শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
চট্টগ্রাম আদালতে দ্রুত মামলা নিস্পতিতে সন্তোষ প্রকাশ
১৪অক্টোবর,সোমবার,সুজন আর্চায্য চট্টগ্রাম, একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত মামলা নিস্পতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী বলেন,মেডিকেল রির্পোট ও যথাসময়ে স্বাক্ষীর অনুপস্থিতির কারনে অনেক ক্ষেত্রে মামলা নিস্পত্তিতে দেরী হচ্ছে। সময় মত মেডিকেল রির্পোট (এমসি) ও যথাসময়ে স্বাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য তিনি নির্দেশ প্রদান করেন এবং ইতি মধ্যে নিস্পত্তিকৃত মামলার মালামাল রাষ্ট্রের অনুকুলে দ্রুত বাজেয়াপ্ত করার তাগিদ দেন। এই সময় জেলা পিপি এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন,দ্রুত সময়ে মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্যে যথাসময়ে মামলার নথী প্রেরন করা প্রয়োজন।১২ অক্টোবর চট্টগ্রাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালত ভবনের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমির সভাপত্বিতে অনুষ্ঠিত উক্ত পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট কনফারেন্সে অতি:চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: রবিউল আলম,সিনি: জুডিসিয়াল ম্যাজস্ট্রেট কৌশিক আহম্মদ খন্দকার,সিনি: জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ০২ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ০১ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাইছার,বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ০২ শিবলু কুমার দে,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ০৩ জয়ন্তি রাণী রায়,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ০৪ জিহান সানজিদা,জুডিসয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বন আদালত) সুস্মিতা আহমেদ,বিদ্যুৎ ম্যাজিস্ট্রেট (উত্তর) কহিনুর আক্তার,দক্ষিন-আইরিন পারভীন,সি: জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট(পটিয়া চৌকি) বিশ্বেশ্বর সিংহ,সি: জুডিসয়াল ম্যাজিস্ট্রেট(সন্দিপ চৌকি) আকবর হোসেন,সি: জুডিুসয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বাশখাঁলি চৌকি) মাইনুল ইসলাম,চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার - নুরে আলম মিনা, অতি: পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল , অতি: পুলিশ সুপার (দক্ষিন) মোহাম্মদ আফরুহল হক টুটুল , অতি: পুলিশ সুপার (সদর) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, অতি: পুলিশ সুপার সিতাকুন্ড সার্কেল শম্পা রাণী সাহ পি.পি.এম, অতি: পুলিশ সুপার সাতকানিয়া সার্কেল হাসানুজ্জামান মোল্যা ,এএসপি মীরসরাই সার্কেল মোহাম্মদ ছামসুদ্দিন ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী পি.পি.এম (বার) ,সিভিল সার্জন মো: আজিজুল রহমান,চট্টগ্রাম কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক বাবু সুব্রত চৌধুরী,জেলা পিপি সিরাজুল ইসলাম,সি আইডি ইন্সপেক্টর বাবু দুলন বিশ্বাস,আর ও আই বিজন বড়য়া,RAB-০৭ এর সহকারি পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম,চীফ জুুডিসয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রামের নাজের ও ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: আবু তাহের এবং চট্টগ্রামের সকল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গন উপস্থিত ছিলেন।
শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক সম্মাননা ২০১৯ পেলেন চট্টগ্রামের হাছিনা আকতার
১৪অক্টোবর,সোমবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক সম্মাননা ২০১৯ পেয়েছেন মোছাম্মৎ হাছিনা আকতার। রোববার (১৩ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল তাকে এ সম্মাননা প্রদান করেন। এর আগে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।হাছিনা আকতার চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা গ্রামের মো. রফিক আহমদের কন্যা। হাছিনা আকতার ১৯৯৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সিপিপিতে যোগদান করে অদ্যবধি সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সিপিপি ৬ নস্বর ইউনিটের ইউনিট লিডার। ১৯৯৮ সালে তিনি ইসলামীয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ ( স্নাকত) পাশ করেছেন।এছাড়া তিনি ইউ, এস, এ আইডি এর সহযোগীতায় পরিচালিত প্রটেক্টিং হিউম্যান রাইটস (পিএইচ আর), সমাজিক সুরক্ষা দল ও ঘাসফুল : পি এইচ আর : এ ( নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কার্যক্রম) এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিসদ ও স্মৃতি পাঠাগার বাংলাদেশ এর সদস্য।তিনি কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এস এ কাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি পটিয়া উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী আনোয়ার হোসেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি একাধারে একজন সামাজিক নারী, আদর্শ শিক্ষক, একজন মা ও ২০১৯ সালের সেরা স্বেচ্ছাসেবক।তিনি নগর বিশেষ শাখার ইন্সপেক্টর মর্জিনা আকতার ও নগরের ডবলমুরিং থানার সাব ইন্সপেক্টর মো. ইমরান এর বড় বোন। উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে সিপিপির উপকূলীয় ৪১টি উপজেলার ১ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা হিসেবে মোট ৮২ জনকে শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কার প্রদান করেছেন।
আকবরশাহ থানাধীন সিটি গেইট এলাকায় ১৫০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১
১৩অক্টোবর,রবিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আকবরশাহ্ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নের্তৃত্বে এসআই(নিঃ)আশহাদুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ সিটি গেইট চেক পোষ্ট ডিউটি করাকালে আকবরশাহ্ থানাধীন সিটি গেইটের উত্তর পার্শ্বে মোস্তফা হাকিম কলেজ রোডের মাথায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পাক্কা রাস্তার উপর হইতে ১৫০(একশত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা সহ আসামী মোঃ আবু তাহের(২৮), পিতা-আব্দুল খালেদ, মাতা-শাহিনুর বেগম, সাং-পাদরি শিবপুর, খালেদ হাওলাদারের বাড়ি, থানা-বাকেরগঞ্জ, জেলা-বরিশাল কে আটক করেন। আসামীর বিরুদ্ধে আকবরশাহ্ থানায় মাদকদ্রব্য আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হইয়াছে।
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়
১২অক্টোবর,শনিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথমে মোবাইল ফোনে কথোপকথন। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। সপ্তাহ খানেক কথা বলার পর নির্জন স্থানে ঘুরতে যাওয়া। এরপর অনৈতিক সম্পর্কের কথা বলে নিজের বাসায় নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে অর্থ আদায় করা। পেশাদার অপরাধীদের পাশাপাশি এখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিত তরুণরা জড়িয়ে পড়েছে এ কাজে। এ অপরাধে তিন ছাত্রকে আটক করেছে খুলশী থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলো চট্টগ্রাম কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ইফতেখারুল আলম (২৫), ইউএসটিসির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র মোহাম্মদ তালিম উদ্দিন (২৪) ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র সালেহিন আরাফাত (২৮)। পড়াশোনার পাশাপাশি সালেহীন তার বাবার সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেন। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, তিন যুবকই অভিজাত পরিবারের সন্তান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তারা একটি ব্ল্যাকমেইলিং চক্রের সদস্য। ঘটনার শিকার হাসান তারেক (৩৭) নগরীর পাঁচলাইশ থানার রহমান নগরের হাতিম বিল্ডিংয়ের বাসিন্দা মোফাজ্জল আহমেদের ছেলে। তিনি রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে নগরীর বিশ্বকলোনি ডি-ব্লকের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ওষুধ কোম্পানির ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বাসাও বিশ্বকলোনি এলাকায়। তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ আগে হাসান তারেক কোম্পানির কাজে বিশ্বকলোনিতে যান। সেখানে ইশরাত নামে এক মেয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্রে ১০ অক্টোবর রাতে মেয়েটি হাসান তারেককে বিশ্বকলোনির ডি-ব্লকে তার বাসায় ডেকে নেয়। বাসায় যাওয়ার পর চার যুবক সেখানে প্রবেশ করে এবং তাকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে। হাসান তারেক প্রথমে বিকাশের মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকা দেন। কিন্তু এতে ঘটনায় জড়িতরা খুশি হননি। তারা আরও টাকা দাবি করলে ভোরের দিকে হাসান তারেক তার ছোট বোনকে দুটি চেক নিয়ে খুলশীতে ইউএসটিসির সামনে আসতে বলেন। এসময় হাসানের কণ্ঠস্বর শুনে বোনের সন্দেহ হলে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। খুলশী থানার একটি টিমও ছদ্মবেশে ইউএসটিসির সামনে অবস্থান নেয়। তালিম চেক নিতে এলে পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে। এরপর তার দেওয়া তথ্যমতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে হাসানকে উদ্ধার করা হয় এবং দুই জনকে আটক করা হয়। তবে ইসরাত এবং রুমি নামে দুই জন পালিয়ে যান। ওসি খুলশী জানান, যেহেতু ঘটনাস্থল আকবরশাহ থানাধীন এলাকায় তাই ভিকটিম এবং আসামিসহ সবাইকে ওই থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় হাসান তারেকের বোন শারমিন ফারজানা বাদী হয়ে সেই থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এ চক্রের অন্য দুই সদস্য পলাতক ইসরাত এবং রুমিকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
দুস্থদের মাঝে লায়ন্স ক্লাব বাতিঘরের বস্ত্র বিতরণ
১২অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং বাতিঘর -এর উদ্যোগে মাঝির ঘাট চট্টগ্রাম বন্দর লাইটারেজ ঠিকাদার সমিতির কার্যালয়ে পার্বত্য ফকিরপাড়ায় দুস্থদের মাঝে নতুন শাড়ী- লুঙ্গি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন এম এ মুসা বাবলুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন জি.কে লালা, রিজিয়োন চেয়ারপারসন হেড কোয়ার্টার লায়ন মো. হারুন ইউসুফ, কর্নসান রিজিয়ন চেয়ারপারসন লায়ন এ্যাডভোকেট এম নুরুল ইসলাম, রিজিয়ন চেয়ারপারসন লায়ন কাজী মনিরুল ইসলাম, ক্লাব সেক্রেটারি লায়ন হারন অর রশিদ মান্না, ক্লাব ট্রেজারার লায়ন লতিফা ইয়াসমিন নিপা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব মেম্বার লায়ন নোবেল কিশোর চৌধুরী, লায়ন প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, লায়ন প্রনব সাহা, লায়ন অর্জিত চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ১০০ জনের মধ্যে নতুন শাড়ী ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
কন্যা সন্তানের পেছনে বিনিয়োগ মানে শ্রেষ্ঠ ভবিষ্যতের পেছনে বিনিয়োগ
১২অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস-১৯ উদযাপন উপলক্ষে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট গভর্নমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিমা আবদুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এইউডব্লিও রেজিস্ট্রার ড. ডেভ ডোল্যান্ড। প্রধান আলোচক ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের ফিল্ড অফিস প্রধান মাধুরী ব্যানার্জী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে মেয়েদের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে। কেননা মেয়েদের জন্য বিনিয়োগ মানে একটি ভাল ও শ্রেষ্ঠ ভবিষ্যতের পেছনে বিনিয়োগ করা। এরপর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের প্রাক্তন ছাত্রী ও বর্তমানে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কর্মরত অক্সফামের সিনিয়র পাবলিক হেলথ প্রমোশন অফিসার মৌরি রহমান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাল্য বিবাহের ঝুঁকি ও ভয়াবহতা সম্পর্কে তুলে ধরেন। জাতিসংঘ ২০১২ সাল থেকে ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল কন্যা শিশুর অগ্রযাত্রা, দেশের জন্য নতুন মাত্রা। এরই ভিত্তিতে কন্যা সন্তানদের বাল্য বিবাহ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের শিক্ষার্থী শ্রাবস্তী রায় নাথ। উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান, ইনার হুইল ক্লাব চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রেহেনা আলম খান, ইউসেপ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান পারভীন মাহমুদ এফসিএ এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেহরিন শাহজাহান নাওমী। আলোচনায় প্রফেসর রেহেনা আলম খান অল্প বয়সী মেয়েদের বাল্য বিবাহের কারণে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকির ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোকপাত করেন। পারভীন মাহমুদ তার বক্তব্যে বাল্যবিবাহের অন্যতম কারণ দারিদ্র্যতার ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নে অন্যতম পাথেয় হিসেবে কর্মমুখী শিক্ষার উপর জোরারোপ করেন। অধ্যাপক শেহরিন শাহজাহান নাওমী তার বক্তব্যে বাল বিবাহ প্রতিরোধে সবার অভ্যাসগত পরিবর্তনে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। সাংসদ ওয়াসিকা আয়শা খান বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের গৃহিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে তুলে ধরেন। বিশেষ করে শিশু সুরক্ষা ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ১০৯ ও ৯৯৯ হেল্প লাইনের ভূমিকা সম্পর্কে সবাইকে অবগত করেন। তিনি বলেন, মেয়ে সন্তানদের গুরুত্ব আগে পরিবারকে অনুধাবন করতে হবে, তারপর সমাজ এবং দেশ করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
নির্যাতন থেকে কন্যাশিশুদের রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে:
১২অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চেমন আরা বলেছেন, শিশুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পরিবারের, সমাজের, রাষ্ট্রের ও সকলের। বিভিন্ন কারণে কন্যাশিশুরা ধর্ষণ, নির্যাতন ও ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে। পারিবারিক অসচেতনতার কারণে অনেক শিশু শিক্ষার আলো ও তাদের অন্যান্য ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ১৮ বছরের নিচে বাল্য বিবাহের কারণে অনেক কন্যাশিশু অকালে ঝরে পড়ছে। ডিভোর্সের শিকার হচ্ছে অসংখ্য নারী। গতকাল ১১ অক্টোবর সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা শিশু একাডেমি আয়োজিত শিশু সমাবেশ, চিত্র প্রদর্শনী, নাটক ও মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এসব কিছু বিবেচনায় এনে শিশুদের কল্যাণ, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বহুমুখী উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। মেয়েদের অধিকার মেয়েদেরকেই আদায় করে নিতে হবে। অধিকার আদায় করতে গিয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা নয়, সমন্বয়ের মাধ্যমে করতে হবে। কন্যাশিশু কোথায় যাচ্ছে, কি করছে, কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে কিনা, কারো কুপ্রস্তাবে সাড়া দিচ্ছে কিনা কিংবা কেউ কোনো ধরনের লোভ দেখিয়ে ফুসলিয়ে কন্যাশিশুকে অনৈতিক কাজে নিচ্ছে কিনা তা পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদের সবসময় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। কন্যাশিশুদের সুরক্ষা ও তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে যাতে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে সকল অভিভাবক ও শিক্ষকদের সচেতন হতে হবে। বাল্য বিবাহ রোধসহ নানামুখী নির্যাতন থেকে কন্যাশিশুদের রক্ষায় সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘কন্যা শিশুর অগ্রযাত্রা, দেশের জন্য নতুন মাত্রা।’ অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল জেলা প্রশাসন, ইউনিসেফ ও ঘাসফুল। শিশু একাডেমির জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নারগীস সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দিপীকা দে, ঘাসফুলের কো-অর্ডিনেটর যোবায়ের রশীদ, অবসর সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সভাপতি সঞ্জিত আলম। বক্তব্য রাখেন, শিশু প্রতিনিধি মিফতাহুল জান্নাত জেবা। অনুষ্ঠানের শুরুতে ফিতা কেটে কন্যাশিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন প্রধান অতিথি। সবশেষে শিশুদের নৃত্য ও নাটক মঞ্চস্থ হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির সাথে বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
১০অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই অসামপ্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও সমাজের বিশৃঙ্খলা দূর করা সম্ভব। সমাজের গুটিকয়েক বিপথগামী মানুষের জন্যই সমাজ তথা দেশ আজ দ্বিধা বিভক্ত। সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজ উন্নয়নে কাজ করতে হবে। এজন্য সমন্বিত প্রচেষ্টার কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শিক্ষাখাতকে বিশ্বের দরবারে উচ্চস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশ গঠনে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তিনি গত ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে নগরীর প্রধান পূজামণ্ডপ জেএম সেন হলে শারদীয়া দুর্গোৎসবের মহানবমীতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। পরিষদের সভাপতি এডভোকেট চন্দন তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহাজাদা মহিউদ্দিন, চসিক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, পরিষদের সাবেক সভাপতি সাধন ধর, লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিবু প্রসাদ দত্ত, পরিষদের সহ-সভাপতি লায়ন দুলাল চন্দ্র দে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত , কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী । পরিষদের সিনিয়র সদস্য পুলক খাস্তগীর ও দোলন দেব এর যৌথ সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অর্পন কান্তি ব্যানার্জী, যুগ্ম সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল, মিথুন মল্লিক, এড. নটু চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দত্ত, সিনিয়র সদস্য নিখিল ঘোষ, সাধন সিংহ, সাংবাদিক প্রদীপ শীল, পরিষদ কর্মকর্তা বিপ্লব সেন, সুকান্ত মহাজন টুটুল, এড. তপন কুমার দাশ, চন্দন কুমার পালিত, অঞ্জন দত্ত, পিন্টু দত্ত তমাল, রাহুল দাশ, সৌরেন দত্ত, স্ট্যালিন দে, অরুন রশ্মি দত্ত, প্রিয়তোষ ঘোষ রতন, সুভাষ বিশ্বাস, বিশ্বজিত রায়, সঞ্জয়িতা দত্ত পিংকি, নারায়ণ সিংহ, প্রসেনজিৎ সরকার, অশোক দেব লিটন, যীশু তালুকদার, তাপস দে, অজয় চৌধুরী সাজু, অমিত ঘোষ, সুব্রত শীল রাজু, রাজন দাশ, অসিক দত্ত, জয় চৌধুরী, বিবেক দেব, দীপ্ত সিংহ, রিপন রায় চৌধুরী, শুভজিত দাশ, কুশন সেন, অয়ন ধর প্রমুখ। রাতে দীপংকর দেবনাথ ও রাজেশ বিশ্বাসের পরিচালনায় মনোজ্ঞ সঙ্গীত পরিবেশন করেন বেতার ও টিভি শিল্পী আলাউদ্দিন তাহের, প্রেমসুন্দর বৈষ্ণব, নীলিমা বিশ্বাস, প্রিয়া চক্রবর্তী। পুঁথি পরিবেশন করেন কবিয়াল কল্পতরু ভট্টাচার্য্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি : কামরুন মালেক
১০অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্টোবর সেবা মাস উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম প্লাটিনামের উদ্যোগে হালিশহরস্থ মোল্লাপাড়া আব্দুল হামিদ সরকার হামিউস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। ক্লাব সভাপতি লায়ন এম এ কাশেমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন জেলা গভর্নর কামরুন মালেক। প্রধান অতিথি বলেন, সমাজের কম সৌভাগ্যবান মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। বিশ্ব লায়ন দিবসে এতিম ও অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। তিনি আরো বলেন যারা এতিম শিশুদের নিয়ে কাজ করেন তারা ইহকাল ও পরকাল দুটোরই সওয়াবের ভাগীদার হবেন। এজন্য তিনি প্লাটিনাম লায়ন্স ক্লাবের সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি এই মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এতিম না ভেবে নিজের ছেলে মেয়ের মত মানুষ করার জন্য মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্বিতীয় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ। ক্লাব কো-অর্ডিনেটর ও রিজিওন চেয়ারপার্সন লায়ন আব্দুল্লাহ আল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন জি কে লালা, রিজিওন চেয়ারপার্সন (ক্লাব) লায়ন আবু মোর্শেদ, মাদ্রাসা কমিটির সেক্রেটারি সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, ক্লাবের চার্টার্ড প্রেসিডেন্ট লায়ন কে এম মাহবুবুর রহমান, মেম্বারশিপ চেয়ারপার্সন লায়ন কামরুল হাসান, ইকবাল খোকন, লায়ন আব্দুল্লাহ আল আহাদ, লায়ন ফরিদ মজুমদার, লায়ন এমডি নাঈমুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। এ উপলক্ষে কেক কেটে এতিম শিশুদের খাওয়ানো হয়। কর্মসূচিতে প্রায় ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে চক্ষু পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। শেষে মুনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা হারুন-অর-রশিদ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর