সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনামতে কোন পরিবার যেন অভুক্ত না থাকে সে ব্যাপারে কাজ করছি
০৫মে,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সারাদেশে ত্রাণ বিতরন অব্যাহত রেখেছে। তারই আলোকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে । পাশাপাশি তালিকা প্রস্তুত কাজও চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সকল ওয়ার্ড থেকে তালিকা চেয়ে পত্র পাঠিয়েছি। এ তালিকা কেন্দ্রের নিকট প্রেরণ করা হবে। তিনি বলেন, মহানগর আওয়ামীলীগ তৃণমূল কর্মীদের খোঁজ খবর নিচ্ছে। উপহার সামগ্রী প্রদান অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনামতে ছুটি কালীন সময়ে কোন পরিবার যেন অভুক্ত না থাকে সে ব্যাপারে কাজ করছে। আজ ৪২ নং নাছিরাবাদ ওয়ার্ড, ৪৩ নং আমিন শিল্প ওয়ার্ড ও ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে ইউনিট আওয়ামীলীগের তৃণমূল পর্যায়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ হতে ভোগ্যপন্য উপহার সামগ্রী বিতরণকালে মেয়র এসব কথা বলেন। মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, কাউন্সিলর মোরশেদ আলম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য ও পাঁচলাইশ থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মো. ইয়াকুব, সৈয়দ আমিনুল হক, মহব্বত আলী খাঁন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ফেনীতে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
০৫মে,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনী জেলার ফেনী সদর থানাধীন মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। আজ ৫ মে মঙ্গলবার (সোমবার দিবাগত) রাত ১:২০ মিনিটের সময় ফেনী জেলার সদর থানাধীন মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যাসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এ এসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামীরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর (৪০) এবং ২। মোঃকামরুল ইসলাম ওরফে ছোটনমিয়া (৩৫), উভয়পিতা- মৃতবশিরআহম্মেদ, সাং- সৈয়দপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক ,ফেনী ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ নুরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিওিতে ফেনী জেলার সদর থানাধীন মোহাম্মদ আলী বাজার এস রহমান ফিলিং এন্ড সিএনজি স্টেশন সংলগ্ন রিপন স্টোরের সামনে এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে তাদের তল্লাশি চালিয়ে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণি ১৯(গ) ধারা মোতাবেক ফেনী জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ বক্স বিস্ফোরনের মামলায় আইইডি তৈরির সরঞ্জাম সহ নব্য জেএমবির ০৩ জঙ্গি গ্রেফতার
০৪মে,সোমবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৮/০২/২০২০ রাতে পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন ষোলশহর ২নং গেইটস্থ ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আকস্মিক বিস্ফোরণের ঘটনায় আইইডি তৈরির সরঞ্জাম সহ নব্য জেএমবির ০৩ জঙ্গি গ্রেফতার করেছে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ঘটনার পর থেকেই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম নিবিড় দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটি) হাসান মোঃ শওকত আলী এর তদারকিতে এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের চৌকস অফিসারগন গত ০৩/০৫/২০২০ খ্রিঃ বিকাল ০৫:০০ টায় বাকলিয়া থানাধীন ডিসি রোডস্থ গনি কলোনিতে অভিযান পরিচালনা করে নব্য জেএমবির তিন জঙ্গী - ১) মোঃ সাইফুল্লাহ (২৪), ২) মোঃ এমরান (২৫) ও ৩) মোঃ আবু ছালেহ (২৫) কে আইইডি তৈরির সরঞ্জাম সহ গ্রেফতার করেন। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটি) পলাশ কান্তি নাথ এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মো. আফতাব হোসেন, এসআই রাছিব খান, এসআই সঞ্জয় গুহ, এসআই ফরহাদ হোসেন, এসআই সুমিত দাস ও অন্যান্যদের সম্বন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস টিম উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা পরস্পরের যোগসাজসে গত ২৮/০২/২০২০ রিমোট কন্ট্রোলের সহায়তায় ২নং গেটস্থ ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আইইডি বিস্ফোরন ঘটানোর কথা স্বীকার করে। বিস্ফোরনের ফলে সার্জেন্ট মোঃ আরাফাত হোসেন ভূঁইয়া ও এএসআই আতা উদ্দিন সহ কয়েকজন পথচারি গুরুতর আহত হয়। আসামীগন দেশের প্রচলিত আইনকে তাগুতের আইন ও বাংলাদেশ পুলিশকে তাগুত হিসাবে চিহ্নিত করে বোমা হামলার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের হত্যা করার চেষ্টা করছে। অনলাইনে পাওয়া অপ্রচলিত মোবাইল ফোন এ্যাপস ব্যবহার করে ঐ এ্যাপসের মাধ্যমে দলের সকল সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করে বোমা/আইইডি তৈরির বিভিন্ন ভিডিও আদান প্রদান করে সেই অনুসারে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় মর্মে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে মুল্যতালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামুলক ভ্রাম্যমান আদালতের
০৪মে,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্রব্যমুল্যের লাগাম টানতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে জেলা প্রশাসন। দ্রব্যমুল্যের কারসাজি ঠেকাতে মুল্যতালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়। নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসাবে মুল্যতালিকা যাচাইয়ের পাশাপাশি খুচরা ও পাইকারী বাজারের সাথে পন্যমুল্য যাচাই করা হচ্ছে। যাতে খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীরা কোন সুযোগ নিতে না পারে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে আজ নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় এবং মুল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় বেশ কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। আজ সোমবার ৪ মে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫:৩০ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও স্থান গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর খুলশী, পাচলাইশ,বায়েজিদ ও চান্দগাও এলাকায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা,ব্যক্তিগত সুরক্ষা ব্যবহার করার ব্যাপারে জনগনকে সর্তক করেন। নগরীর খুলশি থানার ঝাউতলা বাজার, বহদ্দারহাটের কাচাবাজার সমূহে মূল্য তালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়কারী দোকান মালিকদের কে সর্তক করেন। এসময় একটি দোকানে অতিরিক্ত দামে আদা বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোকান মালিককে জরিমানা করা হয়। এছাড়াও পাচলাইশ এলাকায় ফল বিক্রেতাকে অতিরিক্ত দামে মাল্টা বিক্রির অপরাধে জরিমানা করা হয়। তিনি ১৩টি ১৪,৭০০টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন চকবাজার,বাকলিয়া,সদরঘাট ও কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় তিনি ৯ টি মামলায় ৯,৬০০( নয় হাজার ছয়শত) টাকা জরিমানা করেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মহানগরীর চান্দগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা কালে দেওয়ান মহসিন রোড, চেয়ারম্যান কলোনী এলাকায় নীলা হক নামক এক বাড়িমালিক রাজমিস্ত্রি ও নির্মাণ শ্রমিক দিয়ে বাড়ির নির্মাণ কাজ করাচ্ছিলেন। সরকারি আদেশ অমান্য করে বহিরাগত ৮-১০ জন নির্মাণ শ্রমিকদের সমাগম ঘটিয়ে বিপদজনক অবস্থায় নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখে এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ানোর দায়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঠিকাদারকে আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা থানা এলাকায় অননুমোদিতভাবে দোকান খোলা রাখায় রিমা গ্লাস হাউসকে(পতেঙ্গা) ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা,লেপের দোকান সায়েদ স্টোরকে ১৫০০( এক হাজার পাঁচশত)টাকা জরিমানা করেন।সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করার কারণে মুদির দোকান হাসেম স্টোরকে(কাটগড়, ইপিজেড) ৪,০০০(চার হাজার) টাকা জরিমানা করেন। তিনি ৩ টি মামলায় ৮,৫০০(আট হাকার পাচশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন আকবর শাহ, পাহাড়তলী, হালিশহর ও ডবলমুরিং থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় ২টি সেলুনকে ২,০০০(দুই হাজার টাকা), ৪টি টেইলরের দোকানকে মোট ২,০০০(দুই হাজার টাকা), ১টি কাপড়ের দোকানকে ৫০০(পাঁশত টাকা) ও একটি ইলেকট্রনিক্স এর দোকানকে ১,০০০(এক হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও এম্বুলেন্স এ যাত্রী পরিবহন করায় ১০০০(এক হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তিনি ৮টি মামলায় ৬,৫০০টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলমগীর চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী, পাচলাইশ, বায়েজিদ ও চান্দগাও এলাকার করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক দূরত্ব ও হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে বাজার মনিটরিং করা হয়। এসময় সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন -২০১৮ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এ মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি ৬টি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় ৩,৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক - উর - রহমান দুপুর ২ টা হতে ৫ঃ৩০ পর্যন্ত নগরীর বন্দর,ইপিজেড এবং পতেঙ্গা এলাকায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও বাজার মনিটরিং এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।অভিযানকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিং করা হয়।এসময় ভোগ্যপন্যে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।অভিযানে ১টি মামলায় ২,০০০(দুই হাজার) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার, সদরঘাট,বাকলিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে চকবাজার ও কাজির দেউরি বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন।অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানান।পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে শাহ মইনউদ্দিন স্টোর কে ১,০০০টাকা, লীক এন্ড মিটস স্টোরকে ১,০০০ টাকা, শামিম স্টোরকে ৫০০ টাকা,আল মদিনা স্টোরকে ৫০০ টাকা, সাগরিকা স্টোরকে ৫০০ টাকা, আজম স্টোরকে ৫০০ টাকা,আফসার সবজি মালিক কে ৫০০ টাকা, হানফুজ সবজি মালিককে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। তিনি ৮টি মামলায় ৫,০০০ টাকা প্রদান করেন। করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বভাবিক ও ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান, জেলা প্রশাসনের স্টাফ অফিসার টু ডিসি সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমান।
সীতাকুন্ডে ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
০৪মে,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন মাদামবিবির হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩২৮ বোতল ফেন্সিডিল, ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো-গ-৩৯-১৮৬৬) জব্দ করা হয়। গতকাল রবিবার ৩ মে রাত ৯ঃ৪৫ মিনিটের সময় Rab-7 এর একটি টহল দল সীতাকুন্ড থানাধীন মাদামবিবির হাট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পার্শ্বে মেসার্স মিতালী আয়রণ মার্ট নামক দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামীরা হলেন মোঃ আবুল কালাম (২৫), পিতা- আবুল কাশেম, গ্রাম- কালিকাপুর (হাজী সিরাজ মেম্বার বাড়ী), থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা, মোঃ ইদ্রিছ মিয়া (৩৫), পিতা- মৃত আব্দুছ সোবাহান, গ্রাম- কুমিল্লা টিলা (শফিকের বাপের বাড়ী), ২নং তবলছড়ি ইউপি, থানা- মাটিরাঙ্গা, জেলা- খাগড়াছড়ি, এবং মোঃ সুজন (২০), পিতা- আব্দুল গফুর, গ্রাম- নোয়াপাড়া, (মধ্যমপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ী), থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(অপারেশন) মেজর মুশফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের সংবাদের Rab-7 এর একটি টহল দল সীতাকুন্ড থানাধীন মাদামবিবির হাট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পার্শ্বে মেসার্স মিতালী আয়রণ মার্ট নামক দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর তল্লাশী চালায়। এসময় চেকপোস্টের দিকে আসা কুমিল্লা হতে চট্টগ্রামগামী একটি প্রাইভেটকারের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে প্রাইভেটকারটিতে তল্লাশি চালিয়ে প্রাইভেটকারের ভিতর সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ৩২৮ বোতল ফেন্সিডিল, ১২ কেজিগাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ড্রাইভারসহ ৩ জনকে আটক করা হয় এবং প্রাইভেটকারটি (ঢাকা মেট্টো-গ-৩৯-১৮৬৬) জব্ধ করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত প্রাইভেটকারের আনুমানিক মূল্য ২০ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীদের সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাঁড়াশি অভিযান
০৩মে,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতি ও রমজানের কারনে ভোগ্য পন্যের দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। চাল, আদা, কাঁচা বাজার থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের বাজার দর ছিল চড়া। সর্বত্রই পেপারলেস ব্যবসার আড়ালে পন্যমুল্য বৃদ্ধির কারসাজি ছিল। তাই ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। বর্তমানে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযানের ফলে বাজার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে। সেই লক্ষ্যে আজ নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আজ রবিবার ২ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫:৩০ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও স্থান গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক - উর - রহমান, নগরীর আকবরশাহ,হালিশহর,পাহারতলী এবং ডবলমুড়িং এলাকায় অভি পরিচালনা করেন। অভিযানকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার দায়ে ও ভোগ্যপন্যে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে দণ্ডবিধি ১৮৬০ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ধারায় বিভিন্ন দোকানে মামলা দায়ের করা হয়।অভিযানে মোট ৩টি মামলায় ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর পাচলাইশ,খুলশী, বায়েজিদ ও চান্দগাও এলাকায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ,ব্যক্তিগত সুরক্ষা ব্যবহারসহ,বাজারের দ্রব্যমূল্য স্তিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বাজার মনিটরিংয়ে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ৬টি মামলায় ৭,৮০০(সাত হাজার আটশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. আলমগীর পতেঙ্গা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক দূরত্ব ও হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে বাজার মনিটরিং করেন। এসময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এ ২টি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় ১৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া পতেঙ্গা থানাধীন মাইজপাড়া এলাকায় একজন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি (পুরুষ) মৃত্যু বরণ করেন। তিনি কিডিনি রোগ জনিত কারণে মারা যান তা তার পরিবারের বড় ছেলের সাথে কথা বলে জানা যায়। এসময় লোকটির কিছু দিন আগে করোনা টেস্ট করানো হয়। যা মৃত ব্যক্তির বড় ছেলের মোবাইল স্ন্যাপশটে রিপোর্টটি নেগেটিভ দেখতে পাওয়া যায়। উক্ত ব্যক্তির জানাজার নামাজ ও দাফনে তদারকি করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান চকবাজার,বাকলিয়া, সদরঘাট ও কোতোয়ালি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় অননুমোদিতভাবে খোলা রাখায় ফিশিং নেটের দোকানকে ১,০০০(এক হাজার)টাকা জরিমানাসহ ৫ টি মামলায় ৫,৫০০ টাকা জরিমানা করেন। দেশের অন্যতম বৃহৎ ফলের আড়তে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সেনাবাহিনীর সহায়তায় ফলমন্ডি এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে সিএমপি সদস্যগণ ও উপস্থিত ছিলেন। গত ২৯ এবং ৩০ এপ্রিল অভিযান দুটিতে ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ মাল্টা ফল আমদানি মূল্যের চাইতে দ্বিগুণ দামে বিক্রির দায়ে ৮ ব্যবসায়ীকে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজকের অভিযানে ফলমন্ডি বাজার মনিটরিং এ গিয়ে দেখা যায় যে, আড়ত থেকে প্রতি কার্টুন মাল্টা ১৫০০ টাকা (১ কার্টুনে ১৫ কেজি) বা কেজি প্রতি ১০০ টাকা দরে মাল্টা বিক্রি হচ্ছে।মাল্টার দরপতনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজার, উপজেলার বাজার সমূহে এবং অন্যান্য জেলায় যেসব স্থানে ফল পাঠানো হয়েছে সেখানে পাইকারি মূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে মাল্টা সহ অন্যান্য ফল বিক্রি হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।আজকের অভিযানে ফলমন্ডিতে কোনো জরিমানা করা হয়নি। ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী পাহাড়তলী, আকবরশাহ, হালিশহর ও ডবলমুরিং থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খালা রাখায় পাহাড়তলী, আকবরশাহ, হালিশহর ও ডবলমুরিং থানার বিভিন্ন জায়গায় ২টি কাপড়ের দোকানকে ২৪০০ (দুই হাজার চারশত টাকা), ১টি টেইলরের দোকানকে ৫০০(পাঁচশত টাকা) ও ২টি ইলেকট্রনিক সামগ্রীর দোকানকে ৮,০০০ (আট হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে ডবলমুরিং থানাধীন পাহাড়তলী রেলওয়ে বাজারের এক সবজি বিক্রেতাকে ৬০০(ছয়শত টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ঔষধ সংরক্ষণ না করায় আকবরশাহ থানাধীন একটি ফার্মেসিকে ২০০০(দুই হাজার টাকা) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। সামাজিক দূরত্ব না মানায় ৪ জনকে মোট ১০০০(এক হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী জানান,জেলা প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি থাকা স্বত্তেও নগরীর নন্দনকানন, এনায়েত বাজার, আইস ফ্যাক্টরি রোডে অবস্থিত বেশ কয়েকটি মার্কেটে ইলেকট্রনিকস ও হার্ডওয়্যার এর স্টোর খোলা হচ্ছিল প্রতিনিয়ত। সরেজমিনে দেখা যায়, মোবাইল কোর্টের গাড়ির গতিবিধি লক্ষ্য করেই এই স্টোরগুলো স্টোর বন্ধ করে দেয়। এরপর স্টোরের সামনে বা আশেপাশে সাধারণ মানুষের মত দাড়িয়ে থাকে।তবে কোনো ক্রেতা দ্রবাদি ক্রয় করতে চাইলে তারা ব্যবস্থা করে। কোতায়ালী ও সদরঘাট থানাধীন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান। তিনি ১৬টি মামলায় ১৬,১০০টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন পাঁচলাইশ, খুলশী, বায়েজিদ, চান্দগাঁও এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় তিনি ৫টি মামলায় ৩১০০ জরিমানা করেন। করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বভাবিক ও ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান, জেলা প্রশাসনের স্টাফ অফিসার টু ডিসি সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমান।
করোনাযুদ্ধে জয়ী হয়ে ফিরলেন কনস্টেবল অরুন চাকমা
০৩মে,রবিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে ফিরলেন চট্টগ্রামের ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল অরুন চাকমা। প্রথমবার পজেটিভ এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা শেষে পর পর দু’বার নেগেটিভ রিপোর্ট আসার পর রোববার (০৩ মে) দুপুরে তাকে বাসায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন চিকিৎসকরা। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে অব্যহতি দেয়া হয়। চট্টগ্রামে পুলিশের প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া ট্রাফিক কনস্টেল শাহেদ এবং জহিরুলেরও দ্বিতীয় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাদের তৃতীয় পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যদি তৃতীয় রিপোর্টও নেগেটিভ আসে, তাহলে দু’একদিনের মধ্যে তারাও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন বলে আশা করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। আর হাসপাতাল থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর পরই এই কোভিড যোদ্ধাকে বরণ করে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের-ট্রাফিক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এমনকি মনোবল চাঙা রাখার জন্য খোদ সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুবর রহমানকে তার হাতে ফুল তুলে দিয়ে রোগ মুক্তির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সিএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান জানান, পুলিশ হলো এই দুঃসময়ের মাঠের যোদ্ধা। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা আক্রান্ত হয়েছেন। তাই তাদের মনোবল ধরে রেখে আমরা জনগনকে কাঙ্ক্ষিত সেবাটি দিতে চায়। সে কারণে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। যাতে অসুস্থ অন্যরা তাদের মনোবল চাঙা রাখতে পারে। সিএমপি ট্রাফিক বিভাগ উত্তর জোনের উপ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, গত ৯ এপ্রিল নগরীর জি ই সি মোড়ে দায়িত্ব পালনের সময় কনস্টেবল শাহেদ এবং অরুন চাকমা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পরদিনই পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেডিকেল টিম তৈরি করে তাদের পরীক্ষা করে। ১০ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহের পর ১১ এপ্রিলের ফলাফলে কনস্টেবল শাহেদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ জানান, কনস্টেবল অরুন চাকমার মধ্যে করোনা ভাইরাসের তেমন উপসর্গ না থাকলেও তিনি আইসোলেশনে চলে যান। কিন্তু ১৯ এপ্রিলের পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চিকিৎসার জন্য তাকে’ও নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অরুন চাকমা সুস্থ হয়ে উঠেন। বর্তমানে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ট্রাফিক বিভাগের ৮ সদস্যের মধ্যে ৭ জনই সুস্থ রয়েছেন।
ভাটিয়ারীতে ফেনসিডিলসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
০৩মে,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩১১ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়। আজ রবিবার ৩ মে দিবাগত রাত ১২ঃ৫০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান। আটককৃত আসামীরা হলেন মোঃ আরিফ (৩৫), পিতা- মৃত সফিকুর রহমান, সাং- ভাটিয়া, পোঃ- কাচারিহাট, থানা- কবিরহাট, জেলা- নোয়াখালী, মোঃ সুমন (২৫), পিতা- মৃত আব্দুল হামিদ, সাং- খানজানগর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা এবং মোঃ জাকির হোসেন (৩২), পিতা- মৃত টুকু মিয়া, সাং- রাজবল্লভপুর (হাজী পাড়া), থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক( অপারেশন) মেজর মুশফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পা্রি যে, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম হতে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি কাভার্ড ভ্যান যোগে পন্য পরিবহণের আড়ালে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে আসছে। এমন ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী পূর্ব হাসানাবাদ সাকিন ভাটিয়ারী ফিলিং স্টেশনের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায়। এসময় কুমিল্লা হতে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ডভ্যানের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে Rab সদস্যরা গাড়িটিকে থামানোর সংকেত দিলে কাভার্ড ভ্যানটি চেকপোস্টের নিকটবর্তী এসে থেমে যায় এবং কাভার্ড ভ্যানটি থেকে ড্রাইভারসহ ৩ জন ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে Rab সদস্যরা তাদের আটক করে। পরে আটককৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে কাভার্ডভ্যানটি (চট্ট মেট্টো-ট-১১-৪৫২৯) তল্লাশী করে কাভার্ডভ্যানের ভিতরে ড্রাইভিং সিটের পিছনে সুকৌশলে লুকানো ৩১১ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয় এবং উক্ত কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পন্য পরিবহনের আড়ালে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ ১১ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত কাভার্ডভ্যানের আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা। আটককৃত আসামীদের সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
৪১ ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হবে : মেয়র নাছির
০৩মে,রবিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক একটি মহামারি। এতে আতকিংত না হয়ে সচেতনতা জরুরি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জীবনের মায়াকে উপেক্ষা করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিন-রাত মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা ১৫ টি ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে এই ভোগ্যপণ্য উপহার সামগ্রী প্রদান সম্পন্ন করেছি। পর্যায়ক্রমে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের মাঝে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির জরুরি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেরিত চিঠির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন এবং মহানগরসহ প্রতিটি ওয়ার্ডের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে ওয়ার্ড ত্রাণ কমিটি গঠন পূর্বক আগামী ৩ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তরে প্রেরণের আহ্বান জানান এবং ইতোমধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে চিঠি প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতি ওয়ার্ড পর্যায়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সহ সভাপতি অ্যাভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ শমসের, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারম্নল আলম চৌধুরী, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, উপ দপ্তর সম্পাদক জহর লাল হাজারী, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ এয়াকুব, আবুল মুনছুর, নুরম্নল আলম, গাজী শফিউল আজিম, সৈয়দ আমিনুল হক, জাফর আলম চৌধুরী, নুরম্নল আমিন শানিত্ম, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, আহমদ ইলিয়াছ, ড.নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, রোটারিয়ান ইলিয়াছ, মোহাম্মদ জাবেদ, হাজী বেলাল আহমদ উপসিত ছিলেন। সভার একই সাথে পুলিশ কর্তৃক টেরিবাজার দোকান কর্মচারী নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাসিত্মর দাবি জানানো হয়।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর