বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৯
দক্ষিণ চট্টগ্রামে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত
১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ ও বোয়ালখালী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। কিছু এলাকায় পানি উঠে যাওয়ায় বানভাসি মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় লাখে। এসব উপজেলার সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাতকানিয়ার বাজালিয়া মীরেরপাড়া এলাকায় শঙ্খ নদের বাঁধ ভেঙে তীব্র স্রোতে পানি ঢুকে পড়ছে। দ্রুত অবনতি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতির। বড়হাতিয়া, আমিরাবাদ, সুখছড়ি, কলাউজান, পুটিবিলা, আধুনগরসহ উপজেলার বহু গ্রামের সড়ক পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আধুনগরে ডলু নদীর ভাঙনে খালপাড়ে বহু কাঁচা বসতঘরে পানি ঢুকেছে। পটিয়া উপজেলার কেলিশহর, হাইদগাঁও, কচুয়াই, খরনা, ভাটিখাইন, ছনহরা, ধলঘাট, হাবিলাসদ্বীপ, জিরি, কুসুমপুরা, আশিয়া, কোলাগাঁও ছাড়াও পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবল বর্ষণ ও ঢলের পানিতে উপজেলার কচুয়াই, ছনহরা ও ভাটিখাইন এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আনোয়ারার বরুমচড়া, বারখাইন, হাইলধর, বৈরাগ, চাতরী ও পরৈকোড়া ইউনিয়নের ওষখাইন, কৈখাইন, শিলালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। রায়পুর ও জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নসহ উপজেলার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। জোয়ারের পানির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভারি বৃষ্টিপাতে দুই উপকূলীয় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
চট্টগ্রামে গুজব ছড়ানো যুবক আটক
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:পদ্মাসেতুর জন্য মানুষের মাথা ও রক্ত লাগবে বলে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে RAB।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার যুবকের নাম মো. আরমান (২০)। তৈলারদ্বীপ গ্রামে তার পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসা আছে বলে জানিয়েছেন RAB এর চট্টগ্রাম জোনের উপপরিচালক মেজর মেহেদী হাসান।মেজর মেহেদী বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে ফেসবুকে ক্রমাগতভাবে আরমান গুজব ও আতঙ্ক ছড়িয়ে আসছিল। টেলিভিশনের স্ক্রলের মতো করে এইমাত্র পাওয়া লিখে সে গুজব ছড়াচ্ছিল। চার শিশু গায়েব, আতঙ্কে গ্রামছাড়া এলাকাবাসী,এই ধরনের নানা মিথ্যা তথ্য সে পরিবেশন করছিল।গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আরমানের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন RAB এর এই কর্মকর্তা।
চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠিত
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর পুরকৌশল বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল আজ ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার, পুরকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান ভূঁইয়া। ৪৫তম ব্যাচের কোর্স কো-অর্ডিনেটর এবং পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সঞ্জয় দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওমর ইমাম ও অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলম এবং রয়েল সিমেন্ট লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক জনাব দাউদ করিম। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন দীপ্ত সরকার, রাফসান জানি রিসান ও সায়মা জাহিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা সারাবিশ্বে সমাদৃত। কর্মক্ষেত্রে এখন থেকে তোমরা চুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করবে। তাই তোমাদেরকে কাজের প্রতি আন্তরিক হতে হবে। কাজের মাধ্যমে উৎকর্ষ সাধন করেই চুয়েটের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে। পরে বিদায়ী ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে ভাইস চ্যান্সেলর সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
হ্যালো ওসি বুথে ব্যাপক সাড়া,প্রশংসায় কোতোয়ালী থানার ওসি মহসীন
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:মানুষ থানায় আসতে নাকি লজ্জা পায়! আর ওসির কাছে যেতে ভয় পায়! মানুষের সেই লাজ ভাঙাতে আর ভয় কাটাতে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজেই গেলেন সেবাপ্রার্থীদের কাছে। বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার চৌদ্দ জামতলা এলাকায় হ্যালো ওসি বুথ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।আর এ আয়োজনে মানুষও সাড়া দিয়েছে বেশ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, হ্যালো ওসি বুথে এসে মানুষ অভিযোগ জানিয়েছে। অপরাধমুক্ত এলাকা গড়তে সুন্দর কিছু প্রস্তাবও দিয়েছে। সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো আমরা তাৎক্ষণিকই সমাধান করেছি। বাকিগুলোর ক্ষেত্রে আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। কোতোয়ালি থানাকে সবার আস্থা ও ভরসার কেন্দ্র করারও কথাও দিয়েছি।এ বিষয়ে কোতোয়ালী এলাকার বাসিন্দা সারুয়ারে আলম বলেন, ওসি সাহেব আমাদের কাছে এসে অভিযোগ শুনছেন। তারপর সমাধান দিচ্ছেন। এ উদ্যোগটি ব্যতিক্রম মনে হয়েছে। এতে করে মানুষের পুলিশের প্রতি যে ভীতি আছে তা অনেকটা কমে আসবে। জামতলা এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আজ প্রাণ খুলে কথা বলেছি ওসি সাহেবের সঙ্গে। মাদকসহ এলাকার নানা সমস্যার কথা জানিয়েছি। অনুষ্ঠানে একজন সুপথে ফেরার শপথ করেন। আরেকজন সুপথে ফেরার আবেদন করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন জানিয়েছেন, পুলিশ সেবা সপ্তাহে হ্যালো ওসি নামে একটা বুথ খুলেছিলাম। তাতে মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। মানুষ নির্ভয়ে আমাদের কাছে তাদের সমস্যা বলেছিলেন। আমরা চাই সে ধারা অব্যাহত থাকুক। তাই প্রতিটি এলাকাতেই এখন হ্যালো ওসি বুথ খোলা হবে। সেখানে সবাই নির্ভয়ে সমস্যার কথা বলতে পারবেন। পাশাপাশি জবাবদিহিও করতে পারেন আপনাদের ওসিকে। তিনি আরও জানান, এরই ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালীর সব বিট এলাকায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আবু তালেব চৌধুরী দলের দুঃসময়ের সাহসী সৈনিক
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, সাংগঠনিক শক্তি বলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, ও দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে রাজপথে অবসন করেছিলেন। এই প্রত্যয় থেকে সাংগঠনিকভাবে একটি যাচাই বাছাই কমিটির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন সনীয়দের নেতৃত্বে আনতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন আমরা দলীয়ভাবেই সাংগঠনিক নির্দেশনা অনুযায়ী ওয়ার্ড পর্যায়ের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেছি। এই নির্দিষ্ট তারিখগুলোর মধ্যেই যারা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকবেন তারাই নেতৃত্বে আসীন হবেন।তিনি গতকাল বিকেলে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু তালেব চৌধুরীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় একথা বলেন।মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ স্মরণসভায় তিনি আবু তালেব চৌধুরীর সন্তানদের পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দলের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আবু তালেব চৌধুরী ছিলেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সাহসী সৈনিক।মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, আলতাব হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার আবু রাশেদ চৌধুরী, হাজী ছিদ্দিক আলম, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, মশিউর রহমান রোকন, আফছার উদ্দিন চৌধুরী, ফজলে আজিজ বাবুল, আবু তৈয়ব ছিদ্দিকী।অন্যদের মধ্যে সভায় উপসিত ছিলেন আবদুল লতিফ টিপু, জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি স্পেশাল, অধ্যাপক আসলাম হোসেন, টিংকু বড়-য়া, ছিদ্দিক আহমেদ, দিদারুল আলম মাসুম, ছৈয়দ মো. জাকারিয়া, ফরিদ আহমদ চৌধুরী, মো. ইকবাল চৌধুরী, আনিসুর রহমান ইমন, লুৎফুল হক খুশি প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিএমপির বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধন করেন আইজিপি
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সিএমপির বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধন করেছেন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টায় বন্দর থানা ভবন উদ্বোধন শেষে ১০টায় দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে নবনির্মিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ওসি আব্দুল খালেক ভবনসহ দামপাড়া পুলিশ লাইন্স মাঠ সংলগ্ন ৫০০ মিটার ওয়াকওয়ে উদ্বোধন করেন তিনি।সিএমপির বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধন করেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। এসময় সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নগরীতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালু করুন: সুজন
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক এবং আবাসিক খাতে স্থগিত গ্যাস সংযোগ পূণরায় চালু এবং প্রিপেইড মিটার স্থাপন করার জন্য কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খায়েজ আহম্মদ মজুমদারের নিকট আহবান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।তিনি আজ ৯ জুলাই মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কেজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে তার দফতরে এক মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।এ সময় জনাব সুজন বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী। দেশের প্রধানতম সমুদ্র বন্দর, আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, সিইপিজেড, কেইপিজেড, তেল শোধনাগার, নৌ-বিমান ঘাটিসহ প্রধানতম শিল্প কারখানা সবই চট্টগ্রামে অবস্থিত। সে দিক থেকে চট্টগ্রামের গুরুত্ব অত্যধিক। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে চট্টগ্রামের গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিয়েও কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করছে না। এতে করে চট্টগ্রামের ব্যবসা বানিজ্য এবং গৃহস্থালী কাজে মারাতক সমস্যা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদিচ্ছায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।ইতিমধ্যে দেশের জনগনের গ্যাসের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে এলএনজি আমদানি করছে সরকার। কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের জনগনকে আশ্বস্ত করেছিল এলএনজি আসার পরে নগরীতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালু হবে। জনগনও আশ্বস্ত হয়েছিল এলএনজি হয়তো চট্টগ্রামের জনগনের দুঃখ ঘুচাতে সক্ষম হবে। এতো কিছুর পরও চট্টগ্রামে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান না করাটা চট্টগ্রামের জনগনের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরন বলে আমরা মনে করি। তিনি চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনা করে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে গুরুত্ব সহকারে উপস্থাপন করার অনুরোধ জানান। সম্প্রতি চট্টগ্রামে গ্যাস লাইনে বেশ কিছু প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছিল। প্রিপেইড মিটার স্থাপনের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আবার প্রিপেইড স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার ফলে দূর্নীতিবাজরা উৎসাহিত হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি। তাই অতিসত্বর প্রিপ্রেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরুর করার জন্য কেজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রতি আহবান জানান সুজন। তিনি ৩৮নং ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট সমাধানে প্রকল্প গ্রহন এবং অনুমোদনে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করায় অভিনন্দন জানান। তাছাড়া গতকাল পতেঙ্গা এলাকায় সিডিএর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া গ্যাস সংযোগ পুনঃস্থাপনে ত্বড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহন করে দ্রুত সংযোগ স্থাপন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। কেজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খায়েজ আহম্মদ মজুমদার নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দকে বার বার তাঁর কার্যালয়ে এসে জনদুর্ভোগ লাঘবে জনগনের পাশে থেকে কাজ করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত দাবীগুলো অতীব প্রয়োজনীয় এবং বাস্তবসম্মত। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রয়েছে সত্যি। গ্যাস সংযোগ বন্ধের কারণে ব্যবসা বানিজ্য এবং গৃহস্থালী কাজে চট্টগ্রামবাসী দূর্ভোগের বিষয়ে আমি ব্যাক্তিগতভাবে অবগত। আপনারা অবগত আছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় কেজিডিসিএল জনদূর্ভোগ লাঘবে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশ্বাসও প্রদান করেছিলাম যে এলএনজি আমদানির পর আবাসিক অনাবাসিক এবং শিল্প কারখানার গ্যাস সংকট স্থায়ীভাবে সমাধান হবে। তবে এটাও সত্যি যে, যখন কোন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় তখন সামগ্রিকভাবে পুরো দেশের কথা বিবেচনা করেই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সে অর্থেই আপাতত চট্টগ্রামে গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রয়েছে। আমি চট্টগ্রামের জনগনের সমস্যার গুরুত্ব উপলব্দি করেই নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদানের বিষয়ে আমার যাবতীয় তৎপরতা অব্যাহত রাখবো। তিনি আরো বলেন ইতিমধ্যে কেজিডিসিএল নগরীতে ৬০ হাজার প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে। আরো ২ লাখ প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদন হলেই প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তাছাড়া নগরীর ৩৮নং ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নিরসনে সাড়ে ৬ কোটি টাকার প্রকল্প ইতিমধ্যে অনুমোদন করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন থেকে রাস্তা কাটার অনুমতি পেলেই আনুসাঙ্গিক কাজ শুরু হবে বলে নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।মতবিনিময় সভা শেষে নগরীতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালু এবং প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দ।এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেজিডিসিএল এর সচিব সালেউদ্দিন সরওয়ার, রাজনীতিবিদ হাজী মোঃ ইলিয়াছ, সংগঠনের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, নিজাম উদ্দিন, কেজিডিসিএল শ্রমিক কর্মচারী সংসদের সভাপতি ফরিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম, মোঃ ইসহাক, মাকসুদুর রহমান চৌধুরী, কেজিডিসিএল ঠিকাদার সমিতির সভাপতি একরাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুন রহিম, মোঃ শাহজাহান, শেখ মামুনুর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নাছির উদ্দিন, স্বরূপ দত্ত রাজু, মোঃ ওয়াসিম, আবুল হাসনাত, কামরুল হাসান রানা, মোজাম্মেল হক সুমন, সালাউদ্দিন জিকু প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে অগ্রগতি শুন্যের কৌটায়: ক্যাব
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ আনুকূল্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিসরনে ৫ হাজার ৬শত ১৬ কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প নেয়া হলেও প্রকল্প শুরুর ৩ বছরের মাথায় ২দিনের বৃষ্ঠিতে পুরো নগর জলমগ্ন হয়ে অতি সামান্য বৃষ্ঠিতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী, বানিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রাম পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, ব্যবসা বানিজ্য, অফিস আদালত, বাসা বাড়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প কলকারখানা, নগরীর প্রধান সড়কগুলি তলিয়ে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে।অথচ সরকার চট্টগ্রামবাসী এ যন্ত্রনা লাগবে বিপুল বরাদ্ধ প্রদান করলেও প্রকৃতপক্ষে জলাবদ্ধতা নিরসনে কিছু রাজনৈতিক বুলি, কিছু সভা সমাবেশ ও বিলবোর্ড, ফেস্টুন ছাড়া অর্জন হয়নি। আর এ জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাঝে সমন্বয়হীনতা যেরকম ছিলো, তেমনি অর্থ বরাদ্ধ দেবার পরও প্রকল্পের অগ্রগতি না হওয়াকে প্রশাসনের ভেতরে জবাবদিহিতার অনুপস্থিতিকে দায়ী করছেনদেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী প্রতিষ্ঠান কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নিয়োজিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার ও এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।চট্টগ্রামে বৃষ্ঠিতে জলমগ্ন হওয়ায় প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল লোকজন ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কারনে বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত হত্যার মূল আসামি নয়ন ভন্ড ও রিফাত ফরায়েজীদের ধরনতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে নির্দেশ দিতে হচ্ছে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রকল্প নেয়া হলেও অগ্রগতি শুন্যের কৌটায়। যদিও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে সাবেক চেয়ারম্যান জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ৫ হাজার ৬শত ১৬ কোটি টাকার প্রকল্পের কথা বলে পুরো নগরীতে বিলবোর্ড ও ফেস্টেুনে ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়েও ওঠান বৈঠকসহ নানা সমাবেশ করে নিজের ডাকঢোল পিঠালেও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকৃত কোন অর্জন হয়নি। যার কারনে একটুখানি বৃষ্ঠি হলেওই নগরী তলিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নগরবাসীর জীবনযাত্রা ও নরগ যন্ত্রনা লাগবের দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন দায় এড়ানোর যে বক্তব্য দিচ্ছে তা কোন ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। কারন চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন জনগনের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত। সিডিএ বা ওয়াসা জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী বলে পার পাবার কোন সুযোগ নেই। নগরীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে সিটিকর্পোরেশনকে জনগনের যাবতীয় সুখ ও দুঃখের অংশীদার হতে হবে।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন সরকারের সংস্লিষ্ঠ দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, এমপি ও জনপ্রতিনিধিরা জলমগ্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে নিজেরা জলাবদ্ধতা তাদের আওতা বর্হিভুত দাবি করে নিজেরা দায় এড়ানোর চেষ্ঠা ও জলমগ্ন মানুষগুলিকে উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীকে জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচানো তাৎক্ষনিক উদ্যোগ না নিয়ে এবং পানিতে তলিয়ে যাওয়া রোধে করনীয় নিয়ে সীমাহীন দায়িত্বহীনতার পরিচয় প্রদানের কারনে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা ও পাহাড় ধ্বস এর মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারনে শিল্প, ব্যবসা বানিজ্য, অফিস আদালতের কর্মঘন্টা, শিক্ষা ও জীবন জীবিকায় কোটি কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হচ্ছে যা জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্ঠি করছে। জলাবদ্ধতার কারনে রাস্তাঘাট যেভাবে চলাপচলের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে, সেভাবেই এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমানও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম নগরী ব্যবসা, বানিজ্য ও বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নতুন নতুন প্রকল্পের আশ্বাস ছাড়া নগরবাসীর নরক যন্ত্রনা লাগবে তাৎক্ষনিক প্রতিকারে কোন কার্যকর উদ্যোগ নেয়া না হলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে জনগনের মনে নেতিবাচক ধারনা তৈরী হবে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ক্যাবসহ বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন নালা নর্দমা ও খালগুলি দ্রুত সংস্কার করে জলাবদ্ধতা নিরসণের দাবি জানালেও প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষ সেখানে কর্নপাত না করার কারনে বর্তমানে চাক্তাই খালের উপরের অংশে প্রশস্ততা ৩৫ফিট হলেও নীচের অংশে গিয়ে ১৫ফিটে দাঁড়িয়েছে, ফলে বৃষ্ঠি হলেই পানি নিষ্কাষনের পরিবর্তে নগরী জলমগ্ন হয়ে উঠে। নগরীর পানি নিস্কাষনের ড্রেন, নালা, নর্দমা ও খাল গুলি ভরাট হয়ে গেছে, অনেকগুলি স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের দখলে গিয়ে দালান বিল্ডিং নির্মিত হয়ে নগরীর পানি নিষ্কাষনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি করছে, এ চক্রটি চাক্তাইখাল খননে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করছে, ফলে নগরীতে একটু বৃষ্ঠি হলেই নীচু এলাকা তলিয়ে যাচ্ছে। সিটিকর্পোরেশন ও সিডিএ নগরীর খাল ও নালাগুলি সংস্কারের নামে বিপুল অংকের অর্থ খরচ দাবি করলেও অদ্যবদি দখলে যাওয়া খাল ও ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-নালাগুলি দখলমুক্ত ও যথাযথ সংস্কার করেনি। সামান্য বৃষ্ঠি ও জোয়ারের পানিতে নগরীর বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, মুরাদপুর, খাতুনগঞ্জ, ২নং গেট, চকবাজার, সাবানঘাটা, মোহরা, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বন্দর, হালিশহর, নিউ মুরিং, মাইজপাড়া, পতেঙ্গাসহ অনেক এলাকা জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছে। চাক্তাই খালের দুধারে ওর্য়াকওয়ে নির্মান ও অবৈদখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত রহস্যজনক কারনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না এবং এপর্যন্ত একটি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়নি, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে সিডিএ, সিটিকর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে একটি মামলাও করা হয়নি।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ সরকারের অর্থে গৃহিত প্রকল্পগুলির গা ছাড়া ভাব, যে যার ইচ্ছামতো অর্থ প্রকল্পের নামে ব্যয় না করে বিদেশ ভ্রমন, শিক্ষা সফর, কয়লা প্রকল্পের ন্যায় বালিশ কিনতে ও তুলতে বিপুল অপচয়ের মতো নয়-ছয় করা হলে জনগনের করের টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না হলে জনগন কর প্রদানে বিরূপ হবে। আর বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নাগরিক পরীবিক্ষন যেমন দরকার তেমনি প্রশাসনের সত্যিকারের জববাদিহিতা নিশ্চিতে সর্বস্তরে নাগরিক সমাজের সত্যিকারের অংশগ্রহন ও মতামত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি এটা না হয় তাহলে জবাবদিহিতার নামে প্রতিবেদন তৈরী হবে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না।বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, যুগ্ন সম্পাদক আবু মোশারফ রাসেল, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক এএম তৌহিদুল ইসলাম, দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর