শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
রেললাইনের পাশ থেকে নবজাতক উদ্ধার,বাচ্চা ও মায়ের জীবন বাঁচালেন মানবিক পুলিশ
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট রেললাইনের পাশে সদ্যভূমিষ্ট হওয়া বাচ্চা ও মায়ের জীবন বাঁচালেন নগরের ডবলমুরিং থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা। শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় ডবলমুরিং থানার রেলওয়ে ডকইয়ার্ড রেল লাইনের পাশ থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। নবজাতক শিশুর মায়ের নাম রিনা আকতার (৩০)। মহিলাটি পাগল বলে স্থানীয়রা জানান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেলওয়ে ডকইয়ার্ড রেল লাইনের পাশে ভূমিষ্ট নবজাতকের কান্নায় লোকজন জড়ো হলেও তাকে কেউ উদ্ধার করেনি। খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এরপর অসুস্থ মা ও নবজাতককে উদ্ধার করে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নবজাতককে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে মা রিনানে রক্ত দিয়ে সুস্থ করে তোলা হয়। মানবিক এই পুলিশ কর্মকর্তার প্রচেষ্টায় দুটি জীবন রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মা ও শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মা ও শিশু হাসপাতাল কতৃপক্ষ। এ বিষয়ে এসআই আলাউদ্দিন বলেন, রেলওয়ে ডকইয়ার্ড রেল লাইনের পাশে সদ্য ভূমিষ্ট এক নবজাতক পড়ে আছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি বাচ্চাটি ঠান্ডায় কাঁপছে ও কয়েকটি কুকুর সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকটিকে নিয়ে টানা হেচড়া করছিলো। এর কিছুদূর দেখতে পেলাম এক পাগল মহিলা শুয়ে আছে। বুঝতে পারলাম নবজাতকের জন্মদাত্রী ওই মহিলা। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সঙ্গে সঙ্গে নবজাতক ও তার মা দু-জনের জীবন বাঁচাতে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে মুমূর্ষ মহিলাকে রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচান কর্তব্যরত এক কনস্টেবল। বর্তমানে শিশু ও মা দু-জনই সুস্থ আছে।
কারো আশায় পরীক্ষা হলে না যাওয়ার পরামর্শ মেয়রের
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার্থীদের আশেপাশের কারো কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার আশায় পরীক্ষা হলে না যাওয়ার পরামর্শ দিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন। সম্প্রতি পাঠানটুলী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র আরো বলেন, নিজের ওপর শতভাগ বিশ্বাস রাখাই শ্রেয়। এর আগে তোমরা পিএসসি, জেএসসি এবং নির্বাচনী পরীক্ষায় সফল হয়ে এই পর্যায়ে এসেছ। এসএসসি পরীক্ষা হচ্ছে জীবনের প্রথম মাইলফলক। এই পরীক্ষার মাধ্যমে দীর্ঘ দশ বছরের শিক্ষা জীবনের যাচাই-বাছাই হয়। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় উচ্চ শিক্ষার প্রথম ধাপ। এমনকি এস.এস.সি পরীক্ষা জীবনের লক্ষ্য স্থির করার পথ। আগেকার পরীক্ষা আর এখনকার পরীক্ষার মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই এখনকার পরীক্ষার্থীরা অনেক সৌভাগ্যবান। তারা সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিচ্ছে। এতে শিক্ষা গ্রহণে পুরানো নীতিতে কষ্ট করতে হচ্ছে না। অল্প সময়ে বেশী শিখা সম্ভব। লেখা পড়ায় অধিক মনোযোগী হলে ভালো ফলাফল করা সম্ভব। চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আবদুল কাদের। অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নেজামুল হক বিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন পাঠ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা জাহেদ আহমদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, আবদুর রশীদ লোকমান, অভিভাবক সদস্য সাঈদুল আলম বুলবুল ও হালিমা বেগম প্রমুখ ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চসিকের দুর্নীতি বিরোধী মহাসমাবেশ ৬ ফেব্রুয়ারি
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সন্ত্রাস,জঙ্গি, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বে কাউন্সিলরবৃন্দ ৪১ ওয়ার্ড জুড়ে সমাবেশ আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন করেছে। আয়োজিত সমাবেশের সারমর্ম উপস্থাপন ও ওয়ার্ড ভিত্তিক গঠিত সন্ত্রাস,মাদক, জঙ্গি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির কার্যকারিতা শুরু করার প্রয়াসে চসিক এবার নগরীর সবগুলো ওয়ার্ড নিয়ে সম্মিলিত মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩ টায় লালদিঘী ময়দানে ৪১ ওয়ার্ডের অংশগ্রহণে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে প্রতি ওয়ার্ড থেকে জনসমাগম করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন সিটি মেয়র। মহাসমাবেশ সুন্দর ও সফল ভাবে আয়োজনের উদ্দেশ্যে আজ ৩০ জানুয়ারি দুপুরে চসিক সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন মহাসমাবেশ সফল সার্থক করার জন্য কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলরদেরকে স্ব স্ব ওয়ার্ডের দায়িত্ব বন্টন করেন। সভায় সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ওভারপাস ব্রীজ এখানে খুবই জরুরী ছিল :মেয়র
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর জাকির হোসেন রোডের ডায়াবেটিস হাসপাতালের সামনে নির্মিত এস্কেলেটর ওভারপাস ব্রীজ উদ্বোধন করলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন। আজ (৩০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার বিকেলে সিটি মেয়র ফিতা কেটে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রামে এটিই প্রথম অত্যাধুনিক এস্কেলেটর ওভারপাস ব্রীজ। পথচারিদের রাস্তা পারাপারে নিরাপত্তার জন্য নগরের জাকির হোসেন রোডে নির্মিত হয়েছে আধুনিক এ্যাস্কেলেটর ওভারপাস ব্রীজ। এটি নির্মাণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এর দৈঘ্য ৬৫ ফুট প্রস্থ ৯ ফুট। এ এস্কেলেটর ওভারপাস ব্রীজ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। চসিক নির্মিত এই ফুটওভার ব্রীজটিতে উঠার জন্য দুটি এস্কেলেটর লাগানো হয়েছে। তবে নামার জন্য রাখা হয়েছে ম্যানুয়েল সিঁড়ি। এর কারণ হচ্ছে মানুষের উপরে উঠতে কষ্ট হয়। কিন্তু নামা অনেক সহজ। এই এস্কেলেটরটি সেন্সরযুক্ত। অর্থাৎ পথচারী এস্কেলেটরে পা দিলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে। আর মানুষ পারাপার না করলে সেটি নিজ থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এতে বিদ্যুৎ অপচয়েরও সুযোগ নেই। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, ওভারপাস ব্রীজ এখানে খুবই জরুরী ছিল। দীর্ঘদিন এখানে ওভারপাস করার জন্য সাধারণ মানুষ দাবি করছিল। ব্যস্ততম এই সড়কে এলাকার স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতো এতোদিন। এই ফুটওভার ব্রীজ নির্মিত হওয়াতে সাধারণ মানুষ ও চলাচলরত পথচারী নির্ভয়ে রাস্তা পারাপার হতে পারবে। তিনি বলেন, জাকির হোসেন সড়কটি একটি ব্যস্ততম সড়ক। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দুরপাল্লার বাসসহ নগরীর বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। এতে পথচারীরা রাস্তা পারাপারের সময় নানা ভয় নিয়ে পার হতে হয়। রোগী থাকলে তো আরো সমস্যা । এই এস্কেলেটর ওভারপাস ব্রীজ চালু হওয়ায় এ এলাকার সাধারণ মানুষ ও চলাচলরত পথচারী নির্ভয়ে রাস্তা পারাপার হতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র ছাড়াও চসিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরণ, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্তবধায়ক প্রকৌশলী আলহাজ আবু সালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী গোফরান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী অলি আহমদ ও মোহাম্মদ ফরিদ আহমদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নিজের এলাকার উন্নয়ন না করলে এলাকার মানুষ অসন্তুষ্ট হয় :তথ্যমন্ত্রী
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নকে নিজের এলাকা ঘোষণা করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন এ এলাকার উন্নয়নকাজ নিজ দায়িত্বে করবেন। মন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ফটিকছড়ি উপজেলার আজিমপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও গুণিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। তিনি বলেন, নিজের এলাকার উন্নয়ন না করলে নিজ এলাকার মানুষ অসন্তুষ্ট হয়। তেমনি শশুরবাড়ির এলাকার উন্নয়ন না করলে ঘর অসন্তুষ্ট হবে। তাই ঘর ঠিক রাখার জন্য হলেও সুন্দরপুর ইউনিয়ন সুন্দর করার জন্য শতভাগ চেষ্টা করে যাবো। আজিমপুর আদর্শ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি জয়নাল আবেদীন কাঞ্চন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এমপি। তথ্যমন্ত্রীর স্ত্রী নুরা ফাতেমা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহমুদুল হক, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মোঃ আবু তৈয়ব, ফটিকছড়ি পৌরসভার তরিকত ফেডারেশন এর আহয়ক মোঃ ইকবাল কবির, ফটিকছড়ি পৌর সভার মেয়র মোঃ ইসমাইল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি বখতিয়ার সাইদ ইরানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হোসাইন মোঃ আবু তৈয়ব ফটিকছড়িতে শিল্পায়নের ব্যবস্থা করার আহন জানান। তিনি বলেন, এ উপজেলাতে অনেক মুজিব সেনার জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে আজীবন বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করে যাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। আজিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষাক মোঃ আব্বাস উদ্দিন বক্তব্যে শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি স্থানীয় সকলকে মুজিববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। এ সরকার শিক্ষাকে সব চেয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের উন্নয়ন তরান্বিত করেছেন। প্রধান শিক্ষক তার বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর, রাস্তা নির্মাণ, বিজ্ঞানাগার, আইসিটি ভবন, ছাত্র হোস্টেল, বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের কাজসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এসব কাজ শীঘ্রই সম্পাদন করে দেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
চট্টগ্রাম জেলা ডিবির বিশেষ অভিযানে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার হতে প্রাইভেটকার যোগে ইয়াবা নিয়ে দু-জন মাদক ব্যবসায়ী চট্টগ্রামের দিকে আসছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই(নি:) মোঃ সেলিম মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ লোহাগাড়া থানাধীন চুনতি রেঞ্জ বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উপর একটি সাদা রংয়ের টয়োটা এলিয়ন গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিছনের সীটে বসা আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৫), এর কাছে থাকা একটি কাধব্যাগের ভিতর কসটেপে মোড়ানো একটি কালো পুটলা এবং ড্রাইভিং সীটে বসা আসামী মোঃ ইকরামুল (৩২) এর কাছে ড্রাইভিং সীটের কভারের ভিতর থাকা অপর একটি পুটলাসহ ৪,০০০ (চার হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ব্যবহৃত টয়োটা এলিয়ন প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১২,০০,০০০/-(বারো লক্ষ) টাকা। আসামীদের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
লায়ন্স ক্লাব অগ্রণীর ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং অগ্রণীর ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত ২৮ জানুয়ারি উদযাপিত হয়। লায়ন্স ফাউন্ডেশনে ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন নেছার আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ১ম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ, ডিজি টিমের সদস্য লায়ন জাহেদুল ইসলাম, লায়ন অসীম উকিল প্রমুখ। লায়ন গভর্নর কামরুন মালেক কেক কেটে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং অগ্রণীর ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন । অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, লায়ন প্রসুন্ন বড়ুয়া, লায়ন কাজী জহির, লায়ন আকবর আলী, লায়ন পলাশ ধর, লায়ন এস এম আব্দুল আজিজ, লায়ন আক্তার হোসেন, লায়ন মোহলেস, লায়ন জালাল, লায়ন জাফর, লায়ন নুসরাত জাহান, লায়ন আবেদা আজিজ, লায়ন আনেয়ার হোসেন প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এ এক আবিষ্কারের গল্প: ক্যাম্প মাটি-টা
২৯জানুয়ারী,বুধবার,মো.ইরফান চৌধুরী চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: অসীম সম্ভাবনা আর প্রতিভা নিয়ে মানুষ পৃথিবীতে আসে। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে বিকশিত হয় প্রতিভা। তবে মানবসৃষ্ট কারণে এই পরিবেশ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে বঞ্চিত হচ্ছে পৃথিবী। এ নিয়ে আমাদের কার্যক্রম অনেকটাই ভাবনা-চিন্তা আর মতামত আদান-প্রদানের মাঝে সীমাবদ্ধ। এদিকে, অপার সম্ভাবনা থাকার পরও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প চলছে অনেকটা খুঁড়িয়ে। আছে প্রতিকূলতা, নানা জটিলতা। পরিকল্পনা আর দূরদর্শিতার অভাব আছে। আছে সমন্বয়হীনতা। এর মাঝেও অন্তরায়ের দেয়াল ভাঙার স্বপ্ন দেখে কেউ কেউ। তাদের স্বপ্ন থাকে আকাশচুম্বী। তেমনই স্বপ্নের কারিগর চট্টগ্রামের তরুণ দম্পতি তাসনিম মাহমুদ ও ডা. মুনাল মাহবুব। তারা চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান ও নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা (অব.) জহিরউদ্দিন মাহমুদ এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলমের সন্তান। শিক্ষা শেষ হয়েছে অনেক বছর আগে। দুজন বর্তমানে উদ্যোক্তা। ডা. মুনাল মাহবুব চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। সময় পেলে পৃথিবী ঘুরে দেখা তাদের সখ। সেই সখ মেটাতে গিয়ে সঞ্চয় করেছেন অভিজ্ঞতা। একদিন তাদের উপলব্ধি হলো, প্রকৃতি প্রদত্ত সম্ভাবনা ও সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশকে কীভাবে একসূত্রে গাঁথা যায়? কথাটা বলছিলেন ক্যাম্প মাটি-টার চেয়ারম্যান ডা. মুনাল মাহবুব। ক্যাম্পের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তাসনিম মাহমুদ জানান, পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়নের সাথে আউটডোর অ্যাক্টিভিটি ক্যাম্পিংয়ের যোগসূত্র স্থাপন তাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি আরো জানান, বিশ্বব্যাপী জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তন তাদের উদ্বেগের কারণ। পরিবর্তনজনিত এই বিপর্যয় মোকাবিলার মানসিকতা এবং তাদের আহরিত অভিজ্ঞতার যোগফল হিসেবে চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম আউটডোর অ্যাক্টিভিটি ক্যাম্প মাটি-টা। এখানকার পারিপার্শ্বিকতা ও সমস্ত আয়োজন একজন শিক্ষার্থী অথবা যেকোনো শ্রেণী-পেশার মানুষকে উপলব্ধি করাতে সক্ষম, আমিও পারি। রিডিসকভার ইয়োরসেলফ উইদিন ইউ মাটি-টার ট্যাগলাইন। অর্থাৎ ক্যাম্প মাটি-টা কারো মধ্যে নতুন করে কোনা শক্তি বা ক্ষমতা প্রয়োগের কথা বলে না। বরং বিশ্বাস করতে শেখায়, আমার মধ্যে যা আছে তা দিয়েই নিজেকে আবিষ্কার করব। প্রমাণ করে দেখায়, একজন মানুষের মাঝে অসাধারণ সক্ষমতা থাকে। ক্যাম্প মাটি-টার অবস্থান সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায়। ক্যাম্পের আয়তন প্রায় পৌনে দুই বর্গকিলোমিটার। পাহাড় বেষ্টিত ক্যাম্পের উত্তর সীমানা জুড়ে নৌবাহিনীর দপ্তর, পূর্বে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর। পাহাড়ের চূড়া ধরে রয়েছে দীর্ঘ ট্রেকিং ট্রেইল। ট্রেইলের একাধিক পয়েন্ট থেকে উপভোগ করা যায় বঙ্গোপসাগরের অসাধারণ সৌন্দর্য। সাগরে ভাসমান বড় জাহাজের মাস্তুল পাশে রেখে অস্তায়মান সূর্য, দুরন্ত কাঠবিড়ালির লাফিয়ে বেড়ানো, সকাল সকাল বন মোরগের কুক কুরুক ধ্বনিতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, শত প্রজাতির রঙিন পাখির কিচিরমিচির, মাঝেমধ্যে পাহাড় থেকে মায়া হরিণের আগমন অন্য এক মায়া জাগায়। পাহাড় বেষ্টিত ক্যাম্পের প্রাঙ্গণ জুড়ে রয়েছে স্বচ্ছ জলের সরোবর। মাছ ও মাছরাঙ্গা, ধবধবে সাদা বকের লুকোচুরি এখানকার চিত্র। তাসনিম মাহমুদ জানান, বর্তমানে শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খেলার মাঠ অপর্যাপ্ত। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুুলা জরুরি। পরিবর্তিত আর্থসামাজিক বিশ্ব বাস্তবতায় বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাসমূহে কর্মীদের মধ্যে টিম বিল্ডিং ও মানোন্নয়নমূলক কার্যক্রমে এসেছে বৈচিত্র্য। দেশের ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিউক অব এডিনবার্গ অ্যাওয়ার্ড ও ক্যাস নামক আউটডোর কোর্স বা অভিজ্ঞতা প্রায় বাধ্যতামূলক। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে মাটি-টাতে বেশ কিছু অ্যাক্টিভিটির ব্যবস্থা আছে। খেলার গ্রাউন্ড আছে তিনটি। এর মধ্যে একটি হিলটপ গ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত। তিনি জানান, বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভিটির মধ্যে পাহাড় ট্রেকিং, মেডিটেশন সেশন, ইয়োগা সেশন, স্ক্রু ড্রাইভিং, ওয়াটারপং, ওয়াল ক্লাইম্বিং, rapling-জুমারিং, জিপলাইনিং, লিকুইড পাস, হিউম্যান পাস কায়াকিং, অন ট্রি অবস্ট্যাকল কোর্স, অন গ্রাউন্ড অবস্ট্যাকল কোর্স, বেল্ট রেস, ব্যাডমিন্টন, জায়ান্ট ভলিবল, টেবিল টেনিস, হিউম্যান ফুসবলসহ প্রায় পঞ্চাশটি অ্যাক্টিভিটি অন্যতম। বিশেষ অ্যাক্টিভিটি হিসেবে রয়েছে ডে লং ট্রেজার হান্ট। তিনি আরো জানান, মেডিটেশন ও ইয়োগা সেশন অনুষ্ঠিত হয় পশ্চিম পাহাড়ের চূড়ায়। চূড়ার সম্মুখভাগে বঙ্গোপসাগরের জলরাশি। বয়ে যায় সাগরের শীতল বাতাস। বিশেষ এই জোনে যখন মেডিটেশন ও ইয়োগা অনুষ্ঠিত হয়, তখন ক্যাম্পারগণ সতেজ বাতাসের পরশ অনুভব করেন। তাসনিম জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি মাথায় রেখে ক্যাম্প মাটি-টা পরিচালনা করছে পাঁচদিনের রেসিডেন্সিয়াল প্রোগ্রাম। রেসিডেন্সিয়াল প্রোগ্রামের সৃজনশীল কারিকুলাম তাদের স্বতন্ত্র উদ্ভাবন। এছাড়া রয়েছে রিইউনিয়ন ও বার্ষিক পিকনিক প্রোগ্রামের ব্যবস্থা। অ্যাক্টিভিটিসমূহ পরিচালনার জন্য রয়েছে অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টর। ক্যাম্পের মহাব্যবস্থাপক তারেক আহম্মেদ সুমন জানান, রাত্রিযাপনের ক্ষেত্রে ক্যাম্পে আগতদের থাকতে হয় তাঁবুতে। এসব তাঁবু দুই থেকে বিশজন ধারণ ক্ষমতার। সম্প্রতি তাঁবুর বহরে যুক্ত হয়েছে আমেরিকা মহাদেশে বসবাসরত রেড ইন্ডিয়ানদের ঐতিহ্যবাহী টিপি টেন্ট (তাঁবু)। প্রতিটি টিপি টেন্টে ষোলজন ক্যাম্পার অবস্থান করতে পারেন। এছাড়া রয়েছে কাঠের তৈরি ইকো টেন্ট। সুবৃহৎ ইনফিনিটি সুইমিং পুলের প্রান্ত ঘেঁষে নির্মাণাধীন ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের নির্মাণ শৈলীর আদলে আঠারো হাজার বর্গফুটের বেম্বো হাউজ। মজবুত কাঠামোর উপর তিনতলা বিশিষ্ট বেম্বো হাউজের ভেতর ও বাইরে সম্পূর্ণটা মোড়ানো থাকবে বাঁশ দিয়ে। নিচতলায় একটি কনভেনশন হল, দ্বিতীয়তলা জুড়ে অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট ও কনফারেন্স রুম এবং তিনতলায় থাকবে চৌদ্দটি কটেজ কক্ষ। আগতদের রুচি ও বিনোদনের দিক মাথায় রেখে অর্গানিক খাবারের মেনুতে আছে ঐতিহ্যবাহী আইটেমসহ বিভিন্ন স্বাদের খাবার। গত বছরের ৬ জানুয়ারি ছিল ক্যাম্প মাটি-টার উদ্বোধনী প্রোগ্রাম। এক বছরের মধ্যে এখানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরোট হাউজ তথা সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রোগ্রাম করেছে। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুল চট্টগ্রাম ও ঢাকা শাখা, আল হিদায়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সাইডার স্কুল, উইলিয়াম কেরি স্কুল, দা আগা খান স্কুল ঢাকা, সিটি ব্যাংক, ডেক্যাথলন, মাইডাস সেফটি, হক অ্যান্ড সন্স শিপিং কোং, বিএসআরএম, চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি, সেন্ট প্লাসিডস স্কুল ৯৪ ব্যাচ, মা ও শিশু হাসপাতাল, চট্টগ্রাম রোটারী ক্লাব (অ্যারিস্টোক্রেট) উল্লেখযোগ্য।- আজাদী
এই খাল হবে ঢাকার হাতির ঝিল প্রকল্পের আদলে
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীরী জলাবদ্ধতা নিরসনে বহদ্দার হাট বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত ২.৯ কিমি দীর্ঘ নতুন খাল খনন কাজ শুরু হয়েছে। আজ ২৮ জানুয়ারি দুপুরে ওয়াইজার পাড়া মাজার সংলগ্ন এলাকায় খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। বহদ্দারহাট বারই পাড়া হাইজ্জার পুল থেকে স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন শাহ আমানত ব্রীজ সংযোগ সড়ক অতিক্রম করে নূর নগর হাউজিং সোসাইটি, ওয়াইজার পাড়া মাজার হয়ে বলির হাট বলি মসজিদের পাশ দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়বে। এই নতুন খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫৬ কোটি ১৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এতে সরকারি জিওবি অর্থায়নে হবে ৯৪২ কোটি ১২ লাখ টাকার কাজ। অন্যদিকে চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩১৪ কোটি ৪ লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। খাল খনন কাজে অধিগ্রহণকৃত ২৫.১৬৭ জমির মূল্য ক্রয় বাবদ করা হবে ১১০৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। উদ্বোধন কালে মেয়র বলেন, ১৯৯৫ সালের ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান অনুসরণ করে বহদ্দার হাট বারইপাড়া থেকে কর্নফুলী নদী পর্যন্ত নতুন খাল খনন করার পরিকল্পনা নিয়ে একটি ডিপিপি তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে খালের দুপাশে সড়ক নির্মান করে খাল খননের বিষয় উল্লেখিত থাকে। কিন্তু একনেক সভায় সংযোজনীসহ প্রকল্পের চুড়ান্ত আলোচনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পকে পর্যটন স্পট হিসেবে রূপায়নের নির্দেশনা দেন। তিনি নান্দনিক দিক বিবেচনায় খালের দুপাশে ওয়াক ওয়ে ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুলকবহর, ষোলশহর, বাকলিয়াসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা আর থাকবে। একই সাথে খালের দুপাশে সড়ক ও ওয়াক ওয়ে নির্মাণ হলে নগরবাসীর নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টির বিনোদন স্পট হিসেবেও পরিচিত পাবে। চট্টগ্রাম নগরে বহদ্দার হাট বারই পাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত এই খাল হবে ঢাকার হাতির ঝিল প্রকল্পের আদলে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এই খাল খনন প্রকল্পের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করবে। প্রাথমিক প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ২০১৪ জুলাই থেকে ২০১৭ জুন পর্যন্ত। পরবর্তীতে মেয়াদ সংশোধন করে তা চলতি বছর আগামী জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী একনেকে অনুমোদন লাভ করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চসিক কাউন্সিলর হারুনুর রশীদ, আশরাফুল আলম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে কর্ণেল সোহেল আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিকসহ স্থানীয় জনসাধারণ,সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর