চট্টগ্রাম নগরীর ১৬ থানার প্রতিটিতে ৫ সদস্যের কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত
১১এপ্রিল,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কের মাঝে অজ্ঞাতপরিচয় লাশ দাফনের পাশাপাশি অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে এবার মাঠে নেমেছে পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম। নগরীর ১৬ থানার প্রতিটিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫ সদস্যের বিশেষ টিম। এদের প্রত্যেকেই পিপিই পরিহিত অবস্থায় সুরক্ষিত থাকার প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত ইউনিফর্মের উপরেই পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট পরছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। অথচ প্রয়োজন ব্যতীত চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট ছাড়া অন্যদের পিপিই ব্যবহারের ক্ষেত্রে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শুক্রবার রাতে নগরীর ফিরিঙ্গি বাজার এলাকায় শনাক্ত হওয়া এক করোনা রোগীর বাসা লকডাউন করার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এই কুইক রেসপন্স টিমের মূল কাজ। এখন থেকে নগরীর প্রতিটি থানা এলাকায় পাওয়া যাবে এই টিমের জরুরি সেবা-এমনটিই জানালেন সিএমপির এই উপ কমিশনার। সিএমপি উপ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান বলেন, রাস্তায় কেউ অসুস্থ বা মরে পড়ে থাকলে সেখানে পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে আসবে। এদিকে চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে বাজারগুলো থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর তাই কাঁচাবাজারগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে সেনা বাহিনীর টহল টিম।
চট্টগ্রামে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় এগিয়ে এলো কেএসআরএম
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রামের গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় পারসোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) দিয়ে এগিয়ে এলো ইস্পাত নির্মাণকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআরএম। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে টিভি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন চট্টগ্রামর সভাপতি নাসির উদ্দিন তোতার হাতে কেএসআরএমের পক্ষে এসব পিপিই তুলে দেন প্রতিষ্ঠানের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী ও এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক ও ডিবিসি নিউজের ব্যুরো প্রধান মাসুদুল হক। এ প্রসঙ্গে কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের সংকট ও সমস্যায় এগিয়ে আসে কেএসআরএম। সেই ধারাবাহিকতায় এ অঞ্চলের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় এগিয়ে এসেছে দেশের বৃহত্তর ইস্পাত প্রস্তুতকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআরএম। সাংবাদিকরা দেশের যেকোনো যুদ্ধ, বিগ্রহ ও দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সঠিক তথ্য ও পরিস্থিতি তুলে ধরেন জাতির সামনে। নানা প্রতিকূলতায় তাদেরকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সংগ্রহ করতে হয়। অথচ বৈশ্বিক মহামারি করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে যেখানে পুরো বিশ্ব থমকে আছে, ঘরে থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এমন পরিস্থিতিতেও গণমাধ্যমকর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে ঘটনার পেছনে ছুটছে নিরন্তর। তাই তাদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে কেএসআরএমের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও আন্তরিকতায় এ অঞ্চলের গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য এসব পিপিই দেওয়া হয়েছে। টিভি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন চট্টগ্রামর সভাপতি ও বাংলাভিশনের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নাসির উদ্দিন তোতা বলেন, করোনা পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি কেমন হবে তা অনুমান করা যাচ্ছে না। দিনদিন পরিস্থিতি খুব ভয়াবহ হয়ে উঠছে। প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে লাশের মিছিল। কিন্তু এ অবস্থায়ও গণমাধ্যমকর্মীদের ঘরে থাকার কোনো সুযোগ নেই। সকাল সন্ধ্যা ঝুঁকি নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করতে হচ্ছে। দেশের যেকোনো পরিস্থিতির আপডেট কিন্তু আমরাই দিয়ে থাকি। প্রতিনিয়ত আমাদের পেশাগত ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে কেএসআরএম অন্যতম। অতীতেও আমরা আমাদের যেকোনো প্রয়োজনে কেএসআরএমকে পাশে পেয়েছি। আমরা আশা করছি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি এমন আন্তরিক সহযোগিতা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর পুলিশি হামলায় বিএফইউজে'র নিন্দা
১০এপ্রিল,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তরডটকম:করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম জরুরি সেবার আওতায় থাকলেও কতিপয় অতিউৎসাহী পুলিশ সদস্য পরিচয় পাওয়া সত্বেও সাংবাদিকসহ গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে অশোভন আচরণ করছেন। আজ শুক্রবার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার নাসির উদ্দিন রকির উপর পুলিশ কনস্টেবল জাহাঙ্গীরের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ের নেতৃবৃন্দ। আজ শুক্রবার সংগঠনটির সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, নির্বাহী সদস্য রুবেল খান, নির্বাহী সদস্য আজহার মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। বিবৃতিতে তারা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনে প্রশাসন ও পুলিশ দিনরাত পরিশ্রম করলেও তাদের গুটিকয়েক কর্মকর্তা কমর্চারীর কারণে প্রশাসনের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। কয়েকদিন আগে দৈনিক আজাদীর একজন পিয়নও পুলিশি হামলার শিকার হন। এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমের জন্য চরম উদ্বেগের। এমন ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন এবং আগামীতে যাতে এই ধরণের ঘটনা আর না ঘটে সে জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করার দাবি জানাোনা হয় বিবৃতিতে।
সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন
১০এপ্রিল,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।অভিযানকালে এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয় এবং সরকারি র্নিদ্দেশনা অমান্য কারীদের জরিমানা করা হয়। আজ শুক্রুবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় নগরীর চান্দগাও, বাকলিয়া, পাচলাইশ, খুলশি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ।অভিযানে একাধিক মামলায় ৫০০০( পাঁচ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়। বিনা প্রয়োজনে বাইরে আসা, যে সকল দোকান খোলার অনুমতি নেই তা খোলা রাখা ও লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালানোর জন্য মামলাগুলো করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান নগরীর ডবলমুরিং,বন্দর,ইপিজেড,পতেঙ্গা এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন । অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে কাটগড় এলাকায় দুইটি ফার্ণিচারের দোকানকে অবৈধভাবে খোলা রেখে কেনাবেচা করার দায়ে যথাক্রমে ২০০০ ও ১০০০ টাকা এবং একটি ইলেকট্রনিকসের দোকানকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পতেঙ্গা থানা সংলগ্ন কাঁচা বাজারটি মনিটরিং করার সময় সঠিকভাবে সমাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার কারণে এক দোকানদারকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া পথচারীদেরকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। যৌক্তিক কারন ছাড়া পথেঘাটে ঘুরাঘুরির কারণে কয়েকজন পথচারীকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু দোকানের সামনে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করে দেওয়া হয়। এছাড়াও জুমার নামাজে অতিরিক্ত গণজমায়েতকে নিরুৎসাহিত করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক পাহাড়তলী, হালিশাহ ও আকবরশাহ, চকবাজার,কোতোয়ালি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ।এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এ হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের বেধে দেয়া প্রতিকার ব্যবস্থার বিষয়গুলো তুলে ধরে প্রতিপালনের জন্যে অনুরোধ করা হয়।আকবরশাহ ও পাহাড়তলী এলাকার বস্তিতে অলিগলিতে মাইকিং এর মাধ্যমে তাদের ঘরে ফেরানো হয়।এ কে খান এলাকায় মিনি বাস চালক ও হেল্পারদের গাড়ী না চালানোর জন্যে আহবান জানানো হয়।অত্র এলাকায় ত্রান দেয়ার সময় মানুষের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়।পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করা হয়। ওএমএস এর চাল বিক্রয়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করাসহ বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ব্যবস্থাপনার জন্যে পরামর্শ প্রদান। অভিযানে ৮ টি মামলায় ৪৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম নগরীর চান্দগাও, পাচলাইশ, খুলশী থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন । অভিযানকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ১ টি মামলায় একজনকে ১৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ শিকদার ডবলমুরিং, বাকলিয়া এলাকায় বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ ঘটিকা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন । অভিযানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার দায়ে ৫ টি মামলায় ৫ জনকে সর্বমোট ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি টিম এখনো চলমান রয়েছে বলে জানান, জেলা প্রশাসনের জনসংযোক কর্মকর্তা ।
চট্টগ্রামে পুলিশে পেটাল স্বাস্থ্যকর্মী ও সাংবাদিককে,নিন্দা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ
১০এপ্রিল,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:গলায় ঝুলানো ছিল পরিচয়পত্র, তবুও লকডাউনের নামে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাল সাংবাদিককে। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকের স্বাস্থ্যকর্মী ভাইকেও পেটাল পুলিশ। অথচ লকডাউন বিধিনিষেধের আওতায় নেয় দুজনের একজনও। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার কুয়াইশ বুড়িশ্চর এলাকায়। হাটহাজারী থানার কনেস্টেবল জাহাঙ্গীর সড়কের উপর তাদের দুজনকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। এতে আহত হয়েছেন দুজনেই। এরা হলেন, দৈনিক যুগান্তরের চট্টগ্রাম ব্যূরোর স্টাফ রিপোর্টার নাসির উদ্দিন রকি ও তার ছোট ভাই নগরীর এপিক হেলথ কেয়ার হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী সাইফুদ্দিন। সাংবাদিক নাসির উদ্দিন রকি জানান, ছোট ভাই ও আমি মোটরসাইকেলে করে রাউজানের বাড়ি থেকে যার যার কর্মস্থলে যাচ্ছিলাম। দুজনের গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো ছিল। কিন্তু কুয়াইশ এলাকায় পৌঁছালে হাটহাজারী থানার কনস্টেবল জাহাঙ্গীর অতর্কিতভাবে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে। রকি বলেন, সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি সংবাদপত্র ছুটির আওতামুক্ত থাকার বিষয়টি জানানোর পরও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর লাঠিচার্জ করে। বিষয়টি আমি চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও হাটহাজারী থানার ওসিকে জানিয়েছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এ ব্যাপার যোগাযোগ করা হলে হাটহাজারী থানার ওসি মো. মাসুদ আলম বলেন, উনি যে সাংবাদিক সেটা চিনতে না পারায় ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে। সাংবাদিক নাসির উদ্দিন রকির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৪ মার্চ থেকে চলমান সাধারণ ছুটি সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতের জন্য প্রযোজ্য হবে। স্বাস্থ্যসেবা, সংবাদপত্রসহ অন্যান্য জরুরি প্রতিষ্ঠান চলবে। এমন আদেশ জারি করে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ। এছাড়া ৫ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত যে ছুটি দেওয়া হয়েছে তাতে জরুরি সেবাসহ সংবাদপত্র এর আওতামুক্ত থাকবে। এরপরও দায়িত্বরত সাংবাদিককে পুলিশের পেটানোর ঘটনায় সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
সাংবাদিক মহরম হোসাইন এর উপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত নওশাদ গ্রেফতার
১০এপ্রিল,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগরীর কোতোয়ালী থানার বক্সিরহাট এলাকায় ব্যবসায়ী নামধারী দুর্বৃত্তদের হামলায় সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন আহত হওয়ার মামলায় আরও এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম নওশাদ আলী খান।বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে জেলরোড় বদপাতি এলাকা থেকে নওশাদ আলী খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালীর ওসি মো. মহসীন। তিনি জানান, সাংবাদিক মহরম আলীর উপর হামলার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার ৩ নং আসামী নওশাদ আলী। হামলার পরপরই এ আসামী পালিয়ে গেছিল।উল্লেখ্য-পণ্যের দাম বেশি কেন রাখা হচ্ছে জানতে চাওয়ায় গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল বিকেলে) বক্সিরহাট এলাকায় চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন (৩৪) এ উপর হামলা ব্যবসায়ী নামধারী দুর্বৃত্তরা।এ ব্যাপারে ৩ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা করে হামলার শিকার সাংবাদিক। ঘটনার পরপরই পুলিশ স্বপন কুমার সাহা (৫২) নামেএক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছিল।চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইনের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএফইউজের নেতৃবৃন্দ। হামলার ঘটনায় দায়ী সবাইকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে আরো কঠোর ভূমিকা নেয়ার দাবি জানান তাঁরা।
হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের মনিটরিং করার জন্য মোবাইল অ্যাপ চালু করল সিএমপি
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং তার সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তি ও বিদেশ হতে আগত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণের কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য INOVACE TECHNOLOGIES (https://inovacetech.com) এর সহায়তায় নিরাপদ-Stay Home, Stay Safe নামীয় মোবাইল অ্যাপ চালু করল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ । আজ দুপুর ২টায় দামপাড়াস্হ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতর এর কনফারেন্স হলে এই অ্যাপটি উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম । এই অ্যাপ জিও ফেন্সিং টেকনোলজির মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান নিশ্চিত করবে। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট স্থানের বাহিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে উক্ত ব্যক্তিকে নোটিফিকেশন এর মাধ্যমে সতর্ক করবে এবং ওয়েব ভিত্তিক এ্যাডমিন প্যানেল এর মাধ্যমে থানার মনিটরিং ইউনিটকে তাৎক্ষনিক তথ্য প্রদান করবে। যার ফলে হোম কোয়ারেন্টিন মনিটরিং কার্যক্রম তাৎক্ষনিক, কার্যকর এবং সময় সাশ্রয়ী হবে। এই অ্যাপ ব্যবহারের ফলে পুলিশ সদস্যদের সংস্পর্শজনিত কারণে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করবে। প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৬টি থানায় এটির কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই অ্যাপ এবং ওয়েব বেইজড সিস্টেম (থানা ভিত্তিক মনিটরিং কার্যক্রম) এর কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। উল্লেখ্য, এই অ্যাপ এর আওতায় বর্তমানে ৪১ জন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিকে মনিটরিং করা হচ্ছে। INOVACE TECHNOLOGIES জনস্বার্থে বিনামূল্যে এই অ্যাপ সেবাটি প্রদান করছে। অ্যাপ এর নাম নিরাপদ - Stay Home, Stay Safe গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড লিংক, https://play.google.com/store/apps/details, Short link : https://bit.ly/3b38Pmd, অ্যাপটি উদ্বোধনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার) সহ বিভিন্ন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার গন এবং INOVACE TECHNOLOGIES এর কর্মকর্তাবৃন্দ।
সাতকানিয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে প্রতিবন্ধী তরুণের মৃত্যু
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রামে সাতকানিয়ায় জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণের (২৩) মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার মাদার্শা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। গত বুধবার রাত ১০টার দিকে সে নিজ বাড়িতে মারা যায়। বৃহস্পতিবার সকালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল কবির জানান, প্রতিবন্ধী ছেলেটি গত চার-পাঁচ দিন ধরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। কিন্তু তার পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাননি।নয়া দিগন্ত। এ অবস্থায় গত বুধবার রাত ১০টার দিকে প্রতিবন্ধী যুবকটির মৃত্যু হয়। এ খবর জানাজানি হলে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মজিদ ওসমানী জানান, আমরা মৃত ছেলেটির পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন ছেলেটি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে এনেছেন।সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর-এ-আলম জানান, সতর্কতার সাথে নিহত তরুণের লাশ দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ভোগ্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভোগ্যপণ্যের বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে বেড়েছে ডাল ও তেলের দাম। পাইকারদের অভিযোগ, নানা অজুহাতে এসব পণ্য সরবরাহ করছেন না মিল-মালিকরা। তাই, মিল পর্যায়ে নজরদারি না বাড়ালে দামে আরো অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। অনেকটা আগের মতো চিরচেনা রুপে দেশে ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় পাইকারী বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। যেখানে যানবাহনের সারি আর মানুষের আনাগোনায় বোঝাই দায়, করোনার কারণে স্থবির জনজীবন। করোনার এই সময়ে বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা কিছুটা কমলেও সরকারি বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রান বিতরণের কারণে বেড়ে গেছে মসুরডাল আর তেলের চাহিদা। সেইসাথে বেড়ে গেছে দামও। তাতে, আগের তুলনায় মোটা দানার মসুর ডাল কেজিতে দশ থেকে পনেরো টাকা আর ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে গেছে লিটারপ্রতি দুই থেকে চারটাকা। পাইকারী ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা বেশী থাকার সুযোগে তেল মিল মালিকরা সংকট দেখিয়ে বাড়িয়ে দিচ্ছেন দাম। আর অনেক ডালমিল বন্ধ থাকায় নেই ডালের পর্যাপ্ত সরবরাহ। তাতে, বাড়তি দামে কিনে বিক্রি করতে হচ্ছে এসব পণ্য। তবে, পেয়াজ, রসুন আদাসহ অন্যসব ভোগ্যপণ্যের দাম আছে স্থিতিশীল। সরবকরাহও আছে পর্যাপ্ত। তেল ডালসহ বেড়ে যাওয়া নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে এখনই সরকারের নজরদারি চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর