সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ
০১মে,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদ এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। তিনি বলেন, এই দুর্যোগে দেশের জণগণ যাহাতে কষ্ঠ না হয় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করে যাচ্ছেন। আপনারা সরকারের দেওয়া নির্দেশনাবলী মেনে চলুন। আমি ইতি মধ্যে স্বচ্ছতার জন্য আপনাদের অত্র এলাকার কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির মাধ্যমে কমিটি করে তালিকা করেছি, সেই তালিকা অনুযায়ী এই উপহার সামগ্রী প্রদান করছি। সেই ক্ষেত্রে যদি কোন ব্যক্তি তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান তারা আমার সাথে যোগাযোগ করবেন আমি চেষ্টা করবো আপনাদেরকে সহায়তা করার জন্য। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যাতে আপনাদের সেবা করতে পারি। এই সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য আফতাব উদ্দিন রুবেল, আবুল কালাম আবু, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা পিন্টু, নতুন মনছুরাবাদ সমাজ কল্যান পরিষদের হায়দার আলী, মো.আলমগীর এবং আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২৬ শে মার্চ থেকে সরকার সারাদেশে সাধারন ছুটি ঘোষনার কারণে দেশের সকল নাগরীকদের জন্য সারাদেশের জনপ্রধিনিধীদের মাধ্যমে এই প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী প্রদান করছেন। সরকারী এই উপহার সামগ্রী ছাড়াও উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু নিজ অর্থায়নে ও উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদেরকে খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান করেছেন। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে উক্ত এলাকায় উপহার সামগ্রী প্রদানের জন্য গঠিত কমিটির স্ব:জনপ্রিতির কারণে অনেকে এই উপহার সামগ্রী পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ সৃষ্টির দাবি সিইউজের
০১মে,শুক্রবার,মুহাম্মদ মহরম হোসাইন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার এই মহাদুর্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত সুরক্ষা, নিরাপদ কর্ম পরিবেশের ব্যবস্থা না করা এবং যথাসময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) নেতৃবৃন্দ। তাঁরা অবিলম্বে গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যায্য পাওনা, অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যম মালিকদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে দেয়া এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের গৌরবময় দিন আজ। এবার এমন এক সময় মহান মে দিবস এসেছে, যখন মরণঘাতী ভাইরাস কোভিড-১৯ এর ভয়াল থাবায় পর্যুদস্ত সারা বিশ্ব। নিজেদের জীবন রক্ষায় দেশের মানুষকে ঘরে অবস্থানের নির্দেশনা দিয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যেও মৃত্যুঝুঁকি মাথায় নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকায় একজন সাংবাদিক করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব কর্মীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের ব্যবস্থা না করে তাঁদের জীবনকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দিচ্ছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠান করোনার এই মহাদুর্যোগেও কর্মরত সাংবাদিক কর্মচারীদের বেতন ভাতা যথাসময়ে পরিশোধ করছেনা। উল্টো তাঁদের উপর নানা ধারণের মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে নবম মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করা হলেও নানা অসঙ্গতি ও জটিলতার কারণে এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সংবাদকর্মীরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ জটিলতার দ্রুত নিরসন হওয়া প্রয়োজন। সিইউজে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে জটিলতা নিরসন, গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী ঈদের আগে উৎসব বোনাস ও মে মাসের বেতনসহ সকল বকেয়া পরিশোধের দাবি জানান।
কেউ মানছেনা নির্দেশনা; দিনভর ভাম্যমান আদালতের অভিযান
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে র‍্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় মাঠে নিরলস কাজ করছে জেলা প্রশাসন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন জনগন মানছেনা সামাজিক দূরত্ব। অন্যদিকে মানছেনা সরকারী নির্দেশনা। পাশাপাশি রমযানকে সামনে রেখে দ্রব্য মুল্যের বাজারও ঊর্ধ্বগতি। অসাধু ব্যবাসায়ী ও সিন্ডিকেট মিলে বাড়াচ্ছে পন্যের দাম। ফলে কার্যত রীতিমত ঘাম ঝরছে প্রশাসনের। বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত ৭টি টিমে ৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ । নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক - উর- রহমান চকবাজার, বাকলিয়া,সদরঘাট এবং কোতোয়ালি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার দায়ে ও ভোগ্যপন্যে মূল্যতালিকার চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয়ের অপরাধে দন্ডবিধি ১৮৬০ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় বিভিন্ন দোকানে মামলা দায়ের করেন। তিনি ৩টি মামলায় ১,৭৫০(এক হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় অননুমোদিতভাবে দোকান খোলা রাখায় সুমন Best Buy কে ১০,০০০ (ইপিজেড ),পান্জাবি টেইলার্স এন্ড ফেব্রিকসকে ৫০০(পতেঙ্গা), মোঃ মাসুদ, সাব কন্ট্রাক্টরকে বেআইনিভাবে নির্মাণ কাজ চলমান রাখার জন্য ২,০০০(পশ্চিম মুসলিমাবাদ,পতেঙ্গা) টাকা জরিমানা করেন। তিনি ৩ টি মামলায় ১২,৫০০(বার হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় দুপুর ২টা হতে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৯টি মামালায় ৮,৩০০(আট হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করেন। তিনি মহানগরীর বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খালা রাখায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানার বিভিন্ন জায়গায় ১টি সেলুনকে ৫০০(পাঁচশত টাকা), ৪টি কাপড়ের দোকানকে মোট ২০০০(দুই হাজার টাকা), ১টি কম্পিউটার এক্সেসরিজের দোকানকে ৫০০(পাঁচশত টাকা) ও ১টি লন্ড্রি দোকানকে ৩০০(তিনশত টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে ইপিজেড থানাধীন চৌধুরী হাট কাঁচা বাজারের জিলানী স্টোরকে ৩০০০ (তিন হাজার টাকা) ও ইউসুফ চৌধুরী কাঁচা বাজারের মেসার্স নিহাদ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ২০০০(দুই হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া বাজারসহ অন্যান্য স্থান যেখানে লোক সমাগম সাধারণত বেশী সেসব স্থান মনিটরিং ও মাইকিং করে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে সচেতন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: তৌহিদুল ইসলাম যৌথ ভাবে অভিযান চালায় হালিশহর, পাহাড়তলি, ডবলমুরিং, আকবরশাহ এলাকায়। এসময় তারা ব্যবসায়ী ও পাহাড়তলি বনিক সমিতির সাথে বিশেষ আলোচনা করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার বিষয়ে সচেতন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. আলমগীর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫টি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় ১১,৩০০(এগার হাজার তিনশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন চকবাজার, বাকলিয়া, সদরঘাট, ও কোতোয়ালী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ টি মামলায় ৩০০০(তিন হাজার) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন বায়েজিদ,খুলশি,পাঁচলাইশ ও চাঁন্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ টি মামলায় ৭,০০০(সাত হাজার ) টাকা জরিমানা করেন। পুরো রমযান মাস জুড়ে বাজার মনিটরিং ও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কালীন সময়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রয়োগে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
চিকিৎসকরা আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে: মেয়র নাছির
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা ভাইরাস একটি ছোঁয়াছে রোগ। তাই কোনো ধরনের আলামত দেখা গেলে তা গোপন না করে চিকিৎসককে খোলামেলা ভাবে জানিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে চিকিৎসক নিজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। মনে রাখতে হবে চিকিৎসকরা আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে। তাই কারো এ ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিলে লুকোচুরি করবেন না। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা টেস্টিং ইউনিট পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এড়াতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, কারণ এ রোগের প্রতিকার পেতে হলে মানুষে-মানুষে সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় দেখা যাচ্ছে আমরা কেউ কেউ এই ছুটিকে উপভোগ্য করে তুলেছি, যা কাম্য নয়। এই ছুটি উপভোগের জন্য নয়, ঘরে থেকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাই এ রোগের প্রধান প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা। বস্তুতপক্ষে আমরা সবাই এখন এই মহামারী জয়ের যুদ্ধে শামিল, আমরা যুদ্ধ করছি করোনাকে সামনে রেখেই। তাই প্রত্যেকের উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনসমাগম এড়িয়ে, বার বার হাত ধুয়ে সচেতন থাকা ও অন্যজনকে সচেতন করা। এতেই আমাদের মুক্তি। মেয়র বলেন, আমাদের এই দুুঃসময়ে জীবন ও জীবিকা দুটোকেই প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ কোনোভাবেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না। তাদের জন্য সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। মেয়র চমেকের ল্যাব পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অত্র অঞ্চলে দ্রুত করোনা রিপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি নগরবাসীকে ধৈর্য সহকারে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিতদের সহযোগিতার আহ্বান জানান। চমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শামীম হাসান জানান, করোনা ল্যাব এখন চট্টগ্রামবাসীর সেবা দিতে পুরোদমে প্রস্তুত। কয়েকদিনের মধ্যে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ফলে দৈনিক ৯০ জন লোক এখানে করোনা পরীক্ষা করাতে সক্ষম হবেন। পরিদর্শনকলে কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, ডা. রিদোয়ান, ডা. পীযূষ দত্ত, ডা. এহসানুল হক কাজল, ডা. অমিত ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
অসহায় মানুষদের উপহার সামগ্রী দিলো- চট্টগ্রাম মহানগরী সমাজ কল্যাণ সংস্থা
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় ঘরবন্দী অসহায়, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের রেজিষ্ট্রেশন ভূক্ত সংগঠন 'চট্টগ্রাম মহানগরী সমাজ কল্যাণ সংস্থা। বুধবার বিকেলে সংগঠনটির উদ্যেগে নগরির আগ্রাবাদ হাজীপাড়া এলাকায় ৩০০টি পরিবারের মাঝে এ উপহার সামগ্রী তুলে দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নিবার্হী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি, এডভোকেট মোঃ ওমর ইউসুফ খান, সহ-সভাপতি মোঃ মিনহাজুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুল হক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল খায়ের, সদস্য বাদল কান্তি নাথ, মোঃ নেজাম উদ্দিন, মোঃ ইব্রাহীম, মোঃ সবুজ, মোঃ ওমর ফারুক, মোঃ তারেক, মোঃ মুনজু, সাকিব, সাগর প্রমুখ। ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন বলেন, রমজানে করোনায় ঘরবন্দী অসহায়, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রধান করে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে। সমাজের সকল মানুষ যার যার অবস্থান থেকে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো দরকার। তিনি অসহায় মানুষদের পাশে থাকার জন্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ধন্যবাদও জানান।
এতিম শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ (২৩-২৯ এপ্রিল)-২০২০ এর সমাপনী উপলক্ষে সভা ও Raillyর পরিবর্তে ২৯ এপ্রিল বুধবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে নগরীর হযরত আমানত শাহ (রঃ)-এর মাজার সংলগ্ন গাউছিয়া তৈয়্যবীয়া হেফজখানা ও এতিমখানার শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন ও পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ডা. সেখ ফজলে রাব্বি খাবার সামগ্রী বিতরণ করেন। পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে ছিল-ছোলা, খেজুর, সেমাই, চিনি, চিড়া, মুড়ি, সোয়াবিন তেল, পিঁয়াজ, আলু, জুস, মাস্ক ও লাইফবয় সাবান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ও কোভিড-১৯ এর ফোকাল পারসন ডা. মোঃ নুরুল হায়দার, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, গাউছিয়া তৈয়বিয়া এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক মোঃ হেলাল উদ্দিন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মোঃ সাহিদুল ইসলাম, জেলা স্টোর ইনচার্জ মোঃ জাহেদুল ইসলাম, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর তাপস রায় চৌধুরী, ক্যাশিয়ার নুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য পরিদর্শক রঞ্জন কুমার মজুমদার, বিভাগীয় সরকারী গাড়ী চালক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম, সদস্য শাহীনুর ইসলাম প্রমূখ। ২৩-২৯ এপ্রিল পর্যন্ত জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবুন, পুষ্টি উন্নয়নের বুনিয়াদ। পুষ্টিকর খাবার বিতরণ বিতরণ অনুষ্টানে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। সাবান ও পানি দিয়ে ঘনঘন পুরো হাত ধোয়ার পাশাপাশি অ্যালকোহলমুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে তালুসহ হাত পরিস্কার রাখতে হবে। হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় হাতের কনুইয়ের ভাঁজে বা টিস্যু দিয়ে নাক ঢাকতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যুটি দ্রুত বন্ধ বিনে ফেলতে হবে। করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজব সৃষ্টিকারীদের ধরিয়ে দেয়ার আহবান জানান তিনি।
শুরু হয়েছে ওএমএস কার্ড বিতরণ,উদ্বোধন করেন ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে
২৯এপ্রিল,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ওএমএস কার্ডে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা ছিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তাঁর এই নির্দেশনাকে মাথায় রেখে ওএমএস কার্ড তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তির জন্য কঠোর পরিশ্রম ও তদারকি এবং পত্রিকায় বিবৃতির মাধ্যমে নগরবাসীকে অবগত করেছি। এখন ওএমএস কার্ড তালিকা প্রস্তুত প্রায় শেষ। শুরু হয়েছে কার্ড বিতরণ। এর সুফল পাবে নগরবাসী। বুধবার সকালে নগরীর ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় প্রাঙ্গণে এলাকাবাসীর কাছে ওএমএস কার্ড বিতরণ করে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে মেয়র একথা বলেন। মেয়র বলেন, সরকার গত কয়েক বছর ধরে পঞ্চাশ লক্ষ পরিবারের মধ্যে মাসে ৩০ কেজি করে ১০ টাকা দরে চাল দিচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী নতুন ভাবে যে পঞ্চাশ লক্ষ রেশন কার্ড করা হবে সেগুলো প্রকৃতপক্ষে যাদের প্রয়োজন তাদেরকেই অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। এই কার্ডটি করার ক্ষেত্রে আমরা সতর্কতা অবলম্বন করেছি। কারণ একজন মানুষও অভাবে থাকুক সরকার সেটা চায় না। মেয়র বলেন, যিনি আওয়ামী লীগের কড়া সমালোচক, কোনো সময় আমাদের দলকে ভোটও দেননি, তিনি যদি প্রকৃতপক্ষে অভাবি হন প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রেশন কার্ডে তার নামও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যেহেতু আমরা নির্বাচিত জন প্রতিনিধি সেহেতু আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। এসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের একান্ত দায়িত্ব। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে কিছু মানুষ নতুনভাবে সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের প্রতিদিন ইনকাম ছিল, এখন কিন্তু ইনকাম নাই। আবার সবাই ত্রাণ চাইতেও পারেনা, নিজেদের সমস্যার কথা মুখ ফুটে বলছেন না। আমাদের খেয়াল করে নিজেদের বিবেচনায়, যারা চাইতে পারেনা তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার যারা ভালো মতো চাইতে পারে, দেখা যাচ্ছে সে সবার কাছ থেকে নিচ্ছে। এইটা যাতে না হয় পুরো বিষয়টার মধ্যে একটা সমন্বয় হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এসময় মেয়র করোনাভাইরাস নিয়ে যেকোনো ধরণের অপপ্রচারের বিষয়ে সতর্ক থাকতে নগরবাসীকে আহ্বান জানান। কার্ড বিতরণ কালে প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর ড.নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শ্রী চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, হাজী বেলাল আহম্মদ, আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান আহমদ চেয়ারম্যান, সহ সভাপতি লোকমান আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের এস এম আলমগীর, এরশাদ মামুন, গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, ইকবাল চৌধুরী, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, নুরুল আমিন কালু, মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।
বাকলিয়ায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে Rab ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান
২৯এপ্রিল,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করন, অকারনে বাইরে ঘুরাফিরা না করা ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ও সরকারি র্নিদেশনা বাস্থবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। বুধবার ২৯ এপ্রিল সকাল ৯.০০ ঘটিকা থেকে দুপুর ২.০০ টা পযর্ন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর পশ্চিম বাকলিয়ার দেওয়ান বাজার, বৌবাজার, এবং ফিরিঙ্গীবাজারের তরমুজের আরতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান এর নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত RAB-7 ও সিএমপি সদস্যদের সহযোগিতায় নগরীর দেওয়ান বাজারে সরকারি আদেশ অমান্য করে টেইলার্স ও সেলুন খোলা রাখার অপরাধে ২ টি প্রতিষ্ঠানকে ২৫০০ টা জরিমানা করা হয়৷ বাজার মনিটরিং এর আওতায় দেওয়ান বাজারে মূল্য তালিকা না মেনে অধিক মূল্যে পণ্যদ্রব্যাদি বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। উক্ত অপরাধ আমলে নিয়ে ৭ টি প্রতিষ্ঠানকে ১২,৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এদিকে কোতোয়ালী থানাধীন এলাকায় টিসিবি পণ্য বিক্রিতে কোন অনিয়ম হচ্ছে কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি ব্যারের সহযোগিতায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ করা হয় এবং ফিরিঙ্গিবাজারের তরমুজের ফলের আরতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ফলের মূল্যের সাথে সম্পর্কিত চালান ও মেমো পরীক্ষা করে দেখা হয়। ফলের মূল্য বৃদ্ধি না করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পণ্যের মান অনুযায়ী মূল্য তালিকা প্রদর্শন এর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়৷ ফলের মূল্য নির্ধারণে কোনো কারচুপি প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে মর্মে সতর্ক করা হয়। জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান জানান, আজকে বাকলিয়া এলাকার দেওয়ান বাজার ও বউ বাজারে অভিযান চালিয়ে সরকারি আদেশ অমান্য করে টেইলার্স ও সেলুন খোলা রাখার অপরাধে ২ টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয় এবং বাজার মনিটরিং এর আওতায় দেওয়ান বাজারে মূল্য তালিকা না মেনে অধিক মূল্যে পণ্যদ্রব্যাদি বিক্রি, র্ফামেসীতে বিনা রসিদে ঔষধ বিক্রির সত্যতা পাওয়ায় ৭ টি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হয়। এদিকে বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসাবে বউ বাজারে গিয়ে দেখা যায় আদার কেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি করছে। এছাড়া প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন পরিলক্ষিত হয়। যা ইতিপূর্বে পরিচিলিত অভিযানে সতর্ক করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, জরিমানা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। মানুষকে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই মানুষ আইন মেনে চলুক এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা শীল হোক।
সংকটের আবহ সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অমানবিক
২৯এপ্রিল,বুধবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ বুধবার সকালে নগরীর ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী, ১০নং উত্তর কাট্টলী ও ১২নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ভোগ্যপণ্য উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন পবিত্র রমজান মাসে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্যসামগ্রীর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে থাকেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাদ্যপণ্য মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ক্রেতাসাধারণকে ঠকিয়ে ও সংকটের আবহ সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অমানবিক, ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার শামিল। এই পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার আওতায় সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের আহবান জানান মেয়র। কেউ যেন ঊর্ধ্বমুখী করে না তোলে, সে ক্ষেত্রে সরকার কঠোর নজরদারীতে রেখেছে। এ জন্য সমাজের প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ ব্যবসায়ীকে সৎমনোভাবাপন্ন, নির্লোভ, মহৎপ্রাণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনার পরামর্শ দেন মেয়র। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এই করোনা মহামারি থেকে মুক্তি লাভকে আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্য সম্মত পৃথিবীর ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই মহামারীর করুন পরিণতি সরকারের একার পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। তাই সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের এগিয়ে এসে অসচ্ছলদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদেরকেই সরকার প্রণীত বিধি মেনে সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করতে হবে। ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে জনসাধারণের মাঝে ওএমএস কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। আজ দুপুরে ওয়ার্ড কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভোগ্যপণ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এসময় প্যানেল মেয়র ড. নিছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু,সংরক্ষিত কাউন্সিলর আবিদা আজাদসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শ্রী চন্দন ধর,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী,ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ হোসেন,নির্বাহী সদস্য ও আহবায়ক ড.নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, হাজী বেলাল আহম্মদ, আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান আহমদ চেয়ারম্যান, সহ সভাপতি লোকমান আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের এস এম আলমগীর, এরশাদ মামুন, গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, ইকবাল চৌধুরী, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, নুরুল আমিন কালু, মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর