সাংবাদিক মহরম হোসাইনের ওপর হামলার নিন্দা বিএফইউজের, দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
0৮এপ্রিল,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইনের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএফইউজের নেতৃবৃন্দ। হামলার ঘটনায় দায়ী সবাইকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে আরো কঠোর ভূমিকা নেয়ার দাবি জানান তাঁরা। বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী, নির্বাহী সদস্য রুবেল খান, নির্বাহী সদস্য আজহার মাহমুদ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর বকশির হাটে একটি দোকানে পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য দাবির প্রতিবাদ করায় উক্ত দোকান মালিক স্বপন কুমার সাহা, তাঁর সহযোগী নওশাদ আলী খান, জুয়েল সাহাসহ বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত সাংবাদিক মহরম হোসাইনের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার পর বিএফইউজে ও সিইউজে নেতৃবন্দ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশের সহায়তায় হামলাকারীদের একজনকে আটক করে। পরে এ ঘটনায় ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, মহামারী করোনার কারণে যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দ্রব্যমূল্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে, সেখানে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ক্রেতাদের জিম্মি করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অতিরিক্ত মূল্য আদায় করছে। একজন সাংবাদিক হিসাবে মহরম হোসাইন এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর এ ধরণের হামলা অত্যন্ত জঘন্য ও নিন্দনীয়। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে দ্রব্যমূল্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য প্রশাসনের প্রতি অাহবান জানান।
চট্টগ্রামে আরও ৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজে (বিআইটিআইডি) নমুনা পরীক্ষায় আরও ৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির। বুধবার (০৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, আজ ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনের করোনা পজিটিভ। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা গেছে।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। সবমিলিয়ে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৩১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে একজনের বয়স ৪৫, একজনের বয়স ৪০ এবং অন্যজনের বয়স ৫০ বছর। তারা নগরের সাগরিকা, হালিশহর ও সীতাকুন্ড এলাকার বাসিন্দা। এর আগে গত ৩ ও ৫ এপ্রিল নগরের দামপাড়ায় একই পরিবারের দুই জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। তারা বর্তমানে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুই জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্তের পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা লকডাউন করে প্রশাসন। চট্টগ্রাম নগরে প্রবেশ কিংবা বের হওয়া বন্ধ করে দেয় পুলিশ।
অলিগলিতে আড্ডাবাজি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাঁড়াশি অভিযান,২৯ মামলায় ৯০ হাজার টাকা জরিমানা
0৮এপ্রিল,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও অলিতে গলিতে আড্ডাবাজি ঠেকাতে জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী যৌথ ভাবে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। আজকের এ অভিযানের ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আজকে ঘরের বাইরে লোকজনের যাতায়াতের প্রবণতা অনেকটাই কমেছে বলে মনে করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ । বুধবার ৮ মার্চ সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত চলা অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা খুলশী, চান্দগাও, বায়েজিদ, পাচলাইশ, চকবাজার, পাহাড়তলি, আকবর শাহ, পতেঙ্গা, লালখান বাজার মোড়, জিইসি মোড়, বন্দর এলাকা, হালিশহর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এদিকে সরকারি আদেশ অমান্য করে বিনা কারণে ঘরের বাইরে ঘুরাঘুরি করার দায়ে, সরকারি আদেশ অমান্য করে জরুরি সেবা ও পণ্য ব্যতীত অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রাখার কারণ, অলিগলিতে বিভিন্ন স্থানে আড্ডাবাজি বসানোর দায়ে, বিনা প্রয়োজনে গাড়ি, মোটরবাইকে যাতায়াত করায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ এর পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মোট ২৯ টি মামলায় ২৯ জন ব্যক্তি/ দোকান/প্রতিষ্ঠানকে সরকারি আদেশ ও রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করেছেন তাদের সামর্থ্য বিবেচনায় রেখে আজকের যৌথ অভিযানে মোট ৯০,৩০০ (নব্বই হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাহাড়তলী, আকবর শাহ, হালিশহর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ রানা। তিনি ৭টি মামলায় মোট ১২,০০০(বারো হাজার টাকা) জড়িমানা করেন। এর মধ্যে সরকারি আদেশ অমান্য করে হার্ডওয়্যার এর ৫ টি দোকান খোলা রাখায় প্রত্যেক দোকানকে ১,০০০( এক হাজার) করে জরিমানা করা হয়। ১টি হোটেলে লোক সমাগম ঘটিয়ে খোলা রাখায় ,১,০০০( এস হাজার) ও ১টি ইলেকট্রনিকস এর দোকান ১০০০ (এক হাজার) টাকা জরিমানা করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান অভিযান চালান বাকলিয়া, পাচলাইশ, খুলশী, চান্দগাও এলাকায়। এসময় তিনি ৩ টি স্যানিটারি আইটেম ও হার্ডওয়্যার দোকান খোলা রাখায় ৩১০০০(একত্রিশ হাজার) টাকা, একটি কম্পিউটার শপকে ৪০০(চারশত) টাকা এবং ওজনে কম দেয়ায় একটি মাংসের দোকানকে ৫০০০( পাঁচ হাজার) টাকা জরিমানা করেন। উক্ত এলাকা সমূহে ঔষধের দোকানে স্যানিটাইজার, মাস্ক, গ্লাভসের দাম বেশি রাখা হচ্ছে কিনা সেটিও মনিটরিং করা হয়। অভিযানে মোট ৫ মামলায় ৩৬,৪০০( ছত্রিশ হাজার চারশত) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ অভিজান চালায় চকবাজার,বায়েজিদ, সদরঘাট ও কোতোয়ালি এলাকায়। এসময় ৭ টি মামলায় মোট ২৬,১০০(ছাব্বিশ হাজার এক শত) টাকা জরিমানা করেন। এর মধ্যে বাজার মনিটরিং এ ২ মামলায় ২ টি প্রতিষ্ঠান কে ১৮৫০০টাকা এবং সামাজিক দূরত্ব না বজায় রাখায় ৫ ব্যক্তিকে ৭৬০০ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার অভিযান চালায় ডবলমুরিং, বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা থানাধীন এলাকায়। অভিযান চলাকালে তিনি ১০ টি মামলায় ১৫,৮০০(পনের হাজার আটশত) টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও বর্তমানে আরো ৬ টি মোবাইল কোর্ট চলমান রয়েছে যা রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা।
বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রামের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
0৮এপ্রিল,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আজ দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের জনক চত্তরে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত হয় দুঃখী ও দুস্থদের মাঝে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম এর সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম । এ কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম নগরীতে করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্র ১০০০ (এক হাজার) পরিবারকে ০৫ কেজি চাল, ০২ কেজি আলু, ০.৫ কেজি লবন, ০.৫ লিটার সয়াবিন তৈল সহ সর্বমোট ০৮ কেজি খাদ্য দ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রত্যেকের বাসায় বাসায় গিয়ে বিতরণ করা হবে। এসময় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম, মহাসচিব মোঃ ওবায়দুল হক আলমগীর, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দত্ত সহ পুলিশের অন্যান্য ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রাণ বিতরনের নামে নির্লজ্জ ফটোশেসন ও নয় ছয় সর্বত্র
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী চলা সাধারন ছুটির কারনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে দুস্থ, শ্রমজীবী মানুষ। সেই সাথে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষ ও অনেকেই খেয়ে না খেয়ে আছে আবার অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। লোক লজ্জায় না পারছে কাউকে বলতে না পাড়ছে কারো কাছে কিছু চাইতে। এদের পাশে দাড়ানোর মত তেমন কেউ নেই। তার উপর বাড়ি ভাড়ার খড়গ । আয় রোজগার থাক বা না থাক পেটে খাবার জুটুক বা না জুটুক মাস ফুরালেই বাড়ি ভাড়া রেডি রাখতে হয়। অনেকটাই দিশেহারা মধ্যবিত্ত পরিবাব্রের লোকজন।ফটোশেসন ও প্রচারের কবলে আত্মসন্মানের ভয়ে ত্রাণও নিতে পারে না। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মিডিয়ার কল্যানে দেখা যায় সবাই ত্রাণ বিতরণ করছে। আর চলে ত্রাণ বিতরনের নামে নির্লজ্জ ফটোশেসন। এর ফলে আত্মসন্মানের ভয়ে অনেকে ত্রাণ নিতে চায় না। রাস্তার ধারে যারা আসে তারা হয়ত কিছুটা পায়। যারা লোক লজ্জায় বাসা থেকে বের হতে পারে না তারা অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। আবার দেখা যাচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী চলে যাচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের পেটে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কঠোর সতর্ক করার পর ও ত্রাণ নিয়ে চলছে নয় ছয়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ত্রাণ বিতরনের নামে ফটোশেসন না করার জন্য সতর্ক করেন। কিন্তু তারপরও থেমে নেই সেই নিলজ্জ ফটোশেসন । ত্রাণের জন্য ফটোশেসন না ফটোশেসনের জন্য ত্রাণ । ভাবতে অবাক লাগে খেটে খাওয়া মানুষের সাথে এ কোন তামাশা! ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ত্রাণ বিতরণে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে। কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ, শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরন করছে। সেই সাথে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গোপনে বাসায় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে ।যদিও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকে বলেছে তারা ত্রাণ চেয়ে ত্রাণ পাচ্ছে না ।আবার ফোন করেও পাওয়া যাচ্ছে না নিয়ন্ত্রণ কক্ষে । পাশাপাশি চট্টগ্রাম পুলিশ সিএম পি'র উদ্দেগে একদিকে যেমন দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে ,অন্যদিকে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরনের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। সিএমপি'র সকল থানা থেকে ও ত্রাণ বিতরণ করছে। সি এমপি'র রয়েছে ডোর টু ডোর সপ সার্ভিস। ফোন করলেই মানুষের দ্বোর গোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য। সেবা মুলক কাজের মধ্য দিয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছে টিম কোতোয়ালি। ব্যক্তি উদ্দেগে অনেকে তৈরী খাবার বিতরণ করছে কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ব্যক্তি উদ্দেগে যারা বিতরণ করছে তাদের বেশীর ভাগই ফটোশেসন নিয়ে ব্যস্ত। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার সাহায্য না নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক কাউন্সিলরদের মাধ্যমে সরকারী ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে যা অনেকে নিজের বলে চালিয়ে দিচ্ছে।আবার অনেক ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের লোকদের মাঝে বিতরন করছে যারা নির্বাচনে হাতিয়ার হয়ে কাজ করবে। মোট কথা নির্বাচনী ফায়দা হাসিলের জন্য ব্যবহার করছে। ত্রাণ বিতরণে সর্বত্র হচ্ছে নয় ছয়! সম্প্রতি মিডিয়ার কল্যানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি দের বাসা থেকে সরকারী ত্রাণের চাল উদ্ধার করেছে। আবার দেখা গেছে একজন পঙ্গু ভিক্ষুক তার ভিক্ষার টাকায় কেনা ত্রাণ প্রতিবেশীর মাঝে বিতরন করছে। যা আমাদের বিবেককে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে! এদিকে"করোনাভাইরাসে সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের জন্য সরকারিভাবে চট্টগ্রামে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসাহায্য পাঠানো হলেও সেই ত্রাণ কারা বিতরণ করছে, কাদের কাছে বিতরণ করা হচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোদ চট্টগ্রাম নগরীর সংসদীয় আসনগুলোর সাংসদরাই ত্রাণ বিতরণের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারি নির্দেশ না মেনে চট্টগ্রাম নগরীর চার সংসদ সদস্যকে পুরোপুরি অন্ধকারে রেখে তড়িঘড়ি ত্রাণের সব চাল তুলে দেওয়া হয়েছে কাউন্সিলরদের হাতে। সরকারের দেওয়া ত্রাণ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজের নামে দিচ্ছে এমন ঘটনায় সরকারের ওপরমহলেই বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও এক্ষেত্রে সাংসদদের এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি ইতিমধ্যে সরকারিভাবে বরাদ্দ ত্রাণ কাদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে, তার তালিকা চেয়েও পায়নি নগরীর অন্তত তিনজন সংসদ সদস্য। এমন অস্বচ্ছতার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, সামনে যা বিতরণ হবে সব স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে সমন্বয় করেই বিতরণ করতে হবে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে কঠোর মনিটরিং এর মাধ্যমে যদি ত্রাণ বিতরণ করা না হয় তবে একদিকে যেমন ত্রাণ পৌঁছবেনা সঠিক লোকের হাতে। অন্যদিকে ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম রোধ করা যাবে না। অভাবী লোক গুলো বঞ্চিত হবে নিজেদের পাওনা থেকে। সরকারী ত্রাণ বিতরণের সঠিক তালিকা / মাষ্টার সীট যাচাই করাও জরুরী।বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। যার বেশীর ভাগ প্রভাব পড়বে গণমাধ্যেম,গার্মেন্টস শিল্প মধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে অনেকেই হয়ত কাজ হারাবে । যেখানে উন্নত দেশ গুলো চিন্তিত তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি কিভাবে কেটে উঠবে। সেখানে বাংলাদেশকে আরো গভীর ভাবে চিন্তা করতে হবে কি ভাবে এটা সামাল দেওয়া যায় । পাশাপাশি অন্যন্য দেশের মত সরকারকে ভাবতে হবে কি করে মধ্যবিত্ত ,নিন্মমধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করা যায়।গণমাধ্যেম কর্মীদের নিয়েও সরকারকে ভাবতে হবে। কারন বেশির গণমাধ্যেম কর্মী এমনিতেই আর্থিক দীনতার মধ্যে কাটে।
মধ্যবিত্তরা ফেসবুকে জানালেই খাবার পৌঁছে দেবেন মেয়র নাছির
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার কারণে অসহায় অবস্থায় থাকা কর্মহীন, নিম্নবিত্ত পরিবারের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ ঘোষণা দেন। নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে বসবাস করা মধ্যবিত্ত পরিবারের নাগরিকরা তাদের মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানা জানিয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পেইজে (https://www.facebook.com/gsajmnasiruddin) মেসেজ করলে গোপনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ভয়াবহ করোনার বিস্তার রোধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে অন্যতম কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারেরও পাশে দাঁড়ানো। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এই কর্মসূচীর জন্য আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের তালিকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাতে গোপনে ও সুন্দরভাবে তাদের সহযোগিতা করা যায়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১ ওয়ার্ডে যে সকল মধ্যবিত্ত পরিবার আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে চাল-ডাল কিনতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে তারা আমার এই পেজে এসএমএস'র মাধ্যমে জানাতে পারেন। আপনার পরিচয় গোপন থাকবে। অবশ্যই মোবাইল নম্বর,পূর্ণ ঠিকানা দিতে হবে যাতে যাচাই বাছাই করে সঠিক কিনা জানতে পারি। এখানে কোন সংঘ কিংবা গোষ্ঠীকে তালিকাভুক্ত করা হবে না। শুধু একটি পরিবার একটি এসএমএস ভিত্তিতে তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কোন স্বচ্ছল ব্যক্তি বা যে সকল দরিদ্র, কর্মহীন, নিম্ন আয়ের মানুষ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা পেয়েছেন তাদের এসএমএস না করতে অনুরোধও করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।- বাংলানিউজ
সরকারি র্নিদেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ও জরিমানা আদায়
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।অভিযানকালে এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয় এবং সরকারি র্নিদ্দেশনা অমান্য কারীদের জরিমানা করা হয়। নগরীর চান্দগাও, বাকলিয়া, পাচলাইশ, খুলশি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সুজন চন্দ্র রায়। অভিযানে একাধিক মামলায় ১০,০০০(দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয় ।বিনা প্রয়োজনে বাইরে আসা, যে সকল দোকান খোলার অনুমতি নেই তা খোলা রাখা ও লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালানোর জন্য মামলাগুলো করা হয়। নগরীর কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, বায়েজিদ এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কাজি তাহমিনা সারমিন। অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে নগরীর রিয়াজউদ্দীন বাজারের একটি দোকানকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ৫০০০ এবং আরেকটি দোকানকে ২০০০ জরিমানা করা হয়, চকবাজার এলাকার বেস্ট বাই এর একটি দোকানকে খোলা রাখার জন্য ২০০০ জরিমানা করা হয়, মোবাইল চার্জারের দোকান খোলা থাকার কারণে ৫০০ জরিমানা হয়, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার জন্য একটি দোকানকে ৫০০০ জরিমানা করা হয়, বায়েজিদ সুপার মার্কেটের ১টি দোকানকে মূল্য তালিকা না রাখায় ২০০০ জরিমানা করা হয়। অভিযানে সর্বমোট জরিমানা ১৬৫০০( ষোল হাজার ) টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে কয়েকটি অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ করা হয়। যৌক্তিক কারন ব্যাতীত যাত্রীদের রিক্সা, বাইকে চলাচলকারীদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু দোকানের সামনে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করে দেওয়া হয়। বিকাল ৫ টার পর ফার্মেসী ব্যাতীত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩ জন ব্যক্তির হোমকোয়ারেনটিন নিশ্চিত করা হয়। পাহাড়তলী, হালিশাহ ও আকবরশাহ এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালায় মোঃ উমর ফারুক। আকবরশাহ,পাহাড়তলী ও হালিশহর এলাকার বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম- কোয়ারেন্টেন নিশ্চিত করা হয়। এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এ হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের বেধে দেয়া প্রতিকার ব্যবস্থার বিষয়গুলো তুলে ধরে প্রতিপালনের জন্যে অনুরোধ করা হয়।আকবরশাহ ও পাহাড়তলী এলাকার বস্তিতে অলিগলিতে মাইকিং এর মাধ্যমে তাদের ঘরে ফেরানো হয়।এ কে খান এলাকায় মিনি বাস চালক ও হেল্পারদের গাড়ী না চালানোর জন্যে আহবান জানানো হয়।অত্র এলাকায় ত্রান দেয়ার সময় মানুষের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়।পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করা হয়। ওএমএস এর চাল বিক্রয়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করাসহ বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ব্যবস্থাপনার জন্যে পরামর্শ প্রদান। অপ্রয়োজনে বাইরে আসায় একটি নোহা গাড়ীকে ৫০০ টাকা ও ১ টি মোটর বাইক কে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ডবলমুরিং, বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গালিব চৌধুরী । অভিযানকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর, দক্ষিণ মধ্য হালিশহর, উত্তর পতেঙ্গা ও দক্ষিণ পতেঙ্গায় তিনটি টেইলরের দোকানকে ১৫০০ (এক হাজার পাঁচশত টাকা), একটি ফার্নিচারের দোকানকে ৫০০ (পাঁচশত টাকা), একটি জুতার দোকানকে ৫০০ (পাঁচশত টাকা) ও একটি ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী মেরামতের দোকানকে ৫০০ (পাঁচশত টাকা) জরিমানা করা হয়। নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর সময় ডবলমুরিং থানাধীন কর্ণফুলী কাঁচা বাজার ও বন্দর থানাধীন কলসি দিঘীর পাড়ের অস্থায়ী কাঁচা বাজারের চারটি দোকানকে ৮০০০(আট হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ডবলমুরিং থানাধীন ঈদগাঁ এলাকার ডিটি রোডে তিনজন মোটরবাইক চালককে ২৩৬০- (দুই হাজার তিনশত ষাট টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি পাহাড়তলী বাজার, কর্ণফুলী কাঁচা বাজার, বন্দরটিলা বাজার, কাঠগড় বাজার ও কলসি দিঘীর পাড়ের অস্থায়ী কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও মাইকিং এর মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে এলাকাবাসীকে সচেতন করা হয়। ওএমএস-কার্যক্রমের আওতায় ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয়ের সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারেও বিক্রেতাদের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
চট্টগ্রামে সাংবাদিকের ওপর হামলা
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের কোতোয়ালী থানাধীন বক্সিরহাট এলাকায় ক্রেতার কাছে পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য দাবির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইন (৩৪)। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে বক্সিরহাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার আসামির নাম স্বপন কুমার সাহা (৫২)। তিনি বক্সিরহাট এলাকায় দয়াল পাশারি ভান্ডারের মালিক। পলাতক আসামিরা হলো নওশাদ আলী খান (৬৫) ও জুয়েল সাহা (২৭)। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, মুহাম্মদ মহরম হোসাইনের ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। হামলার শিকার সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন এজাহারে উল্লেখ করেছেন- তিনি মঙ্গলবার দুপুরে মসলা কিনতে বক্সিরহাটের দয়াল পাশারি ভান্ডারে যান। এ সময় আরেক ক্রেতা সেখানে মসলা কিনতে আসেন। দোকানের মালিক মসলার অতিরিক্ত মূল্য দাবি করলে ওই ক্রেতাসহ তিনিও প্রতিবাদ করেন। এ সময় দোকানের মালিক স্বপন কুমার সাহাসহ অন্যরা তাকে গালিগালাজ করে মারধর করেন।
চট্টগ্রামে ত্রাণের বদলে মাইর দিছে চেয়ারম্যানে
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বহু অনিয়মের কারিগর বিতর্কিত চেয়ারম্যান এবার কর্মহীন অসহায় মানুষদের ত্রাণের চাল দিবে বলে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে এনে মাইর দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলা ৩নং মির্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ত্রাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে মেম্বারেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। এনিয়ে মানবজমিন, কালেরকন্ঠ, পূর্বদেশ, জয়নিউজসহ বিভিন্ন পত্রিকায় চেয়ারম্যান এর অনিয়মের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয়। শুরু হয় ওই এলাকায় সমালোচনার ঝড়।খবর মানবজমিন। ৬ই এপ্রিল (সোমবার) দুপুরে ওই অনিয়মের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের একটি তদন্ত টিম মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে যায়। তদন্ত টিমের সামনে লোক দেখানো জন্য বিতর্কিত চেয়ারম্যান আবছার কর্মহীন মানুষদের গাদাগাদি ভাবে জমায়েত করে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালায়। পরিষদ থেকে তদন্ত টিম চলে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান ও তাঁর ছোট ভাই মিজানুর রহমান টিপু ওই অসহায় মানুষ গুলোকে মেরে তাড়িয়ে দেয়। মাইর খেয়ে অসহায় মানুষ গুলো উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে অভিযোগ নিয়ে ভিড় জমায়। ইউএনও ওই ২৬জন অসহায় মানুষ গুলোকে ত্রাণ /ভালোবাসার তলে দিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর