যানজট নিরসনে সুজনের প্রস্তাব
১ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন গত বুধবার সিএমপির পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের সাথে তার কার্যালয়ে মতবিনিময় করেছেন। নগরীকে যানজট ও অপরাধমুক্ত বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে খোরশেদ আলম সুজন কিছু প্রস্তাব পেশ করেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, নগরীর মোড়ে মোড়ে গাড়ি থামানো বা পার্কিং করা কঠোরভাবে বন্ধ রাখতে হবে, বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি-বেসরকারি বড় স্কুল ও কলেজসমূহে বাস সার্ভিস ও নগরীর মার্কেটগুলোতে পে-পার্কিং চালু এবং নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে পার্কিং বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ। এছাড়া শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাতায়াত পথে গড়ে ওঠা বৈধ অবৈধ কন্টেনার টার্মিনালের কারণে যাত্রীদের বিমানবন্দর ব্যহার করা প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে। লম্বা ট্রেইলার, কাভার্ড ভ্যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ সময়ের দাবি। যদিও এ বিষয় পুরোপুরি সমাধান পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বর্তমান ট্রাক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সল্টগোলা ক্রসিং থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত চালু করার অনুরোধ জানান। নগরীর গণপরিবহনসমূহ ব্যবহার অনুপযোগী। ভাঙা সিট যাত্রী সাধারণের ব্যবহার অনুপযোগী। বিশৃংখল চলাচল যানজটের অন্যতম কারণ। তিনি গণপরিবহনকে সুশৃংখল চলাচলে বাধ্য করা, ব্যবহার উপযোগী করে চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির অনুরোধ জানান। ব্যাটারি রিকশা এখন নগরীর বাস্তবতা। বর্তমান বড় চাকার রিকশাগুলোর দুর্ঘটনার হার খুবই কম। অনেক শহরেই এখন রিকশাগুলো আইনসম্মতভাবে চলছে। চট্টগ্রাম নগরীতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রায় ওয়ার্ডে অভ্যন্তরীণ বাহন হিসেবে রিকশাগুলো চলছে। নিষেধাজ্ঞার সুযোগে বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক মাস্তান গ্রুপ তাদের কাছ থেকে দৈনিক ১০০ থেকে ২০০ টাকা চাঁদা আদায় করছে। যদি তাদের মেট্রোপলিটন পুলিশের নিরাপত্তা নির্দেশনার মধ্যে আইনসম্মতভাবে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়, একদিকে সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণির অভ্যন্তরীণ যাতায়াত সহজ হবে, অন্যদিকে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে তারা মুক্তি পাবে। সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম সত্যিকার অর্থেই একটি বাণিজ্যিক নগরী। এ নগরীর বিপুল সংখ্যক জনসাধারণের নিরাপত্তাসহ আনুসঙ্গিক বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ কমিশনারের ওপর বর্তায়। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদান, মাদক কারবারি এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন করছে। পুলিশ প্রশাসনও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানে আন্তরিকতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির এডিশনাল পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপপুলিশ কমিশনার (বন্দর) হামিদুল আলম, সাবেক ছাত্রনেতা নিজাম উদ্দিন, রাজনীতিবিদ শওকত হোসাইন, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী হোসেন, আব্দুল আজিম, সাহেদ বশর প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে দুদিন ব্যাপী হেফাজতের মহা সম্মেলন
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১লা মার্চ রোজ বৃহস্পতি ও জুমাবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফির আহবানে চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে দুদিন ব্যাপী ইসলামি মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ জানুয়ারি রোজ মঙ্গলবার বাদে মাগরিব হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমীরে হেফাজত শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী দা.বা. এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এবং নির্ধারিত তারিখে হেফাজতের দুদিন ব্যাপী ইসলামি মহা সম্মেলন সফল করতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জোনাইদ বাবুনগরীকে আহবায়ক, মাওলানা সলিমুল্লাহকে সদস্য সচিব ও মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহীকে যুগ্ম সচিব করে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলার নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে রাজধানী ঢাকার শাহবাগস্থ বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জোনাইদ বাবুনগরীর সার্বিক দেখবাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত বৈঠকে আল্লামা শাহ আহমদ শফি বলেন, কিছু লোক এই দেশে আছে যারা মহান আল্লাহকে না দেখার অজুহাতে অস্বীকার করে। আমরা তাদেরকে নাস্তিক বলি। এসব নাস্তিক মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়ে আল্লাহকে অস্বীকার করে যাচ্ছে। এসব নাস্তিকদের ঠাঁই মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে হবেনা। এসব নাস্তিকদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন চলতে থাকবে ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, অনেকে বলে হেফাজতে শেষ হয়ে গেছে, হেফাজত মাঠে নামছে না কেন? আমি তাদেরকে বলবো, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ শেষ হয়নি বরং আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী হয়েছে। আমারা এদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের পক্ষে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও করবো। এদেশে যতদিন নাস্তিক থাকবে ততদিন হেফাজতও থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমীরে হেফাজত আরো বলেন, অনেকে আমাদের কে অমুক দল তমুক দলের হয়ে গোছি বলে মিথ্যাচার করে, আমি তাদের বলবো আমরা কোন দলের না, আমাদের কাছে সব দলের লোকজন আসে, সবার সাথে আমাদের ভালো সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, ঈমান আকিদা রক্ষার সংগঠন। সকল মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাট ফরম, এখানে সব দলের লোক আছে। সবাই হেফাজত করে। আমরা রাজনীতি করিনা, আমরা দেশের পক্ষে, ইসলামের পক্ষে, দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলি সংগ্রাম করি, যা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমিরে হেফাজত বলেন, আমাদের প্রতি বৎসরের ন্যায় এবৎসরেও সফলতার সাথে ইসলামি মহাসম্মেলন সফল করতে হবে। তিনি সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে মহাসম্মেলন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যেতে আহবান জানান। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ন মহাসচিব, আল্লামা লোকমান হাকিম, মুফতি জসিম উদ্দিন, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহী, মাওলানা নুরুল ইসলাম জদীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা হাজী মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা শফিউল আলম, মাওলানা ফয়সাল তাজ মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা আ.ন.ম আহমদ উল্লাহ প্রমুখ। বৈঠকে আল্লামা জোনায়েদ বাবুনগরীর পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এবং অসুস্থ হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জোনাইদ বাবুনগরীসহ সকলের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন বৈঠকে উপস্থিত আমীরে হেফাজতসহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ।
স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসের পর চিকিৎসকের আত্মহত্যা
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এলাকা থেকে মোস্তফা মোরশেদ প্রকাশ আকাশ নামের এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনদের দাবি স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার দুই নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাড়িতে নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত নায়েক মোহাম্মদ হামিদ বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ডা. আকাশকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আকাশ ইনজেকশন পুশ করে নাকি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তিনি আরও বলেন, স্বজনরা জানিয়েছেন রাতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে আকাশ আত্মহত্যা করেছে। আকাশের ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে দেখা যায়, ভোর ৪টার দিকে স্ত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছিল তার অ্যাকাউন্ট থেকে। বিয়ের আগে থেকেই আকাশের স্ত্রী অন্য পুরুষদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়। নিজের স্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ড থামাতে তার পরিবারকে উদ্যোগ নেয়ার জন্য আকাশ একাধিকবার অনুরোধ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয় ওই স্ট্যাটাসে। অন্য পুরুষের সঙ্গে নিজের স্ত্রীর একাধিক ছবিসহ পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসের পরপরই আরেকটি স্ট্যাটাস দেয়া হয় আকাশের প্রোফাইল থেকে। শেষের স্ট্যাটাসে লেখা হয়, ভালো থেকো আমার ভালোবাসা, তোমার প্রেমিকদের নিয়ে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বাংলাবাজার বরকল এলাকার মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে আকাশ এমবিবিএস শেষ করে এফসিপিএস পড়ছিলেন।
পিপিএম-বিপিএম পদক পাচ্ছেন বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৩০ Rab-পুলিশ কর্মকর্তা
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৃহত্তর চট্টগ্রামে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সব প্রধানসহ ৩০ জন কর্মকর্তা পুলিশের সর্বোচ্চ পদক পিপিএম-বিপিএম পাচ্ছেন। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার এবং Rab-7 অধিনায়ক এ তালিকায় রয়েছেন। গত বছর কর্মক্ষেত্রে সাহসিকতা, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ বছর তাদের এ পদক দেয়া হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব ফারজানা জেসমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানা যায়। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এ পদক দেয়া হবে।খবর আজাদী । প্রজ্ঞাপনে থাকা তালিকা অনুযায়ী, অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পাচ্ছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহাবুবুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা, নগর পুলিশের দক্ষিণ জোনের উপ পুলিশ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান, Rab-7 চট্টগ্রামের মেজর মেহেদী হাসান, উপ অধিনায়ক শাফায়াত জামিল ফাহিম, ল্যান্স কর্পোরেল মো. শহীদুল ইসলাম ও সৈনিক আরিফুল ইসলাম, কোতোয়ালী থানার পুলিশ কনস্টেবল রাসেল মিয়া। এছাড়া কঙবাজার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেনও বিপিএম পদক পাচ্ছেন। এ তালিকায় আরো রয়েছেন সন্দীপ থানার ওসি মো. শাহজাহান, টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও শিল্প পুলিশ-৩ এর কনস্টেবল মমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পাচ্ছেন Rab-7 এর অধিনায়ক ও Rab 15 এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমদ, Rab-7 এর টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব, কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর, খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান, বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উত্তর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক, পশ্চিম জোনের উপ পুলিশ কমিশনার ফারুক উল হক, বন্দর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার হামিদুল আলম, বন্দর জোনের গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ এএএম হুমায়ন কবির, সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, পাহাড়তলী থানার ওসি সুদীপ কুমার দাশ, পাঁচলাইশ মডেল থানার সহকারী উপ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আব্দুল মালেক, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা রাণি সাহা, কঙবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) শরিফুল ইসলাম এবং খাগড়াছড়ি জেলার এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর।
তল্লাশির নামে প্রবাসীদের হয়রানি না করা ও হটলাইন চালুর নির্দেশ
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রবাসীদের সহায়তার জন্য সার্বক্ষণিক হটলাইন চালু এবং বিমানবন্দর থেকে শহরগামী প্রবাসীদের সঠিক তথ্য ছাড়া তল্লাশির নামে হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। গতকাল বুধবার সিএমপি সদর দপ্তরে চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের প্রতিনিধি দলের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষনা দেন। সভায় দেশে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা কথা তুলে ধরে চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি ও এনআরবি-সিআইপি এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসীরা চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নানা তল্লাশি শেষে শহরে প্রবেশের মুখে প্রায়ই পুলিশের তল্লাশিতে পড়তে হয়। মাঝে মাঝে হয়রানিরও শিকার হতে হয়। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন কাউকে তল্লাশির ব্যাপারে আপত্তি নেই উল্লেখ করে ইয়াছিন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরার পথে গড়পড়তা সকলপ্রবাসী এমন পরিস্থিতিতে যেন পড়তে না হয়, তল্লাশির নামে হয়রানি না হয় সেদিকে নজর রাখার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। বৈঠকে চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় প্রবাসীদের পুলিশী সেবা নিশ্চিতে সহায়তা ডেস্ক চালুরও অনুরোধ জানানো হয়। রেমিট্যান্সযোদ্ধা খ্যাত প্রবাসীদের সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রেখেছে এমনকি দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই তারা দেশে এসে কোন ধরণের দুর্ভোগের শিকার না হন সেদিকে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে। প্রবাসীদের সব ধরনের সহায়তা দিতে সিএমপি সদর দপ্তরে নগর বিশেষ শাখার তত্ত্বাবধানে একটি সার্বক্ষণিক হটলাইন চালুর ঘোষণা দিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, এই হটলাইনে দেশ বা প্রবাস থেকে যোগাযোগ করে প্রবাসীরা তাদের যে কোন অভিযোগ, সমস্যা জানাতে পারবেন এবং সহায়তা চাইতে পারবেন। মহানগর পুলিশ তা দ্রুত নিরসনে ব্যবস্থা নেবে। প্রবাস থেকে ফিরে আসা শহরগামী প্রবাসীরা কোন প্রকার হয়রানির শিকার না হন সেদিক থেকে নগর পুলিশ সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবে বলে পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দেন এবং সঠিক তথ্য ছাড়া কোন প্রবাসীকে তল্লাশি থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে নির্দেশ দেন। সভায় সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) মো. আব্দুল ওয়ারীশ, স্টাফ অফিসার সহকারী পুলিশ কমিশনার মুজাহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক এজাজ মাহমুদ, চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের উপদেষ্টা এম শাহজাহান মিয়া সিআইপি, প্রকৌশলী কেবিএম আবু তাহের চৌধুরী, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী আশরাফুর রহমান সিআইপি, সহ-প্রচার সম্পাদক বাবুল চৌধুরী, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক আজিজ মোহাম্মদ, সদস্য মহিম উদ্দিন খান, স্থপতি ইফতেখার মেহেদি, এনআরবি-সিআইপি এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি দুবাই প্রবাসী মো. সেলিম সিআইপি, সুইজারল্যান্ড প্রবাসী নুরুল আজিমসহ সিএমপির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগ কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ
সমাজসেবা অধিদফতর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জীবনের উন্নতি করতে হলে জীবনের সর্বক্ষেত্রে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সততার সাথে কাজ করতে হবে। নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা মানুষের জীবনে সফলতা বয়ে আনে। তিনি যুব সমাজকে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য পরামর্শ দেন। তিনি বলেন আমরা জনগণের টেক্সের টাকায় পড়ালেখা করি, কাজেই আমাদের কাজের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করে জাতির হক আদায় করতে হবে। বিভাগীয় পরিচালক ইউসিডি-১, চট্টগ্রাম কর্তৃক পরিচালিত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষন কেন্দ্রের জন্য সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করার আশ্বাস দিয়ে আরও ৩টি কম্পিউটার প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন। চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ২৯ জানুয়ারী সকাল ৯.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অফিসার যোবায়ের আলম। প্রকল্প সমন্বয় পরিষদ-১, এর কোষাধ্যক্ষ হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, প্রশিক্ষক দেব প্রসাদ চক্রবর্তী ও কাউসার জান্নাত মুক্তা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ১৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ওসি স্যার আমাকে দেখতে আসেন,আমারতো কেউ নাই
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাহাড়তলী থানাধীন সরাইপাড়া কলকা সিএনজি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ২১ জানুয়ারির রাতটি ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তায় পড়েছিল ২৪ বছর বয়সী এক তরুণী। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেই থেকে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই তরুণী। কয়েকদিন পর সুস্থ হয়ে পুলিশকে জানায়, চার যুবক মিলে তাকে ধর্ষণের চেষ্টার পর ছুরিকাঘাত করে রাস্তায় ফেলে গেছে। এর পর থেকে পুলিশ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।খবর বাংলানিউজ ওই ঘটনায় এখনও কোনো মামলা না হলেও পুলিশ চার যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে বলে জানান পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ। বুধবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ওই তরুণী বাংলানিউজকে বলেন, সরাইপাড়া কলকা সিএনজি স্টেশনের পাশে চার যুবক আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে তারা আমার পেটে ছুরি মেরে পালিয়ে যায়। এরপর জ্ঞান হারাই। সুস্থ হয়ে দেখি আমি হাসপাতালে। ওই তরুণী জানান, এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হলেও সে মাদকাসক্ত। পরে তাকে ফেলে চলে যায় ওই যুবক। সেই থেকে ভাসমান অবস্থায় জীবনযাপন করছেন তিনি। মা মারা গেছেন। বাবাও আরেকটি বিয়ে করেছেন। তারপর থেকে পরিবারের কারো সঙ্গে যোগাযোগ নেই তার। গত ১০ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও পরিবারের কেউ তাকে দেখতে আসে নি বলে জানান ওই তরুণী। তিনি বলেন, ওসি স্যার আমাকে দেখতে আসেন। উনি ওষুধের টাকা দিচ্ছেন। আমারতো কেউ নাই। গত ২১ জানুয়ারি রাতে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকা তরুণীকে উদ্ধার করেন পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অর্ণব বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি টিম। পরে ওসি সদীপ কুমার দাশ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে ভিকটিম তরুণীর চিকিৎসার খরচ ওসি সদীপ কুমার দাশ বহন করছেন বলে জানান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জহিরুল হক ভূঁইয়া। জহিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, ওই তরুণীর চিকিৎসা ব্যয়সহ আনুষঙ্গিক খরচ ওসি সদীপ কুমার দাশ বহন করছেন। প্রতিদিন ইনজেকশন ও ওষুধ খরচ বাবদ ১ হাজার ৩০০ টাকা করে খরচ হয়। এসব খরচ দেন ওসি। জহিরুল হক ভূঁইয়া নিজের খরচে ওই তরুণীর বিভিন্ন মেডিকেল টেস্ট করান বলেও জানান। ওসি সদীপ কুমার দাশ বলেন, মানবিক কারণে আমরা ওই তরুণীর চিকিৎসার খরচ বহন করছি। তিনি বলেন,ঘটনায় জড়িত চার যুবকের কাউকে চেনে না মেয়েটি। তার দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ওই ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। মেয়েটি পুরোপুরি সুস্থ হলে সে বাদি হয়ে মামলা করবে।
মোহরায় ১ হাজার অসচ্ছল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মেয়র
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, দেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেলে দারিদ্রতা কমবে। আর দারিদ্রতা বিমোচন করা গেলে দেশের মানুষ আত্মনির্ভশীল হয়ে উঠবে। তাই দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সন্তান যাতে শিক্ষালাভ করতে পারে প্রাক প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সামনের বছর এই স্তরের শিক্ষা কার্যক্রমে আরো নতুন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। আজকে আমাদের দারিদ্রতা সম্পূর্ণভাবে নিরসন করা যায়নি বলে অসচ্ছল ও হতদরিদ্ররা এখনো সাহায্য-সহায়তার জন্য পরমুখাপেক্ষি হন। বিগত দশ বছরে দারিদ্রের হার ৪২ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। সরকারের এ ধারাবাহিকতার কারণে আগামীতে এই দারিদ্রতার হার আরও কমে আসবে। গতকাল বুধবার দুপুরে মোহরা ওয়ার্ড কার্যালয় প্রাঙ্গণে সামাজিক সংগঠন প্রজন্ম বাংলার উদ্যোগে হত দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ কালে তিনিএ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ১ হাজার অসচ্ছল মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক খানের সভাপতিত্বে সংগঠনের সভাপতি আরিফুর রহমান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন জনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজনীতিক খালেদ হোসেন খান মাসুক, ইমতিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, মো. ফয়সাল খান, মো. এসকান্দর আলী, মো. রোবায়েত হোসেন, মো. ওসমান গনি, নঈম উদ্দিন খান, এস এম আলী আকবর, মো. ইকবাল হোসেন জিকো, হানিফ খান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম লেডিস ক্লাবে পিঠা উৎসব
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম লেডিস ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব গতকাল বুধবার ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী দেশীয় নানা রকম পিঠা প্রদর্শনী ও বিকিকিনি করা হয়। উৎসবে ২০টি স্টলে প্রদর্শিত হয় পাটিসাপটা, দুধপুলি, নারকেল পুলি, বিন্নি পায়েস, টোপা, চুটটি, চিটা পিঠা, আতিক্যা পিঠা, গোলাপ পিঠা, খেজুরী পিঠা, বিবি খানা, ছাঁচ পিঠা, মুগপাকন, গকুল পিঠা, শেড গজ্জা পিঠা, তালের পিঠা, চিতই, ভাপা, নকশি পিঠা, ফুল পিঠা, চকলেট পাটিসাপটাসহ বাহারি সুস্বাদু পিঠা। এছাড়া ছিল নানান ধরনের আচার, দেশীয় পোশাক, বুটিক-বাটিক কাপড়, শোকেস পিসসহ হাতবানানো খাবার দাবার। এতে অংশ নেন সুলতানা নুরজাহান রোজী, ইশরাত রুমা, আসমা ইসলাম, হাজেরা আলম মুন্নী, রুহী মোস্তফা লিজা, রুহী মোস্তফা আশা, সিডিসি, আফরোজা বুলবুল, রোকেয়া আক্তার বারী, রুহী মোস্তফা, লায়লা ইব্রাহিম বানু, সৈয়দা শামীম কাদের সুরমা, আলেয়া চৌধুরী, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম, শামীম আরা আহাদ, রোকেয়া আহমেদ, শাহেদা নাসরীন প্রমুখ। এ উপলক্ষে এক সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাব সভানেত্রী খালেদা আউয়াল। প্রধান অতিথি ছিলেন ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান মোহসেনা রেজা । বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনার হুইল ইমিডিয়েট পাস্ট ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান শারমিন হোসেন, ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট এডিটর মুশফেকা রহমান। সাধারণ সম্পাদিকা বোরহানা কবিরের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাব উপদেষ্টা ড. জয়নাব বেগম, সহ সভানেত্রী সাবিহা মুসা, পারভিন চৌধুরী, আসমা ইসলাম চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন সভানেত্রী জিনাত আজম। বক্তারা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে বর্তমানে অনেককিছু বদলে গেছে। আমাদের রয়েছে গৌরব করার মতো খাবার সংস্কৃতি। একসময় বাংলাদেশকে বলা হত পিঠা-পুলির দেশ। কালের পরিক্রমায় সে-ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। তা যেন হারিয়ে না যায়, তাকে ধরে রাখার প্রয়াসে লেডিস ক্লাব আয়োজন করেছে এ পিঠা উৎসব।নতুন প্রজন্মরা জানতে পারবে দেশীয় পিঠা-পুলি সম্পর্কে। লেডিস ক্লাব এ ধরনের আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত রাখবে। শুরুতে ফিতা কেটে প্রধান অতিথি ক্লাব কর্মকর্তাদের নিয়ে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর