চট্টগ্রামে ২টি পিস্তলসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :নগরীর আকবরশাহ থানার একে খান মোড় থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে RAB।বুধবার দুপুরে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান RAB-৭ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পু্লশি সুপার মো. মাশকুর রহমান। RAB-৭ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমানের নেতৃত্বে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।তারা তিনজন হলেন- আবদুর রাজ্জাক (৪৮), মো. ইসহাক (৩২) ও মো. আবু তাহের (৪০)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একে খান মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে RAB সদস্যরা।
চট্টগ্রামের নজরকাড়া নিদর্শন চন্দনপুরা জামে মসজিদ
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৬ নং চকবাজার ওয়ার্ডের নবাব সিরাজ উদ-দৌলা সড়কের চন্দনপুরা অংশে অবস্থিত চন্দনপুরা জামে মসজিদ। বাংলায় মোঘল শাসনামলে এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য শিল্পের ভিত্তিপ্রস্তর করা হয়েছে বলে ধারনা করা হলেও মুলত বৃটিশ শাসনামলে ১৯৫২ সালে মোঘল স্থাপত্য ঘরনায় মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয় এবং তা সম্পন্ন হয় ১৯৫৭ সালে।মসজিদটির বিপরীতে একটি অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্র রয়েছে। এই কেন্দ্রের লাল ভবনটিও ইংরেজ স্থাপত্যশৈলীর একটি নজরকাড়া নিদর্শন।চট্টগ্রামের অতীত ঐতিহ্যের নির্দশনের মধ্যে দৃষ্টিনন্দন কারুকার্যময়, শৈল্পিক মানসম্পন্ন চন্দনপুরা মসজিদের খ্যাতি দেশে-বিদেশে রয়েছে। বিদেশী পর্যটকদের অত্যতম আকর্ষণ এই মসজিদ। প্রতিদিন বহু পর্যটক এখানে আসেন মসিজিদটির সৌন্দর্য এবং কারুকার্যময় নির্মাণশৈলী অবলোকন করার জন্য।চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র চন্দনপুরা এলাকায় এই বিখ্যাত মসজিদটি অবস্থিত। মাস্টার হাজী আব্দুল হামিদ এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন বলে তাঁর নামানুসারে এই মসজিদের নামকরণ করা হয় হামিদিয়া তাজ মসজিদ।বৃটিশ শাসন আমলে হাজী আব্দুল হামিদ এই মসজিদের সংস্কার কাজে হাত দেন। দীর্ঘ তিন বছর ধরে দেশী-বিদেশী অভিজ্ঞ কারিগর দিয়ে প্রায় পাঁচ একর জায়গার উপর এই মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয় । এই মসজিদ নির্মাণের জন্য তৎকালীন সময়ে ব্যয় হয়েছিল চার লক্ষ টাকা। ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এই মসজিদের নির্মাণসামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই মসজিদে সর্বমোট ১৫টি গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বড় গম্বুজটি নির্মাণ করতে ১০ টন পিতল লেগেছিল।
চট্টগ্রামে জাহাজে আগুন, নিহত ১
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বার আউলিয়া এলাকায় শিপইয়ার্ডে পরিত্যক্ত জাহাজ কাটার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন রুবেল (২৫) নামে এক শ্রমিক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ শ্রমিক। বুধবার (১৫ মে) সকালে মাহিনুর নামে একটি শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম জানা যায়নি। আহতদের একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে অগ্নিদগ্ধ ছয়জনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ড. আবু রেজা নদভী এমপি'র ইফতার সামগ্রী বিতরন
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানেটেরিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর রিলিফ, ডেভলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার এর ব্যবস্থাপনায় ও দেশের শীর্ষস্থানীয় এনজিও সংস্থা আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে আজ ১৪ মে ২০১৯ ইং সোমবার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার ২০০০ পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের জন্য ২৫ কেজির প্রতি ইফতার প্যাকেটে ছিল চাল, ডাল, চিনি, তেল ও লবন। এ প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত বাজেট তিন মিলিয়ন রিয়াল। ১২০০০০ রোজাদার এ প্রকল্প থেকে উপকৃত হবে। রমজান মাসে আরো ৩০০০০ প্যাকেট ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাতকানিয়া উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে ১২ শত এবং লোহাগাড়া উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে ৮ শত অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম ১৫- সাতকানিয়া-লোহাগাড়া'র মাননীয় সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এবং সৌদি আরবের দাতা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ। সৌদি আরব থেকে সরাসরি আগত মূল্যবান ইফতার সামগ্রী পেয়ে ভূক্তভোগীদের মাঝে আনন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সকাল ১১টায় সাতকানিয়া উপজেলা সদরে ইফতার সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, ওসি তদন্ত ওবাইদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী পারবেজ সরওয়ার, সাংবাদিক সৈয়দ মাহফুজুন্নবী খোকন, সাতকানিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দিন, মাদার্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান দুলাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও স্থানীয় সাংসদের পিএস এরফানুল করিম চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা রুবেল রাজ, সহকারী পিএস শাহাদত হোসেন সাহেদ, সমাজ সেবক আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস, ছাত্রলীগ নেতা জিহানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। দুপুর ১টায় লোহাগাড়া উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে ইফতার সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌছিফ আহমদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সালাউদ্দিন হিরু, লোহাগাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা এইচ এম গণী, নুরু আলম জিকু, নুরুল হক নুনু, মিয়া মোহাম্মদ শাহজাহান, আব্দুল জব্বার প্রমুখ
মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক সফল মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি জিইসি ক্যাম্পাসের উদ্যোগে তাঁরই নামাঙ্কিত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীনের তত্ত্বাবধানে এতে যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের প্রতি ইফতার মাহফিল পূর্ব ধর্মতাত্ত্বিক আলোচনায় রমজানের গুরুত্বারোপ সম্পর্কে আলোকপাত করেন ইফতার মাহফিলে মুনাজাত পরিচালনা করেন আলহাজ মাওলানা জিল্লুর রহমান হাবিবী। এসময় সমবেত রোজাদারদের উদ্দেশ্যে নিজেদের মনকে শুদ্ধ করে অনাচার-দূরাচার মুক্ত হয়ে মানুষের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার রমজান মাসের তাৎপর্যকে গ্রহণ ও ধারণ করার আহব্বান জানানো হয়। ধর্ম-বর্ণ, ধনী-গরিব-নির্বিশেষে এই আয়োজনে যারা শরীক হয়ে ইফতার গ্রহণ করেছেন তাদেরকে মহান সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশকে ইসলাম, মানবতা, বিশ্ববাসী এবং ধর্মীয় দীক্ষায় মানবিক চেতনায় আল্লাহ-রসুলের পথে নির্দেশিত হওয়ার আহব্বান জানানো হয়। মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশন আর্তমানবতা ও সমাজ প্রগতির পাশে থাকবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন আবু, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আবদুর রহিম শামীম, মুনতাসির মুন, শামীম আজাদ প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঁশখালীতে ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার আসামি মাদরাসা শিক্ষক মো. ফয়জুল্লাহকে আটক করেছে RAB।মঙ্গলবার ভোরে বাঁশখালীর মনকির চর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানান RAB-৭ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান।তিনি জানান, গত ২৪ এপ্রিল ওই মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে মো. ফয়জুল্লাহ। পরে এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হলেও পলাতক ছিলেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে RAB সদস্যরা তাকে আটক করে। তিনি বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নের মাওলানা আবুল কাশেমের ছেলে।মো. ফয়জুল্লাহকে বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান মো. মাশকুর রহমান।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে সিলিং ফ্যান ও টেলিভিশন দিয়েছে চসিক
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে জীবনমান উন্নয়নে কারাবন্দি পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের জন্য ৫শ টি সিলিং ফ্যান এবং ৫০টি এলইডি টেলিভিশন দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন মঙ্গলবার ১৪ মে সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবন্দিদের হাতে এসব বিদ্যুৎ সামগ্রী তুলে দেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিক সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেসমিন পারভিন জেসি, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নাছির আহমেদ, সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন, বেসরকারি কারা পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান, মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, শেখ ফোরকানুল হক চৌধুরী, চসিক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশসহ বেসরকারি কারা পরিদর্শক, কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে ২১ জানুয়ারি সিটি মেয়র কারাগার পরিদর্শনকালে কারাবন্দিদের জন্য ব্যবহার্য সামগ্রী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।বিদ্যুৎ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, কারাগারকে বন্দিরা সংশোধনাগার হিসেবে মনে করতে পারেন। সংশোধনের মাধ্যমে পরবর্তীতে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে। সরকারও চায় তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কারাগারকে সংশোধনাগার হিসেবে রূপান্তরে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। যারা দীর্ঘদিনের জন্য বন্দি থাকবে, তাদের রোজগারের ব্যবস্থা, মানবিক জীবনযাপনের ব্যবস্থা করা হবে।কারাগার থেকে বের হয়ে তারা পরিবারের বোঝা না হয়ে কর্মক্ষম ও উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে সমাজে পুনর্বাসিত হবে বলে প্রত্যাশা করেন মেয়র।চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দী থাকার বিষয়ে মেয়র উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি কারাবন্দিদেরকে জেল কোড যথাযথ অনুসরণ করার আহবান জানান।
বুবলী হত্যার ঘটনায় , তিন আসামি রিমান্ডে
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানাধীন বজ্রঘোনা এলাকায় বুবলী (২৭) হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে তিনদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশকে অনুমতি দিয়েছে আদালত। সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আল ইমরান খানের আদালত এই আদেশ দিয়েছেন বলে জানান বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দীন। আসামিরা হলেন- বাকলিয়ার মদিনা মসজিদের উত্তর পাশে বাণিজ্য ভাণ্ডারের বাড়ির মৃত জালাল আহম্মদের ছেলে মো. মুছা (৪০) ও একই এলাকার সোবহান সওদাগরের বাড়ির মৃত আমিন শরীফের ছেলে আহাম্মদ কবির (৪২) ও নবী হোসেন (৬০)। ওসি নেজাম উদ্দীন বলেন, এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বজ্রঘোনা এলাকায় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিতে বুবলী আক্তার (২৭) নামে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। এ সময় বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দীনসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি। পাশাপাশি বুবলী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নুর আলম ও নুর নবী নামে দুজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে নুর আলম নিহত শাহ আলমের ভাই। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার রাতেই বুবলীর বাবা নোয়া মিয়া বাদী হয়ে শাহ আলম, তার ভাই নূর আলম (২৫), নবী হোসেন (৬০), মো. জাবেদ (২৪), মো. মুছা (৪০), আহমদ কবির (৪২)সহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিরা সবাই বজ্রঘোনা মদিনা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। এরপর রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি মুছা ও কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দীন।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির সাথে বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম রেঞ্জে ডিআইজি কার্যালয়ে আসন্ন বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম রেঞ্জে ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে মিথুন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম জেলার প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করার জন্য সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে আলোকপাত করে বক্তব্য দেন, চট্টগ্রামের এডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান বারী নুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডমিন) মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিষ্কৃতি চাকমা, সহকারী পুলিশ সুপার মান্না দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. মশিউদ্দৌলা রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল, বৌদ্ধ প্রতিনিধিদের পক্ষে বক্তব্য দেন, বৌদ্ধ সমিতির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন আদর্শ কুমার বড়ুয়া, বুড্ডিস্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গকুল কান্তি বড়ুয়া, কৃষ্টি প্রচার সংঘ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ-সভাপতি বিনয় ভূষণ বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমলেন্দু বিকাশ বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজল কান্তি বড়ুয়া, কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিংকু বড়ুয়া, বৌদ্ধ সমিতি যুবর সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বড়ুয়া, বৌদ্ধ সমিতি মহিলার সভাপতি পূরবী বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা ববি বড়ুয়া, কৃষ্টি প্রচার সংঘ মহিলার সাধারণ সম্পাদক চম্পাকলি বড়ুয়া, বুড্ডিস্ট লিডার্স ফোরামের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য উত্তম কুমার বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কানন চৌধুরী, বৌদ্ধ যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সজিব বড়ুয়া ডায়মন্ড, কাজলপ্রিয় বড়ুয়া, রবীন্দ্র লাল বড়ুয়া, দীপন কান্তি বড়ুয়া, রনেশ কুমার চৌধুরী, কৃষ্টি প্রচার সংঘ যুবর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজয় বড়ুয়া বাপ্পা, রিকন বড়ুয়া, সীবলী সংসদ চট্টগ্রাম সভাপতি বিকাশ কান্তি বড়ুয়া, বিপ্লব বিজয় বড়ুয়া প্রমুখ। ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, আতংকিত না হয়ে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মাঝেও সকলকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে এবং প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের বিহার অধ্যক্ষ, বিহার পরিচালনা কমিটি এবং প্রত্যেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দিক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত যা যা করণীয় সব বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের সকল বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডিআইজি কন্ট্রোলরুম নং চট্টগ্রাম রেঞ্জ-০১৭৬৯-৬৯১১৫৯, জেলা কন্ট্রোলরুম নং-০১৭৬৯-৬৯৪৫২৭ এই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর