সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
চিকিৎসককে কর্মস্থল চমেকে পৌঁছে দিল খুলশী থানা পুলিশ
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:নগরীর খুলশী থানাধীন গ্রীনহাউজ আাবাসিক এলাকার বাসা থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শারমিনকে কর্মস্থলে পৌঁছে দিয়েছেন খুলশী থানা পুলিশ।আজ বৃহস্পতিবার ২রা এপ্রিল সকালে ওই চিকিৎসকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে তার কর্মস্থল (চমেকে) পৌঁছে দেওয়া হয়।খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি প্রণব চৌধুরী বলেন, সকালে ওই চিকিৎসক থানার সাথে যোগাযোগ করলে থানায় থাকা একটি সরকারী গাড়ী তার বাসার সামনে পাঠানো হয় এবং দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ওই গাড়িতে নিয়ে তার কর্মস্থল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সিএমপির ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বেশ কয়েকদিন দেশব্যাপী ধরে চলছে সাধারন ছুটি। এর ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে নগরীর খেটে খাওয়া মানুষ। সামাজিক দুরত্ব রাখতে , দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচীর আওতায় পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করছে সিএমপি। আজ বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল পৃথকভাবে নগরীর দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমা্ন সিএমপির বন্দর জোন ও উত্তর জোন এই দুই স্পটেই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ উদ্ভোদন করেন। নগর বন্দর জোনের কার্যক্রম শুরু হয় বন্দর থানা কম্পাউন্ড থেকে এবং নগরীর পাশলাইশের শাইলা স্কয়ার থেকে শুরু হয় উত্তর জোনের কার্যক্রম। সিএমপি সুত্র জানা যায়, বন্দর জোনের ৩ হাজার পরিবার এবং উত্তর জোনে ৩ হাজার পরিবারের কাছে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল- ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি তেল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ টি সাবান, ১ কেজি লবন ও ১ কেজি আটা। সিএমপির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকী জানান, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে দেশ ব্যাপী সরকারি ছুটি চলছে। এমন অবস্থায় অসংখ্য খেটে খাওয়া মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই এইসকল কর্মহীন লোকরা যাতে অনাহারে না থাকে মূলত এসব কারণেই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। সিএমপি্র এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতসহ বাজার মনিটরিং
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশে বিদেশ ফেরতদের ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং, অপ্রয়োজনীয় জনসমাগম প্রতিরোধকল্পে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেসী টিম। আজ ০২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর ডবলমুরিং, বন্দর ও ইপিজেড এলাকায় বিভিন্ন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৬টি দোকানকে ২৩ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করেন পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এহসান মুরাদ। অভিযানে মূল্য তালিকা না টাঙিয়ে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রির দায়ে আগ্রাবাদ এলাকার কর্ণফুলী মার্কেটের তিনটি মুদির দোকানকে ১০ হাজার ২শ টাকা, বন্দরের পোর্ট সিটি মার্কেটের একটি মুদি দোকানকে ১০ হাজার টাকা, লোকজন ভিড় করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে মুহুরী পাড়া এলাকার একটি চা দোকানকে ৩ হাজার টাকা ও একটি মুরগীর দোকানকে ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত জনসাধারণের নিজ গৃহে অবস্থান করার অনুরোধসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে কেনাকাটা করার অনুরোধ করেন তিনি। সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। এ দিকে নগরীর চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, খুলশী ও বাকয়িা এলাকায় পাহাড়তলী এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবদুস সামাদ। অভিযানকালে বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে সচেতন করা হয়। বেশ কিছু দোকানের সামনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে রং দ্বারা চিহ্নিত করে সেটা মানার পরামর্শ দেয়া হয়। নগরীর চকবাজার, বায়েজিদ, সদরঘাট ও কোতোয়ালী এলাকায়হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাহমিনা শারমীন। এসময় প্রয়োজন ছাড়া মানুষজনকে বাসার বাইরে অবস্থান না করর অনুরোধ করেন তিনি। এছাড়া নগরীর হালিশহর, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ এলাকায় করোনাভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিংয়ে যান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক। এ সময় মাইকিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে সচেতন করা হয়।
ত্রাণ বিতরনের নামে ফটোসেশন বন্ধ করুন: বিভাগীয় কমিশনার
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণে কোন প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না জানিয়ে বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ বলেছেন, ত্রাণের নামে কিছু কিছু সংগঠনের ফটোসেশন বন্ধ করতে হবে। যারা পেটের তাগিদে ঘর থেকে বের হয়ে সড়কে নামছে, তাদেরকে ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনতে হবে। বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও মোকাবিলা সংক্রান্ত বিভাগীয় কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, দিনমজুর, বেদে সম্প্রদায়, তৃতীয় লিঙ্গসহ হতদরিদ্র মানুষকে সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এসব ত্রাণ সুষ্ঠুভাবে বন্টনের আগে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসককে অবহিত করতে হবে। কমপক্ষে তিন ফুট দুরত্ব বজায় রেখে ত্রাণ দিতে হবে। এবিএম আজাদ বলেন, রিকশা থেকে শুরু করে কোনো যানবাহন রাস্তায় নামতে পারবে না। বিশেষ প্রয়োজনে কেউ ঘর থেকে বের হলে দুপুরের পরপর তাকে ঘরে চলে যেতে হবে। কেউ এ আদেশ অমান্য করে রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে জরিমানাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তের জন্য ১ হাজার কিট ও সরঞ্জামা প্রস্তুত রয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট, সর্দি, কাশি ও হাঁচি নিয়ে হাসপাতালে গেলে আতংকিত না হয়ে রোগীর শরীরে করোনার লক্ষণ আছে কী না- তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি রোগীর নমুনা সংগ্রহ করবে। রোগীর শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ হলে বিআইটিআইডি, জেনারেল হাসপাতাল, বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতাল, ইম্পেরিয়েল হাসপাতাল ও মেডিক্যাল সেন্টারের আইসোলেশন বেড এবং ভেন্টিলেটরসহ প্রস্তুত রাখা আইসিইউ-এ চিকিৎসা দেওয়া হবে। যোগ করেন তিনি। এবিএম আজাদ বলেন, আইসোলেশনে থাকা কোনো রোগীর মৃত্যু হলে ঐ রোগীর মৃত্যু করোনায় কী না- তা টেস্টের মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা যাবে না। করোনায় মারা যাওয়া রোগীদেরকে সরকারিভাবে দাফন ও দাহ করার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি রয়েছে। এছাড়াও করোনা রোগী সংক্রান্ত বিভাগীয় পর্যায়ের যে কোনো তথ্য দিতে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে একটি মিডিয়া সেল থাকবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মিডিয়া সেল থেকে ফোকাল পারসন হিসেবে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে তথ্য সরবরাহ করবেন একজন প্রতিনিধি।
সিএমপির উত্তর বিভাগের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাচঁলাইশ থানাধীন শায়লা কমিউনিটি সেন্টারে উত্তর বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম। এ কার্যক্রমের আওতায় সিএমপির উত্তর বিভাগের আয়োজনে চট্টগ্রাম নগরীতে করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্র ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচ শত) পরিবারকে ১০দিনের খাদ্য দ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রত্যেকের বাসায় বাসায় গিয়ে বিতরণ করা হবে। এসময় সেখানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক, বিপিএম, পিপিএম (বার) সহ পুলিশের অন্যান্য উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিএমপির বন্দর বিভাগ কর্তৃক দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় বন্দর বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম । এ কার্যক্রমের আওতায় সিএমপির বন্দর বিভাগের আয়োজনে চট্টগ্রাম নগরীতে করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্র ৩০০০ (তিন হাজার) পরিবারের মাঝে চাউল ০৫ কেজি, ডাল ০১কেজি, ভোজ্য তৈল ০১লিটার, আলু ০২কেজি, পেঁয়াজ ০১কেজি, সাবান ০১টি, লবন ০১কেজি, আটা ০১কেজি সহ সর্বমোট-১৩ কেজি খাদ্য দ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রত্যেকের বাসায় বাসায় গিয়ে বিতরণ করা হবে। এসময় সেখানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মোঃ হামিদুল আলম, বিপিএম, পিপিএম সহ পুলিশের অন্যান্য উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন আমিনুল ইসলাম আমিন
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার, সাতকানিয়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া এলাকায় গরীব, শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া, দিনমজুর, হতদরিদ্র ও নিন্ম আয়ের মানুষদের মাঝে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের বারদোনা গ্রাম থেকে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। এসব খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল ১০ কেজি, আলু ৩ কেজি, মসুরের ডাল ১ কেজি, তেল ১ লিটার, পিয়াজ ১ কেজি, লবন ১ কেজি, ১ টি সাবানসহ নানা খাদ্যসামগ্রী। এছাড়াও উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে গরীবদের মাঝে পর্যায়ক্রমে আরো বিতরণ করা হবে। আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দুরদর্শিতা ও আগাম পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশের আকাশ পথ ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় আমার প্রাণপ্রিয় সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আসা সম্ভব না হলেও টেলিফোনে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে লোকজনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছি। এতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি। দুই উপজেলায় দেয়া হয়েছে তিন হাজার মাক্স, সাবান, গ্লাভস ও হ্যন্ড স্যানিটাইজার সুরক্ষা সামগ্রীও। তিনি বলেন, সরকারী ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে না গিয়ে, দোকান-পাট, হাট-বাজার ও রাস্তাা-ঘাটে ঘুরাঘুরি না করে এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে নিজ ঘরেই অবস্থান করে আল্লাহর দরবারে বেশী বেশী প্রার্থনা করুন। আমিনুল ইসলাম আমিনের পক্ষে এসব খাদ্যসামগ্রী ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন সাতকানিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো: নেজাম উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাষ্টার ফারুক আহমদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক এস.এম আজিজ, স্থানীয় ইউপি সদস্য যুবলীগ নেতা মো: সেলিম উদ্দিন ও যুবলীগ নেতা জাবেদুর রশীদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দরা। অন্যদিকে লোহাগাড়া উপজেলায়ও এসব খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন আমিনুল ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী আওয়ামী লীগ নেতা মিরান হোসেন মিজান, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তৈয়বুল হক বেদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিহান পারভেজ চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক রানা বড়ুয়াসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা।
এবার চট্টগ্রামে আইসোলেশনে থাকা কিশোরের মৃত্যু
0১এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:এবার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিটে থাকা এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) তার মৃত্যু হলেও কয়টার দিকে মৃত্যু হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো কথা বলছে না চট্টগ্রামে সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি মিয়া। সেখ ফজলে রাব্বি মিয়া জানান, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির আগে সে কক্সবাজার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলো। তার বাড়ি কক্সবাজারের জেলায়। তার বাবা স্থানীয় একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।মানবজমিন । সেখ ফজলে রাব্বি মিয়া বলেন, কক্সবাজার সরকারি হাসপাতাল থেকে আসা ওই কিশোরের জ্বর ও শ্বাসকষ্ঠ থাকায় মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে সে করোনাভাইরাস আক্রান্ত কিনা নিশ্চিত নই। তিনি বলেন, কিশোরের নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত বিশেষায়িত হাসপাতাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজে (বিআইটিআইডি) পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেলে করোনার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এদিকে কিশোরের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রোগীর পরিবারে কোনো বিদেশ ফেরত নেই। সে হিসেবে বিদেশ ফেরত কারো সংপর্শে থাকার তথ্যও নেই।
মেট্টোপলিটন পুলিশকে ১৫০টি পিপিই দিয়েছে এএনএফএল প্রপাটিজ
0১এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দায়িত্বপালনরত চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ সদস্যদের জন্য ১৫০টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক-পিপিই দিয়েছেন এএনএফএল প্রপাটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসানুল করিম। আজ ১ এপ্রিল ২০২০ ইং বুধবার দুপুরে সিএমপি কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমানের হাতে এসব পিপিই তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ আমীর জাফর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মঞ্জু, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ ও টিভি জার্নালিষ্ট এসাসিয়েশন চট্টগ্রামর সভাপতি নাসির উদ্দিন তোতা উপস্থিত ছিলেন।এসময় সিএমপি কমিশনার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, সমাজের সব পেশা-শ্রেণির মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা ভাইরাসের প্রভাব আমাদের মোকাবেলা করতে হবে।এই সম্মিলিত উদ্যেগের মাধ্যমে সফলতা আসবে বলে আশা করেন তিনি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর