সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতা আমিনুল ইসলামের নামে ষড়যন্ত্র, নিন্দা ও প্রতিবাদ
৮জুন,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৃনমুল থেকে উঠে আসা চট্রগ্রাম মহানগর হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দু বার সিনিয়র সহ-সভাপতি,চট্রগ্রামের ছাত্র রাজনীতির আইকন, মেধাবী সংগঠক,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ সহচর ৮০,৯০,৯৬,২০০১ ও ১/১১ আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা,পরিক্ষীত,আদর্শের ধারক,প্রতিটি অসম্প্রাদায়িক আন্দোলন সংগ্রামের নায়ক,রাজনীতির অঙ্গনে সরব,মানুষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ,প্রতিটি কর্মীর সাহায্যেকারী,মানুষের সুখ দুঃখের সাথী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগ্রামী উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জননেতা আমিনুল ইসলাম আমিনয়ের নামে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক ভুয়া অনলাইন কতৃক নিউজ করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপকমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন রানা,উপদেষ্টা আলহাজ্ব শাহাজাহান চৌধুরী,চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এম এ হান্নান শাহ, সাধারণ সম্পাদক আফজাল জুনায়েদ জুয়েল,উত্তর সভাপতি জসিম উদ্দিন তালুকদার,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল আমিন, দক্ষিণ সভাপতি খুরশিদ উল আলম খোকন, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম,জেলার নেতা এস এম দিদারুল হক জসীম,বাহার উদ্দিন চৌধুরী,একেএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এরশাদ, মোঃ আয়েচ,অধ্যাপক ইউনুস,রনি মজকুরি,মাসুদ রানা,আব্দুল মান্নান,মোঃ রাসেল,কাজী মোক্তার হোসেন প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন-আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশে হলুদ মিডিয়ারা সোচ্চার হয়ে কিছু মানুষের থেকে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ভাবে নিউজ করে সস্তা জনপ্রিয় পেতে চাই। এসব সাংবাদিকগন জননেতা আমিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে নিউজ করে হিরু বনতে এসব অপপ্রচার করে কোন লাভ হবেনা।আদর্শিক ছাত্রনেতা থেকে আজ জননেতা হয়ে সব ষড়যন্ত্রের ছিন্নজাল ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আমিন ভাই।অবিলম্বে এই অনলাইনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।
কয়েকগুন দামে যারা ঔষুধ বিক্রি করছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক
৭জুন,রোববার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনস্বার্থ সংরক্ষণ পরিষদ চট্টগ্রাম এর আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ফজলুল হক,সদস্য সচিব ফরিদ মাহমুদ এক যুক্ত বিবৃতিতে চট্টগ্রামের ঔষুধের বাজারে যে অরাজকতা চলছে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তার লাগাম টেনে ধরার জন্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত্ব আহবান জানান।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন,করোনা উপসর্গের সাথে মেলে এমন সাধারণ জ্বর,সর্দি,কাশি,মাথা ব্যথার ঔষুধগুলো নিয়মিত দামের চেয়ে কয়েকগুন বেশী দামে বিক্রি করা হচ্ছে।করোনা ভাইরাস রোগে কাজ করে এমন ঔষুধগুলো রাতারাতি চার পাঁচগুন দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের কাছে হাঁকা হচ্ছে।এই সময়ে জনগণের শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে বেশী বেশী ভিটামিন খাওয়ার সরকারী তাগিদ থাকলেও একপাতা ভিটামিন ট্যাবলেটের দাম ফার্মেসীগুলো তিনগুন নিচ্ছে।অথচ লকডাউনে সরকারী ছুটি থাকার কারণে দেশের সিংহভাগ পরিবারের জমানো টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় বাড়তি দামে ঔষুধ ক্রয় করে রোগের চিকিৎসার পথ্য যোগাড় করা অনেকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এই সুযোগে অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে জ্বর-সর্দি-কাশি-মাথাব্যথার ঔষুধের সরবরাহ বাজারে কমিয়ে দিয়ে গুদামজাত করে রাখছে।এছাড়া করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকারী স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলতে প্রয়োজনীয় মাস্ক,সেনিটাইজার,অন্যান্য ব্যবহার সামগ্রী বিক্রির বেলায় চলছে রামরাজত্ব।যার কাছ থেকে যা হাতিয়ে নেওয়া যায় এই অমানবিক আচরণ সর্বত্রই।নেতৃবৃন্দ এ সংকট নিরসনের জন্যে প্রশাসনের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানান।
মানবিক চিকিৎসা নিয়ে এগিয়ে আসতে কর্পোরেট শিল্পগ্রুপের প্রতি খোরশেদ আলম সুজনের উদাত্ত আহবান
৭জুন,রোববার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীতে মানবিক চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে চট্টগ্রামবাসীর পাশে দাড়াতে বন্দর, কাস্টমসসহ কর্পোরেট শিল্পগ্রুপের নিকট উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি আজ রবিবার (৭ই জুন ২০২০ইং) সকাল ১১ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। এ সময় জনাব সুজন বলেন চট্টগ্রামের ভৌগলিক অবস্থানগত সুযোগ সুবিধার উপর গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড চট্টগ্রাম বন্দর। বাংলাদেশ সম্পদের সমৃদ্ধির উচ্চশিখরে আরোহণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের হাত ধরেই। এই বন্দরের আয় দিয়েই দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। বন্দরের উন্নতি মানেই পুরো দেশের উন্নতি। তাই চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে গর্ববোধ করে চট্টগ্রামের আপামর মানুষ। এছাড়া চট্টগ্রাম কাস্টমসও দেশের উন্নতির পিছনে অর্থনৈতিক যোগান দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের সিংহভাগ আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম কাস্টমসেই। তাই চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপশি কাস্টম হাউসও দেশের অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত অর্থের যোগান দিয়ে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ভৌগলিক অবস্থানের কারণে আমাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি অধিগ্রহণ করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ছোট বড় শিল্প মিল কারখানা। যারা চট্টগ্রামে তাদের শিল্প প্রতিষ্টানসমূহ পরিচালনা করে কোটি কোটি টাকা আয় করছে। চট্টগ্রামের আয় দিয়ে তারা দেশের অন্যান্য জেলায়ও তাদের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ করেছে। এমনকি দেশের বাহিরেও অনেক শিল্প প্রতিষ্টানের ব্যবসা বাণিজ্য বিস্তৃত। তাদের এ উন্নতি মানেই চট্টগ্রামবাসীর উন্নতি এ কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতাম আমরা। অথচ বর্তমান করোনাভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবায় তাদের নির্লিপ্ততা আমাদেরকে দারুনভাবে হতাশ করেছে। একসময় যে চট্টগ্রামবাসী গর্ব করতো চট্টগ্রামের বড়ো বড়ো কর্পোরেট হাউসগুলো চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পসহ সামগ্রিক উন্নয়নে এগিয়ে আসবে সেই চট্টগ্রামবাসীই এখন ঐসব শিল্পগ্রুপের অমানবিক নিস্পৃহতায় ক্ষোভে পুড়ছে। কিন্তু চাইলেই এসব শিল্প প্রতিষ্টানের জন্য চট্টগ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সেবায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা কোন কঠিন বিষয় না। যারা একসময় সামান্য পারিবারিক অনুষ্টানে নিমিষেই খরচ করতো কোটি কোটি টাকা। তাদের বাহারি বিলাসিতায় হতবিহ্বল হয়ে পড়তো চট্টগ্রামের মানুষ। আজ চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থার মুমূর্ষু এ অবস্থায় তারা নিশ্চুপ। তাদের নির্লিপ্ততা চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করছে। এছাড়া আমরা প্রায়শই দেখি যে পবিত্র রমজান, পূজা কিংবা অন্য কোন উপলক্ষ্য আসলেই যারা সিন্ডিকেটভ‚ক্ত হয়ে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে জনগনের পকেট কাটতো আজ তারা নেই। তারা কি এখন সিন্ডিকেটভূক্ত হয়ে চট্টগ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সেবায় কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন না? তাদের কি কোন নৈতিকতা নেই? তাছাড়া চট্টগ্রাম চেম্বারের নিশ্চুপতাও আমাদেরকে গভীরভাবে ব্যথিত করে। যারা পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি হয়ে যখন দুইশত টাকা হয় তখন তারা নিশ্চুপ থাকে আবার পেঁয়াজের দাম যখন কমে পঞ্চাশ টাকা হয় তখন তারা ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করতে উঠেপড়ে লাগে। এভাবে তারা প্রতিনিয়তই নগরবাসীর সাথে ছলনার আশ্রয় নেয়। তারা চাইলেই চট্টগ্রামের শিল্পগ্রুপগুলোকে একীভূত করে মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসতে পারে কিন্তু তাদের রহস্যজনক নির্লিপ্ততা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ভাবিয়ে তুলছে। এখন স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রামবাসীর মনে প্রশ্ন চট্টগ্রামের ভৌগলিক অবস্থা ব্যবসা বাণিজ্যের উজ্জ্বল পরিবেশকে ব্যবহার করে তারা বছরের পর বছর নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধি করলেও চট্টগ্রামবাসীর জন্য তাদের কোন মায়া মমতা নেই। চট্টগ্রামবাসীর জন্য কোন সময়ই তাদের প্রাণ কাঁদে না। তারা চট্টগ্রাম থেকে টাকা আয় করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তির সেকেন্ড হোম বানিয়েছে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে করোনা তাদেরকে সে সব সেকেন্ড হোমে যাওয়ার পথও রুদ্ধ করে দিয়েছে। করোনা আমাদেরকে উপলব্দি করার সুযোগ দিয়েছে আগে মাতৃভূমিকে ভালোবাসুন, মানবিক হোন। জনাব সুজন চট্টগ্রামের সকল শিল্পগ্রুপকে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজ উদ্যোগে চট্টগ্রামবাসীকে এ মহামারী থেকে বাঁচানোর প্রয়াস গ্রহণ করার উদাত্ত আহবান জানান। তিনি আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই আপনাদেরকে ব্যবসা বাণিজ্যের সুন্দর পরিবেশ উপহার দিয়েছেন, সহযোগীতা দিয়েছেন তাই আপনাদেরও উচিত এ মূহুর্তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাড়ানো। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত সকল ক্যাটাগরীর শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য বন্দরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করোনা পরীক্ষা করানোর জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট উদাত্ত আহবান জানান তিনি। তাছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের আশেপাশের অধিবাসীর জন্য বন্দর হাসপাতালে বিশেষ স্বাস্থ্য সেবা চালু করা, বন্দর হাসপাতালে অতিসত্বর করোনা ইউনিট চালু এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন এর সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দিন, শফিউল আজম বাহার, নূরল কবির, মোরশেদ আলম, মোঃ শাহজাহান, মোঃ বাবলু, সিরাজদ্দৌল্লা নিপু, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নাছির উদ্দিন, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, ইরফানুল আলম জিকু, শফিকুল আলম পারভেজ, কপিল কর, মোঃ আলী মিঠু, সাইফুল্লাহ সাইফ, সাজ্জাদ হোসেন, ফরহানুল হক রাকিব, উৎপল দত্ত, সালাউদ্দিন জিকু, জয়জিৎ চৌধুরী জয়, গিয়াস উদ্দিন, হাসান মুরাদ, রফিকুল ইসলাম, শহীদ হোসেন, ইমাম হোসেন সাগর, সাইফুল ইসলাম, মোঃ হৃদয়, মোঃ মাসুদ, অংকন শীল, মোঃ আরিফ, মোঃ নাঈম, মোঃ জুয়েল প্রমূখ।
হাজারী লেইনে জেলা প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৯ মামলায় প্রায় ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা
৭জুন,রোববার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওষুধের মুল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, ফার্মেসিস্ট সার্টিফিকেট না থাকা, আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা,বিদেশী অবৈধ ওষুধ রাখা, মূল্য কর্তন করা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার মতো কাজ করতে এতটুকু পিছপা হচ্ছে না অসাধু ওষুধ ব্যবসায়ীরা। তাদের লাগাম টেনে ধরতে জেলা প্রশাসনের চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে নগরীর পাইকারী ওষুধ মার্কেট হাজারী গলিতে অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় ২৯ মামলায় ১০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালত। আজ রবিবার ৭ জুন দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চলা অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলমগীর হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইমরান ও কামরুল হাসান, Rab ও পুলিশের সদস্যরা। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার ও এস এম আলমগীর হোসেন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত ১৪ জন ফার্মেসী ব্যাবসায়ীকে ৭ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার জানান, করোনা মহামারীনে পুঁজি করে হাজারি লেইনের ঔষধ দোকানদারদের বিরুদ্ধে ওষুধের মুল্যবৃদ্ধি, ওষুধের কিত্রিম সংকট সৃষ্টি, ফার্মেসিস্ট সার্টিফিকেট না থাকা, আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রির অনেক অভিযোগ ছিল। আজকের অভিযানে এসে এসবের সত্যতা পাই। জাবেদ মেডিকোতে গিয়ে দেখা যায় দেরারচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানীর আনরেজিস্টার্ড ও বিভিন্ন যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করছে। একই দোকানে হোমিও, ইউনানী ও এলোপাথিক ওষুধ বিক্রি করছে যা বেআইনি। আজকের অভিযানে জাবেদ মেডিকোকে ৫০ হাজার টাকাসহ ১৪ টি মামলায় ৭ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তারমধ্যে সার্ভিস এন্ড কর্পোরেশনকে ৫০ হাজার টাকা, মাসুম সার্জিক্যাল মার্টকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা,বাচা বাবা মেডিকেল হলকে ৫০ হাজার টাকা,আশা সার্জিক্যাল কে ৫০ হাজার টাকা,আল আমিন সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা,বিসমিল্লাহ মেডিকেল হলকে ২০ হাজার টাকা,নিহার সার্জিক্যাল কে ৫০ হাজার টাকা,মা ফাতেমা মেডিকেল হলকে ৫০ হাজার টাকা,মা ফাতেমা মেডিকেল হলকে ৫০ হাজার টাকা,ফ্রেন্ডস ফার্মেসিকে ৩০ হাজার টাকা, হযরত তুফান আলী শাহ মেডিকেলকে ১০ হাজার টাকা, জাভেদ মেডিকোকে ৫০ হাজার টাকা, অন্তরা ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা, চট্টলা ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা ও মিনা সার্জিক্যালকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও জানান, এছাড়া প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ঔষধ জব্ধ করা হয়। জব্ধকৃত তালিকায় আছে নকল মাস্ক, নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজা্র,নকল পিপি, নকল জীবানুনাশক,অননুমোদিত মেডিকেল ডিভাইস, যৌন উত্তেজক ঔষুধ,মেয়াদ উওীর্ণ ঔষুধ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী জানান, আজকে ডিসি স্যারের নির্দেশে আমরা ঔষধের পাইকারি বাজার হাজারি লেইনে অভিযান চালাই। অভিযানে আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা,বিদেশী অবৈধ ওষুধ রাখা, মূল্য কর্তন করা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার দায়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক জানান, অভিযানে ওষুধের মুল্যবৃদ্ধি, সংকট সৃষ্টি, ফার্মেসিস্ট সার্টিফিকেট না থাকা, আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা,বিদেশী অবৈধ ওষুধ রাখা, মূল্য কর্তন করা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার দায়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তার মধ্যে এনাম মেডিকেলকে ৫০ হাজার টাকা , মেমোরি ড্রাগ হাউস কে ৫০ হাজার টাকা, নিউ চট্টলা মেডিকেল কে ৫০হাজার টাকা ,সবুজ ফার্মেসী কে ৪০ হাজার টাকা ,সন্ধ্যা ড্রাগ হাউস কে ৪০ হাজার টাকা ,গোপাল মেডিকেল কে ৩০ হাজার টাকা, যমুনা মেডিকেল কে ৩০ হাজার টাকা, আনিকা ড্রাগ হাউসকে ৩০ হাজার টাকা ,ভাই ভাই ট্রেডার্স কে ১৮ হাজার টাকা ও চট্রশলা এন্টারপ্রাইজ কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জনস্বার্থে এ ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার।
পরীক্ষায় ফেল করে আত্মগোপনে; সাজালো অপহরণ নাটক!
৭জুন,রোববার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল প্রত্যাশী ছিলেন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী (১৭)। ৩১ মে বাসা থেকে বের হয়ে পরীক্ষার রেজাস্ট দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ মহসিন ও টিম কোতোয়ালি অভিযান চালিয়ে নগরীর চকবাজার এলাকার এক আবাসিক হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করে। অনলাইনে ফলাফল দেখে জানতে পারলেন এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছেন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের রাখা ৭ হাজার টাকা নিয়ে বের হয়েছিলেন। রেসাল্ট ফেল আসায় আর তিনি ফেরত যাননি। চকবাজারের একটি হোটেলে গিয়ে রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন। ১ জুন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তীর বাবা কোতোয়ালী থানায় নিখোঁজ ডায়রী করেন। সেই নিখোঁজ ডায়রী তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ চকবাজারের আবাসিক হোটেলে অভিজিৎ চক্রবর্ত্তীর অবস্থান জানতে পারে। শনিবার (৬ জুন) চকবাজারের হোটেল চক ইনের একটি কক্ষ থেকে অভিজিৎকে উদ্ধার করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) নোবেল চাকমা জানান, ১ জুন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তীর বাবা নিখোঁজ ডায়রী করেছিলেন। শনিবার রাতে চকবাজারের হোটেল চক ইনের একটি কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। অভিজিৎকে তার পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে। নোবেল চাকমা বলেন, এসএসসি পরীক্ষার ফেল করেছিলেন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী। পরে বাসা থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়ে চকবা জারে একটি হোটেলে গিয়ে আত্মগোপন করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, গত ৩১শে মে এস. এস. সি. পরীক্ষার রেজাল্ট আনতে ঘর থেকে বের হয় কিন্তু রেজাল্ট ভালো হয়নি তাই নিজে আত্মগোপনে থেকে এই অপহরনের নাটক সাজায় এবং সে ওই দিন থেকেই হোটেলে অবস্থান করেছিল। মোঃ মহসিন জানান, মায়ের জমানো টাকা নিয়ে রেজাল্ট আনতে ঘর বের হয়। পরে রেজাল্ট খারাপ হওয়ায় এই অপহরনের নাটক সাজায়। গুজব ছড়ায় অপহরনের । বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অনুসন্ধানের পর অভিজিৎ চক্রবর্তীকে হোটেল থেকে উদ্ধার করে তার মা বাবার কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামে ওষুধ বিক্রিতে চরম নৈরাজ্য
৭জুন,রোববার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরম নৈরাজ্য চলছে ওষুধ বিক্রিতে। কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সব ধরণের ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ থেকে ১০ গুণ পর্যন্ত। এ অবস্থায় গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ওষুধ সিন্ডিকেটের চিহ্নিতের পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে সিএমপি শ্বাসকষ্টের রোগী স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে অক্সিজেন সিল্ডিারের খোঁজে দোকানের পর দোকান ঘুরছেন স্বামী। তার মতো অবস্থা নগরবাসীর অনেকেরই। পাইকারি মার্কেটগুলো ঘুরে পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ। আবার পাওয়া গেলেও দাম আকাশ ছোঁয়া। ৩০ টাকার জীবাণুনাশক স্যাভলনের বোতলের দাম এখন ১১০ টাকা। করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে আঁতকে ওঠার মতো তথ্য। ১২ হাজার টাকার অক্সিজেন সিলিন্ডার ৩০ হাজার টাকার বেশি। সেই সাথে ২০ টাকার ডক্সিক্যাপ ৫৫ টাকা, ৭৫০ টাকার আইভেরা ট্যাবলেট ২৪শ টাকা, ৫০ টাকার স্ক্যাবো ট্যাবলেট ৮শ টাকা, ২৫ টাকার জিঙ্ক ৫০ টাকা, ২০ টাকার সিভিট ৫০ টাকা, ৪৮০ টাকার মোনাস ট্যাবলেট ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, অনুমোদন ছাড়া ওষুধের দাম বাড়ানো যায় না, তবু এখানে কোন লাগাম নেই। অভিযোগ উঠেছে, কোনো রকম তদারকি না থাকায় পাইকারি ওষুধ ব্যবসায়ীরাই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়েছে। তবে ওষুধ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ অস্বীকার করছেন। ড্রাগিষ্ট অ্যান্ড কেমিষ্ট এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক আশীষ ভট্টাচার্য বলেন, ওষুধগুলো এক হাত দুই হাত ঘুরে আসার কারণেই কিন্তু বাজারটা উর্ধ্বগামী। এদিকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ওষুধ সিন্ডিকেট সদস্যদের চিহ্নিতের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সিএমপি'র এ কর্মকর্তা। সে সাথে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে ঔষধের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানোর। সিএমপি উপ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান বলেন, আমরা এধরণের কোন কার্যক্রম পেলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। চট্টগ্রামে বর্তমানে প্রায় ৩৭শ করোনা রোগী রয়েছেন। সেই সাথে শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরো কয়েক হাজার মানুষ।- somoynews.tv
উখিয়ায় ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
৬জুন,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন ময়নার ঘোনা থেকে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। আজ শনিবার ৬ জুন দুপুর ১ঃ৩০ মিনিটের সময় কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ময়নার ঘোনা রাস্তার মাথা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Rab-7 এর সহকারী পরিচালক( মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামী হল ফয়সাল আমিন (২৬) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন উলুচামারী, লামার পাড়া, হ্নীলা এলাকার জালাল আহমদ এর ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি সোহেল মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ময়নার ঘোনা রাস্তার মাথা, মরা গাছতলা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মাদকের একটি বড় চালান বের হবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে একজনকে হাতে নাতে আটক করা হয়। পরে আটককৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো ও সনাক্ত মতে তার কাধে থাকা ব্যাগতল্লাশি করে ৪৬ পিস হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত টেকনাফ থানাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ঔষধ বিক্রি করলে বা ঔষধ মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থাঃ সিএমপি
৬জুন,শনিবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শনিবার ৬ জুন সিএমপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় কোন ফার্মেসীতে কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) বা অন্য যেকোনো ধরনের রোগের ঔষুধের দাম নির্ধারিত মূল্যের চাইতে যদি কেউ বেশি মূল্যে বিক্রি করতে চায় বা দাবি করে অবশ্যই নিকটস্থ থানার অফিসার ইনচার্জ কে অথবা সিএমপির হট লাইন নাম্বারে ( করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সিএমপি'র হটলাইনঃ ০১৮ ৮০ ৮০ ৮০ ৮০) ফোন করে তাৎক্ষণিক এ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন ঔষধের মূল্য কোন কোন ফার্মেসিতে ঔষুধ বিক্রেতাগন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে যদি কেউ ওষুধ বিক্রি করেন এ সংক্রান্ত অভিযোগ শুনে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিএমপি। ইতোমধ্যে মহানগরীর হাজারি লেন সহ বিভিন্ন ঔষধের ফার্মেসিতে সিএমপি কর্তৃক অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। নগরীর বিভিন্ন ফার্মেসী এলাকায় ঔষধ মজুদ ও মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত গোপন তথ্য সংগ্রহের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মহানগরীর সর্বস্তরের নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছে সিএমপি।
আইসিইউসহ করোনা আক্রান্তদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না হলে চট্টগ্রাম অচলের ঘোষণা
৬জুন,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানববন্ধন সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সহ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেছেন, পেশাজীবির নামে যারা মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে মাস্তানি করেন তাদেরকে কি করে স্বাস্থ্য সেবা সমন্বয় কমিটিতে স্থান দেয়া হয়। যারা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নয়ছয় করবে তাদের অচিরেই গ্রেপ্তার করার দাবী জানান তিনি। বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলীউর রহমাম বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামে ১০০ আইসিইউ বেড সহ সরকারি বেসরকারি সকল হাসপাতালে করোনা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হলে সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে চট্টগ্রাম অচল করে দেয়া হবে। তিনি বলেন দেশের মোট জাতীয় আয়ের ৩৩ শতাংশ প্রদাবকারী চট্টগ্রামের মানুষ একটু অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরবে সেটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। করোনা মহামারীতে চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বস্তরের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার দাবীতে বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম আয়োজিত মানব বন্ধন সমাবেশ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইদ্রিচ আলীর সভাপতিত্বে ০৬ জুন শনিবার দুপুর ১২ টায় আয়োজিত উক্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইদ্রিচ আলী বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ জাতীয় সকল সংকটে সবার আগে নিজেদের উৎসর্গ করেছে। দেশের অন্যতম ধনী এলাকা হিসাবে চিহ্নিত চট্টগ্রামে স্বাস্থ্যসেবার এই দৈন্যতা কিছুতেই মেনে নেয়া যায়না। সার্ক মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আফছারুল হক বলেন, ত্রিশ টাকার ঔষধ তিনশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অক্সিজেন এখন সোনার হরিন। ম্যাজিস্ট্রেসি অভিযান করে এইসব অরাজকতা বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্য মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও আবৃত্তিকর্মী মোঃ তাজুল ইসলাম, এডভোকেট মোঃ জাফর হায়দার, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যান সমিতির সভাপতি এসএম পেয়ার আলী, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মিজান, সদস্য আলী নূর, রোটারিয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ছাত্রনেতা মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, সাংবাদিক রিয়াজুর রহমান নারীনেত্রী আরিকা মাইশা প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর