বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০
চট্টগ্রাম নগরীর ফিশারিঘাটে পুড়েছে নয়টি দোকান
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ফিশারিঘাট এলাকায় আগুনে নয়টি দোকান পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে পুরাতন ফিশারিঘাট এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে। নন্দন কানন ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুল মান্নান নিউজ একাত্তরকে বলেন, সকাল ছয়টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের নন্দন কানন ও লামার বাজার স্টেশনের চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে সোয়া আটটার দিকে আগুন নেভায়। আগুনে নয়টি দোকান পুড়ে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে চায়ের দোকান, কম্পিউটার, কাঠ, কাপড়ের দোকান রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে বৈদ্যুতিক গোলোযোগ থেকে আগুন লাগার কথা জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মান্নান।
সড়ক ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান শীঘ্রই: মেয়র আ জ ম নাছির
২২জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান শুরু করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এক্ষেত্রে জরিমানার পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের মালামাল জব্দ করা হবে। এমনকি কারাদণ্ডও দেয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত চসিকের সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। প্রসঙ্গত, এতদিন চসিকের পরিচালিত বেশিরভাগ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কেবল জরিমানা করা হতো। গতকালের সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে লালদীঘি মাঠে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ হবে। এক্ষেত্রে যেদিন মাঠ খালি থাকবে ওইদিনই সমাবেশ হবে। সভায় মেয়র বলেন, বিভিন্ন রাস্তা, ফুটপাত ও ড্রেনের উপরে ইট, বালি, কংকর লৌহজাত দ্রব্য, নির্মাণ সামগ্রী, অস্থায়ী দোকান ও দোকানপাটের মালামাল এবং কাঁচাবাজার বসিয়ে সর্বসাধারণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই মানা যাবে না। এতে পরিবেশ দূষণের পাশপাশি শহরের সৌন্দর্যহানি হচ্ছে। এটা নাগরিক স্বার্থের পরিপন্থী ও বেআইনি। যত্রতত্র ময়লা না ফেলার জন্য নগরীর হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও কমিউনিটি সেন্টারের মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়নের ফিরিস্তি জনবহুল এলাকায় টাঙানো এবং ভিডিওচিত্র প্রদর্শনের নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন চিত্র সম্পর্কে নগরবাসী জানবে। এতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরের জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পাবে। চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে এবং গতি আনতে চসিকের প্রকৌশলীদের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিতের নির্দেশনা দেন মেয়র। যেসব ঠিকাদার উন্নয়ন কাজে গাফিলতি করছে তাদের সম্পর্কে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ঠিকাদারদের করুণা করার কোনো সুযোগ নেই। তাদের কাছ থেকে কার্যাদেশ মতে শতভাগ কাজ আদায় করতে হবে। কাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে উপলক্ষ্য করে যত্রতত্র জাতির পিতার ছবি, ম্যুরাল ও ভাস্কর্য স্থাপন করা যাবে না। এক্ষেত্রে চসিকের অনুমতি লাগবে। এ ব্যাপারে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তদারকি করার আহ্বান জানান। সভায় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আখতারসহ চসিক বিভাগীয় ও শাখা প্রধানগণ এবং নগরীর সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনায় ছিলেন চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী।- আজাদী
চবিতে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ২৯ জানুয়ারি
২২জানুয়ারী,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী তরুণদের উদ্বুদ্ধকরণ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ষষ্ঠবারের মতো আগামী ২৯ জানুয়ারি (বুধবার) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চবি ছায়া জাতিসংঘ সংস্থার (সিইউমুনা) এ সম্মেলন। চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনে জাতিসংঘের নয়টি পরিষদ ও জাতীয় সংসদে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অংশ নেবেন। ৫০ এর অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৫০ এর অধিক প্রতিনিধি বিভিন্ন কমিটিতে ভাগ হয়ে কিছু নির্দিষ্ট আলোচ্য বিষয়ের উপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সমাপনী অধিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের আদলে প্রতীকী এ সম্মেলন শেষ হবে। এ বিষয়ে মহাসচিব মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ছায়া জাতিসংঘের চর্চা সবসময় একটি ব্যাপক কার্যক্রম হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে যার জন্য একজন বিদ্যার্থীর প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রমের মানুষ মানসিকতা এবং জ্ঞানার্জনের প্রেষণা। দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডল থেকে অংশ নেয়া চার শতাধিক তরুণ প্রতিনিধিদের শিক্ষাসহায়ক সহযোগিতা ও সর্বোচ্চ পর্যায়ের আতিথেয়তা প্রদানে ৯৬ জন সেক্রেটারিয়েট সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে সমাধান করা হবে এজেন্ডাভিত্তিক সমস্যা। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্য বিষয়-সংঘাতময় অঞ্চলে ব্যক্তি মালিকানাধীন সামরিক সংস্থার অংশগ্রহণের বৈধতাকরণ, আর্কটিক পরিষদের আলোচ্য বিষয়- প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরোধ নিরসন। জাতীয় সংসদ-বনাঞ্চল ধ্বংস এবং ভূমিসংক্রান্ত অবৈধ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ। চারদিনে ১২টি অধিবেশনে সমাবেত হয়ে প্রতিনিধিরা সময় উপযোগী সকল সমাধান প্রস্তাব করবে যা উন্মোচন করবে বিশ্বশান্তির নতুন দুয়ার।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দামপাড়া পুলিশ লাইন্সস্থ মাল্টিপারপাস সেডে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম এর সভাপতিত্বে কল্যাণ সভা জানুয়ারী ২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, সকল উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সকল থানার অফিসার ইনচার্জ সহ বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় কমিশনার বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের সমস্যার কথা শুনেন এবং তাৎক্ষনিক সমাধানের ব্যবস্থা করেন। সভায় সিএমপির সেবা তহবিল হতে ৩৪ জন পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফদেরকে নগদ ১০ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা প্রদান করেন। পুলিশ কমিশনার সদ্য বিদায়ী পুলিশ সদস্য জুলকু মিয়ার হাতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
লালদীঘিতে শেখ হাসিনার সভায় গুলিতে ২৪ জনকে হত্যায় পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড
২০জানুয়ারী,সোমবার,আদালত প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: তিন দশক আগে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার বিকালে চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন চার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা হলেন- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি অঞ্চলের তৎকালীন পেট্রোল ইনসপেক্টর জে সি মণ্ডল, কন্সটেবল মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, শাহ মো. আবদুল্লাহ ও মমতাজ উদ্দিন। প্রথম জন পলাতক আছেন। এছাড়া বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আঘাত সৃষ্টির দায়ে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি বন্দরনগরীর লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভার দিন বেলা ১টার দিকে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রাক আদালত ভবনের দিকে এগোলে নির্বিচার গুলি ছোড়া শুরু হয়। আইনজীবীরা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে ঘিরে মানববেষ্টনি তৈরি করে তাকে নিরাপদে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে যাওয়ায় তিনি রক্ষা পান। ওই ঘটনায় মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম, স্বপন কুমার বিশ্বাস, এথলেবার্ট গোমেজ কিশোর, স্বপন চৌধুরী, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি কে চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বি কে দাশ, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, সমর দত্ত, হাসেম মিয়া, মো. কাসেম, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ ও শাহাদাত হোসেন নিহত হন। নিহতদের কারও লাশ পরিবারকে নিতে দেয়নি স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার; সবাইকে বলুয়ার দীঘি শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এঘটনায় মামলা দায়ের করলেও বিএনপি সরকারের সময়ে মামলার কার্যক্রম এগোয়নি। এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এঘটনায় মামলা দায়ের করলেও বিএনপি সরকারের সময়ে মামলার কার্যক্রম এগোয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। দুই দফা তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর আট পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে পাঁচজন এখন জীবিত আছেন। মৃত আসামিরা হলেন- সিএমপির কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদা এবং কনস্টেবল আব্দুস সালাম ও বশির উদ্দিন। মামলায় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেফালী সরকার, সাংবাদিক অঞ্জন কুমার সেন ও হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, সুভাষ চন্দ্র লালা, অশোক কুমার বিশ্বাস, হাসনা বানু, মাঈনুদ্দিন, আবু সৈয়দ এবং অশোক বিশ্বাস অন্যদের মধ্যে সাক্ষ্য দেন। গত ১৪ জানুয়ারি ৫৩তম সাক্ষী আইনজীবী শম্ভুনাথ নন্দীর সাক্ষ্য দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন। রোববার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শেষে পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। পরে আদালত আসামি পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সোমবার দিন রেখেছিলেন। কিন্তু আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন না করায় এদিনই আদালত রায় ঘোষণা করেন।
শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ ও নৈতিকশিক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ
২০জানুয়ারী,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ ও নৈতিকশিক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি গতকাল রবিবার সকালে টায়গারপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন। এ সময় কাউন্সিলর গোলাম হায়দার মিন্টু, মোঃ আজম, মোঃ আবুল হাসেম, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়য়া, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাসেম, লামা বাজার এস এ সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন মাহমুদ, অভিভাবক সদস্য জাহেদ রাজা, সদস্য শেলী আকতার, শিক্ষক প্রতিনিধি নুরুল কবির, আতিক উল্লাহ চৌধুরী, গোলজার বেগম সিটি কর্পোরেশন মুসলিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি মো. খসরু হোসেন, মো. আজজুল হক, রোকসানা আকতার, শিক্ষক প্রতিনিধি রশ্নি আকতার, আমাত হোসেন, প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহ, কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিল কলেজের অধ্যক্ষ ও সদস্য সচিব মনোয়ার জাহান বেগম, মো. ইব্রাহিম, মাওশি এস এম শহিদুল ইসলাম, অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মো. আবুল কালাম, হাজী মো. মুসা, বিনা মল্লিক, শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য নুর বানু চৌধুরী, সমিরন কুমার শীল, এনামুল হক, পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ও সদস্য সচিব মো. আবু তালেব আবদুল করিম, অভিভাবক সদস্য কাজী শাহিনা সুলতানা, শিক্ষক প্রতিনিধি চিত্রা চন্দ, মো. আসিফুর রহমান ফারুকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিটি মেয়র বলেন, চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের ফলাফল শিক্ষাবোর্ডের ফলালের দিক থেকে পাশের হার বেশি হলেও মানের দিক থেকে এখনো পিছিয়ে আছে। শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষকরা যদি তাদের দায়িত্বের প্রতি অনুগত থেকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করেন তাহলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। শিক্ষকরাই পারে শিক্ষার্থীদের কাউন্সিলিং করে সঠিক গাইডলাইন্সের মাধ্যমে তাদের গড়ে তুলতে। সিটি মেয়র আরো বলেন শিক্ষকতা পেশাটি একটি মহৎ ও মহান পেশা। সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা হল এই পেশা। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অনেক উপরে। সে মহৎ ও সম্মানজনক পেশাকে অক্ষুন্ন রাখতে প্রতিষ্ঠান প্রধান,শিক্ষক ও অভিভাবক সমন্বয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তরিকতা সাথে কাজ করার আহবান জানান মেয়র। তিনি বলেন একজন শিক্ষার্থী জীবনে নৈতিক শিক্ষার প্রভাব খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে।এ প্রজম্মের শিক্ষার্থীরা যাতে বিপদগামী না হয়,ভাল আর মন্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে,তারা যেন আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে তৈরী হতে পারে সেজন্য নৈতিকশিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে পথপ্রদর্শক হিসেবে শিক্ষকদের কার্যকরী ভূমিকা রাখার প্রতি তাগিদদেন মেয়র। মেয়র পরিচালনা কমিটির সকলকে সততা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান উন্নোয়ন ও প্রসার,সুনাম-সুখ্যাতি বৃদ্ধি জন্য নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করার আহবান জানান। সভার শুরুতে ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির সদস্যরা মেয়রকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রেডিসন ব্লু চট্টগ্রামের পরিবেশবান্ধব কাচের বোতল
১৯জানুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবহাওয়া, জলবায়ু ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কল্যাণের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়িক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তনকে আপন করে নিতে সদা প্রস্তুত রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ। এরই অংশ হিসেবে ১৮ জানুয়ারি হোটেলটি এর সকল রুম, রেস্টুরেন্ট এবং হল থেকে সরিয়ে নিয়েছে সকল ধরনের প্লাস্টিক বোতল এবং ব্যবহার করছে পরিবেশবান্ধব কাচের বোতল। ইতিমধ্যেই হোটেলটি সকল প্রকার প্লাস্টিক স্ট্র সরিয়ে নিয়েছে সকল রেস্টুরেন্ট থেকে এবং ব্যবহার করছে পরিবেশবান্ধব স্ট্র। হোটেলটির এ ধরনের কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রবিন এডওয়ার্ডস বলেন, রেডিসন হোটেল গ্রুপের মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে পৃথিবীকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আরো উত্তম উপায়ে গড়ে তুলতে এর সকল হোটেলই সারা পৃথিবীজুড়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। আমরা বিশ্বাস করি হোটেল এবং পর্যটন ব্যবসায়ের সাথে জড়িত সকল ছোট বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যদি একত্রিত হয়ে সমাজের এবং পরিবেশের কল্যাণে কাজ করতে পারে তবে আমাদের আশপাশের পরিবেশের উল্লেখযোগ্য কল্যাণ সম্ভব। দেশজুড়েই হোটেল এবং পর্যটন ব্যবসায় আরও বৃহত্তর কাঠামোয় রুপান্তরিত হচ্ছে যাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। বিগত বছরগুলতেও রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ অগণিত সমাজসেবামূলক কাজের মাধম্যে সমাজ ও পরিবেশের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে ২৬২ কার্টন সিগারেট জব্দ
১৮জানুয়ারী,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর কাছ থেকে ২৬২ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। এরপর সিগারেটগুলো জব্দ করে বিমানবন্দর কাস্টমসকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়। শুক্রবার রাত পৌনে ১০টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দর কাস্টমস, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় চালানটি জব্দ করে এনএসআই টিম। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শারজাহ থেকে এয়ার এরাবিয়ার জি৯-৫২৩ ফ্লাইটে হাটহাজারীর বাসিন্দা আমিনুল হক চট্টগ্রাম আসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৬২ কার্টন ইজি লাইট ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়।
অদ্বৈতানন্দ গুরুগৃহে শ্রীশ্রী শিব-রাস উৎসব পালন
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানাধীন উত্তর বেতাগী গ্রামে অবস্থিত শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ গুরুগৃহে শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণানন্দ পুরী মহারাজের ১৮ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে শ্রীশ্রী শিব-রাস উৎসব পালিত হচ্ছে। ১৭ই জানুয়ারী থেকে ১৯শে জানুয়ারী পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান মালার মধ্যে রয়েছে শ্রীশ্রী চণ্ডীযজ্ঞ, শ্রীমদ্ভগবত পাঠ, মহতী ধর্মসভা, ঋষি সন্মেলন ও অষ্ট প্রহর ব্যাপী নামযজ্ঞ। আজ শুক্রুবার ১৭ই জানুয়ারী মঙ্গল আরতি ও ঊষাকীর্তনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের অনুষ্ঠান মালা। সন্ধ্যায় শ্রীশ্রী শিব-রাস উৎসব ও মহানামযজ্ঞের শুভঅধিবাস।এতে পুরোহিত্ব করেন শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ গুরুগৃহের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীমৎ স্বামী জীবনানন্দ পুরী মাহারাজ। উক্ত অনুষ্ঠানে ঋষি মঞ্চে আশীর্বাদক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ঋষিধাম বাঁশখালীর মোহান্ত মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজ, প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালীর মেধস আশ্রম এর অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী বুলবুলানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ। মহান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাঙ্গালহালিয়ার সনাতন ঋষি আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী সনাতন ঋষি মহারাজ, বাঙ্গালহালিয়ার জ্যোতিশ্বর বেদান্ত মঠ ও মিশন এর অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী অভেদানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ, চন্দ্রঘোনার জ্যোতিশ্বরানন্দ রক্ষাকালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীমৎ স্বামী গুরুকৃপানন্দ ব্রহ্মচারী। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক শ্রী স্বদেশ চক্রবর্তী । সন্মানিত আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শ্রী রণজিৎ কুমার সুত্রধর ও চুয়েটের সেকশন অফিসার শ্রী কিরন শীল (শ্রী কৃষ্ণকৃপালব্ধ)। বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ৭নং বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুতুবুল আলম, এশিয়াটিক ইভেন্টস মার্কেটিং লিঃ এর এসোসিয়েট এক্সজিকিউটিভ ডিরেক্টর শ্রী মানস পাল, বাংলাদেশ রেলওয়ে টি, টি,ই ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সভাপতি শ্রী পীযূষ কান্তি দত্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানের আয়োজক শ্রীমৎ স্বামী শিবানন্দ পুরী ব্রহ্মচারী জানান, এই শিব-রাস উৎসব বাংলাদেশে প্রথম হচ্ছে। উক্ত অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে আছে নানা দেব দেবীর প্রতিমা প্রদর্শন। দূর দুরান্ত থেকে বহু ভক্তের সমাগম ঘটেছে। ১৮ই জানুয়ারী অষ্ট প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ চলবে এবং ১৯শে জানুয়ারী শ্রীশ্রী শিব-রাস উৎসব ও মহানামযজ্ঞের পূর্ণাহুতির মধ্য দিয়ে শেষ হবে তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর