শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
সীতাকুণ্ডে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মিনিবাস খাদে পড়ে আহত ৭
০৯ফেব্রুয়ারী,রবিবার,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীতাকুণ্ডে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মিনিবাস খাদে পড়ে ৭ বাস যাত্রী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহতদের মধ্যে মোঃ শাহ আলম (৫৫) নামের একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অন্যান্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৯ফেব্রুয়ারি)সকাল আটটার সময় উপজেলার ফকিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসে। জানা যায়, সীতাকুণ্ড থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ৮ নং মিনিবাস (চট্রমেট্রো১১-২১০২) উপজেলার ফকিরহাট এলাকায় অতিক্রম করার সময় একইমূখী একটি কাভার্ডভ্যান বাসটিকে ধাক্কা দিলে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে ৭ যাত্রী হালকা আহত হয়। গুরুতর আহত মোঃ শাহ আলম রাস্তার পাশে বাঁশের ব্যবসা করতেন। তিনি স্থানীয় ফকিরহাট, নলুয়া পাড়া এলাকার নোয়া মিয়ার পুত্র। অপরদিকে একই স্থানে ভোররাতে একটি বড় মালবাহী কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে কয়েকটি দোকানের উপর গিয়ে পড়ে। ভোররাত থাকায় সকল দোকান বন্ধ থাকায় এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি । এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল আটটার সময় একটি লোকাল বাস রাস্তার পাশে বসে থাকা এক বাঁশ ব্যবসায়ীকে চাপা দিয়ে নিচে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে মেডিকেলে প্রেরণ করি।
শিশুর মনকে রাঙিয়ে দিতে চিত্রাংকন একটি অন্যতম মাধ্যম
০৮ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট শিশুর মনে নানা রকম দুষ্টামি বিরাজ করে। তারা সবসময় নতুন নতুন ভাবনায় মত্ত থাকে। প্রকৃতি, গাছ-পালা, ফুল-ফল ও পশু-পাখি নিয়ে নিজের ইচ্ছামত ছবি আঁকে। ক্ষুদে আঁকিয়েদের রং তুলিতে সব কিছু মনে হয় চিরসুন্দর। তাই শিশুর মনকে রাঙিয়ে দিতে এবং মানবিকতা বোধ জাগ্রত করতে চিত্রাংকন একটি অন্যতম মাধ্যম। চিত্রশিল্পীরা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের চিত্রকর্ম অংকন করে থাকে। তাই চিত্রশিল্পীর রং তুলিতে জাতীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস স্থান পেয়ে থাকে। গত ৬ ফেব্রæয়ারি পরিষদ অঙ্গনে সঙ্গীত পরিষদ আয়োজিত ২৩তম চিত্র প্রদর্শনী ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ২০২০ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। পরিষদের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত ২দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রবীণ চিত্রশিল্পী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সৌমেন দাশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদ সম্পাদক তাপস হোড়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আঁলিয়েন্স ফ্রান্সেস চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক শিক্ষাবিদ ড. গুরুপদ চক্রবর্তী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক দেবাশীষ রুদ্র। পরিষদের ৪০ জন ক্ষুদে শিল্পীদের অংকিত ১০০টি ছবি নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। তাদের অংকিত ছবিগুলি উপস্থিত দর্শকবৃন্দ প্রশংসা করেন। তাদের আঁকা ছবিগুলি নিয়ে পরিষদ একটি প্রকাশনা বের করে। উদ্বোধকসহ অতিথিরা প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে পরিষদের সঙ্গীত বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ধন্য ধন্য বলি তারে শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন পরিষদের সংগীত বিভাগের শিক্ষক বণানী চক্রবর্তী, প্রমিত বড়ুয়া, বহ্নি শিখা মজুমদার, প্রিয়তী বড়ুয়া, ত্রিদিব বৈদ্য, দীপ্ত দত্ত ও প্রান্ত আচার্য্য। চিত্রকলা প্রদর্শনী তত্ত্বাধান করেন পরিষদের চালুকলা বিভাগে শিক্ষক অঞ্চন দাশ, সুখ রঞ্জন হালদার, দীপ্তি মজুমদার ও ইসরাত জাহান। ২দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে আগামীকাল রয়েছে বেলা ২টায় এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ প্রাঙ্গনে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পরিষদ অঙ্গনে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান।- বিজ্ঞপ্তি
আমরা চট্টগ্রাম মহানগরকে সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ,মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত রাখবো
০৬ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লালদীঘি মাঠে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি প্রতিরোধে লাখো নারী পুরুষকে শপথ করিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চসিক আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ শপথ বাক্য পাঠ করান। মেয়র বলেন, আপনারা জানেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সুস্পষ্ট লক্ষ্য ছিলো-একটি সমৃদ্ধ জাতি ও উন্নত বাংলাদেশ, দেশের সব মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প নির্ধারণ করেছেন ২০৪১ এর মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ। সেই উন্নত বাংলাদেশের জন্য আমাদের নতুন প্রজন্মকে, আগামীর প্রজন্মকে সব ধরনের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, দুর্নীতি ও যৌতুক থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জনগণের প্রতি যে দায়বদ্ধতা, অঙ্গীকার, জনগণের প্রতি যে সেবা আমরা দিয়ে থাকি সেই অঙ্গীকার থেকে ৪১টি ওয়ার্ডের সব শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, যৌতুক ও দুর্নীতিবিরোধী জনমত তৈরি করতে সভা সমাবেশ করেছি। আজ চট্টগ্রামের এ ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠে মহাসমাবেশের আয়োজন করেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য নগরবাসীকে শপথ করানো। আমরা শপথ করবো- মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও যৌতুক থেকে আমাদের পরিবারকে রক্ষা করবো, এ নগরকে সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদ ও যৌতুক মুক্ত রাখবো। মেয়রের বক্তব্যে চট্টগ্রামের বার আউলিয়া, মাস্টারদা সূর্য সেন, প্রীতিলতা, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, এমএ আজিজ, জহুর আহমেদ চৌধুরী, এমএ হান্নান, এমএ মান্নান, আতাউর রহমান খান কায়সার, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, ইসহাক মিয়াকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, অতীতেও পাকিস্তান আমল থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার ছিলো চট্টগ্রাম। আজ পূর্বসূরিদের দেখানো পথ অনুসরণ করে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে, প্রধানমন্ত্রীর নগণ্য কর্মী হিসেবে আমিও চট্টগ্রাম মহানগরকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, দুর্নীতিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। ওয়ার্ড কাউন্সিলর এইচএম সোহেলের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশ পরিচালনা করেন চসিকের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। প্যানেল মেয়র নিছারউদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, মেয়র নাছিরের মধ্যে চট্টগ্রামের প্রতি ভালোবাসা ও অন্যায়ের প্রতিবাদের সাহস দেখেছি। তিনি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এ মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন। প্যানেল মেয়র জোবাইরা নার্গিস খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চট্টগ্রামকে মাদকমুক্ত করতে আজ আমাদের শপথ নিতে হবে। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা বলেন, মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অলিখিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ওয়ার্ডগুলোতে সমাবেশ করেছেন, জনমত গড়ে তুলেছেন। আজ মহাসমাবেশে চট্টগ্রামের মানুষ মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতিবিরোধী শপথ নিতে এসেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার এক বছরে ৬ বিলিয়ন ডলারের ইয়াবার ব্যবসা করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে। সময় এসেছে মাদক রুখে দাঁড়ানোর। মাদক সহ্য করলে, মাদক আমাদের ধ্বংস করে দেবে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লালদীঘি মাঠে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি প্রতিরোধ মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কয়েকজন মাদকাসক্তের সঙ্গে আলাপের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমরা মাদক খেলে মস্তিষ্ক শেষ হয়ে যায়, পুরুষত্ব নষ্ট হয়ে যায়। নারী হলে বন্ধ্যা হয়ে যায়। লিভার, কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। এত কিছু ক্ষতি করে তোমরা কেন মাদক গ্রহণ করেছো? এ কথা শোনার পর তারা কেঁদে বলে, এ কথাতো কেউ জানায়নি। মাদক খেলে যে মানুষ আর মানুষ থাকে না জন্তু জানোয়ারে পরিণত হয়, সেটি আগে কেউ জানায়নি। তিনি বলেন, মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে বাংলাদেশে তিনশর বেশি মা-বাবা খুন হয়েছে। কীভাবে পেরেছে মা-বাবাকে হত্যা করতে। মাদক গ্রহণের পর তারা আর সন্তান ছিলো না, পুত্র ছিলো না, কন্যা ছিলো না। জন্তু জানোয়ারে পরিণত হয়েছিলো। এ কারণে তারা নৃশংসভাবে আপন মা-বাবাকে হত্যা করতে পেরেছে। কয়েকদিন আগে এক মাদকাসক্ত মা-বাবাকে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন মাদক স্তব্দ করে দেওয়ার আশঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। পৃথিবীর মধ্যে বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। ছোট্ট এ দেশের উৎপাদন বিশ্বকে বিস্মিত করেছে। আপনারা নিশ্চয় জেনেছেন, বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে দ্বিতীয়। সবজি উৎপাদনে দ্বিতীয়। তৈরি পোশাক উৎপাদনের দ্বিতীয়। মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয়। ছোট্ট একটি দেশ বিশ্বের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরছে। এ অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে প্রতিবেশী দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ইয়াবা ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মিয়ানমার ২০১৮ সালে ৬ বিলিয়ন ডলারের ইয়াবার ব্যবসা করেছে। তারা বাংলাদেশ থেকে হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এভাবে মাদক আগ্রাসন চললে উন্নত বাংলাদেশ কখনোই অর্জিত হবে না। তাই আজ সময় এসেছে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা ঘোষণা করেছেন। এর অর্থ কোনোভাবেই মাদককে সহ্য করা হবে না। কারণ মাদককে যদি সহ্য করি তবে মাদক আমাদের ধ্বংস করে দেবে। মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে-মাদককে রুখে দিতে চট্টগ্রামবাসী প্রথম কাতারে আসীন থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, এ যুদ্ধে চট্টগ্রামবাসী জয়ী হয়ে জানান দেবে, চট্টগ্রাম মাদক আগ্রাসনের জায়গা নয়। যেখানে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয় সেখানে জয় সুনিশ্চিত। আরও আন্দোলন দুর্বার করবো, দুর্জয় গতিতে এগিয়ে যাবো। চট্টগ্রামকে মাদকশূন্য করবোই করবো। মাদকের বিরুদ্ধে গর্জন শুনতে চাই। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আছেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম।
রাঙ্গুনিয়ায় ট্রাক সিএনজির সংঘর্ষে সাংবাদিক কামালসহ আহত তিনজন
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকায় লোহা বোজাই ট্রাক এবং যাত্রী বোজাই সিএন জি টেক্সির মুখোমুখী সংঘর্ষে অপরাধ বিচিত্রা পত্রিকার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী আন্দরকিল্লা জেমিসন রেডক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের স্টাফ মামুনা বেগম ও শ্যালিকা ঝুমুর সহ তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।গতকাল ৪ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা ৬ টার সময় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান আহত সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন। স্থানীয় জন সুত্রে জানা যায়, বেপরোয়া গতিতে বিপরীত দিক থেকে আসা চট্টমেট্রো ড-০২০০১৭ ট্রাকটি সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন এর বহনকারী সিএনজি টেক্সিকে ধাক্কা দিলে সিএন জি টেক্সির ভিতরে থাকা ৩ যাত্রী আহত হয়। স্থানীয় জনতা আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তারা চমেকে চিকিৎসাধীন আছে বলে জানা গেছে। এদিকে আহত সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন মোটামুটি সুস্থ আছেন।
৩ দিন আগে লটারিতে জেতা ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আগুনে পুড়ে ছাই
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,হাটহাজারী প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের হাটহাজারী কাঁচা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মো. হোসেন। তিনদিন আগে ব্যবসায়ী সমিতিতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার লটারি জেতেন। লটারির টাকায় জীবনটাকে নতুন করে সাজিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু লটারির সেই টাকা তার ভাগ্যে সইল না। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে শর্টসার্কিটের আগুনে সেই টাকাসহ পুরো বাড়িটাই পুড়ে গেছে হোসেনের। সবজি ব্যবসায়ী মো. হোসেন (৩২) হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউনিয়নের মুহুরীহাট এলাকার আব্বাস আলী সওদাগর বাড়ির মৃত আবুল কাসেমের ছেলে। হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বাজারের সমিতিতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দেন তিনি। জমানো টাকায় ড্র হয় প্রতি মাসে। দু-তিনদিন আগে ভাগ্যের জোরে এবার লটারিতে তার নাম উঠেছিল। পেয়েছিলেন ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া সঙ্গে রেখেছিলেন ব্যবসার ৩ লাখ আর গরু বিক্রির ৫০ হাজার টাকা। রাতের আগুনে সব পুড়ে গেছে। তিনি জানান, রাতে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে তার পুরো পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে। হাটহাজারীর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা জাকের হোসেন জানান, ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত।
আমরা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: চট্টগ্রামে Rab ডিজি
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশকে মাদকমুক্ত করতে হলে মাদকের ডিমান্ড কমাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন Rapid Action Battalion(Rab) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. বেনজীর আহমেদ। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পতেঙ্গা Rab-7 সদর দফতরে আয়োজিত মাদক ধ্বংস ও মাদকবিরোধী প্রচারণা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। ২০১৮ সালের পর থেকে ১০০ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছি, ১ হাজার কোটি টাকার অন্যান্য মাদক উদ্ধার করেছি এবং ৪২ হাজার মাদক ব্যবসায়ীকে জেলে পাঠিয়েছি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে Rab, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের অভিযানের পর মাদকের সহজলভ্যতা কমে গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেটা করে তা হলো মাদকের সাপ্লাই কাট করে। কিন্তু দেশে এখন ৬০ লাখের মতো মাদকসেবী। মাদকের ডিমান্ড যদি থাকে তাহলে দেশকে মাদকমুক্ত করা যাবে না। মাদকের ডিমান্ড কমাতে হবে। Rab ডিজি বলেন, ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেইন আটক হয়েছিল। এর সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী। কিন্তু তারা রক্ষা পায়নি। Rab তাদের গ্রেফতার করেছে। এ মামলা থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু সরকারের আন্তরিকতার কারণে তা পারেনি। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে আটক হওয়া এসব কোকেইন এসেছিল সাউথ আমেরিকার একটি দেশ থেকে। এসব কোকেইনের গন্তব্যস্থান বাংলাদেশ ছিল না, এটি বাংলাদেশ হয়ে সাউথ এশিয়ার আরেকটি দেশে যাচ্ছিল। কিন্তু আমরা তা থামিয়ে দিয়েছি। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, তোমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বে। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়বে। মাদকের বিরুদ্ধে তোমাদের লড়তে হবে।
হেফাজত ও আহলে সুন্নাতের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ নিয়ে চট্টগ্রামে উত্তেজনা
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীতে এক স্থানে একই সময়ে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডেকেছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও হেফাজতে ইসলামী। এ নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দু’দলের নেতাকর্মীদের মাঝে ইতিমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। আগামী বুধবার (৫ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর অক্সিজেন মোড়ে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক দেয় ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও কওমি সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। হেফাজত নেতারা জানান, শানে রেসালত সম্মেলনের আয়োজনে অনুমতির জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জমা দিয়েছেন তারা। অন্যদিকে, জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, মাইজভান্ডার দরবার নিয়ে হেফাজতের আমীর আহমদ শফির কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাআতের বায়েজিদ থানা শাখা সুন্নী সম্মেলন আহ্বান করেছে বলে জানান সংগঠনটির নেতারা। আহলে সুন্নতের মিডিয়া প্রধান মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী এ প্রসঙ্গে বলেন, হেফাজত ইসলামির বিভিন্ন সমাবেশ থেকে মাজার নিয়ে, সুন্নীয়তের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। নিয়মিতভাবে তারা আমাদের কটাক্ষ করে যাচ্ছেন। আমাদের সংগঠনের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, এই ঔদ্ধত্য আর মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সেজন্য আমরা পাল্টা সমাবেশ ডাকতে বাধ্য হয়েছি। আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের নেতা মাছুমুর রশিদ বলেন, হেফাজত কারও ইন্ধনে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। আমরা সম্মেলন করার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি। প্রশাসন যদি অনুমতি দেয়, তাহলে দুটি সংগঠনকেই দিতে হবে। কাউকেই না দিলে আমরা সম্মেলন করবো না। সেক্ষেত্রে শোকরানা মাহফিল করে চলে যাবো। হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাইনুদ্দিন আহমেদ রুহী এ প্রসঙ্গে বলেন, শানে রেসালত সম্মেলন আমরা নিয়মিত বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করি। গত ২৩শে জানুয়ারি বহদ্দারহাটে করেছি। ৫ই ফেব্রুয়ারি অক্সিজেন মোড়ে করবো। ২৯শে ফেব্রুয়ারি আন্দরকিল্লায় করবো। প্রতিবছর বড় আকারে করি লালদিঘীতে। আমরা আগে আয়োজন করেছি। হঠাৎ করে তারা (আহলে সুন্নত) একই স্থানে কেন সমাবেশ ডাকলো, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। পাল্টাপাল্টি এই কর্মসূচি নিয়ে হেফাজত নেতা রুহী বলেন, আমরা তো আগে ডেকেছি। তারা পাল্টা ডেকেছে। ধর্মীয় সমাবেশ নিয়ে পাল্টাপাল্টি করা ইসলাম সমর্থন করে না। আমরা রেসালত সম্মেলন করছি, কাউকে ওহাবি কিংবা সুন্নি বানানোর জন্য নয়। আমাদের বক্তব্য নিয়ে যদি তাদের ভিন্নমত থাকে, তবে অন্যসময় কিংবা একই সময় অন্য স্থানে সমাবেশ ডেকে তারা তাদের বক্তব্য জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে পারতো। কিন্তু একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে সমাবেশ ডেকে তারা পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে বলে আমরা মনে করি। আশা করি, প্রশাসন আমাদের সম্মেলনের অনুমতি দেবে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার আমেনা বেগম এ প্রসঙ্গে বলেন, দুই পক্ষই আবেদন করেছে। আমরা দুই পক্ষকেই বোঝানোর চেষ্টা করছি, তারা যেন দূরত্ব বজায় রেখে করেন অথবা সময় পাল্টে সমাবেশ করেন। এটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলছি আমরা। দেখি কী হয়।
মুক্তিযোদ্ধা ভবনসহ দক্ষিণ পতেঙ্গায় সাড়ে ২৬ কোটি টাকার বাস্তবায়িত প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন মেয়র
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড এলাকায় বাস্তবায়িত ১৬৪ টি রাস্তা উন্নয়ন, ৩ টি ব্রীজ, ৫৯০০ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ৪ টি গাইড ওয়াল নির্মাণ ও ১টি মুক্তিযোদ্ধা ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ২৬ কোটি ১৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আজ ৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ পতেঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর পর্দা উন্মোচন করা হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে বিজয় নগর রাস্তাসমুহের উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ৯'শ টাকা। নিজাম মার্কেট আরসিসি ড্রেইন নির্মান, গুপ্তখাল মাইজপাড়া সড়ক ও চর পাড়া রোড উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়েছে ১০ কোটি ৫৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। একই প্রকল্পের আওতায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো আলাউদ্দিনের জন্য সাড়ে ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিনের হাতে ভবনের চাবি হস্তান্তর করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আমার দায়িত্ব পালন সময়ে ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড এলাকায় মোট ১৪৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা, এডিপি, থোক বরাদ্দ বাবদ অর্থ সহায়তায় ওয়ার্ডে এই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী তে ওয়ার্ড এলাকার উন্নয়নে আরো ৫৫ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত সময়ে এই ওয়ার্ডের কাঙ্খিত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়নি। কেন হয়নি তা আমার চেয়ে এলাকাবাসীই ভাল জানবেন। আমাদের মেয়াদে আমরা যত প্রকল্প গ্রহন করতে পারছি বিগত সময়ে তা করা যায়নি। এর পেছনে সমুহ কারন জড়িত। বিগত সরকারের আমলে দেশে বর্তমানের মত এত বড় বাজেট বরাদ্দ করা হয় নি। আবার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির লক্ষ্য,দূরদর্শীতার বিষয়ও রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ, মহিলা কাউন্সিলর শাহীনুর বেগম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লেঃ কর্নেল সোহেল আহমেদ পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী অসিম বড়ুয়া, প্রকৌশলী আবু সাদাত মো তৈয়ব, প্রকৌশলী আশিকুর ইসলাম,মোঃ আলী, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মো ফরিদুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা সালেহ জহুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সোহেল মাহমুদ,মো গিয়াড উদ্দিন, মো জাবেদ সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলালীগ, ছাত্রলীগসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর