শীতাকুন্ড আসনে নির্বাচনি প্রচারনা
নিজেস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রামঃ শিল্পাঞ্চল নামে খ্যাত চট্টগ্রামের ৪ সং সীতাকুন্ড সংসদীয় আসনে (আকবরশাহ ও পাহাড়তলী আংশিক) আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে বর্তমান একই আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগ প্রার্থী আলহাজ্ব দিদারুল আলম এম.পি সহ প্রার্থীরা দিন রাতে নির্বাচনি প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। একই আসন থেকে ৬ টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। স্থানীয় ভোটারেরা ও তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে এলাকায় এলাকায় জোর প্রচারনা চালাচ্ছেন। উক্ত আসনে আওমীলীগের দ্বিধাবিভক্ত সকল নেতাকর্মী একই সাথে প্রচারনা শুরু করায় তাদের কর্মী সমর্থকরা অনুপস্থিত হয়ে এই আসনের প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ব্যাপক নির্বাচর্নী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে উক্ত আসনের সংসদ সদস্য আলহ্জ্ব দিদারুল আলম মানবাধিকার সংস্থার মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির উপদেষ্টা হওয়ায় উক্ত সংস্থার নেতৃবৃন্দরাও বিভিন্ন ভাবে নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে ভিবিন্ন বার্তায় আলহাজ্ব দিদারুল আলমকে আবোরা নির্বাচিত করার জন্য সিতাকুন্ড বাসীর প্রতি আহ্বান জানান। উল্লেখ্য যে সিতাকুন্ড আসনে উক্ত মানবাধিকার সংস্থার প্রায়তিন হাজার সদস্য রয়েছে। এই দিকে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর প্রচারনায় ও তার পক্ষে সংস্থার বিভিন্ন ভাবে প্রচারনায় আক্রোশ বশত গত বৃহস্পতিবার রাতে একদল দুবৃর্ত্ত সীতাকুন্ড পৌর সদরের ৪ নং ওয়ার্ডের গজারিয়া দীঘির পাড় এলাকায় অবস্থিত আওয়ামীলীগের নির্বাচনি পরিচালনার অস্থায়ী ক্যম্পে হামলা চালায়। এ সময় তারা সেখানে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায়। অফিসে থাকা বঙ্গঁবন্ধুর ছবি,টেবিল চেয়ার ভেঙ্গে চলে যায়। একই সময়ে ভূঁইয়াপড়া রাসেল সৃতি সংসদে আগুন লাগিয়ে দেয়। উক্ত ঘটনার সত্যতা সিকার করেছেন, সীতাকুন্ড ফায়ার সাভির্সের অফিসার ইনচার্জ ওয়াসি আজাদ। উক্ত ঘটনার বিষয়ে মানবাধিকার সংস্থা (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির কমিটির চেয়ারম্যান ও আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি প্রবিন আওয়ামীলীগ নেতা লোকমান আলী বলেন, আমাদের সংস্থার বশবুত হয়ে এই হামলা চালিয়েছে। আমাদের সংস্থার নেতৃবৃন্দ ও একত্রিত ভাবে মাঠে কাজ করছি নৌকা প্রতিকের সমর্থনে। যে কোন বাধা মোকাবিলা করার মত সাহস ও মনোবল আমাদের রয়েছে। নিরপেক্ষ ভোট হলে উক্ত আসনে আলহাজ্ব দিদারুল আলম নৌকা প্রতিকে এক থেকে দের লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয় পাবে বলে আশা রাখি।
নৌকার সমর্থনে আ.লীগ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে মিছিল
পাহাড়তলী থানা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে চট্টগ্রাম ৪ আসনের নৌকা প্রতীক প্রার্থী দিদারুল আলমের নৌকা মার্কার সমর্র্থনে একটি মিছিল নোয়াপাড়া চৌরাস্তা মোড় হতে এ. কে.খান, অলংকার, সি.ডি.এ মার্কেট সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নৌকা মার্র্কায় ভোট চেয়ে প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আবছার মিয়া ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজাফফর আহম্মদ মাছুম।৯নং উত্তর পাহাড়তলীর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক এরশাদ মামুন, মোস্তফা কামাল পাশা, শেখ লোকমান, আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, এম.এ আউয়াল বিপ্লব, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. মানিক, মো. আহছান উল্লাহ, মো. সোহেল, মাহাবুব আলম রনি, আব্দুর রাজ্জাক, মো. নুর ইসলাম, মো. হানিফ খোকা ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উন্নয়নের অবিশ্বাস্য ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিন:সুজন
উন্নয়নের অবিশ্বাস্য ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। আজ ২২ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে উত্তর কাট্টলীস্থ তাঁর নিজ বাসভবনে চট্টগ্রাম-১১ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। এ সময় জনাব সুজন আরো বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে স্বাধীনতা বিরোধী ও উগ্রসাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী অঘটন ঘটানোর প্রস্তুতি নিয়ে ওৎ পেতে আছে। কোন অবস্থাতেই তাদের সে চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া যাবেনা। জঙ্গী গোষ্ঠী যাতে কোনভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ দশ বছরে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সাধিত হয়েছে সে অগ্রযাত্রা যাতে কোনভাবেই বাঁধাগ্রস্থ না হয় সেদিকে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। সেজন্য রাজনৈতিক বিবেচনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সবাইকে কাধেঁ কাধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। মহাজোট মনোনীত প্রার্থীকে নৌকা মার্কায় বিজয়ী করে আনতে হবে। চট্টগ্রাম-১১ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলীয় নেতা-কর্মীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনার জন্য তিনি দলীয় নেতা-কর্মীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান। তিনি আরো বলেন, দেশের রাষ্ট্রক্ষমতাকে গ্রাস করার জন্য লন্ডনে বসে পাকিস্তানী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ মদদে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে তথাকথিত ঐক্যফ্রন্ট। তাদের সে ষড়যন্ত্র যদি সফল হয় তাহলে দেশ গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তাই তাদের সে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও ইষ্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলার জন্য তিনি দলীয় নেতা-কর্মীর প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইলিয়াছ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম.আবু তাহের, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, সাহেদ বশর, সালাউদ্দিন বাদশা, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, হাজী হোসেন কোম্পানী, আব্দুর রহমান মিয়া, মোঃ সেলিম, মোঃ এজাহারুল হক, মোঃ ছালেহ জঙ্গী, ইবনে মবিন ফারুক সিপু, মোঃ শাহজাহান, এনামুল হক মিলন, জাহেদ আহমদ চৌধুরী, আসাদুজ্জামান মনি, আবুল হাসান সৈকত, জাইদুল ইসলাম দূর্লভ, মোঃ নুরউদ্দিন, মোঃ হাসান মুরাদ, শ্রমিক লীগ নেতা রকিবুল আলম সাজ্জী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক রাজীব হাসান রাজন, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, সহ-সভাপতি নোমান চৌধুরী, লোকমান হোসেন, মোঃ বেলাল, মোঃ বুলবুল প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডাঃ মোঃ আফছারুল আমীনের নির্বাচনী গণসংযোগ
চট্টগ্রাম- ১০ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মোঃ আফছারুল আমীন নৌকা মার্কা সমর্থনে আজ ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডের গলিচিপা পাড়া, ফুল চৌধুরী পাড়া, বি-ব্লক নতুন সাইড, আফজল শাহ্ নগরসহ বিভিন্ন এলাকার গণমানুষের সাথে কথা বলেন, এ সময় তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে উনাকে পুনরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে এলাকার মানুষের সেবা করার সুযোগ প্রার্থনা করেন।গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের কন্ট্রাক্টর, ২৬নং ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আফছার, সদস্য সচিব ডা: শাহ আলম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সাবের আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাজিমুল মজুমদার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আবেদ মনসুর, লায়ন মো: ইলিয়াছ, আশফাকুল আলম, নাজমুল ইসলাম মজুমদার, শহিদুল আলম সুমন, দিদারুল আলম দিদার, মো: হারুন, ফারুক শেখ, রাধারাণী টুনটু, ফেরদৌসুল ইসলাম, মো: আলম, লায়ন মো: সেলিম, মো: জসিম উদ্দিন, ফখরুল আলম, মো: নাছির উদ্দিন, মো: শামসু, মো: নাসিম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আবদুচ ছালামের পথ সভা
চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনিত নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে গতকাল বিকালে মোহরা, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, সিডিএ আবাসিক, বহদ্দারহাট মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামের নেতৃত্বে শোডাউন ও সরকারের উন্ননের প্রচার পত্র বিতরণ করা হয়। এসময় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম সমবেতদের উদ্দেশ্যে বলেন, জলাবদ্ধতা, আলোকায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি সুন্দর বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ তথা চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো ভেস্তে যাবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যদি আগামীতে সরকার গঠন করতে পারে তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী, সমৃদ্ধশালী উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। তাই আগামী নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। না হয় সর্বনাশ হয়ে যাবে, দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা স্থবির হয়ে যাবে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে সচল রাখতে শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও থানা আওয়ামীলীগে আহবায়ক সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল হুদা লালু, ছদরুল ইসলাম, মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক রফিকুল, আলম, যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা এস এম আনোয়ার মির্জা, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, আবুল হাশেম, সৈয়দ মুজিবুল হক, শেখ আহম্মদ, জসিম উদ্দিন, সেকান্দর চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন সিরাজি, হানিফ খান, নাছির উদ্দিন, এডভোকেট শিবু দাশ, আজম খান, এরশাদ আলম বিটুসহ চান্দগাঁও, মোহরা ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ, কৃষকলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নারীর ক্ষমতায়নের স্বার্থে নৌকা প্রতীককে জয়যুক্ত করার উদাত্ত আহ্বান
নাসিরাবাদে সাবেক কমিশনার আলহাজ্জ্ব মামুনুর রশীদ বাসভবনে এর সম্মুখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ডা: আফছারুল আমিনকে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার লক্ষে খুলশী থানা মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইয়াসমিন সরোয়ার সভাপতিত্বে ও যুব মহিলা নেত্রী সোনীয়া আজাদ এর সঞ্চালনায় বিশাল মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী এক্স কাউন্সিলার ফোরাম এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ বদিউল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা ও আওয়ামী এক্স কাউন্সিলার ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ্ব মামুনুর রশীদ মামুন, বক্তব্য রাখেন শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহরাওয়ার্দী, শুলকবহর আওয়ামীলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শাহাজাহান সুফী, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আবুল হাসেম সোবহান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ধীমান সেন, নাসিরাবাদ ইউনিট আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব মো: হোসাইন, বাদুরতলা ইউনিট আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আক্তার ফারুক, খুলশী থানা আওয়ামীলীগ নেতা আবু বক্কর, মহিলা নেত্রী হোসনে আরা বাদশা, রোকেয়া বেগম, মমতাজ বেগম পুতুল, মরিয়ম ফারুক, জাহানারা বেগম রুবি, শাহনাজ বেগম, খুরশীদা বেগম, মায়া রানী মজুমদার, রাশেদা বেগম, বেবী তালুকদার, নমিতা দাশ, কনা সেন, মিতা সেন, মহানগর স্বেছাসেবকলীগ নেতা এম কে আলম বাসেদ, মহানগর কৃষকলীগ এর ধর্ম ওমর আলী সুমন, যুবনেতা মোবারক আলী, মহিউদ্দিন মহি, ছাত্রলীগ নেতা নিজাম শাহরিয়ার, রিসাদ আলী, সোহরাব হোসেন তুষার, সারোয়ার নিজাম। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব বদি আলম বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে ডাঃ আফছারুল আমিনকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন, সাবেক ছাত্রনেতা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মামুনুর রশীদ মামুন বলেন দেশকে জঈীবাদ, সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্ত করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে জননেতা আফছারুল আমিনকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বড়হাতিয়ায় নদভীর সহধর্মিনী রিজিয়া রেজার ব্যাপক গণসংযোগ
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনে মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী'র সমর্থনে ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুমিরা ঘোনা, চাকফিরানী, ভবানীপুর, ফরিদের ঘোনা, হাদুরপাড়া, ইয়াছিনের পাড়া, চাঁদির পাড়া এলাকায় দিনব্যাপী গণসংযোগ, একাধিক পথসভা ও মহিলা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ড. আবু রেজা নদভীর সহধর্মিনী রিজিয়া রেজা চৌধুরী। বক্তব্যে তিনি আগামী ৩০ ডিসেম্বর সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় চলমান ব্যাপক উন্নয়ন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের আহবান জানান। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবু শুকলাল শীলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিরাট মহিলা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচ এম গনি স¤্রাট, উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বড়হাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সাজেদুর রহমান চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক রুনা বড়ুয়া, সাংবাদিক কাইছার হামিদ, সোনাকানিয়া ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাস্টার আবু তাহের, মেম্বার আয়ুব জমিদার, যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন, মোঃ আবছার, মোহাম্মদ আলী, সাইফুল ইসলাম, সালেহ আহমদ, রফিকুল ইসলাম, মদিনা আওয়ামী ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক কচির আহমদ কাইছার, ইউপি সদস্য বেলাল উদ্দীন, নারীনেত্রী রেহেনা আক্তার, কহিনুর আক্তার, সপ্না দেবী, মুন্নি আক্তার, পারভিন আক্তার, শাহীন আক্তার, শিউলি আক্তার, সম্পা দেবী, আয়েশা আক্তার, ছাত্রলীগ নেতা হামেদ হোসাই মেহেদী, মাহমুদুর রহমান রিমু, মো: সাজ্জাদ, বিজয়, সাঈদ। এছাড়া বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ০৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ সেলিম এর বাড়ি, ০৪ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা শাহাব উদ্দিন এর বাড়ি এবং আখতরাবাদ কুমিরা ঘোনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে পৃথক পৃথক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার থাকবে :চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার
বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ অস্ত্রের চালান আসতে পারে। নির্বাচন বানচাল, ভোট কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা প্রদান, নকল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেয়া, নির্বাচনের দিন অথবা আগে ও পরে দেশে যে কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে মাস্টারপ্ল্যান আছে - এমন সংবাদ শোনা যাচ্ছে। সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান আরো বৃদ্ধিকরণসহ এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরো জোরদার করতে হবে। নির্বাচনে যে কোন অপরাধ ঠেকাতে পুলিশ, র;্যাব ও বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ভোট কেন্দ্র ও আশপাশে সতর্কাবস্থানে থাকবে এবং তারা টহল জোরদার করবে। সেনাবাহিনী নির্দিষ্ট জায়গায় অবস্থান নেবে ও প্রয়োজনে নির্বাচনী এলাকায় প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আমরা যাতে কোন ধরনের বিতর্কে না জড়ায় সে বিষয়টা দেখতে হবে। নির্বাচনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যখন যেখানে যা প্রয়োজন তা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন নির্বাচন কমিশন। আর কয়েকদিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি ফোন করে হত্যার ও হুমকি দিচ্ছে। আমাদেরকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। প্রতিটি মুভমেন্টে রিটার্নিং অফিসারগণ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকতে চায়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও নির্বাচনের রিটানিং অফিসারের নিরাপত্তা বিধান করার দায়িত্ব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং বিভাগের অন্যান্য জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারকে নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজির উপর বর্তায়। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রয়োজন। আজ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্সের সভা, বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস এই সভাগুলোর আয়োজন করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপসহ দেশে যাতে কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সে জন্য চলতি মাস থেকে আগামী জানুয়ারি মাস পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে থাকতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সড়ক, নৌপথ ও সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে মাদকের সাথে অস্ত্রের চালান আসতে পারে। বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঘটনাও বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করার জন্য ও নজরদারি বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনে মানুষ যাতে আনন্দের সঙ্গে ভোট দিতে পারে সে পরিবেশ তৈরি করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অস্ত্র, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে পর্যাপ্ত চেকপোস্ট কার্যক্রম আরো জোরদারের পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের অভিযান বৃদ্ধি করতে হবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন অগ্রাধিকার বিধায় রিটার্নিং অফিসারদের নিরাপত্তা দেয়া হবে। আশাকরি সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে জাতিকে সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারব। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে ৫৯৭টি ভোট কেন্দ্রে ১৯ লক্ষ ২০ হাজার ভোটার রয়েছে। রিটার্নিং অফিসারকে হুমকি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে সিএমপি কমিশনারের সাথে কথা বলে আজ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম নগরীতে কোন ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা করছি না। এরপরও সিএমপির পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠিত পৃথক সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আদিল চৌধুরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, বিজিবি বান্দরবানের উপ-মহাপরিচালক সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জহিরুল হক খান, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক সামছুল আলম, র;্যাব-৭ পরিচালক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন ও কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মেহেদী, এনএসআইর উপ-পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ড. মো. গোফরান ফারুকী, ফেনী জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দেবময় দেওয়ান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. মাসুদ হোসেন, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শওকত ওসমান, রাঙামাটি জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শফি কামাল, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদ হোসেন সিদ্দিক, খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী মো. চাহেল তস্তুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ বনসংরক্ষক জিএম মো. কবির, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, জেলা পিপি একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বৃহত্তর পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশনের সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডার মো. সাহাবউদ্দিন প্রমুখ। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া। সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর