সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
চট্টগ্রামে আরো ৫৪জনের করোনা শনাক্ত
১৮মে,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে সোমবার ২২২টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৪ জনের। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ফজলে রাব্বি এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার(১৮ মে) চট্টগ্রাম বিআইটিআইডি তে ১২৪ টি নমুনা পরীক্ষায় ২৭ টি পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর ২১টি আর হাটহাজারীর ১টি, পটিয়ার ১টি, চন্দনাইশের ১টি, মিরসরাইর ১টি,বাঁশখালীর ১টি, সীতাকুণ্ডের ১ টি। নগরীর ২১টির মধ্যে আলফালাহ গলির ১জন,দামপাড়ার ৩ জন, মিস্ত্রি পাড়ার ২জন, হালিশহর পুলিশ লাইনের ১জন, বন্দরটিলার ১জন, ইন্ডাস্টিয়াল পুলিশের ১জন, পাহাড়তলীর ১জন, সাংবাদিক ৩জন, আকবরশাহ এলাকার ২জন, টেক্সটাইল এলাকার ২জন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটির (সিভাসু) ল্যাবে ৭৪ টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ২৪ টি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত ২৪জনের মধ্যে খাগড়াছড়ি ২ জন, চট্টগ্রামের ২২জন। চট্টগ্রামের ২২জনের মধ্যে পটিয়ার ৮জন, সীতাকুণ্ডের ৭, হাটহাজারীর ৬, বাঁশখালীর ১জন। এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চট্টগ্রাম জেলার ২৪ টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার ৫ টি পজিটিভ পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ
১৮মে,সোমবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কোভিড-১৯ কন্ট্রোল রুমের কর্মচারীদের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ ১৮ মে সোমবার বিকেল ৪টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আন্দরকিল্লা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার নাথ (উপ-পরিচালক)। বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ও কোভিড-১৯ এর ফোকাল পারসন ডা. মোঃ নুরুল হায়দার। উপস্থিত ছিলেন ৩৯তম বিসিএসর মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আনিস, ডা. মোঃ রফিক, ডা. ফাহিমা আক্তার, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী (প্রেষণে) মোঃ সাহিদুল ইসলাম, প্রধান সহকারী মোঃ আবু তৈয়ব ও পিএ টু সিভিল সার্জনের মোঃ মফিজুল ইসলাম প্রমূখ। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল-চিনিগুড়া চাউল, সেমাই, চিনি, নুডলস, সোয়াবিন তেল, ঘি ও নারিকেল। অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হলে প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে।সবসময় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে সাবধানতা অবলম্বনের মাধ্যমে চলাফেরা করলে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান তিনি।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় কন্ট্রোল রুম খুলেছে চসিক
১৮মে,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য ও সহযোগিতার প্রয়োজনে নগরবাসীদের সেবা দিতে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খুলেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। আজ সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নির্দেশে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। এছাড়া দূর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন ও দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে অবস্থানের জন্য উপকূলীয় এলাকায় চসিক পরিচালিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সর্বদা প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য ও সহযোগিতার প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য চসিকের পক্ষ থেকে নগরবাসীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। চসিকর কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্ব^রগুলো হলো- ০৩১-৬৩০৭৩৯, ০৩১-৬৩৩৬৪৯। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে উপকূলবাসীকে নিরাপদে সরিয়ে আনতে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। উপকূলীয় এবং পাহাড়ের তলদেশে অবস্থানরত জনসাধারণের মাঝে সচেতনতার জন্য মাইকিং কার্যক্রমসহ দূর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য শুকনো খাবার, পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং চিকিৎসা সেবাদানের জন্য মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত ওষুধ প্রস্তুত রেখেছে চসিক। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান এর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও কন্ট্রোল রুমের তদারকি করছেন।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের পরিবারের ৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত
১৮মে,সোমবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের পরিবারের ৬ সদস্যের শরীরে করোনা সনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত হয়েছেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের বড় ভাই, ছোট ভাই , এক নারীসহ পরিবারের মোট ৬ সদস্য। রোববার (১৭ মে) রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ফলাফলে দেখা যায়, ১৩০টি নমূনার মধ্যে ৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়।এর মধ্যে পাঁচলাইশস্থ সুগন্ধা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ৬ বাসিন্দার রয়েছে। তারা সবাই এস আলম গ্রুপের পরিবারের সদস্য। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ল্যাবে সর্বমোট ১৩০ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তারমধ্যে সর্বমোট ৩৪ জনের ফলাফল পজেটিভ আসে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীর ৩১ জন ও উপজেলার ২ জন রয়েছে। নগরের ৩১ জনের মধ্যে দুজন রোগীর রিটেস্ট করা হয়েছে। নগরের এই ৩১ জনের মধ্যে সুগন্ধা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ৬ বাসিন্দার করোনা রিপোর্টও পজেটভ আসে। তারা প্রত্যেকেই এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদের নিকটাত্মীয়। করোনা আক্রান্তরা হলেন, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পাঁচ ভাই যথাক্রমে এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ (লাবু), একই গ্রুপের মালিকানাধীন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদুল আলম। এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম। ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম। এস আলম গ্রুপের পরিচালক ওসমান গণি এবং ফারজানা পারভীন নামে পরিবারের এক নারী সদস্য । এর আগে গত শনিবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মোস্তফা গ্রুপের চেয়ারম্যান হেফাজতুর রহমান। তারা ওই বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাদের ভবনটি লকডাউন করে দিয়েছে।
ফারাজ করিম চৌধুরীর উদ্যোগে ৬৫ হাজার পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা
৮মে,সোমবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের চলমান করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের রাউজানসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার গরীব-অসহায় দুস্থ ৬৫ হাজার পরিবারকে দেয়া হয়েছে খাদ্য সহায়তা। এই প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন ঘরবন্দি অসহায় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। একই সাথে করোনা সংক্রমণ রোধে ডাক্তারসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীলদের দেয়া হয়েছে মাস্ক, পিপিই, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। রমজান মাসসহ করোনায় মাসব্যাপী নিয়মিত দেয়া হচ্ছে টেলিমেডিসিন ও সেহেরির খাবারও। এসব সেহেরির খাবার রাউজান ছাড়াও নগরীর করোনায় আক্রান্ত সেবা হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন রাতেই সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের এই মুহূর্তে ঘরে বসে না থেকেই অসহায় মানুষদের পাশে থেকে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক ফারাজ করিম চৌধুরী। রাউজান পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, তহবিল গঠন করে ৬৫ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা, ভ্যানগাড়ি করে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে মাছ ও শাকসবজি সরবরাহ করা, ১০০ জন ডাক্তার নিয়ে টেলিফোনে চিকিৎসা সেবা দেয়াসহ নানাবিধ প্রশংসনীয় উদ্যোগ। রমজানের শুরুতেই করোনার ফ্রন্টলাইনের যোদ্ধা চট্টগ্রামের ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ ২ হাজার মানুষের জন্য প্রতিদিন সেহেরীর খাবার সরবরাহ কার্যক্রমটি ছিল অনেকটা চ্যালেঞ্জিং। তারপরেও দেশের এই ক্রান্তিকালে এমন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। রাউজান উপজেলা আলীগের নির্বাহী সদস্য ও সংগঠক সুমন দে বলেন, এমন সাহসী ও মানবিক উদ্যোগ নেওয়া ফারাজ করিম চৌধুরীকে চট্টগ্রামের মানুষ বহুদিন মনে রাখবে। তরুণ রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরী নিউজ একাত্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সরকারিভাবে অসহায়, কর্মহীন দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। আমিও উদ্যোগ নিয়ে তহবিল গঠন করে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। চেষ্টা করেছি সঙ্কটময় সময়ে কোন না কোনভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনার শুরু থেকেই নিজের জীবন ও আত্মীয় স্বজনের মায়া কাটিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন ফারাজ করিম চৌধুরী। রাউজানবাসীর মধ্যে তিনি করোনা জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচারপত্র বিতরণ করাসহ হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা চালিয়েছেন। এ ছাড়াও নিজে উপস্থিত থেকে জীবাণুনাশক ও ব্লিচিং পাউডার মেশানো পানি দিয়ে রাউজানের প্রধান সড়ক এবং ওয়ার্ডগুলোর মূল সড়ক অলিগলি ধুয়ে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগও নেয়া হয়। করোনা সংকটে রাউজানে ঘুরে ঘুরে কর্মহীন, শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের সমস্যা ও দুর্দশা চিহ্নিত করছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজান এর হেল্প ডেস্ক টিমের মাধ্যমে। তালিকা ধরে পরে তাদের খাদ্য সমস্যা সমাধানের কাজ করে যাচ্ছেন রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর ছেলে ফারাজ করিম চৌধুরী।
সন্ধ্যা ৬টার পর চট্টগ্রাম নগরে আসা-যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা
১৮মে,সোমবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রবিবার সন্ধ্যা ৬টার পর চট্টগ্রাম নগরে ব্যক্তি ও যানবাহনের ঢোকা ও বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। তবে জরুরি সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রফতানি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন অনুমতি নিয়ে নগরে প্রবেশ কিংবা বের হতে পারবে। বরিবার বিকালে সিএমপি কমিশনার মাহাবুবর রহমান এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছেন। তা বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম নগরের সব প্রবেশপথ ও বিভিন্ন পয়েন্টে ইতোমধ্যে সিএমপির পক্ষ থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে বলে জানা গেছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (জনসংযোগ) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চট্টগ্রাম নগর এলাকায় জরুরি সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রফতানি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন ব্যতিরেকে সবার চলাচল ও প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নগরের সব প্রবেশপথ ও বিভিন্ন পয়েন্টে সিএমপির পক্ষ থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
কর্ণফুলী যুবলীগ ত্রাণ দিলো ৯০০ পরিবারকে
১১মে,সোমবার,রাজিব দাশ, চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব করোনা মোকাবেলায় দলের সকল নেতা কর্মীকে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াঁতে হবে। এখন কোন বিভেদ নই, সবাই মিলে করোনার দূর্যোগকে রুখতে হবে। আজ কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রাণ বিতরণে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রনি উপরোক্ত কথা বলেন। চরলক্ষ্যা এইচটি কমিনিউটি সেন্টারের থেকে উপজেলা ৪৫টি ওয়ার্ডে অসহায় ৯০০পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।। এ সময় উপস্হিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সোলায়মান তালুকদার। সাধারণ সম্পাদক সেলিম হক।সহ সভাপতি জিএম আনু মিয়া, মোঃশহীদুল্লাহ,মোহাম্মদ সেলিম সাবেক ছাত্র নেতা আইয়ুব আলী, আলমগীর কবির,যুগ্ম সম্পদক হাসান মুরাদ সাগর,হারুন উর রশীদ পাটোয়ারী,সাংগঠনিক সম্পাদক, শহীদুল্লাহ শহীদ,মোঃ ইকবাল, আলমগীর বাদশা, দপ্তর সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রিটন। ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহামদ ফারুক,মোহাম্মদ শহীদ,মোহামদ ইদ্রিস,এম এর রহিম, জাহাংগীর আলম জয়, মোহামদ মুছা,মনির আহমদ।ফখরুল ইসলাম খান জিকু, শাহরিয়ার মাসুদ,আনোয়ার হোসেন,সেকান্দর হোসেন বাদশা সোলায়মান, সেচ্ছাসেবক নেতা এম এ করিম,আবদুল্লা আল মামুন, যুবলীগের নেতা লোকমান হাকিম, আবদুল হালিম, ওমর ফারুক বিজয়জাবেদ উদ্দিন চৌধুরী, ইসমাইল, মুজিবুল হক সুমন,পেয়ার আহমদ পেয়ারু, চট্টগ্রাম দক্ষিনজেলা ছাত্র লীগ নেতা নুর মোহামদ নাঈ ম।দেলোয়ার হোসেন জনি,কর্ণফুলি উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক সাজ্জাদ সাজিদ, আবদুল্লা আল নোমান, মোহাম্দ শুভ, নুরুল হক, সালাউদ্দিন সাদ্দাম, মোহাম্মাদ ইউসুফ।মোহাম্মদ নাঈম।। ভূমিমন্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপির নির্দেশ ও পরমর্শা ক্রমে এ ত্রাণ কার্তক্রম পরিচালনা করা হয়।।।
চসিক মেমন হাসপাতালে অটো সেনিটাইজার স্থাপন করেছেন সিটি মেয়র
১১মে,সোমবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সদরঘাটস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেমন মাতৃসদন হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে অটো সেনিটাইজার। আজ সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই অটো সেনিটাইজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এসময় মেমন হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা.প্রীতি বড়ুয়া, ইনচার্জ ডা. আশিষ মুখার্জি, ডা. বাবলি মল্লিক, ডা. সৈয়দ দিদারুল আলম রুবেল, ডা. শাহীন পারভীন, ডা. রোকসানা পারভিন, ডা. রাহেলা হোসেন, ডা. রাশেদুল ইসলাম, ডা. পঙ্কজ দেবনাথ ও ডা. নাসরিন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় সিটি মেয়র বলেন, করোনা মোকাবেলায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতালকে আমরা প্রথম থেকেই প্রস্তুত রেখেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রাথমিক সেবাটুকু নিশ্চিত করা। তিনি হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান হয়ে রোগীসেবায় মনোনিবেশ করতে দিক নির্দেশনা দেন। একজন রোগীও যাতে সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সজাগ থাকার জন্য মেয়র নির্দেশনা দেন। পরে মেয়র হাসপাতালে কর্মরত চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের মাঝে ভোগ্যপন্য উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।
কোতোয়ালি থানার ব্যতিক্রমী ভ্রাম্যমাণ ইফতার পার্টি!
১১মে,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নগরীর কোতোয়ালি থানা। এখন সিএমপির অন্য থানাগুলোর রোল মডেল বলা যায়। বাঘে ছুঁলে আঠেরো ঘা, আর পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ ঘা! পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ভ্রান্ত ধারণাকে বদলে দিচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি থানার অনন্য পুলিশিং সেবা । ওসি মোহাম্মদ মহসীন যোগ দেয়ার পর থেকে এই থানাকে গড়ে তুলেছেন একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে। নিয়িমিত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন নগরবাসীকে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে পুলিশি সেবা। নানা মানবিক সেবা নিয়ে পৌঁছে গেছে মানুষের দোর গোঁড়ায় । নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ, হাসপাতালে রোগী পৌঁছে দেয়া, বাসায় বাজার পৌঁছে দেয়া, রাতে বাসায় তৈরি খাবার পৌঁছে দেয়া, অসহায় মানুষের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা, করোনা রোগীকে হোম কোয়ারান্টাইন পালনে উৎসাহ দিতে বাসায় ফল নিয়ে যাওয়া, নগরবাসীকে নিরাপদে ঘরে রাখতে, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ওসি মহসিনের নেতৃত্বে টিম কোতোয়ালী। সব কিছুতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ওসি মহসিন ও টিম কোতোয়ালী। মোট কথা পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ধারনাটাই বদলে দিয়েছে। আজ সিএমপির সকল থানা তথা বাংলাদেশের কম বেশি সকল থানা পুলিশ এক কাতারে এসে সামিল হয়েছে। সেবাই পুলিশের ধর্ম । পুলিশ জনগনের বন্ধু। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে পুলিশ তা করে দেখিয়েছে। মোট কথা জাতির ত্রাণ কর্তার ভুমিকা পালন করছে পুলিশ। জনগনের প্রকৃত বন্ধু আজ পুলিশ। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অনেক পুলিশ বাহিনীর বেশ কয়েকজন প্রাণ দিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজারের বেশী। তবুও করোনার ভয়কে জয় করে সিএমপি তথা পুরো পুলিশ বাহিনী মাঠে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে দেশে গত ২৬ মার্চ শুরু হয়েছে রোজা এ যেন অন্য রকম রমজান। প্রতিবছর দেখা এমন দিনে দুপুর থেকেই ফুটপাতে ইফতারের পসরা সাজিয়ে শুরু হয় বেচা কেনা। এবার সেই চিরচেনা ইফতারের কোন আয়োজন নেই। করোনার কারনে এ বছর সরকারি নির্দেশনা মেনে ইফতারির বাজার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসছে। কোন অবস্থায় নির্দিষ্ট দোকান ছাড়া ফুটপাতে ইফতারির বাজার বসতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ফুটপাতগুলোতে নেই ইফতারের দোকান। ইতিমধ্যে বেশ কিছু লোক মারা গেছে আর সংক্রমনের সংখ্যা বেড়েই চলছে ক্রমাগত। এমন পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশবাসীকে ঘরে থাকার যে নির্দেশ সরকার দিয়েছে, এটাকে সফল করতে রমজানে ফুটপাতে বা দোকানে ইফতার সামগ্রী বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে কোথাও ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায়, ফুটপাতে বা দোকানে বসতে দেখা যায়নি কাউকে। ফলে অনেকটাই বেকাদায় পড়েছে কম আয়ের ছিন্নমুল অসহায় মানুষ গুলো যারা ফুটপাত থেকে ইফতার কিনে রোজা সাড়ে। কিন্তু ফুটপাতে দোকান না বসাতে ও কর্মহীন হয়ে পড়ার কারনে অসহায় মানুষ গুলোর রোজা রাখা ও ইফতার করাটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল । আর এই অসহায় মানুষ গুলোর কথা চিন্তা করে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন হাতে নিয়েছেন আরেকটি মানবিক কাজ। চালু করলেন ব্যতিক্রমি ভ্রাম্যমাণ ইফতার পার্টি। প্রতিদিন ইফতার নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই অসহায় মানুষ গুলোর পাশে। যা মানবিকতার এক অনন্য নজির। ছবিটি দেখে মনে হবে এটা কোন হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্ট এর চিত্র। বিপণনের জন্য খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে। না এটি কোতোয়ালী থানার রান্নাঘর! সিএমপির কোতোয়ালি থানায় প্রতিদিনই এভাবে তৈরি হচ্ছে ১০০ জনের জন্য ইফতার। আর সে ইফতার নিয়ে টিম কোতোয়ালী হাজির হচ্ছে অসহায়দের মাঝে। টিম কোতোয়ালীর নিজস্ব অর্থায়নে নিজেরাই প্রস্তুত করে ইফতার নগরীর রাস্তায় রাস্তায়, অলিতে গলিতে অসহায়দের মাঝে বিতরণ করছে। আর এই আয়োজনের নাম দিয়েছে 'ভ্রাম্যমাণ ইফতার পার্টি ।এটাকে ব্যতিক্রমী ইফতার পার্টি বলা চলে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, প্রতিবছরই আমরা কোতোয়ালী থানার উদ্ধেগে ইফতার পার্টি করে থাকি। এবারও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে তবে আয়োজনে এসেছে ভিন্নতা। অতিথি তালিকায় নেই কোন ভিএইপি, নেই কোন ব্যবসায়ী নেতা বা পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কেউ। এবার আমরা ইফতার পার্টি করছি পথে পথে, অলিতে গলিতে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে! নাম দিয়েছি ভ্রাম্যমান ইফতার পার্টি । পথই যাদের ঠিকানা মুলত তাদের জন্যই নিজেরা তৈরি করে ইফতার নিয়ে হাজির হচ্ছি অসহায় মানুষগুলোর পাশে।আমরাও তাদের সাথে ইফতার করছি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ ইফতারের গাড়ি নিয়ে রোজাদার অতিথিদের খুঁজে নিবে টিম কোতোয়ালি। পৌঁছে দিবে তাদের হাতে ইফতার সামগ্রী। পুরো রমজান মাস জুড়ে ধারাবাহিকভাবে চলবে এই আয়োজন। রোজার প্রথম দিন থেকে এই সব অতিথির মাঝে ইফতার বিতরন করা হচ্ছে। পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মানুষের জন্য কিছু করা এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাটাই আমাদের বড় পাওনা।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর