শনিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২১
যোগ্য ব্যাক্তির মূল্যায়ন চাই
০১আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের দেশে যোগ্য ব্যক্তিরা খুব কমই মূল্যায়িত হন। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি অনেক যোগ্য ব্যাক্তি মারা যাবার পরে তাকে রাষ্ট্র কতৃক মূল্যায়ন করেছেন। যোগ্য ব্যাক্তিদের মূল্যায়ন না করলে যে যোগ্যরা হারিয়ে গিয়ে অযোগ্য ব্যাক্তিরা বাহবা পাবেন সেটা অন্তত সাধারণ জনগন চান না। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের দু দুবারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর কথায় এতক্ষণ বলছিলেন কাট্টলীর ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও আকবরশাহ থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লোকমান আলী। তিনি বলেন, ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুকে কাউন্সিলর হিসেবে পেয়ে আমরা কাট্টলী বাসী অনেক আনন্দিত। যোগ্যতায় শিক্ষায় সহ সর্বধিক দিয়ে নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু চসিকের কাউন্সিলরদের মধ্যে অন্যতম। বিগত দুই বারের মেয়াদকালে তিনি উক্ত ওয়ার্ডে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন, সেই পরিমান উন্নয়ন চসিকের অন্য ওয়ার্ডে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তিনি এই করোনা মহামারীতে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে এলাকা বাসির সেবায় রাত দিন অকাতরে কাজ করে গেছেন। এলাকার যে কোনো কাজে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এবং অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিতেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতেন। বর্তমানে চসিকের (২০২০) নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে মূল্যায়িত করে পুনরায় উক্ত ওয়াডের দলীয় কাউন্সিল হিসেবে মনোনয়ন ও সমথর্ন দিয়েছেন। মহামারীর কারনে চসিকের নির্বাচন (২০২০) স্থগিত হওয়ায় আইনি বাধ্যবাধকতায় চসিকের প্রশাসক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে প্রশাসক পরিষদের সদস্য হওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ড থেকে নাম সবস্য বেশ কয়েকজন ব্যক্তি জোর লবিং করছে বলে জানতে পারি। তাই ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর সুখে দুঃখের সাথী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ যোগ্য কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর সটিক মূল্যায়ন হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য যোগ্য লোকের সটিক মূল্যায়ন চাই। জানাগেছে, ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে মেগা সিটিতে রুপান্তর করার জন্য মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পরামর্শ মতে কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছেন এবং করোনা মহামারীর শুরু থেকে সর্ব্বখনিক এলাকার জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং জোনভিত্তক লকডাউনের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথম লকডাউন এলাকা ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে মেধা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে লকডাউন সফল করেছেন তিনি। কাট্টলী বাসির দাবি তাকেই যেনো সিটি প্রশাসকের পরিষদ সম্মানের সহিত মূল্যায়িত করেন। উল্লেখ্য, চসিকের বর্তমান পর্ষদের নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল। এতে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। ৬ মে শপথ নেন তিনি। তবে আইনি বাধ্যকতার কারণে সাথে সাথে দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। ওই বছরের ২৬ জুলাই দায়িত্ব নেন। ৬ আগস্ট প্রথম সাধারণ সভা করেন। ওই হিসেবে আগামী ৫ আগস্ট মেয়াদ শেষ হবে। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অ্যাক্ট-২০০৯ এর ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববতী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। ওই হিসেবে আগামী ৫ আগস্টের পূর্বে নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। গত ২৯ মার্চ এ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২১ মার্চ নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছিল ইসি। সর্বশেষ ১৬ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ৫ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিল ইসি। এদিকে মেয়াদ শেষ হলে সিটি কর্পোরেশন পরিচালনায় প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অ্যাক্ট সংশোধিত-২০১১ এ বলা আছে, একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেয়া যাবে। অবশ্য স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন)-২০০৯ অ্যাক্টের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন পরবর্তী নতুন পরিষদের প্রথম সাধারণ সভা পর্যন্ত বর্তমান পর্ষদের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ আছে।
পটিয়াবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী
৩১জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আধুনিক পটিয়ার উন্নয়নের স্থপতি ও রূপকার, জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহা উপলক্ষে, পটিয়াবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনার মধ্যে ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। এবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বন্যা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে এসব দুর্যোগ কাটিয়ে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ঈদুল আজহার দিন তিনি তাঁর গ্রামের বাড়ি পটিয়া হাউসে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এলাকাবাসীর সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন এবং যারা অসুস্থ হয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, আল্লাহর কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি, পটিয়ায় করোনাকে আমরা দেশের অন্যান্য এলাকার চাইতে এলাকাবাসীর সচেতনতার কারণে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। ঈদুল আজহার দিনগুলোতেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে কুরবানীর পশু ক্রয় ও জবাই করার পর পশুর বর্জ্য মাটিতে পুঁতে ফেলার এবং জবাইকৃত স্থানে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিস্কার করার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ যাতে বিষাদে পরিণত না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২ মাসে অর্ধকোটি টাকার উন্নয়ন করা হয়েছে। এখন উপজেলা পর্যায়ে এটি একটি আধুনিক হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। পটিয়াবাসীকে এখন আর সাধারণ রোগ বা অক্সিজেনের প্রয়োজনে শহরে দৌড়তে হবেনা। হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, পটিয়ার গ্রামীন রাস্তাঘাটের সংস্কার ও আরসিসি ঢালাই রাস্তা নির্মান,পটিয়ার সাথে বোয়ালখালী,আনোয়ার, রাঙ্গুনিয়, বান্দরবানের কানেক্টিভিটি রাস্তার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে , পটিয়ায় একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, হর্টিকালচার সেন্টার, ইপিজেড, শেখ রাসেল স্টেডিয়াম, মডেল মসজিদ, গভীর নলকূপ, ইলেকট্রনিক সার্কুলার বাস সার্ভিস চালুসহ নানামূখী উন্নয়ন কাজ চলছে। এসব কাজ শেষ হলে পটিয়া একটি আধুনিক শহরে পরিণত হবে। তিনি বলেন বিগত ১১ বছর এমপি হওয়ার সুবাদে অনেক দেশেই যেতে হয়েছে এবং তাদের উন্নয়ন চিত্র নিজ চোখে দেখে এসেছি। এসব অভিজ্ঞতার আলোকে এখন আমি পটিয়াকে সাজাতে চাই। ৫ লক্ষ জনসংখ্যা অধ্যুষিত পটিয়ার ১৭টি ইউনিয়নে ১২৪টি গ্রামে যত উন্নয়ন হয়েছে গত ১১ বছর, বিগত সরকারগুলোর সময়ে তা হয়নি। ঐসময় পটিয়া ছিল অবহেলিত। গ্রাম হবে শহর- এই মূলমন্ত্রে শেখ হাসিনার সরকার গ্রামের উন্নয়নে জোর দিয়েছে। আর সে লক্ষ্যেই পটিয়ার প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়েছি। পটিয়া এখন শতভাগ বিদ্যুতের আওতায়। লোডশেডিংও নেই। সন্ধ্যা নামলেই গ্রামে যে নিস্তব্ধতা নেমে আসতো এখন তা নেই। গ্রামের রাস্তায় এখন রাতে শহরের মত বাতি জ্বলে। গ্রামে বিদ্যুত থাকার কারণে ছোট ছোট ফার্ম,কারখানা ও দোকান পাট গড়ে উঠছে। পটিয়ার ছেলেদের কর্মসংস্থান হয়েছে। বেকারত্ব নেই বললেই চলে। তিনি বলেন, পটিয়ায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মডেল মসজিদ, শেখ রাসেল স্টেডিয়াম, হাইদগাঁও এলাকায় হর্টিকালচার সেন্টার এবং চা বাগান এলাকায় কৃষি নির্ভর অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠার মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীনের পথে। আশা করছি ২ বছরের মধ্যেই এসব শেষ করতে পারলে পটিয়া হবে শহরের পাশে উপশহর। কর্ণফুলী টানেলের সাথে পটিয়ার সংযোগ সড়ক হয়েছে। এটিকে আরো কীভাবে সম্প্রসারণ করে পটিয়ার সাথে কানেকটিভি বাড়ানো যায় সে পরিকল্পনাও রয়েছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম শহর ও কক্সবাজারের সাথে রেল কানেকটিভিটির সাথে আমরা পটিয়াকে যুক্ত করেছি। পটিয়া পৌরসভাকে চীনের অাদলে একটি মডেল ও দৃষ্টিনন্দন পৌরশহর গড়ে তোলা হবে। আমজুর হাট থেকে পৌরসভার শেষ প্রান্ত শ্রীমাই পর্যন্ত চার লেইন রাস্তার কাজও চলমান রয়েছে। পৌরসভার ড্রেনের উপর দিয়ে ফুটপাত দিয়ে লোকজন হাঁটছে। প্রতি ১০ মিনিট পর পর যাতায়াত করবে এমন আভ্যন্তরীন গাড়ীর উদ্যোগ নেয়া হবে। মাত্র ৫ টাকায় লোকেরা যাতে শহরের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে পারে সে জন্য বিশেষ ধরণের এ গাড়ির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন চীনে এ ধরণের গাড়ি চলতে আমি দেখেছি। তিনি বলেন, আমি পটিয়ার, পটিয়া আমার এটি একসময় শ্লোগান মনে হলেও এখন এটি বাস্তবতা। পটিয়াকে আমি যেমন ভালবাসি তেমনি পটিয়ার মানুষও আমাকে ভালবেসে পরপর ৩ বার হ্যাট্টিক বিজয়ী করেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তিনি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।- - পটিয়া নিউজ
শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস
৩১জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে এবার শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। প্রশাসনিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯-২০২০ সালের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তিনি ২০১৮ সালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, প্রযুক্তি, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্নয়ন করেন। সর্বশেষ করোনা সংক্রমণ রোধ ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন দক্ষ ভূমিকা রেখেছে। করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে নিতে লকডাউন কার্যকর, সামাজি দূরত্ব, স্বাস্থবিধি মানা, ত্রাণ বিতরণ ও ঘুণিঝড়ে মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় সেন্টারে আনাসহ বিভিন্ন কাজের জন্য তার ভূমিকা প্রশংসা পেয়েছে। এর আগে কাজের তাঁর ঝুলিতে জমা পড়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসকসহ অনেক পুরস্কার। সর্বশেষ কর্ম দক্ষতা ও সঠিক পরিকল্পনাও সততার জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন। এছাড়া বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় কর্মকর্তা খন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত ও কর্মচারী নেপাল কান্তি দাশ এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আগামী ১০ আগস্ট এ পুরস্কার প্রদান করা হবে বলে ২৬ জুলাই চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) ও সদস্য সচিব নৈতিকতা কমিটি বিভাগীয় কার্যালয় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।- সূত্র: চট্টগ্রাম প্রতিদিন
আওয়ামীলীগ নেত্রী নূর মেহের বেগমের ইন্তেকাল
৩০জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শ্রমমন্ত্রী, মহানগর আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এম এ মান্নানের সহধর্মিণী নূর মেহের বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোররাত ৩টার দিকে নগরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷ জানা গেছে, সাবেক মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী নূর মেহের বেগমের নামাজে জানাজা আজ বাদে আসর জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরে বাগমনিরামস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। নূর মেহের মান্নান মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আবদুল লতিফ টিপু ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলম দিদারের মাতা।
বিকেল ৫টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত চসিক
২৯জুলাই,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালে সর্বোচ্চ সতর্কতায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। বিকেল ৫টার মধ্যে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য করপোরেশন প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক, ৩৫০টি গাড়ি, পশু জবাইকৃত স্থানে ২০ টন ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর ব্যবস্থা করেছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রস্তুতি সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। চসিক বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য নুরুল হকের সভাপতিত্বে সভায় চসিক কাউন্সিলর মোবারক আলী, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম বিশেষ অতিথি ছিলেন। বর্জ্য অপসারণে সংশ্লিষ্টরা মতামত, লোকবল ও গাড়ির চাহিদা ও পরিকল্পনার কথা সভায় তুলে ধরেন। ৪১টি ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা বর্জ্য অপসারণে তাদের কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ওয়াকিটকি, গাড়ি, টমটম গাড়ি ইত্যাদির চাহিদার কথা উল্লেখ করে তা সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। চসিক এবার ৪টি জোনে ভাগ করে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করবে। ৪টি জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর মোবারক আলী (১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড), কাউন্সিলর মো. আবদুল কাদের (২৩, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১), কাউন্সিলর নুরুল হক (১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫) ও কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী (৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬)। করপোরেশনের পক্ষ থেকে এবার বর্জ্য অপসারণে কোনো ওয়ার্ডে যত ট্রিপ গাড়ি দেওয়া প্রয়োজন তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে সভায়। এ জন্য দামপাড়ার চসিক কার্যালয়ে ১টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলাসহ চসিকের প্রকৌশল বিভাগের যান্ত্রিক শাখা ও পরিবহন পুল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণে নগরবাসী, সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর, করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন, প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। বিশেষ করে এবার করোনাকালে সর্বোচ্চ সর্তকতার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন। তিনি এবারও বর্জ্য অপসারণে চসিকের সাফল্য ধরে রাখতে পারলে পরিচ্ছন্ন বিভাগের দায়িত্বরত শ্রমিক-সেবকদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান। সভায় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ সফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজার ও দলনেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য- বজ্রকণ্ঠ উদ্বোধন
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নগরের হালিশহর বড়পোল মোড়ে নির্মিত হয়েছে বজ্রকণ্ঠ ভাস্কর্য। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ৮৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে বেইজসহ (বেদি) ২৬ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি স্থাপন করেছে। মূল ভাস্কর্যের উচ্চতা ২২ ফুট। সাদা সিমেন্টের (আরসিসি) ঢালাইয়ের মাধ্যমে ভাস্কর্যটির স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়, যার ওজন প্রায় ৩০ টন। এর আগে প্রায় ৪ মাস ধরে মাটি (মডেলিং ক্লে) দিয়ে মূল ভাস্কর্যের আদলটি তৈরি করা হয়েছিল। বুধবার (২৯ জুলাই) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। মেয়র বলেন, বজ্রকণ্ঠ ভাস্কর্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিরচেনা ঐতিহাসিক ভাষণের অভিব্যক্তিকে। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আর দূরদর্শী রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় বাঙালি অর্জন করেছিল একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। বাংলাদেশ আজ যখন শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ইত্যাদিতে উন্নতির ধারাবাহিকতায় এগিয়ে চলছে তখন এলো বাংলাদেশের মহান স্থপতি, সময়ের সাহসী কণ্ঠস্বর জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী। ভাষণরত বঙ্গবন্ধুর শক্তিশালী সেই হাতটিই যেন সমগ্র বাঙালি জাতির ঐক্যবদ্ধতার প্রতীক। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রায় ৫০ বছর পার করতে চলেছে। জাতির অতীত গৌরবময় পর্বকে নতুন প্রজন্মের সামনে মূর্ত করে তুলে ধরতেই বজ্রকণ্ঠ শিরোনামের এ ভাস্কর্য প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উদ্দীপ্ত করবে নিঃসন্দেহে। একটি দেশের শিল্প-সংস্কৃতিতে ভাস্কর্যও একটি শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ভাস্কর্য (পাবলিক প্লেস স্কাল্পচার) পৃথিবীর বহুদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে প্রভাব বিস্তার করছে। বজ্রকণ্ঠ ভাস্কর্যটির দীর্ঘ স্থায়িত্বকাল নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর বেদির (বেইজ) ভূগর্ভস্থ অংশ ও উপরিতলের অংশে রডের কাঠামো এমনভাবে দেওয়া হয়েছে যা স্বাভাবিক মাত্রার ভূমিকম্পেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। মূল ভাস্কর্যের (আরসিসি) ঢালাই ও শক্তিশালী এমএস রডের কাঠামোর পাশাপাশি কিছু বিশেষ জায়গায় এসএস রড ব্যবহৃত হয়েছে। দীর্ঘতর সময়কাল স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পানি, অক্সিজেন ও লবণ ঘটিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে বিশ্বসেরা কোম্পানি থেকে সংগৃহীত ক্যামিকেল-যৌগ ঢালাইয়ের মিশ্রণে সুনির্দিষ্ট অনুপাতে মেশানো হয়েছে। এ ছাড়া কিউরিং (পানিশোষণ প্রক্রিয়া) পর্ব পার করে ভাস্কর্যকে পূর্ণ শুকিয়ে নিয়ে এতে শেওলা প্রতিরোধী কেমিক্যাল স্প্রে (ওয়েদার কোট) ব্যবহার করা হয়েছে। ভাস্কর্যের সলিডিটির অনুভূতিকে বাঁচিয়ে রাখতে ফেয়ার-ফেস পদ্ধতিতে এর ঢালাই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের তৎকালীন পরিচালক শিল্পী শায়লা শারমিন এবং নাট্যব্যক্তিত্ব আহমেদ ইকবাল হায়দারের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে এই ভাস্কর্যকর্ম সৃজিত। এ ভাস্কর্যের ভাস্কর হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ভাস্কর মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম ভাস্কর্যের নকশা (মডেল) প্রণয়ন থেকে শুরু করে মূল ভাস্কর্য নির্মাণের সার্বিক কার্যক্রম সম্পাদনা করেন। এই ভাস্কর্য তৈরিতে সহযোগী শিল্পী হিসেবে ছিলেন জয়াশীষ আচার্য্য, তপন ঘোষ ও মোহাম্মদ পারভেজ আলম, শিক্ষার্থী বিলাস মণ্ডল, নুর-এ-আলা সিদ্দিক, গোপাল কৃষ্ণ রুদ্র, মোস্তাফিজুর রহমান তোহা ও জয়দীপ দেওয়ানজী। এ ভাস্কর্যের অন্যতম একজন সহ-শিল্পী তরুণ ভাস্কর্য তপন ঘোষ বজ্রকণ্ঠ নাম প্রস্তাব করেছিলেন। চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান এ ভাস্কর্য নির্মাণের ক্ষেত্রে নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন। তারা এ ভাস্কর্যের বেইজমেন্টের ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং প্রণয়নসহ বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেছেন। উদ্বোধনকালে কাউন্সিলর এইচএম সোহেল, নাজমুল হক ডিউক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, এরশাদ উল্লাহ, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, টিআইসির পরিচালক আহমেদ ইকবাল হায়দার, মেয়রের একান্ত সহকারী রায়হান ইউসুফ, আতিকুল ইসলাম, শায়লা শারমিন, সাবেক কাউন্সিলর লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, ঝুলন কান্তি দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, প্রকৌশলী রেজাউল বারী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেবি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জাবেদ আলম, রাজনীতিক বেলাল আহমদ, এনামুল হক মুনিরী, আবু সুফিয়ান, এসএম মামুনুর রশিদ, সুমন দেবনাথ, আনিসুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
ফ্লাইওভারে সুতা বেঁধে ছিনতাই, Rab-7 এর হাতে আটক ৬
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফ্লাইওভারে ঘুড়ি উড়ানোর সুতা বেঁধে মোটরসাইকেল আরোহীদের গতিরোধ করে ছিনতাইংয়ের সঙ্গে জড়িত দুই কিশোরসহ ছয়জনকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) Rabর পক্ষ থেকে তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয়। Rab জানিয়েছে, আকবরশাহ থানাধীন সাহেরপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে চারটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ছয়জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানিয়েছে Rab। তারা হলো- মো. জাকির হোসেন (৩২), মো. সুমন (১৯), মো. দেলোয়ার হোসেন (১৯) ও মো. হাসান প্রকাশ আকাশ (১৯)। দুই কিশোরের পরিচয় জানায়নি Rab। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, ফ্লাইওভারে ঘুড়ি উড়ানোর সুতা বেঁধে মোটরসাইকেল আরোহীদের গতিরোধ করে ছিনতাইংয়ের সঙ্গে জড়িত দুই কিশোরসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চারটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্লাইওভারে সুতা বেঁধে মোটরসাইকেল আরোহীদের গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করে আসছিল। তাদের আকবরশাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
খোকন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক হিসেবে দেখতে চাই
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৃণমূল এনডিএম চেয়ারম্যান ও চসিক মেয়র প্রার্থী জননেতা খোকন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী। খোকন চৌধুরীকে আ.জ.ম. নাছির উদ্দিনের বিকল্প হিসেবে মনে করছেন এলাকাবাসী। কারণ তার যোগ্য তিনি নিজেই। তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে চট্টগ্রামকে ঢেলে সাজাতে পারবেন বলে আমরা মনে করি। খোকন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন সেইজন্য তার মত ব্যক্তিত্বেরই বেশী প্রয়োজন আমাদের এই চট্টগ্রামে। তিনি ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে এলাকায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি একজন নীতিবান পরিচ্ছন্ন নেতা। তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত উন্নয়নের চট্টগ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যে সততার পরিচয় দিয়েছেন, তাতে এলাকার সব শ্রেণী-পেশার মানুষ তার প্রতি সন্তুষ্ট। পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মী তথা চট্টগ্রামবাসীর একটাই দাবি সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ খোকন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে দেখতে চান। তার বর্তমান অবদান মূল্যায়ন করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বানানোর জন্য আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। এলাকাবাসী বিশ্বাস করে, তাকে প্রশসক বানালে চট্টগ্রামে এ উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে। জননেতা খোকন চৌধুরী প্রথম থেকেই এলাকার উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগী। খোকন চৌধুরী তার নিজস্ব তহবিল থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে কর্মহীন মানুষগুলোর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে চলেছেন। হাজার হাজার কর্মহীন মানুষের মাঝে চাল, ডাল, আলু, তেল ও চিড়া বিতরণ করে তাদের আহারের ব্যবস্থা করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন, এখনও যাচ্ছেন। তিনি কর্মহীন দিনমজুর ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। গত লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করে ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় এলাকায় লক্ষ মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার পাশাপশি কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের দুর্দশা লাঘবে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের এবং জনগণের মঙ্গলের কথা চিন্তা করা লোকের বড় অভাব। এই ধরনের সংখ্যা নেই বললেই চলে। করোনা ভাইরাসের কারণে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তাদের জন্য তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য অর্থ দিয়েছেন। সেই অর্থ দিয়েই খাদ্য সামগ্রী কিনে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। তার মতো সবাই এভাবে এগিয়ে আসলে এ সমাজ একদিন মানবিক হয়ে উঠবে। চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন অলি-গলিতে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী জনগণের পাশে থেকে ব্যাপক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা সৎ, দক্ষ, নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ, দেশপ্রেমিক নেতাদেরকে চিনতে ভুল করি। তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর চেয়ারম্যান জননেতা খোকন চৌধুরী সততা, নিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতার আদর্শের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমরা জাতী হিসেবে তাকে এবং তার কর্মকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হলেন চট্টগ্রামের খেটেখাওয়া মানুষের জীবন্ত কিংবদন্তি। আজীবন তিনি দূর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। নিজের প্রাপ্তির জন্য অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নাই। সেজন্যে দেশে তার অবদান, দেশপ্রেম অতুলনীয়। তিনি দূর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত, ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, ন্যায় বিচার এবং সুশাসনের জন্য সংগ্রাম করেই চলেছেন। রাষ্ট্রের এই দূরবস্থায় তার মত অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে চট্টগ্রামের হাল ধরা উচিত। অনেকে মনে করেন তিনিই হতাশযুক্ত চট্টগ্রামবাসীকে মুক্তি দিতে পারবেন এবং আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করতে পারেন। ২০১৮ সালে তিনিই এই তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর নামকরণ করে একটি কাঠামো দাঁড় করেন। ঐ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। তিনি দলের নামকরণ করেন এবং সংগঠিত করেন। তৃণমূল এনডিএম এবং অঙ্গ সংগঠনগুলো সংগঠিত করার ব্যাপারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। দেশের অনেক মন্ত্রী, এমপি, দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়িয়েছে এবং জনগণের প্রশ্নের সম্মূখীন হচ্ছে। ঠিক ঐ সময়ে প্রকাশ্যে তিনি দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। দূঃখের বিষয় হলো তার ঐ প্রতিবাদ অনেকের কর্ণকুহরে প্রবেশ করে নাই। এর প্রতিবাদ স্বরূপ তিনি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন। তা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। এতে বুঝা যায় তিনি ইচ্ছে করলে চট্টগ্রামের মানুষের মুক্তির জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। তার আদর্শের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অবিচল। দেশে সু-শাসন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হোক, দেশের জনগণ স্বাধীন হোক, মুক্ত পরিবেশে সকলে সমান সুযোগ উপভোগ করুক। আমি আশাকরি খোকন চৌধুরীর চলমান আন্দোলন ও সফল হবে এবং ২০ কোটি জনগণ মুক্তি পাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ফের নাছির নাকি নতুন চমক, কে হবেন চসিকের নতুন প্রশাসক?
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না এবং চলতি পরিষদের মেয়াদ শেষে প্রশাসকের হাতেই যাচ্ছে চসিক পরিচালনার ভার এমন সিদ্ধান্ত আগেই হয়েছে। এখন নগরের রাজনীতি ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসক নিয়োগকে ঘিরে। কে হবেন চসিকের নতুন প্রশাসক? সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, চসিকের প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই। শেষ পর্যন্ত কি প্রধানমন্ত্রী কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনো কেউ নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও এই বিষয়ে নগরের রাজনীতিতে ছড়িয়েছে জল্পনা-কল্পনার ডালপালা। চসিক প্রশাসক পদে আবারও মেয়র নাছিরকেই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, কেউ কেউ মৃদু সুরে এমন সম্ভাবনার কথা বললেও শুরুতেই সেই সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন মেয়র নাছিরের ওপর সরকারের উচ্চ মহলের অসন্তোষের চিত্রটি অনেকটাই স্পষ্ট। এক্ষেত্রে নতুন কাউকেই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো। অন্যদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। সিটি কর্পোরেশন আইনে বলা আছে, কোন সিটি কর্পোরেশন মেয়াদোত্তীর্ণ হইলে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত উহার কার্যাবলী সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। তবে চলমান পরিস্থিতিতে চসিকে প্রশাসনের কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার চেয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ মুখ খুলতে রাজি না হলেও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে নতুন কাউকেই শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। আর এই আলোচনায় ঘুরেফিরেই আসছে নগর আওয়ামী লীগের দুই সহ সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল এবং খোরশেদ আলম সুজনের নাম। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় রাজনীতি ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা থাকা কাউকেই বেছে নেওয়া হতে পারে এই পদে। সে হিসেবে মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকা এই দুই নেতা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে থাকছেন অন্যদের চেয়ে। স্থগিত হওয়া চসিক নির্বাচনে নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুলকে সদস্য সচিব করা হলেও পরে তাকে সেই পদ থেকে সরিয়ে মেয়র নাছিরকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রবীণ এই নেতাকে প্রশাসক পদে এগিয়ে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে খোরশেদ আলম সুজনের নামও উচ্চারিত হচ্ছে সমানতালে। একাধিকবার মনোনয়ন চেয়েও না পাওয়া, আবার একবার পেয়েও হাতছাড়া করা সুজনকে অন্তত প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে হলেও তার না পাওয়ার আক্ষেপ ঘোচানো হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে এই দুই নেতার মধ্য থেকে একজনকে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি সমীকরণের কথাও আলোচনা হচ্ছে বেশ। বলা হচ্ছে চসিক নির্বাচনের পরপরই হতে যাচ্ছে নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সেক্ষেত্রে এই দুজনের মধ্যে একজনকে প্রশাসক করে অন্যজনকে নগরের দায়িত্বে আনা হতে পারে। আর এই সমীকরণে ইব্রাহীম হোসেন বাবুলের প্রশাসক হওয়ার পাল্লা ভারী বলেই ইঙ্গিত রাজনৈতিক মহলের। আগামী ৫ আগস্ট শেষ হতে যাচ্ছে চসিকের চলতি পরিষদের মেয়াদ। মেয়াদের আগে নির্বাচন করার নিয়ম মেনে গত ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচনের সব আয়োজন করেও করোনা পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত সেই নির্বাচন স্থগিত করে চসিক। পরে করোনা পরিস্থিতিসহ বর্ষা মৌসুমে অতি বৃষ্টি ও পাহাড় ধসের ঝুঁকি থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চসিক নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। এ প্রেক্ষিতে মেয়াদ শেষে প্রশাসক নিয়োগ করার কথা জানায় স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর