আগামীকাল চট্টগ্রাম-৮ আসনে উপ-নির্বাচন
১২জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাসদ নেতা মঈনুদ্দিন খান বাদলের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও) সংসদীয় আসনে আগামীকাল ১৩ জানুয়ারি উপ-নির্বাচন হবে। ভোট গ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১ হাজার ২৫২টি কক্ষে ইভিএম মেশিনে একটানা ভোট গ্রহণ করা হবে। উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ানের মধ্যে তীব্র ভোটযুদ্ধ হবে বলে ধারণা করছেন ভোটাররা। প্রার্থীরা হলেন-ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইসলামিক ফ্রন্টের সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ, ন্যাপের বাপন দাশগুপ্ত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রোববার বিকেলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। রাতের মধ্যেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্য ও ১১ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এদিকে, রোববার থেকে নির্বাচনী এলাকায় ৫ প্লাটুন বিজিবি ও ৬ প্লাটুন RAB সদস দায়িত্ব পালন করছেন। উপ-নির্বাচনের দিন ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিজিবির সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে টহলে থাকবেন। চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৮ জন। বোয়ালখালী উপজেলায় ভোটার ১ লাখ ৬৪ হাজার এবং শহরের চান্দগাঁও এলাকায় ভোটার ৩ লাখ ১১ হাজার ৯৮৮ জন। নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। এখান থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফল ঘোষণা করা হবে।
আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই,জনগনের সেবাই আমার একমাত্র লক্ষ্যঃ কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক
১২জানুয়ারী,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। রবিবার ১২ই ডিসেম্বর সকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ,এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তিনি ১৯৯৪-২০০৫ইং মেয়াদে দুই বার ও ২০১০-২০২০ইং মেয়াদে দুই বার মোট ৪ বার নির্বাচিত হয়েছেন।বিগত ৫ বছরের মেয়াদে তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন, জনগন এর সুফল ভোগ করছে। কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী তার সময়ে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার নির্বাচিত করবে। সেইসাথে তিনি জনগনের সেবা করে যাবেন। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই ।জনগনের সেবাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। ব্যক্তিগত কোন সুবিধার জন্য কাউন্সিলর পদটিকে ব্যবহার করেন না। এমনকি পরিবারের কেউ না। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন তিনি করেছেন। তার মধ্যে এলাকার রাস্তা ঘাটের মেরামত, রাস্তার উপর এলইডি লাইট স্থাপন, নালা নর্দমা গুলো পরিচ্ছন্ন করা। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ড্রেনের কাজ চলমান আছে যা আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করাচ্ছি। ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে । সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে চাক্তাই খাল পরিস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি প্রকল্প হাতে হিয়েছে। আমার এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামোটি ভালো। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নেই এটা বলা যাবে না। চাঁদাবাজি আছে, সরকারি দলীয় নামধারীরা চাঁদাবাজি করে। তাই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে। মাদকের সমস্যা কিছুটা আছে, তবে নির্মূলে তিনি বদ্ধ পরিকর। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি পুরোপুরি মাদক নির্মূলে কাজ করে যাবেন। সেইসাথে জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে নানা প্রয়োজনীয় উদ্দেগ নিবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের বাজার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মোঃ আবুল কালাম(৩৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। তবে জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাই নাই। বেশির ভাগ সময় জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে যায়। এটাই আমাদের বড় সমস্যা। ব্যক্তি হিসাবে ওনি ভালো লোক। তাই আগামী নির্বাচনে আবার বিজয়ী হবেন এতে সন্দেহ নেই। ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের বক্সির হাট মোড়ের ব্যবসায়ী কাঞ্চন দাশ জানান (৪৭) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোটামুটি এলাকায় কাজ করেছেন। তিনি একাধারে দুই মেয়াদে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী নির্বাচনেও তিনি আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যক্তি হিসাবে ওনার ভালো গ্রহন যোগ্যতা আছে। আমাদের এলাকার মাদকের ব্যপারে বলতে পারবনা তবে ও চাঁদাবাজি হয়। সেইসাথে জলাবদ্ধতার সমস্যা তো আছেই। যানজট ও একটা বড় সমস্যা।
বিশ্বের ১১১টি দেশে ইনার হুইল ক্লাব কাজ করে যাচ্ছে
১২জানুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইনার হুইল ক্লাব ডে-২০২০ উপলক্ষে ইনার হুইল ক্লাব অব লুসাই হিলসর চার্টার প্রেসিডেন্ট বোরহানা কবির উদ্যোগে নগরীর একটি রেস্টেুরেন্টে বর্ণাঢ্য নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ইনার হুইল ক্লাব অব লুসাই হিলস, অনন্যা, ব্লেজিং স্টার, আগ্রাবাদ, গ্রীন হিল চিটাগাং ও কর্ণফুলী ৬ ক্লাবের অংশগ্রহণে Raillyর আয়োজন করা হয়। বোরহানা কবিরের সভাপতিত্বে ও মানসি দাশ তালুকদারের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ফার্স্ট বোর্ড ডিরেক্টর অব ফাউন্ডার অব ডিস্ট্রিক ৩৪৫র দিলরুবা আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফাস্ট ন্যাশনাল রিস্পেজেন্টিব অব ফার্স্ট ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান খালেদা আউয়াল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনার হুইল ক্লাব আগ্রাবাদের প্রেসিডেন্ট জিনাত আজম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিলরুবা আহমেদ বলেন, বিশ্বের ১১১টি দেশে নারী নেতৃত্বের একমাত্র ইনার হুইল ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। ইনার হুইল বন্ধুরা যার যার অবস্থান থেকে সমাজের হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মানসী দাশ তালুকদারের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিভিন্ন ক্লাবের ইনার হুইল বন্ধুরা সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য পরিবেশন করেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে গত সাড়ে ৪ বছরে প্রায় একশ আট কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে
১১জানুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ জহুরুল আলম জসিম বলেন ৭১ সালের পর হতে ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের পূর্ব ফিরোজশাহ বয়েজ স্কুল ক্যাম্পে আটকে পরা উর্দূবাসী বিহারীরা মানবতার জীবন যাবন করে আসছিল। নগরে বসবাস করেও তারা নাগরিক সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়ে আসছিল। তাদের ক্যাম্প এলাকার উন্নয়নের জন্য বিগত আমার পূর্বে অনেক কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করেও কতটুকু উন্নয়ন করেছেন তা এলাকাবাসী অবগত। বর্তমান মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের আন্তরিক সহযোগিতায় ক্লিন ও গ্রীণ সিটি গড়ার লক্ষ্যে ওয়ার্ডেল প্রতিটি এলাকায় নালা-নর্দমা, খাল, ছড়া, সড়ক সহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে। তারাই ধারাবাহিকতায় ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে গত সাড়ে ৪ বছরে প্রায় একশ আটি কোটি টাকার কাজ সম্পোন্ন হয়েছে। আরো পঞ্চাশ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। আর এ সকল উন্নয়ন কাজে এলাকাবাসীর সর্বাত্তক সহযোগিতা করেছে বলে সফল হয়েছে। ১০ জানুয়ারী সকাল ১১টায় পূর্ব ফিরোজশাহ বয়েজ স্কুল রোড সহ বিভিন্ন বাইলেইন রোডের কাজ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। উন্নয়ন কাজ উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাবাচ্ছুম, চসিকের সুপারভাইজার মোঃ আবছার, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এন.এম-এর প্রোপ্রাইটর তসলিম উদ্দীন চৌধুরী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ জসিম উদ্দিন, এসপিজেআরসির সভাপতি মোঃ ইকবাল খাঁন, সহ-সভাপতি অহিজ খাঁন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোঃ পারভেজ, মোঃ কাইফুল ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ নেতা মোঃ বেলাল উদ্দীন জুয়েল, আবু নোমান নাহিদ প্রমুখ। উন্নয়ন কাজের সফলতা কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।
উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট দেয়ার বিকল্প নাই:মোছলেম উদ্দিন আহমদ
১১জানুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পশ্চাৎপদ মোহরা, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও ষোলশহর ওয়ার্ড সমূহের উন্নয়নে নৌকায় ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এই আসনের শহরাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকার মানুষ এখনো সিটির নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত। সিটির পরিপূর্ণ সুবিধা পেতে নৌকায় ভোট দিন। এই এলাকার জনগনকে সরকার ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নিতে হবে সরকার মনোনীত প্রার্থীকে জিতিয়ে। তিনি ১১ জানুয়ারি শনিবার চান্দগাঁও, মোহরা, পাঁচলাইশ, পশ্চিম ষোলশহর ও পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড সমূহে জনসংযোগ, বিভিন্ন সমাবেশ ও পথসভায় এসব কথা বলেন। উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট দেয়ার বিকল্প নাই উল্লেখ করে মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, নগরীর সুয়ারেজ প্ল্যান্ট বাস্তবায়ন, ইকোনমিক জোন, কালুরঘাট সেতু, কালুরঘাট ভারি শিল্প এলাকাকে আধুনিক ইন্ড্রাষ্ট্রিয়াল পার্ক গড়ার জন্য কাজ করবো। আপনারা নৌকাকে বিজয় করুন জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনাদের সব কাজ করে দেবেন, সে দায়িত্ব আমি নিলাম। নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, জনগণ উন্নয়ন চাই, বেঁচে থাকার গ্যারান্টি চাই, স্বাভাবিক ভাবে জীবনযাপনের নিশ্চয়তা চাই, তাই আজ নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জীবন সায়াহ্নে এসে মূল্যায়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মোছলেম উদ্দিন বলেন, আমার নেত্রীর এ মূল্যায়নে মানুষের যে ভালবাসা আমি পাচ্ছি তা আগামী ১৩ তারিখ অবশ্যই অবশ্যই প্রতিফলিত হবে ইনশাআল্লাহ। আমি মন্ত্রীত্ব চাই না, আপনাদের ভালবাসায় আপনাদের কথা বলার জন্য, আপনাদের এলাকার উন্নয়নের জন্য সংসদে যেতে চাই, এই জন্য আপনাদের দেয়া প্রয়োজন। চট্টগ্রাম-৮ আসনের বৃহত্তর স্বার্থে নৌকায় ভোট দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম এ সালাম, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী, এম এ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ আবদুস সালাম,ডা: শেখ শফিউল আজম, দক্ষিন জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, মহানগর আওয়ামী লীগ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো: মশিউর রহমান চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগ নেতা সফর আলী, এম ঈসা, প্যানেল মেয়র জোবাইদা নার্গিস খান, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, কাউন্সিলর মো: খালেদ সাইফুদ্দিন মাসুদ, কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফু, কাউন্সিলর মোবারক, কাউন্সিলর আশরাফুল আলম, মহিলা কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জেসি, মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আহবায়ক মো: রফিকুল আলম, যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, মো: জসিম উদ্দিন, চান্দগাঁও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আহবায়ক নুর মোহাম্মদ নুরু, যুগ্ম আহবায়ক এড: আইয়ুব খান, নিজাম উদ্দিন নিজু, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো: জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো: আবদুস শুক্কুর ফারুক, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মো: আবদুর রহিম, পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি শামসুল আলম, আমিন শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো: দলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক প্রমুখ।
নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সনাতনী নাগরিক সমন্বয় কমিটির গণসংযোগ
১১জানুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৩ই জানুয়ারী চট্টগ্রাম ৮ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোছলেম উদ্দীন আহমেদ এর পক্ষে সনাতনী নাগরিক সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক দেবাশীষ পালিত ও সদস্য সচিব এড. চন্দন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ জানুয়ারি ঘাসিয়াপাড়া ও নাজির পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় সারাদিন ব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ করা হয়। গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন দেবাশীষ পালিত, এড. চন্দন তালুকদার, পার্থ সারথী চৌধুরী, লায়ন তপন কান্তি দাশ, শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত, ডা: বিধান মিত্র, বিপ্লব সেন, দেবাশীষ নাথ দেবু, টিপু শীল, সুকান্ত মহাজন টুটুল, অঞ্জন দত্ত, যীশু তালুকদার, রাহুল কারণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চকবাজার থানা পূজা কমিটির সভাপতি লিটন দাশ, সা: সম্পাদক বিপ্লব দাশ বাপ্পী, অনুপ দাশ, মতিলাল, পলাশ দাশ, শিব নারায়ণ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আরো উপস্থিত ছিলেন পাঁচলাইশ থানা পূজা কমিটির সভাপতি রুবেল শীল, সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ চৌধুরী, উজ্জ্বল নাথ, সজল দাশ, শ্রীপতি শীল, বিটু শীল, বিকাশ শীল, পূর্নিমা শীল, তাপস শীল প্রমুখ।
চট্টগ্রামে ভিটামিন এ- প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পন্ন
১১জানুয়ারী,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০। আজ সকাল ৮টায় কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে জেলা পর্যায়ের ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে। কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামছুল তাবরীজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালট্যান্ট ডা. সুরজিৎ ঘোষ, ইউনিসেফর বিভাগীয় নিউট্রিশন অফিসার ডা. উবা সুই চৌধুরী,ওয়র্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার খ্রিষ্টপার খুই, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জহরলাল পাল ও মনোয়ারা বেগম। অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন জানান, এবার চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি উপজেলার ২শ ইউনিয়নের ৬শ ওয়ার্ড, ১৫টি স্থায়ী কেন্দ্র, ১৫টি ভ্রাম্যমান কেন্দ্র ও ৪ হাজার ৮শ অস্থায়ী কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৬ জন শিশুকে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন এ- ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তন্মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৮৫ হাজার ৮৯ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙ্গের ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬ লাখ ৮০ হাজার ৩৯৭ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হবে। উপজেলাগুলোতে ৫১ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ১৫৬ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৫৫৯ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ৬৮৬ জন পঃ পঃ সহকারী, ১৫৩ জন পঃ পঃ পরিদর্শক, ৯ হাজার ৬৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক, ১৫ জন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, ৫১৭ জন সিএইচসিপি ও ৮৪ জন স্যাকমো নিয়োজিত রয়েছেন। সিভিল সার্জন বলেন, ভিটামিন এ- ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যু হার হ্রাস করে। কোন শিশু যাতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে লক্ষ্যে জেলার প্রত্যেক উপজেলা সদরসহ সর্বত্র মাইকিং করে জনগণকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির, হাট-বাজার, বাস স্ট্যান্ড, নৌ-ঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও ভিটামিন এ- প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আনসার-ভিডিপি ও এনজিও সংস্থাগুলো ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তিনি বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের যে কোন ধরণের অপপ্রচার ও গুজব রোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তিনটি টিম ও অন্য একটি টিম ভিটামিন এ- প্লাস ক্যাম্পেইন মনিটরিং করছেন। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমেও এ কার্যক্রম মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এ সময় জানানো হয়, ২০১৯ সালের ২২ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী ৮৩ হাজার ৭০৩ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল- যার অর্জিত হার ছিল ৯৯ শতাংশ । ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৩ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল- যার অর্জিত হার ছিল ৯৯.৯৮ শতাংশ।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহিলা আ.লীগের সভা
১১জানুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ্উদ্যোগে সংগঠনের সভানেত্রী মিসেস হাসিনা মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৬ ডিসেম্বর দেশ হানাদার মুক্ত হলেও হাহাকার ছিল বঙ্গবন্ধু কখন মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসবেন। তিনি এসেছিলেন এই দিনে, তার আগে নয়া দিল্লীতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা ইন্দিরাগান্ধীকে বলেছিলেন আপনার সেনাবাহিনীকে ফিরিয়ে নেবেন কিনা। তাই বঙ্গবন্ধু বাঙালি, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অভিন্ন সত্তা ইন্দিরা কথা রেখেছিলেন। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি মহা আনন্দের তবে এই দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করার জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এখন ৩য় বিশ্বে এগিয়ে আছে। তারপরও বলতে হয় নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা অহরহ ঘটছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নিলু নাগের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মমতাজ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মালেকা চৌধুরী, হোসনে আরা বেগম, খুরশিদা বেগম, হাসিনা আক্তার টুনু, লায়লা আক্তার এটলি, হুরে আরা বিউটি, শারমিন ফারুক, রহমতুনেছা, আয়েশা আলম, এডভোকেট রোকসানা আক্তার, ইশরাত জাহান চৌধুরী, ফাতেমা আক্তার, আয়েশা আক্তার পান্না, মনোয়ারা বাহাদুর, পারভীন সুলতানা, আয়েশা ছিদ্দিকা, তসলিমা নূর জাহান রুবি, শিমলা দাশ, শবনম ফেরদৌসি, শাহীন ফেরদৌসী, শিল্পী আক্তার মাহফুজা লিমা, নার্গিস, রোকসানা করিম, জেনিফার, সোনিয়া ইদ্রিস, কান্তা ইসলাম সহ আরো অনেকে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম ৮ উপ-নির্বাচন,দুই প্রার্থীরই কালুরঘাট সেতু নির্মানের আশ্বাস
১০জানুয়ারী ,শুক্রবার,বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শীতের তীব্রতাকে অপেক্ষা করে সরগরম চট্টগ্রাম ৮ উপ-নির্বাচনী এলাকা। প্রার্থীরা দিনরাত সমানে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। উক্ত আসনের প্রধান সমস্যা হচ্ছে কালুরঘাট সেতু। এই কালুরঘাট সেতুই এখন নির্বাচনের মূল প্রতিক।দক্ষিন চট্টগ্রামের প্রধান যাতায়াত মাধ্যম ছিল কর্ণফুলি নদির উপর দিয়ে নির্মিত কালুরঘাট সেতুটি।পরবতীতে শাহ আমানত সেতু নির্মানের ফলে দক্ষিন চট্টগ্রামের যাতায়াতে সুবিদা হলেও অন্ধকারে পওে থাকে বোয়ালখালী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বোয়ালখালী উপজেলার যাতায়াতের মাধ্যম হচ্ছে এই কালুরঘাট সেতু।১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বার্মা ফ্রন্টের সেনা পরিচালনার জন্য কর্ণফুলী নদীতে একটি আপৎকালীন সেতু তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ১৯৩০ সালে ব্রুনিক অ্যান্ড কোম্পানির ব্রিজ বিল্ডার্স হাওড়া নামে একটি সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কালুরঘাটে যুদ্ধকালীন ব্যবহারের জন্য একটি সেতু তৈরি করে। জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে নির্মিত ৭০০ গজ লম্বা সেতুটি ১৯৩০ সালের ৪ জুন উদ্বোধন করা হয়।পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে পুনরায় বার্মা ফ্রন্টের যুদ্ধ মোটরযান চলাচলের জন্য ডেক বসানো হয়। দেশ বিভাগের পর ডেক তুলে ফেলা হয়। ১৯৫৮ সালে এই একমুখী যুদ্ধসেতুটিই সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এ সেতুতে দুটি অ্যাবটমেন্ট, ছয়টি ব্রিক পিলার, ১২টি স্টিল পিলার ও ১৯টি স্প্যান রয়েছে।এই এক সেতু দিয়ে যান চলাচল, পায়ে হেঁটে পারাপার এবং রেল চলাচল করে থাকে। একমুখী চলাচলের কারণে দুই পাশে যানজট হওয়ার পাশাপাশি সেতুর ওপর চাপও বেড়েছে। যার জন্য বারবার মেরামত করে সেতুটি সচল রাখার ব্যবস্থা করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।২০০১ সালে রেলওয়ে সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে।বর্তমানে সেতুটি খুবই যুকিপূর্ণ।প্রয়াত সংসদ মইনুদ্দিন খান বাদল সংসদে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সাতে অনেক বার আলাপ আলোচনাও করেছিলেন এই সেতুটি সংস্কার বা পু:নির্মানের জন্য। এরই মধ্যে তিনি মারা যাওয়ার কারনে উক্ত আসনটি শুন্য ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশনার উক্ত আসনে আগামী ১৩ জানুয়ারী নির্বাচনের দিন নিদ্ধারন করিয়া তপসিল ঘোষনা করেন। বর্তমানে এই উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহামদ নৌকা, বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষ, বিএনএফ প্রার্থী এস এম আবুল কালাম আজাদ টেলিভিশন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ আহামদ চেয়ার,ন্যাপের বাপন দাশ গুপ্ত কুড়েঘর, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক আপেল প্রতিকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।গত ২৩ ডিসেম্বও থেকে আনুষ্টানিক প্রচারনা শুরুর পর থেকে আওয়ামীলীগ প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন আহাম্মদ ও বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরের বিভিন্ন অলিগলিতে নির্বাচনী গণ সংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।আওয়ামীলীগ প্রার্থী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নেরচিত্র তুলে ধরছেন, অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী জুলুম নির্যাতন এবং বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে শরীক হওয়ার আহবান জানাচ্ছেন ভোটারদের। থেমে নেই অন্য প্রার্থীরাও।তবে মূলত লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষের মধ্যে।ভোটারদের আকর্যন করতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা দুজনই কালুরঘাট সেতু নির্মানের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন। উক্ত আসনের কয়েক জন ভোটারের সাথে কথা হলে তারা বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে কালুরঘাট সেতু।বর্তমান সরকারের এই সময়ে কালুরঘাট সেতু সহ বোয়ালখালী উপজেলায় কোন উন্নয়নের চোয়া লাগেনী,যেই প্রার্থী এই সেতু ও অত্র এলাকার উন্নয়ন করবেন আমরা তাকেই ভোট দিবো, তবে এবার বর্তমান সরকারের একজন যোগ্য নেতা অত্র এলাকার সন্তান নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন,তার যতেষ্ট জনসমর্তন রয়েছে এবং উনি নির্বাচিত হলে সেতু এবং অত্র এলাকার উন্নয়ন হবে বলে আমরা আশারাকী। আওয়ামীলীগ প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন আহামেদ বলেন, আমি নির্বাচিত হলে শুধুমাত্র আওয়ামীলীগের এমপি হবো না, সব দলের এমপি হবো, যারা দল করেন না বা ভিন্নদল করেন তাদের সবার জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা থাকবে এবং চট্টগ্রামের দু:খ কালুরঘাটে নতুন সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য এই উপ-নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, বেগম জিয়া ও গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে অবিরাম সংগ্রামের অংশ হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমার প্রত্যাশা ১৩ জানুয়ারী সুষ্টু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। আমরা সবাই যেন আইন মেনে চলি,একটি ভালো নির্বাচন উপহার দিই।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর