বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১, ২০১৯
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এর উদ্যেগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন উদযাপন
১৭মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাজার বৎসরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকি উপলক্ষে মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যেগে সংগঠনের কার্যালয়ে অদ্য ১৭ ই মার্চ এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের জেলা কমিটির মহাসচিব মোঃ ফজলুল ইসলাম ভূইয়াঁর সঞ্চালনায় ও চেয়ারম্যান লোকমান আলির সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,বিশেষ অতিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহানগর কমিটির কমিটির চেয়ারম্যান এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরী,জেলার ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল আনোয়ার দুলাল,মহানগর এর মহাসচিব তছলিম কাদের চৌধুরী,এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির যুগ্ন মহাসচিব মিলি চৌধুরী,জেসমিন সুলতানা,জুয়েল বড়য়া,যুগ্ন সাংগঠনিক সচিব মোঃ হানিফ,মহানগর কমিটির যুগ্ন মহাসচিব নুরুল ইসলাম,মহিলা বিষয়ক সচিব শিরিন আক্তার,মোঃ হারুন,আমজাদ চৌধুরী,সুজন আর্চায্য,আবুল কাসেম প্রমূখ। আলোচনা সভা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অত;ার মাগফিরাত ও বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের মহাসচিব জনাব ওবায়দুল কাদেরের রোগ মুক্তি এবং দেশের কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
ছাদ বাগান উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দেবে চসিক
১৭মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন নগরী, বিশ্বমানের বাসোপযোগী মনোরম পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ছাদ বাগান উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করবে। সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, নগর জীবনে সবুজের ছোয়া একেবারে নেই বললেই চলে। অথচ এই যান্ত্রিক শহরে সবুজ প্রকৃতি খুবই জরুরি। নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে নগরীর প্রতিটি ছাদে, বাড়ির আঙ্গিনায় এবং খালি জায়গায় বাগান গড়ে তুলে চট্টগ্রামকে সবুজে সাজিয়ে গ্রিন সিটিতে রূপান্তরের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। গত শুক্রবার সকালে নগরীর উত্তর কাট্টলীর মুন্সী পাড়াস্থ জয়নাল আবেদীন চৌধুরী বাড়িতে রোকেয়া হকের ছাদ বাগান পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা বলেন। রোকেয়া হকের এ ছাদ বাগানে সফেদা, লাউ, বেগুন, ক্যাপসিক্যাম, আখ, কমলা লেবু, শালগম, থাই লেবু, ড্রাগন, বিভিন্ন প্রজাতির ফুল-সবজিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-পালা রয়েছে। মেয়র ছাদ বাগানের পরিবেশ দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, নিজেদের ইচ্ছা শক্তি আর বৃক্ষপ্রেম থাকলে বাড়ির ছাদে বাগান গড়ে তোলা কোন সমস্যা নয়। এতে যেমন নিজেদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মিটবে অপরদিকে প্রাকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষা হবে। মেয়র ছাদ বাগান বিষয়ে নগরবাসির মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য চট্টগ্রাম শহরকে কয়েকটি জোনে বিভক্ত করে প্রচার, সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করার জন্য তিলোত্তমা চট্টগ্রামকে পরামর্শ দেন। মেয়র বলেন চসিক আগামী বাজেটে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ রাখবে এবং ছাদ বাগান করতে আগ্রহীদের গাছের চারা বিতরণ করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ (এমজেএফ) এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠন
১৬মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠন কল্পে এক আলোচনা সভা সংস্থার স্থায়ী কার্যালয়ে চট্টগ্রাম জেলা কমিটির মহাসচিব মোঃ ফজলুল ইসলাম ভূইয়াঁ এর সঞ্চালনায় ১৬ ই মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার চট্টগ্রাম জেলা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন,এনায়েত হোসেন নয়ন,এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরী,শেখ জয়নাল আবেদীন,মোঃ নুরুল আনোয়ার দুলাল,তছলিম কাদের চৌধুরী,আবুনছর চৌধুরী,শিরিন আক্তার,আব্দুল গফুর,মোঃ হারুন,মোঃ হানিফ,সুজন উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় সকলের সম্মতিক্রমে ২০১৯ সালের চট্টগ্রাম জেলা কমিটিতে মোঃ লোকমান আলিকে চেয়ারম্যান ও মোঃ ফজলুল ইসলাম ভূইয়াঁকে মহাসচিব মনোনীত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম জেলা কমিটি অনুমোদন প্রদান করেন সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। উক্ত কমিটিতে আলহাজ্ব দিদারুল আরম এম.পি,প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব ডঃ নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু,কাজী আলতাফ হোসেন,আলহাজ্ব আজমল হক,এডভোকেট মোঃ আলাউদ্দিন সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলী,শেখ জয়নাল আবেদীনকে সিঃভাইস চেয়ারম্যান,মৃদুল মজুমদারকে সিঃ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দিন রাজু ভাইস চেয়ারম্যান,মোঃ নুরুল আনোয়ার দুলাল ভাইস চেয়ারম্যান,মিসেস নুরা বেগম ভাইস চেয়ারম্যান(আন্তর্জাতিক),মোঃ ফজলুল ইসলাম ভূইয়াঁ মহাসচিব,জুয়েল বড়য়া সিঃ যুগ্ন-মহাসচিব,মোঃ আবু নছর চৌধুরী যুগ্ন মহাসচিব,মোঃ সাইফুল ইসলাম যুগ্ন মহাসচিব,মিসেস জেসমিন সুলতানা যুগ্ন মহাসচিব,এডভোকেট আশীষ শীল আইন বিষয়ক সচিব,মোঃ আবুল কাসেম ধর্ম বিষয়ক সচিব,সুজন আর্চায্য প্রচার প্রকাশনা সচিব,মোঃ ওসমান তথ্য ও গবেষনা সচিব,মোঃ ফিরোজ সরকার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সচিব,মোঃ আমজাদ চৌধুরী যুগ্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সচিব,মোঃ হারুন অর রশিদ নির্বাহী সদস্য। নবগঠিত তাহাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সকলের নিকট দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
অদিতি সঙ্গীত নিকেতনের বসন্ত উৎসব শুরু
১৬মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে ৩ দিনব্যাপী অদিতি সঙ্গীত নিকেতনের ১৮ বছর পূর্তি উৎসব গতকাল শুক্রবার শুরু হয়েছে। কাট্টলী সিটি কর্পোরেশন বালিকা বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ বসন্ত উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এই উৎসব আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। এই উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা ও কাউন্সিলর আবিদা আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্যানেল মেয়র ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, ইঞ্জিনিয়ার তরুণ তপন দত্ত, হাবিবুর রহমান, মো. ফারুক চৌধুরী, এম এ সালাম, এম এ নাছের আহমেদ, আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম দুলদুল প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন, উৎসব কমিটির সদস্য সচিব জুয়েল শীল এবং অদিতির প্রতিষ্ঠাতা টুনটু দাশ বিজয়। প্রধান অতিথি সিটি মেয়র অদিতি সঙ্গীত নিকেতন পরিবারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সঙ্গীতের মাধ্যমে সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমানে যে অশুভ শক্তি বিরাজ করছে তাকে প্রতিহত করতে হলে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং খেলাধুলার মধ্যে নিয়োজিত রাখতে হবে। এ দুইটির মধ্যে শিক্ষার্থীরা নিয়োজিত থাকলে তারা বিপথগামী হবে না। তাই একটি সন্তানের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য প্রয়োজন সুস্থ বিনোদন, এই সুস্থ বিনোদন আমাদের বন্ধনকে আরো সুদূঢ় করবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত পরিবেশন করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে সাংবাদিককে লাঞ্ছনা, পুলিশের এএসআই প্রত্যাহার
১৪মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে চট্টগ্রাম নগরীর বালুচড়া এলাকায় দৈনিক প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সাংবাদিক জুয়েল শীলকে লাঞ্ছনার অভিযোগে বায়োজিদ বোস্তামী থানার এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক) শরিফুল ইসলামকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। বুধবার রাতে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এএসআই শরিফুল ইসলামকে ওই থানা থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে পুলিশ লাইন্সে পাঠিয়ে দেয়া হয়। বায়োজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, আমাদের এক পুলিশ সদস্যের সাথে এক সাংবাদিকের ভুল বোঝাবুঝি থেকে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাংবাদিক নেতাদের বৈঠকে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। আমরা আমাদের ওই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনা তদন্তের জন্য বায়েজিদ জোনের সহকারী কমিশনারকে (এসি) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বুধবার বিকালে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার বালুচড়া এলাকায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা নিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে পু্লিশ শ্রমিকদের বিক্ষোভে লাঠিচার্জে করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এসময় ফটো সাংবাদিকরা ছবি তোলার সময় সাংবাদিক জুয়েল শীলকে লাঞ্ছিত করেন এএসআই শরীফুল ইসলাম। তিনি জুয়েল শীলের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে সব ছবি মুছে দেন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।-ইউএনবি
সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে বাগমনিরাম ওয়ার্ড
১২মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটির ১৫ নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডের অপরাধপ্রবণ ৬৪টি স্পট। রাজনৈতিক সহিংসতা ও এলাকায় অনৈতিক এবং অপরাধ কর্মকান্ড রোধে এসব সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার অংশ হিসেবে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার সম্পূর্ণ আর্থিক সহায়তা করছে । গত শুক্রবার ৮ মার্চ বাগমনিরাম ওয়ার্ডে কোতোয়ালী থানার অংশে সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ শুরু হয়। এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কোতোয়ালী থানার ওসি মো. মহসীন। এ সময় কেএসআরএম শিল্প প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ইতিমধ্যে ৩২টি স্পটে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। আগামী রমজান শুরুর আগেই সব ক্যামেরা স্থাপন করা হবে জানিয়েছেন কেএসআরএমর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) শাহরিয়ার জাহান। তিনি আরো বলেন, বাগমনিরাম ওয়ার্ড এলাকাবাসীর সুবিধার্থে যে কোনো সামাজিক কর্মকান্ড এবং অপরাধ দমনের জন্য কেএসআরএম গ্রুপ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের পাশে থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রয়োজনে চট্টগ্রামের পুরো নগড় জুড়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে পুলিশকে সহযোগিতা করবে কেএসআরএম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজন দৃঢ় সংকল্প ও সৃজনশীলতা
৫মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বপ্ন আর নেতৃত্ব। দুটোই নাকি একসূত্রে গাঁথা। স্বপ্ন না দেখলে যেমন ভালো নেতৃত্ব দেওয়া যায় না, ঠিক তেমনি যে কোনও পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব দিয়ে সফল হতে চাই পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। কেউ কেউ একমত, আবার অনেকে দ্বিমত। যুক্তি-পাল্টা যুক্তি। প্রাণবন্ত আড্ডা আর কথপোকথনে ঠিক এভাবেই জমে ওঠে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউর) বি অ্যা লিডার শীর্ষক সেমিনার। সম্প্রতি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে ইন্ডিপেন্ডেন্ট মার্কেটিং ক্লাব (আইএমসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলালিংক এর আঞ্চলিক প্রধান মো. মামুনুর রশিদ। উপস্থিত ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের প্রধান ড. রোবাকা শামসের, সিআইইউর বিজনেস স্কুলের সহকারী অধ্যাপক রাহাত বারি তুহিন, প্রভাষক সায়ীদ হাসান, তামান্না জামান ও নাজমা কবির। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান বক্তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে পান চমৎকার সনদ। অনুষ্ঠানে বাংলালিংক এর আঞ্চলিক প্রধান মো. মামুনুর রশিদ নিজের অভিজ্ঞতায় ভালো নেতৃত্বের গুণাবলীর কথা তুলে ধরে বলেন, আপনার ভেতর বিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত তৈরির ক্ষমতা আছে কি না তা যাচাই করে নিন। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, দলের মধ্যে সাদৃশ্য তৈরির ক্ষমতা ও স্পষ্টভাষী হওয়ার গুণটা রপ্ত করতে হবে সবার আগে। তিনি আরও বলেন, একজন প্রকৃত লিডার বা নেতা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করার চেষ্টা করেন। এটা অনেকটা ইংরেজি বাক্য লেটস ডু ইট টুগেদার এর কথার মতো। তাই লিডার বা নেতা হওয়ার আগে প্রকৃত মানুষ হতে হবে আমাদের। মামুনুর রশিদ তার বক্তব্যে ভালো নেতৃত্বের জন্য নিত্যনতুন চিন্তা, গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানো, পরিকল্পনা প্রণয়ন, সমন্বয় সাধন, দৃঢ় সংকল্পতা, সৃজনশীলতা সৃষ্টি করাসহ নানা বিষয়ের কথা উল্লেখ করেন। সেমিনার আয়োজনের বিষয়ে মার্কেটিং বিভাগের প্রধান ড. রোবাকা শামসের বলেন, পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে শিক্ষার্থীদের কর্পোরেট বিশ্বের সঙ্গে পরিচিত করে তুলতে সিআইইউর মার্কেটিং ক্লাব নানা ধরনের সেমিনারের আয়োজন করে আসছে। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা ছাত্রছাত্রীদের ভেতর ভালো নেতৃত্বের গুণাবলী ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছি। সেমিনারে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ ইয়ামীন নামের একজন শিক্ষার্থী বলেন, ভালো নেতৃত্ব দিতে হলে যে এতোগুলো বৈশিষ্ট্য থাকতে হয় তা আমার জানা ছিলো না। ভীষণ উৎসাহ পেয়েছি। বক্তব্য নোট করে নিয়েছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ৩১ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
৪মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি ঘটনায় ৭শ স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এসব স্বর্ণের বাজার দর ৩১ কোটি টাকা। এ ঘটনায় মোট চারজনকে আটক করা রয়েছে। তবে বারগুলো কোন জায়গা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বা কারা এনেছে, সেই ব্যাপারে আসামিদের সন্দেহজনক বক্তব্যের কারণে পুলিশ এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারছে না। আটককৃতরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ সদরের নিতাইগঞ্জ গ্রামের মৃত পরেশ চন্দ্র সাহার ছেলে প্রলয় কুমার সাহা (৫৯), শরীয়তপুর জেলার ডামুডা থানার ছোট শিদলপুরা গ্রামের হাশেম সওদাগরের ছেলে বিলাল হোসেন প্রকাশ কাদের, চুয়াডাঙা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার আজমপুর গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে রাকিব (৩৪) এবং একই এলাকার মোবারক পাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে করিম খান কালু (৩৪)। গতকাল বেলা ১১টায় নগরীর সিআরবি এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ১শ পিস স্বর্ণের বারসহ দুইজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এ স্বর্ণ উদ্ধারের দুই ঘণ্টার মাথায় দুপুর ১ টা নাগাদ মীরসরাইয়ে জোরারগঞ্জ থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাপাহাড় এলাকায় একটি পাজেরো গাড়ি থেকে আরও ৬শ পিস সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুইজনকে আটক করা রয়েছে। এ ব্যাপারে চট্টগ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে ঢাকামুখী একটি পাজেরো মিতসুবিসি (চট্টমেট্টো-ঘ-১৮-২১৪৪) গাড়ি আটক করা হয়। পরে ওই গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে তেলের ট্যাংকির পাশে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকানো ৬০টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতি প্যাকেটে ১০টি করে মোট ৬শ টি স্বর্ণের বার পাওয়া গেছে। এ সব স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। এ সময় তাদের কাজ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের সোনা উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হোসেন। স্বর্ণের এ বারগুলো রেলস্টেশনের সামনে থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ব্যক্তিরা জানায় বলেন ওসি। ওসি বলেন, স্টেশনের কোন জায়গা থেকে আনা হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তারা জানাতে চাচ্ছে না। জিজ্ঞাসাবাদ এখনো চলছে, বিস্তারিত বেরিয়ে আসবে। এক প্রশ্নের জবাবে জোরারগঞ্জ ওসি বলেন, আটক দুই ব্যক্তি নিজেদের ড্রাইভার ও ক্যারিয়ার (বহনকারী) হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হয়েছে। আসলে তারা ব্যবসায়ী। এছাড়া চুয়াডাঙাতে খবর নিয়ে জেনেছি যে ফরিদ নামে তাদের একজনের নামে এর আগেও একটি চোরাচালানের মামলা রয়েছে। এছাড়া ওই অঞ্চলটিতে প্রায় সময়ই সোনা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনার আগে বেলা ১১ টায় নগরীর সিআরবি এলাকা থেকে একটি প্রাইভেট কার তল্লাশি চালিয়ে আরও ১শ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধারের পাশাপাশি দু জনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। মীরসরাইয়ে উদ্ধারকৃত সোনার বারের ব্যাপারে আসামিরা পুলিশকে জানায়- তারা রেলস্টেশনের সামনে থেকে বারগুলো এনেছে। তবে সিআরবিতে উদ্ধারকৃত সোনার বারগুলো বদরশাহ মাজার এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে ওই ঘটনায় আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান। এ দুটি উদ্ধার ঘটনার সাথে কোনো যোগসাজস রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে আজাদীকে জানান নগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের উপ কমিশনার এস এম মোস্তাইন হোসেন। এর আগে উদ্ধার কার্যক্রমের বিষয়ে লালদীঘিতে ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০ পিস স্বর্ণের বার, ১টি প্রাইভেটকার সহ দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে সোনার বার নারায়াণগঞ্জ এলাকায় পাচার করে বলে পুলিশের কাছে জানায়। উদ্ধারকৃত সোনার বারের ওজন ১১ কেজি ৬৬২ গ্রাম। এর বাজার মূল্য ৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ডিসি এসএম মোস্তাইন বলেন, দু জনের মধ্যে একজন চালক, অন্যজন বহনকারী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। বদরশাহ মাজার এলাকা থেকে একজন লোক এ সোনার বারগুলো তাদেরকে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছে দিতে বলেছিল। বিনিময়ে তারা কিছু টাকা পাবে বলে জানায় আসামিরা। তাদের দেওয়া তথ্য কতটা সঠিক, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা শীঘ্রই এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি। তবে বিমান ও স্থল পথের যেকোন একটি দিয়ে এসব সোনা চট্টগ্রামে এসেছে বলে ধারণা করছেন তারা। পতেঙ্গা থানার ওসি উৎপল বড়ুয়া বলেন, গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামে দুইটি স্বর্ণের চালান উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
এয়ারবেলের মাসব্যাপী স্বপ্ন পূরণের সুযোগ
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এয়ারবেল স্বপ্নছায়া প্রকল্পসহ এয়ারবেলের চলমান সবকটি প্রকল্পে একসাথে শুরু হল মাসব্যাপী স্বপ্ন পূরণের আবাসন মেলা। গতকাল শনিবার এয়ারবেলের কর্পোরেট অফিসে মাসব্যাপী স্বপ্ন পূরণের সুযোগ আবাসন মেলার উদ্বোধন করা হয়। মার্চজুড়ে চলমান থাকবে এই আবাসন মেলাটি। আসন্ন রিহ্যাব মেলা, চট্টগ্রাম-২০১৯ যা ১৪ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে এবং সেখানেও এয়ারবেলের স্টলে এই আবাসন মেলার সমস্ত সুযোগ সুবিধা ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মাসব্যাপী এই আবাসন মেলায় এয়ারবেল শর্ত সাপেক্ষে এককভাবে ও দলবদ্ধভাবে ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা নগদ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। এয়ারবেলের বিভিন্ন আধুনিক ও আকর্ষণীয় প্রকল্পসমূহে নগদ ছাড়ের সাথে রয়েছে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাট ক্রয়ের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী ঋণগ্রহণের সুবিধা। গুণগত মানসম্পন্ন ভবন এবং সাধ্যের মধ্যে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেবার জন্য এই মেলায় মহৎ আয়োজন করা হয়েছে বলে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কৈয়ূম চৌধুরী। মেলার উদ্বোধন করেন এয়ারবেল ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কৈয়ূম চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির কর্পোরেট মহাব্যবস্থাপক অরবিন্দু চৌধুরী, মার্কেটিং মহাব্যবস্থাপক আবু তসলিম, প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন ও বিক্রয় বিভাগের মোঃ নেজামুল হক, মোঃ মাসুদ আলম, কাস্টমার কেয়ারের শাহিদুর রহমান, এডমিন শিল্পী রায়, কোম্পানির প্রকৌশল বিভাগ, প্রশাসন বিভাগ, হিসাব বিভাগসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এই আবাসন মেলা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। মেলা চলাকালীন ফ্ল্যাট ক্রেতাগণের জন্য পরিবার সহ যে কোন প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর