শনিবার, এপ্রিল ৪, ২০২০
দক্ষতা অর্জন করতে পারলে দেশকে এগিয়ে নেয়া যাবে
১৯ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেছেন, প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের কারণে আমাদের দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ কর্মী বিদেশে বৈধভাবে কর্মরত রয়েছেন। অবৈধভাবে রয়েছেন আরো প্রায় ৩০ লাখ। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে তারা ন্যায্য পাওনা পাচ্ছেন না। বিদেশের শ্রম বাজারে চাহিদা থাকলেও প্রশিক্ষণ না থাকায় অনেকের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটছে না। এজন্য প্রত্যেককে দক্ষ হতে হবে। দক্ষতা অর্জন করতে পারলে দেশকে সম্মানজনক পর্যায়ে নেওয়া যাবে। গতকাল বুধবার সকালে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১৯ উপলক্ষে নগরীর আগ্রাবাদস্থ সরকারি কার্যভবনের-২ সামনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ কামাল হোসেন এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার। সঞ্চালনায় ছিলেন আঁখি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওমান চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি মো. ইয়াছিন চৌধুরী, এনআরবি এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুর রহমান, বায়রা প্রতিনিধি এমদাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম বিকেটিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নওরীন সুলতানা, আশিফা তানজীম এবং সহকারী পরিচালক মহেন্দ্র কুমার চাকমা। শেষে সেরা রেমিট্যান্স প্রেরণকারী পরিবারের সদস্যদের মাঝে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রবাসী কর্মীদের ১৪ জন সন্তানকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় আর্ন্তজাতিক অভিবাসী দিবসের উদ্বোধন ঘোষণার পর এক বর্ণাঢ্য Railly বের হয়।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অভিবাসী কর্মীদের কারিগরি শিক্ষা অবশ্যই দরকার: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেছেন, বর্তমানে প্রায় এক কোটি বিশ লক্ষ কর্মী বিদেশে বৈধভাবে কর্মরত রয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে তারা ন্যায্য পাওনা পাচ্ছে না। সরকারও আশানুরুপ রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হলে অভিবাসী কর্মীদের কারিগরি শিক্ষা অবশ্যই দরকার । অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজ ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে আগ্রাবাদ সরকারি কার্যভবন- ২ এর সামনে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চট্টগ্রাম আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অভিবাসী দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘দক্ষ হয়ে বিদেশ গেলে অর্থ সন্মান দুই-ই মেলে। এসময় জেলা কর্মসংস্থান ও জন শক্তি অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা টিটিসির অধ্যক্ষ আশরিফা তাজরিন, বিকেটিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নওরিন সুলতানা, জেলা কর্মসংস্থান ও জন শক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক মাহিন্দ্র চাকমা, এনআরবি এসাসিয়েশন এর সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এর সভাপতি এমদাদ ঊল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে আগ্রাবাদ সরকারি কার্যভবন-২ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করেছে। এছাড়াও রয়েছে আলোচনাসভা, অভিবাসী তথ্য মেলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রবাসীকর্মীর সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কর্তৃক প্রবাসী কর্মীদেরকে আগমনী ও বিদায় অভ্যর্থনা জ্ঞাপন দিনব্যাপী কর্মসূচি। সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহিরুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইসতেহারে ঘোষনা দিয়েছেন, প্রতি উপজেলা থেকে ১ হাজার দক্ষকর্মী বিদেশে পাঠাবেন। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তবে সরকারের এ বিষয় আরো তৎপর হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, দেশে দশ কোটি যুবক বেকার রয়েছে। আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে এদের কর্মক্ষম করতে হবে। এর ব্যতয় ঘটলে ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ হওয়া সম্বব হবে না এবং দেশের উন্নয়নও স্থবির হয়ে পড়বে। এসময় প্রবাসীকর্মীর সন্তানদের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ১৪ জনকে শিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান করেন। সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রদানকারী তিন জন প্রবাসীকর্মীদের সন্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
চবি সাংবাদিক সমিতির বর্ষপূর্তি উদযাপন
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তেইশের সমাপন, দুই যুগে পদার্পণ স্লোগানে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় চাকসু ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে দিনব্যাপি আয়োজন শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এসে শেষ হয়। এসময় বাদ্য বাজনার তালে বর্ণিল টি-শার্ট পড়ে চবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা মেতে উঠেন। শোভাযাত্রা শেষে দুপুরে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা : সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফয়সালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিরীণ আখতার বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক, সত্য প্রকাশে তারা কুণ্ঠাবোধ করে না। সবার কল্যাণের জন্য সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে। অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশ করতেই হবে। তবে সংবাদ পরিবেশনের আগে অবশ্যই যাচাই করা উচিত। চবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দার চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শংকর লাল শাহা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আওরঙ্গজেব ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চবি প্রক্টর অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী, ড. শিপক কৃষ্ণ দেবনাথ, হুমায়ুন মাসুদ, আবু বকর ছিদ্দিক রাহাত ও সৈয়দ বাইজিদ ইমন। এর আগে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।
ব্রোস্ট ক্যাফে পর্যটন শহর কক্সবাজারে
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বখ্যাত আমেরিকার খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ব্রোস্টার এর কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত- ব্রোস্ট ক্যাফে এখন পর্যটন শহর কক্সবাজারে। ভ্রমণ পিপাসু দেশি-বিদেশি ভোজনবিলাসীদের বিশ্বমানের খাদ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে শহরের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে ব্রোস্ট ক্যাফে যাত্রা শুরু করে। ২০ টাকার বান থেকে শুরু করে ১৪শ টাকায় ৮ জনের জন্য এবং ৪ হাজার ৬৭০ টাকার পার্টি বাকেটও রাখা হয়েছে খাদ্য তালিকায়। বিজয়ের মাসে ফিতা কেটে ক্যাফের উদ্ধোধন করেন এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সহধর্মীনি ফৌজিয়া ইসলাম। এসময় সংসদ সদস্য কানিফ ফাতেমা মোস্তাক, সংসদ সদস্য আশিক উল্ল্যাহ রফিক ,সাবেক সংসদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, ব্রোস্ট ক্যাফের প্রধান উপদেষ্টা সেলিম আহমেদ, চেয়ারম্যান দীপ্তি দেবী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সমর কুমার নাথ, পরিচালক সাজির আহমেদ, পরিচালক সন্দিপন দেব নাথ, সুপার গ্রুপের চেয়ারম্যান লুৎফুন্নেছা আহমেদ, এলিট গ্রুপের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধোধনী দিনে ব্রোস্ট ক্যাফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সমর কুমার নাথ বলেন, ব্রোস্ট ক্যাফে ভোজনবিলাসীদের স্বল্পমূল্যে বিশ্বমানের হালাল খাবার পরিবেশন করবে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় খাদ্য নিরাপদ রাখতে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য কক্সবাজার ছাড়াও ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ব্রোস্ট ক্যাফের শাখা রয়েছে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নগরীতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় Raillyর নেতৃত্বে নওফেল
১৬ডিসেম্বর,সোমবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের মত চট্টগ্রামেও বিজয় Raily বের হয়েছে। আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষা উপমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নেতৃত্বে এ Railly বের হয়। Raillyলিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উদ্বোধনী বক্তব্যে নওফেল বলেন, আজ আমরা জানান দেব, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সব অপশক্তিকে চিরবিদায় জানাবো। প্রতিবছর আমরা জানান দিয়ে যাবো, এ প্রজন্ম স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে পরিত্যাগ করেছে এবং করতে থাকবে। জাতীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় চার নেতা ও এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছবি ছিল Raillyrলির অগ্রভাগে। সুসজ্জিত বাদক দল, শিল্প পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Railly তে অংশ নেয়।বিপিসি, ইস্টার্ন রিফাইনারি, বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম ওয়াসা সুসজ্জিত গাড়িতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নচিত্র প্রদর্শন করে Raillyলিতে।
মুশতারী শফী ও দেবব্রত দেবরায়কে সম্মাননা প্রদান
১৬ডিসেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের উদ্যোগে গত ১৪ ডিসেম্বর কবি জীবনানন্দ দাশ মঞ্চ ত্রিতরঙ্গ নাসিরাবাদে শহীদ জায়া ও মুক্তিযোদ্ধা বেগম মুশতারী শফী এবং ভারতের লেখক বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী আন্তর্জাতিক স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক ড. দেবব্রত দেবরায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ চট্টগ্রামের সভাপতি শাওন পান্থের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক কবি রাশেদ রউফ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসিনা জাকারিয়া বেলা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক প্রফেসর ডাঃ সুলতান উল আলম, ভারতের বিশিষ্ট লেখক ড.আশিস কুমার বৈদ্য, শহীদ পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব ফজল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা একেএম খালেদুজ্জামান দাদুল প্রমুখ। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক দেবদুলাল ভৌমিক প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে নিকটতম বন্ধু। দীর্ঘ নয় মাস তারা আমাদের আশ্রয় দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়েছে আমাদের একাত্ব থেকেছে, সে ইতিহাস বাঙালিরা কখনো ভুলবেনা। সংবর্ধনার জবাবে ড. দেবব্রত বলেন, মন-মানসিকতার দিক দিয়ে আমরা এক, আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি এক। কাজেই আমাদের এ বন্ধন থাকবে অনন্ত কাল। বেগম মুশতারী শফী তাঁর স্মৃতিচারণে বলেন, সত্য প্রকাশের জন্য সরকারি চাকুরী হারাবার ভয়কেও উপেক্ষা করেছি। যা সত্য বলে জেনেছি তা প্রকাশ করতে কখনো দ্বিধা করিনি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ চট্টগ্রামের যুগ্ম সম্পাদক তিষন সেন গুপ্ত, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা ফাতেমা জেবুন্নেসা, অধ্যাপিকা সোহানা শারমিন ও কবি ইসমত আরা নীলিমা। আঁখি মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বরচিত মুক্তিযুদ্ধের কবিতা পাঠ করেন কবি কমরে আলম ও কবি শাহীন মাহমুদ, আবৃত্তি করেন কঙ্কন দাশ, নাজনীন হক, প্রবীর পাল, দিলরুবা খানম,৭১ এর চিঠি পাঠ রুনা চৌধুরী, একক অভিনয়ে তিশা, নৃত্যে অধরা। সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সুবর্না রহমান, শীলা চৌধুরী, মোঃ হেলাল উদ্দিন, নুসরাত ইয়াসমিন, মনোয়ার হোসেন, নুরুল আলম, আরিয়ান জাইদান, নুজারা ইসলাম প্রমুখ। সঙ্গীত একাডেমির ক্ষুদে শিল্পীরা দলীয় সংগীত পরিবেশন করে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ পুলিশ সুপার শামসুল হক বৃত্তি প্রদান
১৬ডিসেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহীদ পুলিশ সুপার শামসুল হক বৃত্তি ২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠান গতকাল রোববার দামপাড়া পুলিশ লাইন্সস্থ মাল্টিপারপাস শেডে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের আয়োজনে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান। সিএমপিতে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সন্তানগণ যারা পিএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও পবিত্র কোরআনের হাফেজ ইত্যাদি ক্ষেত্রে মেধার পরিচয় দিয়েছে এমন ৭১জনকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খানসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নারীরা আগামীতে অনলাইন ব্যবসায়ও নেতৃত্ব দেবেন: ডিসি ইলিয়াস
১৫ডিসেম্বর,রবিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের নারীরা অনলাইন ব্যবসায় আগামীর নেতৃত্ব দিবে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন সম্প্রতি চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সহযোগিতায় এবং এর উদ্যোগে আয়োজিত Online Entrepreneur Trade Fair 2019 এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। পলোগ্রাউন্ডস্থ ১৩ তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশ ২০১৯ প্রাঙ্গণে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ১৩ তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশ ২০১৯ এর চেয়ারপার্সন ডা. মুনাল মাহবুব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী শুভ্র দেব, চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর প্রেসিডেন্ট ইনচার্জ ও সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তাফা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী সিরাজুল ইসলাম কমু এবং দ্যা রিপাবলিক অব তুর্কি এর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আউডিইএম টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান Nejmettin UNAL. প্রথমেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন,Bangladesh Online Entrepreneurs Association এর প্রেসিডেন্ট ও চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর পরিচালক মোস্তারি মোর্শেদ স্মৃতি । প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ এর দিকে এগোচ্ছি। বর্তমানে নারী উদ্যোক্তারা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। আগামী দিনে এর পরিধি দেশের সীমা ছাড়িয়ে যাবে। বিশেষ অতিথির বাক্তব্যে আবিদা মোস্তফা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নকে অনেক উপরে নিয়ে গেছেন এবং নারীকে বাদ দিয়ে দেশের সামগিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তিনি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি সিরাজুল ইসলাম বলেন, নারীদের জন্য যদি নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরা নেওয়ার মত সক্ষমতা অর্জনের পরিস্থিতি তৈরি করা যায় তবে দেশের অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবেনা। অনুষ্ঠানের সভাপতি ডা. মুনাল মাহবুব বলেন, আমরা অনলাইনভিত্তিক নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করছি যেন তারা তাদের গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগসূত্র তৈরি করতে পারে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর অন্যান্য পরিচালক, সদস্যসহ Bangladesh Online Entrepreneurs Association এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ১৩ তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশ ২০১৯ এর এক্সিবিশন হলে চলবে এই Online Entrepreneur Trade Fair 2019.
চট্টগ্রামে প্রস্তুত চাহিদার শতভাগ বই, উৎসবের অপেক্ষায়
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,স্টাফ রির্পোটার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন বছরের প্রথম দিন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বই উৎসব। আর উৎসবকে সামনে রেখে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শতভাগ নতুন বই চলে এসেছে। এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে এসেছে ৯৩ শতাংশ বই। চাহিদা অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল বই থানা ও উপজেলার সকল বিদ্যালয়ে পৌঁছে গেলেও প্রাথমিকের বই বণ্টন এখনও শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা। বছরের প্রথম দিন স্কুলে স্কুলে পালন করা হয় বই উৎসব। নতুন বইয়ের আশায় উদগ্রীব হয়ে আছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। এবার অনেক আগেই চলে এসেছে প্রাথমিক পর্যায়ের বেশিরভাগ বই। প্রাথমিকে চট্টগ্রামে মোট বইয়ের চাহিদা রয়েছে ৪৮ লক্ষ ১৪ হাজার বইয়ের। ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ চলে এসেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ২০টি উপজেলায় মোট ৪৮ লাখের মতো বইয়ের চাহিদা আছে। তারমধ্যে আমরা ৯৩ শতাংশ বই আমরা পেয়ে গেছে। বাকি বইগুলো আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবো এবং উপজেলা পর্যায়ে চলে যাবে। অন্যদিকে, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ী ও দাখিল পর্যায়ে চাহিদা রয়েছে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৭ হাজার বইয়ের। প্রাথমিকে বই পুরোপুরি না আসলেও, মাধ্যমিক পর্যায়ে চলে এসেছে শতভাগ বই। চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন বলেন, আমাদের উপজেলা পর্যায়ে বই পৌঁছে গেছে। এ মাসেই প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বই বিতরণ শেষ করবো। বছরের প্রথম দিন উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছবে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল বই থানা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যালয়ে বণ্টন করে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অল্প কয়েকদিনের মধ্যে প্রাথমিকেরও সব বই বিদ্যালয়গুলোতে বণ্টন করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা। ডা. খাস্তগীর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহেদা আকতার বলেন, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী আমরা প্রত্যেক বিষয়ের বই পেয়ে গেছি। চট্টগ্রাম থানা শিক্ষা কর্মকর্তা (মাধ্যমিক) জিয়াউল হুদা বলেন, মুজিববর্ষের শুরুতেই আমরা সাড়ম্বরে এবং উৎসবমুখরভাবে বিদ্যালয়গুলোতে বই বিতরণ করতে পারবো। জেলার ৪ হাজার ৩৮৮টি বিদ্যালয়ে প্রাথমিকের ১০ লাখ ১৮ হাজার ২২০ জন শিক্ষার্থী ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ২ হাজার ৬৬টি বিদ্যালয়ের ১১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৭৪৩ জন শিক্ষার্থীকে বই বিতরণ করা হবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর