বুধবার, মার্চ ৩, ২০২১
এসডিজি অর্জনে চাই সমন্বিত উদ্যোগ :কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক
বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল শক্তি কৃষি। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত এর জন্য চাই সমন্বিত উদ্যোগ। এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য ক্ষুধা ও দারিদ্র বিমোচনের কোন বিকল্প নেই। ক্ষুধা ও দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি,মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তার সাথে জড়িত আমাদের কৃষি ও কৃষক। আর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবচেয়ে বেশী ভূমিকা কৃষির এবং কৃষিমন্ত্রণালয়ের। আমাদের অর্থনীতি ও সংস্কৃতি সর্বত্রই কৃষি জড়িত। কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি আজ মঙ্গলবার ঢাকায় বিএআরসির অডিটরিয়ামে কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এসডিজি রোডম্যাপ প্রণয়ন উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় একথা বলেন। ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কৃষি নির্ভর অর্থনীতির এই দেশে কৃষির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। কৃষির বাজারজাত, বহুমুখীকরণ, কৃষিজাত শিল্প কারখানা এবং ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চয়তা ক্রমে বাজার ক্ষেত্র বিস্তৃতকরনের মাধ্যমে কৃষিকে লাভজনক ও বাণিজ্যিক কৃষিতে রুপান্তর করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশ ও জাতির বৃহৎ স্বার্থে কৃষকবৃন্দকে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার জন্য সরকার সবসমই আন্তরিক ছিল এবং ভবিষৎতেও থাকবে। যেহেতু কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধিতে দারিদ্র বেশী হারে কমে। এজন্য উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বাজার জাত, প্রক্রিয়ার পথও অবারিত করতে হবে। এর জন্য সরকারের পাশাপশি বেসরকারি যৌথ অংশী দারিত্ব বাস্তবায়ন করতে হবে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো: কবির ইকরামুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য কৃষিবিদ জনাব আব্দুল মান্নান, জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ড. শামসুল আলম, সদস্য (সিনিয়র সচিব), সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন, জনাব মোঃ নাসিরুজ্জামন, ভারপ্রাপ্ত সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. কাজী এম. বদরুদ্দোজা, এমেরিটাস সায়েন্টিস্ট। কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকার এসডিজি অর্জনে কৃষিউন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প ২০২১,রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্পাপ্লান ২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের বিচক্ষণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, দক্ষ ও কার্যকর মূদ্রানীতি প্রয়োগ, সুষ্ঠ ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং ইতোমধ্যে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিকট অতীত ও চলমান ধারার ন্যায় ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন সম্ভব হবে। নির্বাচন নিয়ে বিএনপি জোট যে অপ্রীতিকর পন্থা অবলম্বন করছে তা বাঞ্চনিয় নয়। সরকার চায় সবাইকে সাথে নিয়ে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে এগীয়ে নিতে। তাদের সংসদ সদস্যবৃন্দের উচিত হবে সংসদে এসে তাদের দাবি উত্থাপন করা ও জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার আহবান জানান কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি । তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দিন বদল হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। এক সময় বাংলাদেশের নাম লেখা হতো অন্যতম দরিদ্র দেশ হিসেবে। আজ সেই সুযোগ আর নেই। বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ, সামনে ডেলটা প্লান বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে থাকবে উন্নত জাতী হিসেবে। ২০৩০ সালের মধ্যে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের পরবতর্তী ধাপে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সফল হব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আমরা এ অগ্রগতির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর সারিতে আমাদের আসন নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপিন্সের ব্যাংক কর্মকর্তার সাজা
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপিন্সের রিজল কমার্সিয়াল Bank করপোরেশনের (আরসিবিসি) সাবেক কর্মকর্তা মায়া সান্তোস দেগিতোকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজার রায় দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। এর মাধ্যমে তিন বছর আগে বিশ্বকে কাঁপিয়ে দেওয়া ওই সাইবার চুরির ঘটনায় এই প্রথম কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেওয়া হল। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিপিন্সের আঞ্চলিক আদালত বৃহস্পতিবার এই রায়ে মুদ্রাপাচারের আট দফা অভিযোগে দেগিতোকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রতিটি ধারায় ৪ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। সেই সঙ্গে ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছে তাকে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে হ্যাকিং করে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের মাকাতিতে জুপিটার স্ট্রিট শাখায় চলে যায়। তখন ওই শাখার ম্যানেজার ছিলেন মারিয়া দিগুইতো। জানা যায়, যেসব একাউন্টধারীর নামে অর্থ গিয়েছিল বলে অভিযোগ তার মধ্যে রয়েছেন মাইকেল ফ্রান্সিসকো ক্রুজ, জেসি ক্রিস্টোফার ল্যাগ্রোসাস, আলফ্রেড স্যান্তোস ভারগারা ও এনরিকো টিওডোরো ভাসকুয়েজ।
দেশের অনুকূলে রাখার নির্দেশ ঋণচুক্তির শর্ত: অর্থমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তাদের বৈদেশিক ঋণচুক্তির শর্তসমূহ বাংলাদেশের অনুকূলে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে ইআরডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি সভায় তিনি বলেন, আপনাদের শক্ত অবস্থানে থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও বৈদেশিক ঋণ সংস্থার সঙ্গে নেগোসিয়েশন করতে হবে, যাতে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত থাকে। ঋণচুক্তির শর্তসমূহ বাংলাদেশের অনুকূলে রাখতে হবে। সভায় ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ বিভাগের চলমান কার্যক্রমের বিষয়ে ব্রিফ করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধে এক ঘন্টার জন্যও বিলম্ব করেনি। বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ-জিডিপির অনুপাত মাত্র ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। যেখানে ঝুঁকিমুক্ত মাত্রা হলো ৪০ শতাংশ। তাই ইআরডিকে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ঋণ সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরতে হবে। ইআরডি কর্মকর্তাদের দেশের ঋণ সক্ষমতার অবস্থান ধরে রাখার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা ঋণ সক্ষমতা ধরে রাখুন। তাহলে ভবিষ্যতে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক অর্থায়ন সহজতর হবে। মুস্তাফা কামাল প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট ছোট আকারের প্রকল্পে ঋণ সহায়তার প্রাধিকার প্রদানের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে তিনি ইআরডির কার্যক্রম আরো গতিশীল করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
আজ বছরের শেষ ব্যাংক লেনদেন
অনলাইন ডেস্ক :টানা চারদিন ধরে বন্ধ থাকবে দেশের ব্যাংকিং খাত। বৃহস্পতিবারই হবে চলতি বছরের ব্যাংকিং খাতে শেষ লেনদেন। এদিন ২০১৮ সালের বার্ষিক হিসাব চূড়ান্তও করবে ব্যাংকগুলো। জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণ, সাপ্তাহিক ছুটি ও ব্যাংক হলিডে উপলক্ষে ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা চারদিন দেশের সব ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে আগামী ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি ব্যাংক খুলবে। সূত্র জানায়, সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর আগে ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার। ওই দুইদিন সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি, তাই ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ভোটের পরদিন ৩১ ডিসেম্বর দেশের ব্যাংকগুলো ব্যাংক হলিডে পালন করবে। ওইদিন সব ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ হিসেবে ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা চারদিন দেশের কোনো ব্যাংকেই লেনদেন হবে না। এদিকে টানা ছুটি ও ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন উপলক্ষে ২৭ ডিসেম্বর মধ্যে চলতি বছরের ব্যাংকের বার্ষিক হিসাব চূড়ান্ত করতে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্লাস্টিক পণ্যের রফতানি আয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ
অনলাইন ডেস্ক :দেশে ক্রমেই বাড়ছে প্লাস্টিক পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার। অভ্যন্তরীণ বিপুল চাহিদা মিটিয়ে বর্তমানে এই খাতের রফতানিও দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে প্লাস্টিক পণ্য বিক্রয় থেকে রফতানি আয় হয়েছে ৪ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একইসময়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি।চলতি অর্থবছরে প্লাস্টিক পণ্য থেকে দশ কোটি ডলারের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) তথ্যমতে, প্লাস্টিক পণ্যের এক ট্রিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক বাজার রয়েছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের চাহিদা রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে রফতানি আয় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্লাস্টিক পণ্য থেকে ৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রফতানি আয় হয়েছে। ওই বছরের প্রথম ৫ মাসে এই খাতের রফতানি আয় ছিল ৩ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। প্লাস্টিক পণ্যের পাশাপাশি চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে এক কোটি ২১ লাখ ডলারের প্লাস্টিক বর্জ্য রফতানি হয়েছে। বিপিজিএমইএ সভাপতি ও বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বাসসকে বলেন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, স্পেন, কানাডাসহ বিশ্বের ২৩ দেশে সরাসরি যাচ্ছে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য।গৃহসজ্জা থেকে অটোমোবাইল, চিকিৎসার সরঞ্জাম কিংবা রফতানিমুখী শিল্পের আনুষঙ্গিক সব পণ্য প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হচ্ছে। নজর কাড়ছে প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি প্লাস্টিকের বাহারি খেলনাও। প্রতিনিয়ত বৈশ্বিক বাজারে আমাদের পণ্যের রফতানি বাড়ছে কিন্তু পুরোপুরি বাজার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এক ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশী প্লাস্টিক পণ্যের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই খাতে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিপিজিএমইএর তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ছোট-বড় মিলে ৫ হাজার কারখানায় প্রায় ১৫ ক্যাটাগরিতে পণ্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে পোশাক খাতের জন্য পলিব্যাগ, হ্যাঙ্গার, প্লাস্টিক ক্লিপ, বোতাম, খেলনা সামগ্রীর মধ্যে পুতুল, বল, গৃহে ব্যবহারের জন্য চেয়ার, টেবিল, ডাইনিং টেবিল, বিভিন্ন ধরনের রেক, ঝুড়ি, বাথটাব, জগ, মগ, ঝুড়ি; অফিসে ব্যবহারের জন্য পেপারওয়েট, স্কেল, টেবিল, বলপেন, ফাইল কভার অন্যতম। কৃষি খাতের জন্য পাইপ, সাইকেলের যন্ত্রাংশের মধ্যে বাম্পার, হাতলের কভার, ব্যাক লাইট, স্পোক লাইট, মাছ ও ডিম রাখার ঝুড়ি, ভিডিও ও অডিও ক্যাসেট, কম্পিউটারের উপকরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরি হচ্ছে। জসিম উদ্দিন জানান,বর্তমানে ২০টি বড় প্রতিষ্ঠান বিদেশে প্লাস্টিক পণ্য রফতানি করছে। আর দেশে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও বিপণন হচ্ছে। তিনি বলেন,রফতানিতে নগদ প্রণোদনার শর্ত শিথিল এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তি সহজ হলে এই খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। আর পোশাক শিল্পের মতো আনুকূল্য পেলে প্লাস্টিক পণ্য দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি খাতে পরিণত হবে।বাসস
নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : মুহিত
অনলাইন ডেস্ক :অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারাকে সমুন্নত রাখতে নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ড. এ. কে আব্দুল মোমেনের নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন মুহিত।আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। এদেশে যতসব ভালো অর্জন সবই আওয়ামী লীগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সবসময়ই জনকল্যাণে নিবেদিত একটি রাজনৈতিক সংগঠন। তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বিগত ১০ বছরে সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে -যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। দেশের চলমান উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনেও নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানের জন্য সকলের কাজে আবেদন জানান অর্থমন্ত্রী।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর