বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৯
তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের ষষ্ঠ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন
১০আগস্ট,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের ষষ্ঠ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন গতকাল শুক্রবার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি ভাগ্যধন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য দেন, উপদেষ্টা শহীদজায়া বেগম মুশতারী শফি, রাজনীতিবিদ মফিজুর রহমান, অধ্যাপক রীতা দত্ত, কবি ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ, সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার মজুমদার, কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দীন, সম্মিলিত আবৃত্তি জোটের সভাপতি অঞ্চল চৌধুরী, প্রাবন্ধিক ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, নাট্যজন সাইফুল আলম বাবু, সহ সভাপতি নাহিদুজ্জামান নাহিদ, প্রবীর মহাজন, মিঠু তলাপাত্র, রাতুল হাসান, শ্রাবণী দাশগুপ্তা সেজুতি দে প্রমুখ। সভায় বক্তারা সংগঠনের বিগত সময়ের কর্মকাণ্ডের উপর পর্যালোচনামূলক বক্তব্য দেন। সাংগঠনিক সভায় সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন মো. মুজাহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন শ্রাবণী দাশগুপ্তা। এরপর সভায় আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা, সাংগঠনিক নীতিমালা ও নতুন উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন করা হয় এবং সাংগঠনিক সভায় ২০১৯-২০২১ সালের কার্যকরী কমিটি নির্বাচন করা হয়। সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ২০১৯-২০২১ বছরের জন্যে ভাগ্যধন বড়ুয়া সভাপতি এবং মো. মুজাহিদুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক পুনরায় নির্বাচিত হন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
এডিসমুক্ত নগর গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র :আ জ ম নাছির
০৮আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:৮ আগস্ট সকালে অপর্ণা চরণ সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে এডিস নির্মূলে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম উদ্বোধনকালে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন,সিটি করপোরেশনের বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচির পাশাপাশি সবাই নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গুর বাহক এডিসমুক্ত নগর গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র। সারা বছর এডিস মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলবে।মেয়র বলেন, যেদিন থেকে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে তখন থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভারত থেকে সংগ্রহ করা ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করার নানা উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা দেশে প্রথম বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা চালু করেছি। আজ সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির মালিকদের নিয়ে বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছি। ওয়ান টাইম কাপ, প্লেট, পাত্রে পানি যেন জমতে না পারে সে ব্যাপারে সচেতন করছি।বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, ডেঙ্গু একটি বাস্তবতা। শঙ্কা নয়, চাই সচেতনতা।চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা বলেন, এলিট মশা হচ্ছে এডিস। তারা স্বচ্ছ পানিতে জন্মে।এসময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম, শৈবাল দাশ সুমন, সলিমুল হক বাচ্চু, নীলু নাগ, চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শোক সংবাদ
০৭আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কতৃক অনুমোদিত ও সুনাম খ্যাত মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক শেখ জয়নাল আবেদীন গত ০৬ আগস্ট দিবাগত রাত ১২ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন। তার অকাল মৃত্যুতে এমজেএফ এর পক্ষ থেকে গভীর শোক ও তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। শেখ জয়নাল আবেদীন একজন,সৎ,দক্ষ ও সাংগঠনিকমনা মানুষ ছিলেন বলে জানান,সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। শেখ জয়নালের অকাল মৃত্যুতে সংস্থার কার্যালয়ে আগামী ২০ আগস্ট সংস্থার পক্ষ থেকে এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য মহানগর চেয়ারম্যান এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরী ও মহাসচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরী অনুরোধ জানিয়েছেন।
চট্টগ্রামে অবৈধ পশু বাজারে অভিযান চালিয়ে চার ব্যবসায়ীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
০৭আগস্ট,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নগরীর পথে ঘাটে গরু ছাগলের বাজার বসতে শুরু করেছে। কোনো ধরনের নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে বসে যাওয়া বাজারগুলো নাগরিক দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠছে। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর খুলশী এবং হালিশহর এলাকায় দুইটি অবৈধ পশুর বাজারে অভিযান চালিয়ে চার ব্যবসায়ীকে পাঁচ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। তাদেরকে অবিলম্বে অবৈধ বাজার সরিয়ে অনুমোদিত স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। চসিকের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, কোরবানি উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় প্রতিবছর এক লাখেরও বেশি গরু মহিষ বিক্রি হয়। নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত সাগরিকা এবং বিবির হাটে গরু মহিষের এবং ধনিয়ালা পাড়ার পোস্তারপাড়ে ছাগলের একটি বাজার রয়েছে। এই তিনটি বাজারের বাইরে আরো ছয়টি অস্থায়ী পশুর বাজারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কোরবানি উপলক্ষে। এই ছয়টি বাজারের ব্যাপারে চসিক ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বেশ আগে। বাজারগুলো হচ্ছে নুর নগর হাউজিং, সল্টগোলা ক্রসিং, স্টিল মিল বাজার, পতেঙ্গা হাই স্কুল মাঠ, কমল মহাজন হাট এবং পতেঙ্গা বাটার ফ্লাই পার্কের সন্নিকটের খোলা জায়গা। স্থায়ী এবং অস্থায়ী মিলে নয়টি পশুর বাজারে কোরবানি উপলক্ষে পশু বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু ওই নয়টি বাজারের বাইরেও নগরীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি পশুর বাজার বসানো হয়েছে। এসব বাজারের ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই। অবৈধ এসব বাজারকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে যানজটসহ নাগরিক দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর হালিশহর এবং খুলশী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইটি অবৈধ পশুর বাজারের ব্যবসায়ীদের জরিমানা করে একদিনের মধ্যে বাজারগুলো বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে অবৈধ বাজারগুলো থেকে কোরবানির পশু চসিকের ইজারাকৃত বাজারে স্থানান্তরে একদিনের সময় দেওয়া হয়। গতকাল দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আকতার ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি
০৭আগস্ট,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর জিইসি মোড়স্থ প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি গত ৫ আগস্ট পালিত হয়েছে । কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়, যেমন, বাসার আশে পাশে আবদ্ধ নালা পরিষ্কার করা দিনের বেলা মশারি ব্যবহার করা ,জমে থাকা পানি অপসারণ করা লম্বা হাতার পোশাক পরা এবং জানালায় নেট ব্যবহার করুন ইত্যাদি। এছাড়া বলা হয়, ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত ভোরবেলা ও সন্ধ্যার পূর্বে কামড়ায়। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু জ্বর সেরে যায়, তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক হতে পারে। বর্ষার সময় এ রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে এডিস মশার জন্মানোর স্থান ধ্বংস ও এই মশার বংশ বৃদ্ধি রোধের মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করা যায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে ডেঙ্গু ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ফিলিপাইনে প্রায় ১৫ লক্ষ লোক ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এবং এদের মধ্য থেকে কয়েক হাজার লোক মারা গেছে। বাংলাদেশের অবস্থা সেরকম নয়। বাংলাদেশে যেভাবে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে এর জন্য দরকার চিকিৎসার পাশাপাশি গণসচেতনতা, সতর্কতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ। কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর এ কে এম তফজল হক, ইংরেজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, রেজিস্ট্রার খুরশিদুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাদাত জামান খান, সহকারী অধ্যাপক আবদুর রহিম, সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ জসিম উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক শহীদুল আলম, সহকারী অধ্যাপক মো. আলমগীর প্রমুখ। কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আবু রাসেল চৌধুরী। উল্লেখ্য, কর্মসূচির আওতায় প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন স্থানে স্প্রেয়ারের মাধ্যমে মশক নিধনের ঔষধ ছিটানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রবীন্দ্রনাথ বাঙালির সঙ্গে অন্তর্লীন হয়ে আছেন
০৭আগস্ট,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চারকের শ্রাবণে রবীন্দ্রনাথ অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক হরিশংকর জলদাস বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির সঙ্গে অন্তর্লীন হয়ে আছেন। আমাদের আচারে, আমাদের যাপিত জীবন ও সংস্কৃতিতে রবীন্দ্রনাথ আষ্টেপৃষ্ঠে আমাদের লোক হয়ে আছেন। তাই দেড় শতাধিক বছর পরও তিনি আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক হয়ে আছেন। গত ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারি হলে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের শ্রাবণে রবীন্দ্রনাথ শীর্ষক রবীন্দ্র স্মরণানুষ্ঠান তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এই কথাসাহিত্যিক আরো বলেন, রবীন্দ্রনাথ কেবল বাঙালির কাছে নয়, তিনি দিন দিন চর্চিত হয়ে আসছেন বিশ্বসমাজের কাছে। তাই তিনি বাঙালি হয়েও একজন বিশ্বমানব। তাকে নিয়ে আজ গবেষণা হচ্ছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। নতুন করে পঠন-পাঠন হচ্ছে এবং বিভিন্ন ভাষায় অনুদিতও হচ্ছে তাঁর কাব্য ও সাহিত্য। উচ্চারকের দলপ্রধান আবৃত্তিশিল্পী ও সাংবাদিক ফারুক তাহেরের সভাপতিত্বে এবং সহসভাপতি এএসএম এরফান এবং সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উচ্চারক শুভানুধ্যায়ী সদস্য সংস্কৃতিকর্মী সজল চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের বাচিকশিল্পী ও সংগঠক অলোক বন্দ্যোপাধ্যায়, রত্না বন্দ্যোপাধ্যায় ও আগরতলার বাচিকশিল্পী ও সংগঠক স্মিতা ভট্টাচার্য্য। অনুষ্ঠানে অতিথি কবি হিসেবে উপস্থিত থেকে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ম্যাগনোলিয়ার খোঁজে এর মোড়ক উন্মোচন করেন পশ্চিমবঙ্গের কবি ও তথ্যচিত্র নির্মাতা অনির্বাণ চৌধুরী। রবীন্দ্রনাথের ১৫৮ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন দেশের আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরী, আবু নাছের মানিক, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মাহফুজা হক স্নিগ্ধা, উচ্চারকের আবৃত্তিশিল্পী শামীমা ইয়াছমিন, এ্যানি চৌধুরী, ফারহিন মাহমুদ খান ও দীপা দাশ মিতু। রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন রবীন্দ্র সঙ্গীতশিল্পী মো. মোস্তফা কামাল, শিল্পী শান্তা গুহ ও শিল্পী কান্তা দে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটসের উদ্যেগে শোক দিবসের আলোচনা সভা
০৬আগস্ট,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইট এন্ড জার্নলিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির উদ্যোগে সংস্থার কার্যালয়ে আজ ০৬ আগস্ট মঙ্গলবার সংস্থার মহানগর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরীর সঞ্চালনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকি ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন,বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন ও আদর্শে নতুন প্রজম্ম অনুপ্রাণিত করতে থাকে এবং বঙ্গবন্ধুর দেশ প্রেমের বিষয়ে সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানাতে সকলকে কাজ করতে হবে। উক্ত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন,সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব শরীফুল হোসেন বাবুল,মোঃ ফয়েজ আহমেদ,যুগ্ন মহাসচিব জেসমিন সুলতানা,মোঃ নুরুল ইসলাম,সাংগঠনিক সচিব মোঃ মঈনুল হোসেন চৌধুরী তুহিন,আইন বিষয়ক সচিব এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ,দপ্তর সচিব আরিফ হোসেন চৌধুরী সুমন,অর্থ সচিব সুজন আচ্যার্য,ধর্ম বিষয়ক সচিব মোঃ কাউছার আলম,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব মোঃ মহিউদ্দিন কিরণ,মহিলা বিষয়ক সচিব নারগিছ আক্তার,ক্রিড়া ও সাংকৃতিক সচিব মোঃ জসিম হাওলাদার, হালিশহর থানা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন,নির্বাহী সদস্য মাহমুদা বেগম শিলা,শারমিন আক্তার,মোঃ হাসানুর রহমান ফয়সাল,মোঃ মিলন,মোঃ জাহিদুল ইসলাম রবিন,মোঃ আবুল কাসেম,মোঃ আবু তাহের,মোঃ জামাল বেপরি প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে ২০১৮ ও ২০১৯ ইং সনের সাংগঠনিক কাজের দক্ষতার জন্য পুরষ্কার সরূপ সংস্থার পক্ষ থেকে মাহমুদা বেগম শিলা কে বিশ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী এবং সকল শহিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ও বাংলাদেশকে ডেঙ্গু মুক্ত হওয়ার জন্য দোয়া করা হয়।
মুক্তির আন্দোলনে আবৃত্তিশিল্পীরাও ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন
০৬আগস্ট,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিবেদিত দুইদিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের আবৃত্তি উৎসব গতকাল সোমবার শেষ হলো কবিতা ও সুধীজনের কথায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণের মধ্য দিয়ে। এবারের অনুষ্ঠানের আয়োজক সম্মিলিত আবৃত্তি জোট ও সম্মিলিত আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রাম। উৎসবের সমাপনী শুরু কথামালা পর্বের মাধ্যমে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী ড. মাহবুবুল হক। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ডা. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম, নাট্যজন ও সাংবাদিক প্রদীপ দেওয়ানজী, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য (সিলেট অঞ্চল) মোকাদ্দেস বাবুল, নৃত্যশিল্পী সংস্থা, চট্টগ্রামের সভাপতি শারমিন হোসেন, গ্রুপ থিয়েটার ফোরাম সভাপতি খালেদ হেলাল এবং নাট্যজন সুচরিত দাশ খোকন। সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত আবৃত্তি জোটের সভাপতি আবৃত্তিশিল্পী হাসান জাহাঙ্গীর। স্বাগত বক্তব্য দেন, সম্মিলিত আবৃত্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাহফুজ, জোটের যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ রুদ্র। এ পর্বের সঞ্চালনায় ছিলেন সেলিম রেজা সাগর ও মেজবাহ চৌধুরী। প্রধান অতিথি ড. মাহবুবুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৭১ এ সবাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমরা তখন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় আবৃত্তিশিল্পীরা এই সাংস্কৃতিক সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্তির আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কথামালার পর আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীদের পরিবেশনায় ছিলেন নাট্যজন সনজীব বড়ুয়া, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান উল্লাহ তমাল, সিলেট অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, কুমিল্লা অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদ হোসেন কৈশোর, রাজশাহী অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ বিল্টু, এবং উঠোন সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি আয়েশা হক শিমু। এছাড়াও কবির কণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন খালিদ আহসান, অভিক ওসমান, আশীষ সেন, ইউসুফ মুহম্মদ, উৎপল কান্তি বড়ুয়া, অরুণ শীল ও মনিরুল মনির। এ পর্বের সঞ্চালনায় ছিলেন জোটের প্রশিক্ষণ সম্পাদক গৌতম চৌধুরী, মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ও মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ
০৬আগস্ট,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের উদ্যোগে গতকাল সোমবার মুক্ত গণমাধ্যম তত্ত্ব ও জনবান্ধব উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়ক লেকচার সেশন বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এশিয়ান মিডিয়া ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেন্টার (এমিক), সিংগাপুরের গবেষণা শাখার প্রাক্তন প্রধান ও থাইল্যান্ডের চুলালংকন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. কালিঙ্গা সেনেভিরত্নে মূল আলোচক হিসেবে মুক্ত গণমাধ্যম তত্ত্ব ও জনবান্ধব উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় তিনি জনবান্ধব উন্নয়ন সাংবাদিকতা চর্চায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ড. কালিঙ্গা আরো বলেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় যদিও বর্তমান গণমাধ্যম এই দিক থেকে অনেকটুকু বিচ্যুত। একটি দেশের উন্নয়ন তখনই শীর্ষে থাকে যখন দেশের গণমাধ্যম মুক্ত থাকে। বিভাগের সভাপতি দিলরুবা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক প্রশান্ত কুমার শীলের সঞ্চালনায় লেকচার সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরল আনোয়ার, বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি শিক্ষক ও পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সহিদ উলাহ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার মফ্;জল আহমদ, কলা, আইন ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মোহাম্মদ ইউনুস, বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সহিদ উলাহ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন সভাপতি জুয়েল দাশ উন্নয়ন সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে স্ব স্ব বক্তব্যে আলোচনা করেছেন। পরে ড. কালিঙ্গা ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে একটি উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। শিক্ষার্থীরা এতে সমসাময়িক সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার বিষয় সম্পর্কে জানতে চান। বিভাগের সভাপতি দিলরুবা আক্তার ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর