সরকারি ত্রাণসামগ্রী, সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান
১০মে,রবিবার,স্বপন কুমার নাথ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: উত্তর কাট্টলীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত সরকারি ত্রাণসামগ্রী অসচ্ছল মানুষের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। ৯ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত উপহার উত্তর কাট্টলী নূর মোহাম্মদ এর বড়ীতে পৌছে দিলেন জননন্দিত প্যানেল মেয়র ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মন্জু , উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর পঞ্চায়েত কমিটির প্রতিনিধি হাজ্বী মোহাম্মদ সফি সহ আবদুল্লাহ হারুন, রাজু ভাই, সেলিম ও এলাকার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 2/ এতিমখানায় রেজাউল করিম চৌধুরীর সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান : নগরীর ইমাম আবু হানিফা (রা:) এতিমখানার সদস্যদের জন্য সেহরী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান করলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী। শনিবার ৯ মে সকালে নিজ বাড়ীতে এতিমখানার পরিচালক হাফেজ মো: আব্দুর রহিমের হাতে সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী তুলে দেন তিনি। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, দেশের দূর্যোগ মুহুর্তে শুধু নয়, যেকোন সময়ে মানুষের পাশে থাকা আমার চিরাচরিত স্বভাব। মানুষের জন্য আজীবন সাধ্যমতো করে যেতে চাই। করোনা মহামারি থেকে বাচঁতে সরকারী নিদের্শনা মেনে চলার পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার জন্য তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি আহবান জানান। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর মানবতার সেবক হয়ে চট্টগ্রাম নগরীর গরীব, দু:স্থ, অসহায়, এতিম ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী। করোনার প্রকোপ শুরু থেকেই বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী নিজ উদ্দ্যেগে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের গরীব, দু:স্থ, অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ খাদ্য সামগ্রী এবং রমজানে সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে চলেছেন।
চমেকের কোভিড-১৯ টেস্ট ল্যাব উদ্বোধন করলেন মেয়র
০৯মে,শনিবার,স্বপন কুমার নাথ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেকে) হাসপাতালে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ল্যাব আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মেয়র আজ সকালে চমেকের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে এ ল্যাব উদ্বোধন করেন। আগামীকাল রবিবার থেকে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু হবে। ল্যাব উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, ল্যাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাই নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। চমেকের এই ল্যাব স্থাপনের জন্য যারা সহযোগিতা করেছেন মেয়র তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। অনেক প্রচেষ্টার পর এই পিসিআর ল্যাব স্থাপিত হয়েছে। পিসিআর ল্যাবে প্রতিদিন নমুনা টেস্ট করা হবে। জনবল ও অভিজ্ঞতা বাড়লে টেস্টের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে। নগরবাসীর উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, শুধু চিকিৎসকের পরামর্শ থাকলেই করোনা পরীক্ষা করতে আসবেন। সাধারণ অসুস্থতা নিয়ে অহেতুক ভিড় করবেন না। যত বেশি টেস্ট করা হবে, তত বেশি রোগী সনাক্ত ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব। প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতালে ভিড় করে অন্য রোগীদের ও চিকিৎসকদের অসুবিধার সৃষ্টি করবেন না। তিনি বলেন, শুরু থেকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি কিট, পিপিই, মাক্স, গ্লাভ্স সংকট ছিল এখন আর তেমন সংকট নাই নমুনা পরীক্ষাও কিছুদিনের মধ্যে সহজলভ্য হবে এজন্য সকলের ধৈর্য ধরে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ অনুসরণ করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, ডাক্তারসহ চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিতরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। তাঁদেরও জীবন আছে, পরিবার আছে। তিনি বলেন, এখন রাজনীতির সময় নয়, এখন সবাই মিলে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। এসময় গুঞ্জন ও অপপ্রচার রোধে সংবাদ মাধ্যমকে সক্রিয় থাকতে অনুরোধ করেন তিনি। আজ থেকে এই ল্যাবে করোনাসহ সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ টেস্টগুলো করা হবে বলে নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শামীম হাসান। তিনি জানান, এটি এখন চট্টগ্রামবাসীর সেবা দিতে পুরোদমে প্রস্তুত। আগামীকাল থেকেই করোনা পরীক্ষা করতে সক্ষম হবে এই ল্যাব। উদ্বোধনকালে চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এস এম হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, ডা. মনোয়ারুল হক শামীম উপস্থিত ছিলেন।
ফেনীতে সোয়া কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
০৯মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানাধীন রামপুরস্থ ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মহাসড়কের উপর অভিযান চালিয়ে ২৩,০২০ (তেইশ হাজার বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্টো-ট-২২-১২৯০) জব্দ করা হয়। শনিবার ৯ মে সকাল ৭ঃ৩০ মিনিটের সময় ফেনী মডেল থানাধীন পশ্চিম রামপুরা Rab-7, ফেনী ক্যাম্পের সামনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া)এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, মোঃ নুরুজ্জামান (৩২) রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার শিবু কন্টিরাম গ্রামের মৃত. হাফিজ উদ্দিন শেখ এর ছেলে এবং মোঃ লিমন মিয়া নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানার লাউপুল গ্রামের মোঃ ওয়াজেদ আলী এর ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক, ফেনী ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ নুরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, চট্টগ্রাম হতে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি কাভার্ড ভ্যান যোগে পন্য পরিবহণের আড়ালে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানাধীন পশ্চিম রামপুরা এলাকার Rab-7, ফেনী ক্যাম্পের সামনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী পাকা রাস্তার উপর তল্লাশি চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে আটককৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে কাভার্ডভ্যানটি (ঢাকা মেট্টো-ট-২২-১২৯০) তলাশী করে কাভার্ডভ্যানের ভিতরে ড্রাইভিং সিটের পিছনে সুকৌশলে লুকানো ২৩,০২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত চট্টগ্রাম হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পন্য পরিবহনের আড়ালে বিভিন্ন কৌশলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদক পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত কাভার্ডভ্যানের আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
চট্টগ্রাম নগরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের বেপারীর ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
০৯মে,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানাধীন পূর্ব ফিরোজ শাহ কলোনী নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের বেপারী (৭০) গত ৭ মে ২০২০ ইং বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি.......রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ পুত্র, পুত্রবধু, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভূগছিলেন। গত ৮ মে ২০২০ ইং শুক্রবার বাদে জুমা পূর্ব ফিরোজ শাহ কলোনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে সেখানকার সিটি কর্পোরেশন কবরস্থানে মরহুমের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। দাফনের পূর্বে মরহুমের প্রতি জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে আকবর শাহ থানা পুলিশের একটি চৌকষ দল বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবদুল কাদের বেপারীকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। একই সাথে পুলিশ কমিশনারের পক্ষে মরহুমের পুত্রদের হাতে একটি শোক ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন জেলা প্রশাসকের পক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ। জানাযায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আকবর শাহ থানা কমান্ডের সদস্য সচিব মোঃ নূর উদ্দির চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইসহাক, আবদুল সামাদ, আনোয়ার হোসেন, সিটি কর্পোরেশনের ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, ফিরোজ শাহ জনকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মোঃ আবু হান্নান, মরহুমের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা অংশ নেন। উল্লেখ্য যে, মরহুম এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অদস্য সাহস নিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন। শোক ঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবদুল কাদের বেপারীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশসহ শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ, ডেপুটি কমান্ডার শহিদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, সহকারি কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস ও সংসদের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্স খোলা রাখতে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে হবে শতভাগ: সিএমপি
০৯মে,শনিবার,রাজিব দাশ, চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট ও শপিংমল সমূহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আজ ৯ মে দামপাড়া পুলিশ লাইন্স এর সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম সভাপতিত্বে সিএমপি কর্তৃক আয়োজিত উক্ত মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ; ডিরেক্টর,চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, চট্টগ্রাম এবং সভাপতি, চট্টগ্রাম শপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, চিটাগাং উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর নেতৃবৃন্দ সহ নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার, নিউমার্কেট, টেরিবাজার, জহুর মার্কেট, সানমার ওশান সিটি, ইউনেস্কো সেন্টার , আমিন সেন্টার,চিটাগাং শপিংকমপ্লেক্স, আফমি প্লাজা, সেন্ট্রাল প্লাজা সহ নগরীর বিভিন্ন দোকান মালিকও ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ। উক্ত মতবিনিময় সভায় নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার, নিউমার্কেট, তামাকুন্ডি লেন,জহুর মার্কেট এর দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি সহ অধিকাংশ ব্যবসায়ী সমিতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত দোকানপাট, মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় যেহেতু প্রতিদিন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই জন্য মহানগরীর অধিকাংশ ব্যবসায়ী সমিতি মালিক, শ্রমিক এবং নগরবাসীর স্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে রমজান মাসে দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। অন্যান্য যারা দোকানপাট, মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স খোলা রাখার চিন্তাভাবনা করছেন তাদেরকে অবশ্যই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার নির্দেশনা অমান্য করলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দায়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঐ দোকান, মার্কেট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে পুলিশ কমিশনার মহোদয় জানান। বক্তব্যে তিনি বলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে হলেও শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত নগরবাসীর স্বার্থে কাজ করে যাবে। যারা দোকানপাট, মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স খোলা রাখবেন তাদেরকে অবশ্যই নিম্নোক্ত নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে মর্মে তিনি জানান। নির্দেশনা সমূহঃ কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চালু করার সুবিধার্থে শপিং মল/মার্কেট সমূহের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা সমূহঃ ১) শপিং মলের প্রবেশ মুখে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক টানেল বা চেম্বার স্থাপন করা এবং থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে ক্রেতা সাধারণের তাপমাত্রা নির্ণয় করা। ২) শপিং মল/দোকানের প্রবেশ মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা এবং মাস্ক ব্যতীত কাউকে শপিং মলে প্রবেশ করতে না দেওয়া। ৩) পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কালে ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পারিক শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য দোকানের সামনে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে মার্কিং করা। ৪) মাস্ক ও জীবাণুমুক্ত করণ সামগ্রী সংগ্রহে রাখা এবং এ বিষয়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা। ৫) শপিং মল/দোকানের কর্মীদের স্বাস্থ্য অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং প্রাপ্ত তথ্য নথিভুক্ত করা। ৬) ক্রেতা সাধারণের শারীরিক তাপমাত্রা নির্ণয় পূর্বক শপিং মল/দোকানে প্রবেশ করতে দেয়া। ৭) কেন্দ্রীয় এয়ারকন্ডিশনার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চালানো এবং বের হওয়া বাতাস যেন পুনরায় প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থা করা। ৮) বারবার মানুষের সংস্পর্শে আসা সুবিধাসমূহ যেমন-এ্যালিভেটর বাটন, দরজার হাতল ও ময়লা ফেলার ঝুড়ি নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করা। ৯) সার্বিকভাবে শপিং মলের ফ্লোর ও অন্যান্য জিনিস পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখা। ১০) সেলফ সার্ভিস শপিং ও স্পর্শ ব্যতীরেকে মূল্য পরিশোধে উৎসাহিত করা। ১১) যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগী থাকে তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ★ব্যবসা-বাণিজ্য দোকানপাট ও শপিং মল খোলা সংক্রান্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক নির্দেশনা সমূহঃ ১) সরকার ঘোষিত নির্ধারিত সময় সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টার মধ্যে দোকান-পাট ও শপিং মলসমূহ খোলা বন্ধ করা। ২) শপিং মল/মার্কেটের ২কিঃ মিঃ এর মধ্যে বসবাসকারী ক্রেতারা সংশ্লিষ্ট শপিং মল/মার্কেটে কেনাকাটা করা। ৩) বসবাসের এলাকা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ক্রেতা সাধারণের নিজ নিজ পরিচয়পত্র(যেমন-ব্যক্তিগত আইড কার্ড/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিলের মূল কপি ইত্যাদি) সাথে রাখা এবং চেক করে শপিং মলের প্রবেশ করতে দেয়া। ৪) বয়স্ক/শিশু/অসুস্থদের শপিং মলে গমনাগমনে নিরুৎসাহিত করা। ৫) শপিং মলের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ আলাদা আলাদা নির্ধারণ করা। ৬) শপিং মলে আগত যানবাহন সমূহকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করণের ব্যবস্থা করা।
প্রকৌশলী যখন সেচ্ছাসেবী!
০৯মে,শনিবার,মুহাম্মদ মহরম হোসাইন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: থাকেন জার্মানিতে, উনিশ বছর পর স্বদেশে আসলেন। বাংলাদেশে পাওয়ার সেক্টরে বিনিয়োগ করার উদ্দেশ্যে জার্মান ইন্সিটিউট অফ অলটারনেটিভ এনার্জির বাংলাদেশ প্রতিনিধি হয়ে। কিন্ত ভাগ্য তার প্রসুন্ন হয়নি। আসার এক মাসের মধ্যেই পড়ে গেলেন মহামারী করোনার লকডাউনে। সমগ্রদেশ লগডাউন। শহরের রাস্তাঘাট গাড়িশূন্য, চারদিক সুনসান নিরবতা। এ যেন এক অন্যরকম জীবন যাপন। একাকী ঘরে বসে থাকা দায়। এত কিছুর মাঝেও মন ছুটে যেতে চায় বাহিরপ্রানে। কিন্তু বাহিরের চিত্র আবার ভিন্ন। রাস্তাঘাটে নিম্ন, অসহায় মানুষের হাহাকার, মধ্যবিত্তদের বুকফাটা চাঁপা ক্রন্দন। ভুখা কুকুরদের করুনসুর। এমন দৃশ্য দেখে চারপাশের প্রকৃতিও যেন থমকে আছে। এমন প্রতিচ্ছবি তাকে করে উত্থেলিত। হঠাৎ তার ব্যতিত মন ঘুমরে কেঁদে উঠে। দেশ ও দশের এমন সংকটাপন্ন মুহুর্তে মানুষ হিসেবে কি ঘরে বসে থাকা যায়? নিশ্চয় না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বের হয়ে আসলেন ঘরের বাহিরে। নিজের কষ্টে অর্জিত অর্থ দিয়ে পণ্য সামগ্রী কিনে প্রতিদিন গাড়িতে করে চট্টগ্রাম নগরির বিভিন্ন স্হানে অসহায় ও হতদরিদ্রদের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিচ্ছেন। যুবকটির এ যেন এক অন্যরকম প্রেম। এসবের পর তিনি আবার মানবসেবায় যুব রেডক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন। সেই সাথে বিশিষ্ট সাংবাদিক তুষার আব্দুল্লাহ কতৃক পরিচালিত সেচ্ছাসেবী সংগঠন করোনায় তারুন্য চট্টগ্রামের ত্রাণ কর্মী হিসেবে মাঠে আছেন। জ্যোতিময় ধর শুধু চট্টগ্রামেই কাজ করছেন তা কিন্তু নয়। ঢাকাতে আরেক আলোচিত সেচ্ছাসেবী নাফিসা খানের মাধ্যমেও অনেক পরিবারকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রামের এই সন্তান। মানবসেবী নাফিসা খান তার ফেইজবুক পেইজে জ্যোতির্ময় ধরকে তার পথপ্রদর্শক মন করেন বলেও আখ্যা দিয়েছেন। তাকে দেখলে উচ্চতার দাঁড়িপাল্লাকে পরাজিত করা অপার মানবতার এক অনুপম দৃশ্য দু চোখ ভরে অবলোকন করা যায়। অতুলনীয় মানবতার স্বাক্ষর রেখে এভাবেই নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করে যাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় ধর। অবিবাহিত তড়িৎ প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় ধর জার্মান ইন্সিটিউট অফ অলটারনেটিভ এনার্জিরতে রিসার্চ অফিসার হিসেবে কর্মরত এবং বর্তমানে জার্মান ইন্সিটিউট অফ অলটারনেটিভ এনার্জির বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে দেশ ও দশের জন্য কিছু একটা করবেন। সেই থেকে মানব সেবায় তার এগিয়ে চলা। ১৯৯২ সালে স্কুল জীবন থেকে যুব রেডক্রিসেন্টের সাথে জড়িত। তারপর রাশিয়াতে পড়াশুনা করার সময় রাশিয়ান রেডক্রস এবং জার্মানিতে জার্মান রেডক্রসের সাথে জড়িয়ে পড়েন। বাংলাদেশে এসেও আবার করোনাকালের শুরু থেকে রেডক্রিসেন্টের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত তিনি ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় ৫০০ জন কর্মহীন, মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং অসহায় পরিবারের উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন। জ্যোতির্ময় ধর এ বিষয়ে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা জীবনবাজী রেখে নয় মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পারে তাহলে আমরা কেন অল্প কিছু দিনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে পারবো না। আমরা মুক্তিযোদ্ধ দেখেনি, তবে অদৃশ্য করোনা যুদ্ধ দেখছি। তাই এই যুদ্ধের একজন কর্মী হয়ে মানুষের পাশে দাড়াতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি। তিনি আরো বলেন, অসহায়রা উপহার পাওয়ার পর তাদের চোখ-মুখ থেকে যে প্রষ্ফুটিত হাঁসির প্রতিফলন ঘটে তখন করোনাকালের সব দুঃখ ক্লান্তি ভুলে যায়। এ যেন অপ্রাপ্তির মধ্যে বিশাল প্রাপ্তি। আমরা সবাই যদি এসব বিপদগ্রস্ত প্রাণের ডাকে সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়ায় তাহলে এই যুদ্ধে আমারাই জয়ী হবো। উল্লেখ্য, প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় ধর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক রণজিৎ কুমার ধর ও চট্টগ্রাম আর্ট কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর রীতা দত্তের একমাত্র পুত্র এবং দৈনিক আজাদীর প্রয়াত বার্তা সম্পাদক সাধন ধরের দৌহিত্র।
ফেনীতে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ ১ সন্ত্রাসী Rab এর হাতে আটক
০৯মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানাধীন পদুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ১ টি ম্যাগাজিন এবং ১টি মোটর সাইকেল উদ্ধারসহ সন্ত্রাসী এ কে এম সালাহ উদ্দিন(৪৮) কে গ্রেপ্তার করেছে Rab-7। শুক্রুবার ৮ মে রাত ৯ঃ৫০ মিনিটের সময় ফেনী মডেল থানাধীন পদুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ১ টি ম্যাগাজিন এবং ১টি মোটর সাইকেল উদ্ধারসহ এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) মাহমুদুল হানান মামুন। আটককৃত আসামী হল, এ কে এম সালাহউদ্দিন (৪৮) ফেনী জেলার ফেনী সদর থানা ধীন পদুয়া গ্রামের মৃত সিরাজুল হক এর ছেলে। Rab-7 সহকারী পরিচালক, ফেনী ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ নুরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানাধীন পদুয়া গ্রাম এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। এমন তথ্যের সংবাদের ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করে। পরে আটককৃত আসামীর দেহ তল্লাশী করে তার কোমরে গুজানো ১ টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ১ টি ম্যাগাজিন এবং ১ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আসামী এ কে এম সালাহউদ্দিন (৪৮)-এর বিরুদ্ধে ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানায় অস্ত্র আইনে ১ টি,বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ২ টি এবং অন্যান্য ধারায় ৭ টি মামলাসহ সর্বমোট ১০ টি মামলা রয়েছে।
ঈদে বন্ধ থাকবে চট্টগ্রামের ১১টি অভিজাত বিপণিবিতান
০৯মে,শনিবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে চট্টগ্রামে ১১টি অভিজাত বিপণিবিতান ঈদের আগে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (০৮ মে) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদে মিমি সুপার মার্কেটের মাঠে ব্যবসায়ীদের সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। মিমি সুপার মার্কেটের সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় ১১টি বিপণিবিতানের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামী ৩১ মে পর্যন্ত মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে পরবর্তী মিটিং না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানান তারা। এছাড়া সিলেট নগরীর সব শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে
রেডক্রিসেন্ট আর্তমানবতার সেবায় অবদান রাখছে:মেয়র আ জ ম নাছির
০৮মে,শুক্রবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট দিবস। মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার সীমিত আকারে এই দিবসটি পালন করে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্রগ্রাম ইউনিট। এই উপলক্ষ্যে সংগঠনটি আজ ফুড প্যাকেজ (ভোগ্যপণ্য সামগ্রী ও রান্না করা খাবার) বিতরণ কর্মসূচি পালন করে। এসব প্যাকেট জেমিসন রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে কর্মরতদের মাঝে সাধারণ ও পথচারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। আজ আন্দরকিল্লাস্থ জেমিসন রেডক্রিসেন্ট হাসপাতাল প্রাঙ্গনে সোসাইটির ম্যানেজিং বোর্ডের সদস্য চট্টগ্রাম কেন্দ্র রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. শেখ সফিউল আজিম এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, চট্টগ্রাম সিটি রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারী নুরুল আলম চৌধুরী বাহার, চট্টগ্রাম সিটি রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য এইচ এম সালাউদ্দিন, সাফকাত জাহান, মহসিন উদ্দিন চৌধুরী ফয়সাল, আনোয়ার আলম, ইসমাইল হক চৌধুরী, রেডক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার আবদুর রশিদ খান, ইয়াহিয়া বখতিয়ার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয় নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ করছে রেডক্রস। একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ার জন্য রেডক্রিসেন্ট আর্তমানবতার সেবায় অবদান রাখছে। পৃথিবীর দেশে দেশে বিভিন্ন দুর্যোগে পীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে এই সংগঠনটি। দেশের সব প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘূর্নীঝড়, বন্যা, ভুমিকম্প, ভূমিধ্বস, অগ্নিকান্ডসহ নানা সময়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি। মেয়র বলেন, বিশ্বে চলমান মহামারিতেও তারা প্রাণবাজি রেখে অবদান রেখে চলেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃষ্টান্তে সংস্থাটির অবদান উল্লেখ করার মতো। তিনি বলেন, মানবতার কল্যাণ সাধনে রেডক্রিসেন্টকে অনুসরণ করে আমাদের নতুন প্রজন্মকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। মেয়র আরো বলেন, এখন সময় এসেছে মানুষের জীবন রক্ষার পাশাপাশি জীবিকা রক্ষা এবং সতর্কতা অবলম্বন করেই করোনা মহামারি মোকাবেলার। কোভিড -১৯ সংক্রামণ বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থায় সীমিত পরিসরে দোকানপাট ও ব্যবসা বাণিজ্য খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকবেই। এই মহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত ঠিক হলো কিনা এ ধরণের প্রশ্নে অবতারণাও স্বাভাবিক। মনে রাখতে হবে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের ধনী দেশগুলোর মতো নয়। এ দেশে বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন ধারণ নির্ভর করে দৈনিক আয় রোজগারের উপর। ইতিমধ্যে এক মাসের ও বেশী সময় ধরে তাদের আয় বন্ধ। দীর্ঘসময় ধরে শুধুমাত্র ত্রাণ সহায়তা নিয়ে জীবনধারন সম্ভব নয় । এই বিবেচনায় লক-ডাউন শিথিল করা হয়েছে। এই শিথিলতার মধ্য দিয়ে মানুষের কাছে যেন বার্তা না যায় যে বিপদ কেটে গেছে, বরং আরো জোরালোভাবে বার্তা পৌঁছাতে হবে আমাদের সামনে আরো অনেকটা পথ বাকি আছে। স্বাভাবিক কাজকর্ম চলাকালে মানুষে মানুষে সংস্পর্শের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রামণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমাদের আরো সচেতন করতে হবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর