সেবাবর্ষে লায়ন্স ক্লাব বাকলিয়ার রেইনকোট বিতরণ
১০জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স সেবাবর্ষের প্রথম দিনে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং বাকলিয়া ৩০ জন রিকশা চালককে রেইনকোট বিতরণ করে। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহসিন বি পি এম এর সার্বিক সহযোগিতায় কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি-৪ এর নব-নির্বাচিত জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। এতে উপস্থিত ছিলেন, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ, নবনির্বাচিত কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন গোপাল কৃষ্ণ লালা, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, সিনিয়র গভর্ণর এ্যাডভাইজার লায়ন এ.কে.এম শফিউল্ল্যা, রিজিয়ন চেয়ারপারসন লায়ন প্রদীপ কুমার দেব, লায়ন মোঃ হুমায়ুন কবির, জোন চেয়ারপারসন লায়ন এ.কে.এম সালাউদ্দীন, ক্লাব সভাপতি লায়ন মোঃ মমতাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী লায়ন হুমায়ুন কবির হিমু, ট্রেজারার লায়ন হাফেজ মোঃ ইসমাইল, লায়ন জসিম উদ্দীন, লায়ন মহিউদ্দীন আহমেদ, লায়ন সেলিম উদ্দীন শিকদার, লায়ন আবুল মনসুর, লায়ন কামরুল হাসান, লায়ন ইমরুল চৌধুরী, লায়ন ডা: প্রণব রঞ্জন বিশ্বাস, লায়ন শাহাদাৎ হোসাইন, লায়ন ইঞ্জিনিয়ার তাপস বিশ্বাস। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।
জলাবদ্ধতায় অচল হয়ে পড়েছে বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রাম
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,জেসমিন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:দুচোখ যেদিকে যায় সেদিকে পানি আর পানি। দালান ছাড়া কোনো চিহ্নই যেন মিলছে না। কোথাও গলা, কোথাও কোমর, আবার কোথাও হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম। যানবাহন তো চলছেই না। দোকানপাটও বন্ধ। মিলছে না হাটবাজারও।গতকাল সোমবার সকাল থেকে এমনি অচল হয়ে পড়ে দেশের ব্যস্ততম বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রাম। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মাত্র এক রাতের মাঝারি বৃষ্টিতে এমন অবস্থা এই বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রামের। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বৃষ্টির পানিতে থই থই করছে বলে স্বীকার করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা। তিনি জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীতে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নগরজুড়ে সড়ক-মহাসড়ক খোঁড়াখুঁড়ি করছে ওয়াসা। এ কারণে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ফলে সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করলেও তা কাজে আসেনি। অন্যদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার ৩টি মেগা প্রকল্প তিন বছর ধরে হাতে নিয়ে বসে আছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো কাজ করেনি তারা। ফলে নগরবাসীকে প্রতি বছরের মতো এবারও জলাবদ্ধতার শিকার হতে হলো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চউক চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, প্রকল্প হাতে নিয়ে বসে নেই চউক। গত বছর বর্ষা থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সেই থেকে ১১ খালের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ করেছে চউক। প্রকল্প কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। চট্টগ্রাম ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) গোলাম হোসেন বলেন, নগরীর কথা বলব কী? ওয়াসা ভবনের নিচতলায়ও পানি ওঠে গেছে। ফলে ব্যাংকসহ সব অফিসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পামপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত শনিবার দুপুর থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হয়। যা রোববার দিনভর চলে। কিন্তু রোববার রাত থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতে নগরীর নিচু এলাকা ডুবে এখন সড়ক-মহাসড়কও খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে নগরীতে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত নগরীর ৫টি ফ্লাইওভারেও পানি জমে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে অফিস-আদালত ও গার্মেন্ট কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাওয়া-আসায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।জানাযায়, বৃষ্টিপাতের ফলে নগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুর, কাপাসগোলা, চন্দনপুরা, কোতোয়ালি, অক্সিজেন, ষোলশহর ২নং গেট, ওয়াসা মোড়, হামজারবাগ, মোহাম্মদপুর, শুলকবহর, হালিশহর, আগ্রাবাদ,হালিশহর, প্রবর্তক, বাকলিয়া, মোহরা, পতেঙ্গা, অলঙ্কার, পাহাড়তলিসহ নগরীর দুই তৃতীয়াংশ এলাকা বৃষ্টির পানিতে থই থই করছে। এসব এলাকার কোথাও গলা, কোথাও কোমর, কোথাও হাঁটু পানি জমে রয়েছে। সড়ক থেকে হাটবাজার, স্কুল কলেজ, সরকারি অফিস, দোকানপাট, মার্কেট, বসতঘর ও বস্তিগুলো ডুবে রয়েছে। দালান ছাড়া কোনো চিহ্নই এখন মিলছে না। ফলে যাতায়াতে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ প্রদীপ কান্তি নাথ জানান, গতকাল সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরো বৃষ্টিপাত হতে পারে। সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।তিনি জানান, বিকালের দিকে বঙ্গোপসাগরে প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এতে চট্টগ্রাম মহানগরীর আরো নতুন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। ফলে ওইসব এলাকায় পানির উচ্চতা আরো বাড়তে পারে। এতে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পাহাড় ধসের সতর্কবার্তার কথাও বলেন তিনি।এদিকে, পাহাড় ধস ঠেকাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের আশপাশে ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন।তিনি বলেন, বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কায় জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে। রেড ক্রিসেন্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে। মেডিকেল টিম গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হলেও দেশের চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়মত জাহাজ জেটিতে নোঙর করছে। পণ্য ওাঠানামা সচল রয়েছে।
চট্টগ্রাম জুড়ে গুজব, আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ পুলিশের
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রাম জুড়ে ছেলেধরা আতঙ্কে শিশুদের স্কুলে পর্যন্ত যেতে দিচ্ছে না মা-বাবারা।এটিকে গুজব বলছে প্রশাসন। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো.কামরুজ্জামান এ প্রসঙ্গে বলেন, এটি নিছক একটি গুজব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল কৌশলে এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে।তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ চট্টগ্রাম মহানগর থেকে জেলার কোথাও এ ধরনের অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা ঘটেনি।গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের ফেসবুক আইডির প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। গুজব ছড়ানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকটি আইডি থেকে গত কয়েকদিন ধরে ছেলে অপহরণ বা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে বিশেষ সাবধান বাণী প্রচার করে স্ট্যাটাস দেয়া হচ্ছে। যেখানে ছেলে ধরার কোনো কথা উল্লেখ করা না হলেও শিশু অপহরণের বিষয়ে শুনেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। ফলে, ছেলে ধরার বিষয়টি মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ছে। তবে ছেলে ধরার বিষয়ে এক মুঠোফোন থেকে আরেক মুঠোফোনে সরাসরি মেসেজ দেয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এতে পদ্মা সেতু তৈরি করতে এক লাখ শিশুর মাথা লাগবে। এ জন্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু শিশু নিখোঁজ রয়েছে। কাজেই আপনার বাচ্চাকে ঘর থেকে বের হতে দেবেন না। স্কুল, মাদ্রাসা, খেলার মাঠ কোথাও না। ছেলেধরা চক্র এলাকায় ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং শিশুদের অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করে মাথা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এমন কথা লেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আপনি মুসলমান হলে মেসেজটি আরো ১০ জনের কাছে পাঠিয়ে দেয়ার অনুরোধও করা হচ্ছে।এমন বিচিত্র কিছু ক্ষুদে বার্তায় চট্টগ্রাম মহানগর থেকে জেলা- উপজেলাসমূহের বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের শিশু ও অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।তবে নগরীর ১৬ থানার কয়েকটি থানায় এ বিষয়ে জানতে চেয়েও কোনো সত্যতা মেলেনি। থানার কর্তব্যরত ডিউটি অফিসাররা বলছেন, শিশু অপহরণ, নিখোঁজ বা হারানোর অস্বাভাবিক কোনো তথ্য তাদের হাতে নেই। এ ধরনের কোনো অভিযোগ বা জিডি করার জন্যও থানায় কেউ আসেনি। অসাধু কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেলেধরা বলে গুজব ছড়াচ্ছে। এতে কোনো রকম আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।
মেট্রোপলিটন লিও ক্লাবের ইয়ার লঞ্চিং প্রোগ্রাম
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর সিএলএফ প্রাঙ্গণে লিও ক্লাব অব চিটাগং মেট্রোপলিটনের ইয়ার লঞ্চিং প্রোগ্রাম গত ১ জুলাই ক্লাব প্রেসিডেন্ট লিও ইসমাইল বিন আজিজ আলভির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রোগ্রামে একজন পঙ্গু রোগীর জন্য হুইল চেয়ার হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স জেলা গভর্নর কামরুন মালেক, আই পি ডি জি লায়ন নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, পি ডি জি লায়ন মঞ্জুর আলম মঞ্জু, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আসরাফুল আলম আরজু, লিও ক্লাবস চেয়ারম্যান লায়ন মেজবাউদ্দিন তুহিন, ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ লায়ন নূর মো. বাবু, মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাবের কাজি ইমাম হোসেন আবিদ, লিও জেলা সভাপতি শাহরিয়ার ইকবাল, আই পি পি লিও আনোয়ারুল ইসলাম, পাস্ট প্রেসিডেন্ট লিও সাইফুল করিম আরিফ, জেলা সহসভাপতি লিও এইচ এম হাকিম, জেলা সচিব আফিফা ইসলাম,জেলার ট্রেজারার লিও মো. আবসার, সেক্রেটারি লিও হালিমা খাতুন আখি, জয়েন্ট সেক্রেটারি লিও এম এস সাজু, জয়েন্ট ট্রেজারার-১ ফারজানা মিতু, জয়েন্ট ট্রেজারার-২ লিও মো. রনি, লিও শিপন, লিও সাবরিনা শিমুল, লিও মনির, লিও নাসরিফা মিতু, লিও ইফতেখার ইনান, লিও শারমিন শাকি ও কেম্ব্রিয়ান লিও ক্লাবের রাহুল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা
৮জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াসা, অক্সিজেন, মুরাদপুর, ষোলশহরসহ নগরীর নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে। জলাবদ্ধতার জন্য নগরীর নালা-নর্দমা, খাল নিয়মিত পরিষ্কার ও খাল দখলকে দায়ী করলেন নগরবাসী। সকাল থেকে বৃষ্টির ও জলাবদ্ধতার কারণে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। পানিতে সিএনজিসহ বিভিন্ন যানবাহন নষ্ট হয়ে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে চালকদেরও। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ প্রদীপকান্তি নাথ জানান, সকাল নয়টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়ে ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরত লোকজনকে সরে যেতে বলেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এছাড়াও নগরীতে আটটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
মেয়র নাছিরকে লন্ডন চট্টগ্রাম সমিতির সংবর্ধনা
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লন্ডন চট্টগ্রাম সমিতির উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় এক হোটেলে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গণির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিডিএ বোর্ড সদস্য হাসান মুরাদ বিপ্লব। বক্তব্য রাখেন, রাশেদ আহমেদ, ডা. সেতু, রাজ্জাকুল হায়দার খান, মো. কায়সার, মুনির মাহামুদ, নুরুন্নবী মো. ইসহাক, ইঞ্জিনিয়ার মিল্লাত, ড. আজিজ, আবু সাজ্জাদ, ফারজানা সোমা, রুনা তানজিনা, সেলিনা আকতার জোসনা, আসমা আলম, মো. মিজান, মনসুর আলম প্রমুখ। সংবর্ধিত অতিথি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রবাসীরা আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা। দেশের অর্থনীতির যে খাত নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি তা হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স আমাদের অর্থনীতিকে যুগযুগ ধরে সমৃদ্ধ করে আসছে। দেশের অগ্রযাত্রায় প্রবাসীদের আরো বেশি আত্মনিয়োগ করতে হবে। উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা দেখতে ইংল্যান্ডে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি ও চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। আগামী ৯ জুলাই সিটি মেয়র দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগাম নগরীর মুরাদপুরে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল চালকের
৪জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের মুরাদপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মো. মামুন চৌধুরী (৩৬) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের মুরাদপুর অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন বায়েজিদের কোম্পানি বাড়ি এলাকার নুরুল আবছার চৌধুরীর ছেলে। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাসেম ভূঁইয়া বলেন, ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন ওই মোটরসাইকেল চালক। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। তবে ট্রাকটি আটক করা যায়নি। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এর সাধারন সভা অনুষ্ঠিত
১জুলাই ২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগাম মহানগর কমিটির মাসিক সাধারন সভা মহানগর চেয়ারম্যান এম.এ.নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরীর সঞ্চালনায় অদ্য সংস্থার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দক্ষতার সহিত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় ও মানবসেবার জন্য এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরী এবং মোহাম্মদ তছলিম কাদের চৌধুরীকে সম্মাননা সনদ প্রদান করেন সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন,সংস্থার জন্য যারা কাজ করবে তাদেরকে সংস্থা মূল্যায়ন করবে। আরো উপস্থিত ছিলেন,মহানগরের সিনিয়র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ইদ্রিস মোঃ নুরুল হুদা,যুগ্ন মহাসচিব ফয়েজ আহমদ,সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব মোঃ নুরুল ইসলাম,মানবাধিকার কর্মি মোঃ ইরফান চৌধুরী,যুগ্ন মহাসচিব জেসমিন সুলতানা,সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব মোঃ শরিফুল হোসেন (বাবুল),সাংগঠনিক সচিব মঈনুল হোসেন তুহিন,দপ্তর সচিব মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী সুমন,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব মোঃ মহিউদ্দিন কিরন,সুজন আচার্য্য সাংবাদিক মোঃ সরোয়ার জামান সোহেল,ধর্ম বিষয়ক সচিব কাউছার আলম,মহিলা বিষয়ক সচিব নারগীছ আক্তার,মাহমুদা বেগম শিলা,মোঃ কাশেম,আবু তাহের, মোঃ জামাল উদ্দিন প্রমূখ।
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে চাই পেশাগত জ্ঞান
১জুলাই ২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাডেমিক ডিগ্রির মাধ্যমে থিওরি ও কাজের ধরন, কর্মপরিবেশ সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান আহরণ করা যায় ঠিকই, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনে চাই পেশাগত বা প্রফেশনাল ডিগ্রি। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে অন্যদের চেয়ে নিজেকে এগিয়ে রাখতে এ ধরনের ডিগ্রি অর্জন জরুরি। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে এসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড একাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ) এর যৌথ উদ্যোগে গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে একথা বলেন এসিসিএর সিনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার শাহ ওয়ালিউল্লাহ মঞ্জুর। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসিসিএর বিজনেস রিলেশনশিপ ম্যানেজার রেহানা শাম্মী। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রতিটি সেক্টরে প্রযুক্তির প্রাধান্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বদলে যাচ্ছে কাজের পরিবেশ ও ধরন। এর ব্যতিক্রম নয় একাউন্টস ও ফাইন্যান্স সেক্টরও। তাই এক্ষেত্রে কর্মরতদের নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষ হয়ে ওঠা প্রয়োজন। কিন্তু একাডেমিক কারিকুলাম এজন্য পর্যাপ্ত নয়। তাই বিশ্বব্যাপী এসিসিএর প্রফেশনাল প্রোগ্রামগুলো পেশাজীবীদের কাছে জনপ্রিয়। ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড একাউন্ট্যান্টসের কোর্সগুলো সম্পর্কে সেমিনারে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে রেহানা শাম্মী বলেন, যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই ডিগ্রি সারা বিশ্বেই চাকরির বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়। এসিসিএ বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের মাধ্যমে বাংলাদেশে বসেই এ ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ আছে। যেকোনো দেশেই রয়েছে এসিসিএ সনদধারীর জন্য চাকরির দারুণ সুযোগ। কর্মজীবী থেকে সাধারণ শিক্ষার্থী সবাই দেশে-বিদেশে ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান, চার্টার্ড প্রতিষ্ঠান, টেলিকম প্রতিষ্ঠান, মাল্টিন্যাশনাল ও ডোনার এজেন্সিতে সহজেই চাকরি পেতে পারেন এসিসিএ ডিগ্রি নিয়ে। এসিসিএর দুই প্রতিনিধি গতকাল সকালে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে এলে তাদের বরণ করে নেন স্কুল অব বিজনেসের অ্যাসোসিয়েট ডিন মুহাম্মদ রকিবুল কবির ও সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার ফারহানা আহ্মদ সিগমা। এসময় এক সৌজন্য সাক্ষাতে ইডিইউ ও এসিসিএর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে আলোচনা হয়। এতে এসিসিএর সহযোগিতায় ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স ইন অ্যাকাউন্টিং চালুর বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। এছাড়া ইডিইউর বিবিএতে চলমান এসিসিএর চারটি প্রোগ্রামকে আটটিতে বর্ধিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি নিষ্ঠার সঙ্গে জ্ঞানসমৃদ্ধ ও কর্মদক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করছে। যার লক্ষ্যে সূচনালগ্ন থেকেই গ্রহণ করেছে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। ইডিইউ গ্র্যাজুয়েটরা যাতে পেশাগতভাবে দক্ষ হিসেবে আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রবেশ করে, তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে একাডেমিক প্রোগ্রামের পাশাপাশি পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিভিন্ন প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর