সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
চাঞ্চল্যকর কবিরাজ হত্যার মূলহোতাসহ ৬ হত্যাকারী আটক
২৪এপ্রিল,শুক্রবার,শারমিন আক্তার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী থানাধীন ইছানগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আজ ২৪ এপ্রিল, শিকলবাহা এলাকার কবিরাজ শায়ের মোহাম্মদ সাগর (৩৮) হত্যার মূলহোতাসহ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে Rab-7। আটককৃতদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে ঘটনার মূলহোতা মহিউদ্দিনের সাথে ওই এলাকার জনৈক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটির মা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি। তিনি মেয়েকে নিয়ে বেশ কয়েকবার কবিরাজের কাছে যান ঝাড়ফুঁক করে ছেলেটিকে ভোলানোর জন্য। কয়েকদিন আগে মেয়েটি পালিয়ে গিয়ে মহিউদ্দিনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে সে কবিরাজের কথা মহিউদ্দিনকে জানালে সে কবিরাজকে শিক্ষা দেয়ার পরিল্পনা করে। ঘটনার দিন মহিউদ্দিনসহ চারজন তার চাচীর প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বলে কবিরাজকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গোয়ালপাড়া এলাকায় নিয়ে যায় যেখানে আগে থেকে আরো দুইজন উপস্থিত ছিল। তারা লোহার পাইপ দিয়ে কবিরাজকে বেদম প্রহার করে। কবিরাজ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নিলে কবিরাজ মারা যান। এই ঘটনায় পরেরদিন অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় মামলা রুজু হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরো তিনজনের নাম প্রকাশ করে যারা ঘটনার সময় বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নিয়ে।পাহারা দেয়। তাদেরকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তাদের দেখানো মতে আজ দুপুর বেলায় চরলাক্ষ্যা এলাকার একটি গোয়ালঘর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত তিনটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়।
ইফতার সামগ্রী তৈরি ,বিক্রয়, বিতরন ও ইফতার পার্টি আয়োজনে সিএমপির নির্দেশনা
২৪এপ্রিল,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে পবিত্র মাহে রমজানের ইফতার ও সেহেরির ক্ষেত্রে সিএমপি কর্তৃক জারিকৃত নিম্নোক্ত নির্দেশনাবলী মেনে চলার জন্য সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে - ১। ফুটপাত বা যত্রতত্র ইফতারি তৈরি ও বিক্রয় করা যাবে না। ২।রেস্টুরেন্ট বা খাবার দোকানে বসে ইফতার করা যাবে না।সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইফতার কিনে প্যাকেটে করে নিয়ে যেতে হবে। ৩।সন্ধ্যা ৬টার পর ইফতার বিক্রয় করা যাবে না। ৪।রেস্টুরেন্ট, খাবার দোকান বা অন্য কোথাও সেহেরি তৈরি,আয়োজন বা বিক্রয় করা যাবে না। ৫।কোথাও কোন ইফতার পার্টির আয়োজন করা যাবে না। ৬।সিএমপি'র অনুমতি ছাড়া কোথাও ইফতার বিতরণ করা যাবে না। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে দেশ ও জাতির স্বার্থে উপরিউক্ত নির্দেশনাবলী মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভা
২৩এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব ব্যাপি ছড়িয়ে পড়া মরনব্যাধি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রদুভার্ব প্রতিরোধে করণীয়, ত্রাণ বিতরন ও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে করনীয় সম্পর্কে জেলা প্রশাসক,চট্টগ্রাম কর্তৃক আয়োজিত জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্টিত হয়। বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল সকাল ১১ঃ৩০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম র্সাকিট হাউস এর সন্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্টিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রী ড.হাসান মাহমুদ ,ভুমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ , জাতীয় সংসদের হুইপ শামশুল হক,শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হক চৌধুরী , চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যগণ, সিনিয়র সচিব জননিরাপত্তা বিভাগ , স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয় মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব জননিরাপত্তা বিভাগ,স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র আ,জ,ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ, চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ (জি), এনজিপি, এনডিসি, পিএসসি, বিএন, ডি আই জি, সিএমপি কমিশনার মাহবুবুর রহমান, চসিক এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামশুল হুদা, বিভাগীয় পরিচালক, স্বাস্থ্য ডাঃ হাসান শাহরিয়ার কবীর, পরিচালক চমেক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার রশিদুল গণি, প্রিন্সিপাল চমেক, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, পিপিএম-সেবা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, বিভাগীয় পরিচালক আনসার প্রমুখ উপ্সথিত ছিলেন ।
ভাম্যমান আদালতের নিয়মিত অভিযানে ৫০ মামলায় ষাট হাজার টাকা জরিমানা
২৩এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন,বাজার মনিটরিং, স্বপ্রণোদিত লকডাউনের আড়ালে অননুমোদিত দোকান বন্ধ রাখা, আড্ডা বন্ধ, বাড়ির নির্মান কাজ বন্ধ, টিসিবি পণ্য বিক্রি মনিটরিং ও ক্রেতাদের নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে ছিলো জেলা প্রশাসনের ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৯ টি টিম। ভ্রাম্যমান আদালত ৫০ টি মামলায় ৬০,৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বুধবার ২২ এপ্রিল সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকাল ৩.০০ টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৯ টি টিম। বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায়। তিনি জানান, আজকের অভিযানে সেনাবাহিনী পুলিশ সহ অত্র অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করা হয়, অন্যান্য দিনের তুলনায় অধিক যানবাহন ও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সরকারী আদেশ অমান্য করায় দোকান মালিককে জরিমানা করা হয় এছাড়া মাইকিং এর মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। সর্বমোট ৪ টি মামলায় ৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চান্দগাঁও , চকবাজার, বাকলিয়া এলাকায়। তিনি জানান, অননুমোদিতভাবে খুলে ব্যবসা করা, সামাজিক দূরত্ব না মানা এবং আড্ডাবাজির জন্য উক্ত জরিমানা করা হয়। এছাড়া বাজারসহ যেখানে লোকসমাগম বেশি সেখানে মাইকিং করা হয় এবং সচেতনা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।সর্বমোট ১০ টি মামলায় ১০০০ টাকা জরিমানা করেন। অপরদিকে সদরঘাট, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন । তিনি জানান, আজ রাস্তায় গাড়ি এবং মানুষের প্রচুর ভিড় ছিলো। চৌমুহনী মোড়, কদমতলী মোড় এবং বাদামতলী মোড়ে মনিটরিং করা হয়। প্রয়োজন ছাড়া বের হওয়ায় বেশ কয়েকটি গাড়িচালককে জরিমানা করা হয়। এছাড়াও নিয়মমতো অননুমোদিত ভাবে হার্ডওয়্যার এর কিছু দোকান খোলা থাকায় জরিমানা করা হয়। সর্বমোট ১৮ টি মামলায় ১২,২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পাঁচলাইশ, খুলশী, বায়েজিদ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার। তিনি জানান,আজ সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত বায়েজিদ, খুলশি ও পাচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। আইন অমান্য করার কারনে কয়েকজন দোকানিকে জরিমানা করা হয়। হেলমেট, মাস্ক না পরে এবং একসাথে ২, ৩ জন বাইকে থাকায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা করা হয়। সামাজিক দূরত্ব রেখে কাজ করার জন্য সবাইকে সচেতন করা হয়। মোট মামলা -৬ টি, জরিমানা-৭,৬০০ টাকা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনূন আহমেদ অনিক পাহাড়তলী, হালিশহর ও আকবর শাহ এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে এসব এলাকায় মোট ২টি মামলায় সর্বমোট ৭০০ (সাত শত টাকা) জরিমানা করা হয়। যৌক্তিক কারন ব্যাতীত যাত্রীদের রিক্সা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার সহ বিভিন্ন যানবাহনে চলাচলে নিষেধ করা হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু দোকানের সামনে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করে দেওয়া হয়। বিকাল ৩.০০ ঘটিকা থেকে রাত ৯.০০ ঘটিকা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা থানাধীন অঞ্চলে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চাই থোয়াইহলা চৌধুরী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। তিনি ২ টি মামলায় ৮০০ টাকা জরিমানা করেন। পাহাড়তলী, হালিশহর ও আকবর শাহ থানাধীন অঞ্চলে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সোহেল রানা ৬ টি মামলায় ৩,৭০০ টাকা জরিমানা করেন। চান্দগাঁও,চকবাজার,বাকলিয়া থানাধীন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কায়সার খসরু ৪ টি মামলায় ১৬,০০০ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও সদরঘাট, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং থানাধীন এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম ইশমাম ৩ টি মামলায় ১,৮০০ টাকা জরিমানা করেন। জনস্বার্থে এই মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসনের জন সংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
করোনা ভাইরাস: প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করতে এক টেবিলে মন্ত্রী-এমপিরা
২২এপ্রিল,বুধবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে সমন্বয় সাধন করতে বৈঠক করেছেন চট্টগ্রামের মন্ত্রী-এমপিরা। দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর- এই প্রথম একসঙ্গে বৈঠক করলেন তারা। বুধবার (২২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক, চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বৈঠকে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ছাড়া চট্টগ্রামের আরও ৮ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন। তারা হলেন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম-৬ আসনের এবিএম ফজলে করিম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের মোছলেম উদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম-১১ আসনের এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের আবু রেজা মু. নেজামউদ্দিন নদভী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান এবং সংরক্ষিত নারী-৬ আসনের খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ১ মাস আমি কক্সবাজারে কোয়ারেন্টিনে ছিলাম। কিন্তু আমি এলাকায় আমার কর্মী, আওয়ামী লীগের কর্মী এবং ইউএনও’র সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি সহায়তা যেগুলো ছিলো- সেগুলো দিয়েছি। আমাদের দলীয় সহায়তাও দিয়েছি। মিরসরাইয়ে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই। সেখানে এখন পর্যন্ত ৫ বার ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। আজকে আবার দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বয়ং নিজে এলাকায় গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করতে হবে- এমন কোনো কথা নেই। এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ঠিকভাবে হলেই হলো। এখানে যে যেখানে থাকুক না কেনো- সোশ্যাল ডিসটেন্স রেখে হলেও যার কাজটা সে করছে কি না- এটা দেখতে হবে। এবং সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন আজকে আমি এখানে বসে আলাপ করছি। আমার এলাকায় আজকেও ১৮টি স্থানে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। দিস ইস হাউ ইউ মেইনটেইন। দিস ইস হাউ ইউ ম্যানেজ। হাউ ইউ ম্যানেজ ইন বেটার ওয়ে। প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, এখানে অনেকে- ইউলো জার্নালিজম এর মাধ্যমে অনেক কিছু বলছে। তারা বট বৃক্ষের কথা বলছে। বটবৃক্ষ কোথায় জিজ্ঞেস করছে। চট্টগ্রামের দুই বট বৃক্ষের দুই শাখা অলরেডি এখানে আছে। আমাদের জাবেদ এবং নওফেল। বটবৃক্ষ এমন যে- বটবৃক্ষের ছায়া সব সময় চট্টগ্রামের ওপর থাকবে। আগেও ছিলো। এখনো থাকবে। বট বৃক্ষের ছায়া কোনো দিন মুছে যাবে না।-বাংলানিউজ। সভায় সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের মতামত তুলে ধরেন। প্রশাসন-দলের মধ্যে আরও বেশি সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে কথা বলেন। লকডাউন শিথিল করে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে তাদের ভাবনা তুলে ধরেন। বৈঠকে মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম তুলে ধরেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন। স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম তুলে ধরেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী। এছড়াও বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামসহ চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা এবং দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা অংশ নেন। দিস ইস হাউ ইউ মেইনটেইন। দিস ইস হাউ ইউ ম্যানেজ। হাউ ইউ ম্যানেজ ইন বেটার ওয়ে। প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, এখানে অনেকে- ইউলো জার্নালিজম এর মাধ্যমে অনেক কিছু বলছে। তারা বট বৃক্ষের কথা বলছে। বটবৃক্ষ কোথায় জিজ্ঞেস করছে। চট্টগ্রামের দুই বট বৃক্ষের দুই শাখা অলরেডি এখানে আছে। আমাদের জাবেদ এবং নওফেল। বটবৃক্ষ এমন যে- বটবৃক্ষের ছায়া সব সময় চট্টগ্রামের ওপর থাকবে। আগেও ছিলো। এখনো থাকবে। বট বৃক্ষের ছায়া কোনো দিন মুছে যাবে না। সভায় সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের মতামত তুলে ধরেন। প্রশাসন-দলের মধ্যে আরও বেশি সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে কথা বলেন। লকডাউন শিথিল করে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে তাদের ভাবনা তুলে ধরেন। বৈঠকে মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম তুলে ধরেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন। স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম তুলে ধরেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী। এছড়াও বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামসহ চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা এবং দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা অংশ নেন।
নগরীতে ৫০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে Rab-7
২২এপ্রিল,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর বায়েজীদ থানাধীন অক্সিজেন মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে Rab-7 । এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি পিকআপ ভ্যান জব্দ। বুধবার ২২ এপ্রিল দুপুর ১ টার সময় নগরীর বায়েজীদ থানাধীন অক্সিজেন মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামী হলেন মোঃ ইব্রাহিম খলিল (৩৫) কুমিল্লা জেলার বরুরা থানাধীন মৌয়ার্ত্তা গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (অপারেশন) এএসপি মাশকুর রহমান জানান , গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি পিকআপ যোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে বহদ্দারহাট এলাকা হতে অক্সিজেন রোড হয়ে ঢাকার দিকে রওনা করেছে। এমন ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল মহানগরীর বায়েজীদ থানাধীন অক্সিজেন টু মুরাদনগরগামী রাস্তার উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশী শুরু করে। এ সময় Rabর চেকপোস্টের দিকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান এর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে Rab সদস্যরা গাড়িটিকে থামানোর সংকেত দেয়। কিন্তু ড্রাইভার গাড়িটিকে না থামিয়ে Rabর চেকপোস্ট অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার চেস্টা করলে Rab সদস্যরা ধাওয়া করে পিকআপ ভ্যানটি আটক করে এবং একজনকে আটক করে। তিনি আরও জানান,পরবর্তীতে আটককৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো ও সনাক্তমতে পিকআপ ভ্যানটি তল্লাশী করে পিকআপ ভ্যানের ভিতরে ড্রাইভিং সিটের নিচে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ১০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করা হয়। আটককৃত আসামীকে বায়েজীদ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মোঃ তারেক আজিজ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজশে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে উক্ত পিকআপ যোগে বিভিন্ন অভিনব কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা এবং জব্দকৃত পিকআপ ভ্যানের আনুমানিক মূল্য ১০ লক্ষ টাকা। আটককৃত আসামীকে বায়েজীদ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
শুলকবহরে ফরিদ মাহমুদের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
২২এপ্রিল,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে থাকা ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এলাকাবাসীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন ফরিদ মাহমুদ। মঙ্গলবার তিনি এলাকাবাসীর ঘরে ঘরে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যর প্রচুর মজুদ থাকা সত্ত্বেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের প্রতিটি পণ্যের দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়তি নিচ্ছে।এতে লকডাউনে বাসায় থাকা মানুষগুলোর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ অবস্থায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সরওয়ার্দী, রতন কান্তি চৌধুরী, আশরাফুল গনি চৌধুরী, মোহাম্মদ মুসা, মহানগর যুবলীগ সদস্য দেলোয়ার হোসেন দেলু, অশোক ভট্টাচার্য, জহির উদ্দীন সুমন, সাইফুল মান্নান শিমুল, স্নেহময় চৌধুরী, মোহাম্মদ ইয়াছিন ভুইয়্যা, শেখ সরফুদ্দীন সৌরভ, ডা. ধীমান সেন, আব্দুল হাসেম, মো. শাহ আলম খোকন, নিজাম উদ্দীন মাহমুদ ইমন, শম্ভু দাশ, শেখ আহাদ মিনহাজ, শেখ ইমতিয়াজ সাহেদ, মো. দেলোয়ার প্রমুখ।
অসহায়, গরীব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য রেজাউল করিমের খাদ্য সহায়তা
২২এপ্রিল,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতিতে নগরীর অসহায়, গরীব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা নিয়ে মাঠে রয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র পদপ্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। গত সোমবার ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগ সভাপতি সামশুল আলমসহ খাদ্যসামগ্রী তুলে দিতে গিয়ে রেজাউল করিম বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ডাক দিয়েছেন মানবতার সেবায় এগিয়ে আসার জন্য। আপনারা সেই ডাকে সাড়া দিয়েছেন বলেই আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে যথাসাধ্য খাদ্যসামগ্রী নগরবাসীর নিকট পৌঁছাতে পারছি। তিনি আরো বলেন, চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য এই সময়ে বাড়ার কথা নয়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই দুঃসময়ের সুযোগ নিতে চাইছে। করোনার পাশাপাশি তাদের ব্যাপারেও সতর্ক হতে হবে। সরকার দুর্নীতিবাজদের দলীয় বিবেচনায় না এনে তাদের শাস্তির মুখোমুখি করছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে করোনামুক্ত ৫ রোগী বাড়ি ফিরলেন
২২এপ্রিল,বুধবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা আরও পাঁচজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে এই পাঁচ রোগী বাড়ি ফিরে যান। সুস্থ হওয়া এসব রোগী হলেন- নগরীর দামপাড়া ১ নম্বর গলির ২৫ বছরের যুবক জাহেদুল হক মামুন, হালিশহর শাপলা আবাসিক এলাকার ৪০ বছর বয়সী নারী হাসিনা বেগম, সাগরিকার গার্মেন্টস কর্মকর্তা ওমর আলী, পাহাড়তলী সিডিএ এলাকার সবজিবিক্রেতা কামাল উদ্দিন ও সীতাকুণ্ডের আনোয়ার হোসেন। জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবদুর রব মাসুম জানান, যে পাঁচজনকে ছাড়ডত্র দেওয়া হয়েছে তাদের পরপর দুইবার পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তাদের কোভিড-১৯ নেগেটিভ রেজাল্ট আসে। তাই তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গত ৫ এপ্রিল ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে জাহেদুল হক মামুনের কোভিড-১৯ রোগ শনাক্ত হয়। তিনি চট্টগ্রামে প্রথম করোনা আক্রান্ত দামপাড়ার মুজিবুল হকের ছেলে। গত ৮ এপ্রিল হালিশহর শাপলা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা হাসিনা বেগমের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। একই দিন করোনা শনাক্ত হয় সাগরিকার ভার্টেডক্স গার্মেন্টসের কর্মকর্তা ওমর আলী ও সীতাকুণ্ডের আনোয়ার হোসেনের। গত ১০ এপ্রিল পাহাড়তলী সিডিএর সবজিবিক্রেতা কামাল উদ্দিনের করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। উল্লেখ্য, বিআইটিআইডিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ১ জন চট্টগ্রাম জেলার এবং ৩ জন বান্দারবান জেলার বাসিন্দা।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর