শিপ ব্রেকিং শিল্প ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সীতাকুণ্ডের
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের শিপ ব্রেকিং শিল্পের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি হয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসে সীতাকুণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে ওঠা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডগুলোতে ২৭টি জাহাজ বিচিং করা হয়েছে। আমদানিকৃত আরো ছয়টি জাহাজ আগামী দিনকয়েকের মধ্যে বিচিং নেয়ার কথা রয়েছে। দেশে এর আগে কোনদিন এক মাসে ২৭টি জাহাজ বিচিং নেয়া বা একই মাসে ৩৩টি জাহাজ আমদানি করার কোন রেকর্ড নেই। দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটে থাকার পর সীতাকুণ্ডের শিপ ব্রেকিং শিল্প ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। দেশের শিপ ব্রেকিং ব্যবসায়ীদের অনেকেই অপেক্ষাকৃত চড়াদামেও জাহাজ আনতে শুরু করেছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজের দর কম থাকলেও দেশে রডের চাহিদা বাড়তি থাকায় নির্বাচনের পর চড়া দামে জাহাজ কেনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলেছেন, সীতাকুণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে উঠা শিপ ব্রেকিং শিল্পের সমস্যার কোন অন্ত নেই। বিগত বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পের বিকাশ যেমন হয়েছে তেমনি শত শত কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অনেকেই দেউলিয়া হয়ে গেছেন। শিপ ব্রেকিং শিল্পের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী দেশ থেকে পালিয়ে যেতেও বাধ্য হয়েছেন। আরো কিছু ব্যবসায়ীর অবস্থাও নাজুক। বিভিন্ন ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ওঠা এই সেক্টরের প্রায় ১৩০টি ইয়ার্ড থাকলেও বর্তমানে জাহাজ ভাঙ্গা চলে ৫০/৫৫টি ইয়ার্ডে। সীতাকুণ্ডের সলিমপুর থেকে বাঁশবাড়িয়া পর্যন্ত বিশ কিলোমিটারেরও বেশি বিস্তৃত সাগর উপকুলে গড়ে উঠা এই শিল্পের সম্ভাবনা আবারো উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কি হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি ছিল সকলের। নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হলে বিগত সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বন্ধ হয়ে যাবে, কমে যাবে রডের চাহিদা এমন আশংকা থেকে জাহাজ কেনা বন্ধ করে রেখেছিলেন শিপ ব্রেকিং ব্যবসায়ীরা। নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি অনেকটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিভিন্ন ইয়ার্ডে লোহার মজুদ কমে নেমে এসেছিল। সীতাকুণ্ডের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডগুলোতে যেখানে সচরাচর ১২/১৩ লাখ টন লোহার মজুদ থাকে সেখানে গত পহেলা জানুয়ারি লোহার মজুদ ছিল ৭ লাখ ৭ হাজার ১শ টন। কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন না হওয়া এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় এ ব্যবসা আবারো চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। তাদের হিসেব মতে সরকার বহাল থাকায় দেশের কোন উন্নয়ন প্রকল্পই বন্ধ হবে না। সব প্রকল্পই চলবে। রডের চাহিদা বাড়বে। এই অবস্থায় দেশের শিপ ব্রেকিং ব্যবসায়ীরা অনেকটা উৎসাহী হয়ে স্ক্র্যাপ জাহাজ কেনা শুরু করেন। আন্তর্জাতিক বাজারে পাকিস্তান এবং ভারতের ব্যবসায়ীদের চেয়ে প্রতি টনে ত্রিশ/ চল্লিশ ডলার পর্যন্ত বাড়তি দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা স্ক্র্যাপ জাহাজগুলো কিনে নেন। একমাসের মধ্যে ৩৩টি স্ক্র্যাপ জাহাজ আসে দেশে। এরমধ্যে ২৭টি বিচিং হয়েছে শুধুমাত্র জানুয়ারী মাসেই। ২৭টি জাহাজে ২ লাখ ৫৩ হাজার টন লোহা রয়েছে। এতে করে বর্তমানে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডগুলোতে প্রায় ৯ লাখ টন লোহার মজুদ গড়ে উঠেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে প্রায় তিন লাখ টন লোহা কম থাকায় বাজারে বিপুল পরিমাণ লোহা বিক্রি হচ্ছে। একই মাসে ৩৩টি জাহাজ কিনে ফেলায় নতুন করে বাংলাদেশমুখী এখন আর জাহাজ আসার সম্ভাবনা নেই। অপরদিকে ভারতের ব্যবসায়ীরাও জাহাজ কেনার ব্যাপারে গো স্লোতে রয়েছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের বাজেট ঘোষণা হচ্ছে। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাও আন্তর্জাতিক বাজারে না থাকায় জাহাজের দাম কমতে শুরু করেছে বলেও সূত্র জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্ক্র্যাপ জাহাজের দাম কমলেও দেশে তার কোন প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তারা বলেছেন, দেশে লোহার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। রডের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় লোহার বাজার দর কমার কোন আশংকা নেই। গত কয়েকদিনে সেমি অটো রডের দাম টন প্রতি দুই হাজার টাকার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করে সূত্র বলেছে, ৫১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে দর বেড়ে ৫৩ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছর দেশে ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ১৯৮ টন ওজনের স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করা হয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ২৫টি জাহাজ আমদানি করেছে কে আর গ্রুপ। ২৫টি স্ক্র্যাপ জাহাজে এই কোম্পানি সর্বমোট ২ লাখ ২২ হাজার ৫৫০ টন ওজনের স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করে। শীর্ষ দশ আমদানিকারকের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর এস.এন কর্পোরেশন। তারা আমদানি করেছে ১৬টি। তৃতীয় স্থানে আরেফিন এন্টারপ্রাইজ। তাদের আমদানি ১২টি। এরপরে ক্রমান্বয়ে রয়েছে গোল্ডেন ইস্পাত ৯টি, আছাদী ৭টি, প্রিমিয়াম ট্রেড ৭টি, জিরি ৭টি, কেএসবি ৫টি, জিরি ৬টি, তাহের এন্ড কোম্পানি ১০টি এবং পিএইচপি ৩টি স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করেছে। চলতি বছর জাহাজ আমদানির পরিমাণ আরো বাড়বে বলেও মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে গতকাল একাধিক শিপ ব্রেকিং ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, অনেক সংকট ছিল। অনেক সংকট রয়েছে। তবুও মোটামুটি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে শিপ ব্রেকিং শিল্প। এই ধারা অব্যাহত থাকলে শিপ ব্রেকিং সেক্টরে বিরাজমান বিভিন্ন সংকটেরও অবসান হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গত বছরের শীর্ষ আমদানিকারক কে.আর গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেকান্দর হোসেন টিংকু বলেন, আসলে আমাদের দেশে লোহার চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রচুর লোহা লাগছে। আরো বহু লোহা লাগবে। লোহা ছাড়া আধুনিক বিশ্ব কল্পনাও করা যায় না। আমি ব্যবসার জন্য জাহাজ এনেছি। কেটেছি। বিক্রি করেছি। প্রথম হওয়ার জন্য জাহাজ কিনে আনিনি। ভবিষ্যতেও আমি স্বাভাবিক ধারায় ব্যবসা করবো। কারো সাথে কোনরূপ প্রতিযোগিতা করতে নয়, দেশের লোহার চাহিদা মেটাতে স্ক্র্যাপ জাহাজ আনতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন যে অবস্থা তখন সেভাবে জাহাজ কিনতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা চট্টগ্রামেও
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, দ্রুত ও উন্নত গণপরিবহন সেবার লক্ষ্যে চট্টগ্রামে মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সিডিএ। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চায়না রেলওয়ে কোম্পানির সাথে চুক্তি হবে এ সপ্তাহে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি চালু হলে যানজট নিরসনের পাশাপাশি দ্রুত সময়ে এক সাথে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করতে পারবে। মেট্রোরেল। উন্নত বিশ্বে নগরবাসীর দ্রুত যাতায়াতের জনপ্রিয় মাধ্যম। তাই চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সিডিএ। সিডিএ বলছে, আগামীতে বন্দরের কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি ও ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পিড রেল চালু হবে। এ নেটওয়ার্কে যুক্ত এবং সময়ের গতিতে চলতে হলে নগরবাসীর প্রয়োজন মেট্রোরেল। প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা, পরে তা সম্প্রসারণ করা হবে অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাই ও সীতাকুন্ড পর্যন্ত। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, 'আমরা আপাতত সিটি করপোরেশনের এলাকাকেই পরিকল্পনায় রেখেছি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কোন শহরের জনসংখ্যা ২০ লাখের বেশি হলে প্রয়োজন মেট্রেরেলের। সিডিএ এর নেয়া এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নগরবাসী। তারা বলেন, 'মেট্রোরেল হলে যানজটও কমবে, যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো হবে। বন্দর নগরী চট্টগ্রামে এখন ঘণ্টায় যানবাহনের গতি ১২-১৫ কিলোমিটার। গতি বাড়াতে হলে এখন থেকে নিতে হবে মেট্রোরেলের পরিকল্পনা। নইলে অচল হয়ে যাবে বন্দরনগরী এমন মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, আমরা যেই শহরকে বাণিজ্যিক শহর বলছি সেখানে যান চলাচলের এমন সমস্যা কাম্য নয়। সুতরাং এই শহরে মেট্রোরেল হলে মানুষের যাতায়াত সহজ, যানজটহীন ও আরামদায়ক হবে। নগর পরিকল্পনাবিদ প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার আলী আশরাফ বলেন, গণপরিবহনের সমস্যা কাটাতে হলে আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে। সেক্ষেত্রে মেট্রোরেল একটা কার্যকর ব্যবস্থা হতে পারে। চট্টগ্রাম নগরীতে প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বসবাস। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন দুই লাখের বেশি মানুষ প্রবেশ করে নগরীতে। এদিকে, রাজধানীতে মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
জনবান্ধব পাহাড়তলী থানার অফিসার ইনচার্জ সদীপ কুমার দাশ
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: সেবার ব্রত নিয়ে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে যোগ দিয়েছেন পুলিশ বাহিনীতে।পুলিশ বাহিনীতে যোগদানের পর সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ইতিহাসও তৈরি করেছেন। মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পারসোনালিটি চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি)সদীপ কুমার দাশ। পেশাদার এ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি জীবনে যেতে চান বহুদূর। এ জন্য মানুষের ভালোবাসা এবং কর্মকান্ডের মাঝে নিজেকে সারাক্ষণ বাঁচিয়ে রাখতে চান।পাহাড়তলী থানার ফেইজবুক থেকে সংগৃহিত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি আদর্শবান, শতভাগ পেশাদার ও ন্যায়পরায়ণ। সদীপ কুমার দাশ গুরুত্বপূর্ণ অনেক থানায় কর্মরত ছিলেন। কর্মস্থলে সদীপ কুমার দাশ কর্মজীবনের শুরু থেকেই একজন চৌকস কর্মকর্তা। তার কর্মদক্ষতার ছোঁয়া সমৃদ্ধ করেছে পুলিশ বাহিনীকেও। দেশে উগ্রপন্থী তথা জঙ্গিবাদের উত্থানের সময় থেকে এখন পর্যন্ত এ অনন্য অবদান রেখে চলেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে শান্তিপ্রিয় ও বন্ধুসুলভ এ মানুষটি সবসময় ভেবে থাকেন মানুষের কথা। পুলিশ জনগণের বন্ধু পুলিশ কর্মকর্তা সদীপ কুমার দাশ কর্মজীবনে এটিই প্রতীয়মান হয়েছে। একজন দক্ষ ও আদর্শবান পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সদাসর্বদা নিরহংকার মানুষ। কোনো কিছু থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যকে শিক্ষা দেয়ার তার রয়েছে অন্যরকম আগ্রহ। মা, মাটি ও মানুষের টানে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করা আদর্শ ও মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। এ সময় সদীপ কুমার দাশ তার কর্মজীবন, ছাত্রজীবন, বেড়ে ওঠার গল্প শুনিয়েছেন। বলেছেন, পারিবারিকভাবে তিনি খুবই সুখী। মানুষের জন্য কিছু করতে চান। কর্মচাঞ্চল্যতা যে একজন মানুষকে জীবনের জয়জয়কার এনে দিতে পারে এটা তিনি তার এবং গুরুজনদের কর্মকান্ডে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, আমি দক্ষ কি-না তা নিজে বলতে পারব না, আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, সহকর্মী কিংবা যাদের সঙ্গে কাজ করি তারা ভালো বলতে পারবেন। আমি শুধু পেশাদারিত্বের সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করছি। ভাবছি আমার দ্বারা যেন কোনো মানুষের ক্ষতি না হয়। এ পুলিশ কর্মকর্তার মতে, পেশাদারিত্ব, কাজের প্রতি আন্তরিকতা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নিঃস্বার্থভাবে দায়িত্ব পালন করলে যে কোনো পুলিশ অফিসারই প্রশংসা পাবেন। তবে শুধু প্রশংসা পাওয়ার জন্য কিছু করা উচিত নয়। প্রশংসা কিংবা তিরস্কার এ দুটিই কাজের মূল্যায়ন। তিক্তকার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, সবচেয়ে বড় তিক্ততা যখন ভালো কোনো উদ্যোগ কিংবা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে গিয়ে চাপের মুখে করতে না পারি। আর তা শুধু তিক্ততাই নয়, বড় কষ্টেরও বটে। তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণ করা পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো কাজ। কোনো অসহায় মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে পারা আমার জন্য সবচেয়ে বেশি আনন্দের এবং ভালো লাগার। আমি সবার অভিযোগ শুনি সমাধানের চেষ্টা করি। বর্তমান সময়ে জঙ্গি প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে। প্রত্যেকের একটি কথা মনে রাখতে হবে- বর্তমান সরকার প্রধানের সুযোগ্য নেততৃ আমাদের দেশের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে । লাখ লাখ মানুষের বেকারত্ব দূর করেছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে । তাই যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে পুলিশ সদা সজাগ রয়েছে। পুলিশের চাকরি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এমনকি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সবকিছু করতে হয় জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সব মানুষই কিছু না কিছু আদর্শ মেনে চলে আর তাই-ই করা উচিত। পুলিশ সদস্য হিসেবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য এবং পেশার প্রতি সম্মানবোধ আমাকে দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করে। আদর্শবান মানুষ যারা প্রবল বাধার মুখেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয় না তারা সবাই আমার আদর্শের প্রতীক। পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালনে সততার বিষয়টি বহুমাত্রিক। অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত কোনো বিচ্যুতি, যা কোনো সাধারণ নাগরিককে পুলিশি সেবা থেকে বঞ্চিত করে এর প্রতিটি পর্বই সততার অংশ বলে মনে করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা। এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, কোনো মানুষেরই অহংকার থাকা উচিত নয়। লোভ মানুষের সহজাত প্রবৃত্তির একটি- তবে অতিমাত্রার লোভ মানুষের পতন ঘটায়। যারা নীতি আদর্শ মেনে সরল জীবন-যাপন করেন তারা প্রত্যেকেই আমার অনুসরণীয়। সদীপ কুমার দাশ বলেন, শুধু আমি নই, সব মানুষের জন্যই পরিবার হল সবচেয়ে বড় বন্ধনস্থল। চাকরি, সম্মান, সামনে এগিয়ে চলা, বেঁচে থাকা এর সব কিছুর পেছনে প্রেরণা জোগায় পরিবার। মানব সভ্যতার মূলমন্ত্র হল ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দর করে গড়ে তোলা এবং পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলায় অবদান রাখা। সভ্যতার সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পারিবারিক বন্ধন মানুষকে সুখ ও ভালোবাসা দিয়েছে, প্রেরণা ও সাহস জুগিয়েছে, আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিয়েছে আর সভ্যতা এগিয়ে চলেছে অমোঘ নিয়মে, আমিও এ চক্রের বাইরের কেউ নই। সেবার ব্রত নিয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলে জনগণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হবে । মিথ্যা মামলা এবং অপরাধ দমনে পুলিশ ও জনতাকে একযোগে কাজ করতে হবে। তা হলেই সুফলতা আসবে। তিনি ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান। পুলিশ বিভাগে একজন অনুকরনীয় অনুসরনীয় দৃষ্টান্ত। তিনি যেমন পেশী-শক্তি, অপরাধীদের যম ঠিক তেমনি সাধারণ শান্তি প্রিয় মানুষের বন্ধু । মাদকের ভয়াল থাবা ও আগ্রাসন সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, যে দ্রব্য সেবনে বা গ্রহণে মানুষ কিছু সময়ের জন্য বিশেষ প্রতিক্রিয়া অনুভব করে, দৈহিক ও মানসিকভাবে নেশায় আচ্ছন্ন হয় তাকে মাদকদ্রব্য বলে। আর দৈহিক ও মানসিক উত্তেজক আনন্দানুভূতির এ অস্বাভাবিক অবস্থাই মাদকাশক্তি। এদেশে গাজা, মদ, ফেনসিডিল, হেরোইন,ইনজেকশন, ইয়াবাসহ আরও অনেক জনপ্রিয় মাদক ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সহজ আনন্দ লাভের বাসনা, মাদকের কুফল সম্পর্কে অজ্ঞতা, প্রতিকূল পারিবারিক পরিবেশ, বন্ধু- বান্ধব ও সঙ্গী সাথীদের প্রভাব, পারিবারিক পরিমন্ডলে মাদকের প্রভাব, কৈশোর ও যৌবনের বেপরোয়া মনোভাব , বেকারত্ব, হতাশা ও আর্থিক অনটন, মনস্তাত্বিক বিশৃংখলা ও মাদকের সহজলভ্যতাই মাদকাসক্তির অন্যতম প্রধান কারণ। মাদকের অপব্যবহারে ব্যক্তি তো বটেই, পুরো পরিবার, সমাজ এমনকি রাষ্ট্রকেও নানাভাবে ক্ষতির সম্মুখীন করে। পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সদীপ কুমার দাশ বলেন,সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ভবিষ্যতে এই কর্মবীর অপরাধ দমন ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন এই কামনা পাহাড়তলী থানার এলেকাবাসি ।সর্বজনস্বীকৃত সৎ, মেধাবী, দেশপ্রেমী, সাহসী, নির্ভীক সদালাপী চৌকস সদীপ কুমার দাশ মত প্রত্যেকেই বিবেক দিয়ে কাজ করলে জাতি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে বাধ্য ।
চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবসে একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: আদালত ভবনের পাদদেশে গত ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবসে বিশিষ্ট চিত্রসাংবাদিক দেবপ্রসাদ দাস দেবুর একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারির ৫০টি ছবি স্থান পেয়েছে। চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগরীর ইউনিটের কমান্ডার মোজাফফর আহমদ। এসময় মেয়র ফিতা কেটে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে বলেন- একটি বিরল ছবির দলিল হিসেবে প্রদর্শনীটি অর্থবহ হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বিপুল সংখ্যক দর্শক প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সঙ্গীত পরিষদের ৮০তম বর্ষপূতি উদযাপন
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: দানবের সমাজ নয়, মানবের দেশ গড়তে হলে মনের আশার আলো জ্বালাতে হবে। যে তরুণ নিজ দেশের সংস্কৃতি চর্চা থেকে বিরত সে কখনো দেশপ্রেমিক ও প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। শিল্পীরা শুধু সংস্কৃতিরই চর্চা করেননা, তাঁরা সময়ের প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে বড় অবদান রাখে যার প্রমাণ আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সূচনা হয়েছে এই চট্টগ্রাম থেকে। এর পেছনে অবদান রয়েছে শিল্পী ও কলা কুশলীদের। চট্টগ্রাম আমাদের গৌরবের জায়গা। এখানে যেমন স্বাধীনতা সংগ্রামী মাস্টারদা সূর্য সেন, প্রীতিলতা, কল্পনা, মনিরুজ্জামান ইসলামবাদী, কাজেম আলী মাস্টার প্রমুখ জন্ম নিয়েছেন, তেমনি জন্ম নিয়েছেন সঙ্গীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র সঙ্গীত আচার্য্য সুরেন্দ্র লাল দাশ, উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া, অধ্যক্ষ সৌরিন্দ্র লাল দাশগুপ্ত (চুুলুবাবু) সহ বহু বরেণ্য শিল্পীবৃন্দ। এই সকল মহামানবের কারণে চট্টগ্রাম আজ সকল ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য। আমাদের চট্টগ্রামকে নিয়ে গর্ব করার মতো একটি তীর্থভূমি। গতকাল শুক্রবার এনায়েত বাজার মহিলা কলেজস্থ প্রাঙ্গনে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সঙ্গীত পরিষদের ৮০ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান এসব কথা বলেন। পরিষদের সভাপতি মেজর জেনারেল (অবঃ) আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর তহুরীন সবুর ডালিয়া, অধ্যাপক তৈয়ব চৌধুরী ও প্রণব দাশগুপ্ত (বাসু)। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী তুষার কান্তি বড়ুয়া, নজরুল সঙ্গীত শিল্পী অধ্যাপক কাজী আয়েশা আমান ও লোকসঙ্গীত শিল্পী কল্পনা লালাকে সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন, পরিষদের সম্পাদক তাপস হোড়। প্রফেসর মান্নান আরো বলেন, মানবিক মুক্তমনা ও সহনশীল সমাজ গড়তে হলে সংস্কৃতিচর্চা অপরিহার্য। তাই আসুন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি। অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালে পরিষদের বার্ষিক পরীক্ষায় ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এছাড়াও ৬ষ্ঠ বর্ষে উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সৌরিন্দ্র লাল দাশগুপ্ত (চুলুবাবু) স্মৃতি বৃত্তির অর্থ ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক প্রণব মিত্র চৌধুরী, অ্যাডভোকেট অমিত কুমার দে, কোষাধ্যক্ষ রোটারিয়ান মীর নাজমুল আহসান রবিন, সাইফুর রহমান চৌধুরী ও রোটারী ক্লাব চিটাগাং সেন্ট্রালের সভাপতি রোটারিয়ান এস এ সাহেদ, অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী ও অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরী প্রমুখ। সকালে আলোচনা সভা শেষে আমার প্রিয় বাংলাদেশ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি তবলা লহড়া পরিবেশন করে পরিষদের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। নৃত্য নাট্য ‘অভিসার’ দর্শকদের প্রচুর প্রশংসা অর্জন করেছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন পরিষদ পরিচালনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক দেবাশীষ রুদ্র। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন অধ্যক্ষ সুজিত কুমার সেন, পণ্ডিত স্বর্ণময় চক্রবর্ত্তী, জসীম মোস্তফা, মিতালী রায়, পিন্টু ঘোষ, জয় প্রকাশ ভট্টাচার্য্য, স্বপন বড়ুয়া, মনীষা রায়, শম্পা ভট্টাচার্য্য, ভবানী বসাক, বনানী চক্রবর্ত্তী, অলক কুমার ভট্টাচার্য্য, ত্রিদিব কুমার বৈদ্য, অঞ্জন দাশ, সঞ্জয় বণিক, প্রমীত বড়ুয়া, মোহাম্মদ কামাল, বহ্নি শিখা মজুমদার, রিপন রায় চৌধুরী, প্রান্ত আচার্য্য, সালমা আক্তার, রিপন সেনগুপ্ত, দীপ্ত দত্ত, অধ্যাপক দেবাশীষ রুদ্র ও অভিষেক দাশগুপ্ত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সৎসঙ্গে ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের স্মরণ মহোৎসব শুরু
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩১ অনুকূলাব্দ স্মরণ মহোৎসব তিন দিনব্যাপী চট্টগ্রাম জেলা সৎসঙ্গের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২৭ দেওয়ানজী পুকুর লেইনস্থ জেলা সৎসঙ্গ আশ্রমে অনুষ্ঠিত গতকাল প্রথম দিনের অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে মাতৃ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন। লক্ষী কর চৌধুরীর সভাপতিত্বে মাতৃ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, জেলা সৎসঙ্গের সাধারণ সম্পাদক লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, কাউন্সিলর নীলু নাগ, জয়ারাণী বল, রত্না মল্লিক। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন করেন অনিতা মজুমদার। উদ্বোধন করেন নমিতা দত্ত। বক্তব্য দেন, মনিষা চক্রবর্তী, অধ্যাপিকা অনিন্দিতা চক্রবর্তী, চিনু চৌধুরী, রত্না সেনগুপ্তা, ঋর্ণা সেনগুপ্তা, মন্দিরা সেনগুপ্তা, ইতু দাশগুপ্তা, আঁখি মিত্র, গীতা রাণী দাশ, কল্পনা চৌধুরী, রীতা বৈদ্য, পূর্ণিমা দত্ত প্রমুখ। প্রধান অতিথি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সকল মায়েদের উন্নত চিন্তার অধিকারী হয়ে উন্নত চিন্তার সন্তান জন্ম দিতে হবে। মায়েরাই পারে একটি সুশীল সমাজ গড়ে তুলতে। প্রথম দিনের কর্মসূচির মধ্যে ছিল উষালগ্নে ৩দিন ব্যাপী অখণ্ড নামধ্যান শুভারম্ভ। বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা সৎসঙ্গের সভাপতি, প্রতিঋত্বিক, সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দের সমন্বয়ে সাংগঠনিক সম্মেলন। চট্টগ্রামের সকল স্বস্ত্যয়নী, অধ্ববূর্য্য, যাজক বৃন্দের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে সৎসঙ্গ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দ বাজারে প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে আজ যুব সম্মেলন, ছাত্রবৃত্তি প্রদান, কৃতী শিক্ষার্থী সম্মাননা ও ২৭ জানুয়ারি ধর্ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন প্রসাদ বিতরণ ও অখণ্ড নামধ্যান অনুষ্ঠিত হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শিক্ষা জগতে শ্রীদাম চন্দ্র আলোর ফেরিওয়ালা :নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষানুরাগী শ্রীদাম চন্দ্র নাথ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ বছর কোন সম্মানী ভাতা ছাড়াই শিক্ষকতা করে তিনি অনুকরণীয় আদর্শ হয়েছেন। শিক্ষা জগতে তিনি একজন আলোর ফেরিওয়ালা। বর্তমান অবক্ষয় ও স্বার্থের যুগে শ্রীদামের পরার্থপরতার বিষয়টি অত্যন্ত বিরল। আমরা তাঁকে অনুসরণ করে বড়মাপের মানুষ হতে পারি। তিনি গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ শ্রীদাম চন্দ্র নাথ স্মরণে ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কলাউজান নাথপাড়া ছাত্র-যুব পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরী আয়োজিত নগরীর সদরঘাটস্থ ডায়মন্ড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মিলন কান্তি দেবনাথ। এতে উদ্বোধক ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড. তপন কান্তি দাশ। প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট নাট্যজন সুদর্শন চক্রবর্তী। সংস্কৃতি কর্মী লাভলী দের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠক অ্যাড. শুভাশীষ শর্মা। সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন আশালতা কলেজের অধ্যক্ষ প্রদীপ কুমার চৌধুরী, আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ কৃষ্ণ কান্তি দত্ত, বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ সমীর কান্তি দাশ, কাটিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ কল্যাণ নাথ, কুন্ডেশ্বরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সজল চৌধুরী, যশোদা-নগেন্দ্র মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সুভাষ চন্দ্র ধর, ডা. ফজলুল হাজেরা কলেজের উপাধ্যক্ষ স্বপন কুমার নাথ। অনুষ্ঠানে কৃতি গীতা প্রশিক্ষক দেবরাজ সিংহ ও কৃতি শিক্ষার্থী সোমা চৌধুরী, পলা সোম ও বর্ষা সেনগুপ্তাকেও সম্মাননা দেয়া হয়। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রয়াতের জ্যেষ্ঠপুত্র সাবেক কলেজ প্রভাষক পলাশ কান্তি নাথ রণী। জীবনী পাঠ করেন বাচিক শিল্পী শান্তনু মিত্র। স্মরণগীতি পরিবেশন করেন শিক্ষক মৌসুমী চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, মহানগর সংসদ সভাপতি প্রদ্যুৎ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, অধ্যাপক পপি সাহা, পতেঙ্গা থানার ইন্সপেক্টর প্রকাশ প্রণয় দাশ, অ্যাড. প্রকাশ কান্তি নাথ, অ্যাড. উৎপল দাশ, অংকুশ দে, সংগঠক টিটু দাশ, সুব্রত নাথ রুবেল, অ্যাড. রিগ্যান আচার্য, চিত্রশিল্পী নিউটন দত্ত, অধ্যাপক নীলিমা দাশ, প্রকৌশলী শিপন রায় চৌধুরী, নারীনেত্রী পম্পী দাশ, কাননবালা ধর প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের আবৃত্তি কর্মশালা ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: দেশসেরা আবৃত্তি ও অভিনয়শিল্পী, কবি, সাংবাদিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের তত্তবধানে বাচিক শিল্প চর্চা কেন্দ্র তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের পরিচালনায় শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি কর্মশালার ১৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। পাঁচমাসব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এ কর্মশালার বিষয়ভিত্তিক ক্লাস সমূহের মধ্যে বাকশিল্প ও আবৃত্তি দর্শন বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিবেন আবৃত্তিশিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় এবং শিমুল মুস্তাফা, মঞ্চ ও টেলিভিশন উপস্থাপনা, সংবাদপাঠ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিবেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, অভিনতা পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, এটিএন প্রধান নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক মুন্নী সাহা, বিটিভির সংবাদপাঠিকা রেখা নাজনীন। শুদ্ধ উচ্চারণ, কন্ঠসাধন, নাট্যতত্ত ও আবৃত্তির কলাকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন নাট্যজন প্রদীপ দেওয়ানজী, আবৃত্তি গবেষক মীর রবকত, কবি রাশেদ রউফ, সঙ্গীতশিল্পী নূর নবী মিরন আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহের ও শ্রাবণী দাশগুপ্তা। কবিতা নির্বাচন ও আবৃত্তির নির্মাণ এবং মাইক্রোফোনের ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন আবৃত্তিশিল্পী মিলি চৌধুরী, আয়েশা হক শিমু, মুজাহিদুল ইসলাম ও সেজুঁতি দে। কর্মশালার ক্লাস প্রতি শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালায় অংশগ্রহণে আগ্রহীদের আবেদন পত্র সংগ্রহ করে জমা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। শিশুদের জন্যে আলাদা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে চেরাগী পাহাড়স্থ বুকমার্ক বা নন্দন বইঘরে, শিল্পকলার বিপরীতে আলমের দোকানে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ঝুপড়িতে। আবেদনপত্র জমা দেয়ার একমাত্র স্থান প্রতি শুক্রবার ও শনিবার বিকাল ৩ টা থেকে ৬ টা আন্দরকিল্লা মোড়স্থ শিক্ষক ভবনের ষষ্ঠ তলায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে। বিস্তারিত ০১৮১৪-৭৮০০৩২ নম্বরে ফোন করে জানা যাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উপজেলায় প্রার্থী নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত :মোছলেম উদ্দিন
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেছেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে মাননীয় ভমি মন্ত্রী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আওতাভক্ত সাংসদগণ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের সাথে পরামর্শ করে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূল পর্যায়ে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৭টি উপজেলায় আমাদের বিজয় নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। উপজেলা প্রার্থী নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে আমরা অবশ্যই সাধুবাদ জানাবো। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে করণীয় বিষয় নির্ধারনের লক্ষ্যে গত ২৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আন্দরকিল্লাস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের বায়োডাটা, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, এন আই ডি কার্ডের ফটোকপি (কালার) সহ জেলা কমিটি বরাবরে আবেদন করতে বলা হয় ও ২৭ হতে ২৯ জানুয়ারি তৃণমূল সম্মেলনের আয়োজন করার আহবান জানানো হয়। আগামী ২৯ জানুয়ারি বেলা ২টায় চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বৃহত্তর চট্টগ্রাম হতে মনোনীত চার মন্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান, ৩১ জানুয়ারি একই স্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মরণে শোক সভা সফল করে তুলতে দক্ষিণ জেলার স্ব স্ব ইউনিট থেকে স্বদলবলে যোগদান করার আহবান জানান। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি এড. এ কে এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এড: জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছলেহ উদ্দিন মনসুর, আইন সম্পাদক এড: মির্জা কছির উদ্দিন, সাবেক এম পি চেমন আরা আরা তৈয়ব, শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম, বন বিষয়ক সম্পাদক এড: মুজিবুল হক, শিক্ষা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, প্রচার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: তিমির বরণ চৌধুরী, ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, ধর্ম সম্পাদক আবদুল হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন, ত্রাণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হায়দার শাহীন, কৃষি সম্পাদক এড: আবদুর রশিদ, উপ-প্রচার সম্পাদক মৌলানা নুরুল আবছার, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ ক ম শামসুজ্জামান, সাধরণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এস এম জহিরুল আলম জাহাঙ্গীর, কর্নফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম এ মালেক, বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এম এ গফুর, সাতকানিয়া আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ জুনু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য নুরুল আলম, দেবব্রত দাশ, মোস্তাক আহমদ আঙ্গুর, চেয়ারম্যান নাছির আহমদ, সৈয়দুল মোস্তফা চৌধুরী রাজু, আনোয়ার কামাল, বিজন চক্রবর্ত্তী, মাহবুবুর রহমান সিবলী, এ কে আজাদ, শাহিদা আক্তার জাহান, সেলিম নবী, চন্দনাইশ পৌর মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগ সভাপতি আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পার্থ সারথী চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মো: গালিব, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষকলীগ সভাপতি আতিকুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তাহের প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর