২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে যা আছে
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৯-২০ অর্থবছরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানী ভাতা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ৭৪ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ জাতীয় বাজেটের শতকরা ১৪ দশমিক ২১ ভাগ এবং জিডিপির শতকরা ২ দশমিক ৫৮ ভাগ। গত অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ছিলো ৬৪ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা। প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির সংখ্যা ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ জনে বাড়ানো এবং উপবৃত্তির হার বাড়িয়ে প্রাথমিক স্তরে ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৮৫০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এবারের বাজেটে বড় আকারের ব্যয় মেটাতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান। এরমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আদায় করবে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, এনবিআর বহির্ভূত কর আদায় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কর ছাড়া আদায় বা প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য হচ্ছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। মোবাইল: মোবাইল গ্রাহকের কথা বলার ওপর করহার বাড়ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চলমান ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে একজন গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে তা থেকে প্রায় ২৭ টাকা কর বাবদ নিয়ে যাবে সরকার, যা এখন ২২ টাকা। ফলে গ্রাহক যত বেশি কথা বলবে, তত বেশি কর পাবে সরকার। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট প্রস্তাবে তিনি এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। এর আগে বাজেটে মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে সই করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এটি দেশের ৪৮তম ও বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট। যদিও গত সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে অনেক বাজেট প্রণয়নে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তিনি। বর্তমানে মোবাইল সেবার ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং তার সঙ্গে ১ শতাংশ সারচার্জসহ মোট করের পরিমাণ প্রায় ২২ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যমান করের সঙ্গে বাড়তি ৫ শতাংশ যোগ হচ্ছে। বাড়তি করহার পাস হলে মোবাইল সেবায় মোট করহার দাঁড়াবে প্রায় ২৭ শতাংশ। ফলে গ্রাহকের কথা বলার খরচ আরও বেড়ে যাবে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল সেবার বাইরে এখন প্রতি সিম সংযোজন এবং প্রতিস্থাপনে ১০০ টাকা নির্ধারিত কর দিতে হয়। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে সিমকে প্রথমবারের মতো করের আওতায় আনা হয়। তবে প্রথমদিকে নির্ধারিত কর ছিল ৩০০ টাকা। ক্রমান্বয়ে তা কমিয়ে আনা হয়। গ্রাহকের সংখ্যা বাড়াতে নিজেরাই এই কর দেয় মোবাইল অপারেটররা। যদিও এই কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে মোবাইল অপারেটররা। বিড়ি-সিগারেটের দাম: নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রস্তাবিত বাজেটে বাড়ছে বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্যের সম্পূরক শুল্ক। ফলে বাড়বে বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের দাম। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৭ টাকা। যাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ৫৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ। মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা এবং ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। আর উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ৯৩ টাকা ও ১২৩ টাকা। আর এতে থাকছে ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের প্রস্তাব। হাতে তৈরি ফিল্টারবিহীন বিড়ির ২৫ শলাকার দাম ১৪ টাকা এবং ৩৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। ফিল্টারযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার দাম ১৭ টাকা ও ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১০ গ্রাম জর্দার দাম ৩০ টাকা ও ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের দাম ১৫ টাকা এবং ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণের জন্য বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে। পেনশন: প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের সবার জন্য পেনশনের ব্যবস্থা রাখার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়, সরকারি যে পেনশন ব্যবস্থা রয়েছে, তাতে জনসংখ্যার খুব সামান্য একটি অংশ এই সুবিধার আওতায় রয়েছে। দেশের সংগঠিত ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের সব কর্মীকে ক্রমান্বয়ে পেনশন সুবিধার আওতায় আনতে শিগগিরই ইউনিভার্সাল পেনশন অথরিটি গঠন করবে সরকার। সেই সঙ্গে পেনশনভোগীদের সবাইকে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতির আওতায় আনা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ইএফটি পদ্ধতিতে ২৭ হাজার পেনশনভোগী তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যমে পেনশনের টাকা পাচ্ছেন। আগামী অর্থবছরে সব পেনশনভোগী এই পদ্ধতির আওতায় চলে আসবেন। এদিকে দেশের ইতিহাসে ১২তম দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেল ৩টা ৭ মিনিটে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্য শুরু করার জন্য স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণ করেন। এ সময় স্পিকার অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে, আপনি চাইলে বসে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারেন। আওয়ামী লীগের সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম পাশ থেকে অর্থমন্ত্রীকে বাজেট বক্তব্য কীভাবে উপস্থাপন করতে হয়, সে বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। এরপর, অর্থমন্ত্রী তার আসনে বসে বাজেট বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। অর্থমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস নিয়ে একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করেন। এরপর তিনি এবারের বাজেটকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাজেট বলে অভিহিত করেন। তার আগে সাদা পাঞ্জাবির ওপর মুজিব কোট পরে তিনি সংসদে প্রবেশ করেন।
আরও আড়াই লাখ টন ধান কিনবে সরকার
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দাম পড়ে যাওয়ার কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১১ জুন) সচিবালয়ে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এবার বোরোর ফলন অনেক উদ্বৃত্ত হয়ে গেছে। দেশের খাদ্য গুদামগুলোর ধারণ ক্ষমতা ১৯ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। আর এখন গুদামে আছে ১৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য। সোমবার প্রধানমন্ত্রী দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে কিনব। এতেও বাজার না উঠলে (ধানের) পরিমাণ আরও বাড়াব, যেন কৃষক নায্যমূল্য পান। এই আড়াই লাখ টনের বাইরে প্রয়োজনে আরও এক বা দুই লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে কেনা হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাক। এবছর বোরো মৌসুমে সরকার ১০ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, দেড় লাখ টন আতপ চাল এবং দেড় লাখ টন বোরো ধান এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। ঠিক হয়, ২৫ এপ্রিল থেকে প্রতিকেজি ধান ২৬ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকায় কিনবে সরকার। কিন্তু সরকারিভাবে ধান-চাল ক্রয় শুরু হতে দেরির কারণে ফড়িয়ারা সেই সুযোগ নেয়। তারা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করলে ধান নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ না ওঠায় অসন্তোষ থেকে পাকা ধানে কৃষকের আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের বাঁচাতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে মন্ত্রণালয়কে বেশি ধান কেনার ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। পাশাপাশি চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্ক বাড়ানো হয়। খাদ্যমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত কৃষকের কাছ থেকে ৩০ হাজার টন বোরো ধান কেনা হয়েছে। এক লাখ ২০ হাজার টন ধান কেনা এখনও বাকি আছে। আরও দেড় লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হওয়ায় এবার সব মিলিয়ে মোট চার লাখ টন বোরো ধান কৃষকের কাছ থেকে কিনবে সরকার।
রাজস্ব আদায়ে ১০ হাজার আউট সোর্সিং শিক্ষার্থী নিয়োগ দেয়া হবে:অর্থমন্ত্রী
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের অর্থনীতির আকার অনুযায়ী যে রাজস্ব আদায় হয় তা প্রায় অর্ধেক। রাজস্ব আদায় বাড়াতে আউট সোর্সিংয়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়োগ দেয়া হবে। বললেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বুধবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষ অর্থনীতি-বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সৌজন্যে ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন,আমাদের ট্যাক্স জিডিপির অনুপাত মাত্র ১০ শতাংশ। যেখানে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে এটা ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ। এখন যদি আমাদের রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা হয়, এক্ষেত্রে আরও ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা হওয়ার কথা। তিনি বলেন,আমাদের আরও ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা পেতে হবে। আমরা যদি ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ করতে না পারি তাহলে আমাদের অর্থনীতি যে গতিশীলতা বা গভীরতা পেয়েছে- এটার সঙ্গে রাজস্ব আদায়ের কোনও মিল থাকে না। আমাদের এ কাজটা করতে হবে। খুবই দুঃখজনক যে যারা ট্যাক্স দেয়, তারাই দেয়। মাত্র ২১ বা ২২ লাখ ট্যাক্স দেয়। এ ছাড়া দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে, এমন অনেকে এখনও ট্যাক্স দেয় না। সুতরাং আগামী বাজেটে আমরা কোনোভাবেই করের হার বাড়াব না। তবে যারা কর দেয় না তাদের করের আওতায় নিয়ে আসবো। ১০ হাজার জনবল নিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা ট্যাক্স দেয়ার ক্ষমতা রাখে কিন্তু ট্যাক্স দিচ্ছে না তাদের কাছে পৌঁছাব, তাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করব। এ জন্য আমরা প্রথম বছর আউট সোর্স হিসেবে ১০ হাজার জনবল বাড়াব। এসব জনবল হবে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থী, যারা কোনো কাজ পাচ্ছে না তাদের আউট সোর্স হিসেবে এ নিয়োগ দেয়া হবে। প্রতি উপজেলায় ট্যাক্স অফিস নিয়ে যাওয়া হবে জানিয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আগামী জুলাই মাস থেকে নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন শুরু করব। তবে এটা প্রথম থেকেই পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। সম্প্রতি পরিচালিত এক জরিপের বরাত দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকা ও বড় বড় শহরে প্রায় ৯ লাখ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রথমে বড় বড় জায়গায় এটা (ট্যাক্স আদায়) বাস্তবায়ন করা হবে। ভ্যাট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই আমরা আয়করের বিষয়টি জনগণের কাছে নিয়ে যাব। তবে জোর করব না। জনগণ যখন ভ্যাট দেবে তখন কর দেয়াতেও অভ্যস্ত হয়ে যাবে।
চাল আমদানি কমাতে শুল্ক বাড়ল দ্বিগুণ
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদেশ থেকে চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে আমদানিতে ২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে পরিপত্র জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ. মুমেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চাল আমদানি নিরূৎসাহিত করতে চালের ওপর বর্তমানে প্রযোজ্য আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ বহাল রেখে রেগুলেটরি ডিওটি ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ সব পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হয়েছে। ফলে চাল আমদানির ক্ষেত্রে মোট করভার ৫৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বুধবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা আজ থেকেই কার্যকর হবে। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ১০ মাসে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এতে দেশীয় কৃষকরা উৎপাদন খরচের চেয়ে কম মূল্যে চাল বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে। যার ফলে প্রান্তিক কৃষকরা আর্থিকভাবে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি বলেন, কৃষকগণকে আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষাকল্পে প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুশাসন অনুযায়ী আমরা আমদানি পর্যায়ে চালের ওপর আমদানি শুল্ক কর বৃদ্ধি করেছি।
রপ্তানি আয় বাড়লেও বাণিজ্য ঘাটতি কমছে না
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:রপ্তানি আয় বাড়লেও বাণিজ্য ঘাটতি কমছে না। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২.১০ শতাংশ। আর আমদানি খরচ বেড়েছে ৫.১৩ শতাংশ। তারপরও পণ্য বাণিজ্যে বাংলাদেশের সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯২ কোটি ৮০ লাখ (১১.৯৩ বিলিয়ন) ডলার। এই ঘাটতি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কিছুটা কম হলেও অর্থনীতির জন্য অস্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতির পরিমাণ বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।বাংলাদেশ ব্যাংক লেনদেন ভারসাম্যের তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৪ হাজার ২৩৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। একই সময়ে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৪৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ হিসাবে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯২ কোটি ৮০ লাখ (১১.৯৩ বিলিয়ন) ডলার।২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
কৃষককে বাঁচাতে হবে :কৃষিমন্ত্রী
৭ মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : কৃষককের জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, কৃষককে বাঁচাতে হবে, কৃষককে লাভবান করতে হবে। তা না হলে কেন তারা এটা করবে। তাই বোরো চাল রফতানির চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। কারণ এখন আমাদের চাল উদ্বৃত্ত আছে। ৫-১০ লাখ টন চাল রফতানি করলে তেমন কোনো অসুবিধা হবে না। এতে দেশের ভাবমূর্তিও বাড়বে।কৃষিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ৩৫ জেলার প্রায় ৬৩ হাজার ৬৩ হেক্টর জমির ধান, ভুট্টা, সবজি, পাট ও পানসহ বিভিন্ন ফসলের ৩৮ কোটি ৫৪ লাখ ২৫০০ টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে সার্বিকভাবে বাজারে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ফসলের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বোরো ধান কাটা শেষ হলে সবার সাথে আলোচনা করে আগামী ২০ দিনের মধ্যে চাল রফতানির করা হবে কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কৃষক বোরো ধান ঘরে তুলতে পারলে অবশ্যই উদ্বৃত্ত হবে। এই উদ্বৃত্তের কিছুটা হলেও আমরা নিজের সিকিউরিটির জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত রেখে বিদেশে রফতানি করতে পারি। এতে দেশের ভাবমূর্তিও বাড়বে।
অস্থিতিশীল বাজার
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোজার আগেই অস্থিতিশীল রাজধানীর বাজার। দুই-একটি বাদে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। গরুর মাংসের দাম উঠেছে ৬০০ টাকা কেজিতে। ক্রেতাদের অভিযোগ, এবার রোজার আগেই দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও পরিবহনে চাঁদাবাজির অজুহাতে দাম বাড়াচ্ছেন বিক্রেতারা। পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে বাজার তদারকিসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে, এর তেমন প্রভাব পড়েনি বাজারে।রাজধানীর কল্যাণপুর নতুন বাজারে গিয়ে দেখা গেল, প্রতি কেজি কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, মরিচ ৬০ টাকা, শসা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন মানভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। গেল সপ্তাহের চেয়ে এসব সবজির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। তবে কেজিতে ৫ টাকা কমে ঢেড়স বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানালেন বিক্রেতারা। মাছের বাজারে পাবদা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ টাকায়, চাপিলা ৬০০ টাকা, শিং আকারভেদে সাড়ে তিনশো থেকে ৫শ' টাকা কেজি দরে। বাজারে দেখা মিলছে ইলিশ মাছের। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়। খাসির মাংসের দাম উঠেছে কেজিতে ৮০০ টাকা। কোনো কোনো জায়গায় ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, এটা আসলে মনিটরিং করা দরকার।দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকা কেজি দরে। তবে ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১৫৫-১৬০ টাকা কেজি দরে।
৭ মার্চ আসছে কটন কাগজে ভার্নিশ যুক্ত ১০০ টাকার ব্যাংক নোট
৫মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে শতভাগ কটন কাগজে ভার্নিশ যুক্ত ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং এর অন্যান্য অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, উচ্চ মূল্যমানের ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে উন্নতমানের কোটিংকৃত দীর্ঘস্থায়ী ১০০ শতাংশ কটন কাগজে ইউভি কিউরিং ভার্নিশ যুক্ত করে গভর্নর ফজলে কবিরের স্বাক্ষর সম্বলিত ১৪০ মিমি X ৬২ মিমি পরিমাপের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করা হয়েছে। নতুন প্রচলিত এ নোটের ডিজাইন ও রং অপরিবর্তিত রয়েছে। নোটের দুদিকে ভার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে। এর ফলে নোটটি চকচকে করবে, স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে, কম ময়লা হবে এবং এর উপর কলম দিয়ে লেখা কঠিন হবে। এছাড়া, নতুন মুদ্রণ করা এ নোটটি ব্যবহারের সময় আগের নোটের মত খসখসে না হয়ে কিছুটা পিচ্ছিল হবে। প্রচলিত ১০০ টাকার নোটের আগের সব বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন থাকবে। নোটের রং, ডিজাইন ও অন্যান্য সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (জলছাপ, ওভিআই কালিতে লেখা ১০০, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৩টি বিন্দু, মাইক্রোপ্রিন্ট, খসখসে লেখা ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন মুদ্রিত বর্ণিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলন থাকা ১০০ টাকা মূল্যমানের অন্যান্য নোটও বৈধ ব্যাংক নোট হিসেবে আগের মতোই চালু থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ চলমান : অর্থমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ এখনও চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,রিজার্ভ চুরি সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। এসব প্রমাণাদিসহ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করার জন্য ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি আইনী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আমাদের পক্ষে মামলা দায়ের করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আমরা এ মামলাটি দায়ের করতে পেরেছি। অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক খাতে ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ব্যবস্থাপনাও বাংলাদেশ ব্যাংক করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষণ করা হয়। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের রিজার্ভ এখানেই সংরক্ষণ করা হয়। তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো-বিগত ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সংরক্ষিত আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার একটি অংশ শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক হ্যাকাররা ৭০টি ভুয়া পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ৯৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের চেষ্টা চালায়। এর মধ্যে ৫টি ভুয়া পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ট্রান্সফার কার্যকর করার পর নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ সন্দিহান হয়ে বাকি পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনগুলো এক্সিকিউট করেনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ চুরির বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথে সরকার চুরির অর্থ উদ্ধার, চুরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ চুরিরোধে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তিনি দ্রুত সরকারের কাছে একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সিআইডিকে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। ড. ফরাস উদ্দিনের রিপোর্টটি যাতে এ তদন্তে প্রভাব না ফেলে, এ জন্য তা প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, রিজার্ভ চুরির বিষয়টি একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং এর সাথে বিদেশী একাধিক প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে। এই বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে ইউএসর এফবিআই এবং ফিলিপাইন সরকার তদন্তে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় শ্রীলংকা থেকে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা হয় এবং ফিলিপাইন থেকে ১৪ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত আনা হয়েছে। বাকি ৬৬ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্ধারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই নিজ দেশে হ্যাকারদের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং ফিলিপাইনে এন্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল মানি লন্ডারিংয়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর