বাঙালির গ্রামীণ অর্থনীতি ছিল সমৃদ্ধশালী
০২ডিসেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, বাঙালি সংস্কৃতি ও বাঙালি সমাজ মুখ্যত গ্রামীণ। এই সংস্কৃতি ও সমাজে পিঠার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং বাঙালির কাছে এই পিঠার কদর চিরদিন থাকবে। তিনি গতকাল রবিবার নগরীর হাজারী লেইনস্থ প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ভবনে অর্থনীতি বিভাগের উদ্যোগে পিঠা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। দিনব্যাপী এই উৎসবে অনেক রকমের পিঠা ও খাবারের প্রদর্শনী ছিল। যেমন, ভাঁপা পিঠা, মাছ পিঠা, তাল পিঠা, চুঁ্ই পিঠা, ডিম পুডিং, পাস্তা, বাঁধাকপির রোল, অন্তন, নেশেস্তা হালুয়া, পানতুয়া পাটিসাপ্টা, ফুসকা, চকলেট কেক, ডিম চপ, চটপটি, ক্ষীর পাটিসাপ্টা, জলপাই আচার, মোমো, বড়া পিঠা, পরোটা, নারকেল চিড়া, অরেঞ্জ বরফি, লেয়ার পুজি, ভর্তা চিতই, মিষ্টি পিঠা, সীম পাক্কন, নারকেল পুলি, সাঁজ পিঠা, ঝিনুক পিঠা, ডোনাট এবং বুটের হালুয়া প্রভৃতি। পিঠা ও খাবারসমূহ রঙচঙ পিডে, পিঠা বাড়ি, কুটুম বাড়ি পিঠা স্টল, নাগরদোলা, প্রজ্জ্বল ২৪, পিঠা পার্বণ এবং পিঠা বাহার প্রভৃতি স্টলের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর এ কে এম তফজল হক। অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ফারজানা ইয়াছমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উৎসবে উপস্থিত ছিলেন এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিদ্যুৎ কান্তি নাথ, প্রভাষক বদরুল হাসান আউয়াল, অর্পিতা দত্ত, ফারিয়া হোসেন বর্ষা, সুদিপ দে এবং উম্মে সালমা প্রমুখ। এছাড়া আইন বিভাগের চেয়ারম্যান তানজিনা আলম চৌধুরী ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির প্রক্টর আহমদ রাজীব চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে ফের ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ
০১ডিসেম্বর,রবিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে নার্স-চিকিৎসকদের অবহেলায় ও ভুল চিকিৎসায় ১৩ মাস বয়সী এক সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ এনেছেন তার মা। রোববার চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগে ম্যাক্স হাসপাতালের অব্যস্থাপনার কথা তুলে ধরে তার প্রতিকার চেয়েছেন শিশুটির মা লালখান বাজারের বাসিন্দা মোহছেনা আক্তার ঝর্ণা। শিশুটির বাবার নাম শামীম সারোয়ার। গত বছরের ২৮ জুন রাইফা নামের চার বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর পর এই ম্যাক্স হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতি, অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। এবার যে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে তার বয়স ছিল এক বছর ২৪ দিন। সিভিল সার্জনের কাছে দেওয়া লিখিতি অভিযোগে শিশুটির মা জানিয়েছেন, গত ১৭ নভেম্বর তার শিশু সন্তান জিহান সারোয়ার প্রিয় অসুস্থ বোধ করলে তাকে ম্যাক্স হাসপাতালের এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। সন্তানকে হারানো মোহছেনা আক্তার ঝর্ণা বলেছেন, ভর্তির পর অনকলে চিকিৎসক সনৎ কুমার বড়ুয়াকে দেখালে তিনি ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। এরপরই ম্যাক্স হাসপাতালের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মুখে আমরা অসহায় হয়ে পড়ি। এনআইসিইউর মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাদের কোনো অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স নেই। গত ২১ নভেম্বর দুপুরে আমার সন্তানকে মেশিনের মাধ্যমে ধীরে ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও অনভিজ্ঞ নার্স ওই ওষুধের শেষের অংশ হাত দিয়ে পুশ করেন। আর তখনই আমার সন্তান পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেয়। ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার চারদিনে প্রায় সময়ই নার্স, আয়া ও চিকিৎসকদের অবহেলার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন সময়ে অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ চিকিৎসক কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ নার্সরা ডিউটিতে রাতে ঘুমিয়ে থাকে। তাদের ডাকলে উল্টো বকা শুনতে হয়। এছাড়া তার সন্তানের বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের দেখতে দেয়নি দাবি করেছেন মোহছেনা। আমার সন্তানের চিকিৎসার বিস্তারিত তারা আমাদের দেয়নি। তারা যে ওষুধ আমার সন্তানকে দিয়েছে তার মেয়াদ ছিল কিনা তাও আমরা জানি না, অভিযোগে উল্লেখ করেছেন এই নারী। ম্যাক্স হাসপাতাল শুধু তাদের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি পূর্ণ করে চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোগীদের সুচিকিৎসা প্রদানে তাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। এসব কারণে আমার সন্তানের মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন এবং ম্যাক্স হাসপাতালের প্রতিটি অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। অভিযাগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী বলেন, যেকোনো মৃত্যু অনাকাঙ্ক্ষিত । আমরা অবশ্যই বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের সাথে সমন্বয় করে তদন্তের ব্যবস্থা করা হবে। চিকিৎসায় যদি কোনো গাফিলতি, ত্রুটি বা অবহেলা হয় তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পত্রিকায় এই ঘটনার বিষয়ে সংবাদ দেখে একটি তদন্ত কমিটি গঠনও করা হয়েচিল জানিয়ে সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী বলেন,কমিটির একজন চিকিৎসক তদন্তে অপরাগতা প্রকাশ করলে আবার তিন সদস্যের কমিটি নতুন করে গঠন করা হয়েছে। এখন এই অভিযোগ পাওয়ায় আমাদের তদন্তে সুবিধা হবে। ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যদি গাফিলতি থাকে তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলো সরকারি নীতিমালা অনুসারে যদি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে তাহলে আমার ব্যবস্থা নেব। এর আগে ঘটনার পরপরই সাংবাদিকরা ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেছিল, মস্তিষ্কের প্রদাহের কারণে শিশুটির অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। শিশুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক নেফ্রলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সনৎ কুমার বড়ুয়ার অধীনে চিকিৎসাধীন ছিল। তিনি সেসময় বলেছিলেন, শিশুটি মস্তিষ্কের প্রদাহে আক্রান্ত ছিল। গত ১৫ নভেম্বর থেকে তার জ্বর ছিল, এরপর খিঁচুনি হয়। শিশুটির অবস্থা একটু ভালো হয়। জ্বর একটু কমেছিল। তবে এ রোগের ধরণ এমন, যে কোনো সময় পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয় সেটির কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। নির্ধারিত সময় নিয়েই সেটি দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। হয়ত শিশুটির মস্তিষ্কে প্রদাহ আবারও কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়েছিল। ওষুধের কারণে কিছু হয়নি। শিশুটি মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত ছিল জানিয়ে ম্যাক্স হাসাপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়াকত আলী বলেন,অবস্থা খুব খারাপ থাকায় শুরু থেকে শিশুটি এনআইসিইউতে ছিল। মেনিনজাইটিস খুবই মারাত্মক অসুখ। শারীরিক অবস্থা কিছুটা ইমপ্রুভ করেছিল। এতে হয়ত স্বজনরা ভেবেছেন শিশু সুস্থ হয়েছে। ইনজেকশনের কোনো প্রভাব নেই। হয়ত ইনজেকশন দেওয়ার একটু পর আবার প্রদাহ শুরু হয়। তবে সন্তানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান মোহছেনা আক্তার ঝর্ণা। তিনি বলেন, ছেলের মৃত্যুর কারণ জানতে চাই। তারা খুঁজে বের করুক। আধ ঘণ্টা আগেও ছেলে সুস্থ ছিল। কোথায় ভুল ছিল সেটাই তারা বের করুক। আমি তো শূন্য হয়েছি আর কেউ যেন শূন্য না হয়।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কানেক্টিং ক্লাসরুম প্রোগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ: নওফেল
০১ডিসেম্বর,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রিটিশ কাউন্সিলের কানেক্টিং ক্লাসরুমের অধীনে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড (আইএসএ) পেয়েছে কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গত ৬ নভেম্বর রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, ব্রিটিশ কাউন্সিলের কানেক্টিং ক্লাসরুম প্রোগ্রাম শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। নিরাপদ পৃথিবী তৈরিতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই প্রোগ্রাম গুরুত্বপূর্র্ণ। পরে অনুষ্ঠানস্থলে কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্টলে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন তিনি। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ বিশ্বকে শ্রেণিকক্ষে নিয়ে আসতে পেরেছেন। তারা কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করেছেন। তাই ২০১৭ সালের ডিসেম্বর রাউন্ডে আমরা এ পুরস্কার পেয়েছি। পুরস্কারপ্রাপ্তিতে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাহাব উদ্দিন আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদ সাজ্জাদ রশিদ, বাংলাদেশে নিয়োজিত ডেপুটি ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হুসেন বর, ব্রিটিশ কাউন্সিলের রিজিওনাল ডিরেক্টর (দক্ষিণ এশিয়া) অ্যাড্রিয়ান চ্যাডউইক, কান্ট্রি ডিরেক্টর টম মিশসা প্রমুখ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশগ্রহণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে কানেক্টিং ক্লাসরুম প্রোগ্রাম।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বোধনের জাগো সুন্দর
৩০নভেম্বর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাগো সুন্দর সৃজনশীলতা জাগিয়ে তোলার অনন্য প্রয়াস। মূলতঃ নিজের ভেতর সুপ্ত ও সুন্দর সুকুমারবৃত্তি কতটুকু পরিশীলিত তা মঞ্চে জাগ্রত করতে প্রতিটি আবর্তনে বোধন আবৃত্তি স্কুল ছয় মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ চলাকালীন এমনি আয়োজন অব্যাহত রেখেছে। এবারও বোধনের অমর ৫২ আবর্তনের শিক্ষার্থীরা তেমনি আলোকময় মুহূর্ত এনে দেয় গতকাল শুক্রবার থিয়েটার ইন্সিটিটিউটের গ্যালারি হলে। যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নানান অসঙ্গতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীন সার্বভৌম বীরত্বগাথা ও স্বাধীনতা বিরোধী আস্ফালনের রক্তচক্ষুর আচরণ শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় উঠে আসে। পরিবেশনায় ছিলেন প্রশিক্ষণার্থী ঈশা দে, হাসিবুল ইসলাম শাকিল, ঐশিকা দাশ, মারজানা কাঁকন, ফাবিয়া জাহান, সঞ্চিতা বৈদ্য, তাপস মাহমুদ, জান্নাতুল আফসান, শেখ ফাহমিদা সুলতানা, অদিতি দাশ, হাসিবা খাতুন কচি, সুচিত্রা দেবী, নাজমুল হক, বৃষ্টি বৈদ্য, অঝরা চৌধুরী, সোমা দেবী, জান্নাতুল ফেরদৌস, নয়ন চৌধুরী, অন্বেষা শিবা, পিংকু কুমার সেন, ঐশী দাশগুপ্তা, মঈনউদ্দীন আহমেদ, অনিতা ঘোষ, দীপিকা মজুমদার, মৌসুমী দে, পম্পী চৌধুরী ও ছোটন চক্রবর্তী। বক্তব্য দেন, বোধন আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি সোহেল আনোয়ার। তিনি বলেন, কবিতা পরিবেশনার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের সাবলীল উপস্থাপন, কবিতা নির্বাচনে সাহসিকতা, উচ্চারণ ও বাচনশৈলীতে স্বতঃস্ফূর্ত মেলবন্ধন আজ জাগো সুন্দর মঞ্চকে প্রাবন্ত করে তুলেছে। স্বাগত বক্তব্য দেন সঞ্জয় পাল। শুভেচ্ছা জানান, ইসমাইল চৌধুরী সোহেল, বিপ্লব কুমার শীল, পল্লব গুপ্ত বিপুল, সাজেদুল আনোয়ার, জসীম উদ্দিন, প্রীতম দে, শুভাগত বড়ুয়া, সুচয়ন সেনগুপ্ত, শ্রেয়সী স্রোতস্বিনী প্রমুখ। আবৃত্তিশিল্পী পুষ্পিতা দত্ত এই আবর্তনের শিক্ষার্থীদের শোনান প্রেরণামূলক গান। সঞ্চালনায় ছিলেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ চৌধুরী, অনামিকা সেন ও ইভান পাল।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিএমপির মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা
২৯নভেম্বর,শুক্রবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দামপাড়া পুলিশ লাইন্সস্থ মাল্টিপারপাস শেডে গতকাল বৃহস্পতিবার সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের সভাপতিত্বে কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান, সকল উপ-পুলিশ কমিশনার, অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিএমপি কমিশনার বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের সমস্যার কথা শুনেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা করেন। সভায় সিএমপির সেবা তহবিল হতে পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফদেরকে নগদ ১৪ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও বেলা ১২ টায় সিএমপির কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সেপ্টেম্বর মাসে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার ও ভাল কাজের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন স্তরের ৫০ পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফদের নগদ ১ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়। সেপ্টেম্বরে শ্রেষ্ঠ বিভাগ, শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার, শ্রেষ্ঠ পরিদর্শক, শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শকের সম্মাননা সনদপ্রাপ্ত হয়েছেন- উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক, অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) নোবেল চাকমা, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) সুলতান মোহাম্মদ আলী খান, পুলিশ পরিদর্শক স্বপন কুমার নাথ, এসআই/কাউসার হামিদ ও এসআই/আব্দুল কাদের, চান্দগাঁও থানা। অক্টোবর মাসে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার ও ভাল কাজের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন স্তরের ৪৩ পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফদের নগদ ১ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়। অক্টোবরে শ্রেষ্ঠ বিভাগ, শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার, শ্রেষ্ঠ পরিদর্শক (হ্যালো ওসি), শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শকের সম্মাননা সনদপ্রাপ্ত হয়েছেন উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান, অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) নোবেল চাকমা, (ট্রাফিক-উত্তর) মো. মিজানুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বায়োজিদ বোস্তামী জোন) পরিত্রান তালুকদার, পুলিশ পরিদর্শক মো. নাসির আহমদ, পুলিশ পরিদর্শক প্রিটন সরকার। সিএমপি কমিশনার নগরীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এছাড়া কল্যাণ সভায় এসএএফ শাখা হতে এসআই (স.) অহিদুর রহমান ৩৯ বছর ১১ মাস ২৯ সফলতার সাথে চাকুির শেষে অবসর গ্রহণ করায় বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তিন দিনব্যাপী উইন্টার এক্সপো উদ্বোধন
২৯নভেম্বর,শুক্রবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশীয় কুটির শিল্পের বিকাশে ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শীতকে সামনে রেখে নগরীর জিইসিতে উদ্বোধন হলো ৩দিন ব্যাপী উইন্টার এক্সপো। জিইসি মোড়ে এলিট গ্যালারি মিলনায়তনে গতকাল বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন লায়ন্স জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক, নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম। বাংলাদেশ ফ্যাশন ডিজাইনার ফোরামের সহযোগিতায় এক্সপোর যৌথ আয়োজন করেছে সায়মাস ক্রিয়েশন, ইনক্রেডিবল ডিজাইন আরিয়া ফ্যাশন, মদিনা ট্রেডিং। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন শেঠ প্রোপার্টিজের চেয়ারম্যান সোলায়মান শেঠ, লায়ন্স জেলা ক্যাবিনেট সেক্রেটারী জি কে লালা, রাজনীতিবিদ সেলিম নবী। উপস্থিত ছিলেন এঙপো আয়োজক বাংলাদেশ ফ্যাশন ডিজাইনার ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সায়মাস ক্রিয়েশনের স্বত্ত্বাধিকারী লায়ন সায়মা সুলতানা, ইনক্রেডিবল ডিজাইনের রাশেদা শিশু. আরিয়া ফ্যাশনের আনিকা তাবাস্সুম, তানজিনা আরশি, মদিনা ট্রেডিংয়ের সাজ্জাদ হোসেন, ফরহাদ সিরাজ সানজি। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজাইনারদের তৈরি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের পোশাকের ৩০টি স্টল রয়েছে। সকলের জন্য উন্মুক্ত এই এঙপোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলবে। যা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শুরু হলো তিনদিন ব্যাপী পিএইচপি মোটর ফেস্ট উৎসব
২৮নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের রাস্তায় আমাদের গাড়ী,থাকবে সবার বাড়ি বাড়ি এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হলো তিনদিন ব্যাপী পিএইচপি মোটর ফেস্ট ২০১৯। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী তৃতীয় পিএইচপি মোটর ফেস্ট ২০১৯ উদ্বোধন করেন পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। সুফি মিজান বলেন, আমরা নতুন গাড়ি তৈরি করছি। প্রোটনের সঙ্গে পিএইচপির চুক্তি সই অনুষ্ঠানে মাহাথির বলেছিলেন, বিশ্বে ১৪ দেশ নতুন গাড়ি তৈরি করে, এর মধ্যে মালয়েশিয়া একটি। আমি মনে করি নতুন গাড়ি তৈরির দেশ হবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, সিএনজি অটোরিকশার দামে আমরা নতুন প্রাইভেট কার দিচ্ছি। যারা পুরোনো গাড়ির ব্যবসা করছেন তাদের প্রতি অনুরোধ আমাদের নতুন গাড়ি বিক্রি করবেন। মাইন্ডসেট পরিবর্তন করুন। দেশকে ভালোবাসতে হবে। সোনার বাংলাকে হীরার বাংলায় পরিণত করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মালেশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আমির ফরিদ আল নেজাম, শেঠ প্রপার্টিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোলায়মান আলম শেঠ, পিএইচপি গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহামম্দ মহসীন,পিএইচপি অটোমোবাইলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আকতার পারভেজসহ পাঠাও ও দারাজের উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গতঃ মোটর ফেস্টের মিডিয়া পার্টনার সিপ্লাসটিভি ও পাওয়ারড বাই পাঠাও এন্ড দারাজ।-সিপ্লাস
সমিতির ছাড়পত্র ছাড়া ওয়ার্কশপ মালিককে ট্রেড লাইসেন্স দেয়া হবে না: মেয়র
২৮নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চসিক কনফারেন্স হলে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দিনের সাথে বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা গত সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি শচী নন্দন গোস্বামী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সৈয়দ চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে চসিক আওতাধীন এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের শাহ আমানত সেতু এলাকায় কর্ণফুলীর পাড়ে অটোমোবাইলস ওয়ার্কশপ টার্মিনাল নির্মাণ বা আলাদা জোন প্রতিষ্ঠা, চুক্তিনুযায়ী অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে প্রতিটি ওয়ার্কশপের অনুকূলে ৫ কাঠা করে জমি বরাদ্দ দেয়া,বিকল্প জায়গা বরাদ্দ ব্যতীত আটোমোবাইল ওয়ার্কশপ উচ্ছেদ বন্ধ করা, ট্রেড লাইসেন্স বিহীন ওয়ার্কশপগুলো বন্ধ করণ, বৈধ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিকদের হয়রানি না করাসহ ১১ দফা দাবি সিটি মেয়রকে অবহিত করেন । সিটি মেয়র বলেন, দেশের ১৭ কোটি মানুষের নানা সমস্যা আছে। সমস্যা বা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। ব্যবসা যার, পুঁজিও তাকে যোগাতে হবে। মেয়র বলেন, সরকার ঢাকার সাভারে চামড়া শিল্পজোন গড়ে তুলেছে। তেত্রিশ হাজার একর বিশাল জমিতে মিরসরাইয়ে শিল্পজোন গড়ে তোলা হচ্ছে। অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির জন্য এধরনের আলাদা জোন বা শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা যায় কিনা ভেবে দেখা এবং এ দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে উত্থাপন করার জন্য সমিতির নেতৃবৃন্দকে পরামর্শ দেন মেয়র। এই ব্যাপারে আইনগত সমস্যা থাকলে তাও দেখা দরকার বলে মেয়র মন্তব্য করেন। মেয়র বলেন, সরকার চলে জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। তাই প্রতিটি ব্যবসায়ীকে যৌক্তিক ট্যাক্স দেয়ার আহবান জানান সিটি মেয়র। বৈঠকে মেয়র সমিতির ওয়ার্কশপ টার্মিনাল প্রতিষ্ঠায় তাঁর পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, সমিতির ছাড়পত্র ছাড়া কোন ওয়ার্কশপ মালিককে ট্রেড লাইসেন্স দেয়া হবে না। বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির সভাপতি শচী নন্দন গোস্বামী বলেন, ওয়ার্কশপ মালিকরা চায় আলাদা শিল্পজোন। শিল্পজোন গড়তে সরকারকে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান আমরা দেবো। তিনি বলেন, ওয়ার্কশপ মালিকদের কোন স্থায়ী ঠিকানা নাই। গ্যারেজ ভূমির মালিক কর্তৃক আমরা নিপীড়নের শিকার হচ্ছি। কাষ্টম কর্তৃক গ্যারেজ মালিকদের ভাড়ার উপর ট্যাক্স আদায় করা হয় যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন শামসুল আলম,আবু বকর, মো. ইউসুফ, ধনা বড়ুয়া, জসিম উদ্দিন, নিতাই দেবনাথ, আবু ফয়েজ, মো. জামশেদ, ছাগির আহমদ, আবু আহমদ, মো. নাছির, মো. ইয়াছির, মোবারক হোসেন, মো. ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর আলম, মো. ইলিয়াছ, শহিদুল আলম, আবদুল মালেক, তৌফিকুর রহমান, প্রভাত কুমার দাশ, আবদুস সবুর, নুর মোহাম্মদ, সুরেশ শর্মা, আবদুর রহিম, নারায়ন মল্লিক, মো. ওসমান, মো. বেলাল,আবদুল গণি ও শাহজাহান প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে দুই হাজার টন পেঁয়াজ
২৭নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংকট কাটাতে পেঁয়াজের একটি বড় চালান এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আমদানি করা এ পেঁয়াজের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার টন। এসব পেঁয়াজ জাহাজ থেকে খালাসও শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক জানান, দ্রুততার সঙ্গে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেঁয়াজ যাতে ডেলিভারি হয় সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। পেঁয়াজের কনটেইনারবাহী জাহাজকে আগে পণ্য খালাসের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বন্দর সচিব। বিএসএম গ্রুপ তিন জাহাজে ৩৯ কনটেইনার পেঁয়াজ আমদানি করেছে। এ পেঁয়াজ জাহাজ থেকে খালাসও শুরু হয়েছে। মেঘনা গ্রুপ এক জাহাজে এনেছে ৩০ কনটেইনার পেঁয়াজ। মেঘনা গ্রুপের পেঁয়াজবাহী ওইএল স্ট্রেট জাহাজটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে তুরস্ক থেকে বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। জাহাজটিতে ৩০ কনটেইনারে প্রায় সাড়ে ৮০০ টন পেঁয়াজ রয়েছে। চীন থেকে বিএসএম গ্রুপের আমদানি করা পেঁয়াজের একটি চালান এসেছে `এমসিসি টাইপ জাহাজে। কনটেইনারবাহী জাহাজটি গেল সোমবার বন্দর জেটিতে ভিড়েছে। এই জাহাজে থাকা ২০ কনটেইনার পেঁয়াজ খালাসও শুরু হয়েছে। এছাড়া বহির্নোঙরে থাকা এমভি টিজনি ও এমভি এলা জাহাজে রয়েছে আরও ১৯ কনটেইনার পেঁয়াজ। এই দুই জাহাজের চালান এসেছে মিসর থেকে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি এক হাজার ১০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর