শনিবার, জানুয়ারী ২৩, ২০২১
ফটিকছড়ি উপজেলায় গৃহহীন পরিবারের মাঝে গৃহের দলিল,খতিয়ান ও সনদ হস্তান্তর
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,সজল চক্রবর্তী,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সারাদেশ ব্যাপী ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান উপলক্ষে গনভবন হতে ২৩ জানুয়ারী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন।উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্স দেখেন, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, ফটিকছড়ি পৌরসভার মেয়র মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন,নাজির হাট পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজ উদ-দ্দৌলা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) শাহাদাৎ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান এড. সালামত উল্লাহ চৌধুরী,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন নাহার, ওসি মোঃ রবিউল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী, বিভিন্ন ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তারা ও উপকারভোগিরা।
গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্যমন্ত্রী
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদা- অন্ন, বস্ত্র এবং বাসস্থান। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের অন্ন ও বস্ত্রের সমস্যার সমাধান অনেক আগেই করেছেন। এখন গৃহহীনদের মাথা গোঁজার জন্য ঠাঁই করে দিচ্ছেন তিনি। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাঙ্গুনিয়ায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়নের ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাসস্থানের সমস্যা এখনও আমাদের দেশে থেকে গেছে। এই সমস্যাকে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সমস্ত গৃহহীন মানুষকে ঘর করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন- মুজিববর্ষে আমরা গৃহহীনদের ঘর করে দেবো। সেই ঘোষণা শুধু ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি তার রাষ্ট্রযন্ত্র ও দলকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন। আজকে একদিনে ৭০ হাজারের মতো ঘর তিনি উদ্বোধন করেছেন। তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে আজকে যারা ঘর পেয়েছে তারা কখনও ভাবেনি এই ধরণের একটি জমির মালিকানাসহ দুই রুমের একটি ঘর উপহার পাবেন। এই অভাবনীয় কাজ আজকে জাতীর জনকের কন্যা শেখ হাসিনা করেছেন। আমার জানা নেই পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এভাবে একই দিনে ৭০ হাজার পরিবারকে ঘর দেওয়া উদ্বোধন হয়েছে কিনা। হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আগে ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ, এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ, অর্থাৎ আমরা ক্ষুদাকে জয় করেছি। ভরদুপুরে কিংবা সন্ধ্যার পরে শহরের অলিগলিতে কিংবা গ্রাম গ্রামান্তরে ;মা আমাকে একটু বাসি ভাত দেন সেই ডাক এখন আর শোনা যায় না। কারণ বাসি ভাতের সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে অনেক আগে। তিনি বলেন, দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন। এরপরও কিছু কিছু ভিক্ষুক আছে। তবে শুধু ভিক্ষুক যে বাংলাদেশে আছে তা নয়, অনেক দেশে ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও ভিক্ষুক আছে। বাংলাদেশে যদি কেউ ভিক্ষুককে এখন দুই টাকা দেই, ভিক্ষুক তাকে দুইটা গালি দেবে। ৫ টাকা দিলে আপাদমস্তক তাকিয়ে দেখবে, মানুষটা কেমন। লাল রঙের ১০ টাকার নোট দিলে মোটামুটি খুশি হবে, তবে পুরাপুরি না। এই হচ্ছে আজকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশে কোন ছেঁড়া কাপড় পরা ও খালি পায়ে মানুষ দেখা যায় না। আগে আমাদের দেশে বিদেশ থেকে পুরনো কাপড় আসতো, সেগুলো ধোলাই করে হকার্স মার্কেটে বিক্রি হতো। সেগুলো কিনে আমরা পরে সাহেব সাজার চেষ্টা করতাম। আর এখন বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানি হয়, আর সেগুলো বিদেশের বড় বড় মার্কেটে বিক্রি হয় এবং সেগুলো পরে সেখানকার সাহেবরা তাদের সাহেবগিরি ঠিক রাখে, অর্থাৎ পরিস্থিতি এখন উল্টে গেছে। যারা ঘর পেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা ঘর পেয়েছেন তারা কখনও চিন্তা করেননি জমিসহ এরকম একটি ঘর পাবেন, কিন্তু আপনারা ঘর পেয়েছেন। এটি কোন সরকার দিয়েছে সেটি মনে রাখতে হবে। এটি দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার, নৌকা মার্কার সরকার, এটি দেশের সবধরনের ভোটের সময়ও মনে রাখতে হবে। ভোটের সময় আসলে অনেক রকমের দল আপনাদের সামনে হাজির হবে, তাদের বলতে হবে কখনো আমাদের খবর নাওনি, বদমাইশরা আবার এসেছো ধোঁকা দিতে, এমন করে তাদের জবাব দিতে হবে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) রাজিব চৌধুরীর সঞ্চালনায় দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার।
৩৭ প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেজাউল করিমের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইশতেহারে রেজাউল করিম চৌধুরী নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, নালা-খাল-নদী থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ মোট ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান।
জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি ডা. শাহাদাতের ইশতেহারে
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়াসহ ৯টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর একটায় নগরের জামালখানে একটি রেস্টুরেন্টে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি। তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে- জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম, স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম, শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম, গৃহ কর ও আবাসন সুবিধা, পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম, নিরাপদ চট্টগ্রাম, সাম্য-সম্প্রীতির চট্টগ্রাম, নান্দনিক পর্যটন নগর এবং তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়া। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর একটি পাহাড়, সাগর ও নদী পরিবেষ্টিত শহর। পাহাড় হতে বৃষ্টির পানি বিভিন্ন খাল হয়ে শহরের মধ্য দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়। অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি মাটি পড়ে খাল ও নালা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে তা খালে গিয়ে পড়ে। যা নিরসনে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করবো। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে শহরের মধ্যে প্রবাহিত খাল উদ্ধার করে তা পানি চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং খালের উভয় পাশ রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রতি বছর বর্ষার আগে শহরের সমস্ত খাল, নালা-নর্দমা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কারসহ পানি চলাচলের উপযুক্ত করে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন করবো। ডা. শাহাদাত বলেন, নগরবাসীর নাগরিক অধিকার আমাদের সংবিধান নির্দিষ্ট করেছে-কিন্তু সে অধিকার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। সংবিধানের মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তার বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ কাজ করে থাকে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যদি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনই পারে বিদ্যমান উন্নয়ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে নগরবাসীর দোরগোড়ায় উন্নয়ন পৌঁছে দিতে। নির্বাচিত হলে আমি আপনাদের সাথে নিয়ে এ প্রচেষ্টায় সফল হবো ইনশাআল্লাহ। সাম্য সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, চট্টগ্রামের হাজার বছরের ঐতিহ্যের আলোকে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে আবদ্ধ করার প্রয়াস থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে মাদকাসক্তির ঝুঁকি কমাতে সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জা, কবরস্থান, শ্মশান ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। নান্দনিক পর্যটন নগর গড়তে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নগরীকে অল্প সময়ে বিশ্বের অন্যতম নগরীতে পরিণত করার জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পাহাড়, নদী, সমুদ্র, বিরল প্রকৃতির সৌন্দর্য্যের আলোকে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সাধন করে আধুনিক আকর্ষণীয় পর্যটন নগর গড়ে তোলা হবে। নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করে পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি পর্যটন আকর্ষণের নিমিত্তে দেশি-বিদেশি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, বিনোদন কেন্দ্র ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, নাগরিকদের যাতায়াত সুবিধার জন্য পরিকল্পিত স্মার্ট নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা করে আয়বর্ধক প্রকল্প বৃদ্ধিসহ বাস স্টপ নির্মাণ করা হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠানসমূহ চালু ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বায়ু দূষণ রোধে ইলেকট্রিক বাস সার্ভিস চালু করা হবে। নগরীতে অবস্থিত দিঘি ও লেক সমূহকে পর্যটন স্পটে পরিণত করা হবে। এছাড়া নগরবাসীর জন্য নানা সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন বাস্তবভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত পার্ক নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, করপোরেশন এলাকায় অবহেলিত বিভাগগুলোর মধ্যে অন্যতম স্বাস্থ্য বিভাগ। নগরের জনসংখ্যা গত ৫০ বৎসরে প্রায় ২০ গুণ বৃদ্ধি পেলেও নতুন কোনও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় শয্যা সংখ্যার অপ্রতুলতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানী ঢাকায় ১০টি বিশেষায়িত হাসপাতাল থাকলেও চট্টগ্রামে পর্যাপ্ত নেই। চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত বন্দরনগরীর স্বাস্থ্য সেবার পরিধি বৃদ্ধিকল্পে অন্তত আরও ২ হাজার শয্যার পর্যাপ্ত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। সাথে সাথে শিশু হাসপাতাল, মাতৃসদন ও ট্রমা সেন্টারসহ বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে অনুমোদিত ১৩১৩ শয্যার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫০০-৩০০০ রোগী ভর্তি থাকে। অন্যদিকে প্রশাসনিক আদেশে ২৫০ শয্যার ঘোষণা দেওয়া হলেও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালটি এখনও ১৫০ শয্যার জনবল নিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে। শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম গড়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অটোমেশনের আওতায় এনে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়ন, স্কুলে প্রবেশ, প্রস্থান, ক্লাস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও পরীক্ষার ফলাফল সবকিছু যাতে অভিভাবকরা ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে মনিটরিং করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। করপোরেশন পরিচালিত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সরকারি নির্দেশনার আলোকে পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত জীবনে নেতৃত্ব ও গুণাবলী অর্জনের নিমিত্তে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। গৃহকর ও আবাসন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, চসিক একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। সেবা প্রদানে কর প্রয়োজনীয় সহায়ক শক্তি। জনগণের উন্নত সেবা নিশ্চিতকরণে বর্তমান গৃহকরের প্রয়োজনীয় বিন্যাস ও সরলীকরণ করাসহ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিম্ন আয়ের নগরবাসী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের আবাসন গৃহ করমুক্ত করা হবে। হিজরা, ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হবে। শ্রমজীবীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে আবাসন সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এমি, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ব্যাপক কর্মকাণ্ড
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুর নেতৃত্বে চট্টগ্রামে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল ২২ জানুয়ারি দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের আগ্রাবাদ বারেক বিল্ডিং সংলগ্ন গোসাইলডাঙ্গা শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরের সামনে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়া দেওয়ানহাট মোড় এলাকায় অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন তারা। পরে চান্দগাঁও এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম চৌধুরীর সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতৃবৃন্দ। স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় উপ পাট ও বস্ত্র বিষয়ক সম্পাদক তারেক মাহমুদ চৌধুরী পাপ্পুর উদ্যোগে যুদ্ধাপরাধী মীর কাসিম আলীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান সূচক উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নগরীর বাকলিয়া এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ করেন নেতৃবৃন্দ। এ সময় তারা লালখান বাজার এলাকায় নৌকা মার্কার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ করেন। সংগঠনের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির চাকাকে সচল রাখতে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার আহবান জানান তিনি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। বৈশ্বিক করোনা মহামারীর শুরু থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিন ভিডিও কনফারেন্সর মাধ্যমে সারাদেশের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের খোঁজ খবর নিয়েছেন। সকল প্রকার সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন। করোনা মহামারীতে দেশের কোথাও কেউ না খেয়ে মারা যায়নি। দেশরত্ন শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ রেজাউল করিমকে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে বিজয়ী করার আহবান জানান তিনি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ সভাপতি ডঃ জমির উদ্দিন শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক নাফিউল করিম নাফা, গ্রন্থণা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক কেএম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার, পাট ও বস্ত্র বিষয়ক সম্পাদক আশীষ কুমার সিংহ, উপ- দপ্তর সম্পাদক অ্যাডঃ মোঃ মনির হোসেন, উপ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ উম্মে সালমা মুনমুন, উপ পাট ও বস্ত্র বিষয়ক সম্পাদক তারেক মাহমুদ চৌধুরী পাপ্পু, কার্যনির্বাহী সদস্য ব্যারিস্টার এনায়েত বাতেন রাসেল, বোখারী আজম, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহবায়ক অ্যাডঃ জিয়া উদ্দিন জিয়া, যুগ্ম আহবায়ক কেবিএম শাহজাহান, সালাউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পরিষদ সদস্য মির্জা মুর্শেদুল আলম মিলন, হানিফ চৌধুরী, নির্মল ঘোষ, চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব, মহানগর সদস্য নুরুল করিমসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,সিনিয়র সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটলেও শক্তভাবেই সামাল দিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ভোটের আগে নগরের প্রতিটি মোড়ে বসবে তল্লাশি চৌকি। এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৪১৭টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কেন্দ্রগুলোর আশপাশের এলাকায় কয়েক দিন ধরেই চলছে ব্লক রেইড। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, ব্লক রেইড, চেকপোস্ট এবং বিভিন্ন মোটরসাইকেল, সিনজি, মাইক্রোবাস এগুলো যেন নাশকতা কাজে ব্যবহৃত হতে না পারে তার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ২৭ জানুয়ারির সিটি নির্বাচনে নাশকতার আশঙ্কা আছে পুলিশ প্রশাসনের। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে। পুলিশ কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে দুটি করে মোবাইল টিম থাকবে। প্রতিটি থানায় একটি করে স্ট্রাইকিং টিম থাকবে এবং প্রতিটি বিভাগ ডিসির আওতায় শতাধিকের উপর ফোর্স থাকবে। বহিরাগতদের ঠেকাতে চট্টগ্রাম নগরের প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। অচেনা লোকজন দেখলে নিকটবর্তী থানায় খবর দিতে স্থানীয়দের অনুরোধ জানিয়েছে প্রশাসন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, বিভিন্ন জায়গাতে বোর্ডার এবং ভাড়াটে আসতে পারে এগুলোর উপর নজরদারি থাকবে থানা পুলিশের মাধ্যমে। সিএমআইএস ফর্ম যেটা আছে, এটার উপরে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। পুলিশ দলমত নির্বিশেষে সব প্রার্থীর অভিযোগ আমলে নিচ্ছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক বলেন, নির্বাচনের সময় যে কোন ধরনের সহিংস ঘটনাই কিন্তু সংবেদনশীল ঘটনা হিসেবে পরিচিত। আমরা কোন প্রকার বিভাজ্য করেনি, যিনি এসেছেন তিনি মামলা দিয়েছেন। ভোট নিয়ে এবার ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে বলে আশ্বস্ত করছে পুলিশ প্রশাসন।
আজ ইশতেহার ঘোষণা করবেন রেজাউল-শাহাদাত
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী ও বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন আজ। রেজাউল করিম চৌধুরীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন। অন্যদিকে ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার বিষয়টি জানিয়েছেন চসিক নির্বাচনে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব ও নগর বিএনপির দফতর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন রেজাউল করিম চৌধুরী। দুপুর ১২টায় নগরের জামালখানে একটি রেস্টুরেন্টে ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন।
চট্টগ্রামে আরও ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৩ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২ হাজার ৫৪০ জন। এসময়ে করোনায় মৃত্যুবরণ করেনি কেউ। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৭৪টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৫০৭টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩৭০টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৪৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চবি ল্যাবে ২০ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ১৩ জন, চমেক ল্যাবে ৭ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৬০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদিন জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৫৩ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ হাজার ১২৩টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৪০ জন এবং উপজেলায় ১৩ জন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর