বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৯
ভোটকেন্দ্রে যেতে শঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ :সিএমপি
অনলাইন ডেস্ক :জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে যেতে শঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।নির্বাচন উপলক্ষে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) দামপাড়া পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশ্বাস দেন তিনি।মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে যেতে যাতে কেউ শঙ্কিত বোধ না করে। আমাদের পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি মোটিভেশনাল সভা করেছে, যাতে ওই এলাকার ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত হন।সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘২০০১ সাল থেকে সকল নির্বাচন অ্যানালাইসিস করে যেখানে সংঘাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেসব জায়গায় সতর্ক অবস্থান নিয়ে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। সিএমপির প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পুলিশ সদস্য নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের মোট সদস্য প্রায় ৭ হাজার। বাকি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘নগর ও আশপাশের এলাকাসহ ৬টি আসনে মোট ৫৯৭টি কেন্দ্র রয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোকে আমরা ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি। সব ভোটকেন্দ্র আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা দিতে আমরা সক্ষম। ভোট কেন্দ্রভিত্তিক ফোর্সের পাশাপাশি পাঁচটি কেন্দ্র নিয়ে একটি করে মোবাইল টিম গঠন করেছি। প্রতিটি থানায় স্ট্রাইকিং টিম, ডিবি টিম, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, আনসার সদস্যরা কাজ করবেন।
চট্টগ্রামের এত উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোনো সরকার করেনি :আ জ ম নাছির
অনলাইন ডেস্ক :হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিদান ভোটের মাধ্যমে চেয়েছেন নগর আওয়ামী লীগ নেতারা।বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নৌকা প্রতীকে ভোট চান তারা।নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, ১০ বছর আগে ২০০৮ সালে লালদীঘি ময়দানে চট্টগ্রামবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। চট্টগ্রামের উন্নয়নে একের পর এক মেগা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে চট্টগ্রামের আরও উন্নয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী আবারও নিজে নেবেন। ভবিষ্যতে কিছু পরিকল্পনা রযেছে চট্টগ্রামকে ঘিরে।নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএর মাধ্যমে ৮ হাজার কোটি টাকার দুটি প্রকল্প নিয়েছে সরকার। সিটি করপোরেশনও খাল খননের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরে কয়েকটি ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। যানজটমুক্ত নগর গড়তে আউটার রিং রোড করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে বুলেট ট্রেন আসছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত ট্রেন যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রামের চেহারা পাল্টে যাবে। চট্টগ্রামের এত উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোনো সরকার করেনি।আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম শহরে সুপেয় পানির সংকট ছিল। ওয়াসার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ করে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মদুনাঘাটসহ ওয়াসার সব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নগরবাসী শতভাগ সুপেয় পানির সুবিধা পাবেন। চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয় করে কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম সহজ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা এর সুফল পাচ্ছেন।তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রামজুড়ে যতসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে তার সব কৃতিত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার। তাই বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প শেষ করার জন্য এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে আরও নতুন প্রকল্প নেওয়ার জন্য আবারও শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন।আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনীত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করার আহ্বান জানান আ জ ম নাছির উদ্দীন।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনীত চট্টগ্রাম-৯ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-৮ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মইনুদ্দীন খান বাদল, চট্টগ্রাম-৪ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম ও চট্টগ্রাম-৫ আসনে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আসেননি চট্টগ্রাম-১১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এমএ লতিফ।উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুনীল সরকার, জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ নেতাকর্মীরা।সভা শেষে পাঁচ প্রার্থীকে হাত তুলে পরিচয় করিয়ে দেন নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এবং সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।
পাঁচলাইশে মইনউদ্দীন খান বাদলের গণসংযোগ
চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনউদ্দীন খান বাদলের পক্ষে নৌকার সমর্থনে গত ২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার নগরীর পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ডের ওয়াজেদিয়ায় ব্যাপক গণসংযোগ করা হয়। গণসংযোগটি ওয়াজেদিয়াস্থ বাদশা কনভেনশন সেন্টার হতে শুরু হয়ে বিভিন্ন এলাকায় নৌকার পক্ষে প্রচারণায় চালায়। এতে স্থানীয় মুরব্বী, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। গণসংযোগপূর্বক সমাবেশে মইনউদ্দীন খান বাদল বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে নৌকায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার সুযোগ করে দিন। গণসংযোগে অংশ নেন জাসদ কেন্দ্রিয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইন্দু নন্দন দত্ত, চসিক পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কফিল উদ্দিন খান, জাসদ মহানগর সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সিরাজুল আলম, মহানগর যুবলীগ সদস্য আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর সর্দ্দার, ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক জগলুল হায়দার, এস.এম রিদুয়ান, মো. লোকমান, এস.এম নজরুল, সেলিম উদ্দিন জয়, পাঁচলাইশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি শওকত আলী সোহেল, আইয়ুব আলী রুবেল, মো. সেলিম, মো. মাহবুব আলম, মো. সালাউদ্দিন, ছাত্রনেতা মো. ইমরান, মো. আজিজ রুমেল, এস.এম দিদারুল আলম, মহিলা নেত্রী ফাতেমা বেগম বুলবুল, রাশেদুল ইসলাম আরমান, ফরহাদ হোসেন সয়ন, মো. জোবাইর প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি
নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা তরান্বিত করুন
আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মহাজোট প্রার্থী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধূরী নওফেলকে জয়ী করার লক্ষে এলাকার জনগণের সাথে গণসংযোগে নেতৃত্ব দেন ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ও কাউন্সিলর লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী। গণসংযোগে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা নটন পাল হাজী নাছির আহমেদ, সেকান্দর মিয়া, মঞ্জুর আলম, জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী, মঞ্জুর মোর্শেদ, সবির আহমেদ, আকরাম খান, মো. হানিফ, মহানগর যুবলীগ সদস্য খোরশেদ আলম রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা তাজ উদ্দিন রিজভী, সাইফুদ্দিন আহমেদ, কামরুল হক, মহানগর যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, নারী নেত্রী বৃষ্টি বৈদ্য, মনোয়ারা বক্স, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুল আজিজ, এনামুল হক, আবদুল মতিন, হুমায়ুন মোর্শেদ শাকিল, তারাপদ দাশ, শাহাদাত হোসেন, যুবলীগ নেতা, মো. মাসুম, জামাল উদ্দিন মাসুম, আবদুল গফুর সুমন, মো. ইদ্রিছ, মো. ফারুক, জ.ই. লিটন, সামিউল হাসান রূমন, আলাউদ্দিন বাপ্পী, আকতার মিয়া, শওকত হোসেন, রাশেদুল আলম, মহানগর ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অসিউর রহমান, সদস্য কায়সার হামিদ, যুবনেতা মোঃ নিয়াজ, মোঃ পারভেজ, মোঃ গোল নেওয়াজ, মোঃ মুরাদ, মোঃ জাবেদ, ছাত্রনেতা রহিত বড়ুয়া, অনিন্দ্য দেব, সৌরভ দাশ, মোঃ নাভেদ, রিগান দত্ত, ইজাজুল হক ইজাজ প্রমুখ। গণসংযোগে হাসান মুরাদ বিপ্লব বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরো বেগমান করার জন্য এই আসনের প্রার্থী ব্যারিষ্টার নওফেলকে নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখুন। বিজ্ঞপ্তি
মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসকে লাঙল প্রতীকে ভোট দিন
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেছেন, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি আগামী ৩০ তারিখে হাটহাজারীর প্রতিটি নির্বাচনী সেন্টারে মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে লাঙল প্রতিকের পক্ষে কাজ করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান। গতকাল বুধবার হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত বাস্টেশন মাঠে নির্বাচনী জনসমাবেশে একথা বলেন। হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন নোমান ও এসএম মোরশেদুল আলম চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী, দিদারুল আলম বাবুল, জেলা পরিষদ সদস্য জাফর আহমেদ, মো. শওকত আলম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশেদুল আলম। বক্তব্য দেন, হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি কাজী এনামুল হক, চেয়ারম্যান সরওয়ার মোরশেদ তালুকদার, মো. লেয়াকত আলী, যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ চৌধুরী, আকতার হোসেন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ইকবাল বাহার, সরওয়ার চৌধুরী, এসএম নোমান, মো. আজম উদ্দিন, আলমগীর চৌধুরী, চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকী, চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান বাচ্চু, চেয়ারম্যান আলমগীর জামান, মোছলে উদ্দিন, অধ্যাপক খুরশিদ আলম, গোলাম মোস্তাফা, আলী আবরাহা দুলাল, আলী আকবর চৌধুরী, নাজমুল হুদা মনি, শারমিন ইকবাল, মো. শাহ আলম, আকতার হোসেন, অ্যাড. জোবাইদা সরওয়ার নিপা, মিজানুর রহমান, ইকবাল বাপ্পি, তালুকদার পারভেজ, সাকেরিয়া চৌধুরী সাগর, ছাত্রলীগ সভাপতি আরিফুর রহমান রাসেল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সনাতনী জনগোষ্ঠী সবসময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ভোট দিয়েছেন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, এদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সনাতনী জনগণ ১৯৭১ সালে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন যা মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করেছে। এ পর্যন্ত যত নির্বাচন হয়েছে সব সময় তারা অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ভোট দিয়েছেন। তিনি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্যে সকলের প্রতি আবেদন জানান। তিনি বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে সনাতনী জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবো। সনাতনী নাগরিক সমন্বয় কমিটি চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের আহ্বায়ক ও রাউজানের পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিতের সভাপতিত্বে, সদস্য সচিব ও মহানগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট চন্দন তালুকদারের সঞ্চালনায় গতকাল ২৬ ডিসেম্বর বিকেলে জে.এম.সেন হলে অনুূষ্িঠত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন। অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইন্দুনন্দন দত্ত, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাখাল দাশগুপ্ত, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপন পরিষদ বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এড. তপন কান্তি দাশ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দে, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, ইস্‌কন প্রবর্তকের লীলারাজ গৌরদাস ব্রহ্মচারী, ইস্‌কন বিভাগীয় শ্রীমৎ অকিঞ্চন দাস ব্রহ্মচারী, ইস্‌কন নন্দনকানন মুকুন্দ ভক্তিদাস ব্রহ্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্র, মুক্তিযোদ্ধা পান্টুলাল সাহা, মহানগর জন্মাষ্টমী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রত্নাকর দাশ টুনু, মহানগর পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রীপ্রকাশ দাশ অসীত, বাগীশিক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা: অঞ্জন কুমার দাশ, অখণ্ডমণ্ডলীর উপাধ্যক্ষ আনন্দ মোহন রক্ষিত, চট্টগ্রাম জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন চৌধুরী, হিন্দু মহাজোটের সভাপতি অধ্যাপক ঋতেন দাশ, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে পংকজ বৈদ্য সুজন, শারদাঞ্জলি ফোরামের অজিত কুমার শীল, মহানগর সৎসঙ্গের দিলীপ কান্তি দাশগুপ্ত, সনাতনের ডা: সজীব তালুকদার, দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি বাবুন ঘোষ বাবুন, উত্তর জেলা পূজা পরিষদের সভাপতি নটু কুমার ঘোষ, দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেব, জাগো হিন্দু’ জেলার সভাপতি এড. শৈবাল সেন, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের এড. সৌরভ পাল, মাইনোরিটি ওয়ার্কসের টিটু শীল, লোকনাথ সেবক ফোরামের শিবু প্রসাদ দত্ত, মহানগর বাগীশিকের নিখিল রঞ্জন রায়, সনাতন মৈত্রীর এড. সুব্রত শীল রাজু সহ প্রায় চট্টগ্রামের ৩৫টি ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগরী সহ চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের প্রার্থীদেরকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান এবং প্রত্যেক আসনে জয়ের জন্য কাজ করবেন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তির।
চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনে ফজলে করিমের গণসংযোগ
সাংবাদিক, ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াবিদদের নিয়ে গতকাল সারাদিন গণসংযোগ করলেন চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনের মহাজোট প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী । তিনি উপজেলার রাউজান ইউনিয়নের মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্নস্থানে সাতটি পথসভা করেন। ক্রীড়াবিদদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ তায়কোয়ান্ডো দলের সদস্যরা। তাদের মধ্যে দেশের হয়ে স্বর্ণ জয়ী ক্রীড়াবিদরাও ছিলেন। দেশ বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠকরাও ছিলেন গণসংযোগে। একইসাথে সাংবাদিকরাও ভোট চেয়েছেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পক্ষে। এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী গত ১১ ডিসেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৩০টি পথসভা ও গ্রামীণ জনপদে গণসংযোগ করে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন। গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পথসভা ও গণসংযোগে এলাকার হাজার হাজার মানুষ যোগ দেন। এদিন তার প্রচারণায় যোগ দিয়ে নৌকার জন্য ভোট চান চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিকসহ কয়েকজন ক্রীড়া সংগঠক। এ সময় ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠক ও সাংবাদিকরা বলেন- বাংলাদেশের এমপিদের মধ্যে ফজলে করিম চৌধুরী একজন মডেল। তিনি এক সময়ের সন্ত্রাসের জনপদ খ্যাত রাউজানকে পরিণত করেছেন শান্তি ও সমৃদ্ধ উপজেলায়। শিক্ষা, রাস্তাঘাট, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষির উন্নয়নসহ সবদিক থেকে রাউজান আজ দেশের অন্য সব নির্বাচনী এলাকা থেকে আলাদা। আগামীতে আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে রাউজান হবে বাংলাদেশের সবচাইতে এগিয়ে যাওয়া একটি উপজেলা। যেখানে মানুষ সুখ আর শান্তিতে জীবনযাপন করবে। এসময় ফজলে করিম চৌধুরীর সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দিন মো. আলমগীর, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, সহ সভাপতি মনজুর কাদের মঞ্জু, ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম, দৈনিক পূর্বদেশের চীফ রিপোর্টার রতন কান্তি দেবাশীষ, দেশ টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ, সাংবাদিক আল রহমান, খোরশেদুল আলম শামীম, বাংলাদেশ তায়াকোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্যামল পালিত, এডভোকেট অপূর্ব ভট্টাচার্য, দীপক দত্ত, চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুর জব্বার সোহেল, সুমন দে, মোহাম্মদ রাশেদ প্রমুখ। এতে ফজলে করিম চৌধুরী বলেন- রাউজানের নারী পুরুষ যারা ভোটার তাদেরকে ৩০ ডিসেম্বর ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। চুড়ান্ত ফলাফল নিয়ে সবার আগে বিজয় উৎসব করার প্রস্তুতি থাকতে হবে। রাউজানে গত ১০ বছরে ২৭ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন- আওয়ামীলীগ সরকার আবার ক্ষমতা আসলে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে। রাউজানের কোনো মানুষ বেকার থাকবে না। সবার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এদিন সকাল নয়টায় ইউনিয়নের প্রথম পথসভায় হরিষখান পাড়ায় ফুলের নৌকা সাজিয়ে মহাজোট প্রার্থীকে অভ্যর্থনা জানান আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ হোসেন কোম্পানি ও যুবলীগ নেতা আজিজ উদ্দিন ইমু। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইমরান হোসেন ইমু। এরপর মহাজোট প্রার্থী রশিদাপাড়া এলাকায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন ইউপি সদস্য আবদুর নবী, এরপর তিনি যান কেউটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। এরপর যোগ দেন রাউজান বড়ুয়াপাড়া, মোহাম্মদপুর, রমজান আলী হাট সংলগ্ন মাঠ ও মঙ্গলখালীসহ আরো কয়েকটি পথসভায়। এতে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, শাহ আলম চৌধুরী, জমির উদ্দিন পারভেজ, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা, আলহাজ নুরুল আমিন, নাছির উদ্দিন, সারজু মোহাম্মদ নাছের, শওকত হোসেন, তছলিম উদ্দিন, ইসহাক ইসলাম, আহসান হাবিব চৌধুরী, তপন দে, হাসান মোহাম্মদ রাসেল, মোবারক আলী, জহির উদ্দিন, শাহাবুদ্দিন মেম্বার, কল্যাণ বড়ুয়া, মাস্টার সাধন বড়ুয়া, জিল্লুর রহমান মাসুদ, অনুপ চক্রবর্তী, মোহাম্মদ আসিফ, এনামুল হক, মোহাম্মদ রিপন, ওসমান গণি, আবদুল করিম, তছলিম উদ্দিন রিপন, ইকবাল হোসেন ইমন, মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
হাসিনার ডাকে জঙ্গিবাদ রুখতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি :বাদল
চট্টগ্রাম-৮ আসনের মহাজোট প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মইনউদ্দীন খান বাদল বলেছেন, আজও দেশে পেট্রোল বোমা হামলা হয়, সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা হয়েছে। জাতির জনকের ডাকে ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম পাকিস্তানী শাসন-শোষণের হাত থেকে দেশ রক্ষা করতে। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ রুখতে, সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে। গতকাল জান আলী হাটস্থ মুজিব চত্বরে আমরা মুজিব সৈনিকের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের আহ্বায়ক আসফাক হোসাইন খানের সভাপতিত্বে ও তরিকুল ইসলাম চৌধুরী তানিমের সঞ্চানায় এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সিডিএ সদস্য এম.আর.আজিম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ইয়াকুব উদ্দিন। এমপি বাদল বলেন, চান্দগাঁও-বোয়ালখালী এলাকায় শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। রাস্তা-ঘাট, স্কুল-মাদ্‌রাসায় নতুন ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন হয়েছে। আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যু্‌ক্ত করলে আগামীতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুন্দর সমৃদ্ধ চান্দগাঁও পাঁচলাইশ, বায়োজিদ, বোয়ালখালী উপহার দিব। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্বামীর জন্য ভোট চাইলেন রুখমিলা জামান
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সহধর্মিণী ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান রুখমিলা জামান চৌধুরী গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার চাতরী ইউনিয়নে আয়োজিত নির্বাচনী নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমি আপনাদের কাছে আমার স্বামী ও পরিবারের জন্য দোয়া চাইতে এসেছি। এলাকার ধারাবাহিক উন্নয়ন শান্তি প্রতিষ্ঠায় আওয়ামীলীগ সরকারের বিকল্প নেই। গত ৬ বছরে আমার স্বামী ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এলাকার উন্নয়নে অনেক অবদান রেখেছেন। তাই আপনাদের কাছে তাঁর জন্য ৩০ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকে ভোট চাই।চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন হিরুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক নারী সাংসদ চেমন আরা তৈয়ব, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ছোট বোন ফারহানা জামান, জাবেদের চাচাতো ভাই ওয়ারিসুজ্জামান চৌধুরী আরজুর স্ত্রী জাসিয়া সুলতানা, ইউপি সদস্য সাজিয়া সুলতানা, মিরা দত্ত প্রমূখ। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক চাতরী শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহা নেওয়াজ চৌধুরী, যুবলীগ নেতা মাহতাব হোসেন জুয়েল, মোহাম্মদ মোহসিনসহ ইউনিয়নের কয়েক শতাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর