ফারাজ করিম চৌধুরীর উদ্যোগে ৬৫ হাজার পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা
৮মে,সোমবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের চলমান করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের রাউজানসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার গরীব-অসহায় দুস্থ ৬৫ হাজার পরিবারকে দেয়া হয়েছে খাদ্য সহায়তা। এই প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন ঘরবন্দি অসহায় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। একই সাথে করোনা সংক্রমণ রোধে ডাক্তারসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীলদের দেয়া হয়েছে মাস্ক, পিপিই, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। রমজান মাসসহ করোনায় মাসব্যাপী নিয়মিত দেয়া হচ্ছে টেলিমেডিসিন ও সেহেরির খাবারও। এসব সেহেরির খাবার রাউজান ছাড়াও নগরীর করোনায় আক্রান্ত সেবা হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন রাতেই সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের এই মুহূর্তে ঘরে বসে না থেকেই অসহায় মানুষদের পাশে থেকে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক ফারাজ করিম চৌধুরী। রাউজান পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, তহবিল গঠন করে ৬৫ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা, ভ্যানগাড়ি করে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে মাছ ও শাকসবজি সরবরাহ করা, ১০০ জন ডাক্তার নিয়ে টেলিফোনে চিকিৎসা সেবা দেয়াসহ নানাবিধ প্রশংসনীয় উদ্যোগ। রমজানের শুরুতেই করোনার ফ্রন্টলাইনের যোদ্ধা চট্টগ্রামের ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ ২ হাজার মানুষের জন্য প্রতিদিন সেহেরীর খাবার সরবরাহ কার্যক্রমটি ছিল অনেকটা চ্যালেঞ্জিং। তারপরেও দেশের এই ক্রান্তিকালে এমন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। রাউজান উপজেলা আলীগের নির্বাহী সদস্য ও সংগঠক সুমন দে বলেন, এমন সাহসী ও মানবিক উদ্যোগ নেওয়া ফারাজ করিম চৌধুরীকে চট্টগ্রামের মানুষ বহুদিন মনে রাখবে। তরুণ রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরী নিউজ একাত্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সরকারিভাবে অসহায়, কর্মহীন দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। আমিও উদ্যোগ নিয়ে তহবিল গঠন করে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। চেষ্টা করেছি সঙ্কটময় সময়ে কোন না কোনভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনার শুরু থেকেই নিজের জীবন ও আত্মীয় স্বজনের মায়া কাটিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন ফারাজ করিম চৌধুরী। রাউজানবাসীর মধ্যে তিনি করোনা জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচারপত্র বিতরণ করাসহ হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা চালিয়েছেন। এ ছাড়াও নিজে উপস্থিত থেকে জীবাণুনাশক ও ব্লিচিং পাউডার মেশানো পানি দিয়ে রাউজানের প্রধান সড়ক এবং ওয়ার্ডগুলোর মূল সড়ক অলিগলি ধুয়ে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগও নেয়া হয়। করোনা সংকটে রাউজানে ঘুরে ঘুরে কর্মহীন, শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের সমস্যা ও দুর্দশা চিহ্নিত করছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজান এর হেল্প ডেস্ক টিমের মাধ্যমে। তালিকা ধরে পরে তাদের খাদ্য সমস্যা সমাধানের কাজ করে যাচ্ছেন রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর ছেলে ফারাজ করিম চৌধুরী।
সন্ধ্যা ৬টার পর চট্টগ্রাম নগরে আসা-যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা
১৮মে,সোমবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রবিবার সন্ধ্যা ৬টার পর চট্টগ্রাম নগরে ব্যক্তি ও যানবাহনের ঢোকা ও বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। তবে জরুরি সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রফতানি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন অনুমতি নিয়ে নগরে প্রবেশ কিংবা বের হতে পারবে। বরিবার বিকালে সিএমপি কমিশনার মাহাবুবর রহমান এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছেন। তা বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম নগরের সব প্রবেশপথ ও বিভিন্ন পয়েন্টে ইতোমধ্যে সিএমপির পক্ষ থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে বলে জানা গেছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (জনসংযোগ) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চট্টগ্রাম নগর এলাকায় জরুরি সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রফতানি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন ব্যতিরেকে সবার চলাচল ও প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নগরের সব প্রবেশপথ ও বিভিন্ন পয়েন্টে সিএমপির পক্ষ থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
কর্ণফুলী যুবলীগ ত্রাণ দিলো ৯০০ পরিবারকে
১১মে,সোমবার,রাজিব দাশ, চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব করোনা মোকাবেলায় দলের সকল নেতা কর্মীকে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াঁতে হবে। এখন কোন বিভেদ নই, সবাই মিলে করোনার দূর্যোগকে রুখতে হবে। আজ কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রাণ বিতরণে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রনি উপরোক্ত কথা বলেন। চরলক্ষ্যা এইচটি কমিনিউটি সেন্টারের থেকে উপজেলা ৪৫টি ওয়ার্ডে অসহায় ৯০০পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।। এ সময় উপস্হিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সোলায়মান তালুকদার। সাধারণ সম্পাদক সেলিম হক।সহ সভাপতি জিএম আনু মিয়া, মোঃশহীদুল্লাহ,মোহাম্মদ সেলিম সাবেক ছাত্র নেতা আইয়ুব আলী, আলমগীর কবির,যুগ্ম সম্পদক হাসান মুরাদ সাগর,হারুন উর রশীদ পাটোয়ারী,সাংগঠনিক সম্পাদক, শহীদুল্লাহ শহীদ,মোঃ ইকবাল, আলমগীর বাদশা, দপ্তর সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রিটন। ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহামদ ফারুক,মোহাম্মদ শহীদ,মোহামদ ইদ্রিস,এম এর রহিম, জাহাংগীর আলম জয়, মোহামদ মুছা,মনির আহমদ।ফখরুল ইসলাম খান জিকু, শাহরিয়ার মাসুদ,আনোয়ার হোসেন,সেকান্দর হোসেন বাদশা সোলায়মান, সেচ্ছাসেবক নেতা এম এ করিম,আবদুল্লা আল মামুন, যুবলীগের নেতা লোকমান হাকিম, আবদুল হালিম, ওমর ফারুক বিজয়জাবেদ উদ্দিন চৌধুরী, ইসমাইল, মুজিবুল হক সুমন,পেয়ার আহমদ পেয়ারু, চট্টগ্রাম দক্ষিনজেলা ছাত্র লীগ নেতা নুর মোহামদ নাঈ ম।দেলোয়ার হোসেন জনি,কর্ণফুলি উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক সাজ্জাদ সাজিদ, আবদুল্লা আল নোমান, মোহাম্দ শুভ, নুরুল হক, সালাউদ্দিন সাদ্দাম, মোহাম্মাদ ইউসুফ।মোহাম্মদ নাঈম।। ভূমিমন্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপির নির্দেশ ও পরমর্শা ক্রমে এ ত্রাণ কার্তক্রম পরিচালনা করা হয়।।।
চসিক মেমন হাসপাতালে অটো সেনিটাইজার স্থাপন করেছেন সিটি মেয়র
১১মে,সোমবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সদরঘাটস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেমন মাতৃসদন হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে অটো সেনিটাইজার। আজ সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই অটো সেনিটাইজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এসময় মেমন হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা.প্রীতি বড়ুয়া, ইনচার্জ ডা. আশিষ মুখার্জি, ডা. বাবলি মল্লিক, ডা. সৈয়দ দিদারুল আলম রুবেল, ডা. শাহীন পারভীন, ডা. রোকসানা পারভিন, ডা. রাহেলা হোসেন, ডা. রাশেদুল ইসলাম, ডা. পঙ্কজ দেবনাথ ও ডা. নাসরিন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় সিটি মেয়র বলেন, করোনা মোকাবেলায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতালকে আমরা প্রথম থেকেই প্রস্তুত রেখেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রাথমিক সেবাটুকু নিশ্চিত করা। তিনি হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান হয়ে রোগীসেবায় মনোনিবেশ করতে দিক নির্দেশনা দেন। একজন রোগীও যাতে সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সজাগ থাকার জন্য মেয়র নির্দেশনা দেন। পরে মেয়র হাসপাতালে কর্মরত চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের মাঝে ভোগ্যপন্য উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।
কোতোয়ালি থানার ব্যতিক্রমী ভ্রাম্যমাণ ইফতার পার্টি!
১১মে,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নগরীর কোতোয়ালি থানা। এখন সিএমপির অন্য থানাগুলোর রোল মডেল বলা যায়। বাঘে ছুঁলে আঠেরো ঘা, আর পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ ঘা! পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ভ্রান্ত ধারণাকে বদলে দিচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি থানার অনন্য পুলিশিং সেবা । ওসি মোহাম্মদ মহসীন যোগ দেয়ার পর থেকে এই থানাকে গড়ে তুলেছেন একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে। নিয়িমিত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন নগরবাসীকে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে পুলিশি সেবা। নানা মানবিক সেবা নিয়ে পৌঁছে গেছে মানুষের দোর গোঁড়ায় । নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ, হাসপাতালে রোগী পৌঁছে দেয়া, বাসায় বাজার পৌঁছে দেয়া, রাতে বাসায় তৈরি খাবার পৌঁছে দেয়া, অসহায় মানুষের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা, করোনা রোগীকে হোম কোয়ারান্টাইন পালনে উৎসাহ দিতে বাসায় ফল নিয়ে যাওয়া, নগরবাসীকে নিরাপদে ঘরে রাখতে, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ওসি মহসিনের নেতৃত্বে টিম কোতোয়ালী। সব কিছুতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ওসি মহসিন ও টিম কোতোয়ালী। মোট কথা পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ধারনাটাই বদলে দিয়েছে। আজ সিএমপির সকল থানা তথা বাংলাদেশের কম বেশি সকল থানা পুলিশ এক কাতারে এসে সামিল হয়েছে। সেবাই পুলিশের ধর্ম । পুলিশ জনগনের বন্ধু। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে পুলিশ তা করে দেখিয়েছে। মোট কথা জাতির ত্রাণ কর্তার ভুমিকা পালন করছে পুলিশ। জনগনের প্রকৃত বন্ধু আজ পুলিশ। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অনেক পুলিশ বাহিনীর বেশ কয়েকজন প্রাণ দিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজারের বেশী। তবুও করোনার ভয়কে জয় করে সিএমপি তথা পুরো পুলিশ বাহিনী মাঠে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে দেশে গত ২৬ মার্চ শুরু হয়েছে রোজা এ যেন অন্য রকম রমজান। প্রতিবছর দেখা এমন দিনে দুপুর থেকেই ফুটপাতে ইফতারের পসরা সাজিয়ে শুরু হয় বেচা কেনা। এবার সেই চিরচেনা ইফতারের কোন আয়োজন নেই। করোনার কারনে এ বছর সরকারি নির্দেশনা মেনে ইফতারির বাজার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসছে। কোন অবস্থায় নির্দিষ্ট দোকান ছাড়া ফুটপাতে ইফতারির বাজার বসতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ফুটপাতগুলোতে নেই ইফতারের দোকান। ইতিমধ্যে বেশ কিছু লোক মারা গেছে আর সংক্রমনের সংখ্যা বেড়েই চলছে ক্রমাগত। এমন পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশবাসীকে ঘরে থাকার যে নির্দেশ সরকার দিয়েছে, এটাকে সফল করতে রমজানে ফুটপাতে বা দোকানে ইফতার সামগ্রী বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে কোথাও ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায়, ফুটপাতে বা দোকানে বসতে দেখা যায়নি কাউকে। ফলে অনেকটাই বেকাদায় পড়েছে কম আয়ের ছিন্নমুল অসহায় মানুষ গুলো যারা ফুটপাত থেকে ইফতার কিনে রোজা সাড়ে। কিন্তু ফুটপাতে দোকান না বসাতে ও কর্মহীন হয়ে পড়ার কারনে অসহায় মানুষ গুলোর রোজা রাখা ও ইফতার করাটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল । আর এই অসহায় মানুষ গুলোর কথা চিন্তা করে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন হাতে নিয়েছেন আরেকটি মানবিক কাজ। চালু করলেন ব্যতিক্রমি ভ্রাম্যমাণ ইফতার পার্টি। প্রতিদিন ইফতার নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই অসহায় মানুষ গুলোর পাশে। যা মানবিকতার এক অনন্য নজির। ছবিটি দেখে মনে হবে এটা কোন হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্ট এর চিত্র। বিপণনের জন্য খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে। না এটি কোতোয়ালী থানার রান্নাঘর! সিএমপির কোতোয়ালি থানায় প্রতিদিনই এভাবে তৈরি হচ্ছে ১০০ জনের জন্য ইফতার। আর সে ইফতার নিয়ে টিম কোতোয়ালী হাজির হচ্ছে অসহায়দের মাঝে। টিম কোতোয়ালীর নিজস্ব অর্থায়নে নিজেরাই প্রস্তুত করে ইফতার নগরীর রাস্তায় রাস্তায়, অলিতে গলিতে অসহায়দের মাঝে বিতরণ করছে। আর এই আয়োজনের নাম দিয়েছে 'ভ্রাম্যমাণ ইফতার পার্টি ।এটাকে ব্যতিক্রমী ইফতার পার্টি বলা চলে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, প্রতিবছরই আমরা কোতোয়ালী থানার উদ্ধেগে ইফতার পার্টি করে থাকি। এবারও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে তবে আয়োজনে এসেছে ভিন্নতা। অতিথি তালিকায় নেই কোন ভিএইপি, নেই কোন ব্যবসায়ী নেতা বা পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কেউ। এবার আমরা ইফতার পার্টি করছি পথে পথে, অলিতে গলিতে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে! নাম দিয়েছি ভ্রাম্যমান ইফতার পার্টি । পথই যাদের ঠিকানা মুলত তাদের জন্যই নিজেরা তৈরি করে ইফতার নিয়ে হাজির হচ্ছি অসহায় মানুষগুলোর পাশে।আমরাও তাদের সাথে ইফতার করছি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ ইফতারের গাড়ি নিয়ে রোজাদার অতিথিদের খুঁজে নিবে টিম কোতোয়ালি। পৌঁছে দিবে তাদের হাতে ইফতার সামগ্রী। পুরো রমজান মাস জুড়ে ধারাবাহিকভাবে চলবে এই আয়োজন। রোজার প্রথম দিন থেকে এই সব অতিথির মাঝে ইফতার বিতরন করা হচ্ছে। পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মানুষের জন্য কিছু করা এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাটাই আমাদের বড় পাওনা।
অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ দিলেন বিসিবি পরিচালক নাছির
১১মে,সোমবার,রাজিব দাশ, চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে অসহায়-দুস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বিসিবি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও বিসিবি পরিচালক আ জ ম নাছির ও আকরাম খান। সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বিসিবি কর্তারা। এবার চট্টগ্রামেও বোর্ডের ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হয় দুস্থ ক্রিকেটার, ক্লাব কর্তাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে। করোনার সময় ক্রিকেটাররা যাতে আর্থিক কষ্টে না থাকেন; সেজন্য শুরুতেই প্রণোদনা দেয় বিসিবি। শোনা যাচ্ছে, ঈদের আগে আরেক দফা আর্থিক প্রণোদনার ঘোষণা দেবে বোর্ড।
করোনায় চট্টগ্রামে মৃত বেড়ে ১৭,আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৯ জনে
১০মে,রবিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনায় মৃত বেড়ে দাড়িয়েছে ১৭ জনে। নতুন শনাক্ত হয়েছে আরো ১২ জন। এরমধ্যে ৬ জন পুলিশ সদস্য। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত দাড়িয়েছে ২১৯ জনে। রবিবার সকালে এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি জানান, শনিবার রাতে বিআইটিআইডিতে ২১৩ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তম্মধ্যে ফলাফল পজিটিভ আসে ১৫ জনের। এরমধ্যে ১২ জন চট্টগ্রামের, তিনজন নোয়াখালী জেলার। চট্টগ্রামে আক্রান্তদের মধ্যে ১১ জন নগরীর, বাকি একজন সীতাকুন্ড উপজেলার কালুশাহ নগর এলাকার বাসিন্দা। ১১ জনের মধ্যে দামপাড়া পুলিশ লাইনের ঠিকানায় ৮ জন রয়েছেন। এরমধ্যে ৬ জন পুলিশ সদস্য। নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (জনসংযোগ) আবু বকর সিদ্দিক জানান, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে খুলশী থানার একজন এএসআই রয়েছেন। এছাড়া দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের চারজন কনস্টেবলও আছেন। আক্রান্তের তালিকায় একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট ও তার স্ত্রী এবং ভাইও রয়েছেন। এদিকে নতুন আক্রান্তের তালিকায় নেভী হাসপাতাল গেইট এলাকার একজন, ঈদগাঁহ বড় পুকুর এলাকার একজন ও নয়াবাজার হালিশহর এলাকার একজন রয়েছেন। এছাড়া নয়াবাজার হালিশহর এলাকার ব্যক্তি বিআইটিআইডির আইসোলেশন ওয়ার্ডে শুক্রবার রাতে মারা গেছে একজন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত বেড়ে দাড়িয়েছে ১৭ জনে। আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৯ জনে।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হলদিয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ইফতারসামগ্রী বিতরণ
১০মে,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনা রাউজান হলদিয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ০৯ মে শনিবার বিকালে হলদিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০০ মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ইফতারসামগ্রীর মধ্যে ছিলো চনা, আলু, লবন, পিয়াজ, সয়াবিন, বিভিন্ন রকম সেমাই, চিড়া ও চিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট রাউজান উপজেলা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামশুল আলম নঈমী, ইসলামী ফ্রন্ট হলদিয়া ইউনিয়ন সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ লুৎফর রহমান রুসু, যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ ইলিয়াস রেজা, যুবনেতা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, যুবনেতা মুহাম্মদ পারভেজ, ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মোশারফ, মুহাম্মদ হাসানুল করিম, মুহাম্মদ সাইফূল, মুহাম্মদ আকবর, মুহাম্মদ গিয়াস, মুহাম্মদ ফারহান, মুহাম্মদ আমজাদ প্রমুখ। বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার কারণে অনেক সচ্ছল পরিবারও কষ্টে দিনাতিপাত করছে। একসময়ের সচ্ছল পরিবারগুলো বিপদের এ মুহুর্তে আত্মসম্মানবোধের কথা চিন্তা করে সাহায্যও চাইতে পারছেন না। তাই আমরা তাদের কথা চিন্তা করে আমাদের সহায়তা কার্যক্রম ডোর টু ডোর করছি। অপরিকল্পিত উপায়ে সহায়তা কার্যক্রমের কারণে কোন পরিবার বারবার পাচ্ছে আবার কিছু একেবারেই পাচ্ছে না বলে উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বিত্তবানদের সহায়তা কার্যক্রমগুলো পরিকল্পিতভাবে পালন করার আহবান জানান।
২৫নং রামপুরা ওয়ার্ডে দরিদ্রদের মাঝে বিএনপির ত্রাণ বিতরণ
১০মে,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জোনিং এর মাধ্যমে করোনা নিয়ন্ত্রণ করুন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত সহ বিভিন্ন দেশে যেখানে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে রেড জোন কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে গ্রীণ জোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন সম্পূর্ণ কড়াকড়ি কিংবা শিতিলযোগ্য হিসেবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সেখানে আমরা এখনও জোন ভাগ না করে সর্বক্ষেত্রে লকডাউন শীতল করে পুরো দেশের জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছি। জোনিং ভাগ করলে হয়তো সমস্ত দেশের মানুষকে ত্রাণের আওতায় না এনে, ঝুকিঁপূর্ণ রেড জোনের সর্বসাধারণকে ত্রাণের আওতায় এনে কম বাজেটের মধ্যে সুফল পাওয়া যেত। সর্বসাধারণকে আধার কার্ডের মাধ্যমে ১০০০ টাকা প্রণোদনা দেয়া যেতে পারত। তিনি ৯ মে, শনিবার দুপুরে নিজ বাস ভবনস্থ বাদশা মিয়া রোডে ২৫নং রামপুরা ওয়ার্ড ও ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডের অসহায় দরিদ্রদের জন্য ৫শতাদিক পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে এবং বিভিন্ন পেশার অসহায় দুঃস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কালে একথা বলেন। ডা. শাহাদাত আরো বলেন, দিন দিন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। তাই এই মুহূর্তে সবাইকে ঘর থেকে বাহির না হয়ে নিজেকে নিরাপদ রাখতে হবে। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সহ-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক কাউন্সিলর প্রার্থী হাসান লিটন, হালিশহর থানা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ডেপ্টি, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, নগর বিএনপির সদস্য হাজী মহসিন, ২৫নং রামপুরা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, বিএনপি নেতা আব্দুল গফুর বাবুল, মোহাম্মদ শফিক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন এর পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ম্যাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও করোনা সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর