বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৪৬৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
১৮,এপ্রিল,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ (প্রাইড) প্রকল্পের আওতায় এই ঋণ দেয়া হবে। এর মধ্যে ৪৬৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ করা হবে, যা ব্যয় হবে এই শিল্পনগর আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। শনিবার (১৭ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বেজা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ উপলক্ষে বিশ্বব্যাংক ও বেজার মধ্যে ১৩ এপ্রিল প্রকল্প চুক্তি সই হয়। এতে বেজার পক্ষে সই করেন এর নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সই করেন আন্তর্জাতিক সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা। প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ ৩ হাজার ৯৬৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৩৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বেজা বলছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে উৎসাহিতকরণ এবং দেশব্যাপী অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নের মূলধারায় টেকসইকরণ ও পরিবেশ সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের জোন-২এ ও জোন-২বি এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য জোনে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা। এ শিল্পনগরকে পরিবেশ সহনশীল গ্রিন অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেকসইকরণ এবং পরিবেশ সহনশীলতা নীতি ব্যবহারের উপকারিতা তুলে ধরা। এই শিল্পনগরের আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা বলেও উল্লেখ করেছে বেজা। এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রকল্পের আওতায় জোন-২এ ও জোন-২বি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অভ্যন্তরের সড়ক এবং সংযোগ সড়ক মিলিয়ে মোট ৩০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্ট্রম ওয়াটার নিষ্কাশনের জন্য ৩১ কিলোমিটার ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ভূমি উন্নয়ন করে শিল্প-স্থাপন উপযোগী করতে প্রায় ৯৯০ একর ভূমি উন্নয়নের প্রস্তাব করা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ইনভেস্টর ক্লাব এবং একটি ওএসএস কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র, নিরবচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক সরবরাহের জন্য ৪টি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র এবং ২০ কি.মি. সরবরাহ লাইন, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগসহ টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকরণে ২৫ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন, শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহের জন্য দুটি ডিআরএসসহ ২৮ কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইন, পানি সরবরাহের জন্য ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ পানির পাইপলাইন এবং ওয়াস্ট ডিসপোজালের জন্য স্যানিটারি পাইপলাইন, অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছাখালী খালের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পনগরের সুরক্ষার জন্য প্রায় ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সীমানা প্রাচীর স্থাপনের কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিল্প কারখানার বর্জ্য পরিশোধনে ৪৮ এমএলডি ক্যাপাসিটি সম্পন্ন সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং কঠিন বর্জ্য পরিশোধনে সলিড ওয়াস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন ছাড়াও বায়োগেস প্ল্যান্ট, ওয়াস্ট সর্টিং অ্যান্ড মেটেরিয়াল রিকোভারি ফ্যাসিলিটিস স্থাপনের পরিকল্পনাও এতে সন্নিবেশিত রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় শিল্প কল-কারখানায় নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের জন্য রুফটফ এবং ফ্লটিং সোলার প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাছাড়া শিল্প কারখানায় পানির চাহিদা নিরসনে ৩০ এমএলডি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ডেসেলিনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন এবং স্টিমের চাহিদা মেটাতে ১২ দশমিক ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ স্টিম নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে এ প্রকল্পের আওতায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের পরিবেশ ও অন্যান্য প্যারামিটার স্ট্যান্ডার্ড পরীক্ষার জন্য এনভায়রনমেন্টাল ল্যাব অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে চাইল্ড কেয়ার অ্যান্ড এমার্জেন্সি হেলথ সেন্টার, এমার্জেন্সি রেসপন্স সেন্টার স্থাপন, শেখ হাসিনা সরোবরের সৌন্দর্য বর্ধন ও সবুজায়ন এবং মসজিদ। বেজা জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর দেশের শিল্প খাতের জন্য মডেল হিসেবে কাজ করবে। ৩০ হাজার একরেরও বেশি আয়তনের এ নগরে কর্মসংস্থান হবে অন্তত ১৫ লাখ মানুষের। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক ও শিল্পজোন হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অর্থনীতির এক মহাজংশন হিসেবে প্রস্তুত হচ্ছে নগরটি।
সয়াবিন উৎপাদন ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধির আশাবাদ ইউক্রেনের
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর আইনে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন ইউক্রেনের সয়াবিন উৎপানকদের আরো লাভবান করেছে। বেড়েছে পূর্ব ইউরোপের দেশটির সয়াবিন উৎপাদন। সম্প্রতি ইউক্রেনে জমিতে সয়াবিন চাষ আগের তুলনায় ২১ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্য দিয়ে ২০২১-২১ বিপণন বর্ষে দেশটিতে সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ ৩৬ শতাংশ বাড়বে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্টদের। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তরের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (জিএআইএন) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমটা জানানো হয়। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইন। ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে ১৩ লাখ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষাবাদ করেছেন ইউক্রেনের চাষীরা। ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে ১৬ লাখ হেক্টর জমিতে পণ্যটির চাষাবাদ করার প্রত্যাশা ইউক্রেনের। সে হিসেবে দেশটির প্রায় তিন লাখ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষ বাড়বে। ইউএসডিএ মনে করছে, আগের বছরগুলোতে ইউক্রেনের কৃষকরা সয়াবিনের পরিবর্তে বেশকিছু সূর্যমুখীর চাষ করতেন। তবে সম্প্রতি কর ব্যবস্থার পরিবর্তনের ফলে সামনের বিপণন বর্ষে সূর্যমুখী চাষের বদলে সয়াবিন চাষে ঝুঁকবেন তারা। ফলে উৎপাদন আগের তুলনায় বাড়বে বলে মনে করছে সংস্থাটি। ইউএসডিএর প্রাক্কলন বলছে, ২০২১-২২ সেশনে ইউক্রেনের সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩৮ লাখ টনে। এর আগের বছর মোট সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ ২৭ লাখ টন। সে হিসেবে ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে ইউক্রেনে পণ্যটির উৎপাদন আগের বিপণন বর্ষের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বাড়বে।
চলতি বছর গম উৎপাদন বাড়ছে মিসরের
২৮,মার্চ,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৮,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর নিজেদের ফসল উৎপাদন অঞ্চলের সম্প্রসারণ করেছে মিসর। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে গম উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে দেশটি। ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম উৎপাদন বেড়ে ৯০ লাখ টনে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তরের অধীন ফরেন কৃষি সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে। চলতি বিপণন বর্ষে গম উৎপাদনে দেশটির ফসলি জমির পরিমাণ ১৪ লাখ হেক্টর। এর আগের বছর দেশটির গম চাষের জন্য নির্ধারিত জমির মোট পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর। গমের দেশীয় চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয় মিসরকে। তবে উৎপাদনের পরিমাণ সামান্য বাড়লেও আমদানির পরিমাণ কমছে না দেশটির। বরং বিভিন্ন খাতের চাহিদার কারণে চলতি বর্ষেও ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ আমদানি বাড়াতে হচ্ছে তাদের। সে হিসেবে ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম আমদানির সম্ভাব্য পরিমাণ দাঁড়াবে ১ কোটি ৩২ লাখ টনে। খাদ্য, বীজ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য এগুলো আমদানি করা হয়। কায়রোতে কার্যক্রম পরিচালনকারী এফএএসের সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে মিসরের গম ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ কোটি ১৩ লাখ টনে। ২০২০-২১ বিপণন বছরের তুলনায় যা প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে। এফএএস বলছে, মিসরের সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি খাতের ৪১০টিরও বেশি কারখানা রয়েছে।
চিটাগং চেম্বারে- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স, দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল রেসিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (এনআরপি) এবং ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চিটাগং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার আহসান হোসেন ও এনআরপির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. নুরুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বিজিএমইএ নির্বাচন : নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার শপথ প্রার্থীদের
১৫,মার্চ,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোশাক খাতের উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক রফতানিকারক ও মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) নির্বাচনে ফোরাম মনোনীত প্রার্থীরা। রোববার (১৪ মার্চ) রাতে রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে আয়োজিত- ফোরাম পর্ষদের পরিচিতি অনুষ্ঠানে এ শপথ নেন তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পোশাক শিল্প উদ্যোক্তা এবং সংসদ সদস্য হাফিজ আহমেদ মজুমদার, সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান সিনহা, ফোরামের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার-উল-আলম পারভেজ, প্রধান সমন্বয়ক বেনজীর আহমেদসহ পোশাক কারখানা মালিকরা। দেশের পোশাক খাত ব্যবসায়ীদের শীর্ষ জোট ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিজ্ঞ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে এবারের প্যানেল গঠন করা হয়েছে। যারা নির্বাচিত হলে যেকোনো পরিস্থিতিতে বিজিএমইএ তথা বাংলাদেশের পোশাক খাতকে সমৃদ্ধির পথে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাইন্যান্স এ বি এম শামছুদ্দিন এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক ফোরামের প্যানেল সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঢাকায় ফোরামের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, ইনামুল হক খান বাবলু, ভিদিয়া অমৃত খান, মো. কামাল উদ্দিন, মাশিদ আর আব্দুল্লাহ, এম এ রহিম ফিরোজ, শাহ রাঈদ চৌধুরী, মিজানুর রহমান, খান মনিরুল আলম শুভ, এ এম মাহমুদুর রহমান, এ বি এম সামছুদ্দিন, নাফিস উদ দৌলা, আসিফ ইব্রাহিম, মজুমদার আরিফুর রহমান, তাহসিন উদ্দিন খান, নাভিদুল হক, ড. রুবানাহক, ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী, ইকবালহামিদ কোরাইশী আদনান, মাহমুদ হাসান খান বাবু, মো. রেজওয়ান সেলিম, ফয়সাল সামাদ, রানা লাইলা হাফিজ, মো. মেজবা উদ্দীন আলী এবং নজরুল ইসলাম। চট্টগ্রামে ফোরামের মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ আতিক, মোহাম্মদআব্দুস সালাম, এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মুহাম্মদসাইফ উল্যাহ মানসুর, মীর্জা মো. আকবর আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, রিয়াজ ওয়ায়েজ এবং খন্দকার বেলায়েত হোসেন।
চিংড়ি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশের তালিকায় থাকবে ভিয়েতনাম
১৩,মার্চ,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের চিংড়ি উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষদের তালিকায় অচিরেই নিজেদের নাম লেখাবে ভিয়েতনাম। কভিড-১৯-এর কারণে চিংড়ি শিল্পে প্রতিযোগী দেশ থাইল্যান্ড কিছুটা খারাপ অবস্থায় থাকা এবং বিপরীতে ভিয়েতনামের চিংড়ি শিল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিগগিরই সেই অবস্থানে যেতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। খবর ভিয়েতনাম টাইমস। চিংড়ি উৎপাদনের তথ্য-উপাত্ত বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ভিয়েতনামের চিংড়ি উৎপাদন ৫ থেকে ১০ শতাংশ বেড়েছে। কোনো কোনো বছর উৎপাদন বৃদ্ধির পরিমাণ ১২ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। যদিও এর বিপরীতে থাইল্যান্ডের উৎপাদন বৃদ্ধির হার বছরে প্রায় ৫ থেকে ৭ শতাংশ। সেদিক থেকেও এগিয়ে আছে দেশটি। ভিয়েতনামের কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশটিতে স্থানীয়ভাবে দুই লাখ হেক্টর জমিতে উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন চিংড়ি খামার রয়েছে। এর মধ্যে কেবল ব্যাক লিউ ও সক ট্র্যাং প্রদেশেই রয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার হেক্টর জমি। এ দুটি প্রদেশের চিংড়ি খামারগুলোয় মূলত বিদেশী বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে। চিংড়ি উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রমে এ বিনিয়োগকারীদের বেশ আগ্রহ রয়েছে। এদিকে গত বছর ভিয়েতনামের চিংড়ি রফতানি আয় ছিল ৩৮৫ কোটি টাকা। করোনা মহামারীর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও এ খাতে দেশটির আয় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
বিক্রয়োত্তর সেবা বেগবান করতে এসিআই মটরসে্র মোটরসাইকেল প্রদান
৯,মার্চ,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কম্বাইন হারভেস্টারের ক্ষেত্রে বিক্রয়োত্তর সেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু এই মেশিন দিয়ে ধান বা গম কাটা হয়, তাই মেশিনের কোন সমস্যা হলে মাঠে গিয়ে সার্ভিস দিতে হয়। এসিআই মটরস্ এ বিষয়টি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আসছে মৌসুমের গম ও ধান কাটার কাজ আরও সহজ করতে এবং স্বল্পসময়ে সার্ভিস দেয়ার লক্ষ্যে টেকনিশিয়ান এবং ইঞ্জিনিয়ারদেরকে ইয়ামাহা স্যালুটো মোটরসাইকেল প্রদান করেছে এসিআই মটরস্। রোববার এসিআই মটরস্ এর প্রধান কার্যালয়, এসিআই সেন্টার, তেজগাঁও এ এই মোটরসাইকেল প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মটরস্ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফা হ আনসারী, নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস ও এসিআই মটরস্ এর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এসিআই মটরস্ এর রয়েছে ৪০০ জনের অধিক সার্ভিস টিম, যার মধ্যে ২১ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং ৩৭০ জন টেকনিশিয়ান। অনুষ্ঠানে প্রত্যেক সার্ভিস কর্মীকে বাইক প্রদান করা হয় যার, মাধ্যমে তারা দেশব্যাপী গ্রাহকের দ্বোরগোড়ায় স্বল্প সময়ে সেবা প্রদান করবে। এ কর্মীদের নিকট ইয়ানমার হারভেস্টারের প্রয়োজনীয় স্পেয়ার পার্টস্ও থাকবে। টেকনিশিয়ান এবং ইঞ্জিনিয়াররা সার্ভিস রিকোয়েস্ট অথবা গ্রাহকের নিকট থেকে ফোন কল পাবার সাথে সাথে যত দ্রুত সম্ভব স্পটে গিয়ে সার্ভিস প্রদান করবে। আশা করা যায়, অন্যান্য বছরের মত আসছে ধান কাঁটার মৌসুমেও এসিআই মটরস সারা দেশব্যাপী তার দক্ষ নেটওয়ার্ক ও লোকবল এর মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করবে।
আইসিএবিতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ শীর্ষক কর্মশালা
৬,মার্চ,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পেশাদার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) উদ্যোগে সম্প্রতি দুই দিনব্যাপী প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক লিডারশিপ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনস্টিটিউটের ট্রেনিং রুমে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সনদ বিতরণ করেন আইসিএবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান খসরু এফসিএ। এ সময় সিইও শুভাশীষ বসু, সহসভাপতি মারিয়া হাওলাদার, সিইও শুভাশীষ বসু, কাউন্সিল সদস্য মো. মনিরুজ্জামান এফসিএ ও মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দীন এবং সিওও মাহবুব আহম্মেদ সিদ্দিক এফসিএ উপস্থিত ছিলেন।- বিজ্ঞপ্তি
পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন ডিএমডি ফাবিয়ানা আজিজ
৩,মার্চ,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে নিযুক্ত হলেন ফাবিয়ানা আজিজ। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টার থেকে ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় স্নাতক এবং মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিপ্রাপ্ত ফাবিয়ানা আজিজের ডিজিটাল মার্কেটিং, কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজি ফর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এবং মার্কেট কম্পিটিশন বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। ফাবিয়ানা আজিজ কোম্পানিটির এমডি আজিজ আল মাহমুদের জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি পারটেক্সে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এমএ হাশেমের নাতনি।- বিজ্ঞপ্তি

অর্থনীতি পাতার আরো খবর