বুধবার, মার্চ ৩, ২০২১
৩১১৪ মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদনের রেকর্ড
১৯ডিসেম্বর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা বছর বিভিন্ন ফলের সমাহার ঘটে পার্বত্য চট্টগ্রামে। সুস্বাদু ফল উৎপাদনে দেশজুড়ে পাহাড়ের খ্যাতি রয়েছে। এরমধ্যে কাঠাল, কলা, আম, আনারস, লিচু অন্যতম। সেই সঙ্গে পাহাড়ি মাল্টা বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। পাহাড়ের উর্বর মাটি যেনো ফল চাষের জন্য অনন্য এক উদাহরণ। অনুকূল জলবায়ু ও আবহাওয়ার কারণে খাগড়াছড়ির পাহাড়ে সবুজ সুস্বাদু ফল মাল্টায় ছেয়ে গেছে। এককভাবে মাল্টা চাষ করে লাভের মুখ দেখায় দিনে দিনে বাড়ছে মাল্টা চাষির সংখ্যা। বর্তমানে পাহাড়ে মাল্টা চাষির সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন। চলতি বছর খাগড়াছড়িতে ফসল আবাদ ও মাল্টা চাষ দুটোই আগের তুলনায় বেড়েছে। এ বছর খাগড়াছড়িতে ৪২৩ হেক্টর পাহাড়ি জমিতে তিন হাজার ১১৪ মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদন হয়েছে। গত বছর ৩৪৮ হেক্টর জামিতে মাল্টা উৎপাদন হয়েছিল এক হাজার ৮০৯ মেট্রিক টন। প্রতি হেক্টর জমিতে যার উৎপাদন ছিল ৫ দশমিক ২ মেট্রিক টন। যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে হেক্টর প্রতি প্রায় সাড়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বারি-১ জাতের মাল্টার জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বাড়ছে। ভালো উৎপাদন ও সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাহাড়ি মাল্টা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। ২০০৪ সালের দিকে খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে কৃষি বিজ্ঞানীরা বারি মাল্টা-১ উদ্ভাবন করেছিলেন। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর খাগড়াছড়ি জেলা সদরে ৫০ হেক্টর জমিতে ২৮০ মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদন হয়েছে। এছাড়া পানছড়িতে ৪৫ হেক্টর জমিতে ১২৯ মেট্রিক টন, দীঘিনালায় ৫৮ হেক্টর জমিতে ৩০০ মেট্রিক টন, মহালছড়িতে ৭৫ হেক্টর জমিতে ৬৭ মেট্রিক টন, মাটিরাঙ্গায় ১০৫ হেক্টর জমিতে এক হাজার ১০২ মেট্রিক টন, রামগড়ে ২০ হেক্টর জমিতে ৪০ মেট্রিক টন, মানিকছড়িতে ৫০ হেক্টর জমিতে ৫৬০ মেট্রিক টন এবং দূর্গম লক্ষ্মীছড়িতে ২০ হেক্টর জমিতে আট মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদন হয়েছে। প্রতি এক একর জমিতে প্রায় ২০০ মাল্টা গাছ হয়। চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী একটি মাল্টা গাছে প্রায় এক মণ মাল্টা ফলন দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাছের ফলনও বাড়ে। বাজারে প্রতিকেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। ছয় থেকে সাতটি মাল্টাতে এককেজি হয়। খাগড়াছড়ির চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষকরা মাল্টা সরবরাহ করছে বলেও জানা যায়। খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মর্তুজ আলী বলেন, শুরুতে কৃষি বিভাগের সাইট্রাস প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০০ জনকে চাষিকে ১০০ করে চারাসহ বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া হয়। এখানকার মাটি ও জলবায়ু মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় দিন দিন কৃষকের সংখ্যাও বাড়ছে। আশা করছি সামনে এ কৃষকরা মাল্টা চাষে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবে।
সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ডিম-পেঁয়াজ-মাছের দাম
১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ, ডিম ও মাছের দাম। বাজারে প্রতি কেজি মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছেন সবজি, ভোজ্যতেল, চাল, মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার, মিরপুর-১ নম্বর বাজার, ২ নম্বর বাজার, ৬ নম্বর বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কলোনি বাজার, কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে। এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে প্রতি এককেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, শালগম বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৮০ টাকা, করলার ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো ১০০ টাকা, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি পিস লাউয়ে ১০ টাকা দাম কমে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, বাঁধাকপি ও ফুলকপিতে ১০ টাকা কমে বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, ফুলকপি ১৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে। হালিতে ১০ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা, ছোট মিষ্টি কুমড়া প্রতি পিস ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। দাম বেড়েছে নতুন আলু ও পেয়াজের। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পুরানো দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা, পায়জাম ৪৭ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট প্রকারভেদে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, নাজির ৬০ থেকে ৬২ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, খোলা ভোজ্যতেল লিটার বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। মিরপুর ১১ নম্বর বাজার কাঁচা মাল ব্যবসায়ী মো. কালাম বলেন, এখন বাজারে কাঁচা পণ্য বেশি জুটছে এ কারণে দাম কমছে। পুরানো আলুর দাম একটু বেড়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরও কাঁচা পণ্যের দাম কমবে। দাম বেড়েছে ডিমের। পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, হাঁসের ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকা, সোনালী মুরগির ডিম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনালী ও ব্রয়লার মুরগির। এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে চিনি, চাল, মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, বকরির মাংস ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা, মহিষ ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। এসব বাজারে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ১৭০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পোয়া মাছ ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা, পাবদা মাছ ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ মাছ ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, মিরর কাপ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। কালশী বাজারের মাছ বিক্রেতা মো.সুমন বলেন, কিছু মাছের দাম বেড়েছে। রুই, শিং আর শৈল মাছের দাম আকারভেদে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কুয়াশার কারণে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বিঘ্ন ঘটছে। আর এতেই মাছ সরবরাহ কমে যায়, বাজারে বাড়তে শুরু করেছে মাছের দাম। সূত্র: বাংলা নিউজ
২০৩০ সালে রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবো: অর্থমন্ত্রী
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০৩০ সাল নাগাদ ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া আশা করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, প্রত্যাশা করি সে লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারবো। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে বুধবার (৪ নভেম্বর) অনলাইনে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, আগামী ১৪ মাসের মধ্যে আমাদের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলার হবে। রিজার্ভ বৃদ্ধি ও ব্যবহারে কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেই ঠিক করেছিলাম ৩০ ডিসেম্বরের আগে রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবো, আমরা তার আগেই তা নিয়ে যেতে পেরেছি। এটিই জাতির জন্য পাওনা। তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের কমিটমেন্ট আছে ২০৩০ সাল নাগাদ আমরা ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবো। হিসাব করেই বলছি এবং প্রত্যাশা করি, সে লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারবো। অর্থমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভের মূল ভিত্তি হচ্ছে রেমিন্টেন্স, এটি ব্যাংকের মাধ্যমে আসে। যে সময় ব্যাংকগুলোর চাহিদার চেয়ে বেশি রেমিন্টেন্স আসে তখন তারা বাজারে বিক্রি করে। বাজারে বিক্রি করলে কিনে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ কারণেই রিজার্ভ বাড়ে এটি মূল কারণ। জুলাই থেকে নভেম্বর- এ ৫ মাসে ১১ বিলিয়ন ডলার অর্জন করেছি। বছরের টার্গেটের ৬০ শতাংশ ৫ মাসে চলে এসেছে। এ ফ্লো অব্যাহত রাখতে পারলে রিজার্ভ ফান্ড বেড়ে যাবে। পাশাপাশি যে সব মেগাপ্রকল্প আছে সেগুলোর পেমেন্টও করতে হয়। জুলাই থেকে এ পর‌্যন্ত ১০০ মিলিয়ন ডলারের মতো পেমেন্ট করেছি, সেটাও ফরেন এক্সচেইঞ্জ রিজার্ভ থেকে যাচ্ছে। সবকিছু যাওয়ার পরও ৪২ বিলিয়ন ডলার নেট হাতে আছে। প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আমি মনে করি এজন্য বাইরে ইনভেস্ট করলে এক থেকে ২ শতাংশের বেশি আমরা পাই না। আমরা বিশ্বাস করি, সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করতে পারি এবং সেগুলো ডলারে রিসিভ করতে পারি তাহলে ফান্ড ফ্লো ইনটেক থাকলো এবং আমাদের ইনকামটাও অনেক বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন এবং স্টাডি করছেন আমাদের আগামীতে কী পরিমাণ ফান্ড প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে মেগাপ্রকল্পে পেমেন্ট করার জন্য। সে সব বিষয় বিচার বিবেচনা করে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী বাজেটের আগেই হয়তো তিনি চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন। যেহেতু তিনি বলেছেন, তাই মনোযোগ দিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন।
ইসলামী ব্যাংকের নতুন ১২৭টি এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ১২৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মো. মাহবুব উল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে এজেন্ট আউলেটগুলোর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা, মুহাম্মদ কায়সার আলী ও মো. ওমর ফারুক খান। ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান মো. মাহবুব আলম, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট জোন ও শাখার প্রধান, আউটলেটের স্বত্বাধিকারী, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মো. মাহবুব উল আলম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ৩৬৬টি শাখা ও ১৫১টি উপশাখার মতো ২০৮১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটও ইসলামী ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। এক সঙ্গে ১২৭টি ব্যাংকিং ইউনিটের উদ্বোধন দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য দৃষ্টান্ত। এ ইউনিটগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আর্থিক সেবার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। তিনি বলেন, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর তৃতীয় বার্ষিকীতেই আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা, দৈনিক লেনদেন ৭৫০ কোটি টাকা এবং দৈনিক রেমিট্যান্স সরবরাহ হয় ১৫০ কোটি টাকা। চলতি বছরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্টের মাধ্যমে ২১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আহরিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী ব্যাংক। এই ব্যাংক ফিনটেক-এর ব্যবহার ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ আর্থিক খাতে লেনদেনে উৎকর্ষ সাধনে সাড়া ফেলেছে বলে জানান তিনি। সততার নীতি, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা এবং প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের দক্ষতার ফলেই ইসলামী ব্যাংক দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে স্বীকৃতি অর্জন করে চলেছে। নতুন এই আউটলেটগুলোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেন তিনি।
বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা : শীর্ষ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) নেতৃত্বে এ মানববন্ধন আহ্বান করা হয়েছে। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই আইকন টাওয়ারের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। একই সময়ে এফবিসিসিআইয়ের সদস্য অ্যাসোসিয়েশন এবং সকল জেলা চেম্বারও তাদের স্ব স্ব জেলায় ব্যবসায়ীদের নিয়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতির জনকের অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করছেন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। উপস্থিত আছেন পোশাকশিল্প মালিক ও রফতানিকারক সমিতি বিজিএমইএ প্রতিনিধি, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফচাকচারার্স এক্সপার্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স (এমসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টি (ডিসিসিআই), বিজিএপিএমইএ, ডাইড ইয়ার্ন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ সকল ব্যবসায়ী সংগঠন এবং শীর্ষ ব্যবসায়ীমহল।
সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা: উৎপাদনে পপুলার ফার্মা ও সেবায় সামিট কমিউনিকেশনস
১১ডিসেম্বর,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা নয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিয়েছে। গতকাল এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উৎপাদন, ব্যবসায় ও সেবা ক্যাটাগরিতে এ নয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এবার জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনে সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্মাননা পেয়েছে পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ব্যবসায় হ্যামকো করপোরেশন লিমিডেট এবং সেবায় সামিট কমিউনিকেশনস লিমিডেট। এছাড়া জেলা পর্যায়ে আরো ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননা দেয়া হয়। এনবিআর সম্মেলন কক্ষে জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিদেশে থাকার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। তবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি) আব্দুল মান্নান শিকদার। অনুষ্ঠানে উৎপাদন খাতের সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মোস্তাফিজুর রহমান এনবিআর চেয়ারম্যানের হাত থেকে ক্রেস্ট ও সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন। এছাড়া এ খাতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী এবং তৃতীয় ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ফেয়ার ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব ক্রেস্ট ও সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন। ব্যবসা খাতে সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান হ্যামকো করপোরেশন লিমিটেডের ডিরেক্টর এটিএম মোস্তফা ক্রেস্ট ও সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন। এ খাতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান সিমেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ ফাইন্যান্স অফিসার মোহাম্মদ বুল হাসান এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিমার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিক তালহা ইসলাম বারী ক্রেস্ট ও সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন। সেবা খাতের সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মো. আরিফ আল ইসলাম ক্রেস্ট ও সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন। এ খাতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান কাতার এয়ারওয়েজ গ্রুপের (কিউসিএসসি) ফাইন্যান্স অফিসার এবং এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান চিটাগং ওয়্যারহাউজেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ ক্রেস্ট ও সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, করোনার মধ্যেও আমাদের প্রবৃদ্ধি ঈর্ষণীয়। ট্যুরিজম, পরিবহন খাতসহ অনেক খাতে স্থবিরতা সত্ত্বেও আমরা ভালো করছি। ভ্যাটের ক্ষেত্র বাড়াতে দরকার অটোমেশন। এনবিআরে অটোমেশন প্রক্রিয়া চলমান আছে। কর ও ভ্যাট প্রদান সহজীকরণে কাজ করে যাচ্ছে এনবিআর। শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ‘করোনার মতো মহামারীর মধ্যেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। বাংলাদেশ এখন নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ, ২০২১ সালের মধ্যে যা মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। সে হিসেবে আমদানি পর্যায়ে কাস্টমস ট্যারিফ কমাতে হবে। এ অবস্থায় আমাদের সঙ্গে এনবিআরও একমত হয়েছেন কর নেট বাড়াতে হবে। করের আওতা বাড়ানোর বিষয়ে এফবিসিসিআইসহ সব ব্যবসায়ী সংগঠন সহযোগিতা করবে। তবে আমাদের দাবি নেট বাড়লে কাস্টমস ট্যারিফ কমাতে হবে।
গ্রাহক নিরাপত্তায় Rab-Bkash মতবিনিময়
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে অবদান রাখা এমএফএস খাতের গ্রাহকদের নিরাপত্তায় আরো সমন্বিতভাবে কাজ করার লক্ষ্যে Rapid Action Battalion (Rab) সঙ্গে বিকাশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় Rab হেডকোয়ার্টার্সে বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) এবং অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিকাশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল কাদীর। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম, হেড অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মনিরুল করিমসহ উভয়পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ৪২৫ কোটি টাকা দেবে এডিবি
০৮ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের ক্ষুদ্রশিল্প বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে ৪২৫ কোটি টাকা (৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) এডিবি এ অর্থ অনুমোদন দিয়েছে। এডিবি বলছে, চলমান মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এ ঋণ দেবে তারা। সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মাধ্যমে তারা এ ঋণ দেবে। এর মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত কমপক্ষে ৩০ হাজার ক্ষুদ্রশিল্প প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রদান করা সম্ভব হবে। এসব ক্ষুদ্রশিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭০ শতাংশের নেতৃত্বেই রয়েছেন নারীরা। চলমান এ প্রকল্পের আওতায় পিকেএসএফের অংশীদারী ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩৯ হাজার ৫৮০টি ক্ষুদ্র উদ্যোগকে ঋণ প্রদান করা হয়েছে, এর মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় ৯১ হাজার ৪৩০ জনের কর্মসংস্থান তৈরি করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানিয়েছে এডিবি। এ বিষয়ে এডিবির বাংলাদেশ প্রিন্সিপাল কান্ট্রি স্পেশালিস্ট জ্যোৎস্না ভার্মা বলেন, চলমান এ প্রকল্পে এই অতিরিক্ত অর্থায়ন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা চলমান রাখতে ও তাদের কর্মসংস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে করোনায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নারী উদ্যোক্তারা এ সংকটগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবেন। এই প্রকল্প ক্ষুদ্র আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের ক্ষুদ্রশিল্পের প্রবৃদ্ধি বজায় রাখাও অবদান রাখবে, যোগ করেন জ্যোৎস্না ভার্মা।
আইসিএবির সম্মাননা পেল লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড
২৯নভেম্বর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) কর্তৃক আয়োজিত ২০তম আইসিএবি জাতীয় পুরস্কারে ২০১৯ সালের সেরা উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদনের জন্য ইন্টিগ্রেটেড রিপোর্টিং ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালের সেরা উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদনের জন্য করপোরেট গভর্ন্যান্স ডিসক্লোজার ক্যাটাগরিতে যৌথ প্রথম এবং ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ক্যাটাগরিতে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে। লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী খাজা শাহরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার শামীম আল মামুন, এফসিএর সঙ্গে পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন।- বিজ্ঞপ্তি

অর্থনীতি পাতার আরো খবর