চাকরিতে পুনর্বহালে মেয়রের কাছে ইউএসটিসি শ্রমিকের আবেদন
১০জুন,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইউএসটিসি ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়ালে হাসপাতাল থেকে চাকরিচ্যুত ২০ জন এইড নার্স,১৫ জন আয়া ক্লিনার্সকে চাকুরিচ্যুত করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের চার জন শীর্ষ নেতাকেও চাকরিচ্যুত করে কর্তৃপক্ষ। ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের চাকরিতে পুনর্বহালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর সুপারিশ করার জন্য আজ ১০ জুন দুপুরে ইউএসটিসি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন যৌথভাবে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের কাছে আবেদন জানান। মেয়র নেতৃবৃন্দকে ছাঁটাইকৃতদের চাকরিতে পুনর্বহালে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বরাবর সুপারিশ করার প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম সভাপতি আনোয়ার হোসেন, ইউএসটিসি কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি মানিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো সোলায়মান, অটো রিকশা অটো টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম শাখা সাধারণ সম্পাদক মো নাছির উদ্দীনসহ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সীতাকুণ্ডে Rab -7এর হাতে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত আটক
১০জুন,বুধবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন ডাকাতকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। তাদের কাছ থেকে তিনটি ওয়ানশুটারগান, সাত রাউন্ড গুলি এবং বেশ কিছু দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটকের পর বুধবার (১০ জুন) তাদের সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিউজ একাত্তরকে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। আটক তিন ডাকাত হলো- সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকার আবু তালেবের ছেলে মো. ইমাম হোসেন (২০) ও নুরুল আলমের ছেলে মো. ইকবাল হোসেন (২৫) এবং ফকিরহাট এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে মোস্তফা কামাল (২২)। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উত্তর সোনাপাহাড় এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন ডাকাতকে আটক করেন Rab সদস্যরা। তাদের কাছ থেকে তিনটি ওয়ান শুটারগান, সাত রাউন্ড গুলি এবং বেশকিছু দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, আসামি ইকবালের বিরুদ্ধে দুইটি ডাকাতির মামলা রয়েছে। আসামিরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি করে আসছিলেন।
চিকিৎসা নিয়ে তালবাহানা: আর অনুরোধ নই,এবার অ্যাকশন শুরু হবে বললেন মেয়র নাছির
৯জুন,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মেয়র বলেন, এ সভা শেষ সভা। আর কোনো অনুরোধ হবে না। এবার অ্যাকশন শুরু হবে৷ যদি কোনো রোগী বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যায় বা আপনারা চিকিৎসা না দেন তবে এর পরিণাম ভালো হবে না। মঙ্গলবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া বায়েজিদ থানা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি সগিরের মৃত্যুর ঘটনায় বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেয়র আ জ ম নাছির। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে কোভিড ও নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে তালবাহানা না করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন । চিকিৎসা না পেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের মা-বাবা বা কোনো স্বজন মারা গেলে কেমন লাগবে সেই প্রশ্নও করেন মেয়র নাছির। মেয়র নাছির বলেন, আপনারা তো ফ্রিতে চিকিৎসা দিবেন না। টাকা নিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন৷ বেসরকারি হাসপাতাল করার জন্য লাইসেন্স নিয়েছেন কি রোগীদেরকে মেরে ফেলতে৷ কয়েকদিন ধরে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আপনারা প্রণোদনা চাইবেন কিন্তু মানুষকে সেবা দিবেন না সেটা হয় না। সিটি মেয়র বলেন, বারবার বলার পরও চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালগুলো রোগী নিতে টালবাহানা করছে। কোনো রোগী হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোভিড বা নন-কোভিডের সার্টিফিকেট খোঁজে। কিন্তু একজন মানুষ কিভাবে সঙ্গে সঙ্গে এই সার্টিফিকেট দিবে। অন্তত তাকে পরীক্ষার সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া রোগী অন্যকোনো রোগ নিয়েও ভর্তি হতে পারে। তাহলে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা কেন করছেন আপনারা, প্রশ্ন করেন তিনি। মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিবের সঙ্গে জুম আপসের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য কালে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব আহমেদ কায়কাউসের সঙ্গে জুম অ্যাপসের মাধ্যমে চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের সঙ্গে আলোচনাকালের পৃথক অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে কোভিড ও নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে তালবাহানা না করতে এসব কথা বলেন মেয়র তিনি মুখ্য সচিবকে বলেন, 'আজকে সকালে আমাদের থানা আওয়ামী লীগের এক সেক্রেটারি স্ট্রোক করেছিলেন। তাকে তিন চারটা হাসপাতালে নেওয়া হলেও কোনও হাসপাতালেই সিট খালি নেয় এমন অজুহাতে ভর্তি করায়নি। পরে যখন পার্কভিউ হাসপাতালে নেওয়া হলো তখন চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন তিনি আর বেঁচে নেই।
৪২ কোটি টাকার এলইডি বাতি স্থাপন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন মেয়র নাছির
৯জুন,মঙ্গলবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ৯ জুন মঙ্গলবার নগরের জিইসি মোড়ে ৪১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭৫ কিলোমিটার সড়কে এলইডি বাতি স্থাপন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন। জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। মেয়র বলেন, করোনা ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে উন্নয়ন কাজগুলো গতি ফিরে পাবে। নগরের ৪১ ওয়ার্ডে এলইডি বাতি স্থাপনের ফলে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হচ্ছে। শহরের রাস্তাঘাটে আলোর পরিমাণ আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়েছে। এ উদ্দেশ্যে সড়কবাতি হিসেবে এলইডি বাতি স্থাপিত হচ্ছে। চারটি প্যাকেজে ৩০টি সড়কে এলইডি বাতি লাগানো হবে এ প্রকল্পের অধীনে। সড়কগুলো হচ্ছে- ভাটিয়ারী লিংক রোড, চানমারী রোড, চট্টগ্রাম কলেজ রোড, ঢাকা ট্রাংক রোড, কালুরঘাট রোড, জাকির হোসেন সড়ক, পোর্ট কানেকটিং রোড, সাউদার্ন মেডিক্যাল কলেজ রোড, নাসিরাবাদ ইন্ডাস্ট্রিজ রোড, পুরাতন স্টেশন থেকে কদমতলী, আনন্দবাজার রোড, স্ট্র্যান্ড রোড, মাঝিরঘাট রোড, আইস ফ্যাক্টরি রোড, অক্সিজেন কুয়াইশ কানেকটিং রোডের মিড আইল্যান্ড, আমবাগান রোড, পাঠানটুলী রোড, হালিশহর রোড, শৈলবালা স্কুল রোড, ডুলুনিয়া ডেলা রোড (কেবি দাস রোড), পলিটেকনিক রোড, কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, খুলশী আবাসিক এলাকা, পুলিশ লাইন আবাসিক এলাকা, কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা, লেকভ্যালি আবাসিক এলাকা, জাকির হোসেন সড়ক পার্ট-২ এবং নুরুজ্জামান নাজির রোড। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, শৈবাল দাশ সুমন, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, এইচটিএমএসের প্রকৌশলী মাহবুব হোসেন প্রমুখ।
ইউএসটিসির বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে করোনা ইউনিট উদ্বোধন
৯জুন,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের জাকির হোসেন সড়কের ফয়স লেক এলাকার ইউএসটিসির বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট চালু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাসপাতালের করোনা ইউনিটের উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, সিনিয়র সচিব কামাল উদ্দিন, পুলিশের আইজি ড. বেনজীর আহমেদ। বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. কামরুল হাসান নিউজ একাত্তরকে বলেন, হাসপাতালের করোনা ইউনিটের অনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয়েছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। আজ বিকেলে অথবা আগামীকাল সকাল থেকে হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানো যাবে। করোনা চিকিৎসায় ১০০টি শয্যা রয়েছে। এ ছাড়া তিনটি আইসিইউর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চিকিৎসাসেবা দিতে আপতত ১৮ জন নার্স এবং ৮ জন ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার করোনা ইউনিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি ডা. মুজিবুল হক, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ প্রমুখ।
করোনা আক্রান্ত সিএমপি কমিশনার মাহাবুবর রহমান
৮জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। তবে তিনি আক্রান্ত হলেও তার শরীরে জ্বর বা তেমন কোনো উপসর্গ নেই। সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি নিজেই নিউজ একাত্তরকে নিশ্চিত করেছেন। সিএমপি কমিশনার বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়েছি। তবে শরীরে তেমন কোনো উপসর্গ নেই। আমি সুস্থ আছি। সকলের কাছে দোয়া চাই। সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান তার নানা ব্যতিক্রমী কার্যক্রমের কারণে প্রশংশিত। করোনার শুরু থেকে সিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত থেকে শুরু করে, আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের পরিবহন সুবিধা দিয়ে নানা কর্মকাণ্ডের কারণে প্রশংসিত সিএমপি। সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, আমি চাঙা আছি। মনোবল শক্ত আছে। সিএমপির সদস্যরা মানুষকে যে সেবা দিয়ে আসছে তা চলমান থাকবে।
অতি দরিদ্র ও ঝূঁকিপূর্ণদের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হবে: মেয়র
৮জুন,সোমবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য ১ হাজার দিনের পুষ্টি সহায়তা সামগ্রী তুলে দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ইউএনডিপি ও ইউকে-এইড এর সহায়তায় পরিচালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে এই সহায়তা তুলে দেয়া হলো। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১ হাজার ৬ শত ৭৪ জনকে সহায়তা দেয়া হবে। তন্মধ্যে আজ ১৮০ জনকে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১লিটার ভোজ্য তেল, ৩০ টি ডিম ও ১ কেজি ডাল। এই উপলক্ষ্যে নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ডস্থ টাইগারপাস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন। এসময় সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রান্তিক জনগোষ্টির জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সরোয়ার হোসেন খান, সোসিও-ইকোনমিক ও নিউট্রিশন এক্সপার্ট মোহাম্মদ হানিফ, টাউন ফেডারেশন এর চেয়ারপার্সন কোহিনুর আক্তার, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সার মালিক উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, সম্প্রতি সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ একটি মহামারি রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশেও তা চরম আকার ধারণ করেছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে আমাদের দেশের প্রান্তিক মানুষজন বিশেষ করে নগরে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় যারা বসবাস করছে । বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতির কারণে নগরের কর্মহীন দরিদ্র মানুষজন চরম দূর্দশার ভিতর দিন যাপন করছে। তার মধ্যে গর্ভবর্তী ও দুদ্ধদানকারী মায়েরা চরম পুষ্টিহীনতায় ভূগছে। এমন অবস্থায় নগরীতে এসব জনগোষ্ঠির জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি ইউএনডিপি ও ইউকে-এইড এর সহায়তায় পরিচালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প অনন্য ভূমিকা রাখছে। মেয়র বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় খুব শীগ্রই অতি দরিদ্র ও ঝূঁকিপূর্ণ নগরবাসীর জরুরী খাদ্য সহায়তার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
অক্সিজেন আছে, সিলিন্ডার নেই
৮জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় চমেক হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা চালু আছে। তবে রোগী বেশি থাকায় একটি পয়েন্টের অক্সিজেন চার-পাঁচজনকে ভাগাভাগি করে সরবরাহ করতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রস্তুত থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৭৮টি। এছাড়া ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে ৩১টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে চলছে চিকিৎসা, যেখানে অন্তত ১০০টি সিলিন্ডার প্রয়োজন। ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালেও অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে মাত্র ২০টি। রেলওয়ে হাসপাতাল ও হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালেও রয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট। জানা গেছে, চট্টগ্রামে সরকারিভাবে একটি ও বেসরকারি পর্যায়ে ৩টি কারখানায় অক্সিজেন উৎপাদন হয়। হাসপাতালে ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডারে অক্সিজেনের পরিমাণ থাকে ৯৯.৯৯ শতাংশ। ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেনের সিলিন্ডারে অক্সিজেনের পরিমাণ থাকে ৬৫ শতাংশ। ২০১৮ সালে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বৃহৎ অক্সিজেন কারখানা চালু করে লিন্ডে বাংলাদেশে লিমিটেড। এতে দৈনিক ১০০ টন তরলকৃত গ্যাস উৎপাদন হয়। এছাড়া বেসরকারি স্পেকট্রা গ্যাসেস লিমিটেড, ইসলাম অক্সিজেন লিমিটেড সহ ইসলাম গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, চট্টগ্রামের আবুল খায়ের গ্রুপ, জিপিএইচ, বিএসআরএম, গোল্ডেন অক্সিজেনসহ বড় বড় কারখানাগুলো অক্সিজেন উৎপাদন করে। নির্দিষ্ট ডিলারের মাধ্যমে এসব কারখানা থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। সীতাকুণ্ডের (চট্টগ্রাম-৪) সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন অক্সিজেন লিমিটেড এর পক্ষ থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে অক্সিজেন নেওয়ার জন্য সিলিন্ডার নিয়ে আসতে হবে। সংসদ সদস্য দিদারুল আলম বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীরা অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এসব রোগীর জন্য আমাদের কারখানা থেকে বিনামূল্যে অক্সিজেন রিফিল করে দেবো। তবে সেক্ষেত্রে খালি সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ, বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট আছে। আমরা চাই, চট্টগ্রামের কোনও রোগীই যেন অক্সিজেনের অভাবে মারা না যান।
কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতা আমিনুল ইসলামের নামে ষড়যন্ত্র, নিন্দা ও প্রতিবাদ
৮জুন,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৃনমুল থেকে উঠে আসা চট্রগ্রাম মহানগর হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দু বার সিনিয়র সহ-সভাপতি,চট্রগ্রামের ছাত্র রাজনীতির আইকন, মেধাবী সংগঠক,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ সহচর ৮০,৯০,৯৬,২০০১ ও ১/১১ আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা,পরিক্ষীত,আদর্শের ধারক,প্রতিটি অসম্প্রাদায়িক আন্দোলন সংগ্রামের নায়ক,রাজনীতির অঙ্গনে সরব,মানুষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ,প্রতিটি কর্মীর সাহায্যেকারী,মানুষের সুখ দুঃখের সাথী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগ্রামী উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জননেতা আমিনুল ইসলাম আমিনয়ের নামে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক ভুয়া অনলাইন কতৃক নিউজ করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপকমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন রানা,উপদেষ্টা আলহাজ্ব শাহাজাহান চৌধুরী,চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এম এ হান্নান শাহ, সাধারণ সম্পাদক আফজাল জুনায়েদ জুয়েল,উত্তর সভাপতি জসিম উদ্দিন তালুকদার,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল আমিন, দক্ষিণ সভাপতি খুরশিদ উল আলম খোকন, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম,জেলার নেতা এস এম দিদারুল হক জসীম,বাহার উদ্দিন চৌধুরী,একেএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এরশাদ, মোঃ আয়েচ,অধ্যাপক ইউনুস,রনি মজকুরি,মাসুদ রানা,আব্দুল মান্নান,মোঃ রাসেল,কাজী মোক্তার হোসেন প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন-আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশে হলুদ মিডিয়ারা সোচ্চার হয়ে কিছু মানুষের থেকে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ভাবে নিউজ করে সস্তা জনপ্রিয় পেতে চাই। এসব সাংবাদিকগন জননেতা আমিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে নিউজ করে হিরু বনতে এসব অপপ্রচার করে কোন লাভ হবেনা।আদর্শিক ছাত্রনেতা থেকে আজ জননেতা হয়ে সব ষড়যন্ত্রের ছিন্নজাল ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আমিন ভাই।অবিলম্বে এই অনলাইনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।