চট্টগ্রামে মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ১৭
২৬জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় একটি মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১৭ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পটিয়া পৌর এলাকার ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার নারায়ণ চন্দ্র ধর বলেন, রাত সাড়ে ১১টা থেকে রোগীদের এখানে আনা হয়। সব মিলিয়ে ১৭ জন দগ্ধ রোগী ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। কয়েকজনের শরীর ২৫ শতাংশের বেশি পুড়েছে। দগ্ধদের স্বজনরা জানান, মাইক্রোবাসটি যাত্রীদের নিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে ধর্মপুর গ্রামে ফিরছিল। রাস্তায় গর্তের মধ্যে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি খায় মাইক্রোবাসটি। এ সময় মাইক্রোবাসের সামনে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে গাড়িতে আগুন লেগে যায়। দগ্ধদের মধ্যে পাঁচ শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে। অনেকের হাত-পা পুড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিভিয়ে আহতদের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।- এনটিভি
কাল চট্টগ্রাম আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ মহাপরিদর্শক
২৬জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ এবং কমিউনিটি পুলিশিং মহাসমাবেশ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগামীকাল ২৭শে জুন চট্টগ্রামে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। বাংলাদেশ পুলিশের প্রায় ২৩০০০ মহিলা পুলিশের মধ্যে সাহসিকতা ও দক্ষতার জন্য প্রতিবছর ১০ জন পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত হন। এরই ধারাবাহিকতায় এই বছর চট্টগ্রামস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ অনুষ্ঠান এবং বিকাল পৌনে চারটায় নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে মাদক, জঙ্গি ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিউনিটি পুলিশিং মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। উভয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এর উদ্দ্যেগে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৩ শে জুন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির উদ্দ্যেগে সংস্থার কার্যালয়ে অদ্য মহানগর চেয়ারম্যান এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরীর সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রদান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সহ-সম্পাদক মোঃ সেলিম উদ্দিন। সভায় প্রদান অতিথি বলেন- বাংলাদেশে মানবাধিকারের জনক হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নেতৃত্বে দেশ স্বাধীনের মাধ্যমে বঙ্গালী জাতির অধিকার আদায়ের মধ্য দিয়ে এই দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। বঙ্গ কন্যার উন্নয়নের চিত্র সকলের কাছে পৌছে দিতে অত্র সংস্থা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন,মহনগর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ইদ্্িরস মোঃ নুরুল হুদা,সংস্থার যুগ্ন মহাসচিব ও পহাড়তলী থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম (বাবুল),আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ ফয়েজ,সংস্থার যুগ্ন মহাসচিব ও মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী মোছাম্মদ জেসমিন সুলতানা,আইন বিষয়ক সচিব এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ,যুগ্ন মহাসচিব মোঃ নুরুল ইসলাম,সাংগঠনিক সচিব মোঃ মঈনুল হোসেন চৌধুরী তুহিন,ধর্ম বিষয়ক সচিব মোঃ কাউছার আলম, দপ্তর সচিব মোঃ আরিফ হোসেন সুমন,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব মঈনুদ্দীন কিরণ,ক্রীড়া সচিব মোঃ জসিম হাওলাদার, তথ্য সচিব মোঃ সারোয়ার জামান সোহেল,মানবাধিকার কর্মি মোঃ ইরফান চৌধুরী,মোঃ ওসমান গনি,ব্যবসায়ী মোঃ খালেদ বিন তানভির,গার্মেন্টস ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মোঃ ফয়েজ,নির্বাহি সদস্য মাহমুদা বেগম শিলা,নারগীছ আক্তার শারমিন,মোঃ কাসেম আবু তাহের,মোঃ জামাল বেপারী,আব্দুল মালেক,বিজয় রঞ্জন পাল প্রমুখ। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন শ্রী বাবু সাধন চন্দ্র দাশ ও রেশমী সুলতানা।
কাজের ক্ষেত্রে ব্যর্থতা বলে কিছু নেই
২৪জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাজের ক্ষেত্রে কেবল প্রতিক্রিয়া বা ফিডব্যাক থাকে, ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। তাই হতাশ না হয়ে নিজেকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে (ইডিইউ) ম্যানেজিং পিপল ইন চেঞ্জিং ওয়ার্ক এনভায়রনমেন্ট শিরোনামে এক কর্মশালায় এসব কথা বলেছেন ড. হিশাম বিন জাকিরিয়া। তিনি প্রথম সারির এএসিএসবি-এক্রেডিটেড বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি ইউনিভার্সিটি উতারা মালয়েশিয়া (ইউইউএম) এর সহযোগী অধ্যাপক। ইডিইউর আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রশাসনে কর্মরতদের কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মক্ষেত্রে সৃজনশীলতা প্রণয়নে দক্ষতা আনতে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, আমরা আর শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে আবদ্ধ নেই। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করছে ইডিইউ। ফলে কাজের পরিসর বড় হয়ে যাওয়ায় ইডিইউতে কর্মরতদের জন্য এই কর্মশালা খুব প্রয়োজনীয় ছিলো। তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তাদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে চায় ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি। তাই তারা যাতে সঙ্কোচ ও দ্বিধা কাটিয়ে পরিপূর্ণভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারে, কাজে নিজের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে, সে অনুপ্রেরণা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করেছি আমরা। এতে কাজের প্রতি প্যাশন তৈরি হয়। কর্মশালা পরিচালনাকারী ড. হিশাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বর্তমান সময়ে সহজ কাজ নয়। কাজের পরিবেশ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে দাপ্তরিক আচরণ, কাজের ধরণ ও গতি। তাই পরিবর্তিত এ পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিয়ে চলতে হলে বদলাতে হবে নিজেকেও। তিনি আরো বলেন, ধকল বা স্ট্রেস আমাদের কাজের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। নিজেকে এই স্ট্রেসমুক্ত রাখতে কর্মক্ষেত্রকে আনন্দময় ও চাপহীন রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সহকর্মীর সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সহকর্মীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা ও সক্রিয় যোগাযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে। নিওরো লিঙ্গুইস্টিক প্রোগ্রাম এর সাহায্যে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা কিভাবে নিজের ও সহকর্মীর মানসিক দক্ষতা বাড়ানো এবং চাঙ্গা রাখা যাবে তার বিভিন্ন কৌশল শেখান ড. হিশাম। তিনি অংশগ্রহণকারীদের আরো নমনীয় হওয়া ও যোগাযোগমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পুলিশী হয়রানী,এ.এস.আই বললেন ভুল বুঝাবুঝি
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,চট্টগ্রাম অফিস,নিউজ একাত্তর ডট কম: লোভী ও অপরাধে জরিত কয়েক জন পুলিশের কারনে পুলিশী সংস্থার দূর্ণাম যেন কোনো ভাবেই দূর করা যাচ্ছেনা।যেনো সর্সের মধ্যে ভুত ।একটি থানায় যদি ওসি ভালো হয় দেখা যায় ঐ ওসির দূর্নাম রটাতে অপরাধের সাথে জরিত অনান্য পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকেন, তেমনী এক ঘঠনা ঘঠেছে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানায়।২১ জুন শুত্রুবার প্রতিদিনের মতো অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ একাত্তর ডট কম ও দৈনিক সবুজ নিশান পত্রিকার ফটো সাংবাদিক সোহেল দৈনিক সবুজ নিশান পত্রিকা নিয়ে পাহাড়তলী থানায় পত্রিকা দিতে গেলে সেকানে দায়ীত্বরত এ.এস.আই রোকসানা ও কনেষ্টেবল মাইনুদ্দিন, সোহেল কে আটক করে মামলা দিয়ে কোটে চালান দেয়ার হুমকী দিয়ে বলেন,পাহাড়তলী থানায় যে কোনো সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে,তুমি পত্রিকা নিয়ে এই থানায় কেনো আসো। এ সময় থানায় অন্য কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।সোহেল উক্ত ঘঠনা তার পত্রিকা অফিসের কর্তৃপক্ষকে জানালে,নিউজ একাত্তর ডট কম এর সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী পাহাড়তলী থানার ওসিকে উক্ত ঘঠনার বিষয়ে অবগত করেন,ওসি তৎখনিক একই থানার এ.এস. আই ধরমেদ্রকে বললে তিনি এসে সোহেলকে ছেড়ে দিয়ে বলেন,তাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে এই ঘঠনাটা হয়েছে।কিন্তু সোহেল তার কাজের পাশাপাশি চট্টগ্রামের সকল প্রশাসনিক স্থানে দৈনিক সবুজ নিশান পত্রিকার সৌজন্য সংখ্যা বিলি করে থাকেন।সেই সুবাধে পাহাড়তলী থানার এ এস আই রোকসানা ও কনেষ্টেবল মাইনুদ্দিন সোহেলকে পূর্ব থেকে চিনতেন এবং জানতেন, সেই কারনে ২১শে জুনের ঘঠনাটা একটি সুপরিকল্পিত বলে ধারনা করা যাচ্ছে।ইতি মধ্যে চট্টগ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে দৈনিক সবুজ নিশান পত্রিকায় বেশকিছু সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিলো।ধারনা করা হচ্ছে ঐ মাদক কারবারীদের সাথে পাহাড়তলী থানায় কর্মরত এ এস আই রোকসানা ও কনেষ্টেবল মাইনুদ্দিনের একটি যোগসূত্র থাকতে পারে,তাদের বিষয়ে কয়েকদিনের মধ্যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।সাংবাদিক সোহেলকে আটক এবং থানায় সাংবাদিক প্রবেশে এএসআই ও কনেষ্টেবলের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে চট্টগ্রাম রিপোর্টাস ইউনিটি,বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য যে, গত কিছুদিন পূর্বে পাহাড়তলী থানার ওসি মাইনুদ্দিনকে নিয়ে উক্ত পত্রিকায় ,মানবিক এক পুলিশ অফিসার পাহাড়তলী থানার ওসি, শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিলো।
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ইপিজেড এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে মোবারক হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় ইপিজেড থানার ফ্রি-পোর্ট এলাকায় এস এ পরিবহন কাউন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ইপিজেড থানার পরির্দশক (তদন্ত) মো. ওসমান গণি জানান, চলতি পথে এক দুর্বৃত্ত হঠাৎ মোবারক হোসেনকে পেটে ও গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের ফরেনসিক মর্গে পাঠিয়েছি। তবে কি কারণে তাকে খুন করা হয়েছে তা তদন্তে জানা যাবে। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরির্দশক মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ইপিজেড থানার পুলিশ মোবারক হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে তার হিমঘরে রাখা হয়েছে।
পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির ট্রাস্ট ও সিন্ডিকেট সভা
২০জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সভাকক্ষে গতকাল ৩২তম ট্রাস্ট এবং ১৯তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও পোর্ট সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি উপস্থিত ছিলেন। সভায় ভার্সিটির অর্থ কমিটি কর্তৃক উপস্থাপিত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ৩৮ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চেয়ারম্যান জহির আহম্মদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তাহমিনা খাতুন, ইস্পিতা আশরাফী হক, প্রফেসর ড. এম. মজিবুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, এহসানূল হক রিজন, ড. আশরাফুল হক, উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরল আনোয়ার, ইউজিসি কর্তৃক মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার মফজল আহমেদ, রেজিস্ট্রার মো. ওবায়দুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. সেলিম হোসেন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সভাপতি ড. রাজিব চক্রবর্তী, ইংরেজি বিভাগের সভাপতি রায়হানা ফাতেমা চৌধুরী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বার কাউন্সিল পরীক্ষা পদ্ধতি সংশোধনের দাবি
১৯জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিটাগং লইয়ারস এন্ড ল স্টুডেন্টস সোসাইটির (সিএলএলএসএস) মানববন্ধন গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিএলএলএসএসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি অ্যাড. কেআরএম খাইরুদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী হিরুর সভাপতিত্বে প্রচার-প্রকাশনা ও গণমাধ্যম সম্পাদক জয়ন্ত তালুকদারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. পল্টন দাশ। আরো বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি অ্যাড. মো. ইমরান অ্যাড. সুদীপ্ত বিশ্বাস, অ্যাড. সুব্রত শীল রাজু, অ্যাড. সামাদ হোসেন জুয়েল, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হাসান আলী রোমান, অ্যাড. ফিরোজ উদ্দীন তারেক, অ্যাড. মাহামুদুল হক সোহেল, অর্থ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ শাকিল, অ্যাড. এইচ এম নাওশাদ আলী, মো. সাইসুফ ইসলাম, মো. আখতার হোসাইন, রাজীব ভট্টাচার্য্য। উপস্থিত ছিলেন ব্লার সভাপতি অ্যাড. সুলতান মহিউদ্দিন জনি, অ্যাড. সাদিকুল হক ফরিদি, সৈয়দ নাদিমুল আহাসান, সমিত চক্রবর্তী (অমিত), অনিক হাওলাদার, মো. আবুল আহাদ, নাজমুল হোসেন রাসেল, মো. আব্বাস আলী খান জাবেদ, সাইফুল ইসলাম, শামিমা আকতার, রাজেশ বড়ুয়া, অভিরাজ খাস্তগীর, আসিফ ইকবাল, রেহেনা আক্তার, আলাউদ্দীন সুমন প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যেখানে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা গ্রেজুয়েশন শেষ করে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার বলতে পারেন সেখানে একজন আইনের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট হিসেবে পরিচয় দিতে পারে না। আইনের শিক্ষার্থীদের চার-পাঁচ বছর পড়াশোনা করেও আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা দিতে আরো ২/৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়। যা খুবই হতাশাজনক। অ্যাডভোকেট হওয়া একজন আইন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। আর সে স্বপ্নের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তিন স্তর বিশিষ্ট পরীক্ষা পদ্ধতি। বক্তারা অচিরে এই তিন স্তর বিশিষ্ট পরীক্ষা পদ্ধতি সংশোধন করে বার কাউন্সিলের দীর্ঘসূত্রতা কমানোর দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারে লাভবান হবে দুই দেশ
১৮জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব লাভের পর চট্টগ্রামে এসে গতকাল সোমবার মেয়র দপ্তরে প্রথমেই সিটি মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতীয় এ কূটনীতিক। সিটি মেয়র নবনিযুক্ত হাইকমিশনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এক অনবদ্য ইতিহাস। সমগ্র ভারতবাসী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তথা ভারত সরকার এবং বিএসএফ ও ভারতীয় সৈন্যদের কিংবদন্তি সাহায্য-সহযোগিতা ও আত্মত্যাগের সফল পরিণতি বাংলাদেশ। এমনকি সে সময়ে ভারত বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিল। বাংলাদেশের জন্য ভারতবাসীর এতটা ত্যাগ ও ভালোবাসা বিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা বলে তিনি উল্লেখ করেন। নবনিযুক্ত হাইকমিশনার চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সিটি মেয়র বলেন বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে সক্ষমতা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বন্দরের সক্ষমতার জন্য প্রধান মন্ত্রী নিজেই উদ্যোগী হয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বন্দরের সক্ষমতা আরো বৃদ্ধির জন্য বে-টামিন্যাল, কন্টেইনার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে বন্দরে যে সক্ষমতা আছে,তা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে হাইকমিশনারকে অবহিত করেন। এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন প্রতিনিয়ত ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার পরিবহন চট্টগ্রাম বন্দরের গমন-বর্হিগমন করে থাকে। চট্টগ্রাম পোর্ট কানেকটিং রোডই এর একমাত্র মাধ্যম। এই সড়কটি বন্দরের প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম হলে ও অতীতে পরিকল্পিত ভাবে সড়কটি নির্মাণ করা হয়নি। বর্তমানে জাইকার অর্থায়নে পরিকল্পিতভাবে এই সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে তিনি উপস্থিত হাইকমিশনারকে জানান। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রকল্প মাতারবাড়ি ডিপ সি-পোর্ট, মিরাসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মানাধীন ট্যানেলসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলমান উন্নয়ন সর্ম্পকিত বিষয়াদিও আলোচনায় তুলে ধরেন। নবনিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাশ চট্টগ্রাম নগরকে গ্রীন ক্লিন রুপান্তরে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সম্ভাবনাময় এই চট্টগ্রাম। উন্নয়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম অনেকদূর এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন এগিয়ে যাক ভারত সরকারও তা চায়। এতে ভারতের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকতে ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশকে ভারত সবসময় বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসাবেই দেখে বলে দু দেশের জনগণের মধ্যেও বন্ধুত্বপুর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখি ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলে শ্রমবাজার, কর্মসংস্থান, পুঁজি বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দু দেশের জনগণের আর্থিক উন্নতি ঘটবে। চট্টগ্রাম নগরীর জন্য ভারত সরকারের প্রদত্ত এলইডি প্রকল্প সম্পর্কে মেয়র বলেন, অতি শীঘ্রই এই প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হবে। এই প্রসঙ্গে মিস রিভা গাঙ্গুলী বলেন, দু দেশের বন্ধুত্বে নির্দশন হিসেবে নমনীয় ঋণ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রামে এলইডি প্রকল্প উপহার দিয়েছেন ভারত সরকার। এটা ভারত সরকারে গ্রাউন্ড ওয়ার্ক। শুধুমাত্র ঘর-গৃহস্থালির কাজেই নয়, এলইডি বাল্বের সাহায্যে আলোকিত হবে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের পথ-ঘাটও। জ্বালানী সাশ্রয়ী এলইডি বাল্বের সাহায্যে অতিরিক্ত উৎপাদন খরচ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব এবং পরিবেশ রক্ষাও সহায়ক বলে তিনি সিটি মেয়রকে জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চসিক প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর