বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০
চট্টগ্রামে ভিটামিন এ- প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পন্ন
১১জানুয়ারী,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০। আজ সকাল ৮টায় কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে জেলা পর্যায়ের ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে। কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামছুল তাবরীজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালট্যান্ট ডা. সুরজিৎ ঘোষ, ইউনিসেফর বিভাগীয় নিউট্রিশন অফিসার ডা. উবা সুই চৌধুরী,ওয়র্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার খ্রিষ্টপার খুই, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জহরলাল পাল ও মনোয়ারা বেগম। অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন জানান, এবার চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি উপজেলার ২শ ইউনিয়নের ৬শ ওয়ার্ড, ১৫টি স্থায়ী কেন্দ্র, ১৫টি ভ্রাম্যমান কেন্দ্র ও ৪ হাজার ৮শ অস্থায়ী কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৬ জন শিশুকে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন এ- ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তন্মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৮৫ হাজার ৮৯ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙ্গের ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬ লাখ ৮০ হাজার ৩৯৭ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হবে। উপজেলাগুলোতে ৫১ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ১৫৬ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৫৫৯ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ৬৮৬ জন পঃ পঃ সহকারী, ১৫৩ জন পঃ পঃ পরিদর্শক, ৯ হাজার ৬৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক, ১৫ জন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, ৫১৭ জন সিএইচসিপি ও ৮৪ জন স্যাকমো নিয়োজিত রয়েছেন। সিভিল সার্জন বলেন, ভিটামিন এ- ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যু হার হ্রাস করে। কোন শিশু যাতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে লক্ষ্যে জেলার প্রত্যেক উপজেলা সদরসহ সর্বত্র মাইকিং করে জনগণকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির, হাট-বাজার, বাস স্ট্যান্ড, নৌ-ঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও ভিটামিন এ- প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আনসার-ভিডিপি ও এনজিও সংস্থাগুলো ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তিনি বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের যে কোন ধরণের অপপ্রচার ও গুজব রোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তিনটি টিম ও অন্য একটি টিম ভিটামিন এ- প্লাস ক্যাম্পেইন মনিটরিং করছেন। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমেও এ কার্যক্রম মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এ সময় জানানো হয়, ২০১৯ সালের ২২ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী ৮৩ হাজার ৭০৩ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল- যার অর্জিত হার ছিল ৯৯ শতাংশ । ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৩ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল- যার অর্জিত হার ছিল ৯৯.৯৮ শতাংশ।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহিলা আ.লীগের সভা
১১জানুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ্উদ্যোগে সংগঠনের সভানেত্রী মিসেস হাসিনা মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৬ ডিসেম্বর দেশ হানাদার মুক্ত হলেও হাহাকার ছিল বঙ্গবন্ধু কখন মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসবেন। তিনি এসেছিলেন এই দিনে, তার আগে নয়া দিল্লীতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা ইন্দিরাগান্ধীকে বলেছিলেন আপনার সেনাবাহিনীকে ফিরিয়ে নেবেন কিনা। তাই বঙ্গবন্ধু বাঙালি, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অভিন্ন সত্তা ইন্দিরা কথা রেখেছিলেন। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি মহা আনন্দের তবে এই দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করার জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এখন ৩য় বিশ্বে এগিয়ে আছে। তারপরও বলতে হয় নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা অহরহ ঘটছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নিলু নাগের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মমতাজ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মালেকা চৌধুরী, হোসনে আরা বেগম, খুরশিদা বেগম, হাসিনা আক্তার টুনু, লায়লা আক্তার এটলি, হুরে আরা বিউটি, শারমিন ফারুক, রহমতুনেছা, আয়েশা আলম, এডভোকেট রোকসানা আক্তার, ইশরাত জাহান চৌধুরী, ফাতেমা আক্তার, আয়েশা আক্তার পান্না, মনোয়ারা বাহাদুর, পারভীন সুলতানা, আয়েশা ছিদ্দিকা, তসলিমা নূর জাহান রুবি, শিমলা দাশ, শবনম ফেরদৌসি, শাহীন ফেরদৌসী, শিল্পী আক্তার মাহফুজা লিমা, নার্গিস, রোকসানা করিম, জেনিফার, সোনিয়া ইদ্রিস, কান্তা ইসলাম সহ আরো অনেকে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম ৮ উপ-নির্বাচন,দুই প্রার্থীরই কালুরঘাট সেতু নির্মানের আশ্বাস
১০জানুয়ারী ,শুক্রবার,বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শীতের তীব্রতাকে অপেক্ষা করে সরগরম চট্টগ্রাম ৮ উপ-নির্বাচনী এলাকা। প্রার্থীরা দিনরাত সমানে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। উক্ত আসনের প্রধান সমস্যা হচ্ছে কালুরঘাট সেতু। এই কালুরঘাট সেতুই এখন নির্বাচনের মূল প্রতিক।দক্ষিন চট্টগ্রামের প্রধান যাতায়াত মাধ্যম ছিল কর্ণফুলি নদির উপর দিয়ে নির্মিত কালুরঘাট সেতুটি।পরবতীতে শাহ আমানত সেতু নির্মানের ফলে দক্ষিন চট্টগ্রামের যাতায়াতে সুবিদা হলেও অন্ধকারে পওে থাকে বোয়ালখালী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বোয়ালখালী উপজেলার যাতায়াতের মাধ্যম হচ্ছে এই কালুরঘাট সেতু।১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বার্মা ফ্রন্টের সেনা পরিচালনার জন্য কর্ণফুলী নদীতে একটি আপৎকালীন সেতু তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ১৯৩০ সালে ব্রুনিক অ্যান্ড কোম্পানির ব্রিজ বিল্ডার্স হাওড়া নামে একটি সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কালুরঘাটে যুদ্ধকালীন ব্যবহারের জন্য একটি সেতু তৈরি করে। জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে নির্মিত ৭০০ গজ লম্বা সেতুটি ১৯৩০ সালের ৪ জুন উদ্বোধন করা হয়।পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে পুনরায় বার্মা ফ্রন্টের যুদ্ধ মোটরযান চলাচলের জন্য ডেক বসানো হয়। দেশ বিভাগের পর ডেক তুলে ফেলা হয়। ১৯৫৮ সালে এই একমুখী যুদ্ধসেতুটিই সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এ সেতুতে দুটি অ্যাবটমেন্ট, ছয়টি ব্রিক পিলার, ১২টি স্টিল পিলার ও ১৯টি স্প্যান রয়েছে।এই এক সেতু দিয়ে যান চলাচল, পায়ে হেঁটে পারাপার এবং রেল চলাচল করে থাকে। একমুখী চলাচলের কারণে দুই পাশে যানজট হওয়ার পাশাপাশি সেতুর ওপর চাপও বেড়েছে। যার জন্য বারবার মেরামত করে সেতুটি সচল রাখার ব্যবস্থা করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।২০০১ সালে রেলওয়ে সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে।বর্তমানে সেতুটি খুবই যুকিপূর্ণ।প্রয়াত সংসদ মইনুদ্দিন খান বাদল সংসদে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সাতে অনেক বার আলাপ আলোচনাও করেছিলেন এই সেতুটি সংস্কার বা পু:নির্মানের জন্য। এরই মধ্যে তিনি মারা যাওয়ার কারনে উক্ত আসনটি শুন্য ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশনার উক্ত আসনে আগামী ১৩ জানুয়ারী নির্বাচনের দিন নিদ্ধারন করিয়া তপসিল ঘোষনা করেন। বর্তমানে এই উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহামদ নৌকা, বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষ, বিএনএফ প্রার্থী এস এম আবুল কালাম আজাদ টেলিভিশন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ আহামদ চেয়ার,ন্যাপের বাপন দাশ গুপ্ত কুড়েঘর, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক আপেল প্রতিকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।গত ২৩ ডিসেম্বও থেকে আনুষ্টানিক প্রচারনা শুরুর পর থেকে আওয়ামীলীগ প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন আহাম্মদ ও বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরের বিভিন্ন অলিগলিতে নির্বাচনী গণ সংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।আওয়ামীলীগ প্রার্থী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নেরচিত্র তুলে ধরছেন, অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী জুলুম নির্যাতন এবং বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে শরীক হওয়ার আহবান জানাচ্ছেন ভোটারদের। থেমে নেই অন্য প্রার্থীরাও।তবে মূলত লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষের মধ্যে।ভোটারদের আকর্যন করতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা দুজনই কালুরঘাট সেতু নির্মানের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন। উক্ত আসনের কয়েক জন ভোটারের সাথে কথা হলে তারা বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে কালুরঘাট সেতু।বর্তমান সরকারের এই সময়ে কালুরঘাট সেতু সহ বোয়ালখালী উপজেলায় কোন উন্নয়নের চোয়া লাগেনী,যেই প্রার্থী এই সেতু ও অত্র এলাকার উন্নয়ন করবেন আমরা তাকেই ভোট দিবো, তবে এবার বর্তমান সরকারের একজন যোগ্য নেতা অত্র এলাকার সন্তান নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন,তার যতেষ্ট জনসমর্তন রয়েছে এবং উনি নির্বাচিত হলে সেতু এবং অত্র এলাকার উন্নয়ন হবে বলে আমরা আশারাকী। আওয়ামীলীগ প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন আহামেদ বলেন, আমি নির্বাচিত হলে শুধুমাত্র আওয়ামীলীগের এমপি হবো না, সব দলের এমপি হবো, যারা দল করেন না বা ভিন্নদল করেন তাদের সবার জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা থাকবে এবং চট্টগ্রামের দু:খ কালুরঘাটে নতুন সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য এই উপ-নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, বেগম জিয়া ও গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে অবিরাম সংগ্রামের অংশ হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমার প্রত্যাশা ১৩ জানুয়ারী সুষ্টু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। আমরা সবাই যেন আইন মেনে চলি,একটি ভালো নির্বাচন উপহার দিই।
চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচন আগামি ৩০জানুয়ারি
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করা হয়েছে। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী আগামি ৩০জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিরতীহীন ভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ভোট গ্রহণ করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সভাপতি জসীম চৌধুরী সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নিযাম উদ্দিন, মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, মুহাম্মদ শামসুল হক, মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি: মনোনয়নপত্র সরবরাহ করা হবে ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র জমা ১৭ জানুয়ারি, সকাল ১১টা থেকে বিকেল-৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই ও খসড়া তালিকা প্রকাশ ১৮ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২০ জানুয়ারি, সকাল ১১টা থেকে বিকেল-৪টা পর্যন্ত, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২১ জানুয়ারি,এবং ভোট গ্রহণ-৩০ জানুয়ারি ২০২০ সকাল ৯টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান জসীম চৌধুরী সবুজ চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌসর কাছ থেকে এই দায়িত্ব বুঝে নেন। এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, মুহাম্মদ শামসুল হক, মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, মামুনুর রশীদ। নির্বাহী পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি, যুগ্ম সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, নির্বাহী পরিষদের একটি সদস্যপদ সহ মোট ৯(নয়)টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৪০৪জন সদস্য নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১জনকে আটক করছে Rab
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সরাইপাড়া এলাকা থেকে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম (৩৭) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে পাহাড়তলী থানাধীন সরাইপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে থেকে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম(৩৭) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃত কাজী আবদুল আলিম (৩৭) ফেনী জেলার ফেনী সদর থানাধীন ইলাসপুর(মান্নান মিয়া কাজী বাড়ী) গ্রামের কাজী আবদুল মান্নান এর ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ফেনী থেকে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী প্রাইভেট কার যোগে মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ Rab-7 এর একটি টহল দল নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সড়াইপাড়া এলাকার জাহানারা মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ এর সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায়। এ সময় সন্দেহ জনক গতিবিধির একটি প্রাইভেট কার তল্লাশী করে প্রাইভেট কারের ভিতর সুকৌশলে লুকানো ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম (৩৭) কে আটক করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন শেষে তাকে পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরো জানান, জব্দকৃত মাদক দ্রব্যের আনুমানিক মুল্য ৫ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা ও জব্দকৃত প্রাইভেট কারের মুল্য ২০ লক্ষ টাকা। Rab-7 এর অপারেশন অফিসার এএসপি মো. মাশকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সড়াইপাড়া এলাকার জাহানারা মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ এর সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায় Rab-7 এর একটি দল। এ সময় সন্দেহ জনক গতিবিধির একটি প্রাইভেট কার তল্লাশী করে প্রাইভেট কারের ভিতর সুকৌশলে লুকানো ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম (৩৭) কে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন শেষে তাকে পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হবে।
নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১জনকে আটক করছে Rab
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সরাইপাড়া এলাকা থেকে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম (৩৭) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে পাহাড়তলী থানাধীন সরাইপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে থেকে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম(৩৭) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃত কাজী আবদুল আলিম (৩৭) ফেনী জেলার ফেনী সদর থানাধীন ইলাসপুর(মান্নান মিয়া কাজী বাড়ী) গ্রামের কাজী আবদুল মান্নান এর ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ফেনী থেকে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী প্রাইভেট কার যোগে মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ Rab-7 এর একটি টহল দল নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সড়াইপাড়া এলাকার জাহানারা মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ এর সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায়। এ সময় সন্দেহ জনক গতিবিধির একটি প্রাইভেট কার তল্লাশী করে প্রাইভেট কারের ভিতর সুকৌশলে লুকানো ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম (৩৭) কে আটক করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন শেষে তাকে পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরো জানান, জব্দকৃত মাদক দ্রব্যের আনুমানিক মুল্য ৫ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা ও জব্দকৃত প্রাইভেট কারের মুল্য ২০ লক্ষ টাকা। Rab-7 এর অপারেশন অফিসার এএসপি মো. মাশকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সড়াইপাড়া এলাকার জাহানারা মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ এর সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায় Rab-7 এর একটি দল। এ সময় সন্দেহ জনক গতিবিধির একটি প্রাইভেট কার তল্লাশী করে প্রাইভেট কারের ভিতর সুকৌশলে লুকানো ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ কাজী আবদুল আলিম (৩৭) কে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন শেষে তাকে পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মোছলেম উদ্দিনের সমর্থনে কফিল উদ্দিনের গণসংযোগ
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদের সমর্থনে গত ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে গণসংযোগ করেছেন পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিল আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন খাঁন। তিনি পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের পূর্ব শহীদ নগর, পশ্চিম শহীদ নগর, চালিতাতলী, শীলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার আহবান জানান। তিনি আগামী ১৩ জানুয়ারি উপ-নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী সংগ্রামী নেতা মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন আহমদকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করতে তিনি এলাকাবাসীকে অনুরোধ জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সিরাজুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম সর্দ্দার, মো. আব্দুর রহিম, মো, আলমগীর হোসেন, মো. শরীফ, মো. লোকমান, মো. শাকিল আহমেদ, সোনা মিয়া, মো. ইয়াকুব লেদু, ফজল কাদের চৌধুরী সর্দ্দার, শওকত আলী সোহেল, মো. আইয়ুব আলী রুবেল, এস.এম দিদারুল আলম, মামুনুর রশিদ মামুন, মো. সেলিম, মো. মাহবুব আলম, শাহ মনজুর আলম, মো. সালাউদ্দীন, মো. মোরশেদ আলম, ফরহাদ হাসান সয়ন, মো. মহিন উদ্দীন, রাশেদুল ইসলাম আরমান, মো. জুবাইর হোসেন, মো. এরশাদ, মো. রিপন, রাজু দাশ, নিমাই দাশ, মো. সোহেল, জিয়া উদ্দিন বাবলু, মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ, মো. ফয়সাল, মো. সাকিব প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম- ৮ উপ-নির্বাচন: নৌকার পক্ষে মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের গণসংযোগ
০৮জানুয়ারী,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ৫ জানুয়ারি রবিবার নগরীর ৫নং মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে চট্টগ্রাম- ৮ উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমদের সমর্থনে এক গণসংযোগ কামাল বাজার, কাজির হাট, চর রাঙ্গামাটিয়া ও আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা পদক্ষিণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, ক্রিড়া সম্পাদক মোঃ দিদারুল আলম, শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দিন ইকবাল, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ ঈসা, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ তিমির বরণ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেদ মনোয়ার, দেবব্রত দাশ, পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পটিয়া পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহব্বায়ক মোঃ রফিকুল আলম, যুগ্মআহব্বায়ক মোঃ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ জসিম উদ্দিন, খালেদ হোসেন মাসুক, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, অমিত চৌধুরী, সমীরন মলিক, মিশু চৌধুরী, টুটুল নাথ, শুভ নাথ, আসফাক খাঁন, সমীরন পাল। আরো উপস্থিত ছিলেন পটিয়া, বোয়ালখালী, মোহরা ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ ওছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। গণসংযোগকালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদকে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে আগামী ১৩ জানুয়ারি নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে কালুরঘাট সেতু নির্মাণসহ জনগণের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহব্বান জানান।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম-কলকাতা পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্ট এ মাসেই: বন্দর চেয়ারম্যান
০৭জানুয়ারী,মঙ্গলবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতকে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিতে চট্টগ্রাম বন্দর প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেছেন, এ মাসেই দুই দফা পরীক্ষামূলক (ট্রায়াল রান) ট্রান্সশিপমেন্ট হবে। মঙ্গলবার দুপুরে বন্দর ভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন,বন্দরের পক্ষ থেকে আমরা প্রস্তুত। আমাদের যথেষ্ট সক্ষমতা আছে। যদি জাহাজ আসে আমরা সেবা দিতে পারব। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেয়া বা স্পেশাল এরিয়া থাকবে কিনা সেটা নির্ভর করবে চুক্তির উপর। আমাদের জানানো হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারব। জানুয়ারিতেই দুটি ট্রায়াল রান হবে চট্টগ্রাম বন্দর ও ক্যালকাটা বন্দরের মধ্যে। তারপরে রেগুলার রান হবে। ট্রান্সশিপমেন্টের ট্যারিফ (মাশুল) বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত যেটা সেটাই হবে। বন্দর সম্প্রসারণের বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৩ সালে একটা স্ট্র্যাটেজিক মাস্টারপ্ল্যান করা হয়। সেটা পরবর্তী ৩০ বছরের জন্য, ২০৪৩ সাল পর্যন্ত। তখন কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ১৪ মিলিয়ন টিইইউএস (টোয়েন্টিফিট ইক্যুভেলেন্ট ইউনিট, প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের কন্টেইনার) হবে। আমরা এখন ৩ মিলিয়ন ক্লাবে। আরো ১১ মিলিয়ন টিইইউএস বাড়বে। যতই সম্প্রসারণ করি চট্টগ্রাম বন্দরে ৪ মিলিয়ন টিইইউএস এর বেশি হ্যান্ডলিং করতে পারব না। এজন্য আমরা বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি করছি। তখন বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরও ছিল না। এখন আরেকটা প্ল্যান করা হচ্ছে সারাদেশে কি পরিমাণ ট্রেড হবে সেটাসহ যোগ করে। বে-টার্মিনালের বিষয়ে জুলফিকার আজিজ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে বে-টার্মিনালের দেড় হাজার মিটার মাল্টিপারপাস টার্মিনাল এবং ১২২৫ ও ৮৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষ্যে কাজ চলছে। এখন জোয়ারের সময় গড়ে চার ঘণ্টায় সাড়ে নয় মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচে থাকা অংশের গভীরতা) ও সর্বোচ্চ ১৯০ মিটির দৈর্ঘ্যের জাহাজ দিন-রাত ভিড়ানোর সুযোগ থাকবে। কর্ণফুলী নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রশ্নে জুলফিকার আজিজ বলেন, দূষণ নিয়ন্ত্রণে ফ্লোটিং গার্বেজ (ভাসমান আর্বজনা) নিয়ন্ত্রণে চীন থেকে বিশেষ নৌকা আনা হবে। মোহনায় দুইটা এবং সদরঘাটে দুইটা রাখব। যাতে ময়লা না পড়ে নদীতে। ড্রেজিং চলমান প্রক্রিয়া। কর্ণফুলীতে নরমাল ড্রেজিং সম্ভব না। গ্র্যাব দিয়ে ট্রায়াল করা হচ্ছে। সফল হলে আরো গ্র্যাব দিয়ে কাজ করা হবে। কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে হাই কোর্টে তলবের বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন,উচ্ছেদ অভিযান চলমান প্রক্রিয়া। প্রস্তুতি নিয়ে আবার উচ্ছেদ হবে। যতটুকু দখলে ছিল তার ৩০ শতাংশ আমরা উচ্ছেদ করেছি। বাকিটা ধীরে ধীরে করব। নতুন ধাপের জন্য পরিকল্পনা করছি। আবারো ২৫-৩০ শতাংশ উচ্ছেদ একসাথে করবে। উচ্ছেদ থেমে নেই। স্ক্যানিং মেশিন বন্দর না কাস্টমস কিনবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাস্টমস নতুন দুটি স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন শেষ করেছে। আমদানি-রপ্তানি কার্গো এগুলো দিয়ে স্ক্যান করতে পারবে। আইএসপিএসর চাহিদা- রপ্তানি কার্গো স্ক্যান করা। আমরাও কয়েকটা স্ক্যানিং মেশিন কিনব। বন্দর সম্প্রসারণে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বছরে সাড়ে চার লাখ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর লক্ষ্যে নির্মিতব্য পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) প্রায় ৫২ শতাংশ কাঠামো সম্পন্ন হয়েছে। এখানে ছয়শ মিটার জেটিতে ১৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ১০ মিটার ড্রাফটের তিনটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ এবং ২২০ মিটার দৈর্ঘ্যের ডলফিন জেটিতে একটি তেলবাহী জাহাজ ভিড়বে। ব্যাকআপ ইয়ার্ড থাকবে প্রায় ১৬ একর, যেখানে সাড়ে চার হাজার টিইইউএস কন্টেইনার ধারণক্ষমতা থাকবে। মুজিববর্ষে পিসিটিতে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করা যাবে। এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন,আপনারা লিখে নিয়ে যান, ২০২৫ সালে চট্টগ্রামে কোনো ট্রাক ঢুকবে না। চট্টগ্রাম বন্দর ও বে-টার্মিনালের মধ্যে আলাদা সংযোগ সড়ক হবে। কন্টেইনার বন্দর থেকে সেখানে চলে যাবে। বে-টার্মিনাল এলাকায় আট হাজার ট্রাক ধারণক্ষমতার টার্মিনাল হবে। সেখান থেকে ডেলিভারি হয়ে যাবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে বন্দরের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই দাবি করে চেয়ারম্যান বলেন, আইএসপিএস (ইন্টারন্যাশনাল শিপ অ্যান্ড পোর্ট ফ্যাসিলিটি সিকিউরিটি) কোড আমাদের মানতে হয়। বন্দর সংলগ্ন সড়কে ট্রাক চলাচলে যেন কোনো বাধা না হয়। এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের নিচের রাস্তা ট্রাক চলাচলের জন্য যেন কমে না যায়। এজন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নতুন লে-আউট দিতে বলেছি। সেটা দিয়েছে। আমরা অনুমোদন করেছি। সে অনুযায়ী কন্সট্রাকশন ডিজাইন করা তাদের কাজ। লিখিত বক্তব্যে বন্দর চেয়ারম্যান জানান, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৯ লাখ ৩ হাজার টিইইউএস কন্টেইনার ওঠানামা হয়, যা ২০২৯ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ লাখ ৮৮ হাজার টিইইউএসে। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। পাশাপাশি কার্গো ওঠানামা হয় ১০ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিক টন; প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। ২০১৮ সালে বন্দরে জাহাজ আসে ৩৭৪৭টি এবং ২০১৯ সালে জাহাজ আসে ৩৮০৭টি। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বন্দরের সদস্য জাফর আলম, কমডোর এম শফিউল বারী এবং ক্যাপ্টেন এম মহিদুল হাসানসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর