ত্রাণ বিতরনের নামে নির্লজ্জ ফটোশেসন ও নয় ছয় সর্বত্র
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী চলা সাধারন ছুটির কারনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে দুস্থ, শ্রমজীবী মানুষ। সেই সাথে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষ ও অনেকেই খেয়ে না খেয়ে আছে আবার অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। লোক লজ্জায় না পারছে কাউকে বলতে না পাড়ছে কারো কাছে কিছু চাইতে। এদের পাশে দাড়ানোর মত তেমন কেউ নেই। তার উপর বাড়ি ভাড়ার খড়গ । আয় রোজগার থাক বা না থাক পেটে খাবার জুটুক বা না জুটুক মাস ফুরালেই বাড়ি ভাড়া রেডি রাখতে হয়। অনেকটাই দিশেহারা মধ্যবিত্ত পরিবাব্রের লোকজন।ফটোশেসন ও প্রচারের কবলে আত্মসন্মানের ভয়ে ত্রাণও নিতে পারে না। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মিডিয়ার কল্যানে দেখা যায় সবাই ত্রাণ বিতরণ করছে। আর চলে ত্রাণ বিতরনের নামে নির্লজ্জ ফটোশেসন। এর ফলে আত্মসন্মানের ভয়ে অনেকে ত্রাণ নিতে চায় না। রাস্তার ধারে যারা আসে তারা হয়ত কিছুটা পায়। যারা লোক লজ্জায় বাসা থেকে বের হতে পারে না তারা অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। আবার দেখা যাচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী চলে যাচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের পেটে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কঠোর সতর্ক করার পর ও ত্রাণ নিয়ে চলছে নয় ছয়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ত্রাণ বিতরনের নামে ফটোশেসন না করার জন্য সতর্ক করেন। কিন্তু তারপরও থেমে নেই সেই নিলজ্জ ফটোশেসন । ত্রাণের জন্য ফটোশেসন না ফটোশেসনের জন্য ত্রাণ । ভাবতে অবাক লাগে খেটে খাওয়া মানুষের সাথে এ কোন তামাশা! ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ত্রাণ বিতরণে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে। কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ, শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরন করছে। সেই সাথে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গোপনে বাসায় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে ।যদিও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকে বলেছে তারা ত্রাণ চেয়ে ত্রাণ পাচ্ছে না ।আবার ফোন করেও পাওয়া যাচ্ছে না নিয়ন্ত্রণ কক্ষে । পাশাপাশি চট্টগ্রাম পুলিশ সিএম পি'র উদ্দেগে একদিকে যেমন দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে ,অন্যদিকে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরনের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। সিএমপি'র সকল থানা থেকে ও ত্রাণ বিতরণ করছে। সি এমপি'র রয়েছে ডোর টু ডোর সপ সার্ভিস। ফোন করলেই মানুষের দ্বোর গোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য। সেবা মুলক কাজের মধ্য দিয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছে টিম কোতোয়ালি। ব্যক্তি উদ্দেগে অনেকে তৈরী খাবার বিতরণ করছে কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ব্যক্তি উদ্দেগে যারা বিতরণ করছে তাদের বেশীর ভাগই ফটোশেসন নিয়ে ব্যস্ত। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার সাহায্য না নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক কাউন্সিলরদের মাধ্যমে সরকারী ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে যা অনেকে নিজের বলে চালিয়ে দিচ্ছে।আবার অনেক ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের লোকদের মাঝে বিতরন করছে যারা নির্বাচনে হাতিয়ার হয়ে কাজ করবে। মোট কথা নির্বাচনী ফায়দা হাসিলের জন্য ব্যবহার করছে। ত্রাণ বিতরণে সর্বত্র হচ্ছে নয় ছয়! সম্প্রতি মিডিয়ার কল্যানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি দের বাসা থেকে সরকারী ত্রাণের চাল উদ্ধার করেছে। আবার দেখা গেছে একজন পঙ্গু ভিক্ষুক তার ভিক্ষার টাকায় কেনা ত্রাণ প্রতিবেশীর মাঝে বিতরন করছে। যা আমাদের বিবেককে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে! এদিকে"করোনাভাইরাসে সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের জন্য সরকারিভাবে চট্টগ্রামে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসাহায্য পাঠানো হলেও সেই ত্রাণ কারা বিতরণ করছে, কাদের কাছে বিতরণ করা হচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোদ চট্টগ্রাম নগরীর সংসদীয় আসনগুলোর সাংসদরাই ত্রাণ বিতরণের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারি নির্দেশ না মেনে চট্টগ্রাম নগরীর চার সংসদ সদস্যকে পুরোপুরি অন্ধকারে রেখে তড়িঘড়ি ত্রাণের সব চাল তুলে দেওয়া হয়েছে কাউন্সিলরদের হাতে। সরকারের দেওয়া ত্রাণ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজের নামে দিচ্ছে এমন ঘটনায় সরকারের ওপরমহলেই বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও এক্ষেত্রে সাংসদদের এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি ইতিমধ্যে সরকারিভাবে বরাদ্দ ত্রাণ কাদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে, তার তালিকা চেয়েও পায়নি নগরীর অন্তত তিনজন সংসদ সদস্য। এমন অস্বচ্ছতার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, সামনে যা বিতরণ হবে সব স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে সমন্বয় করেই বিতরণ করতে হবে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে কঠোর মনিটরিং এর মাধ্যমে যদি ত্রাণ বিতরণ করা না হয় তবে একদিকে যেমন ত্রাণ পৌঁছবেনা সঠিক লোকের হাতে। অন্যদিকে ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম রোধ করা যাবে না। অভাবী লোক গুলো বঞ্চিত হবে নিজেদের পাওনা থেকে। সরকারী ত্রাণ বিতরণের সঠিক তালিকা / মাষ্টার সীট যাচাই করাও জরুরী।বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। যার বেশীর ভাগ প্রভাব পড়বে গণমাধ্যেম,গার্মেন্টস শিল্প মধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে অনেকেই হয়ত কাজ হারাবে । যেখানে উন্নত দেশ গুলো চিন্তিত তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি কিভাবে কেটে উঠবে। সেখানে বাংলাদেশকে আরো গভীর ভাবে চিন্তা করতে হবে কি ভাবে এটা সামাল দেওয়া যায় । পাশাপাশি অন্যন্য দেশের মত সরকারকে ভাবতে হবে কি করে মধ্যবিত্ত ,নিন্মমধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করা যায়।গণমাধ্যেম কর্মীদের নিয়েও সরকারকে ভাবতে হবে। কারন বেশির গণমাধ্যেম কর্মী এমনিতেই আর্থিক দীনতার মধ্যে কাটে।
মধ্যবিত্তরা ফেসবুকে জানালেই খাবার পৌঁছে দেবেন মেয়র নাছির
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার কারণে অসহায় অবস্থায় থাকা কর্মহীন, নিম্নবিত্ত পরিবারের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ ঘোষণা দেন। নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে বসবাস করা মধ্যবিত্ত পরিবারের নাগরিকরা তাদের মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানা জানিয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পেইজে (https://www.facebook.com/gsajmnasiruddin) মেসেজ করলে গোপনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ভয়াবহ করোনার বিস্তার রোধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে অন্যতম কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারেরও পাশে দাঁড়ানো। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এই কর্মসূচীর জন্য আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের তালিকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাতে গোপনে ও সুন্দরভাবে তাদের সহযোগিতা করা যায়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১ ওয়ার্ডে যে সকল মধ্যবিত্ত পরিবার আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে চাল-ডাল কিনতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে তারা আমার এই পেজে এসএমএস'র মাধ্যমে জানাতে পারেন। আপনার পরিচয় গোপন থাকবে। অবশ্যই মোবাইল নম্বর,পূর্ণ ঠিকানা দিতে হবে যাতে যাচাই বাছাই করে সঠিক কিনা জানতে পারি। এখানে কোন সংঘ কিংবা গোষ্ঠীকে তালিকাভুক্ত করা হবে না। শুধু একটি পরিবার একটি এসএমএস ভিত্তিতে তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কোন স্বচ্ছল ব্যক্তি বা যে সকল দরিদ্র, কর্মহীন, নিম্ন আয়ের মানুষ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা পেয়েছেন তাদের এসএমএস না করতে অনুরোধও করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।- বাংলানিউজ
সরকারি র্নিদেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ও জরিমানা আদায়
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।অভিযানকালে এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয় এবং সরকারি র্নিদ্দেশনা অমান্য কারীদের জরিমানা করা হয়। নগরীর চান্দগাও, বাকলিয়া, পাচলাইশ, খুলশি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সুজন চন্দ্র রায়। অভিযানে একাধিক মামলায় ১০,০০০(দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয় ।বিনা প্রয়োজনে বাইরে আসা, যে সকল দোকান খোলার অনুমতি নেই তা খোলা রাখা ও লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালানোর জন্য মামলাগুলো করা হয়। নগরীর কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, বায়েজিদ এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কাজি তাহমিনা সারমিন। অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে নগরীর রিয়াজউদ্দীন বাজারের একটি দোকানকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ৫০০০ এবং আরেকটি দোকানকে ২০০০ জরিমানা করা হয়, চকবাজার এলাকার বেস্ট বাই এর একটি দোকানকে খোলা রাখার জন্য ২০০০ জরিমানা করা হয়, মোবাইল চার্জারের দোকান খোলা থাকার কারণে ৫০০ জরিমানা হয়, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার জন্য একটি দোকানকে ৫০০০ জরিমানা করা হয়, বায়েজিদ সুপার মার্কেটের ১টি দোকানকে মূল্য তালিকা না রাখায় ২০০০ জরিমানা করা হয়। অভিযানে সর্বমোট জরিমানা ১৬৫০০( ষোল হাজার ) টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে কয়েকটি অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ করা হয়। যৌক্তিক কারন ব্যাতীত যাত্রীদের রিক্সা, বাইকে চলাচলকারীদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু দোকানের সামনে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করে দেওয়া হয়। বিকাল ৫ টার পর ফার্মেসী ব্যাতীত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩ জন ব্যক্তির হোমকোয়ারেনটিন নিশ্চিত করা হয়। পাহাড়তলী, হালিশাহ ও আকবরশাহ এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালায় মোঃ উমর ফারুক। আকবরশাহ,পাহাড়তলী ও হালিশহর এলাকার বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম- কোয়ারেন্টেন নিশ্চিত করা হয়। এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এ হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের বেধে দেয়া প্রতিকার ব্যবস্থার বিষয়গুলো তুলে ধরে প্রতিপালনের জন্যে অনুরোধ করা হয়।আকবরশাহ ও পাহাড়তলী এলাকার বস্তিতে অলিগলিতে মাইকিং এর মাধ্যমে তাদের ঘরে ফেরানো হয়।এ কে খান এলাকায় মিনি বাস চালক ও হেল্পারদের গাড়ী না চালানোর জন্যে আহবান জানানো হয়।অত্র এলাকায় ত্রান দেয়ার সময় মানুষের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়।পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করা হয়। ওএমএস এর চাল বিক্রয়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করাসহ বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ব্যবস্থাপনার জন্যে পরামর্শ প্রদান। অপ্রয়োজনে বাইরে আসায় একটি নোহা গাড়ীকে ৫০০ টাকা ও ১ টি মোটর বাইক কে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ডবলমুরিং, বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গালিব চৌধুরী । অভিযানকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর, দক্ষিণ মধ্য হালিশহর, উত্তর পতেঙ্গা ও দক্ষিণ পতেঙ্গায় তিনটি টেইলরের দোকানকে ১৫০০ (এক হাজার পাঁচশত টাকা), একটি ফার্নিচারের দোকানকে ৫০০ (পাঁচশত টাকা), একটি জুতার দোকানকে ৫০০ (পাঁচশত টাকা) ও একটি ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী মেরামতের দোকানকে ৫০০ (পাঁচশত টাকা) জরিমানা করা হয়। নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর সময় ডবলমুরিং থানাধীন কর্ণফুলী কাঁচা বাজার ও বন্দর থানাধীন কলসি দিঘীর পাড়ের অস্থায়ী কাঁচা বাজারের চারটি দোকানকে ৮০০০(আট হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ডবলমুরিং থানাধীন ঈদগাঁ এলাকার ডিটি রোডে তিনজন মোটরবাইক চালককে ২৩৬০- (দুই হাজার তিনশত ষাট টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি পাহাড়তলী বাজার, কর্ণফুলী কাঁচা বাজার, বন্দরটিলা বাজার, কাঠগড় বাজার ও কলসি দিঘীর পাড়ের অস্থায়ী কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও মাইকিং এর মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে এলাকাবাসীকে সচেতন করা হয়। ওএমএস-কার্যক্রমের আওতায় ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয়ের সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারেও বিক্রেতাদের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
চট্টগ্রামে সাংবাদিকের ওপর হামলা
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের কোতোয়ালী থানাধীন বক্সিরহাট এলাকায় ক্রেতার কাছে পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য দাবির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইন (৩৪)। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে বক্সিরহাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার আসামির নাম স্বপন কুমার সাহা (৫২)। তিনি বক্সিরহাট এলাকায় দয়াল পাশারি ভান্ডারের মালিক। পলাতক আসামিরা হলো নওশাদ আলী খান (৬৫) ও জুয়েল সাহা (২৭)। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, মুহাম্মদ মহরম হোসাইনের ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। হামলার শিকার সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন এজাহারে উল্লেখ করেছেন- তিনি মঙ্গলবার দুপুরে মসলা কিনতে বক্সিরহাটের দয়াল পাশারি ভান্ডারে যান। এ সময় আরেক ক্রেতা সেখানে মসলা কিনতে আসেন। দোকানের মালিক মসলার অতিরিক্ত মূল্য দাবি করলে ওই ক্রেতাসহ তিনিও প্রতিবাদ করেন। এ সময় দোকানের মালিক স্বপন কুমার সাহাসহ অন্যরা তাকে গালিগালাজ করে মারধর করেন।
চট্টগ্রামে ত্রাণের বদলে মাইর দিছে চেয়ারম্যানে
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বহু অনিয়মের কারিগর বিতর্কিত চেয়ারম্যান এবার কর্মহীন অসহায় মানুষদের ত্রাণের চাল দিবে বলে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে এনে মাইর দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলা ৩নং মির্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ত্রাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে মেম্বারেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। এনিয়ে মানবজমিন, কালেরকন্ঠ, পূর্বদেশ, জয়নিউজসহ বিভিন্ন পত্রিকায় চেয়ারম্যান এর অনিয়মের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয়। শুরু হয় ওই এলাকায় সমালোচনার ঝড়।খবর মানবজমিন। ৬ই এপ্রিল (সোমবার) দুপুরে ওই অনিয়মের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের একটি তদন্ত টিম মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে যায়। তদন্ত টিমের সামনে লোক দেখানো জন্য বিতর্কিত চেয়ারম্যান আবছার কর্মহীন মানুষদের গাদাগাদি ভাবে জমায়েত করে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালায়। পরিষদ থেকে তদন্ত টিম চলে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান ও তাঁর ছোট ভাই মিজানুর রহমান টিপু ওই অসহায় মানুষ গুলোকে মেরে তাড়িয়ে দেয়। মাইর খেয়ে অসহায় মানুষ গুলো উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে অভিযোগ নিয়ে ভিড় জমায়। ইউএনও ওই ২৬জন অসহায় মানুষ গুলোকে ত্রাণ /ভালোবাসার তলে দিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেন।
চট্টগ্রামে রিকশাচালক ও গার্মেন্ট কর্মকর্তার মৃত্যু
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট সংকটে জীবিকার তাগিদে বের হওয়া এক রিকশাচালক হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান রাস্তায়। সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে নগরের চকবাজার থানাধীন অলি খাঁ মসজিদ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই রিকশাচালকের নাম-পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ। চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিয়াজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, অলি খাঁ মসজিদের সামনে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান ওই রিকশাচালক। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করছেন ওই চিকিৎসক।খবর মানবজমিন। একইভাবে চট্টগ্রাম নগরীর ঈদগাহ এলাকা থেকে বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সেলিম উদ্দীন নামে একজন গার্মেন্টস কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে টাইগারপাস মোড়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান খুলশী থানার এসআই মো. দেলোয়ার। মৃত সেলিম বায়েজিদ বোস্তামী থানার তারা গেইট এলাকার জিরাত ফ্যাশনের সহকারী ম্যানেজার (মার্চেন্ডাইজিং)। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার উত্তর মাদার্শা এলাকার মো. রহমত আলীর ছেলে। খুলশী থানার এসআই মো. দেলোয়ার বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি বাসা থেকে বায়েজিদের কর্মস্থলে যাওয়ার পথে টাইগারপাসের সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে গাড়ীর জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় হঠাৎ পড়ে যান সেলিম। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। পরে জানতে পেরেছি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সেলিম মারা গেছেন।
চট্টগ্রামে আইসোলেশনে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের মৃত্যু
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা সীতাকুণ্ড উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলিম উল্ল্যাহ মারা গেছেন। তিনি শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল রাতে আলিম উল্ল্যাহ (৬০) বুকে তীব্র ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। আজ ৪টার কিছু পরে তিনি মারা যান। ইতিমধ্যে তার নমুনা সংগ্রহ করে সীতাকুণ্ডের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, চট্টগ্রামের আনোয়ায়া উপজেলায় করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক যুবকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ওই যুবকের বাড়িসহ আশপাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা থানার ওসি। প্রসঙ্গত, দেশে এ পর্যন্ত ১২৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে তিনজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
আজ রাত ১০ টা থেকে ব্যক্তি ও যানবাহন চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রনের নির্দেশ সিএমপি
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে নগরবাসীর বৃহৎ স্বার্থে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে এখন থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় জরুরী সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রপ্তানী পণ্য পরিবহন কার্যে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন ব্যতিরেকে সকল ধরনের ব্যক্তি ও যানবাহন চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উপরোল্লিখিত দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, ছাড়া কোন ব্যক্তি বা পরিবহন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে বের হতে পারবে না এবং অন্য এলাকা থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।আজ রাত ১০ টা থেকে এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর সকল প্রবেশ পথে এবং মহানগরীর অভ্যন্তরে বিভিন্ন পয়েন্টে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। উল্লিখিত নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিজের টাকায় প্রতিবেশীদের ত্রাণ দিলেন ভিক্ষুক রেজাউল
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. রেজাউল হক (৪০) পেশায় একজন ভিক্ষুক। দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারানোর পর চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলে তার সংসার। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে থাকেন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হিলভিউ রংপুর কলোনীতে। চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের কারণে অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে বাসা থেকে আর বের হতে পারেননি রেজাউল। থেমে যায় রোজগার। যে কলোনীতে তিনি থাকেন সেখানকার সবাই পেশায় হয়ত রিকশাচালক, নয়ত দিনমজুর। সব বন্ধ থাকায় তাদেরও উপার্জন বন্ধ। এদিকে, তারা পাননি কোন ত্রান কিংবা সাহায্য। ফলে অনাহারে, অর্ধাহারে জীবন কাটছে তাদের। প্রতিবেশীর এ কষ্ট সহ্য হয়নি রেজাউলের। গত কয়েক মাসে ভিক্ষা করে জমিয়েছিলেন ১২ হাজার টাকা। সিদ্ধান্ত নিলেন সে টাকা দিয়েই প্রতিবেশিদের করবেন সাহায্য। অন্য কারো ত্রানের আশায় বসে না থেকে নিজের এ জমানো টাকা দিয়েই ৬০ জন প্রতিবেশিকে দিলেন চাল, আলু আর সাবান। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) রংপুর কলোনীর সামনে ৬০ জনের কাছে রেজাউল নিজ হাতে তুলে দেন এসব ত্রান। ত্রানের মধ্যে ছিল ৪ কেজি চাল, ১ কেজি আলু ও একটি সাবান। ত্রান পেয়ে খুশি পুরো কলোনীর মানুষ। একজন ভিক্ষুক হয়ে প্রতিবেশীদের ত্রাণ বিতরণে এলাকায়ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, রেজাউলের গ্রামের বাড়ি রংপুরের লালমনিরহাট জেলায়। ৯ বছর আগে চট্টগ্রামে এসেছিলেন ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে। তবে কোন কাজ না জোটায় ভিক্ষা করেই চালাচ্ছেন নিজের পরিবার। তবে অর্থের দিক দিয়ে দরিদ্র হলেও রেজাউলের মনটা যে অনেক বড় তা প্রমাণ করলেন দুঃসময়ে প্রতিবেশীদের পাশে থেকে। জানতে চাইলে রেজাউল বলেন, আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। আমার প্রতিবেশীরাও দিন এনে দিন খায়। ভাইরাসের কারণে সবার উপার্জন বন্ধ। আমাদের এখানে কেউ কোন ত্রাণও দেয়নি। আমার হাতে কিছু জমানো টাকা ছিল। তাই ভাবলাম, প্রতিবেশীদের সাহায্য করি। আমি একা খাবো, আর প্রতিবেশীরা উপোস থাকবে বিষয়টা ভাবতে পারছিলাম না। আজকে তাদের আমি সাহায্য করলাম, হয়ত একদিন তারাও আমার বিপদে এগিয়ে আসবে। সবাই মিলে এ যুদ্ধে জয়ী হতে হবে। ত্রাণ পাওয়া রিকশাচালক মো. নাজির হোসাইন বলেন, রেজাউল আমাদের যে সাহায্য করল সেটা সারাজীবন মনে থাকবে। এ খাবারগুলো দিয়ে অন্তত এক সপ্তাহ আমাদের চলে যাবে। রেজাউলের মত বিত্তবানরা যদি আমাদের কথা একটু ভাবত তাহলে আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হত না। হয়ত রেজাউলের সামর্থ্য কম, ত্রাণের পরিমাণও বেশি নয়। কিন্তু একজন ভিক্ষুক হয়ে যে মহানুভবতা তিনি দেখালেন তা অবশ্যই বিরল। এ কঠিন সময়ে সরকারের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবানরা যদি তাদের দরিদ্র প্রতিবেশীদের একটু খোঁজ নিতেন তাহলে ক্ষুধার জ্বালা নিয়ে কাউকে হয়ত রাত কাটাতে হত না।বিজনেস বাংলাদেশ ডটকম।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর