Rab-7 এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গণধর্ষণ মামলার আসামি নিহত
১৫জুন,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঁশখালীতে Rapid Action Battalion (Rab)সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি নিহত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) ভোরে বাঁশখালী উপজেলার মিয়ার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থ থেকে Rab সদস্যরা একটি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বলে নিউজ একাত্তরকে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, সোমবার ভোরে বাঁশখালীর মিয়ার বাজার এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে Rabর গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনের মরদেহ ও অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম আবদুল মজিদ (৩০)। তিনি গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেনি Rab। Rab-7 এর হাটহাজারী ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো. মুশফিকুর রহমান নিউজ একাত্তরকে জানান, গত ২৭ এপ্রিল বাঁশখালীর বৈলছড়ি এলাকায় এক তরুণী গণধর্ষণের শিকার হন। আবদুল মজিদ ও তার দুই সহযোগী মিলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ছিল। জানা যায়, ২৭ এপ্রিল গণ্ডামারা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওই তরুণী তার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাড়ি থেকে বের হয়ে কাজের সন্ধান করেন। ওই তরুণী বৈলছড়ী ঘোনাপাড়া এলাকায় এক মহিলার বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে বখাটে আবদুল মজিদ ও তার দুই সহযোগী চাকরি দেওয়ার নাম করে ওই তরুণীকে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
শ্বাসকষ্ট নিয়ে চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:শ্বাসকষ্ট নিয়ে চট্টগ্রামে গিয়াস উদ্দিন (৪৮) নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত গিয়াস উদ্দিন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের থানাদার বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা ওহাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি ব্যাংক এশিয়া কক্সবাজার শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন। বিষয়টি জানিয়েছেন গিয়াস উদ্দিনের ছোট ভাই ও দক্ষিণ জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক বোরহান উদ্দীন চৌধুরী মুরাদ। বোরহান উদ্দীন চৌধুরী মুরাদ জানান, গিয়াস উদ্দিনের আগে থেকেই শ্বাসকষ্ট ছিল। রোববার সন্ধ্যার দিকে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে দ্রুত চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শ্বাসকষ্টের পাশপাশি তিনি স্ট্রোকও করেন। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে স্বজনরা জানিয়েছেন, গুরুতর অসুস্থ হওয়ার আগে গিয়াস উদ্দিনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ ছিল।
করোনা উপসর্গ নিয়ে বেশি মৃত্যু চট্টগ্রামে
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা সংক্রমণের চেয়েও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি চট্টগ্রামে। একদিনে সর্বোচ্চ ৫ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হলেও উপসর্গ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই আইসিইউ ভেন্টিলেটর বা অক্সিজেন সাপোর্টের অভাবে মারা গেছে। তবে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা নেই চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগসহ প্রশাসনের কোথাও। এমনকি উপসর্গ নিয়ে মৃত কোন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে করোনার নমুনাও পরীক্ষা হচ্ছে না। যা করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, করোনা সংক্রমিত ব্যক্তি সংকটাপন্ন অবস্থায় শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এ সময় তাদের জরুরি দরকার আইসিইউ সম্বলিত ভেন্টিলেটর সুবিধা বা অক্সিজেন সাপোর্ট। যেটা নগরীর সরকারি কোন হাসপাতালে নেই। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে মাত্র ১০টি ভেন্টিলেটর সুবিধা থাকলেও তা চালুই হয়নি। আর নগরীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ সুবিধা থাকলেও সেখানে করোনা সন্দেহে উপসর্গযুক্ত কোন রোগীকে ভর্তিই করা হচ্ছে না। ফলে, চট্টগ্রামে প্রতিদিন লাশের সারি বাড়ছে। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রামে গড়ে প্রতিদিন ১৫-১৬ জন করে মানুষ মারা গেছে। করোনা উপসর্গ নিয়ে তারা বেসরকারি হাসপাতালের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে আইসিইউ বা অক্সিজেন সাপোর্ট না পেয়ে মারা গেছে। এরমধ্যে একদিনে ১৯ জন মারা গেছে উপসর্গ নিয়ে। তবে উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তির কোন হিসেব দিতে পারেনি চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি জানান, চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১১১ জন মারা গেছেন। কিন্তু উপসর্গ নিয়ে এর চারগুণের বেশি লোক মারা গেলেও তাদের কোন তালিকা নেই। তিনি বলেন, উপসর্গ নিয়ে মৃতদের হিসাব শুরুতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় দেখা গেল, হার্টের রোগীকেও করোনা উপসর্গের রোগী হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। এতে জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। তখন থেকে করোনা উপসর্গের রোগীদের তালিকা করা হচ্ছে না। সিএমপির কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী, গত ২৫শে মে থেকে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মৃত ১৭২ জনের হিসেব তাদের কাছে রয়েছে। এদিকে করোনা দুর্যোগে চট্টগ্রামে লাশ দাফন ও সৎকার কাজ করছেন ছয়টি প্রতিষ্ঠান। সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ৫০৬ জনের লাশ দাফন ও সৎকার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে করোনা শনাক্ত যেমন রয়েছে তেমনি উপসর্গ নিয়ে মৃতও রয়েছে। যাদের দাফন ও সৎকার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই করা হয়েছে। আত্মীয়-স্বজনদের অনেকেই এদের কাছে আসেনি। এরমধ্যে আল মানাহিল ফাউন্ডেশনের মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আহমেদ জানান, সংগঠনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ১৬৭ জনের লাশ দাফন করা হয়েছে। গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার জানান, তারা ১০২ জনের লাশ দাফন করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক বোরহানউদ্দিন আবু আহসান জানান, তারা এ পর্যন্ত ৪৪ জনের লাশ দাফন করেছেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম সেন্টারের অ্যাডভাইজার কোঅর্ডিনেটর মোহাম্মদ মজিবুর রহমান জানান, তারা এ পর্যন্ত ৬৯ জনের লাশ দাফন ও সৎকার করেছেন। স্ব স্ব ধর্মবিশ্বাস মতে দাফন এবং সৎকার কার্যক্রম চালাচ্ছেন তারা। চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে মৃত নারীদের দাফনের কাজ করছে এসআইপিএফ মুর্দা সেফা নামের একটি সংগঠন। সংগঠনের প্রকল্প পরিচালক ও উদ্যোক্তা আলোকচিত্রী মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, করোনাকালে তারা ৬৯ জন নারীকে দাফন করেছেন। কাউন্সিল জহরলাল হাজারী জানান, করোনা মৃতদেহ সৎকার সংঘ কাট্টলী শ্মশানে ৩৫ জন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বৌদ্ধ মহাশ্মশান কমিটি ২০ জনকে সৎকার করেছে। সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীলদের ভাষ্য, করোনা বা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামে প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে। এরমধ্যে ব্যবসায়ী-শিল্পপতি থেকে শুরু করে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আলেম, কাস্টমস কর্মকর্তা, বন্দর কর্মকর্তা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, মেম্বার, পৌর কাউন্সিলর, রাজনৈতিক নেতা এবং শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মতে, শহরে বা হাসপাতালে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের অধিকাংশের নাম সামাজিক যোগাযোগ বা গণমাধ্যমে এলেও গ্রামে মারা যাওয়া অনেকেই হিসেবের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এছাড়া করোনা পরীক্ষার সুযোগ সমপ্রসারিত না হওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।
নগরীর ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে ২১ দিন ব্যাপী লাগাতার লকডাউন
১৪জুন,রোববার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ১৬ জুন রাত ১২ টা ১ মিনিট থেকে নগরীর ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে ২১ দিন ব্যাপী লাগাতার লকডাউন শুরু হচ্ছে। সরকারি প্রজ্ঞাপণ অনুযাযী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১০ টি ওয়ার্ডকে করোনা সংক্রমণপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে রেডজোনের আওতায় আনা হয়েছে। ১০ নং উত্তর কাট্টলী ছাড়াও রেডজোন চিহ্নিত নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডগুলো হলো চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নং ওয়ার্ড, কোতোয়ালীর ১৬,২০,২১ ও ২২ নং ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নং ওয়ার্ড এবং হালিশহর এলাকার ২৬ নং ওয়ার্ড। করোনা প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির শনিবারের অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম নগরীর উল্লেখিত এলাকাগুলোকে রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সভার সিদ্ধান্তানুযায়ী চিহ্নিত এলাকার সংশ্লিস্ট জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন এবং পুলিশ সুপার মিলে সু-নির্দ্দিষ্টভাবে এসব রেড জোন চিহ্নিত করেছেন। চিহ্নিত এলাকায় প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যায় বিগত ১৪ দিনে ৭ জন আক্রান্ত হয়েছে এমন এলাকাগুলোকেই রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। টেকনিকেল কমিটির এই সিদ্ধান্তের আওতায় চট্টগ্রাম নগরীতে এই প্রথম আগামী ১৬ই জুন থেকে লকডাউন কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এভাবে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত ১০টি ওয়ার্ডকে পর্যায়ক্রমে লকডাউনের আওতায় আনা হবে। সরকারি প্রজ্ঞাপণ অনুযায়ী নতুনভাবে জোন ভিত্তক লকডাউন এলাকা ঘোষনার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে কার্যকর করার জন্য আজ বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিস্ট সকল কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে এক সমন্বয় বৈঠকে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন এই তথ্য জানান। এই সময় তিনি বলেন সরকার একইসাথে লকডাউন চলাকালীন সময়ে চিহ্নিত এলাকায় সরকারি আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিসষ্ঠানে সরকারি প্রজ্ঞাপণ অনুযায়ী সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে। লকডাউন চলাকালীন সময়ে চিহ্নিত ওয়ার্ডে যানবাহন ও জনচলাচল ও দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এছাড়া প্রত্যেককেই অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নতুনভাবে জোনভিত্তিক লকডাউন ঘোষনা এবং তা যথাযথভাবে পালনের বিষয়ে । এসময় তিনি বলেন, সরকার একইসাথে সারা দেশে লকডাউন না করে অধিকতরভাবে সংক্রমণপ্রবন এলাকা চিহ্নিত করার প্রেক্ষিতে আগামী ১৬ তারিখ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে। এবং এই পদক্ষেপ যথাযথবাবে কার্যকর হলে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় শতভাগ সফল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জীবন ও জীবিকার সমন্বয়ে করোনা মহামারি প্রতিরোধে ইতিবাচক ফলাফল নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সহ যেসকল কর্তৃপক্ষের উপর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তাদেরকে সতর্কতার সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, লকডাউনকালীন সময়ে আরোপিত বিধি নিষেধগুলো শতভাগ প্রয়োগ করা হয়। তিনি আরো বলেন যে, লকডাউন চলাকালীন সময়ে এলাকার অধিবাসিরা নিজের এলাকায় থাকবেন এবং বাইরের কেউ নিজেদের এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না। যারা ঘরে আবদ্ধ থাকবেন তাদের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের জন্য চসিক এর পক্ষ থেকে মহল্লায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নির্দ্দিষ্ট টেলিফোন নম্বরে এলাকাবাসীর চাহিদা মোতাবেক ন্যায্য বাজারমূল্যে খাদ্য,ওষুধপত্রসহ দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবন যাপনের উপকরণ ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে। যারা হতদরিদ্র তাদের অবস্থার কথা বিবেচনা করে চসিক তাদের সকল চাহিদা পূরণ করবে। বৈঠকে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ, বাংলাদেশ ইনফেনট্রি রেজিমেন্টের (বিআইআর) এর সিও লে.কর্ণেল মাহবুব, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল আলম, চসিক প্রধান ¯স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, চসিক আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ডা. সুশান্ত বড়ুয়া, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সম্বয়ক ডা. আইমং প্ররু ও সিইও ইয়াছিন মিয়া, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক হানিফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামের যেসব এলাকা- রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত
১৪জুন,রোববার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের দিক থেকে অধিক, তার থেকে কম এবং নিরাপদ এলাকাকে রেড, ইয়োলো এবং গ্রিন জোনে ভাগ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শে নানাবিধ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একাধিক ওয়ার্ড রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির শনিবারের সভায় এসব এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়। চট্টগ্রাম নগরীর রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকার মধ্যে রয়েছে; চট্টগ্রাম বন্দরের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড, পাহাড়তলির ১০ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালির ১৬, ২০, ২১ ওে ২২ নম্বর ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, হালিশহর এলাকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড।
জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন লাইন স্থাপন করছে এস আলম
১৪জুন,রোববার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ২৫০ শয্যার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই লাইন স্থাপন করে দিচ্ছে এস আলম গ্রুপ। হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই লাইন স্থাপন করতে মেডি ট্রেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ওয়ার্ক অর্ডারও দিয়েছে এই শিল্পগ্রুপ। রোববার (১৪ জুন) মেডি ট্রেডকে ওয়ার্ক অর্ডার হস্তান্তর করেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই লাইনের কাজ সমাপ্ত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মেডি ট্রেডকে। এই কাজ সমাপ্ত হলে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অক্সিজেন সাপোর্টের স্বল্পতা দূর হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ২৫০ শয্যার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই লাইন স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৫০ টাকা। যার পুরো ব্যয় বহন করবে এস আলম গ্রুপ। এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী নিউজ একাত্তরকে বলেন, চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অক্সিজেন সংকট দূর করতে কাজ করছি আমরা। রোববার একটি প্রতিষ্ঠানকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ২৫০ শয্যার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই লাইন স্থাপন করে দেবে এস আলম গ্রুপ।
জেনারেল হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের জন্য অনুদান নওফেলের
১৩জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত অস্থায়ী কর্মীদের প্রণোদনা দিতে ৩ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বীর হাতে এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত ৩৬ জন অস্থায়ী কর্মীদের জন্য তিন লাখ টাকা তুলে দেন। খুলশীতে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সিভিল সার্জনের হাতে এসব অর্থ তুলে দেন ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সেখানে অক্মিজেন সংকটের বিষয়ে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক অক্সিজেন সুবিধার ব্যবস্থা করে দেন তিনি। ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল গোল্ডেন অক্সিজেন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী সাবেক সিটি মেয়র এম মঞ্জুরুল আলমকে হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সেবা প্রদানের অনুরোধ জানালে তিনি অক্সিজেন সেবা প্রদানে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
আমরা খেটে খাওয়া মানুষের একটি উন্নয়নশীল দেশ: তথ্যমন্ত্রী
১৩জুন,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পৌনে এক কোটি মানুষের শহর চট্টগ্রাম। প্রতিদিন আরও ২০ লাখ মানুষ এখানে যাতায়াত করেন। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে ৪ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুরুতে চট্টগ্রাম শহরে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য অনেক সংকট ছিলো। এখনো সংকট কেটে গেছে তা নয়, আছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা শুরু থেকে চেষ্টা করেছি বিভিন্ন হাসপাতালকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এবং সরকারি ব্যবস্থাপনাগুলো আরও প্রসারিত ও উন্নত করার জন্য। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সিটি হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুরুতে এখানে কোনো ভেন্টিলেশন সুবিধাই ছিলো না করোনা রোগীদের জন্য। এরপরই জেনারেল হাসপাতালে ১০টি ভেন্টিলেশনসহ এখন ১৫০ বেডে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৪টি ভেন্টিলেশন সিস্টেম দিয়ে শুরু করেছে, সহসাই তারা ভেন্টিলেশন ১০টিতে উন্নীত করবেন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ৬টি ভেন্টিলেটর আছে সেখানে আরো বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল চালু হয়েছে, সেখানেও সব ভেন্টিলেটর চালু করার চেষ্টা চলছে। ইউএসটিসির বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল চালু হয়েছে। ইতিমধ্যে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালেও করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া শুরু হয়েছে। তাদের ২০টি ভেন্টিলেটর আছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার আগে যেভাবে আমরা চলতাম সেভাবে আর নয়। সেভাবে চললে আমাদের পক্ষে হাসপিটাল প্রস্তুত রেখে ও আরও আইেসোলেশন সেন্টার বানিয়েও করোনা ভাইরাসের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে আমার সুরক্ষা আমার হাতে। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোও মাসের পর মাস বন্ধ রাখেনি, সেখানেও খুলে দেয়া হয়েছে। সেখানে এখনও মানুষ মৃত্যুবরণ করছে করোনা ভাইরাসে। এখনো প্রতিদিন শতশত হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, এরপরও তারা লকডাউন শিথিল করেছে, কাজকর্ম শুরু করেছে। তার মানে এই নয় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার আগে যেভাবে চলতাম সেভাবে এখনো চলবো। আমরা কাজ করবো, নিজেকে স্বাস্থ্যগতভাবে ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী সুরক্ষিত রেখে, তাহলেই আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠাই আমরা এই মহামারিকে মোকাবেলা করতে পারবো। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোস্তফা খালেদ আহমদ, সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি প্রমুখ। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সার্বক্ষণিক সমস্ত কিছু মনিটর করছেন, তার নির্দেশনাতেই সিটি করপোরেশনসহ আমরা কাজগুলো করছি। আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে, আমাদের দেশ উন্নত দেশ নয়, উন্নত দেশ না হওয়া সত্ত্বেও আমাদের দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার উন্নত দেশ থেকে কম। এই মহামারী সামাল দেওয়ার জন্য উন্নত দেশগুলোও আগে থেকে প্রস্তুত ছিলো না। যে কারণে সেখানে হাজার হাজার ও লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। তিনি বলেন, আমরা খেটে খাওয়া মানুষের একটি উন্নয়নশীল দেশ। এই দেশে অর্থনীতি উন্নত দেশের মতো অতো মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নয়। এরপরও মানুষের জীবন রক্ষার তাগিদে বাংলাদেশে দুই মাসের বেশি সময় সবকিছু বন্ধ ছিল। এখন সীমিত আকারে খোলা হয়েছে। কারণ জীবন এবং জীবিকা দুটিই রক্ষা করতে হবে। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তথ্য উপাত্ত ঘেঁটে যতটুকু জেনেছি সব রোগীকে ভেন্টিলেটর দিতে হয় না, ৮০ ভাগ করোনা রোগী ঘরেই চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়। ১০ ভাগের মতো রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হতে পারে, তৎমধ্যে জটিল রোগীর সংখ্যা আরও কম। কিন্তু রোগী যেভাবে বাড়ছে সেজন্য আমাদের আইসোলেশন সেন্টার দরকার। অনেকের উপসর্গ খুব কম হলেও দুই রুমের বাসায় আইসোলেশনে থাকা সম্ভব নয়। সেখানে যদি তাকে আইসেলেশনে রাখা হয় ঘরের অন্যদেরও অসুবিধা হয়। সেই ক্ষেত্রেও আইসোলেশন সেন্টারের দরকার আছে। আবার হালকা চিকিৎসারও দরকার আছে। তিনি বলেন, এ ধরনের আইসোলেশন সেন্টারে যদি কেউ থাকে তাহলে পরিবারের যেমন সুবিধা হয়, পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়াও সম্ভবপর হয়। সে জন্য সিটি করপোরেশন যে উদ্যোগ নিয়েছে ধন্যবাদ জানাই। সীকম গ্রুপ সিটি কনভেনশন সেন্টারটি দিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক মানবতার কাজ করেছেন। বলেন তথ্যমন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই মহামারী কখন যাবে আমরা জানি না, অতীতে ১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ভাইরাস যখন হয় সেটি তিন বছর ছিল। এ ছাড়া প্ল্যাগসহ এ মহামারীগুলো এক বছরে কিন্তু দূরীভূত হয়নি, ফিরে এসেছে। এখন মানুষের চিকিৎসাজ্ঞান অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে। এরপরও এ মহামারী নিয়ে অনেকেই বলেছিলেন, গরম শুরু হলে চলে যাবে, কিন্তু সেটি হয়নি। চায়নাতে নির্মূল করার পর আবার ২য় পর্যায়ে দেখা গেছে অনেক মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। ইরানে কমে যাওয়ার পর আবার সেখানে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। সুতরাং এ মহামারী কখন যাবে যেহেতু জানি না, এ মহামারীকে কীভাবে আমরা মোকাবেলা করবো সেইভাবেই আমাদের প্রস্তুতিটা রাখতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রকে এ উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আরও দু-একটি এ ধরনের আইসোলেশন সেন্টার করার জন্য এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। যাতে পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রোগী বাড়লে তাদের রাখা যায়। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইনশাআল্লাহ আমরা এ মহামারী মোকাবেলা করবো। আবার ভোরের সূর্য উদিত হবে, এই পরিবেশে নয়, আগের সেই প্রাণচঞ্চল পরিবেশে আমরা আবার কাজ করতে পারবো। এটিই প্রত্যাশা, এটিই বিধাতার কাছে প্রার্থনা।
রামপুর ওয়ার্ডে তিনশ প্রতিবন্ধীর মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দিলেন মেয়র
১২জুন,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রামপুর ওয়ার্ড এলাকার তিনশ জন প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। আজ বিকালে তিনি স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে প্রতিবন্ধীদের প্রত্যেকের হাতে এই উপহার তুলে দেন। এসময় কাউন্সিলর এরশাদ উল্লাহ,আবুল হাশেম, বেলাল আহমেদ, আলহাজ্ব আবুল ফয়েজ,আবুল কাশেম, সুমন দেবনাথ,মামুনুর রশীদ মামুন, আনিসুর রহমান, রুবেল আহমেদ বাবু, আমানত উল্লাহ, মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, ইমরান আলি মাসুদ,আরেফিন সাকি ইভান,নিজাম উদ্দিন মিন্টু, মনিরুল্লা খানসহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর