রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২০
বঙ্গবন্ধুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন বঙ্গমাতা: নাছির
০৮আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর উত্তাল রাজনৈতিক জীবনে একজন সার্বক্ষণিক ছায়াসঙ্গী হয়ে কঠিন সময় উত্তরণে পরামর্শ ও রাজনৈতিক রণকৌশল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। নাছির বলেন, বঙ্গমাতা এতই দূরদর্শী ছিলেন যে- বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তাকে কাগজ-কলম যুগিয়ে দিয়ে লেখালেখি করার তাগিদ দিয়েছিলেন। সেই তাগিদ থেকেই বঙ্গবন্ধুর লেখালেখির ফসল- অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারে রোজনামচা। তিনি বলেন, একজন রাজনৈতিক নেতা তখনই পরিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন, যখন তার জীবনসঙ্গীনি নিজের রাজনৈতিক চেতনা, আদর্শ ও স্বপ্ন সাধনার পরিপূরক প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেন। জাতির জনকের পরিপূর্ণ রাজনৈতিক জীবনে অনিবার্য ও অতুলনীয় অংশ হলেন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। নাছির বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে ও হুলিয়া মাথায় আত্মগোপনে, তখন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সংসার আগলে রাখার পাশাপাশি দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের যোগাযোগের সূত্রাধার ছিলেন। জেলখানায় বন্দি বঙ্গবন্ধুকে বাইরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তিনি অবহিত করতেন। আমরা জানি, লাহোরে ৬৯ সালে পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর সাথে গোল টেবিল বৈঠকে যোগদানের জন্য বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু বেগম মুজিব জেলগেইটে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন- প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব গ্রহণ করা যাবে না। সেই সময় এটাই ছিল সবচেয়ে কার্যকরী ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অনুষ্ঠানে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মহিয়সী নারী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব শুধু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী হিসেবে নন, জাতির কঠিন ক্রান্তিকালে একজন দক্ষ রাজনীতিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে স্বীয় কর্মগুণে ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। মাহতাব বলেন, তিনি কঠিনকে জয় করার মতো একজন সাহসিনী যোদ্ধা ছিলেন। বঙ্গবন্ধু যখন কারান্তরে তখন দিশেহারা অগণিত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের অভিভাবক হিসেবে তিনি টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রেরণা যুগিয়ে গেছেন। তাই তিনি আমাদের মাঝে শুধু স্মৃতি নয়, প্রতিদিনের প্রেরণা হয়ে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য শফর আলী, শেখ মাহমুদ ইছহাক, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ হোসেন, ধর্ম সম্পাদক জহুর আহমেদ, উপ-প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম প্রমুখ।
করোনায় চট্টগ্রামে মৃত্যুহীন আরেকদিন
০৮আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় মৃত্যুহীন আরও একটি দিন পার করলো চট্টগ্রাম। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে ১১৭ জন শনাক্ত হলেও এই সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগী মারা যাননি বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ৬ ল্যাব, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ৯০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে নতুন করে আরো ১১৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনামুক্ত হয়েছেন ১০৩ জন। এতে চট্টগ্রামে করোনা হতে মোট সুস্থ তিন হাজার ছাড়িয়েছে। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রামের ৬টি ল্যাবে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ৯০৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে নগরীর ৯০ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২৭ জন। এনিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ হাজার ৯৯১ জনে। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরো ১০৩ জনসহ মোট ৩ হাজার ৬১ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় কেউ মারা যায়নি। মোট মৃত্যু ২৪০ জনই। এদিকে ৯০৯ জনের নমুনা পরীক্ষার মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১৫২টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৬ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়। তার মধ্যে নগরীর ১২ জন জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১৪ জনের দেহে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ১৮০ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় আরও ৩ জন। এর মধ্যে নগরীর ২ জন ও উপজেলার ১ জনের পজিটিভ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৮৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ২২ জন নগরীর ও ৫ জন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ১৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯ জনের পজেটিভ পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ৮ জন নগরীর বাসিন্দা ও উপজেলার ১ জন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ৭৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৫ জন শনাক্ত হয়। ২৫ জনই নগরীর বাসিন্দা। বেসরকারি শেভরনে ১৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে নগরীর ২১ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৪ জন। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২৭ জন শনাক্ত হয়েছে। সেগুলো হল- বাঁশখালী ২ জন, পটিয়ার ৩ জন, বোয়ালখালী ২ জন, রাউজানের ৯ জন, ফটিকছড়ির ১ জন, হাটহাজারীর ৭ জন এবং সীতাকুণ্ড ৩ জন।
৩১৫০০ পিস ইয়াবাসহ Rab-7 এর হাতে ট্রাকের হেলপার আটক
০৭আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিভিন্ন মালামাল নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে যায় ট্রাক। ফেরত আসার সময় সেই ট্রাকে করে নিয়ে আসা হয় ইয়াবা। এমন একটি ইয়াবার চালান ধরা পড়েছে Rapid Action Battalion (Rab) হাতে। ৩১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের পাশাপাশি আটক করা হয়েছে ট্রাকের হেলপারকে। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোরে নগরের বাকলিয়া থানাধীন তুলাতলী এলাকা থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে হেলপারকে আটক করা হয়। Rab এর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ট্রাক চালক। আটক ট্রাকের হেলপারের নাম মো. আলাউদ্দীন (৪০)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ কুনিয়াপালং এলাকার মো. হোসেনের ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, বাকলিয়া থানাধীন তুলাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। Rab-7 এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. রকিবুল হাসান নিউজ একাত্তরকে বলেন, ট্রাকে করে টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে আসা হচ্ছিল এসব ইয়াবা। Rab সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাক চালক পালিয়ে গেলেও হেলপার আলাউদ্দিনকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি- চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে তারা টেকনাফ যায়। আসার পথে ইয়াবা নিয়ে আসে। দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব কাজে জড়িত বলে স্বীকার করেছে।
১৮০ দিন সময় পেয়েছি, ১৮০ দিনই রাস্তায় থাকব: চসিক প্রশাসক
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, আমি ১৮০ দিন সময় পেয়েছি, ১৮০ দিনই রাস্তায় থাকব। আমার ভুল হতে পারে, তবে অসততা থাকবে না। ভুল যদি দেখিয়ে দিবেন, সেটা স্বীকার করার এবং সংশোধন করার সৎ সাহস আমার আছে। ১৮০ দিনের প্রতিটি মুহূর্তই আমার জন্য চ্যালেঞ্জ। আগে আমাকে পুকুরে নামতে দিন। পুকুরে নামলে তখন দেখবেন আমি কিভাবে সাঁতার কাটি। দায়িত্ব গ্রহণের পর চসিকের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নতুন প্রশাসক এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টায় নগরীর টাইগার পাসে অস্থায়ী নগর ভবনে প্রশাসকের দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। এর আগে সকাল ৮টায় বাসভবন থেকে বের হয়ে কাট্টলী হজরত মঈনুদ্দিন শাহ্ (রহ.) এবং জেল রোডে হজরত আমানত শাহ্ (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে চসিকের টাইগারপাস অস্থায়ী কার্যালয়ে আসেন। এ সময় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে স্বাগত জানান। এর কিছুক্ষণ পরেই আসেন সদ্য বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। দায়িত্ব গ্রহণ করে সম্মেলন কক্ষে চসিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন নতুন প্রশাসক। এ সময় পাশে ছিলেন বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। সদ্যবিদায়ী মেয়র প্রশাসককে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপর বেলা ২টায় পোর্ট কানেকটিং রোডের দুর্ভোগের চিত্র পরিদর্শন করেন। প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়ে খোরশেদ আলম সুজন বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো রকম ছাড় দেয়া হবে না। মেয়র দায়িত্ব শেষ করে চলে যাবেন, কিন্তু আপনারা এখানে থাকবেন। তাই আমার অনুরোধ, আপনাদের উপর অর্পিত যে দায়িত্ব তা শতভাগ সততার সঙ্গে পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগকৃত প্রশাসক হিসেবে আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। এই সিটি কর্পোরেশনকে আমি দলীয় কার্যালয় করব না। এখান থেকে নগরবাসীর সেবায় যা প্রয়োজন সেটাই করব। পরিচ্ছন্নতা বিভাগের উদ্দেশে সুজন বলেন, যেদিন বৃষ্টি হবে আমিও আপনাদের সঙ্গে থাকব। দেখব কোথায় পানি জমে, কেন জমে। ঘরের মধ্যে থেকে, ওয়াকিটকিতে- হ্যালো আমি কামাল স্টোরের নিচে আছি, পানি পরিষ্কার করছি সেটা হবে না। আমরা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কর্মী। রাতের একটা দুইটা পর্যন্ত কাজ করেছি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে সুজন বলেন, কোথায় সমস্যা আছে আমাকে জানান। সমালোচনাকে ভয় পাই না। আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করব। আমাকে ১৮০ দিন সময় দিয়েছে, ইনশাআল্লাহ ১৮০ দিনই আমি রাস্তায় থাকব। আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ আমার হাতে নেই যে রাতারাতি সব সমস্যা শেষ করতে পারব। কাজ করতে গিয়ে ভুল হতে পাওে, কিন্তু ডিজঅনেস্টি থাকবে না। ভুল ধরিয়ে দিলে সংশোধন করার মত মন আমার আছে। সদ্য বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ১৮০ দিনের জন্য নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে চসিক প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জননেত্রী তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনীতিকের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি খুশি। তিনি যখনি সহযোগিতা চাইবেন শতভাগ করবো। আমরা একসঙ্গে ছাত্র রাজনীতি করেছি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিদায়ী মেয়র বলেন, চসিক প্রশাসক সঠিক ও সুচারুভাবে যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারেন সে ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন। নেতিবাচক সংবাদে জটিলতা সৃষ্টি হয়। চসিকের বিভাগীয় প্রধানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যেভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন আরও বেশি করে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে উনাকে সহযোগিতা করবেন। তাহলে নগরবাসী বেশি সেবা পাবে। চসিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন আহমদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া প্রমুখ।- বিডি-প্রতিদিন
চসিক প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন খোরশেদ আলম
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন খোরশেদ আলম সুজন। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন মেয়র নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি চসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন। বৃহস্পতিবার(৬ আগস্ট) সকালে সদ্য বিদায়ী মেয়র আজম নাছির উদ্দিনের কাছ থেকে তিনি দায়িত্ব বুঝে নেন। এ সময় তাকে স্বাগত জানান চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা। এরপর চসিক সম্মেলন কক্ষে দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন খোরশেদ আলম সুজন। পরে চসিক সম্মেলন কক্ষে গিয়ে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ ও প্রধান নগর পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজাউল করিম প্রমুখ। প্রসঙ্গত করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় স্থগিত রয়েছে চসিক নির্বাচন। গত মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রাণালয় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, বর্ষীয়ান রাজনীতিক খোরশেদ আলম সুজনকে চসিক প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
মানুষের ভালবাসা প্রমাণ করে আমি সফল-মেয়র নাছির
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের শেষ কর্মদিবসে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, ৪১ জন কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের সম্মানে চসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রীতি সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়। আজ ৫ আগষ্ট বুধবার থিয়েটার ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি সম্মিলনে চসিকের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ কাউন্সিলরবৃন্দ মেয়রের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পুরো অনুষ্ঠান মঞ্চ জুড়ে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। এমন আবেগঘন পরিবেশ দেখে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনও উচ্ছসিত হয়ে পড়েন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে দাঁড়িয়ে উচ্ছসিত কণ্ঠে তিনি বলতে শুরু করেন, মানুষের জন্য কাজ করতে পারা অনেক সৌভাগ্যের ব্যাপার। প্রত্যেকের উচিত এমন সুযোগকে কাজে লাগানো। আমি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করে সেই সুযোগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। দলীয় বা বিদলীয় প্রত্যেক কাউন্সিলর,সংরক্ষিত কাউন্সিলরকে আমি সমান চোখে দেখেছি। আমি বুঝেছিলাম নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সকলের ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চসিকের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আমার কাছে শুধু প্রশাসনিক নয় ব্যক্তিগত ভাবে সমান সম্মান মর্যাদা পেয়েছেন। আজকের অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর থেকে শীর্ষ কর্মকর্তারা বক্তব্যে আবেগাপ্লুত অশ্রসিক্ত হয়ে পড়েছেন। এই আবেগ,এই চোখের জল একমাত্র ভালবাসারই বহিঃপ্রকাশ। এটাই আমার সফলতা। মানুষের, চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি তাতে মনে করি আমি সফল। আত্মতৃপ্তি নিয়ে শেষ কর্ম দিবস অতিবাহিত করছি। তিনি বলেন, আমরা জন প্রতিনিধি। নির্বাচনে হারতেও পারি, জিততে পারি। একজন রাজনীতিকের কাছে নির্বাচন বা চেয়ার মুখ্য বিষয় নয়। রাজনীতিকের মূল মোটো মানুষের পাশে থাকা। তাদের সুখ দুঃখের ভাগিদার হওয়া। তাদেরকে আপন করে নেয়া। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্যই আমি কাজ করি আমি। মেয়র আরো বলেন, চাকরি প্রবিধান মালা ৩১ বছর ধরে ঝুলে ছিল। সাড়ে তিন বছর ধরে অনেক প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে আমি প্রবিধান মালা অনুমোদন করিয়েছি। সেখানে ১০৪৬টি পদে পদায়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৯ হাজারটি পদ সৃষ্টি করে আরো একটি অর্গানোগ্রাম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেটিও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পদোন্নতিতে আগে গ্রেডেশনের কোন বালাই ছিল না। আমি গ্রেডেশন সিস্টেম চালু করেছি। এখন থেকে গ্রেডেশন অনুযায়ীই পদোন্নতি হবে। বিগত পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন বা সফলতা তা আমি একার পক্ষে সম্ভব ছিল না। এটি সম্ভব হয়েছে আমার কাউন্সিলর,সংরক্ষিত কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে। চসিক পরিবারের সহযোগিতার কারণে এই সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। চসিকের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মো সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু মো. আযম,সালেহ আহমদ চৌধুরী,ইসমাইল বালি,আনজুমান আরা বেগম,হাসান মুরাদ বিপ্লব, চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী,প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম,প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া,প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন আহমেদ,প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী,প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, ইউএনডিপির টাউন ম্যানেজার সরোয়ার হোসেন খান,চসিক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অস্ত্র-গুলিসহ Rab-7 এর হাতে আটক দুই সন্ত্রাসী
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। কর্ণফুলী থানাধীন চরলক্ষ্যা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয় Rab এর পক্ষ থেকে। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আটক দুইজন হলো- পটিয়ার কোলাগাঁও এলাকার তুফান আলীর ছেলে মো. রমজান আলী (৪৩) ও একই এলাকার জেবল আহমদের ছেলে আবদুল মান্নান প্রকাশ মান্না (৩৬)। তাদের নামে ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, দখলদারি, যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে Rab। Rab-7 এর এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। তাদের কর্ণফুলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। Rab-7 এর হাটহাজারী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মো. মুশফিকুর রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, রমজান চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে পটিয়ায় ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, দখলদারি, যৌন হয়রানি, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। রমজান ও তার সহযোগীর নামে পটিয়া থানায় একাধিক মামলা আছে।
মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ পটিয়া পৌরসভার আয়োজনে কৃষকদের সার, গামছা ও খাবার বিতরন
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,পটিয়া প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া পৌরসভার ০২ ওর্য়াড সুচক্রদন্ডী এলাকার কৃষকদের মাঝে জাতীয় সংসদের হুইপ কৃষক প্রিয় জননেতা আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপির অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ পটিয়া পৌরসভার আয়োজনে সার, গামছা ও খাবার বিতরন কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রবিবার সকালে সরাসরি কৃষকদের বিলে গিয়ে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তরুন সংগঠক আলমগীর আলম। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ জয়নাল আবেদীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন পটিয়া পৌরসভা ০২ নং ওর্য়াড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গফ্ফারুল বশর মনু,মাহমুদুল হক সুমন,পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ কাউছার, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মানিক, সাইফুল ইসলাম বিপু, ওসামান,প্রতাপ,শিবু কুমার দে,সুব্রত দে,রাশেদ,দেলোয়ার, আবুল কাশেম, মাকসুদ,হিরু,কাউছার হোসেন রাসেল,কৃষক মুক্তিযোদ্বা আবু তাহের,মোহাম্মদ নুরু,আবুল কাশেম,মোঃ লিটন,হাসান মিয়া,ফজল করিম,মোরশেদ,রফিক, আবু সৈয়দ প্রমুখ। এতে বক্তারা বলেন বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের জন্য নানান প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, কৃষকরাই আমাদের দেশের চালিকা শক্তি তায় তাদের উন্নয়নে সকলেই কাজ করা প্রয়োজন তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর এ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ কর্মচূসী প্রতিটি ওর্য়াডে পালন করা হবে।- পটিয়া নিউজ

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর