২২ সালের মধ্যে কর্ণফুলী টানেলের কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি। ২৯৩ জন চীনা নাগরিকের মধ্যে নববর্ষের ছুটিতে ছিল ৭৩ জন। ছুটি শেষে ৪৫ জন ফিরে এসেছে। তাদের মধ্যে ২৮জন কাজে যোগ দিয়েছে। বাকিরাও পরীক্ষা শেষে কাজে যোগ দেবে। টানেল নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর