চট্টগ্রামকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলার এখনই সময়
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম চেম্বার ও ই-জেনারেশনের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামকে তথ্যপ্রযুক্তির গন্তব্যস্থল এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানির প্রদর্শন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক গতকাল বুধবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন অংশীদারদের এই গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম এবং সঞ্চালনা করেন ই-জেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান। ই-জেনারেশনের নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান এসএম আশরাফুল ইসলাম বৈঠকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, চবি সিএসইর প্রফেসর শাহাদাত হোসেন, চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা মোস্তফা, বিকেএমইএর সাবেক পরিচালক শওকত ওসমান, ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু, সোসাইটি অব আইটি প্রফেশনালসের সভাপতি আবদুল্লাহ ফরিদ, এসএপি ইন্ডিয়ার সিনিয়র সলিউশন আর্কিটেক্ট সৌভিক দাশ, কেএসআরএমের আইটি প্রধান হাসান মুরাদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এসসিও মোঃ ওয়াকার খান, চসিকের আইটি হেড ইকবাল হাসান, বিডি ভেঞ্চারের চেয়ারম্যান এহসানুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন, চালডালডটকমর সিইও ওয়াসিম আলিম, বাগডুমর সিইও মিরাজুল হক, বিআইপিসির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, হ্যান্ডিমামার সিইও শাহ পরান, জেমসক্লিপর প্রতিনিধি আহনাফ মহসিন ও হ্যামার স্ট্রেন্থ ফিটনেসের চেয়ারম্যান সৈয়দ জালাল আহমেদ রুম্মান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালক কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোঃ জহুরুল আলম ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেলসহ বিভিন্ন সেক্টরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম আইটি খাতেরও হাব হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। চট্টগ্রামে অবস্থিত বন্দর, কাস্টম, ইপিজেড, শিপিং, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং, সিএন্ডএফ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে আইটির ব্যবহার ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয় করছে। শিল্পাঞ্চলের মত আইটি ভিলেজ স্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে এ খাতের বিশাল উন্নয়ন করা যাবে। সরকারের পরিকল্পনার সাথে প্রাইভেট খাতের সমন্বয়ের মাধ্যমে এক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব। এ খাতে প্রশিক্ষিত দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে আউটসোর্সিং এ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, স্বল্প পুঁজিতে স্বনির্ভরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করার মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং এক্ষেত্রে অবশ্যই আইটিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষার অন্তর্ভূক্ত করতে হবে ও ব্যাপক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। চেম্বার সভাপতি শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি আইটি খাতেও চট্টগ্রাম অদূর ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দিবে বলে প্রত্যাশা করেন। ই-জেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, চবি, চুয়েট, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনসহ শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের প্রফেশনাল তৈরি করার পরেও চট্টগ্রামকে সম্ভাবনাময় বাজারের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির পরবর্তী গন্তব্যস্থল হিসেবে তৈরি না করার কোনো কারণ নেই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পুরস্কার পেলো পাহাড়তলী থানা
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অল্প সময়ের মধ্যে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় পাহাড়তলী থানা পুলিশকে পুরস্কৃত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। গতকাল বুধবার বিকেলে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) ডিআইজি কুসুম দেওয়ান, উপ-কমিশনার (পশ্চিম) ফারুক উল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) পংকজ বড়ুয়া ও অভিযান পরিচালনাকারী টিমের সদস্যরা। উল্লেখ্য, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পাহাড়তলী থানার আবদুল আলী নগর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিম ও আসামির পরিচয় শনাক্ত করে বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে একমাত্র আসামি আশা আক্তারকে গ্রেফতার করে পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক অর্ণব বড়ুয়ার নেতৃত্বে টিম।
চাক্তাইয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর চাক্তাইয়ের ভেড়া মার্কেট এলাকায় বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নাশকতা কিংবা স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজি কি-না তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের নিকট আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে সহায় সম্বল হারানো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পরিজনদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। এ সময় সুজন বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা নাশকতার অভিযোগ পাচ্ছি। এটা আসলে নাশকতা নাকি কোন স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজি কি-না তা খতিয়ে দেখা একান্ত প্রয়োজন। কারণ গভীর রাত্রে নিঃশব্দ নিশ্চুপ নগরীতে আগুন লাগাটা সত্যিই রহস্যজনক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল জনগণের জীবন মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা আছে ক্ষতিপূরণ কিংবা পুনর্বাসন ছাড়া কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না। সেই মুহূর্তে এ ধরনের দুর্ঘটনা নিশ্চয়ই সচেতন মহলের মনে সন্দেহের উদ্রেক সৃষ্টি করে। তাছাড়া সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক কর্ণফুলী নদীকে আগের অবয়বে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর রেশ ধরে যদি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয় তাহলে তা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অমানবিক। তিনি অগ্নিকান্ডের ঘটনার পিছনের কোন রহস্য থাকলে তা খুঁজে বের করে উন্মোচন করার জন্য প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানান। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী জাহাঙ্গীর আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট রনি কুমার দে, আওয়ামী লীগ নেতা লিটন চৌধুরী, সোলেমান সুমন, আবুল কালাম আবু, মো. মাসুদ, নূর মোহাম্মদ, দিদারুল আলম মো. মাসুম, মনিরুল হক মুন্না, মো. রায়হান, মো. জুয়েল, জয় দাশ, মো. আনিস প্রমুখ। বাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণমুক্তি ইউনিয়ন বাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণমুক্তি ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ গতকাল সকালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চাক্তাই ভেড়ামার্কেট কলোনী পরিদর্শন করেন। নেতৃবৃন্দ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারের সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সমবেদনা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণমুক্তি ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক কমরেড নাসিরুদ্দিন আহমেদ নাসু, বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কার্য পরিচালনা কমিটির সদস্য মানস নন্দী, বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়ক ও সিপিবি জেলা সম্পাদক অশোক সাহা,গণমুক্তি ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজা মিঞা, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সদস্যসচিব অপু দাশ গুপ্ত, গণসংহতি আন্দোলন জেলা সমন্বয়কারী হাসান মারুফ রুমি,বাসদ জেলা সমন্বয়ক মহিন উদ্দিন, শফিউদ্দিন কবির আবিদ, মীর্জা আবুল বশর,ফিরোজ মিঞা, মো. ফরহাদ, মো. শুক্কুর প্রমুখ। পরিদর্শন শেষে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি উদ্যোগে লঙ্গরখানা চালু, নিহতদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বিজিসি ট্রাস্ট ভার্সিটির সিএসই বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায়
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে বিজিসি বিদ্যানগরস্থ বঙ্গবন্ধু ফ্রিডম স্কোয়ারে অনুষ্টিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী । বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্বব্যিালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এডভাইজর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. নারায়ণ বৈদ্য, রেজিস্ট্রার এ.এফ.এম আখতারুজ্জামান কায়সার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ. ন. ম. ইউসুফ চৌধুরী, কেডিএস গ্রুপের অটোমেশন সিস্টেম এর ডেপুটি ম্যানেজার ভাস্কর চৌধুরী, পিএইচপি ফ্যামেলির আইটি বিভাগের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার এটিএম লুৎফুল হক । বক্তব্য রাখেন সিএসই এলামনাই এসোসিয়েশনের জিএস নোটন প্রসাদ ঘোষ, এলাইড কম্পিউটার সিস্টেম (এসিএস) এর ভিপি আরিফুল ইসলাম সজীব, সিএসই এলামনাই এসোসিয়েশন এর সদস্য ও কেডিএস টেঙটাইল এর আইটি ইনচার্জ সৌরভ বড়ুয়া, বিদায়ী ছাত্র-পিয়াস বড়ুয়া। প্রধান অতিথি বলেন, নতুনের আগমন ও পুরাতনের বিদায় এটি একটি চিরাচরিত নিয়ম, কিন্তু এরই মাঝে সম্পর্কের যে বন্ধন সৃষ্টি হয় তা অতুলনীয়। বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির যে প্রতিযোগিতা তা তোমাদের কঠোর অধ্যাবসায় ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে অর্জন করতে হবে। তোমরা যারা আজ এখান থেকে স্নাতক শেষ করেছ তারা উচ্চতর শিক্ষা গ্রহনে অথবা কর্মজীবনে নিজেদের নিয়োজিত করবে। আমি আশা করছি সকলে স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মহান একুশ বাঙালির আত্মজাগরণের হাতিয়ার
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে অমর একুশ ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস স্মরণে বায়ান্ন অনুরণিত একাত্তর ভাষা আর মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালি হৃদয়ে চির ভাস্বর শীর্ষক এক আলোচনা সভা গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের সভাপতি বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে কদমমোবারক এম ওয়াই উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ। প্রধান বক্তা ছিলেন কবি আশীষ সেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাট্যজন সজল চৌধুরী, মিঠুল দাশ গুপ্ত, অধ্যক্ষ রতন দাশ গুপ্ত, ডাঃ ডি কে ঘোষ, জসিম উদ্দীন চৌধুরী, বিজয় শংকর চৌধুরী, কবি স্বপন বড়ুয়া, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, এস এম জে রহমান, অচিন্ত্য কুমার দাশ, সেলিম উদ্দীন, সোহেল তাজ, মঞ্জুরুল আলম, মোঃ নাছির উদ্দীন, মোঃ জাবেদ প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি বলেন একুশ বাঙ্গালির আত্নজাগরণের হাতিয়ার। একুশের সিড়ি বেয়ে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তিনি বলেন ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের যে আত্নত্যাগ তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। সভার শুরুতে সকল ভাষা শহীদদের স্মরনে নিরবতা পালন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফেসবুকের পরিচয়ে প্রেম,তারপর বিয়ে এবং খুন
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে বগুড়ার আশা আক্তারের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. শামীমের প্রেম, তারপর বিয়ে। বিয়ের চার মাসের মাথায় গলাকেটে শামীমকে খুন করেন আশা আক্তার। শামীম খুন হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে আশা আক্তারকে বগুড়া থেকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম নিয়ে আসার পর এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) কুসুম দেওয়ান বলেন, এক বছর আগে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে চার মাস আগে বিয়ে হয় শামীম ও আশা আক্তারের। বিয়ের পর আশা আক্তার জানতে পারেন, শামীম আগেও বিয়ে করেছেন এবং তার দুইটি বাচ্চা আছে। সেই ক্ষোভ থেকে শামীমকে খুনের পরিকল্পনা করে আশা আক্তার। ডিআইজি কুসুম দেওয়ান বলেন, আশা আক্তার আগে কখনও চট্টগ্রাম আসেননি। ১৬ ফেব্রুয়ারি শামীমের সঙ্গে প্রথম এসেছিলেন। সেদিনই শামীমকে ঘুমের মধ্যে খুন করে বগুড়া পালিয়ে যান। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা ছুরিটি বগুড়া থেকে কিনে নিয়ে এসেছিলেন আশা আক্তার। তিনি বলেন, শামীমকে বগুড়াতে স্যাটেল (স্থায়ী) করার জন্য এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে একটি ইজিবাইক কিনে দিয়েছিলেন আশা আক্তার। কিন্তু শামীম আশা আক্তারকে না বলে চট্টগ্রাম চলে আসায় ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। এর পরই খুনের পরিকল্পনা করে আশা। শামীম ফোনে আশা আক্তারকে চট্টগ্রাম চলে আসার জন্য বললে তিনি রাজি হয়ে যান। পরে শামীম গিয়ে আশা আক্তারকে নিয়ে আসেন এবং ভাড়া বাসায় উঠেন। কুসুম দেওয়ান বলেন, শামীমকে একাই খুন করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে আশা আক্তার। সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উপ-কমিশনার (পশ্চিম) ফারুক উল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) পংকজ বড়ুয়া, পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ উপস্থিত ছিলেন। যেভাবে শনাক্ত ভিকটিম ও খুনী: স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খুন হওয়ার পর পাহাড়তলী থানাধীন আবদুল আলী নগর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব পান পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অর্ণব বড়ুয়া। একটি ফোন কলের সূত্র ধরে প্রথমে ভিকটিম শামীমের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে শামীমের সঙ্গে কথোপকথনের সূত্র ধরে শনাক্ত করা হয় আশা আক্তারকে। শামীমের পরিবারের কেউ আশা আক্তারকে চিনতেন না, কখনও দেখেননি। না চিনলেও শামীমের সঙ্গে এক মেয়ের মোবাইল ফোনে কথা হয় এমন তথ্য পুলিশকে দেন শামীমের পরিবার। আশা আক্তারের পরিচয় পেয়ে পুলিশ দুইদিন বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এসআই অর্ণব বড়ুয়া বলেন, বাসা ভাড়া নেয়ার জন্য বাড়ির মালিকের মেয়ের মোবাইল নম্বরে কল দিয়েছিলেন শামীম। সেই নম্বরের সূত্র ধরে শামীম ও আশা আক্তারের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ বলেন, বুধবার দুপুরে আশা আক্তারকে আদালতে তোলা হয়েছে।
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় জনপ্রতিনিধিদের তৎপর হওয়ার আহ্বান
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন জন প্রতিনিধি হিসেবে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা ও পরিবেশ রক্ষায় তৎপর হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নগরে জনসংখ্যার চাপ বেড়েছে। একদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অতি বৃষ্টি-অনাবৃষ্টি , বন্যা-খরা, পাহাড় ধসে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তিনি গতকাল মঙ্গলবার কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনে দুঃস্থতা সমীক্ষা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে ও এলইউপিসির সিটি ম্যানেজার ড. সোহেল ইকবালের সঞ্চালনায় কর্মশালার মতামত ও মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, মো.মোবারক আলী, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, মো. শফিউল আলম, মনোয়ারা বেগম মনি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোডেকের প্রধান নির্বাহী কমল সেন গুপ্ত। কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের দুঃস্থতা সমীক্ষা বিষয়ে উপস্থাপনা করেন এশিয়ান ডিজস্টার প্রিপেয়ার্ডন্সে সেন্টার (এডিপিসি)র ফিজিক্যাল ভালনারেবল কো- অর্ডিনেটর মো. সাখাওয়াত হোসেন। কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের ( ভৌত ও আর্থ সামাজিক) বিপদাপন্নতা মূল্যায়ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আপদ, বিপদাপন্নতা মূল্যায়নে এক্সপোজার, সেন্সিটিভিটি এডাপ্টিভ ক্যাপাসিটি নিয়ে আলোচনা হয়। এতে আপদকালীন সময়ে আক্রান্ত স্থানকে এক্সপোজ করা, মানব সৃষ্ট কারনে কোন স্থান বা সম্প্রদায়ে জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাবকে বেশি বিপদাপন্ন করলে কিভাবে তা মোকাবেলা করা যায় এ বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে। অনুষ্ঠানে মানুষ, সম্পদ ও পরিবেশের ক্ষতি সাধন করতে পারে এরূপ সম্ভাব্য ঘটনাকে আপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আপদ গুলো হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জ্বলোচ্ছাস, নদী ভাঙ্গন, খাবার পানির সংকট ও ভূমি ধস। সম্ভাব্য এই আপদগুলোর কারনে যে সকল অবকাঠামো ও স্থান আক্রান্ত হতে পারে। এ গুলোর মধ্যে অবকাঠামো অর্থাৎ সকল প্রকার আবাসিক ভবন, রাস্তাঘাট ব্রিজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভবন, হাসপাতাল, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ,বিদ্যুৎ, গ্যাস,পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মশালায় কাউন্সিলরগন নগরীর যে সকল স্থানে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানো যায় কিনা, সৌর্ন্দযবর্ধিত করন, ইউএনডিপির সহযোগিতা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা মূলক নাটক প্রর্দশন, খাল, নদী, সমুদ্রের ভাঙনের বিষয়কে বিবেচনায় আনা, সুপেয় পানির অভাব, পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনে দুঃস্থতা সমীক্ষা বিষয়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক নিখুঁত প্রতিবেদন প্রস্তুতে আগামী সাত দিনের মধ্যে সকল কাউন্সিলরদের কাছে পত্র প্রেরনের মাধ্যমে মতামত নেয়া হবে। এজন্য তিনি সকল কাউন্সিলরদের জলবায়ু পরিবর্তনজনীত সম্ভাব্য ঝুঁকি ও আপদগুলো নির্ণয়ের অনুরোধ জানান। জলবায়ু পরিবর্তনজনীত পরিবেশের সম্ভাব্য ভারসাম্যহীনতার বিষয় সম্পর্কে ইউএনডিপির দুজন প্রতিনিধি আজ বুধবার চসিকের সাধারন সভায় কাউন্সিলদের অবহিত করবেন। পরবর্তীতে তারা ওয়ার্ড পর্যায়েও কাজ করবেন। উল্লেখ্য, প্রাথমিক পর্যায়ে এই প্রতিনিধিদল নগরীর ১০ ওয়ার্ডে তাদের সমীক্ষার কার্যক্রম চলাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিআইইউতে প্রোগ্রামিং কনটেস্টে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লড়াই করে জেতার ভেতর আছে অন্যরকম অনুভূতি। আছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর সেই লড়াইটা যদি হয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট নিয়ে তাহলে তো কথাই নেই! চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউর) স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট আন্তঃস্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাস এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায়। এতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে তিনটি দলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘোষণা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল হক খান বলেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ের শিক্ষার্থীরা সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা প্রোগ্রামিংয়ে তাদের পেশা গড়তে চায়। এই ধরনের আয়োজন তাদের ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, সহকারি অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল, প্রভাষক হাবিবুর রহমান, ইরতিজা চৌধুরী প্রমুখ। জানতে চাইলে প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল বলেন, প্রোগ্রামিং কনটেস্টের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা মনে করি এখানে অংশ গ্রহনের ফলে তাদের মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবহারিক কোডিং দক্ষতা ও এলগরিদমিক চিন্তাভাবনা বেড়ে যাবে। আয়োজকরা জানান, তিন ঘন্টাব্যাপী প্রতিযোগিতায় আটটি সমস্যার মধ্যে চারটির সমাধান করে চ্যাম্পিয়ন হয় সিআইইউ অ্যাভেন্‌জার্স গ্রুপ। এই দলের সদস্যরা হলেন: সাদমান সাইফ, পার্থ চক্রবর্তী, অমিত ঘোষ ও রাফিয়া রহমান। অপর দুই রানার্স আপ দল হলো সিআইইউ ইগ্নিটার্স ও ইনকুইসিটিভ। এরা প্রত্যেকে দুটি করে সমস্যার সমাধান করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে বিজয়ী দলের সদস্য সাদমান সাইফ বলেন, প্রোগ্রামিং নির্দেশনাগুলো যত বেশি নিখুঁত হবে, সমস্যা সমাধান ততবেশি সহজ হয়। রাজীব হাসান নামের রানার্স আপ দলের একজন প্রতিযোগী বলেন, বর্তমান যুগে প্রায় সব রকম জটিল ও কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায় কম্পিউটার সফটওয়ারের মাধ্যমে। তাই এমন প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হওয়া উচিত। অপর সদস্য শিক্ষার্থী মাহমুদা তাসনিম বলেন, প্রথমে সমস্যাগুলো নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলাম। পরে বন্ধুরা মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করেছি। যদিও রানার্স আপ হয়েছি। তবে বিজয়ী হলে আরও ভালো লাগতো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখাসহ দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদক রোধের পাশাপাশি ভেজালমুক্ত খাবার ও স্বাস্থ্য সেবার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের সকলকে এসব বিষয়ে আন্তরিক ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এখানে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ম্য ও ভুয়া-ভেজাল ওষুধের ব্যবসাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভুয়া ডাক্তাররা ছোট-বড় ফার্মেসিতে বসে প্র্যাকটিসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এখন থেকে ভুয়া ডাক্তার, নকল ও ভুয়া ওষুধসহ ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান চলবে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণকে এসবের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। সমাজ থেকে ভুয়া ডাক্তার, ভেজাল ওষুধ, ভেজাল খাবার, দুর্নীতি, মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স থাকবে। কোন ধরনের ছাড় নেই ও এর কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্সের সভা, বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, জেলা প্রশাসক সমন্বয় সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণের পর সড়ক পথে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক পাচার হ্রাস পেতে পারে। সড়ক পথ বাদ দিয়ে নৌপথে মাদক পাচার হতে পারে। আবার কোন কোন চক্র মাদক পাচারে নতুন রুট ব্যবহার করতে পারে। এ ব্যাপারে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে খুন, ছিনতাই, দস্যুতা, ইভটিজিং, রাহাজানি, অপহরণ ও অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। সামাজিক অস্থিরতার কারণে আত্মহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা যাতে বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সচেতনতার বিকল্প নেই। দুর্ঘটনারোধে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীসহ অন্যান্য জেলা মহাসড়কে বিদ্যুৎ খেকো ও ব্যাটারিচালিত রিক্সাসহ থ্রি-হুইলারগুলোর ব্যবহার রোধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি। বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা ফলপ্রসূ হওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসকগণেরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করছে। পেট্রোল পাম্প থেকে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল যাতে পাচার না হয় সে বিষয়ে সীমান্তবর্তী জেলা প্রশাসকগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ফিলিং স্টেশনের মালিকদের সাথে এ ব্যাপারে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক রোধে পুলিশের পক্ষ থেকে থাকবে জিরো টলারেন্স। অস্ত্র উদ্ধার, চোরাচালানরোধ, জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইদানিং সড়ক দুর্ঘটনা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ জন্য গাড়ির চালক-হেলপার এককভাবে দায়ী নয়। সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করবে। এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কোন ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় চাঁদাবাজি করার চিত্র চোখে পড়লে কিংবা সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়লে তা উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আমেনা বেগম বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভাল। অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারসহ অপরাধীদের গ্রেফতারে মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। দুর্ঘটনা রোধ, যানজট নিরসনে ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালক ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, বিজিবির চট্টগ্রামের রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম সিকদার, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), একেএম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), মো. কামাল হোসেন (কক্সবাজার), মো. শহিদুল ইসলাম (খাগড়াছড়ি), হায়াত উদ-দৌলা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ফেনী), চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু শাহেদ চৌধুরী (উপ-সচিব) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান পাটোয়ারী, হাইওয়ে পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ, চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাডভোকেট একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পূর্বাঞ্চলের সভাপতি মৃণাল চৌধুরী, বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্য পরিবহন ফেডারেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য্য, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. গাজী গোলাম মাওলা। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ জুবায়ের ও মোহাম্মদ জাকারিয়া। পৃথক সভাগুলোতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর