বস্ত্র আইন ২০১৮ খসড়া অনুমোদন মন্ত্রিসভায়
মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক রফতানির গুরুত্ব বিবেচনা করে আজ বস্ত্র আইন-২০১৮ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তাঁর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই নতুন আইনের লক্ষ্যই হচ্ছে বস্ত্রজাত পণ্যের মান বজায় রাখা, কারণ তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছে। তিনি বলেন, গত বছরে দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮৩ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে। গত অর্থ বছরে ২৯.২৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে। তিনি বলেন, খসড়া আইনের সেকশন ৬ অনুযায়ি, আইনটি প্রণয়নের লক্ষ্য অজর্নে যে কোন বস্ত্র শিল্পের জন্য সরকার ইনসেন্টিভ দিতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইনের আলোকে একটি অধিদপ্তর গঠিত হবে। সরকার সংস্থার প্রধান হিসাবে একজন মহাপরিচালক নিয়োগ দেবে। সংস্থার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। তিনি বলেন, ডিজি সংস্থার রেজিষ্টার হিসাবে কাজ করবেন। উৎপাদিত পণ্যে ব্যবহৃত রং ও অন্যান্য কেমিকেলসহ অন্যান্য বিষয়ের মান যাচাই করে দেখতে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থাকবেন। তিনি আরো বলেন, সরকার এ ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শাস্তির বিধান সম্পর্কে বলেন, নিবন্ধন নেয়ার সময়ে কোন মিথ্যা তথ্য দেয়া হলে সংস্থা কোম্পানিটির নিবন্ধন বাতিল অথবা স্থগিত করতে পরবে। তিনি বলেন, সরকার বায়িং হাউজগুলোও রেজিষ্ট্রেশনের আওতায় নিয়ে আসবে। গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন প্রদান ও নবায়ন করা হবে। শফিউল আলম বলেন, আইনে উল্লেখিত বিধানের আলোকে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যে কোন শিল্প পরিদশর্ন করতে পারবে। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষে সুপারিশ সম্বলিত একটি প্রতিবেদন সরকারকে দিতে পারবে। যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল করতে পারবে। শফিউল আলম বলেন, সরকার অথবা অধিদফতরের নির্দেশে নির্ধারিতব্য শর্ত অনুযায়ি, যে কোন ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা অথবা সংস্থাকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জেলা সদরে এক বা একাধিক শিশু ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের বিধান রেখে আজ মন্ত্রিপরিষদ শিশু (সংশোধিত) আইন, ২০১৮-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। তিনি বলেন, মামলার প্রক্রিয়ায় যাতে বিলনা ঘটে সে জন্য পুনরায় এই আইনকে বিস্তৃত ও উন্নত করে শিশু আইন, ২০১৩ সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছিলো। তিনি বলেন, সংশোধিত খসড়া আইন অনুযায়ী, এই আইন বিদ্যমান নারী ও শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল শিশু ট্রাইব্যুনাল হিসেবে কাজ করবে। যা শিশুদের দ্বারা অপরাধ সংঘটন না করার অঙ্গীকারের চেষ্টা করবে। মন্ত্রিপরিষদ ;বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধনী) আইন, ২০১৮-এর খসড়ারও সম্মতি দিয়েছে। যাতে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে কর্মচারি হিসেবে উল্লেখ করার বিধান রাখা হয়েছে। আলম বলেন, এই আইনটি বিদ্যমান ২০০৪ সালের আইনের সংশোধন করে খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এতে বোর্ডের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয় এবং গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ের কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। খসড়াটি আইন অনুযায়ী যে কোনো কর্মচারি বেনেভোলেন্ট ফান্ড-এ তার মূল বেতনের শতকরা এক ভাগ সঞ্চয় জমা করবে। যা বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ৫০ টাকার পরিবর্তে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা হবে। এ ছাড়া গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম হবে শতকরা শূন্য দশমিক ৭০ ভাগ, যা বিদ্যমান টাকার স্থলে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা হবে। একজন কর্মচারি একবার সাধারণ চিকিৎসা মঞ্জুরি হিসেবে বিদ্যমান ২০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪০ হাজার টাকা পাবেন। অন্যদিকে যে কোন কর্মচারি দাফনের জন্য বিদ্যমান ৫ হাজার টাকার স্থলে ১০ হাজার টাকা প্রাপ্য হবেন। এ ছাড়া একজন কর্মচারি যৌথ বীমা মঞ্জুরি হিসেবে একবারে এক লাখ টাকার স্থলে দুই লাখ টাকা পাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিদ্যমান আইনকে আরো সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর খসড়ারও অনুমোদন দিয়েছে। আলম বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং চায়না হুয়াদিয়ান হংকং কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে যৌথ উদ্যোগে ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে ১৩২০ মেগাওয়াট বিশিষ্ট কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে যৌথ কোম্পানি গঠনের যৌথ চুক্তির খসড়ার অনুমোদন দেয়। তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদ এই কোম্পানির সংঘস্মারক এবং আর্টিক্যালেরও অনুমোদন প্রদান করে।
আরো একধাপ বাড়লো চাল, পেঁয়াজের দাম
রাজধানীর পাইকারি বাজারে আবারো বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। আড়তদারদের অতি মুনাফা আর বাড়তি মজুতদারির কারণেই চালের দাম কমছে না বলে দাবি পাইকারদের। রসুন আর আলুর দামে স্বস্তির খবর থাকলেও দাম বেড়েছে পেঁয়াজ ও আদার। মসলার বাজার কিছুটা বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে সব ধরনের ডালের দাম। তবে হঠাৎ করেই বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। গেল কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানীর চালের বাজারে নেই তেমন কোন স্বস্তির খবর। সপ্তাহ ব্যবধানে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে সবধরনের চালের দাম। শিগগিরই বাজার স্বাভাবিক হওয়ারও কোন সুখবর নেই পাইকারদের কাছেও। তবে বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি মিল পর্যায়ে মনিটরিং করলে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, 'যে মিনিকেট বিক্রি করেছি ৩ হাজার টাকা আজ সেটা বিক্রি করছি ৩ হাজার ৬৫ টাকা। ২৫ বিক্রি করতাম আড়াই হাজার টাকা সেটা আজ বিক্রি করছি পঁচিশ' পঞ্চাশ টাকা।' আরেক পাইকার বলেন, 'বর্তমানে অটোরাইসমিলের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। যে পরিমাণ ধানের প্রয়োজন সেটা বাজারে নেই। প্রতিযোগিতা করে ধান কিনে এই মিল মালিকরা। এতে ধানের দাম বেশি হয়। এতে করে চালের দামও বেড়ে যায়। এটা যদি সরকার মনিটরিং করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার তাহরে বাজার শিথিলই থাকবে।' পাইকারি পর্যায়ে রসুন আর আলুর দাম কমলেও ৩ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। তবে সরবরাহ ভালো থাকায় শিগগিরই দাম কমার ব্যাপারে আশাবাদী পাইকাররা। মসলার বাজারে জিরা আর এলাচের দাম কিছুটা বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে সবধরনের ডালের দাম রাজধানীর পাইকারি বাজারে ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১০ টাকা বেড়ে ৫শ' ১০ টাকা আর ২ থেকে তিন টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯৩ টাকায়।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার , বিমানে যুক্তরাজ্যে সরাসরি কার্গো
ঢাকা-লন্ডন রুটে সরাসরি কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। আজ রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানান। এরপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসংক্রান্ত পত্র বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামালের কাছে হস্তান্তর করেন। এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশ থেকে যেকোনো পণ্য যেকোনো বিমানে করে লন্ডনে পাঠানো যাবে। অ্যালিসন ব্লেক বলেন, কঠোর পরিশ্রম ও দুই দেশের আন্তরিক সহযোগিতার কারণেই সমস্যা চিহ্নিত করে সেখান থেকে উত্তরণ সম্ভব হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্লেক বলেন, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া বা প্রত্যাহার কোনোটাই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল না। সম্পূর্ণ নিরাপত্তার কারণেই এটা করা হয়েছিল। বিমানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য তাদের এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় অস্ট্রেলিয়াও তাদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে, এমনটা আশা করা যায়। ২০১৬ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাজ্যের ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কার্গো পণ্য পরিবহনে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে কার্গো পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে অস্ট্রেলিয়া।
বেড়েছে চালের দাম, কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের
কয়েকদিনের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারি বাজারে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত। সরবরাহ ঘাটতি না থাকলেও আড়তদাররা বলছেন আমদানি করা চালের মূল্য বেশি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে দেশিয় চালে। তবে গেল সপ্তাহের তুলনায় কমেছে পেঁয়াজ, রসুন ও আলুর দর। অন্যদিকে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে খোলা তেলের দর। কিছুদিন আগেই বাজারে এসেছে নতুন আমন চাল। পাশাপাশি আমদানি করা চালের সরবরাহও রয়েছে যথেষ্ট। দু'য়ে মিলে বাজারে চালের কোন ঘাটতি নেই। কিন্তু তার কোন প্রভাবই নেই চালের বাজার দরে। উল্টো গেল কয়েকদিনে কেজিতে ১ থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বাজারের সব ধরনের চালের দাম। দোষটা বরাবরই বাড়তি পরিবহন খরচ আর মিলমালিকদের ঘাড়েই চাপাচ্ছেন চালের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এক ব্যবসায়ী বলেন, 'এই সময়ে দেশের বাজারে চালের দাম একটু বাড়েই। যেহেতু আমরা পরনির্ভরশীল, ভারত থেকে চাল না আসলে আমাদের চালের বাজার স্থিতিশীল থাকে না। ভারতের বাজারে চালের দাম বেশি তাই আমাদের এখানেও দাম বেড়েছে।' তবে ক্রেতাদের জন্য সুখবর রয়েছে পেঁয়াজ-রসুনের বাজারে। গেল সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দর। আদা কমেছে ১০ টাকা পর্যন্ত । কমেছে রসুনের দরও। বাজারে সব থেকে কম টাকায় মিলবে আলু। কেজি প্রতি মাত্র ৮ থেকে ১১ টাকায় পাইকারি দরে চলছে এই নিত্যপণ্যটি। নিত্যপণ্যের বাজারে ডালের পাইকারি দর আগের মত থাকলেও খোলা তেলের দর বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। এক ব্যবসায়ী জানান, 'ডালের ডাম আগের মতোই আছে। ভারতীয় মসুর ডাল ৫৫টাকা এবং দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৮৫টাকা কেজি দরে।' এদিকে রাজধানীর পাইকারি বাজারে গেল কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মসলা।
হটাৎ বেড়েছে চালের দাম
ঢাকার বাজারে হঠাৎ করেই চালের দাম বেড়ে গেছে। গত সপ্তাহের চেয়ে সব ধরনের চাল কেজি প্রতি দেড় থেকে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। ঢাকার মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটে কয়েক দিন আগে মোটা চালের কেজিপ্রতি দর ছিল ৩৮ টাকা, যা এখন দেড় টাকা বেশি। মাঝারি মানের বিআর-২৮ জাতের চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়েছে। ভালো মানের মিনিকেট চালের দামও কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা ৫০ পয়সা ও ভারতীয় মিনিকেট ৫৬ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এই দর আরও ২ থেকে ৩ টাকা বেশি পড়ছে। কৃষি মার্কেটের বরিশাল রাইস এজেন্সির মহিউদ্দিন রাজা বলেন, চালের দাম বেড়েছে মূলত ট্রাকভাড়া বেড়ে যাওয়ায়। বেনাপোল থেকে আসতে প্রতি ট্রাকের ভাড়া ছিল ১৭ হাজার টাকা, যা এখন হয়েছে ২২ হাজার টাকা। অন্যদিকে একটি ট্রাকে ২০ টনের জায়গায় চাল আনা যাচ্ছে ১৩ টন। ঢাকা-বেনাপোল পথের পাশাপাশি অন্যান্য পথেও ট্রাকভাড়া বাড়তি দিতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাস্তার ক্ষতি এড়াতে সরকার অতিরিক্ত পণ্যবাহী যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করে। মহাসড়কের ওজন স্কেলগুলোতে অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহনকে জরিমানা করা হচ্ছে। গত বোরো মৌসুমে উৎপাদন কম হওয়ায় মার্চ-এপ্রিল থেকেই বাজারে চালের দাম বাড়তে থাকে। সেপ্টেম্বর মাসে প্রতি কেজি মোটা চালের দাম ওঠে ৫০ টাকায়, যা কয়েক বছর ৩৫ টাকার নিচে ছিল। এরপর আমদানি বাড়ায় দাম কিছুটা কমে যায়। জানুয়ারিতে আমন মৌসুমের চাল বাজারে আসার পর দাম এক দফা বেড়েছিল। এখন আবার এক দফা বাড়ল। কুষ্টিয়ার মোকামেও সরু মিনিকেট চালের দাম কেজিতে দুই টাকা বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পৌরবাজার চালের আড়তে গত সপ্তাহে মিলগেটে মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৮ টাকা কেজি দরে, যা এখন ৬০ টাকা হয়েছে। খুচরা বাজারে তা ভোক্তারা কিনছেন ৬২ টাকা দরে। মিলমালিকেরা বলছেন, ধানের দাম বেড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। পৌরবাজারের চাল ব্যবসায়ী শাপলা ট্রেডার্সের মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, পাঁচ দিন আগে কুষ্টিয়ার বড় চালকল বিশ্বাস অ্যাগ্রো ফুড হঠাৎ মিনিকেট চালের দাম বাড়িয়ে দেয়। এতেই বাজারে প্রভাব পড়ে। বিশ্বাস অ্যাগ্রো ফুডের মালিক বায়েজীদ বিশ্বাস মূল্যবৃদ্ধির জন্য ধানের চড়া দামকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ধানের দাম বাড়লে চালের দামও বাড়ে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মিনিকেট চালের দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে।
তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা ছাড়াই চাল আনতে পারবে
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনো দেশ থেকে চাল আমদানির জন্য তেজস্ক্রিয়তা সনদ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পরমাণু শক্তি কমিশনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই এসব দেশ থেকে চাল আনতে পারবে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্তের ফলে তেজস্ক্রিয় বিকিরণে মানবদেহে ক্যানসারসহ নানা রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়ে যাচ্ছে। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে চাল আমদানির ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা সনদ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি চায় খাদ্য মন্ত্রণালয়। তাদের যুক্তি, পরমাণু শক্তি কমিশন থেকে এই সনদ নিতে না হলে চাল আমদানিতে সময় কম লাগবে এবং টাকা সাশ্রয় হবে। বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনার পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেয়। পরমাণু শক্তি কমিশন সূত্র জানায়, খাদ্যপণ্যে তেজস্ক্রিয়তা নির্ধারিত মাত্রার বেশি থাকলে ক্যানসার, লিউকেমিয়া, বন্ধ্যাত্ব, চুল পড়ে যাওয়া, জেনেটিক পরিবর্তনসহ মানবদেহের ভয়ানক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় বিকিরণ মানবদেহে নানা রকম ক্যানসারের জন্ম দিতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সংস্পর্শে থাকলে মানুষের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে। মানসিক বিকার এমনকি বিকলাঙ্গতাও দেখা দিতে পারে। চট্টগ্রামের পরমাণু শক্তি কেন্দ্রের পরিচালক শাহাদত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আসিয়ান দেশগুলোকে সুযোগ-সুবিধা দিতেই একটি মহল হয়তো এমন অনুরোধ করছে। কিন্তু কোনোভাবেই এই বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দেওয়া উচিত নয়। আমদানি করা চালে ক্ষতিকর কিছু আছে কি না, তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরীক্ষা না করে তা বোঝা সম্ভব নয়। তাই এটা তুলে দিলে ঝুঁকি থাকবে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মূলত ভিয়েতনাম থেকে চাল আমদানির সময় সনদ সংগ্রহের জন্য তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষার বিষয়ে পরমাণু শক্তি কমিশনের ফি পাঠানোর বিষয়টি জানিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছিল চট্টগ্রামের চলাচল ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রকের দপ্তর। তাঁরা বলেছিলেন, ভিয়েতনামের সঙ্গে করা চুক্তিতে বলা আছে, তেজস্ক্রিয়তার বিনির্দেশ মাত্রা পরমাণু শক্তি কমিশন থেকে যাচাই করতে হবে। তাই ২২ লাখ টাকা পাঠাতে অনুরোধ জানান তাঁরা। কিন্তু মন্ত্রণালয় টাকা না পাঠিয়ে এই বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দিতে অনুরোধ জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নন বলে জানান। আর খাদ্যসচিব শাহাবুদ্দিন আহমদ বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে তিনি মনে করেন, যেখান থেকেই চাল আমদানি করা হোক না কেন, অবশ্যই তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা করা উচিত। আমদানি নীতিতে বলা আছে, সার্কভুক্ত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো থেকে সরাসরি চাল, গম ও অন্যান্য খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা করতে হবে। তবে তিনটি শর্ত পালন করলে এই বাধ্যবাধকতা শিথিলযোগ্য হতে পারে। এর মধ্যে রপ্তানিকারক দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অনুমোদিত সংস্থার ইস্যু করা উৎস দেশসংক্রান্ত সনদ (সার্টিফিকেট অব অরিজিন) যদি থাকে, যদি রপ্তানিকারক দেশের অনুমোদিত সংস্থা থেকে প্রত্যয়নপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে দিতে পারে এবং পচনশীল খাদ্যর ক্ষেত্রে ওই দেশের অনুমোদিত সংস্থা থেকে তেজস্ক্রিয়তা সংক্রান্ত সনদ নেওয়া হয়। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই এসব সনদ জমা দেয় না বলে পরমাণু শক্তি কমিশনের সূত্র জানায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নাজমা শাহীন বলেন, খাদ্যপণ্যে তেজস্ক্রিয়তা নির্ধারিত মাত্রার বেশি থাকলে ক্যানসারসহ নানা রোগ হতে পারে। চুক্তিতে বলা থাকলে অবশ্যই আমদানি করা চাল পরীক্ষা করতে হবে, সেটা যে দেশ থেকেই হোক।
১০০ টাকার প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত
১০০ টাকার প্রাইজবন্ডের ড্র ১০০ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ৯০তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ছয় লাখ টাকার প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজয়ী নম্বর-০৪২৯১২১। এছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কারের বিজয়ী নম্বর-০৯২৪৫৩০। দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ী পবেন ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বুধবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) মো. সেলিম রেজা। একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) এই ড্র পরিচালিত হয় এবং বর্তমানে প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের ৪৯টি সিরিজ যথা- কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, এবং খশ এই ড্র এর আওতাভুক্ত। ড্রতে ১ লাখ টাকা করে দুটি তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী নম্বর হল- ০২৩০৬০৫ ও ০৩৭৬৯৩০। আর প্রতিটি ৫০ হাজার টাকা করে দুটি চতুর্থ পুরস্কারের নম্বর-০৪৪৪৫৮২ ও ০৫৮৮৯২৪। এছাড়া প্রতিটি ১০ হাজার টাকা করে ৪০টি পঞ্চম পুরস্কারের নম্বরগুলো হল- ০০১২১৫৮, ০২৬৩৭১৮, ০৩৪৪৩৫৫, ০৫৪৮৯৫১, ০৭৫৬০৪৫, ০০৩৫৯০৯, ০২৬৫৮৫২, ০৩৬৯৬৪১, ০৫৪৯৯৫৬, ০৭৯০৯৫১, ০০৪৯৮০৯, ০২৭৫০১২, ০৩৮৬৯৬২, ০৫৯২২১২, ০৭৯৮২৭৯, ০০৫৭৬৭৯, ০২৭৫৭৬৩, ০৪৪৩০৯১, ০৬১৭০১২, ০৮০৮৩৫৪, ০১৪৯৩০৪, ০৩১২১০৭, ০৪৬১৯৩২, ০৬১৯৭৪৪, ০৮৩৫৩৮২, ০১৮২৪৫৬, ০৩১৩৩৯৬, ০৪৬৮০১৯, ০৬৪১৪৭১, ০৮৪৮৮২১, ০১৯৯৫০৬, ০৩৩০৮৩৬, ০৪৮৬৭০৮, ০৬৮৬৮১২, ০৮৬৯৯৯১, ০২৫৯৭১৬, ০৩৩৬৭০৬, ০৪৯৭১৫৯, ০৭৩০১৩৮, ০৯৩৭২১৮।
সর্বোচ্চ সতর্ক কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর এসএক সুর চৌধুরী বলেছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে থাকা কালো টাকার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোন করণীয় নেই। তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে যাতে কোন কালো টাকার লেনদেন না হয় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক ব্যবস্থা নিবে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্বাচনী বছর কালো টাকার লেনদেন বাড়তে পারে, অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে ব্যাংক কি ব্যবস্থা নিচ্ছে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলন কক্ষে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের শেষার্ধের মূদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়। এসকে সুর চৌধুরী গর্ভনর ফজলে কবিরের পক্ষে এ কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবির, ডেপুটি গর্ভনর রাজী হাসান, এসএম মনিরুজ্জামানসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক, উপদেষ্টা ও বিভিন্ন পর্যায়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে গর্ভনর ফজলে কবির বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে কালো টাকা রোধসহ আর্থিক সকল লেনদেন রোধে কাজ করা হচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের যে সব টুল্স আছে সেগুলো কাজে লাগানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে, দেশ থেকে দেশের বাইরে বা দেশের বাইরে থেকে দেশের অভ্যান্তরে অবৈধ প্রবেশ রোধে সকল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআই) আগে থেকেই এ ব্যাপারে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে কালো টাকার প্রবাহ বৃদ্ধির ব্যাপারে অর্র্থমন্ত্রীর বক্তব্য সরকারের। এ জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করা হচ্ছে জানিয়ে এসকে সুর চৌধুরী বলেন, এ ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বিতরন করা হচ্ছে এনজিও-এর মাধ্যমে। আর এর সুদ হার দিতে হয় ২০ থেকে ২৭ শতাংশ হারে। এ ঋণের সুদ হারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পল্লী অঞ্চলে অর্থ সরবরাহের বিষয়টি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আবার বাড়ছে সোনার দাম
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দর ভরিতে ১ হাজার ৫১৭ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোনার নতুন দর কাল শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে। জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দর বৃদ্ধির বিষয়টি আজ বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করা হয়েছে। সর্বশেষ ১০ জানুয়ারি সোনার দর বাড়ানো হয়েছিল। দর বৃদ্ধি পাওয়ায় শুক্রবার থেকে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা ৫২ হাজার ২৫৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৯ হাজার ৯২২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ৪৪ হাজার ৬৭৩ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি দাঁড়াবে ২৭ হাজার ৪১০ টাকা। আজ পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৫০ হাজার ৭৩৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৮ হাজার ৪০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪৩ হাজার ১৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ২৬ হাজার ৫৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনার দর পুনর্নির্ধারণ করায় ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটে ১ হাজার ৫১৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরিতে ৮৭৪ টাকা দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকবে। প্রতি ভরি রুপা ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। অলংকার তৈরিতে সোনার দরের সঙ্গে মজুরি ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) যোগ হবে। বিশ্ববাজারে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববাজার প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) সোনার দাম ছিল প্রায় ১ হাজার ৩৬০ মার্কিন ডলার। গত ১০ জানুয়ারি সেটি ছিল ১ হাজার ৩১৭ ডলার।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর