চট্টগ্রামে বিপিএল নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে আটক ১০
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা এলাকায় বিপিএল নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে নগরীর জামতলা এলাকা থেকে হাতেনাতে ওই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন বলেন, আমাদের কাছে ইদানীং খবর আসছে যে নগরীতে বিভিন্ন স্পটে অনলাইনে এবং অফলাইনে বাংলাদেশে যে এখন বিপিএল চলছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচ নিয়ে তরুণ বয়সের যারা, তারা কিছু আছে স্টুডেন্ট এবং নিম্ন আয়ের মানুষ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার, জুয়ায় একটা নেশার মতন জড়িয়ে গেছে এবং অনেক পরিবার সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে। এই সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এখন গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অভিযান শুরু করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা কোতোয়ালি থানাধীন ১৪ জামতলার একটা স্পট থেকে ১০ জনকে আটক করি। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা সবাই জুয়া খেলার কথা স্বীকার করেন এবং সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ বলেন ওসি। এদিকে সম্প্রতি জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান এলাকায় মো. সাজ্জাদ হোসেন নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আগামী সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রামে ষষ্ঠ বিপিএল আসরের খেলা শুরু হবে।
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে পটিয়ায়
অনলাইন ডেস্ক: পটিয়ায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৩ যাত্রী আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পটিয়া পৌরসদরের ইন্দ্রপুল এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন-লবণ শ্রমিক আকতার হোসেন (৩০), মো. রাসেল (৩৫) ও পিম্পল বড়ুয়া (২৯)। এদের মধ্যে আকতারের এক হাতের ৩টি আঙ্গুল কেটে যায়। তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানায়, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম শহরমুখি শ্যামলী পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-র (১১-০৫৭১) বাসটি পটিয়া ইন্দ্রপুল এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের ধাক্কায় তিন শ্রমিক আহত হলেও গাড়ির যাত্রীরা রক্ষা পায়। স্থানীয়রা এসে আহতদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতরা ইন্দপুল লবণ মিলের শ্রমিক বলে পটিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান জানান। পটিয়া থানার এসআই নাদিম মাহমুদ জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। বাসটি ব্রেকপেইল হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
চট্টগ্রাম নগরীও যুক্ত হচ্ছে হাই স্পিড ট্রেন নেটওয়ার্কে
অনলাইন ডেস্ক: হাই স্পিড ট্রেন নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে চট্টগ্রাম নগরীও! এ নিয়ে স্বপ্নের কথা শুনিয়েছে বিদেশি এক পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। আগামী মাস থেকে তারা এ বিষয়ে চট্টগ্রামে কাজ শুরু করছে। জানা গেছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে এ ব্যাপারে চায়না রেলওয়ে ডিজাইন কর্পোরেশন-মজুমদার এন্টারপ্রাইজের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের পরই মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। দেশি-বিদেশি যৌথ এই পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গতকাল ২০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে জরুরি পত্র দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পদস্থ একজন কর্মকর্তা জানান, ঢাকা শহরে মেট্রোরেলের কাজ শুরু হয়েছে। উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে বর্তমানে যেখানে চার ঘণ্টার মতো সময় লাগে সেখানে মেট্রোরেল পৌঁছাবে মাত্র চল্লিশ মিনিটে। ২৬টি লেভেল ক্রসিং স্পর্শ না করেই মেট্রোরেল চলাচল করবে। ঢাকা শহরে মেট্রোরেল চালুর পাশাপাশি ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে হাই স্পিড ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১১০ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পুরো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশা প্রণয়নের জন্য চায়না রেলওয়ে ডিজাইন কর্পোরেশন ও বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজের সাথে চুক্তি করে সরকার। ইতোমধ্যে ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে হাই স্পিড ট্রেন চালানোর ব্যাপারে সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে- বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যেতে ট্রেনে ৩২১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে হাই স্পিড ট্রেন চালুর জন্য প্রস্তাবিত রেলপথের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ২৩৩ কিলোমিটারে নামিয়ে আনা যাবে বলেও সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জ হয়ে সরাসরি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেন ঢাকা যাবে এবং একই পথে ফিরে আসবে। হাই স্পিড ট্রেনের গতি হবে সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার। এই ট্রেনে মাত্র ৫৫ মিনিটেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসা যাবে। বর্তমানে এই পথ পাড়ি দিতে সর্বনিম্ন ছয় ঘণ্টা সময় লাগে। আগামী বছর এই হাই স্পিড ট্রেনের নির্মাণ কাজ শুরু হলে ২০২৫ সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে হাই স্পিড ট্রেন চালানো যাবে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ওই বছরই ৪৫ জোড়া ট্রেন পরিচালনা করতে হবে। পরবর্তীতে চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে পর্যায়ক্রমে ২০৩০ সালে ৫০ জোড়া, ২০৩৫ সালে ৬০ জোড়া, ২০৪০ সালে ৯৮ জোড়া ও ২০৪৫ সালে ১৪৪ জোড়া হাই স্পিড ট্রেন চালাতে হবে ঢাকা চট্টগ্রাম রুটের যাত্রী পরিবহনে। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন কর্পোরেশন-মজুমদার এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে সমীক্ষা রিপোর্ট উপস্থাপনের পর নতুন চিন্তা মাথায় আসে যে, ঢাকা থেকে মাত্র ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছার পর স্টেশন থেকে ইপিজেড যেতে যদি তিন ঘণ্টা লাগে তাহলে হাই স্পিড ট্রেন চালুর পুরো প্রকল্পটির উদ্দেশ্যই মাঠে মারা যাবে। ঢাকা থেকে বিমানে মাত্র চল্লিশ মিনিটে চট্টগ্রামে আসার পর বিমানবন্দর থেকে শহরে আসতে যেমন তিন ঘণ্টা লাগছে তখন ট্রেন থেকে নেমে কর্মস্থলে যেতে যদি তিন ঘণ্টা লাগে তাহলে কোন সুফল পাওয়া যাবে না। এই অবস্থায় ঢাকায় যেমন চল্লিশ মিনিটে চার ঘণ্টার পথ পাড়ি দেয়ার জন্য মেট্রো ট্রেন চালু করা হচ্ছে তেমনি চট্টগ্রামেও ৫/১০ মিনিটের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য হাই স্পিড ট্রেন চালুর পরামর্শ দিয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবরে গতকাল প্রেরিত এক পত্রে নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমানে ট্রেনসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে প্রতিদিন ৬৯ হাজার ৭০০ যাত্রী ঢাকা চট্টগ্রাম ঢাকা রুটে যাতায়াত করে। ২০৩০ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ২১ হাজার, ২০৫০ সালে ৩ লাখ ১৪ হাজার যাত্রী যাতায়াত করবে। যা যথাক্রমে বর্তমানের ১.৭ এবং ৪.৫ গুণ বেশি। এই বিপুল সংখ্যক যাত্রীর নিরাপদ যাতায়াতে ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে হাই স্পিড ট্রেন পরিচালনার কোন বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন কর্পোরেশনের কান্ট্রি হেড জেং ইয়াং স্বাক্ষরিত পত্রে মাত্র ৫৫ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন বিষয়ে তারা সমীক্ষা চালিয়ে উক্ত রুটে ৩০০ কিলোমিটার স্পিডে ট্রেন চালানো সম্ভব বলে নিশ্চিত হয়েছে। এতে ২৩৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ৫৫ মিনিট সময় লাগবে। ইউরোপের কথা বাদ দিলেও এশিয়ার চীন এবং জাপানে আরো দ্রুত গতিতে ট্রেন চলে। এতে করে বাংলাদেশে ৩০০ কিলোমিটার স্পিডে ট্রেন চালানো কোন ‘অলীক’ কল্পনা নয় বলেও বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন কর্পোরেশন- মজুমদার এন্টারপ্রাইজের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, আমরা প্রস্তাব পেয়েছি। আগামী মাসেই (ফেব্রুয়ারি) তাদের সাথে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করবো। এর পরই মাঠ পর্যায়ের সমীক্ষা পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বের উন্নয়ন ওশানবেইজড (সাগরকেন্দ্রিক)। পৃথিবী সাগরকেন্দ্রিক উন্নয়নে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। আমরা শুরু করেছি। আমাদের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বে-টার্মিনাল, মীরসরাই এবং আনোয়ারা ইকোনমিক জোন, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনের বিকাশ থেকে শুরু করে সব উন্নয়নই এখন ওশানবেইজড। আর ওশানবেইজড যে কোন উন্নয়নের ধারা থেকে চট্টগ্রামকে বাদ দেয়া সম্ভব নয়। সাগর এবং নদী মিলে চট্টগ্রামকে প্রকৃতি যেই অপার সম্পদ দান করেছে তাকে কাজে লাগাতে হলেই চট্টগ্রামেই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের বর্তমানের সব ইপিজেড মিলে যত লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে এক মীরসরাই ইকোনমিক জোনে তার থেকে বেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হবে। ওশানবেইজড প্রতিটি প্রকল্পে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে। মানুষের চলাচল বৃদ্ধি পাবে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে হাই স্পিড ট্রেন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। হাই স্পিড ট্রেনের সাথে সমন্বয় রেখে ঢাকা শহরে মেট্রো রেল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামকে এই নেটওয়ার্কের বাইরে রাখার কোন সুযোগ নেই। সিডিএ ২০০৯ সাল থেকে চট্টগ্রামকে একটি বিশ্বমানের শহরে উন্নীত করতে কাজ করছে। এবারও হাই স্পিড ট্রেনের সাথে চট্টগ্রামকে যুক্ত করতে সিডিএ কাজ করবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের যে ভিশন ঘোষণা করেছিলেন তাকে এগিয়ে দিতেই সিডিএ ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। আর এর সুফল ঘরে তুলতে হাই স্পিড ট্রেন নেটওয়ার্কে চট্টগ্রাম মহানগরীকেও সমন্বিতভাবে যুক্ত করতে হবে। দেশী-বিদেশী যৌথ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের কোন কোন এলাকাকে ট্রেন নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে হবে, ট্রেন লাইনের নকশা কি হবে, কত জোড়া ট্রেন চলাচল করবে বা পুরো প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হবে তা বিস্তারিত উল্লেখ করে সমীক্ষা রিপোর্ট প্রদান করবে।
তাঁর স্বপ্ন ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরিত করা :হাসিনা মহিউদ্দ
চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেছেন, প্রয়াত নেত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাষাসৈনিক আশরাফুন্নেছা মোশাররফ জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার জন্য অক্লান্ত প্রয়াস চালিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির অস্তিত্ব মুছে দিতে আমরা নারীসমাজ রাস্তায় নেমেছি। আমাদের ঘর, সংসার, টিকিয়ে রেখে আমরা নারীরা বাংলাদেশের বিজয়ের পতাকাকে সমুন্নত রেখেছি। এই মায়ের জাতি মাতৃমুক্তিপণে ৭১-এ চরম মূল্য দিয়েছিল। আমরা আজ পরিতৃপ্ত। তিনি বলেন, আশরাফুন্নেছা মোশাররফের স্বপ্ন ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরিত করা। তাঁর মৃত্যুতে সংগঠনের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হল। প্রয়াত নেত্রী আশরাফুন্নেছা মোশাররফের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সভার শুরুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আজ বিকেলে প্রয়াত জননেতা আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত শোক সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিলকিস কলিম উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নিলু নাগ, মালেকা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদিকা হোসনে আরা বেগম, খুরশিদা বেগম, আইন বিষয়ক সম্পাদিকা এড. রোকসানা আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদিকা আয়েশা আলম চৌধুরী, মা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শারমীন ফারুক, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হুরে আরা বিউটি, সদস্য ঝর্ণা বড়য়া, আয়েশা আক্তার পান্না, ইসরাত জাহান চৌধুরী, অধ্যাপক শিরীণ আক্তার, সোনিয়া ইদ্রিস, নাসরিন আক্তার, উম্মে কুলসুম, বিলকিস আলম প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আওয়ামী লীগের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী এড.রায়হাত চৌধুরী রনি (এপিপি) বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচনে
সুজন আচার্য্য,চট্টগ্রাম: বাঁশখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নিতে আগ্রহী বাঁশখালীতে আওয়ামী লীগের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এডভোকেট রায়হাত চৌধুরী রনি ১৭/০১/২০১৮ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম জজকোর্ট শাপলা ভবন কোর্ট চেম্বারে নিউজ একাত্তর এর ডট কম এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সুজন আচার্য্য এর সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারের মুখোমুখি হন। # সাক্ষাৎকারে সুজন আচার্য্য এডভোকেট রায়হাত চৌধুরীকে অনেক প্রার্থীদের মাঝে আপনিও প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বাঁশখালীর সাধারন জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের কতটুকু সাড়া ও সমর্থন পাচ্ছেন প্রশ্ন করে জানতে চাইলে এডভোকেট রায়হাত চৌধুরী রনি বলেন, আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়েই আমার রাজনীতির পথচলা।তৃণমূল যেহেতু আমার রাজনীতির প্রাণ সেহেতু তৃণমূল থেকে শুরু করে সারা বাঁশখালীর সাধারন মানুষ ও নেতাকর্মীদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন ও সাড়া পাচ্ছি। # চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন কতটুকু আশাবাদী জানতে চাইলে এডভোকেট রায়হাত চৌধুরী রনি বলেন, আমাকে তরুন প্রজন্মরা বর্তমানে রাজনৈতিক আইকন হিসেবে চায়।বর্তমান সময় তারুণ্যের সময়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তারুণ্যেকেই প্রধান্য দিচ্ছে। যার প্রমাণ সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে প্রচুর তরুণ-তারণ্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। যেমন প্রবীণ নেতা মরহুম আবদুর রাজ্জাকের ছেলে ফাহিম রাজ্জাক, ব্যরিষ্ঠার নৌফেল, শেখ তন্ময় প্রমুখ। অতএব আমিও মনোনয়নের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। # আপনার ভাই এমপি, বাবা ইউপি চেয়ারম্যান এদিকে আপনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন কি না জানতে চাইলে এডভোকেট রায়হাত চৌধুরী রনি বলেন, আমার ভাই আলহাজ্জ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি, আমার বাবা বর্তমানে ইউপি চেয়ারম্যান ও আমার চাচা কবির আহমদ চৌধুরীও দীর্ঘ ২৫ বছর ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। সবার পারিবারিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্যে আমার বেড়ে ওঠা।সেই ঐতিহ্য রক্ষা করা আমার ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে আমি সবসময় সচেষ্ট থাকিবো। বিগত ৫ বছরে মাননীয় এমপি মহোদয় আলহাজ্জ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কর্মযোগ্যো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা রাখবো সুতরাং প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কোন কারণ নাই। # আপনি একজন এডভোকেট ও চট্টগ্রাম জজকোর্টের এপিপির দায়িত্ব পালন করছেন এদিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন,নির্বাচিত হলে দুই দিকে দায়িত্ব পালনে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে কি না বা পরিষদের দায়িত্ব পালনে সাংঘর্ষিক হবে কি না জানতে চাইলে এডভোকেট রায়হাত চৌধুরী রনি বলেন আমি একজন এডভোকেট ও চট্টগ্রাম জজকোর্টের এপিপির দায়িত্ব পালন করছি তাতে কোন সমস্যা সৃষ্টি বা সাংঘর্ষিক হবেনা বরং আমি আইন পেশাকে সাথে নিয়ে অতি দক্ষতা,সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবো বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। কারণ উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের সেবা করা। জনগনের সেবা করা আমার ব্রত। যেহেতু দুটি পদই সেবামূলক পদ।সেহেতু আইন পেশাকে সাথে নিয়ে আমার সেবার পরিধি আরো বিস্তৃিত হবে। সুতরাং আইন পেশার সাথে উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পালনে কোন সমস্যা হবেনা। # আপনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বাঁশখালীবাসীর জন্য কোন কাজগুলি অতি গুরুত্ব সহকারে করবেন জানতে চাইলে এডভোকেট রায়হাত চৌধুরী রনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে ১/ বাঁশখালীতে একটি স্বতন্ত্র স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করবো। ২/ শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিবো। ৩/ মাননীয় এমপি মহোদয় আলহাজ্জ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বাঁশখালীকে একটি পর্যটন উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো বলে জানান।
মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে হালিশহর দরবার শরীফের পীর মাওলানা জালাল উদ্দিনের
আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গতকাল বাদ জুহর আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চত্বরে হালিশহর দরবার শরীফের পীর মাওলানা জালাল উদ্দিনের কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক এম মনজুর আলম। অনুষ্ঠানে মনজুর আলম বলেন, হালিশহর দরবার শরীফের পীর মাওলানা জালাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে দ্বীন ও ধর্মের খেদমত করে আসছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন পীরে কামেলকে হারাল। তাঁর অভাব অপূরণীয়। আমি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এসময় মনজুর আলম তাঁর স্মৃতি ও বর্ণাঢ্য জীবন নিয়েও আলোচনা করেন। পরে মাওলানা জালাল উদ্দিনের স্মরণে মাওলানা মোহাম্মদ ইউনুছ এর পরিচালনায় মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। এ সময় সাবেক মেয়র এই মহান ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের বিদেহী রুহের শান্তি কামনা করেন। মিলাদ ও মুনাজাতের পর মরহুমের ইসালে সওয়াবের জন্য অসহায়, গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, হযরত মাওলানা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন (রহ.) গত মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি হৃদরোগ, ডায়বেটিস ও ফুসফুসের জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। পরদিন বুধবার বাদ জোহর হালিশহর দরবার শরীফে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মোস্তফা-হাকিম কেজি এন্ড হাই স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নেছার আহমদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্ম বার্ষিকীতে পটিয়া বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে খতমে কোরান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ জানুয়ারী (শনিবার) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর আমানত শাহ্ (রঃ) মাজারে খদতে কোরান ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের পটিয়া বিএনপির প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনামের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা দিবসটি পালন করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ রহিম, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, জেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম নেছার, জাহাঙ্গীর আলম, কলিম উল্লাহ চৌধুরী, সাইফুদ্দীন আহমদ, মঈনুল আলম ছোটন, রহিম উল্লাহ, হামিদুর রহমান পেয়ারু, চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল আলম, বখতেয়ার উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন, মো. হাশেম, সাজ্জাদ হাসান, রবিউল হোসেন, নয়ন। দোয়া মাহফিল শেষে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল এনাম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ ও জনগণের কল্যাণে ভুমিকা রেখেছিলেন। আজ এমন একটি পরিবারের সদস্যরা আজ দেশে জিম্মি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাঁর পুত্র আরাফাত রহমান খুকু এবং বিগত জাতীয় নির্বাচনে পটিয়াসহ সারা দেশে যেসকল নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। তাছাড়া জেলে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের কারামুক্তির জন্য দোয়া কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে ভিক্টোরিয়া জুট মিলে আগুন
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর একে খাঁন এলাকায় ভিক্টোরিয়া জুট মিলে আগুন লেগেছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে আগ্রাবাদ, বায়েজিদ ও বন্দরসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিটের ১৩টি গাড়ি আগুন নেভাতে কাজ করে। ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের ১৩টি গাড়ি আগুন নেভানোর কাজ করছে। কিন্তু আগুন এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ভিক্টোরিয়া জুট মিলের বেশ কয়েকটি গুদাম চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য রাখার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরীর অভ্যন্তরীণ আটটি রুটে দিনে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার উদ্যোগ
অনলাইন ডেস্ক: নগরীর অভ্যন্তরীণ আটটি রুটে দিনে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগের আওতাধীন এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক প্রধান সড়কসহ আন্তঃজেলা যোগাযোগের সড়ক ছাড়া বালুছড়া বিআরটিএ হতে অক্সিজেনমুখি, অক্সিজেন মোড় হতে ষোলশহর ২নং গেটমুখি, কাপ্তাই রাস্তার মাথা হতে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালমুখি, আটমার্সিং হতে স্টেশন রোডমুখি, কদমতলী (নীচের অংশ) হতে আটমার্সিং মুখি, কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ হতে বাকলিয়া ও কোতোয়ালী থানার মোড় মুখি, মাঝিরঘাট রোড হতে নিউ মার্কেট মুখি এবং নেওয়াজ হোটেল হতে সিটি কলেজমুখি সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সিএমপির জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল আটটা হতে রাত আটটা পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লং-ভ্যাহিকেল, প্রাইম মুভারসহ অন্যান্য পণ্য ও মালবাহী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রাত আটটার পর পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ও মালামাল ওঠানামা করানো যাবে। তবে জরুরি আমদানীকৃত খাদ্যদ্রব্য, পণ্য ও রপ্তানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্য পরিবহনের জন্য চট্টগ্রাম চেম্বার এবং বিজিএমইএর ইস্যুকৃত স্টিকার লাগিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় চলাচল করতে পারবে। নগরের অভ্যন্তরে দিনের বেলায় ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ অন্যান্য মালবাহী যানবাহন চলাচল এবং অবৈধ পার্কিং-এর ফলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। দিনের বেলায় রাস্তার ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যানবাহন (যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক) চলাচলের ফলে যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান জানান, নির্দিষ্ট আটটি রুটে দিনে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে সড়কগুলোতে যানজট কমবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর