বুধবার, মে ২৭, ২০২০
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার থাকবে :চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার
বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ অস্ত্রের চালান আসতে পারে। নির্বাচন বানচাল, ভোট কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা প্রদান, নকল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেয়া, নির্বাচনের দিন অথবা আগে ও পরে দেশে যে কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে মাস্টারপ্ল্যান আছে - এমন সংবাদ শোনা যাচ্ছে। সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান আরো বৃদ্ধিকরণসহ এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরো জোরদার করতে হবে। নির্বাচনে যে কোন অপরাধ ঠেকাতে পুলিশ, র;্যাব ও বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ভোট কেন্দ্র ও আশপাশে সতর্কাবস্থানে থাকবে এবং তারা টহল জোরদার করবে। সেনাবাহিনী নির্দিষ্ট জায়গায় অবস্থান নেবে ও প্রয়োজনে নির্বাচনী এলাকায় প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আমরা যাতে কোন ধরনের বিতর্কে না জড়ায় সে বিষয়টা দেখতে হবে। নির্বাচনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যখন যেখানে যা প্রয়োজন তা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন নির্বাচন কমিশন। আর কয়েকদিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি ফোন করে হত্যার ও হুমকি দিচ্ছে। আমাদেরকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। প্রতিটি মুভমেন্টে রিটার্নিং অফিসারগণ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকতে চায়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও নির্বাচনের রিটানিং অফিসারের নিরাপত্তা বিধান করার দায়িত্ব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং বিভাগের অন্যান্য জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারকে নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজির উপর বর্তায়। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রয়োজন। আজ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্সের সভা, বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস এই সভাগুলোর আয়োজন করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপসহ দেশে যাতে কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সে জন্য চলতি মাস থেকে আগামী জানুয়ারি মাস পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে থাকতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সড়ক, নৌপথ ও সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে মাদকের সাথে অস্ত্রের চালান আসতে পারে। বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঘটনাও বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করার জন্য ও নজরদারি বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনে মানুষ যাতে আনন্দের সঙ্গে ভোট দিতে পারে সে পরিবেশ তৈরি করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অস্ত্র, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে পর্যাপ্ত চেকপোস্ট কার্যক্রম আরো জোরদারের পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের অভিযান বৃদ্ধি করতে হবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন অগ্রাধিকার বিধায় রিটার্নিং অফিসারদের নিরাপত্তা দেয়া হবে। আশাকরি সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে জাতিকে সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারব। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে ৫৯৭টি ভোট কেন্দ্রে ১৯ লক্ষ ২০ হাজার ভোটার রয়েছে। রিটার্নিং অফিসারকে হুমকি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে সিএমপি কমিশনারের সাথে কথা বলে আজ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম নগরীতে কোন ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা করছি না। এরপরও সিএমপির পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠিত পৃথক সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আদিল চৌধুরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, বিজিবি বান্দরবানের উপ-মহাপরিচালক সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জহিরুল হক খান, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক সামছুল আলম, র;্যাব-৭ পরিচালক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন ও কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মেহেদী, এনএসআইর উপ-পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ড. মো. গোফরান ফারুকী, ফেনী জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দেবময় দেওয়ান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. মাসুদ হোসেন, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শওকত ওসমান, রাঙামাটি জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শফি কামাল, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদ হোসেন সিদ্দিক, খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী মো. চাহেল তস্তুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ বনসংরক্ষক জিএম মো. কবির, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, জেলা পিপি একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বৃহত্তর পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশনের সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডার মো. সাহাবউদ্দিন প্রমুখ। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া। সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নৌকা প্রতীকের সমর্থনে মহিলা সমাবেশ রিজিয়া রেজা
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনে মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী'র সমর্থনে ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন মাঠে সকাল এগারটায় আয়োজিত বিরাট মহিলা ও এলাকার মুরব্বী সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ড. আবু রেজা নদভীর সহধর্মিনী রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, অতীতের সকল গ্লানী ধূয়ে মুছে সাতকানিয়া লোহাগাড়ার নারী-পুুরুষ, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার মাঝে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পক্ষে নৌকার সমর্থনে যে অভূতপূর্ব জোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে তা রুখবার সাধ্য কারো নেই। ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের অপব্যবহার করে ভোটারদের, বিশেষ করে মহিলা ভোটারদের বিভ্রান্ত করার দিন শেষ উল্লেখ করে মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, ড. আবু রেজা নদভী এমপি কেবল একজন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিই নন; উঁচু মাপের আলেমেদ্বীন ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলারও। তিনি আগামী ৩০ ডিসেম্বর এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের আহবান জানান। পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মুজিবুল হক টিটুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি ডা. জয়নাল আবেদীন, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, পদুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবছার আহমদ, পদুয়া তাঁতীলীগের সভাপতি শাব্বীর আহমদ, সাধারন সম্পাদক মহি উদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মোঃ জুনাইদ, বার আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম, মদিনা আওয়ামী ফাউন্ডেশন এর দপ্তর সম্পাদক কচির আহমদ কাইছার, পদুয়া ইউপি সদস্য মোঃ কাউসার, রেনু আক্তার, রেহেনা আক্তার, যুবলীগ নেতা মোঃ সেলিম, মোঃ শহিদ, ছাত্রলীগ নেতা মকসুদুর রহমান, আসিফ ইফতেখার, মোঃ তারেক, মোঃ সাইদী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সনাতনী নাগরিক সমন্বয় কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় নওফেল
চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, এদেশের সনাতনী জনগণ সবসময় স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তিকে ভোট দিয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সনাতনী জনগণই সবচেয়ে বেশী ত্যাগ স্বীকার করেছে। আগামী নির্বাচনে তিনি সবার নিকট নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। সনাতনী নাগরিক সমন্বয় কমিটি চট্টগ্রামের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। চট্টল বীর মরহুম এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী’র চশমা হিলস্থ বাসভবনে সংগঠনের আহ্বায়ক ও রাউজান পৌরসভার মেয়র দেবাশীষ পালিতের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি এড. চন্দন তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. তপন কান্তি দাশ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা পান্টু লাল সাহা, মহানগর জন্মাষ্টমী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতকর দাশ টুনু, মহানগর পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ দাশ, শচীনন্দন গোস্বামী, বিদ্যালাল শীল, লায়ন আশীষ ভট্টাচার্য, লায়ন তপন কান্তি দাশ, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, রানা বিশ্বাস, ডা: বিধান মিত্র, লায়ন দিলীপ ঘোষ, চন্দন দে, সাধন চৌধুরী, বিপ্লব চৌধুরী, রবি শংকর আচার্য, সাধন মুহুরী, পুলক খাস্তগীর, সুজিত দাশ, ডা: অঞ্জন কুমার দাশ, কাউন্সিলর নিলু নাগ, শিবু প্রসাদ দত্ত, হিল্লোল শীল উজ্জ্বল, দেবাশীষ নাথ দেবু, সঞ্জয় ভৌমিক কঙ্কন, বিপু ঘোষ বিলু, প্রফেসর অঞ্জন দত্ত, এড. টিপু শীল জয়দেব, রাজীব চৌধুরী মিল্টন, লিটন শীল, ইঞ্জিনিয়ার সৈকত দাশ, ইঞ্জিনিয়ার অমিত ধর, স্টালিন দে, অপু দেব, তারাপদ দাশ, গোপাল দাশ টিপু, অমিত ঘোষ, রিপন রায় চৌধুরী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নৌকা প্রার্থী ড. নদভীর ব্যাপক গণসংযোগ
সকাল থেকে মধ্যরাত অবধি সাতকানিয়া লোহাগাড়ার অলিগলিতে ও পাড়া মহল্লায় বিরামহীন গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তৃতার মাধ্যমে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে পুনরায় জয়যুক্ত করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভোটারদের প্রতি আহবান জানিয়ে যাচ্ছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ড. আবু রেজা নদভী। ১৯ ডিসেম্বর সাতকানিয়ার ছদাহা মিঠাদীঘির পাড়, ছৈয়দাবাদ, কইরিয়াননগর, হোচননগর, চিববাড়ী, ছৈয়দ পুকুর পাড় এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ছাড়াও বারদোনা-গারাংগিয়া শাহ মজিদিয়া মার্কেট চত্বর ও ছদাহা টাইম ক্যাফে চত্বরে পথসভায় বক্তব্য রাখেন মহাজোট মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী। সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিচ, সাংগঠনিক সম্পাদক এড. জহির উদ্দীন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আফছার চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বশির আহমদ চৌধূরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মোনাফ, সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মদ লিটন, জসিম উদ্দিন, হোছাইন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দীন, মোহাম্মদ শাহজান, সাতকানিয়ার পৌর মেয়র মোহাম্মাদ জোবায়ের, সম্পাদক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নজরুল সিকদার, সাবেক চেয়ারম্যান ছরওয়ার উদ্দীন চৌধুরী, অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফরিদুল আলম, চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দীন, চেয়ারম্যান তছলিমা আক্তার, সাতকানিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নসিমুল করিম সিকদার, সাধারন সম্পাদক হারুনুর রশিদ, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি লুৎফর রহমান,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হারেজ মোহাম্মদ, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আজিজ প্রমুখ। বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্যে ড. আবু রেজা নদভী বিগত পাঁচ বছরে দীর্ঘ উন্নয়ন বঞ্চিত সাতকানিয়া লোহাগাড়ার উন্নয়নে নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর গৃহীত ভবিষ্যত মেগা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়িত হলে সাতকানিয়া লোহাগাড়া হবে দেশে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকা মার্কায় দিয়ে বাকি কাজ সম্পন্ন করার সুযোগদানের জন্য জনগনের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
হাটহাজারী মোমবাতি প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজীদ আংশিক) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ নঈমুল ইসলামের মোমবাতি প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় আজ ১৯ ডিসেম্বর বুধবার সকালে হাটহাজারী বাসস্ট্যন্ডে জেবল বিল্ডিং এ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজীদ আংশিক) আসনের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ নঈমুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নান। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশের জনপ্রত্যাশা ক্রমেই ম্লান হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষমতাসীনদের দাপটে প্রতিদন্ধী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বিঘœ ঘটছে। প্রার্থীর কর্মি সমর্থকদের মামলা-হামলার হুমকি দেয়া হচ্ছে। বিপরীতে অনেক মন্ত্রী, এমপি সরকারি প্রটোকল নিয়ে ভোট চাচ্ছে। এধরণের পরিবেশ কোনভাবেই কাম্য নয়। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো প্রতিষ্ঠা হয়নি। একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে আরো দৃঢ়তা ও প্রত্যয় নিয়ে সব দলের প্রতি সমান আচরণ করার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, হাটহাজারীতে জনবিচ্ছিন্ন এলিট শ্রেণির নেতা ও বার বার ওয়াদা ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ একাট্টা হয়ে পরিবর্তনের লক্ষ্যে মোমবাতিতে ভোট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতি ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মত ঘটনা না ঘটলে হাটহাজারীতে মোমবাতির বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন আল-আযহারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সচিব অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ তৈয়ব আলী। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াসিন হোসাইন হায়দারী, সহ-সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ছিদ্দিকী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আকতার হোসেন, মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রেজভী, হাফেজ মাওলানা ইনুচ সিকদার, যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি মাস্টার মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ শহীদ উল্লাহ্, ইসলামী ফ্রন্ট হাটহাজারী সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মুনীরুর রহমান খসরু, পৌরসভা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ হারুন সওদাগর, মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়া, মাওলানা কামাল পাশা চৌধুরী, সৈয়দ মাওলানা জিয়াউর হক, মাওলানা মুহাম্মদ আলমগীর, মুহাম্মদ কাজী আমান, মুহাম্মদ আবু তালেব আলকাদেরী, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন বাবুল , মাওলানা আইয়্যুব আলী, মাওলানা মুহাম্মদ নূরুল আমিন হোসাইনী, যুবনেতা এম ছগীর আহমদ, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম রেজভী, মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ জাবের, ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, চবি সভাপতি মুহাম্মদ ইদ্রীস, মুহাম্মদ জানে আলম সুমন, মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন রুবেল, হাফেজ তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইব্রাহীম, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ শফিউল আলম, মুহাম্মদ সাহেদুল আলম, এইচ এম নাঈম উদ্দিন, মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ, মুহাম্মদ আলা উদ্দিন, মুহাম্মদ হাসান রেযা, মুহাম্মদ মহি উদ্দিন, মুহাম্মদ সাজ্জাদুল হক আরফান, মুহাম্মদ ফয়সাল হোসেন জনি, মুহাম্মদ আরিফ হোসেন আজাদ, মুহাম্মদ সুমনসহ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রেলে ওঠতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু বোয়ালখালীতে
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে রেলে ওঠতে গিয়ে পা পিছলে প্রাণ হারালেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (৬৮) নামের এক বৃদ্ধ। ১৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোমদন্ডী রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উপজেলার কধুরখীল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের পেয়ারী বাপের বাড়ীর মরহুম আবদুল আজিজের ছেলে। তার দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। নিহতের ছেলে বেলাল জানান, বিকেলে পটিয়া উপজেলা একটি মাজারে যাওয়া উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হন তিনি। এরপর এ ঘটনার খবর পেয়ে স্টেশনে ছুটে এসেছেন। গোমদন্ডী রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরী থেকে আসা যাত্রীবাহী রেলটি দোহাজারীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এরপর স্টেশনের সামনের রেল লাইনের পাশে এক বৃদ্ধকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। চট্টগ্রাম জিআরপি থানাকে খবর দেয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীর জানান, স্টেশনের রেলে জন্য অপেক্ষা করতে বৃদ্ধকে দেখা গিয়েছিলো। সন্ধ্যায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় রেল লাইন কাদা মাটিতে পিছিল ছিল। বৃদ্ধ লোকটি পাশের একটি চায়ের দোকানে চা খেয়ে তড়িঘড়ি করে রেলে বগিতে উঠতে গিয়ে পা পিছলে রেল লাইনে স্লিপারে পড়ে যান। স্টেশনে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় ও প্ল্যাটফর্ম থাকা স্বত্ত্বেও রেল অন্য লাইনে আসায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে দুষছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ভোটের দিন রোহিঙ্গা ক্যাম্প সিল করার নির্দেশ : ইসি সচিব হেলালুদ্দীন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন কক্সবাজারের সব রোহিঙ্গা ক্যাম্প সিল করে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল ‍হুদা। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ১০ লক্ষ রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পগুলো কমপ্লিট সিল করে দিতে হবে। ভোটের দিন কেউ যাতে বের হতে না পারে। রোহিঙ্গারা টাকার বিনিময়ে কক্সবাজারের বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। ইসি সচিব বলেন, রিটার্নিং অফিসাররা সকল প্রার্থী অথবা তাদের এজেন্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ফেলবেন। রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষ করতে হবে। মাঠপর্যায়ে যারা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা থাকবেন, তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। নির্বাচনি পরিবেশ যাতে শান্ত থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন করবেন না যাতে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে- নির্বাচন কমিশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমরা একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুজ্জামান, বিজিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আদিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আবু আশরাফ, সেনাবাহিনীর ২০১ পদাতিক ব্রিগেডের অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রশিদ, রামু রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আইনুল পাঠান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি গোলাম ফারুক, সিএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান।
চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী ১৪৪ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইভিএম
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসনের ১৪৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের জন্য ৯২০টি ইভিএম (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসে এসে পৌঁছেছে। সেখান থেকে গতকাল ইভিএমগুলো প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। কারণ, ভোটারদের উদ্ধুদ্ধ করতে ১৪৪ কেন্দ্রে ভোটের আগে ইভিএমে আরেক দফা ভোট দেওয়ার আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএমে মক ভোটিং শুরু হচ্ছে। ভোটাররা ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইভিএমে মক ভোট দিতে পারবে। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের মধ্যে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসনেই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হবে। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে কোতোয়ালী আসনের ভোটাররা বেশ সচেতন বলে জানান কোতোয়ালী আসনের নির্বাচন কর্মকর্তা আশরাফুল আলম। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের ইভিএমএ বেশ আগ্রহ। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী আসনসহ দেশের ৬টি আসনে ইভিএমের (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান জানান, কোতোয়ালী আসনের প্রতিটি কেন্দ্রের ইভিএম আমাদের কাছে পৌঁছেছে। কোতোয়ালী আসনে মোট ১৪৪ ভোট কেন্দ্রের ৭২৫টি কক্ষের জন্য ৯২০টি ইভিএম দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কক্ষের জন্য একটি করে ৭২৫টি ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত আরো ১৯৫টি ইভিএম কেন্দ্রে রাখা হবে। চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানা গেছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর যারা ইভিএম-এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এদিকে গত শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইভিএম বিষয়ে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ইভিএমর মাধ্যমে ভোট গ্রহণের পদ্ধতি ও বিভিন্ন সুবিধার কথা তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেছেন, সাধারণত বুথগুলোতে ভোট গ্রহণের জন্য ভোটার তালিকা, ব্যালট পেপারসহ যেসব সরঞ্জমাদি থাকে ইভিএম মেশিনে ব্যালট পেপার বাদে সবই থাকবে। ইভিএম মেশিনে ৬শ জনের মতো ভোটার ভোট দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও এটা কমিয়ে আমরা সংসদ নির্বাচনে একেকটি বুথে শ জন ভোটারের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি রেখেছি। এ শ জন ভোটারের বাইরে কোন ভোট গ্রহণ হবে না। ভোটারদের চারটা আঙুলের যেকোন একটি ছাপ মেশিনে বসালে সাথে সাথে ওই ভোটারের সম্পূর্ণ আইডি ডিসপ্লেতে দেখা যাবে। এখানে আইডেন্টিফিকেশনের ব্যাপারে শতভাগ কনফার্ম থাকায় একজনের ভোট আরেকজনের পক্ষে কোনভাবেই দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এ কর্মকর্তা।
নৌকার জন্য একাট্টা দিদার-মামুন
নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে নৌকার প্রার্থী দিদারুল আলমের জন্য ভোট চাইলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আল মামুন। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি নৌকা মার্কায় ভোট চান। এ ব্যাপারে এসএম আল মামুন বলেন, শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী দিদারুল আলমকে জয়ী করে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে । সব বিভেদ ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়, ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আবার নৌকায় ভোট দিয়ে নৌকাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আল মামুন। গণসংযোগকালে দিদারুল আলমের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড মুরাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহেদ হোসেন নিজামী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রেজাউল করিম বাহার, মুরাদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম, সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, উপ প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল বারি পিন্টু, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন প্রমুখ। দিদারুল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সীতাকুণ্ডের আসন উপহার দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি আমরা। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নবার্তা প্রত্যেক ভোটারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর