বুধবার, মার্চ ৩, ২০২১
কালাই উপজেলায় ইসলামী ব্যাংকের ৩৬০তম শাখা চালু
০৪,অক্টোবর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পৌর শহরের জয়পুরহাট-মোকামতলা সড়কে পাঁচশিরা বাজারে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ৩৬০তম শাখা চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আনুষ্ঠানিকভাবে শাখাটির উদ্বোধন করা হয়। ব্যাংকের ডিএমডি মো. মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. মাহবুব উল আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এএমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা, মুহাম্মদ কায়সার আলী ও মো. ওমর ফারুক খান। এ উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাংকের শাখা ভবনে বগুড়া জোনাল হেড এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জোনপ্রধান মো. আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক, জয়পুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল আজিজ মোল্লা প্রমুখ।
দ্বৈত কারেন্সি ইউনিয়ন পে কার্ড চালু ইস্টার্ন ব্যাংকের
০৩,অক্টোবর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে প্রথমবারের মতো দ্বৈত কারেন্সি ইউনিয়ন পে ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ড চালু করেছে বেসরকারি খাতের ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল)। এ কার্ডের বার্ষিক ট্রাভেল কোটা লিমিট ১২ হাজার মার্কিন ডলার। দ্বৈত কারেন্সি কার্ডগুলো দেশে এবং দেশের বাইরেও ব্যবহার করা যাবে। ই-কমার্সের জন্যও নতুন কার্ডগুলো ব্যবহারযোগ্য। ইবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালনা ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখার এ প্রসঙ্গে বলেন, ইউনিয়ন পে ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে পার্টনারশিপ একটি সম্মানের ব্যাপার। এ পার্টনারশিপের ফলেই ইবিএল বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দ্বৈত কারেন্সি ইউনিয়ন পে কার্ড চালু করেছে। এ পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা কার্ডধারীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী ও আকর্ষণীয় সুবিধা এবং ক্যাশলেস ও নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা অফার করব। ইউনিয়ন পে ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া শাখার প্রধান আশুতোষ আগারওয়াল বলেন, ইবিএলের সঙ্গে পার্টনারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম দ্বৈত কারেন্সি কার্ড চালু করতে পেরে আমরা সম্মানিত। এ অঞ্চলের ব্যাংক কার্ড শিল্প এবং বাংলাদেশে ইউনিয়ন পে ইন্টারন্যাশনালের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক। নিজস্ব পেমেন্ট প্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে ইউনিয়ন পে বাংলাদেশী গ্রাহকদের আরো উন্নত ও উদ্ভাবনী সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও সহযোগিতা করতে আগ্রহী। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংকটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে সব ইবিএল এটিএম ও পিওএস টার্মিনালে নতুন এই ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ড ব্যবহার করা যাবে। আর কার্ডধারীরা ইউনিয়ন পের বিভিন্ন সুবিধা ও অফারের পাশাপাশি নিয়মিত ইবিএল ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের বিভিন্ন সুবিধাও ভোগ করবেন।
সমন্বয় বিকাশে সিআইআইকে সহায়তা করবে এফবিসিসিআই
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ এবং ভারতের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের সমন্বয় বিকাশে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিকে (সিআইআই) সহায়তা করবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই)। গত বুধবার এফবিসিসিআই ও সিআইআই আয়োজিত ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ভার্চুয়াল কনফারেন্স অন টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল সেক্টর শীর্ষক অনলাইন সম্মেলন থেকে এমনটি জানানো হয়। সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক, ভারত সরকারের টেক্সটাইলমন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি, ভারত সরকারের টেক্সটাইল মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি রবি কাপুর, কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি, সিআইআইয়ের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান দিলীপ গৌর এবং সিআইআইয়ের টেক্সটাইল, এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান। সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. মুনির হোসেন, মোহাম্মদ আলী খোকন, সালাহউদ্দিন আলমগীর, বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিশেনের সভাপতি সুলতান রিয়াজ চৌধুরী, বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. মশিউল আজম (সজল)।
স্পিড রেকর্ড মাস্টারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি দেশের বেভারেজ ব্র্যান্ড স্পিড এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হওয়া একমাত্র রেকর্ড মেকিং প্ল্যাটফর্ম স্পিড রেকর্ড মাস্টারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের জনপ্রিয় বেভারেজ ব্র্যান্ড স্পিড এর উদ্যোগে আয়োজিত হয় দেশের একমাত্র রেকর্ড মেকিং প্ল্যাটফর্মের প্রথম আসর। এতে অংশ নেয় অসংখ্য প্রতিযোগী। তাদের মধ্য থেকে চার ক্যাটাগরিতে চারজন চূড়ান্ত বিজয়ী জিতে নেয় স্পিড রেকর্ড মাস্টার খেতাব। বিজয়ীরা হলেন-জুলফিকার আলী-বোতল ফ্লিপ চ্যালেঞ্জ, সৈয়দা নাসরীন সুলতানা- নেইলপলিশ চ্যালেঞ্জ, আশিকুল আলম আশিক - অরিগ্যামি চ্যালেঞ্জ এবং মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান-পুশআপ চ্যালেঞ্জ। নগরীর তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার আকিজ হাউজে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্পিড রেকর্ড মাস্টার সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও স্মার্টফোন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সিনিয়র জিএম মো. ফেরদৌস সালেহিন, চিফ পিপলস অফিসার গোলাম আজম, ডি জি এম ব্র্যান্ড মার্কেটিং মো. মাইদুল ইসলাম এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. মুনতাসির মামুন।
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিকল্প অর্থায়নের দাবি বিল্ডের
২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারী উদ্যোক্তা ও সুবিধাবঞ্চিত কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক-প্রাইভেট ডায়ালগ প্ল্যাটফর্ম বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড)। ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের (আইটিসি) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে গতকাল অ্যাকসেস টু এমএসএমইজ অ্যান্ড উইম্যান এন্ট্রাপ্রেনিউরস টু স্টিমুলাস প্যাকেজ শীর্ষক ভার্চুয়াল পলিসি ডায়ালগ থেকে এ দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আবু ফারাহ মো. নাসের। প্যানেল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শরিফা খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিল্ডের চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খান। পলিসি ডায়ালগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিল্ডের গবেষণা সহযোগী বেলালুর রহমান। নারী উদ্যোক্তা ও সুবিধাবঞ্চিত সিএমএসএমইদের জন্য বিকল্প অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন জরিপে দেখা যাচ্ছে সিএমএসএমইরা প্রণোদনা প্যাকেজের নির্দেশনার বিষয়ে সচেতন নয়। সেক্ষেত্রে তথ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করতে পারে। সর্বোচ্চ সংখ্যক নারী উদ্যোক্তাকে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় আনতে প্রণোদনা প্যাকেজের আকার বৃদ্ধির সুপারিশ করে বিল্ড। এছাড়া ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধিরও সুপারিশ করে প্রতিষ্ঠানটি। আবু ফারাহ মো. নাসের বলেন, শুধু ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজই নয়, সিএমএসএমইদের জন্য আরো বেশকিছু প্যাকেজ রয়েছে। যদি কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক পূর্বের ঋণ পরিশোধের ভিত্তিতে কোনো নারী উদ্যোক্তাকে প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণ প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তারা যেন ব্যাংকের নির্দিষ্ট হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমএ বাকি খলিলী, বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, আইটিসির শিট্রেডস ইনিশিয়েটিভসের কান্ট্রি ডিরেক্টর তানভির আহমেদ, বিল্ডের সিইও ফেরদাউস আরা বেগম বক্তব্য দেন।
রেমিট্যান্স বিতরণে কৃতিত্বের জন্য কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করল অগ্রণী ব্যাংক
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ঈদ উৎসব উপলক্ষে বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণ ও বিতরণে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য ১০টি শাখার সাতজন শাখাপ্রধান এবং ১০ জন রেমিট্যান্স সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করেছে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড। পুরস্কার বিতরণের জন্য গতকাল ব্যাংকের বোর্ডরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এমডি ও সিইও মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম এবং ডিএমডি মো. আনিসুর রহমান ও মো. রফিকুল ইসলামসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পুরস্কার হিসেবে একটি করে ল্যাপটপ দেয়া হয়।- বিজ্ঞপ্তি
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও মোংলা বন্দরের মুনাফা কমেছে ১৮ কোটি টাকা
২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে গত মার্চের পর থেকে উৎপাদন, আমদানি, রফতানি থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায়ের চাহিদায় এক ধরনের স্থবিরতা নেমে আসে। তবে দেশে লকডাউনে ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নামলেও ব্যতিক্রম ছিল মোংলা সমুদ্রবন্দর। লকডাউনের মধ্যেও বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি চালু ছিল। ফলে এ সময় রাজস্ব আহরণের পরিমাণও বেড়েছে। সবমিলিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৯১ কোটি ৯৬ লাখ ৩১ হাজার টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১১৫ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। যদিও আগের অর্থবছরের তুলনায় মুনাফা কমেছে ১৮ কোটি টাকা। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ বন্দরে ৯১২টি দেশী-বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজ আসে। হ্যান্ডলিং হয় ১ কোটি ১৩ লাখ টন বাল্ক কার্গো এবং ৫৭ হাজার ৭৩২টি ইউজ কনটেইনার জাতপণ্য। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৯০৩টি বাণিজ্যিক জাহাজের বিপরীতে হ্যান্ডলিং হয় ১ কোটি ১০ লাখ টন পণ্য। একই সঙ্গে ৫৯ হাজার ৪৫৭টি ইউজ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। অন্যদিকে আমদানি-রফতানি খাতের পণ্য হ্যান্ডলিং করে ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় হয়েছে ৩২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি, সংস্কার ও উন্নয়নকাজে ২০৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ফলে এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের মুনাফা হয় ১১৫ কোটি টাকার বেশি। যেখানে এ সময় মুনাফার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৯১ কোটি ৯৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩২৯ কোটি ১২ লাখ টাকা আয় হয়। এ সময়ে ব্যয় হয় ১৯৬ কোটি ১১ লাখ টাকা। সে হিসাবে এ অর্থবছরে মুনাফা ছিল ১৩৩ কোটি টাকা। বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত এপ্রিলে বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যা কিছুটা কম হলেও মে ও জুনে সেই সংখ্যা বেড়ে যায়। যে কারণে রাজস্ব আয়ও বাড়ে। ফলে করোনার মধ্যেও রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয় দেশের দ্বিতীয় এ সমুদ্রবন্দরটি। বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক নির্দেশনা মেনে চলায় এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে মনে করছেন বন্দরসংশ্লিষ্টরা। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অর্থ ও হিসাবরক্ষণ বিভাগ থেকে জানা যায়, করোনাকালীন গত মে মাসে মোংলা বন্দরে বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজ এসেছে ৫৯টি এবং রাজস্ব আয় হয়েছে ২০ কোটি ২৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা। জুনে এসেছে ৫২টি এবং রাজস্ব আয় হয়েছে ১৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। জুলাইয়ে ৬৪টি জাহাজের বিপরীতে রাজস্ব আয় হয়েছে ২৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, আগস্টে ৭০টি জাহাজের বিপরীতে আয় হয়েছে ২৪ কোটি ৫২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে গত এক দশকে এ বন্দর দিয়ে দেশী-বিদেশী জাহাজ আসা ও যাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে পাঁচ গুণ। সব ক্ষেত্রে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩২০ কোটি টাকা। মোংলা বন্দরের ট্রাফিক পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল জানান, করোনা পরিস্থিতিতে জাহাজ আগমন ও নির্গমন কার্যক্রমে কোনো ভাটা পড়েনি। এ বন্দরে গত অর্থবছরে ৯০৩টি জাহাজ আসে এবং ১ লাখ ১০ হাজার টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে। এছাড়া করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বন্দরে দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানান তিনি। এদিকে করোনার বিস্তার ঠেকাতে লকডাউন চলাকালীন পণ্য বোঝাই ও খালাসে কোনো ধরনের অসুবিধা হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী মেসার্স নুরু অ্যান্ড সন্সের মালিক এইচএম দুলাল বলেন, করোনাকালীন পণ্য বোঝাই ও খালাসে তাদের কোনো বেগ পেতে হয়নি। সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে যখন করোনার প্রভাবে ভাটা দেখা দিয়েছে। তখন মোংলা বন্দর আমাদের পণ্য ওঠানামা স্বাভাবিক রেখে লক্ষ্যমাত্রার রাজস্ব আয় করেছে। একই ধরনের কথা জানান বন্দরের আরেক ব্যবসায়ী মশিউর রহমান। তার মতে, করোনাকালীন ভিন্ন চিত্র ছিল মোংলা বন্দরের। এ বন্দর দিয়ে তারা নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য ছাড় করাতে পেরেছেন। ফলে বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েক লাখ মানুষ করোনার সময়ও তাদের উপার্জন স্বাভাবিক রাখতে পেরেছেন। সার্বিক বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, বিগত বছরের তুলনায় বিদেশনির্ভর খাদ্যশস্য আমদানি হ্রাস এবং করোনাকালীন সময় বেশির ভাগ (অধিক ড্রাফটের) বাণিজ্যিক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ঘুরে যথাসময় মোংলা পৌঁছাতে পারেনি। তাই বন্দরের আয় গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে গেল অর্থবছরে বেশি মুনাফা অর্জন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে নিয়ে প্রায় ১০ লাখ ইউজ কনটেইনারজাত পণ্য হ্যান্ডলিং করতে সক্ষম হব। আর চলমান বিশ্বব্যাপী করোনার প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে উঠলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় আরো বৃদ্ধি পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বন্দরের শীর্ষ কর্মকর্তা।
২০১৯ সালে পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৯০০ কোটি টাকা
১৩সেপ্টেম্বর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালন মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ২০১৯ সালে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ তথ্য জানান ব্যাংকের এমডি সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখেতর সভাপতিত্বে সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম রুহুল আজাদসহ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও নিরীক্ষা ফার্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস্-উল ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালে ব্যাংকের মোট সম্পদ ২০১৮ সালের তুলনায় ৬ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৫ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ব্যাংকের মোট সম্পদের মধ্যে সুদবাহী সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ২ কোটি টাকা, যা মোট সম্পদের ৬২ শতাংশ। ২০১৯ সালে ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ ১৭ দশমিক ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকায়, যা ২০১৮ সালে ছিল ৩৯ হাজার ৫৭৫।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর