চসিকের প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় খোরশেদ আলম সুজনকে সাবেক ছাত্রনেতা তসলিম উদ্দিন রানার অভিনন্দন
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় অভিনন্দন জানান সাবেক ছাত্রনেতা তসলিম উদ্দিন রানা - তৃণমুল থেকে উঠে আসা হাজার হাজার নেতা বানানোর কারিগর, দুঃসময়ের কান্ডারী,ছাত্র রাজনীতির আইকন,আদর্শিক ও চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন ভাইকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ দান করায় বীর চট্রলার জনগণের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপকমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বীর চট্রলার জন্য একজন আদর্শিক, ত্যাগী ও রাজনৈতিক নেতাকে নির্বাচিত করে রাজনীতির মানুষকে মুল্যায়ন করেছে।আগামী দিনে সুজন ভাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক হিসাবে সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।
২৪৩৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: উন্নয়ন অনুদান এবং কর আদায়কে অন্যতম খাত হিসেবে টার্গেট করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য দুই হাজার ৪৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম ক্লাব হল রুমে চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের এই বাজেট ঘোষণা করেন। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন একটি মেগাসিটি, স্মার্ট সিটি, পরিবেশ বান্ধব শহর নগরবাসীর প্রত্যাশা।সাধ থাকলেও সামর্থ্য সীমিত।আমি আমার সীমিত সামর্থের মধ্যে শতভাগ উজাড় করে দিয়ে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছি। কিন্তু চসিকের যতটুকু সদিচ্ছা আছে ততটুকু আর্থিক সক্ষমতা নেই। তাই আর্থিক সক্ষমতা ছাড়া নগরবাসীর শতভাগ প্রত্যাশা পূরণ করা যায় না। আর্থিক সক্ষমতা না থাকাতে পৌরকরের ওপর নির্ভর করে সব কর্মকান্ড পরিচালনা করতে হয়। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হলে সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এটা করতে হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যে সুযোগ আছে সেটা গ্রহণের বিকল্প নেই। সে কারণেই আইনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে পৌরকর পুনর্মূল্যায়ন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এটা করতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছি। এতে চট্টগ্রামই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি আমি সফল হতাম, তাহলে বর্তমানে যে রাজস্ব আদায় হচ্ছে তা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি হয়ে যেত- ফলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা সহজ হতো। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন অনুদান খাতে সবোর্চ্চ আয় দেখানো হয়েছে। এই খাতে ১ হাজার ৬২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার আয় দেখানো হয়েছে। দ্ধিতীয় সর্বোচ্চ হিসেবে দেখানো হয়েছে বকেয়া কর ও অভিকর খাত। ২০২০-২১ অর্থ বছরে এই খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১৯৯ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। হালকর ও অভিকর খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১৪৯ কোটি ২৩ লাখ ২ হাজার টাকা। তাছাড়া ফিস আদায় বাবদ ১ ২২ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা,জরিমানা আদায় বাবদ ৫০ লাখ টাকা, সম্পদ হতে অর্জিত ভাড়া ও আয় বাবদ ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ব্যাংক স্থিতি থেকে আয়বাবদ ৫ কোটি টাকা ও ভর্তুকি সহ নিজস্ব উৎস থেকে আয় বাবদ৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আয়ের টার্গেট নির্ধারন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটে উন্নয়ন খাতে ৯৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বকেয়া দেনা বাবদ ৭৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে চসিক। তবে চসিকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও পারিশ্রমিক প্রদান বাবদ ব্যয় হবে বছরে ২৯০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন ব্যয় ৫৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ভাড়া কর অভিকর বাবদ ৬ কোটি ৯৫ লাখ, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও পানি ব্যয় বাবদ ৪৬ কোটি ৫০ লাখ, কল্যাণমূলক ব্যয় ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ, ডাক তার দূরালাপনী বাবদ ১ কোটি ৭১ লাখ,আতিথেয়তা ও উৎসব বাবদ ৬ কোটি ৫ লাখ,বিমা বাবদ ৫৫ লাখ, ভ্রমণ ও যাতায়াত ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৭৫ লাখ,বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা ব্যয় বাবদ ৫ কোটি ৮৫ লাখসহ মুদ্রন,মনিহারী,ফিসবৃত্তি ও পেশাগত ব্যয়,প্রশিক্ষণ, ভান্ডার ও বিবিধ খাতের ব্যয় মিলিয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। শুধুমাত্র বেতনভাতা,পারিশ্রমিকসহ চসিকের বার্ষিক পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষন খাতে ব্যয় হবে ৫৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের প্রায় ২২.৮৭ শতাংশ। পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষন ছাড়া বাকি ১৮৭৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা উন্নয়ন, বকেয়া দেনা, ত্রাণ ক্রয় ও অন্যান্য খাতে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।
চসিক প্রশাসক হলেন খোরশেদ আলম সুজন
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। চসিকের নির্বাচিত মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে এই দায়িত্ব পেলেন তিনি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তাজুল ইসলাম বলেন, আগামীকাল ৫ আগস্ট চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ শেষ হবে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি বলেন, প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে বেশ কয়েকজনের নাম প্রস্তাব করা হলে চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. খোরশেদ আলমকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল তাকে যোগদান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কবে নাগাদ নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কবে নির্বাচন আয়োজন করা হবে সেটি নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। খোরশেদ আলম সুজন ছাত্রজীবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চবি থেকে সমাজতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি সায়েন্সে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ১৯৮৬ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। প্রায় ৫০ বছরের বর্ণিল রাজনীতিক ক্যারিয়ারে অনেকবার সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন লাভের সুযোগ এলেও তা বারবারই হাতছাড়া হয়েছে তার। কিন্তু রাজনীতির মাঠে সজ্জন পরিচ্ছন্ন পোড় খাওয়া এই নেতা জীবনের শেষবেলায় এসে তার প্রাপ্য মূল্যায়ন পেলেন। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট আ জ ম নাছির উদ্দীন মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী পর্ষদের মেয়াদ পাঁচ বছর। এই হিসাবে বর্তমান পর্ষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামীকাল (৫ আগস্ট)। নিয়মানুযায়ী মেয়াদপূর্তির ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সে হিসাবে ২৯ মার্চ ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন তফসিলও ঘোষণা করেছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ভোটের এক সপ্তাহ আগে ২১ মার্চ নির্বাচন স্থগিত করেন ইসি। স্থগিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি দলটির নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তার বদলে নৌকার মনোনয়ন পান নগর কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী। অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান দলটির নগর কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন।
চট্টগ্রামে করোনায় নতুন শনাক্ত ৯ জন
০৩আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের দুটি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এই দিনও কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি চট্টগ্রামে। রোববার (২ আগস্ট) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইদিন ১০৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জন এবং চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জন শনাক্ত হয়। এইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাব, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাব, বেসরকারি শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবেও পরীক্ষা বন্ধ ছিল। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় মাত্র ৯ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১০৭টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৬ জন এবং উপজেলায় ৩জন। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৮ জন।
যোগ্য ব্যাক্তির মূল্যায়ন চাই
০১আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের দেশে যোগ্য ব্যক্তিরা খুব কমই মূল্যায়িত হন। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি অনেক যোগ্য ব্যাক্তি মারা যাবার পরে তাকে রাষ্ট্র কতৃক মূল্যায়ন করেছেন। যোগ্য ব্যাক্তিদের মূল্যায়ন না করলে যে যোগ্যরা হারিয়ে গিয়ে অযোগ্য ব্যাক্তিরা বাহবা পাবেন সেটা অন্তত সাধারণ জনগন চান না। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের দু দুবারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর কথায় এতক্ষণ বলছিলেন কাট্টলীর ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও আকবরশাহ থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লোকমান আলী। তিনি বলেন, ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুকে কাউন্সিলর হিসেবে পেয়ে আমরা কাট্টলী বাসী অনেক আনন্দিত। যোগ্যতায় শিক্ষায় সহ সর্বধিক দিয়ে নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু চসিকের কাউন্সিলরদের মধ্যে অন্যতম। বিগত দুই বারের মেয়াদকালে তিনি উক্ত ওয়ার্ডে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন, সেই পরিমান উন্নয়ন চসিকের অন্য ওয়ার্ডে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তিনি এই করোনা মহামারীতে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে এলাকা বাসির সেবায় রাত দিন অকাতরে কাজ করে গেছেন। এলাকার যে কোনো কাজে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এবং অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিতেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতেন। বর্তমানে চসিকের (২০২০) নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে মূল্যায়িত করে পুনরায় উক্ত ওয়াডের দলীয় কাউন্সিল হিসেবে মনোনয়ন ও সমথর্ন দিয়েছেন। মহামারীর কারনে চসিকের নির্বাচন (২০২০) স্থগিত হওয়ায় আইনি বাধ্যবাধকতায় চসিকের প্রশাসক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে প্রশাসক পরিষদের সদস্য হওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ড থেকে নাম সবস্য বেশ কয়েকজন ব্যক্তি জোর লবিং করছে বলে জানতে পারি। তাই ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর সুখে দুঃখের সাথী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ যোগ্য কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর সটিক মূল্যায়ন হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য যোগ্য লোকের সটিক মূল্যায়ন চাই। জানাগেছে, ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে মেগা সিটিতে রুপান্তর করার জন্য মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পরামর্শ মতে কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছেন এবং করোনা মহামারীর শুরু থেকে সর্ব্বখনিক এলাকার জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং জোনভিত্তক লকডাউনের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথম লকডাউন এলাকা ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে মেধা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে লকডাউন সফল করেছেন তিনি। কাট্টলী বাসির দাবি তাকেই যেনো সিটি প্রশাসকের পরিষদ সম্মানের সহিত মূল্যায়িত করেন। উল্লেখ্য, চসিকের বর্তমান পর্ষদের নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল। এতে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। ৬ মে শপথ নেন তিনি। তবে আইনি বাধ্যকতার কারণে সাথে সাথে দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। ওই বছরের ২৬ জুলাই দায়িত্ব নেন। ৬ আগস্ট প্রথম সাধারণ সভা করেন। ওই হিসেবে আগামী ৫ আগস্ট মেয়াদ শেষ হবে। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অ্যাক্ট-২০০৯ এর ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববতী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। ওই হিসেবে আগামী ৫ আগস্টের পূর্বে নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। গত ২৯ মার্চ এ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২১ মার্চ নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছিল ইসি। সর্বশেষ ১৬ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ৫ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিল ইসি। এদিকে মেয়াদ শেষ হলে সিটি কর্পোরেশন পরিচালনায় প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অ্যাক্ট সংশোধিত-২০১১ এ বলা আছে, একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেয়া যাবে। অবশ্য স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন)-২০০৯ অ্যাক্টের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন পরবর্তী নতুন পরিষদের প্রথম সাধারণ সভা পর্যন্ত বর্তমান পর্ষদের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ আছে।
পটিয়াবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী
৩১জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আধুনিক পটিয়ার উন্নয়নের স্থপতি ও রূপকার, জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহা উপলক্ষে, পটিয়াবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনার মধ্যে ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। এবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বন্যা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে এসব দুর্যোগ কাটিয়ে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ঈদুল আজহার দিন তিনি তাঁর গ্রামের বাড়ি পটিয়া হাউসে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এলাকাবাসীর সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন এবং যারা অসুস্থ হয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, আল্লাহর কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি, পটিয়ায় করোনাকে আমরা দেশের অন্যান্য এলাকার চাইতে এলাকাবাসীর সচেতনতার কারণে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। ঈদুল আজহার দিনগুলোতেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে কুরবানীর পশু ক্রয় ও জবাই করার পর পশুর বর্জ্য মাটিতে পুঁতে ফেলার এবং জবাইকৃত স্থানে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিস্কার করার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ যাতে বিষাদে পরিণত না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২ মাসে অর্ধকোটি টাকার উন্নয়ন করা হয়েছে। এখন উপজেলা পর্যায়ে এটি একটি আধুনিক হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। পটিয়াবাসীকে এখন আর সাধারণ রোগ বা অক্সিজেনের প্রয়োজনে শহরে দৌড়তে হবেনা। হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, পটিয়ার গ্রামীন রাস্তাঘাটের সংস্কার ও আরসিসি ঢালাই রাস্তা নির্মান,পটিয়ার সাথে বোয়ালখালী,আনোয়ার, রাঙ্গুনিয়, বান্দরবানের কানেক্টিভিটি রাস্তার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে , পটিয়ায় একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, হর্টিকালচার সেন্টার, ইপিজেড, শেখ রাসেল স্টেডিয়াম, মডেল মসজিদ, গভীর নলকূপ, ইলেকট্রনিক সার্কুলার বাস সার্ভিস চালুসহ নানামূখী উন্নয়ন কাজ চলছে। এসব কাজ শেষ হলে পটিয়া একটি আধুনিক শহরে পরিণত হবে। তিনি বলেন বিগত ১১ বছর এমপি হওয়ার সুবাদে অনেক দেশেই যেতে হয়েছে এবং তাদের উন্নয়ন চিত্র নিজ চোখে দেখে এসেছি। এসব অভিজ্ঞতার আলোকে এখন আমি পটিয়াকে সাজাতে চাই। ৫ লক্ষ জনসংখ্যা অধ্যুষিত পটিয়ার ১৭টি ইউনিয়নে ১২৪টি গ্রামে যত উন্নয়ন হয়েছে গত ১১ বছর, বিগত সরকারগুলোর সময়ে তা হয়নি। ঐসময় পটিয়া ছিল অবহেলিত। গ্রাম হবে শহর- এই মূলমন্ত্রে শেখ হাসিনার সরকার গ্রামের উন্নয়নে জোর দিয়েছে। আর সে লক্ষ্যেই পটিয়ার প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়েছি। পটিয়া এখন শতভাগ বিদ্যুতের আওতায়। লোডশেডিংও নেই। সন্ধ্যা নামলেই গ্রামে যে নিস্তব্ধতা নেমে আসতো এখন তা নেই। গ্রামের রাস্তায় এখন রাতে শহরের মত বাতি জ্বলে। গ্রামে বিদ্যুত থাকার কারণে ছোট ছোট ফার্ম,কারখানা ও দোকান পাট গড়ে উঠছে। পটিয়ার ছেলেদের কর্মসংস্থান হয়েছে। বেকারত্ব নেই বললেই চলে। তিনি বলেন, পটিয়ায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মডেল মসজিদ, শেখ রাসেল স্টেডিয়াম, হাইদগাঁও এলাকায় হর্টিকালচার সেন্টার এবং চা বাগান এলাকায় কৃষি নির্ভর অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠার মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীনের পথে। আশা করছি ২ বছরের মধ্যেই এসব শেষ করতে পারলে পটিয়া হবে শহরের পাশে উপশহর। কর্ণফুলী টানেলের সাথে পটিয়ার সংযোগ সড়ক হয়েছে। এটিকে আরো কীভাবে সম্প্রসারণ করে পটিয়ার সাথে কানেকটিভি বাড়ানো যায় সে পরিকল্পনাও রয়েছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম শহর ও কক্সবাজারের সাথে রেল কানেকটিভিটির সাথে আমরা পটিয়াকে যুক্ত করেছি। পটিয়া পৌরসভাকে চীনের অাদলে একটি মডেল ও দৃষ্টিনন্দন পৌরশহর গড়ে তোলা হবে। আমজুর হাট থেকে পৌরসভার শেষ প্রান্ত শ্রীমাই পর্যন্ত চার লেইন রাস্তার কাজও চলমান রয়েছে। পৌরসভার ড্রেনের উপর দিয়ে ফুটপাত দিয়ে লোকজন হাঁটছে। প্রতি ১০ মিনিট পর পর যাতায়াত করবে এমন আভ্যন্তরীন গাড়ীর উদ্যোগ নেয়া হবে। মাত্র ৫ টাকায় লোকেরা যাতে শহরের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে পারে সে জন্য বিশেষ ধরণের এ গাড়ির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন চীনে এ ধরণের গাড়ি চলতে আমি দেখেছি। তিনি বলেন, আমি পটিয়ার, পটিয়া আমার এটি একসময় শ্লোগান মনে হলেও এখন এটি বাস্তবতা। পটিয়াকে আমি যেমন ভালবাসি তেমনি পটিয়ার মানুষও আমাকে ভালবেসে পরপর ৩ বার হ্যাট্টিক বিজয়ী করেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তিনি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।- - পটিয়া নিউজ
শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস
৩১জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে এবার শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। প্রশাসনিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯-২০২০ সালের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তিনি ২০১৮ সালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, প্রযুক্তি, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্নয়ন করেন। সর্বশেষ করোনা সংক্রমণ রোধ ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন দক্ষ ভূমিকা রেখেছে। করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে নিতে লকডাউন কার্যকর, সামাজি দূরত্ব, স্বাস্থবিধি মানা, ত্রাণ বিতরণ ও ঘুণিঝড়ে মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় সেন্টারে আনাসহ বিভিন্ন কাজের জন্য তার ভূমিকা প্রশংসা পেয়েছে। এর আগে কাজের তাঁর ঝুলিতে জমা পড়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসকসহ অনেক পুরস্কার। সর্বশেষ কর্ম দক্ষতা ও সঠিক পরিকল্পনাও সততার জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন। এছাড়া বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় কর্মকর্তা খন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত ও কর্মচারী নেপাল কান্তি দাশ এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আগামী ১০ আগস্ট এ পুরস্কার প্রদান করা হবে বলে ২৬ জুলাই চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) ও সদস্য সচিব নৈতিকতা কমিটি বিভাগীয় কার্যালয় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।- সূত্র: চট্টগ্রাম প্রতিদিন
আওয়ামীলীগ নেত্রী নূর মেহের বেগমের ইন্তেকাল
৩০জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শ্রমমন্ত্রী, মহানগর আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এম এ মান্নানের সহধর্মিণী নূর মেহের বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোররাত ৩টার দিকে নগরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷ জানা গেছে, সাবেক মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী নূর মেহের বেগমের নামাজে জানাজা আজ বাদে আসর জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরে বাগমনিরামস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। নূর মেহের মান্নান মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আবদুল লতিফ টিপু ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলম দিদারের মাতা।
বিকেল ৫টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত চসিক
২৯জুলাই,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালে সর্বোচ্চ সতর্কতায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। বিকেল ৫টার মধ্যে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য করপোরেশন প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক, ৩৫০টি গাড়ি, পশু জবাইকৃত স্থানে ২০ টন ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর ব্যবস্থা করেছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রস্তুতি সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। চসিক বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য নুরুল হকের সভাপতিত্বে সভায় চসিক কাউন্সিলর মোবারক আলী, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম বিশেষ অতিথি ছিলেন। বর্জ্য অপসারণে সংশ্লিষ্টরা মতামত, লোকবল ও গাড়ির চাহিদা ও পরিকল্পনার কথা সভায় তুলে ধরেন। ৪১টি ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা বর্জ্য অপসারণে তাদের কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ওয়াকিটকি, গাড়ি, টমটম গাড়ি ইত্যাদির চাহিদার কথা উল্লেখ করে তা সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। চসিক এবার ৪টি জোনে ভাগ করে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করবে। ৪টি জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর মোবারক আলী (১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড), কাউন্সিলর মো. আবদুল কাদের (২৩, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১), কাউন্সিলর নুরুল হক (১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫) ও কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী (৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬)। করপোরেশনের পক্ষ থেকে এবার বর্জ্য অপসারণে কোনো ওয়ার্ডে যত ট্রিপ গাড়ি দেওয়া প্রয়োজন তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে সভায়। এ জন্য দামপাড়ার চসিক কার্যালয়ে ১টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলাসহ চসিকের প্রকৌশল বিভাগের যান্ত্রিক শাখা ও পরিবহন পুল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণে নগরবাসী, সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর, করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন, প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। বিশেষ করে এবার করোনাকালে সর্বোচ্চ সর্তকতার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন। তিনি এবারও বর্জ্য অপসারণে চসিকের সাফল্য ধরে রাখতে পারলে পরিচ্ছন্ন বিভাগের দায়িত্বরত শ্রমিক-সেবকদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান। সভায় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ সফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজার ও দলনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর