দু:স্থদের মাঝে সেলাই মেশিন ও অর্থ বিতরণ
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কমমানুষের জন্য মানুষ এই শ্লোগানকে ধারণ করে দু:স্থ পরিবার ও অনাথ আশ্রমের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন নিকেতন পরিবার। সেবামূলক ও মানবকল্যাণমূখী এই সংগঠন নিকেতন পরিবারের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার (৩ মে) বিকেল ৪ ঘটিকায় চট্টগ্রাম নগরীর তুলসী ধামে এক অনাড়ম্বব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমা দত্ত নামের একটি দু:স্থ পরিবারকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় অনাথ আশ্রমের শিক্ষাথীদের জন্য। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ সমীর কান্তি দাশ। সভাপতি তার বক্তব্যে হিন্দু সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনমানুষের কল্যাণের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে নিকেতন পরিবার। যেহেতু সংগঠনের সদস্যদের মাসিক চাঁদা ও সামান্য তহবিল নিয়ে সব সময় প্রয়োজনুসারে সাহায্য করা সম্ভব হয় না। এই জন্য সভাপতি তার বক্তব্যে সমাজের বৃত্তবানদের প্রতি আহবান জানান দরিদ্র ও অনগ্রসর জনসমাজের কল্যাণে সকলকে এগিয়ে আসার জন্য। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য ডাক্তার রবিন ভট্টচার্য্য, কিশোর দেওয়ানজী, সনজয় চৌধুরী, অধ্যক্ষ প্রদীপ চৌধুরী, এডভোকেট স্বপন বিশ্বাস, প্রদীপ দত্ত, রেশন উন্নয়ন বোর্ড রাঙামাটির পরিচালক কাঞ্চন বরন ॥প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রমজানে টেরীবাজার সড়ক একমুখী ও যানজট মুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের ডিসি ট্রাফিক (উত্তর) হারুন উর রশিদ হাযারী পবিত্র মাহে রমজানে চট্টগ্রামের প্রধান ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ্র টেরীবাজার এলাকার আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ যানজটমুক্ত রাখার সব রকমের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্রেতাসাধারণের সুবিধার্থে টেরীবাজার সড়ককে একমুখী রাখার পাশাপাশি এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পণ্যবাহী ট্রাক ভিন্ন পথ দিয়ে চলাচলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, টেরীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নিজস্ব সিকিউরিটি গার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশও সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবে। তিনি আজ ২ মে বৃহস্পতিবার টেরীবাজার সড়ক ওয়ান ওয়ে ও যানজট মুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। টেরীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আহমদ হোছাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, পিআই কোতোয়ালি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, টি.আই মোহাম্মদ আবছার উদ্দিন, বক্সিরহাট ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুজ্জামান, আলহাজ খাইরুল ইসলাম কক্সী, আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন। উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাঈল, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আলহাজ্ব আবদুল হান্নান, আলহাজ্ব ওসমান গণি, আলহাজ্ব নুরুল আবছার, আলহাজ্ব দিদারুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ মুছা, আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম, আলহাজ্ব ফজল আহমদ, আবদুল করিম, আলহাজ্ব আবুল মনসুর, মনছুর আলম ইমন, আলহাজ্ব আবুল কালাম কালু, মোহাম্মদ ইব্রাহিম পারভেজ, মোহাম্মদ ওসমান গণি, আলহাজ্ব আবু তাহের, মাওলানা মোহাম্মদ এমরানুল হক যাইয়েদ, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ মনজুর এলাহী প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার মোড়ে যত্রতত্র অবৈধ গাড়ির পার্কিং
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার মোড়ে যত্রতত্র অবৈধ গাড়ির পার্কিং এর কারণে যানযট লেগে থাকে। সারাক্ষণ এতে সাগরিকা শিল্প এলাকা সহ অফিস আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারিদের পরতে হয় বিড়ম্ভনায়। অলংকার মোড়ের আলিফ হোটেলের গলি,সাইমুন হোটেলের সামনে,পুলিশ বক্সের সামনে থেকে এখে.খান মোড় পর্যন্ত রাস্তার উপর যত্রতত্র গাড়ি দারিয়ে থাকার কারনে জানযট লেগেই থাকে প্রতিনিয়ত। অভিযোগ রয়েছে সরকার দলীয় বেশ কিছু বড় ভাইদের ছত্রছায়ায় এবং অলংকার পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের উৎ কোছ বানিজ্যের কারনেই এই জানযট। ছোট ৩ ছাকার মেক্সীমা গাড়ি যে গুলিতে বৈধ কোন কাগজপত্র নেই সেই গাড়ি গুলো আলিফ হোটেলের সামনে থেকে বিটাক বাজার বা সাগরপাড় পর্যন্ত চলে। উক্ত গাড়ি থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে এক দেরশত টাকা পর্যন্ত দৈনিক প্রাতিগাড়ি থেকে নেওয়া হয়। উক্ত টাকার ভাগ অলংকার পুলিশ বক্সেও দায়িত্বরত কর্তা থেকে শুরু করে বড় ভাইরা পর্যন্ত পেয়ে থাকে। ঐ টাকার ভাগভাটোয়ারা নিয়ে মাঝে মধ্যে বড় ভাইদের সাথে ছোট ভাইদের বিরোধ হলেও পরে তাদের মধ্যে সমঝোতা হয়। শুধু ঐ রোডে নয় হোটেল সাইমুনের সামনে এবং অলংকার মোড় থেকে এখে.খান পর্যন্ত যত গাড়ি পার্কিং করে সব গাড়ি থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাইমুন হোটেলের সামনে যে পার্কিং টি রয়েছে উক্ত পার্কিংয়ের কারনে ইতি মধ্যে বেশ কয়েকজন পথচারী আহত হয়েছেন বলে সূত্রে জানাগেছে। আসন্ন রমজানে উক্ত এলাকায় আরো বড় ধরনের জানযটের আশংঙ্কা রয়েছে। উক্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার, ট্রাফিক ডিসির সাথে কথা বলে খুব শিগ্রই অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করা হবে।
কুতুবদিয়া উপকূলের ২০ গ্রাম প্লাবিত
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪/৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে শুক্রবার উপকূলিয় এলাকা কুতুবদিয়ার ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সহযোগিতায় প্লাবিত এলাকার প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে। পূর্বে থেকে উপজেলা প্রশাসন সতর্ক থাকায় জানের তেমন ক্ষতি হয়নি, মালামালের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে।কুতুবদিয়া উপকূলে জোয়ারের প্রভাবে উপকূলের কৃষক ও লবণচাষীদের কোটি কোটি টাকার ফসল ও লবণ নষ্ট হয়েছে। দ্বীপের ৪০ কিলোমিটিার বেড়িবাঁধের মধ্যে ১৪ কিলোমিটার বাঁধ ভাঙা রয়েছে। স্বাভাবিক জোয়ারের পানির চেয়ে উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়তলী থানার পক্ষথেকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি
মো:ইরফান চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম ,চট্টগ্রাম: ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো:মঈনুর রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়তলী থানার সকল পুলিশ সদস্যদের সম্বনয়ে উক্ত থানাধীন জেলে পাড়া ও সাগরীকা সমুদ্র পাড়ের উপকুলীয় অঞ্চলে মাইকিং করে প্রচারনার মাধ্যমে এলাকা বাসিকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ে জানমালের নিরাপত্তার জন্য পাহাড়তলী থানার পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়।পাহাড়তলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মঈনুর রহমান নিউজ একাত্তর ডট কম এর সাংবাদিক মো: সোহেলকে বলেন, সারাদেশের ন্যায় জনগনকে সচেতন করতে এবং তাদের কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে আমি নিজে আমার থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সাগরীকা সমুদ্র পাড় ও জেলে পাড়ায় মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচারনা করি এবং আমাদের সহায়তায় অনেক পরিবারকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হই।উল্লেখ্য, সারা রাত ফনি সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল অঞ্চলের দিক থেকে ফরিদপুর, ঢাকা হয়ে ভারতের মেঘালয়ের দিকে যাবে।ইতিমধ্যে ঘূণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। শুক্রবার সকালে ঢাকায়ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহ খানেক ধরে তীব্র দাবদাহের পর এই বৃষ্টি নগরজীবনে কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনলেও সবচেয়ে বেশি কাজ করছে শঙ্কা।ঢাকার আশপাশের জেলায়ও শুক্রবার বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। দিনভর থেমে থেমে এই বৃষ্টি থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
চট্টগ্রামে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণী আঘাত হানার শঙ্কায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৮ লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার (২ মে) সকাল থেকেই উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এসব আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিং শুরু করে জেলা প্রশাসনের একাধিক টিম।জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় রেড ক্রিসেন্টের ১০ হাজার ও সিপিপির ৬ হাজার ৬৬০ স্বেচ্ছাসেবক, ২৮৪টি মেডিকেল টিম, পর্যাপ্ত ওষুধ, ৫০ হাজার পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং ১ হাজার ৪০০ পিস হাইজিন কিডস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সংগ্রহ করা হচ্ছে আরও ১ লাখ পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট।এছাড়াও সহায়তা দিতে নগদ অর্থ, ২২৭ মেট্রিক টন চাল, ৭০০ বান্ডিল ঢেউটিন, ৬ হাজার ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রেখেছে জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ জন্য তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আমরা রাখছি।
চট্টগ্রামের প্রথম গ্রিন গেইটেড কমিউনিটি সিপিডিএল সুলতানা গার্ডেনিয়াধ
০১মে ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সবুজ ঐতিহ্যের অনন্য দেবপাহাড়ের শান্তিময় পরিবেশে ৭১ কাঠা জায়গার উপর নির্মীয়মান চট্টগ্রামের প্রথম গ্রিন গেইটেড কমিউনিটি সিপিডিএল সুলতানা গার্ডেনিয়া। আনুষ্ঠানিক যাত্রার পর গ্রাহকদের ব্যাপক সাড়ায় জমে উঠেছে এর বিক্রয় সেবা কার্যক্রম গ্রা্যান্ড লঞ্চিং এক্সপো। নানা শ্রেণি-পেশার গ্রাহকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে সিপিডিএল সুলতানা গার্ডেনিয়া প্রকল্প প্রাঙ্গণটি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, ব্যাংকারদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও আসছেন এ মেলায়। সিপিডিএলের এই বিক্রয় সেবা কার্যক্রমে গ্রাহকদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু প্রকল্প প্রাঙ্গণে স্থাপিত প্রকল্পটির শিশুদের জন্য বিনোদনকেন্দ্রিক সুবিধাসমূহের ডেমো যেটি আগত গ্রাহকদের প্রকল্পটি সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা দিচ্ছে। দক্ষিণমুখী চারটি টাওয়ারে ১৫৫টি অ্যাপার্টমেন্ট নিয়ে পরিকল্পিত হয়েছে প্রকল্পটি। সবুজকে প্রাধান্য দেওয়া প্রকল্পটিতে চারটি টাওয়ারের মাঝখানের অংশে থাকছে চমৎকার গ্রিন স্পেস। আরও থাকবে বাঁধানো বাগান, ওয়াকওয়ে, লাইব্রেরি, শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল হতে শুরু করে খেলাধুলার নানা আয়োজনসহ ৪০টিরও অধিক সেবা সুযোগ। বিক্রয় কার্যক্রম শুরুর পূর্বেই সিপিডিএল রাস্তার পাশের উন্মুক্ত ডাস্টবিন নিয়ে দেবপাহাড়বাসীর দীর্ঘকালের ভোগান্তির একটি সুন্দর সমাধান করে দিয়ে এলাকায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত ইতোমধ্যেই দিয়ে দিয়েছে, যা সর্বমহলে প্রশংসা অর্জন করেছে। গ্রাহকরা সিপিডিএল সুলতানা গার্ডেনিয়ার মতো কালোত্তীর্ণ প্রকল্প পরিকল্পনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সেই সাথে সিপিডিএলের অন্যান্য সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া বড় প্রকল্পগুলোর মত এই প্রকল্পটিও মানসম্মতভাবে নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার মাধ্যমে গ্রাহকদের সন্তুষ্টি এবং আস্থা বজায় রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শুরুর দিন থেকে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটের বুকিং হয়েছে বিক্রয় সেবা কার্যক্রমে, প্রতিদিনই আগ্রহী ক্রেতা দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। আগত গ্রাহকদের সকলেরই অভিমত এই প্রকল্পটি চট্টগ্রামের আবাসনের জন্য যুগান্তকারী। প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে হওয়ায় সহজ কিস্তি সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, যা বিনিয়োগ বা মৌলিক আবাসন চাহিদা পূরণে সহযোগী। শুরুর দিকে হওয়ায় নিজের পছন্দ মাফিক ফ্লোর ও সাইজ নির্বাচন করার সুযোগও কাজে লাগাচ্ছেন অনেকেই। গ্র্যান্ড লঞ্চিং এক্সপোটি চলবে আগামী ৩ মে পর্যন্ত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম আবু তৈয়ব দায়িত্ব নিয়ে যোগদিলেন মাসিক সভায়
৩০এপ্রিল,মঙ্গলবার,সজল চক্রবর্ত্তী, ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম: ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এইচ এম আবু তৈয়ব আনুষ্টানিক ভাবে মঙ্গলবার(৩০ এপ্রিল) দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দায়িত্বভার গ্রহন কালে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম.তৌহিদুল আলম বাবু,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মুশফিকুর রহমান, ফটিকছড়ি থানার ওসি মো: বাবুল আকতার,ভূজপুর থানার ওসি শেখ আবদুল্লাহ, ভাইস চেয়ারম্যান এড. উত্তম কুমার মহাজন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন নাহার মুক্তা, নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান এড. ছালামত উল্লাহ চৌধুরী শাহীন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম তৌহিদুল আলম বাবু নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম আবু তৈয়বকে হাস্যোজ্জল ভাবে একে অপরকে গলায় ফুলের মালা দিয়ে বিদায় ও বরণ করেন। এসময় ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও জানানো হয়। এদিকে দুপুরে বিদায় ও বরনের পর সবাই উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা ও আইন শৃঙ্খলা সভায় অংশ গ্রহন করেন। উপজেলা পরিষদের শহীদ জহুরুল হক হল রুমে সভার শুরুতে আগে উপজেলা প্রশাসন ও চেয়ারম্যান সমিতি ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও ক্রেষ্ট প্রদান করেন। এসময় নাজিরহাট পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজ উদ দ্দৌলা, ইউপি বাগান বাজার ইউপি’র রুস্তম আলী,দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান মো:জানে আলম,নারায়নহাট ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ,ভূজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার,হারুয়ালছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন,সুয়াবিল ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব,পাইন্দং ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন স্বপন, লেলাং ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন ,বখতপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সোলায়মান,ধর্মপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কায়ুম,সমিতিরহাট ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ,জাফতনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম রোসাংগিরী ইউপি চেয়ারম্যান শোয়েব আল সালেহীন, খিরাম ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ও আমান উল্লাহ (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নানুপুর)। সভায় উপজেলা কৃষি অফিসার লিটন দেব নাথ,পি আই ও আবুল হোসেন,উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন,পল্লী বিদ্যুৎতের ডিজিএম আবুল কালাম, প্রেসক্লাব সভাপতি সৈয়দ জাহেদুল্লাহ কুরাইশী সহ সভা দুটির সাথে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা ও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ফটিকছড়িতে কৃষক প্রশিক্ষন প্রকল্পের ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন
৩০এপ্রিল,মঙ্গলবার,সজল চক্রবর্ত্তী, ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষন (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী। এসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম আবু তৈয়ব,সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম.তৌহিদুল আলম বাবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মুশফিকুর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রকিবুর রহমান,উপজেলা কৃষি অফিসার লিটন দেব নাথ,আওয়ামীলীগ নেতা এম. শাহ জাহান সহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সহ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,কৃষি মন্ত্রণালয় ৮৪ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩য় তলার এ ভবনটি নির্মাণ করবেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর