সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
ইফতার ও সেহরীর খাদ্য বিতরণ করলেন রেজাউল করিম চৌধুরী
২৭এপ্রিল,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর শুলকবহর ওয়ার্ডে ইফতার ও সেহরীর সামগ্রী বিতরণ করেন চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান, এ কে গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, বহদ্দারহাট-বাদুরতলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জাহেদুল আলম, পূর্ব শুলকবহর মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম আকাশ, আরাকান হাউজিং সোসাইটির সভাপতি এসএম ওয়াজেদ, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ উল্লাহ চৌধুরী মুন্না, ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সভাপতি মোজাম্মেল হক, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, হুমায়ুন কবির রুবেল, মো. কামরুল হাসান, রেজাউল করিম খোকন প্রমুখ। এছাড়াও তিনি পাহাড়তলী ও দেওয়ান হাট, সেবক কলোনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং চট্টেশ্বরী মন্দির ও প্রবতর্ক ইসকন মন্দিরের সেবায়েতদের জন্য প্রতিনিধি মারফত প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রেরণ করেন।
পুলিশের ত্রানের গাড়ি নিয়ে ছুটছেন রিয়াজ
২৬এপ্রিল,রবিবার,মহরম হোসাইন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিয়াজ চৌধুরি প্রতিনিয়ত ছুটে চলছে ত্রানের গাড়ি নিয়ে। তার মানবিক কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যে চকবাজার এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। এমন পুলিশ প্রশাসনের গর্ব। প্রচারবিমুখ নীরবে-নিভৃতে নিজ দায়িত্ব রাষ্ট্র সমাজের জন্য পালন করে যাওয়া এই তরুণ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন চকবাজার থানার ওসি তদন্ত। অসহায়রা যখন একটু ত্রানের আশায় এদিক সেদিক হন্য হয়ে ছুটছেন অন্যদিকে চকবাজার থানা পুলিশ এলাকার আনাচে কানাচে ও বস্তিতে বস্তিতে গিয়ে কষ্টে থাকা অসহায়দের খুঁজে খুঁজে তাদের হাতে পৌছে দিচ্ছেন ত্রানের প্যাকেট। সরেজমিনে দেখাযায়, ওসি তদন্ত রাতে বৃষ্টিতে ভিজে অসহায়দের হাতে তুলে দিচ্ছেন ত্রান সহায়তার প্যাকেট। ত্রান পেয়ে মহাখুশি অসহায়রা।
খাতুনগঞ্জে আদার মূল্য বৃদ্ধিতে কারসাজির প্রমান পেল ভ্রাম্যমাণ আদালত
২৬এপ্রিল,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার মহানগরী এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি ও খুচরা বাজার সমূহে পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশে গঠিত বিশেষ টিমের হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কাট্টলী রাজস্ব সার্কেল এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুস সামাদ শিকদার,সহকারী কমিশনার (ভূমি), আগ্রাবাদ রাজস্ব সার্কেল এই দুজন পবিত্র রমজান মাস জুড়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই, রিয়াজুদ্দিন বাজার, পাহাড়তলি সহ বিভিন্ন পাইকারি এবং বৃহৎ খুচরা বাজার সমুহে অভিযান পরিচালনা করবেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের হয়ে মাঠে দায়িত্বরত আরো ৮ টি ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল টিম খুচরা বাজারে পণ্যের দ্রব্যমূল্য এবং ভেজাল প্রতিরোধে কাজ করছেন। আজকে সকাল ১১ঃ০০ টা থেকে খাতুনগঞ্জ বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং মোঃ আলী হাসান অভিযান পরিচালনা করেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে সিএমপি সদস্য এবংRab-7 এর টিম অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। আজকে খাতুনগঞ্জে জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং আলী হাসান Rab-7 সদস্য সহ খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আদা, রসুন, পেয়াজ, খেজুর, ডাল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানসমূহে, আড়ত, পাইকারি দোকান ও মোকামে অভিযান পরিচালনা করেন। খাতুনগঞ্জ-চাক্তাইয়ের পাশাপাশি একই সময়ে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ঃ৩০ টা পর্যন্ত পাহাড়তলি এবং ফইল্যাতলি বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুস সামাদ শিকদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), আগ্রাবাদ সার্কেল। উভয় অভিযানে ১০ টি মামলায় মোট ৮৫,৫০০টাকা জরিমানা করা হয়েছে। খাতুনগঞ্জ বাজারে অভিযানকালে দেখা যায়, আদার আড়তগুলোতে আমদানি মূল্যের চাইতে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে আদা বিক্রি হচ্ছে। হাতেনাতে অধিক মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আদা বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেটের কামাল উদ্দিন ব্রাদার্স কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাহাড়তলী বাজার ও ফইল্লাতলী বাজারে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুস সামাদ শিকদার পাহাড়তলী বাজারে এক ব্যবসায়ীকে অতিরিক্ত দামে আদা বিক্রি , আদা ক্রয়ের রশিদ না থাকা এবং মূল্য তালিকা না থাকায় ১০,০০০ টাকা জরিমানা করেন। সর্বমোট ৫টি মামলায় পাঁচজন ব্যবসায়ীকে মোট ২০,০০০ টাকা জরিমানা করেছেন। আদার বাজারে মাত্রাতিরিক্ত মূল্যের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম Rab-7 সহকারে খাতুনগঞ্জের আদা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গুলো, আড়তগুলোতে সাড়াশিঅভিযান চালায়। এখানে উল্লেখ্য যে, আমদানি তথ্য অনুযায়ী বিগত ১ লা জানুয়ারি ২০২০ হতে ২৪ এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত চট্টগ্রাম ভিত্তিক মোট ৩৫ জন আমদানিকারক মোট ৩১৪৩.৯৫ মেট্রিক টন আদা আমদানি করেছে। যার কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সহ আমদানি খরচ ২৫২ কোটি ৬১ লক্ষ ৭ হাজার টাকা। এ হিসেবে আদার গড় আমদানি মূল্য কেজি প্রতি ৮০ টাকার মতো। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশ থেকে যে আদা আমদানি হয়েছে সেগুলোর কেজি প্রতি মূল্য ৯০-৯৫ টাকার মতো। কিন্তু খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই, পাহাড়তলির বিভিন্ন আড়ত ও মোকামে রেজিস্টার অনুসন্ধানে পাওয়া গিয়েছে যে, বিগত ১৫ এপ্রিলের পর থেকে আদা ব্যবসায়ী চক্র ( আমদানিকারক, ব্রোকার, কমিশন এজেন্ট, আড়তদারগণ) আদার মূল্য বাড়িয়ে ১২৫ টাকা থেকে কয়েক দিনের ব্যবধানে ২৫০ টাকার উপরে নিয়ে গিয়েছেন। আমদানিকারকগণ বন্দর থেকে সরাসরি দালাল (ব্রোকার), কমিশন এজেন্টদের মাধ্যমে আড়তদারদের নিকট এসব পণ্য পৌঁছে দেন। মূলত চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে আদার বাজার অস্থিতিশীল করার পেছনে কতিপয় আমদানিকারক এবং ব্রোকার (দালালদের) যোগসাজশে আদার বাজার মূল্য অস্থিতিশীল হয়েছে। আজকে খাতুনগঞ্জে জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং আলী হাসান Rab-7 সদস্য সহ খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আদা, রসুন, পেয়াজ, খেজুর, ডাল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গুলোতে অভিযান পরিচালনা শুরু করলে হামিদুল্লাহ বাজার, নবী সুপার মার্কেট, আমির মার্কেট,ইয়াকুব বিল্ডিং, চাক্তাই এলাকার বেশ কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের অফিস বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়। এদের মধ্যে যেসকল প্রতিষ্ঠান গা ঢাকা দিয়েছে তাদের অধিকাংশই আদা ব্যবসায়ী। বিভিন্ন পাইকারি দোকান,আড়ত ও মোকামে বিক্রেতাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আদার আমদানিকারকদের সাথে একটি দালাল (ব্রোকার) এবং কমিশন এজেন্ট চক্র যুক্ত হয়ে আদার বাজার মূল্যে কারসাজি করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিকট বেশ কয়েকজন আড়তদার জানান, খাতুনগঞ্জে বিভিন্ন সময়ে আমদানিকারকদের সাথে যোগসাজশ যারা করে বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি করেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেনঃ আজিজ ,সিরাজ,কাদের ,জিয়াউর রহমান। উল্লেখ্য যে, গত বছর পেঁয়াজের বাজার মূল্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীল করার পেছনে জিয়াউর রহমানের যোগসূত্র ছিল। জিয়াউর রহমান একজন আমদানিকারক-ও। খাতুনগঞ্জের হাজী সোনা মিয়া মার্কেটে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত Rab-7 সহযোগে গিয়ে বন্ধ দেখতে পান। মোবাইল কোর্টের উপস্থিতিতে টের পেয়ে তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। চট্টগ্রামের যেসকল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বিগত ১ লা জানুয়ারি ২০২০ থেকে ২৪ এপ্রিল ২০২০ খ্রি পর্যন্ত আদা আমদানি করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠানঃ ফরহাদ ট্রেডিং,১২১, খাতুনগঞ্জ, কোতোয়ালি, চট্টগ্রাম্,মেসার্স ইউনিভার্সেল অ্যাগ্রো কর্পোরেশন ,২৩২, নবী সুপার মার্কেট, খাতুনগঞ্জ, কোতোয়ালি, চট্টগ্রাম,ওকেএম ট্রেডিং কর্পোরেশন ,৬৩, জুবিলী রোড (৪র্থ তলা), এনায়েতবাজার, কোতোয়ালি,সহ সর্বমোট ৩২টি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া যায়। ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন নগরীর ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও আকবরশাহ এলাকায় বাজার মনিটরিং এবং সেনাবাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশ প্রদানের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। উক্ত অভিযানে ডবলমুরিং থানাধীন কর্ণফুলী মার্কেটের একটি মুদি দোকানকে পেঁয়াজ ও রসুনের অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অপরাধে ২০০০ টাকা জরিমানা করেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে একটি সবজি দোকানকে বেগুন বেশি দামে বিক্রির অপরাধে ১৫০০ টাকা জরিমানা করেন। তাছাড়া আকবরশাহ থানাধীন সিডিএ এলাকার একটি দোকানকে মূল্য তালিকার চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রির জন্য ১০০০ টাকা জরিমানা করেন।ম্যাজিস্ট্রেট, সুরাইয়া ইয়াসমিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ, খুলশি,পাঁচলাইশ, চাঁন্দগাও, অননুমোদিত দোকান খুলে রেখে ব্যবসা পরিচালনা করায় ৫টি দোকানকে ৩৫০০টাকা বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারে একটি দোকানকে মূল্য তালিকা না থাকায় ২০০০টাকা জরিমানা করেন। বাজারসহ অন্যান্য স্থান যেখানে লোক সমাগম সাধারণত বেশী সে সব স্থান মনিটর করা হয়, মাইকিং করে সচেতন করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ শিকদার বাজার মনিটরিং এর উদ্দেশ্যে পাহাড়তলী বাজার ও ফইল্লাতলী বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময়ে পাহাড়তলী বাজারে এক ব্যবসায়ীকে অতিরিক্ত দামে আদা বিক্রি , আদা ক্রয়ের রশিদ না থাকা এবং মূল্য তালিকা না থাকায় ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সর্বমোট ৫টি মামলায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার, সদরঘাট ও বাকলিয়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করেন। বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজারে অভিযান চালিয়ে পাচ ব্যাবসায়ীকে ৩২,০০০ টাকা জরিমানা করেন। খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যে বৃদ্ধি করার কারণে রাফি ট্রেডার্স কে ১০,০০০ ( দশ হাজার টাকা), বায়োজিদ স্টোর কে ১০০০০ হাজার টাকা, জসীম স্টোর কে ৫০০০( পাচ হাজার টাকা), নাসির এন্ড ব্রাদার্স কে ৫০০০ টাকা, খেজুর স্টোর কে ২০০০ টাকা জরিমানা করেন। তিনি ৫ টি মামলায় ৩২০০০টাকা জরিমানা করেন। আজ নগরীর বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা কালে সামাজীক দুরুত্ব নিশ্চিত করা সহ অকারণে কাউকে বাসা থেকে বের হতে দেওয়া হয় না, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: আশরাফুল আলম এর নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল মূল রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিতে গলিতে তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করে। পাশাপাশি সুশৃঙ্খলভাবে যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং ত্রাণ বিতরণের সময় ত্রাণ দাতা এবং ত্রাণ গ্রহীতা সকলের সামজীক দুরত্ব নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করা হয়। অভিযান পরিচালনা কালে ৭টি মামলার মাধ্যমে ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আরো ২ টি অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তের দ্বিতীয় ল্যাব চালু
২৬এপ্রিল,রবিবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের ১০ জেলার করোনা শনাক্তের একমাত্র ল্যাব ছিল সীতাকুন্ডে অবস্থিত বিআইটিআইডি হাসপাতালে। দীর্ঘ একমাস ধরে সীমিত পরিসরে করোনা শনাক্তকরণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল হাসপাতালটি। এ নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে পড়ে স্বাস্থ্য বিভাগ। অবশেষে রোববার সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি জানিয়েছেন করোনা শনাক্তের দ্বিতীয় ল্যাব চালুর কথা। তিনি জানান, চট্টগ্রামের ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) নতুন স্থাপিত এই ল্যাব শনিবার থেকে চালু হয়েছে। তিনি জানান, সিভাসুর এই ল্যাবে শনিবার প্রাথমিকভাবে ২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বিআইটিআইডি হাসপাতাল থেকে এসব নমুনা পাঠানো হয়। আর রাতে প্রকাশিত ফলাফলে সবকটির করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। সিভাসুর উপ-পরিচালক খলিলুর রহমান বলেন, বিআইটিআইডি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে সিভাসুর নতুন ল্যাবে। বিআইটিআইডি থেকে ইতোমধ্যে ৪৮০টি কিট পাওয়া গেছে। ২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং ৬ জন শিক্ষার্থী করোনার নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবেন। একটি পিসিআর মেশিনে প্রতিদিন ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করে ফলাফল বিআইটিআইডিতে পাঠিয়ে দেয়া হবে। সেখান থেকে সমন্বিতভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। তবে পর্যাপ্ত কিট পাওয়া গেলে এই ল্যাবে দিনে ২০০-২৫০টি পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
ফেনীতে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে RAB
২৫এপ্রিল,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনী জেলার ফেনী সদর থানাধীন লালপুল এলাকার আমানত হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে( মুহুরী ফিলিং স্টেশন এর পূর্ব পাশে) ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে RAB-7 এর ফেনী ক্যাম্প। আজ শনিবার ২৫ এপ্রিল ভোর ৬ঃ১০ মিনিটের সময় ফেনী সদর থানাধীন লালপুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান RAB-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামীরা হলেন আবু সুফিয়ান ওরফে মানিক(৩০) চট্টগ্রাম জেলার আকবরশাহ থানাধীন কর্নেলহাট এলাকার মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে এবং মোঃ আবু তাহের (৩৫) কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট থানাধীন গুমকট গ্রামের মোঃ আবুল হোসেন এর ছেলে। বর্তমান ঠিকানাঃ সাং- শাহীরপাড়া, থানা-আকবরশাহ জেলা- চট্টগ্রাম। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক (ফেনী ক্যাম্প কমান্ডার) এএসপি মোঃ নুরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ফেনীর সীমান্তবর্তি এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে যাওয়ার জন্য ফেনী সদর থানাধীন লালপুল এলাকার আমানত হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিওিতে উক্ত এলাকায় অভিযান চালালে দুই ব্যক্তি একটি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে পালানোর চেস্টা করলে RAB সদস্যরা দুই মাদক ব্যাসায়ীকে আটক করে। পরে তাদের সনাক্ত মতে একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতরে নীল পলিথিন কাগজে মোড়ানো ১০ টি প্যাকেটে মোট ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় , তারা সুকৌশলে দীর্ঘ দিন যাবত মাদক দ্রব্য ফেনীর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এনে চট্টগ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মুল্য ৮০ হাজার টাকা। আটককৃত আসামীদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রমযানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে কঠোর অবস্থান জেলা প্রশাসনের
২৫এপ্রিল,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র মাহে রমজান ঘিরে অস্থির হয়ে উঠেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার। সমগ্র বিশ্ব আজ অদৃশ্য করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কিত, মুখ থুবড়ে পরছে অর্থনীতির চাকা । পবিত্র মাহে রমযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ে হিমশিম খাচ্ছে অধিকাংশই । হঠাৎ করে নগরীর খুচরা ব্যবসায়ীরা রমজানকে কেন্দ্র করে খেজুর, ছোলা, চাল, চিনি, রসুন, পেঁয়াজসহ প্রতিটি পণ্যের দাম প্রতি কেজিতেই বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই রমযানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে কঠোর অবস্থান জেলা প্রশাসনের। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানান, পাইকারি বাজার আমরা সবসময় নজরদারির মধ্যে রেখেছি। পাইকারি বাজার কন্ট্রোলে থাকলে খুচরা বাজার এমনিতে কমে আসবে। তারপরও যদি অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।" করোনা পরিস্থিতিতে ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে বিপাকে নগরবাসী সেখানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। আজ শনিবার রমযানের প্রথমদিন জেলা প্রশাসনের বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজার ঘুরে জানা যায়, পাইকারি পর্যায়ে খাতুনগঞ্জে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে দাম বেশি নিচ্ছে। বর্তমানে মানুষের এখন দুর্দশা চলছে, আয়ের চাকা বন্ধ। এ অবস্থায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে করোনার ভয়কেও হার মানিয়েছে। রমযানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রনে জেলা প্রশাসনের এই বিশেষ অভিযান। নাজমা বিনতে আমিন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর খাতুনগঞ্জ পাইকারী বাজারে অভিযান পরিচালনা করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, অধিক মূল্যে বিক্রয়, প্রভৃতি অভিযোগে চাল, ছোলা, ডাল, খেজুর, পেঁয়াজের বিভিন্ন পাইকারী দোকান ও আড়তে ১৫ টি মামলায় ১,২০,৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন। ম্যাজিস্ট্রেট কেএম ইশমাম ৮টি মামলায় ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চাই থোয়াইলা চৌধুরী ১টি মামলায় ৫০০টাকা জরিমানা করেন। সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার মুদি দোকানে পন্যের মূল্য তালিকা না রাখায়, অধিক মূল্যে পন্য বিক্রি করা এবং পন্যের প্যাকেটে দাম, ওজন, পরিমান উল্লেখ না থাকা ইত্যাদি অপরাধে বায়েজিদ থানার আতুরার ডিপো এলাকার ৬ টি দোকানে জরিমানা করেন। অধিক মূল্যে মাংস বিক্রি করায় ২ টি দোকানে জরিমানা ও বেআইনিভাবে দোকান খোলা রাখায় কয়েকটি দোকানে জরিমানা করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করার জন্য সবাইকে সচেতন করেন। তিনি ১২ টি মামলায় ৪৮৭০০ টাকা জরিমানা করেন। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সোহেল রানা নগরীর পাচলাইশ, খুলশি, বায়েজিদ এলাকায় মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, অধিক মূল্যে,চাল ডাল, পিয়াজ,রসুন,আদা,বিক্রয়, অপরাধে, ৪ টি মুদি দোকানে ১১০০০( এগারো হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। খেজুর দোকানের মালিকগণকে অতিরিক্ত মুল্য না রাখতে সতর্ক করা হয়। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করতে বলা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কায়সার খসরু চান্দগাও, চকবাজার, বাকলিয়া এলাকায় মুল্য তালিকা না থাকায় কামাল বাজার এলাকায় ২টি মুদি দোকানকে ৫০০০ টাকা চকবাজার এলাকায় ২টি মুদি দোকানকে ২৫০০ টাকা এবং ২ টি হারড ওয়্যারের দোকানকে ৬০০০ টাকা জরিমানা করেন। অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বদিউল আলম বলেন, "নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পাইকারী এবং খুচরা বাজারগুলোতে জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রম রমজান মাসে আরো জোরদার করা হয়েছে। পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কঠোর ব্যবস্হা গ্রহণ করবে। এছাড়াও মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পবিত্র রমযানে যাতে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালনা ও ইবাদত করতে পারে সে লক্ষ্যে মাঠে রয়েছে জেলা প্রশাসনের ১০টি মোবাইল টিম। সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান চান্দগাও, চকবাজার, বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। সরকারী আদেশ অমান্যকরে দোকানখোলা রাখায় কালুরঘাট, চান্দগাও এ মেসার্স কহিনূর হার্ডওয়ার স্টোর কে ৫০০০ টাকা, সিরাজোদ্দৌলা রোড, আন্দরকিল্লায় প্রিন্স হেয়ার কাটিং কে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। উক্ত সেলুনে চুল কাটাতে আসা রিয়াদ নামে একজনকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও মোটর সাইকেলে তিন জন আরোহন করার কারণে মোটর সাইকেলের চালক আজিজ কে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ পতেঙ্গা, বন্দর, ইপিজেড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে চড়িহালদার মোড়ে অননুমোদিত দোকান লুক্কায়িতভাবে, শাটারের ফাকা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা ১৮০০০হাজার টাকা জরিমানা করেন। ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন অভিযান চালায় হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ এলাকায়। হালিশহর এ ব্লকে একটি রংয়ের দোকান এই লকডাউনের পুরো সময় খোলা ছিল যেটা সেলবুক দেখে নিশ্চিত হয়ে দোকানদারকে ২০০০০টাকা জরিমানা করেন। একটি ফার্নিচারের দোকানে দোকানদারসহ ৩ গাড়িচালককে অপ্রয়োজনে বের হওয়ায় জরিমানা করা হয়। তিনি ৫টি মামলায় ২৮১০০টাকা জরিমানা করেন। সামাজিক দুরত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং সহ প্রচারণা করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের আরো ২ টি মোবাইল কোর্টের অভিযান চলমান রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের আরো ২ টি মোবাইল কোর্টের অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
জমির আহমেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী বিতরন
২৫এপ্রিল,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর সিটি গেইটস্থ সুজনা স্কয়ারে জমির আহমেদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে আজ প্রথম রমজানে ১০০০ পরিবারের মধ্যে সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী বিতরন করেছেন ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র ড.আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। এই সময় তিনি বলেন, সাড়া বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে ও করোনা ভাইরাসের কারণে মানুষ আজ ঘর বন্ধি, তাদের ঘরে ঘরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার আমি সহ সকল কাউন্সিলর এবং জন প্রতিনিধি গণে পৌছে দিচ্ছে। এই মহামারিতে জনগনের সেবা করার জন্য এবং তাদের কাছে উপহার সামগ্রী পৌছে দেওয়ার জন্য চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান ও প্রয়াত সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পুত্র এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন সদা দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন এবং তারা ও দিন রাত পরিশ্রম করে মানুষের ঘরে ঘরে উপহার সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন। দেশের এই ক্রান্তিকালে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিভিন্ন দিক নির্দেশনা কে গাইড লাইন হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ইতি মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় চট্টগ্রাম সহ সাড়া বাংলাদেশে অসহায় মানুষদের ঘরে ঘরে উপহার সামগ্রী পৌছানো হয়েছে। এবং ইতিমধ্যে সাড়া দেশে অসহায় কৃষকের ধান কেটে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ সহ সকলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। উক্ত সেহেরী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান অনুষ্ঠানে আকবরশাহ থানার কর্মকর্তা, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এবং আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।
করোনা: চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১
২৪এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা শনাক্তের পরীক্ষায় ১৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে চট্টগ্রামে আরও ১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে ৪৪ জনের শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় লক্ষ্মীপুর জেলার আরও ১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ১ জন নগরের দামপাড়া এলাকার এবং অন্যজন লক্ষ্মীপুর জেলার।
চট্টগ্রামে করোনা প্রতিরোধ বান্ধব কাচাঁ বাজার স্থাপন
২৪এপ্রিল,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ও বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে ২৪ এপ্রিল ১১.৩০ ঘটিকায় বন্দর নগরীর নতুন রেল স্টেশন সংলগ্ন কার পার্কিং গ্রাউন্ডে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উদ্যোগে কোতোয়ালী থানার ব্যবস্থাপনায় নগরীর ব্যস্ততম রিয়াজউদ্দিন বাজারের কাঁচা বাজার স্থানান্তর করা হয়। করোনা প্রতিরোধবান্ধব এই কাচাঁ বাজার স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাজারের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন, মোস্তাফা কামাল উদ্দিন, সিনিয়র সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। অস্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত এই কাঁচাবাজারে রিয়াজউদ্দিন বাজারের কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহযোগিতায় কোতোয়ালি থানার ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিকভাবে ২৫০ টি দোকান স্থাপন করা হয়েছে। কাচাঁ বাজার ব্যবসায়ীগণ যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রেখে নির্ধারিত মূল্যে বাজার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ক্রেতা সাধারণ যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার করে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে প্রতিদিন বিকাল ৫.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাচাঁ বাজার সামগ্রী যথাঃ চাল, ডাল, শাক-সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি দ্রব্যাদি এই বাজার থেকে ক্রয় করবেন। জনস্বাস্থ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাজারের প্রবেশ মুখে স্থাপন করা হয়েছে থার্মাল স্ক্যানার। স্থানান্তরিত কাঁচা বাজারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি, খন্দকার গোলাম ফারুক, বিপিএম (বার), পিপিএম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ সহ পুলিশের অন্যান্য ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ মহসিন,পিপিএম, অফিসার ইনচার্জ, কোতোয়ালী থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর