বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০
শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রোলমডেল:পরিকল্পনামন্ত্রী
১৯ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,মো.কালাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, স্বাধীনতাপূর্ব সময়কালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি জাতির আশা আকাংখার প্রতীক। বাংলাদেশের রোলমডেল। তাঁর কথায় জীবন বাজি রেখে এদেশের জনগণ বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির যুদ্ধে জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের রোল মডেল।মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বিশবিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শিরিন আখতার দুইদিনব্যাপী এ রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একসময় পরাধীন ছিলো। বিভিন্ন বাধা-নিষেধের কারনে অনেক কিছু করা সম্ভব ছিলনা। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম স্বাধীন। তারা শৃংখলমুক্ত। এজন্য তাদেরকে আরো বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। নিজেকে ধ্বংস ও জাতিকে কলংকিত করার মতো কোন কাজে জড়িত হওয়া যাবে না। নেতিবাচক সকল প্রভাব উপেক্ষা করে বিশ^মানের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। তবেই নতুন প্রজন্ম জাতিকে আরো এগিয়ে নিতে পারবে। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ। তাদের মাধ্যমে জনআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটে। এজন্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল মন্তব্য ও প্রতিবেদন হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ ও গঠনমূলক। যাতে করে এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। এ বিশবিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে বাস্তব প্রতিবেদন তুলে ধরার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই জনগণের মূখপাত্র হয়ে উঠবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবীর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, যথার্থ পরিকল্পনার মাধ্যমে সঠিক প্রকল্প জমা করলে তা মঞ্জুর করা হবে। সরকার সবসময় গবেষণা ও উন্নয়নে চট্টগ্রাম বিশবিদ্যালয়ের পাশে রয়েছে বলে তিনি এসময় উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে এ বিভাগের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানানো হয়। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহাম্মেদ, পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সূফি মিজানুর রহমান, চ.বি. সেন্ট্রাল এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, সাংবাদিকতা বিভাগের প্রফেসর আলী আজগর চৌধুরী, এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শিমূল নজরুল, সাধারন সম্পাদক হামিদ উল্লাহ বক্তৃতা করেন। সকালে রজত জয়ন্তী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য RAILLY ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
বাকলিয়া স্কুলে প্রশ্নপত্র বিভ্রাটের কারনে ভর্তি পরীক্ষা শুরুতে বিলম্ব
১৯ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ৬ষঠ শ্রেণির ভর্তি পরিক্ষা প্রশ্নপত্র বিভ্রাট কারনে শুরুতে বিলম্ব হয়েছে। ছাপানো প্রশ্নপত্রে ৪০ মার্কের অঙ্কের পরিবর্তে উভয় পৃষ্ঠায় ৬০ মার্কের বাংলা ও ইংরেজির প্রশ্ন ছাপানো হয়। যা পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় বিষয়টি ধরা পরে। যার ফলে এক ঘণ্টা দেরিতে পরীক্ষা শুরু হয়।আজ বৃহস্পতিবার ১৯শে ডিসেম্বর বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি ৬ষঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু হলেও প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় দেখা গেছে ছাপানো প্রশ্নপত্রে অঙ্কের পরিবর্তে উভয় পৃষ্ঠায় ৬০ মার্কের বাংলা ও ইংরেজি ছাপানো হয়। যা নিয়ে অভিবাবকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করে। পরীক্ষা হবে কি হবে না এ নিয়ে ছিল নানা দুশ্চিন্তা ।যদিও পরে ৬০ মার্কের প্রশ্ন পত্র দিয়ে পরীক্ষা শুরু হয় বেলা ২.৫০ মিনিটে। পরবর্তীতে ৪০ মার্কের অংকের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র নিয়ে কেন্দ্রে আসেন এডিসি(শিক্ষা ও আইসিটি)আবু হাসান সিদ্দিকী।পরে দুই প্রশ্নের সমন্বয়ে ১০০ মার্কের পরীক্ষা শেষ হয় বিকাল ৪.৫০ মিনিটে।এ বিষয়ে জানতে সরাসরি কথা হয় এডিসি(শিক্ষা ও আইসিটি)আবু হাসান সিদ্দিকীর সাথে তিনি জানান, প্রেসের মুদ্রন জনিত ত্রুটির কারনে প্রশ্নপত্রে ভুল হয়।যার কারনে পরীক্ষা শুরু করতে এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়। বেলা ২ টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও পরীক্ষা শুরু হয় বেলা ২.৫০ মিনিটে এবং যথারীতি পরীক্ষা বিকাল ৪.৫০ মিনিটে শেষ হয় বলে জানান। তিনি আরো জানান, আজকের পরীক্ষায় বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ২৩১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিতি ছিল ২২৩৫ জন। প্রশ্নপত্র বিভ্রাট ছাড়া বাকি সব কিছু সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে হয়েছে। বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় আমাদের কোন ত্রুটি নেই। এখানে ১০০ সিটের বিপরীতে ২৩১৭ জন আবেদন কারীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন কারীর সংখ্যা ২২৩৫ জন। প্রশ্ন পত্রের বিভ্রাটের কারনে পরীক্ষা শুরু করতে প্রায় ১ ঘণ্টা বিলম্ব হয়। বেলা ২ টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও পরীক্ষা শুরু হয় বেলা ২.৫০ মিনিটে এবং যথারীতি সুশৃঙ্খল ও শান্তি পূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা শেষ হয় বিকাল ৪.৫০ মিনিটে। তিনি আরো জানান আজকের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৩ তারিখের পর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হবে।
কোতোয়ালী থানায় পুলিশ ভীতি কাটাতে নানা উদ্যোগ
১৯ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোতোয়ালী থানায় পুলিশ ভীতি কাটাতে নানা উদ্যোগ থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের কথা চিন্তা করে কোতোয়ালী থানা চত্তরে গড়ে তোলা হয়েছে এক সুদৃশ্য সেবা ছাউনী। যা দূর থেকে দেখে মনে হবে এ যেন এক বিনোদনের স্থান। সেই সাথে পুরো থানা চত্তরে রয়েছে সচেতনতার নানা উক্তি ও বানী। মানুষের মনে থাকা পুলিশ ভীতি কাটিয়ে সর্বোত্তম সেবা দিতেই এ উদ্যোগ। নগরীর কোতোয়ালী থানা প্রাঙ্গণে শোভা পাচ্ছে বিখ্যাত মানুষদের নানা উক্তি, জঙ্গিবাদে না জড়ানোর আহ্বান, ইভটিজিং না করার আহ্বান, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান। থানার সীমানা দেওয়ালের ভেতরে ও বাইরের অংশে নানা দেয়াল লিখন ও চিত্র শোভা পাচ্ছে। সড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় চোখে পড়বে নানা দেয়াল লিখন। শুধু লেখা নয় একই সঙ্গে রয়েছে প্রতীকী চিত্রও। সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় গেটের সামনে দিয়ে কোতোয়ালী মোড়ের দিকে হেঁটে যাওয়া যেকোনো পথচারীর নজর কাড়বে এসব চিত্রকর্ম। প্রথমে থানায় ঢোকার মুখে চোখে পড়বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত দেয়াল চিত্র। এতে শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী । থানার ভেতরের অংশে রয়েছে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম, আব্রাহাম লিংকনসহ বিখ্যাত মানুষদের উক্তি। পুরো থানা এলাকায় ভেতরে-বাইরে মিলে ৫৯টি চিত্রকর্ম ও দেয়াল লিখন দিয়ে সাজানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, পু্লিশ কমিশনার মাহবুবর রহমান স্যারের দিক নির্দেশনায় থানা প্রাঙ্গণ এভাবে সাজানো হয়েছে। থানার সীমানা দেয়াল বাইরে ও ভেতরের অংশে বিখ্যাত মানুষদের বাণী সম্বলিত চিত্র ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন লেখা দিয়ে সাজানো হয়েছে। পুরো থানা এলাকায় ভেতরে-বাইরে মোট ৫৯টি চিত্রকর্ম ও দেয়াল লিখন করা হয়েছে। ওসি মহসীন আরো বলেন, থানায় আসা মানুষের মনে প্রশান্তি আসবে এসব চিত্রকর্ম দেখে এবং তারা সচেতন হবে। আমরা মানুষের মনে থাকা পুলিশ ভীতি কাটিয়ে সর্বোত্তম সেবা দিতে চাই। উল্লেখ্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ- প্রত্যয় একটাই-মানবিক পুলিশ হতে চাই, এ সংকল্পকে সামনে রেখে বেশ কিছু সেবার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে তারমধ্যে অন্যতম হল আধুনিক ডিজিটাল ও জনবান্ধব ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, হ্যালো পুলিশ কমিশনার, হ্যালো ওসি কার্যক্রম, সিআইএমএস, সিডিএমএস, ৯৯৯ জাতীয় জরুরী সেবা, ওপেন হাউজ ডে, ভিকটিম সাপোর্ট, কিশোর সংশোধন, কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং, উঠান বৈঠক, স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশ, মানবিক পুলিশ ইউনিট ইত্যাদি এই সকল কার্যক্রমের মাধ্যমে সিএমপি ইতোমধ্যে জনগণ এবং পুলিশের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করেন সিএমপি।
দক্ষতা অর্জন করতে পারলে দেশকে এগিয়ে নেয়া যাবে
১৯ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেছেন, প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের কারণে আমাদের দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ কর্মী বিদেশে বৈধভাবে কর্মরত রয়েছেন। অবৈধভাবে রয়েছেন আরো প্রায় ৩০ লাখ। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে তারা ন্যায্য পাওনা পাচ্ছেন না। বিদেশের শ্রম বাজারে চাহিদা থাকলেও প্রশিক্ষণ না থাকায় অনেকের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটছে না। এজন্য প্রত্যেককে দক্ষ হতে হবে। দক্ষতা অর্জন করতে পারলে দেশকে সম্মানজনক পর্যায়ে নেওয়া যাবে। গতকাল বুধবার সকালে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১৯ উপলক্ষে নগরীর আগ্রাবাদস্থ সরকারি কার্যভবনের-২ সামনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ কামাল হোসেন এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার। সঞ্চালনায় ছিলেন আঁখি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওমান চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি মো. ইয়াছিন চৌধুরী, এনআরবি এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুর রহমান, বায়রা প্রতিনিধি এমদাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম বিকেটিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নওরীন সুলতানা, আশিফা তানজীম এবং সহকারী পরিচালক মহেন্দ্র কুমার চাকমা। শেষে সেরা রেমিট্যান্স প্রেরণকারী পরিবারের সদস্যদের মাঝে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রবাসী কর্মীদের ১৪ জন সন্তানকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় আর্ন্তজাতিক অভিবাসী দিবসের উদ্বোধন ঘোষণার পর এক বর্ণাঢ্য Railly বের হয়।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অভিবাসী কর্মীদের কারিগরি শিক্ষা অবশ্যই দরকার: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেছেন, বর্তমানে প্রায় এক কোটি বিশ লক্ষ কর্মী বিদেশে বৈধভাবে কর্মরত রয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে তারা ন্যায্য পাওনা পাচ্ছে না। সরকারও আশানুরুপ রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হলে অভিবাসী কর্মীদের কারিগরি শিক্ষা অবশ্যই দরকার । অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজ ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে আগ্রাবাদ সরকারি কার্যভবন- ২ এর সামনে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চট্টগ্রাম আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অভিবাসী দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘দক্ষ হয়ে বিদেশ গেলে অর্থ সন্মান দুই-ই মেলে। এসময় জেলা কর্মসংস্থান ও জন শক্তি অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা টিটিসির অধ্যক্ষ আশরিফা তাজরিন, বিকেটিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নওরিন সুলতানা, জেলা কর্মসংস্থান ও জন শক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক মাহিন্দ্র চাকমা, এনআরবি এসাসিয়েশন এর সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এর সভাপতি এমদাদ ঊল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে আগ্রাবাদ সরকারি কার্যভবন-২ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করেছে। এছাড়াও রয়েছে আলোচনাসভা, অভিবাসী তথ্য মেলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রবাসীকর্মীর সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কর্তৃক প্রবাসী কর্মীদেরকে আগমনী ও বিদায় অভ্যর্থনা জ্ঞাপন দিনব্যাপী কর্মসূচি। সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহিরুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইসতেহারে ঘোষনা দিয়েছেন, প্রতি উপজেলা থেকে ১ হাজার দক্ষকর্মী বিদেশে পাঠাবেন। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তবে সরকারের এ বিষয় আরো তৎপর হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, দেশে দশ কোটি যুবক বেকার রয়েছে। আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে এদের কর্মক্ষম করতে হবে। এর ব্যতয় ঘটলে ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ হওয়া সম্বব হবে না এবং দেশের উন্নয়নও স্থবির হয়ে পড়বে। এসময় প্রবাসীকর্মীর সন্তানদের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ১৪ জনকে শিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান করেন। সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রদানকারী তিন জন প্রবাসীকর্মীদের সন্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
চবি সাংবাদিক সমিতির বর্ষপূর্তি উদযাপন
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তেইশের সমাপন, দুই যুগে পদার্পণ স্লোগানে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় চাকসু ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে দিনব্যাপি আয়োজন শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এসে শেষ হয়। এসময় বাদ্য বাজনার তালে বর্ণিল টি-শার্ট পড়ে চবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা মেতে উঠেন। শোভাযাত্রা শেষে দুপুরে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা : সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফয়সালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিরীণ আখতার বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক, সত্য প্রকাশে তারা কুণ্ঠাবোধ করে না। সবার কল্যাণের জন্য সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে। অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশ করতেই হবে। তবে সংবাদ পরিবেশনের আগে অবশ্যই যাচাই করা উচিত। চবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দার চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শংকর লাল শাহা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আওরঙ্গজেব ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চবি প্রক্টর অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী, ড. শিপক কৃষ্ণ দেবনাথ, হুমায়ুন মাসুদ, আবু বকর ছিদ্দিক রাহাত ও সৈয়দ বাইজিদ ইমন। এর আগে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।
ব্রোস্ট ক্যাফে পর্যটন শহর কক্সবাজারে
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বখ্যাত আমেরিকার খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ব্রোস্টার এর কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত- ব্রোস্ট ক্যাফে এখন পর্যটন শহর কক্সবাজারে। ভ্রমণ পিপাসু দেশি-বিদেশি ভোজনবিলাসীদের বিশ্বমানের খাদ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে শহরের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে ব্রোস্ট ক্যাফে যাত্রা শুরু করে। ২০ টাকার বান থেকে শুরু করে ১৪শ টাকায় ৮ জনের জন্য এবং ৪ হাজার ৬৭০ টাকার পার্টি বাকেটও রাখা হয়েছে খাদ্য তালিকায়। বিজয়ের মাসে ফিতা কেটে ক্যাফের উদ্ধোধন করেন এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সহধর্মীনি ফৌজিয়া ইসলাম। এসময় সংসদ সদস্য কানিফ ফাতেমা মোস্তাক, সংসদ সদস্য আশিক উল্ল্যাহ রফিক ,সাবেক সংসদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, ব্রোস্ট ক্যাফের প্রধান উপদেষ্টা সেলিম আহমেদ, চেয়ারম্যান দীপ্তি দেবী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সমর কুমার নাথ, পরিচালক সাজির আহমেদ, পরিচালক সন্দিপন দেব নাথ, সুপার গ্রুপের চেয়ারম্যান লুৎফুন্নেছা আহমেদ, এলিট গ্রুপের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধোধনী দিনে ব্রোস্ট ক্যাফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সমর কুমার নাথ বলেন, ব্রোস্ট ক্যাফে ভোজনবিলাসীদের স্বল্পমূল্যে বিশ্বমানের হালাল খাবার পরিবেশন করবে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় খাদ্য নিরাপদ রাখতে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য কক্সবাজার ছাড়াও ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ব্রোস্ট ক্যাফের শাখা রয়েছে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নগরীতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় Raillyর নেতৃত্বে নওফেল
১৬ডিসেম্বর,সোমবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের মত চট্টগ্রামেও বিজয় Raily বের হয়েছে। আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষা উপমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নেতৃত্বে এ Railly বের হয়। Raillyলিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উদ্বোধনী বক্তব্যে নওফেল বলেন, আজ আমরা জানান দেব, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সব অপশক্তিকে চিরবিদায় জানাবো। প্রতিবছর আমরা জানান দিয়ে যাবো, এ প্রজন্ম স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে পরিত্যাগ করেছে এবং করতে থাকবে। জাতীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় চার নেতা ও এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছবি ছিল Raillyrলির অগ্রভাগে। সুসজ্জিত বাদক দল, শিল্প পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Railly তে অংশ নেয়।বিপিসি, ইস্টার্ন রিফাইনারি, বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম ওয়াসা সুসজ্জিত গাড়িতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নচিত্র প্রদর্শন করে Raillyলিতে।
মুশতারী শফী ও দেবব্রত দেবরায়কে সম্মাননা প্রদান
১৬ডিসেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের উদ্যোগে গত ১৪ ডিসেম্বর কবি জীবনানন্দ দাশ মঞ্চ ত্রিতরঙ্গ নাসিরাবাদে শহীদ জায়া ও মুক্তিযোদ্ধা বেগম মুশতারী শফী এবং ভারতের লেখক বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী আন্তর্জাতিক স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক ড. দেবব্রত দেবরায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ চট্টগ্রামের সভাপতি শাওন পান্থের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক কবি রাশেদ রউফ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসিনা জাকারিয়া বেলা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক প্রফেসর ডাঃ সুলতান উল আলম, ভারতের বিশিষ্ট লেখক ড.আশিস কুমার বৈদ্য, শহীদ পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব ফজল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা একেএম খালেদুজ্জামান দাদুল প্রমুখ। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক দেবদুলাল ভৌমিক প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে নিকটতম বন্ধু। দীর্ঘ নয় মাস তারা আমাদের আশ্রয় দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়েছে আমাদের একাত্ব থেকেছে, সে ইতিহাস বাঙালিরা কখনো ভুলবেনা। সংবর্ধনার জবাবে ড. দেবব্রত বলেন, মন-মানসিকতার দিক দিয়ে আমরা এক, আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি এক। কাজেই আমাদের এ বন্ধন থাকবে অনন্ত কাল। বেগম মুশতারী শফী তাঁর স্মৃতিচারণে বলেন, সত্য প্রকাশের জন্য সরকারি চাকুরী হারাবার ভয়কেও উপেক্ষা করেছি। যা সত্য বলে জেনেছি তা প্রকাশ করতে কখনো দ্বিধা করিনি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ চট্টগ্রামের যুগ্ম সম্পাদক তিষন সেন গুপ্ত, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা ফাতেমা জেবুন্নেসা, অধ্যাপিকা সোহানা শারমিন ও কবি ইসমত আরা নীলিমা। আঁখি মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বরচিত মুক্তিযুদ্ধের কবিতা পাঠ করেন কবি কমরে আলম ও কবি শাহীন মাহমুদ, আবৃত্তি করেন কঙ্কন দাশ, নাজনীন হক, প্রবীর পাল, দিলরুবা খানম,৭১ এর চিঠি পাঠ রুনা চৌধুরী, একক অভিনয়ে তিশা, নৃত্যে অধরা। সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সুবর্না রহমান, শীলা চৌধুরী, মোঃ হেলাল উদ্দিন, নুসরাত ইয়াসমিন, মনোয়ার হোসেন, নুরুল আলম, আরিয়ান জাইদান, নুজারা ইসলাম প্রমুখ। সঙ্গীত একাডেমির ক্ষুদে শিল্পীরা দলীয় সংগীত পরিবেশন করে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর