রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
ভারতে দেয়াল ধসে ১৭ জনের মৃত্যু
২৯জুন২০১৯,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের পুনেতে একটি আবাসিক এলাকার দেয়াল ধসে অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। পুনের কনধাওয়া এলাকায় তালাব মসজিদের কাছে একটি আবাসিক ভবনের ৬০ ফুট দেয়ালটি ধসে পড়লে এই প্রাণহানি ঘটে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার রাত (শুক্রবার দিনগত রাত) ১টা ৪৫ মিনিটে দেয়ালটি ধসে পড়ে। এর পাশেই নির্মাণ শ্রমিকদের থাকার জন্য অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করা হয়েছিল। দেয়ালটি ধসে সেই বাসস্থানে পড়ায় এতো মানুষের মৃত্যু হলো। পুলিশ জানিয়েছে, অতিবৃষ্টিই এই দেয়াল ধসের কারণ। দুই-থেকে তিনজন শ্রমিক এখনও সেখানে আটকা পড়ে থাকতে পারে। উদ্ধার কাজ চলছে। উদ্ধার শেষ হলে বিস্তারিত জানাবে পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে নয়জন পুরুষ, একজন নারী এবং চার শিশু আছে। তবে তাদেরকে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। এদিকে এই ঘটনায় কতজন আহত হয়েছে সে বিষয়ে জানায়নি কেউই।
রাস্তায় জুমআর নামাজের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আন্দোলন
২৬জুন২০১৯,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুক্রবার রাস্তায় জুমআর নামাজের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পাল্টা আন্দোলন শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতি মঙ্গলবার রাস্তা আটকে হনুমান চালিশা পাঠের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। ইতোমধ্যেই গতকাল হাওড়ার বালিখালে রাস্তা আটকে হনুমান চালিশা পাঠও করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রতি শুক্রবার মসজিদে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় করেন মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা। অনেক সময় মসজিদে জায়গা না হলে রাস্তায় বসেও নামাজ পড়ে ন মুসল্লি। এর জেরে রাস্তায় যানজট লেগে যায়। মানুষজনকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাই অনেকে রাস্তায় বসে নামাজের প্রতিবাদও করেছেন। আর এবার সেই বিষয়টিকেই ইস্যু করে মাঠ গরম করতে চাইছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারের নামাজে পাল্টা হিসেবে মঙ্গলবার রাস্তায় বসে হনুমান চালিশা পাঠ করবেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের হনুমান মন্দিরের সামনে বসেই হনুমান চালিশা পাঠ করবেন তারা। গতকাল হাওড়ার বালিখালের কাছে রীতিমতো রাস্তা আটকে হনুমান চালিশা পাঠ করেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক। এ বিষয়ে হাওড়া জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ওপি সিং বলেন, প্রতি শুক্রবার নামাজের জন্য গ্র্যান্ড ট্যাংক রোডসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায়। রোগী মারা যাচ্ছেন। অফিস যাত্রীরা সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন না। তা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপই নেয়া হয়নি। তাই এর প্রতিবাদে আমরা মঙ্গলবার কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের হনুমান মন্দির লাগোয়া রাস্তায় বসে হনুমান চালিশা পাঠের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপি দ্বন্দ্বে রাজ্যের রাজনৈতিক ময়দান সরব হয়ে উঠেছে। অনেকেই বলছেন, এই বাদানুবাদে নতুন সংযোজন হচ্ছে রাস্তা আটকে নামাজ আদায়ে বিজেপির বিরোধিতা। আর মুসলিমদের ধর্মীয় রীতি নিয়ে বিজেপি রাজ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল।
সেই মুসলিম যুবককে পিটিয়ে হত্যায় গ্রেফতার ৫
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। খবর এনডিটিভি। ভারতের পূর্বাঞ্চলের প্রদেশ ঝাড়খণ্ডে ২৪ বছর বয়সী তাবরেজ আনসারি গত ১৮ জুন নির্যাতিত হওয়ার পর ২২ জুন মারা যান। গত কয়েক বছরে ঝাড়খণ্ডে বেশ কয়েকটি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। আর এসব গণপিটুনির শিকার হয়েছেন মুসলিমরা। তাবরেজ আনসারির বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ এনে তাকে গণপিটুনি দেয়া হয়; যার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি তাবরেজকে একটি কাঠের লাঠি দিয়ে নৃশংসভাবে পেটাচ্ছেন। আক্রান্ত যুবক ছেড়ে দেয়ার আকুতি নিয়ে হাত জোড় করলেও তাতে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই নির্যাতনকারীর। অন্য আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, জোর করে তাবরেজকে বলানো হচ্ছে- জয় শ্রী রাম ও জয় হনুমান। তাবরেজের স্বজনদের অভিযোগ, তাবরেজের সঠিক চিকিৎসার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেও লাভ হয়নি। তার সঙ্গে কাউকে দেখাও করতে দেয়া হয়নি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বহু আগেই তাবরেজের মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। বিবিসিকে তাবরেজের স্ত্রী শাহিস্তা পারভিন জানান, তার স্বামীকে সারারাত একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয় এবং পর দিন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, হিন্দু দেবতাদের প্রশংসা করতে অস্বীকৃতি জানানোর পরই তাকে নির্যাতন করা শুরু হয়। তাবরেজের স্ত্রী আরও বলেন, ওকে নির্দয়ের মতো মারা হয়েছে। কারণ ও মুসলিম। আমার কেউ নেই। কোনো শ্বশুর-শাশুড়িও নেই। আমি কী করে বাঁচব? আমি ন্যায়বিচার চাই। তবে ঝাড়খণ্ডের পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ভারতে হামলা চালাতে পারে আইএস
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত মার্চ মাসেই শ্রীলংকায় এক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উপাসনালয় ও অভিজাত হোটেল লক্ষ্য করে চালানো ওই হামলায় প্রাণ হারান ২৫০ জনের বেশি মানুষ। ভারতীয় গোয়েন্দারা বলছেন, এবার ভারতে হামলা চালাতে পারে জঙ্গি দলটি। গোয়েন্দা ও পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটি দাবি করা হয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে।বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ইতিমধ্যে আইএসের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে কেরালা পুলিশকে সতর্ক করেছে দেশটির গোয়েন্দা বিভাগ। এ বিষয়ে পাঠানো এক চিঠিতে গোয়েন্দারা বলেছে, ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় শ্রীলংকা ও ভারতের দিকে নজর পড়েছে আইএসের। এই দুই দেশে বড় ধরণের হামলার ছক কষছে তারা। আনন্দবাজার জানায়, সম্প্রতি কেরালা পুলিশ বিভাগের তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে চিঠি পাঠয়েছে গোয়েন্দারা। চিঠিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইরাক ও সিরিয়ায় নিজেদের ঘাঁটি হারিয়েছে আইএস।তবে জঙ্গিবাদ বন্ধ করে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের। ভারত ও শ্রীলংকায় নতুন করে নাশকতার ছক কষছে তারা।দুই সপ্তাহ আগে এমন একটি চিঠি প্রকাশ পায় স্থানীয় গণমাধ্যমে। তাতে বলা হয়েছিল, কেরালার কোচিতে অবস্থিত সরকারি কার্যালয় ও একটি জনপ্রিয় শপিং মলে হামলা হতে পারে। সেখানকার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দাবি, কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কাশ্মীরের মতো প্রদেশগুলোতে হামলা চালানো হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আইএসের সক্রিয়তা সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে আরো দাবি করা হয়, মেসেঞ্জার অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে এতদিন যাবত তথ্য আদান-প্রদান করত আইএস। কিন্তু তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সম্প্রতি তারা চ্যাটসিকিয়ুর, সিগন্যাল ও সাইলেন্ট টেক্সটের মতো তুলনামূলক নিরাপদ অ্যাপ ব্যবহার করছে।কেরালার পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানায়, গত কয়েক বছরে ওই প্রদেশ থেকে প্রায় ১০০জন আইএসে যোগ দিয়েছে। তাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিল আরো কয়েক হাজার মানুষ। প্রদেশের ২১টি কাউন্সেলিং সেন্টারে তাদের মধ্যে তিন হাজার জনকে স্বাভাবিক জ্ঞানে ফেরানো গেছে। তবে নজরদারির মধ্যে রয়েছে তারা। গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা পেয়ে রাজ্যের নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে। নজরদারি চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও।
পুনরায় নির্বাচনে লড়াইয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ট্রাম্পের
১৯জুন২০১৯,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুনরায় নির্বাচন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আরো চার বছরের জন্য তাঁকে নির্বাচিত করতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে লাখো সমর্থকের জনসভায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে নিজের যুক্তি তুলে ধরেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি ফ্লোরিডাকে নিজের সেকেন্ড হোম বলেও উল্লেখ করেন। নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডেমোক্র্যাটদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, আপনারা তো নিজের দেশকেই ছিন্নভিন্ন করছেন। গত নির্বাচনে ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান ছিল আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলুন। সেই স্লোগানের রেশ ধরে ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার রাতে অরল্যান্ডোর জনসভায় বলেন, আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করব। গত নির্বাচনের সময় নিজের প্রথম নির্বাচনী জনসভার কথা স্মরণ করে ট্রাম্প বলেন, আমরা একসঙ্গে একটি ভেঙে পড়া রাজনৈতিক অবস্থানকে পুনরুজ্জীবিত করে জনগণের নির্বাচিত এবং জনগণের জন্য সরকারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছি। ট্রাম্প আরো বলেন, যত দিন আপনারা এই সরকারকে ক্ষমতায় রাখবেন, আমরা তরতর করে সামনে এগিয়ে যাব। এর আগে কখনোই আমরা সামনে এমন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখিনি। পুনরায় নির্বাচন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ঠিক আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দেশে অবৈধভাবে বসবাসরত লাখো মানুষকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। ডেমোক্র্যাটরা অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার পাঁয়তারা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। নির্বাচনী ঘোষণার ঠিক একদিন আগে ট্রাম্প টুইট করে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে অনুপ্রবেশ করা লাখো অবৈধ এলিয়েনকে (ভিন গ্রহের প্রাণী) বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে ট্রাম্পের টুইটের ব্যাখ্যায় জানান, এ কার্যক্রমে ১০ লাখের অধিক মানুষের ওপর নজর দেওয়া হবে। তাঁদের বিষয়ে ফেডারেল আদালত চূড়ান্ত বিতাড়ন আদেশ দিয়েছেন, কিন্তু তাঁরা দেশে অবাধে রয়ে গেছেন। অভিযান চালানোর আগে যুক্তরাষ্ট্রে তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘোষণা দেওয়া অস্বাভাবিক ঘটনা। ট্রাম্প প্রশাসনের কেউ কেউ মনে করেন, গণগ্রেপ্তারের মতো শক্তি প্রদর্শন করা হলে তা যুক্তরাষ্ট্রে আসতে চাওয়া অবৈধ অভিবাসীদের বার্তা দেবে। সোমবার মেক্সিকোর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, তিন সপ্তাহ আগে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার ২০০ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে জড়ো হতেন। এখন তা কমে প্রায় দুই হাজার ৬০০ হয়েছে। বর্তমানে কতটা গ্রহণযোগ্য ট্রাম্প? মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্যালাপের জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতার মাত্রা কখনোই ৪৬ শতাংশের ওপরে উঠেনি। আর গত মাসে সেটি নেমে গেছে ৪০ শতাংশে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নির্বাচনী জরিপ সংস্থা রাসমুসেনের জরিপ অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতার মাত্রা ৪৮ শতাংশ। তবে পুনরায় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ডেমোক্রেটিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বেশ পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দের গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত ফক্স নিউজের একটি জরিপ অনুযায়ী, জো বাইডেন ও বার্নি স্যান্ডার্সের চেয়ে যথাক্রমে ১০ ও ৯ শতাংশ পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অবশ্য ট্রাম্প দাবি করছেন, ১৭টি সুইং স্টেটে এগিয়ে আছেন তিনি। এদিকে শোনা গেছে, আগামী বছরের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে হারছেন এমন তথ্য ফাঁস হওয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন ভাড়াটে প্রচারকারীকে বরখাস্ত করেছেন ট্রাম্প।
কড়া নিরাপত্তায় মুরসির দাফন সম্পন্ন
১৮জুন২০১৯,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কারাগারে চিকিৎসায় অভাবে মৃত্যুর কোলে ঠলে পড়া মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মুসলিম ব্রাদারহুডের অন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের কবরের পাশে মিসরের অবিসংবাদী এই নেতাকে দাফন করা হয়। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ তথ্য জানান, মুরসির ছেলে আহমদ মুরসি। খবর রয়টার্স ও আনাদোলুর। আহমদ মুরসি জানান, মুরসির নিজ শহর শারকিয়্যায় মুরসির দাফন হোক সেটি চেয়েছিল তার পরিবার। কিন্তু মিসর সরকার সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। তাকে নেসার সিটিতে কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার ভোর ৫টায় সমাহিত করা হয়। সোমবার আদালতেই মৃত্যুর কোলে ঠলে পড়েন মিসরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একমাত্র প্রেসিডেন্ট। মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিচারকের কাছে কথা বলার অনুমতি চাইলে তাকে কথা বলতে অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এ সময় তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। একপর্যায়ে তিনি হার্টঅ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, রাজধানী কায়রোর আদালতে ফিলিস্তিনি ইসলামিক গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে আঁতাতসংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় মুরসি দীর্ঘ সময় বক্তব্য রাখছিলেন। প্রায় ২০ মিনিট বক্তব্য রাখার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় মুরসিকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) দাবি করেছে, কারাগারে সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে মোহাম্মদ মুরসিকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে দেশটির সরকার। আন্তর্জাতিক এ মানবাধিকার সংস্থাটি মুসরির মৃত্যুর বিষয়ে নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক তদন্ত করতে জাতিসংঘের কাছে দাবি জানিয়েছে। সোমবার কারাগারে মৃত্যু হয় মিসরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একমাত্র প্রেসিডেন্ট মুরসির। এ খবর পাওয়ার পর এক টুইটবার্তায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক পরিচালক সারাহ লি উইটসন বলেন, মুরসির মৃত্যুর ঘটনা ভয়ঙ্কর। তবে এটি অনুমেয়। কারণ দেশটির সরকার মুরসিকে সঠিক চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, মিসরের সেনাশাসিত সরকার মুরসিকে বছরের পর বছর বিনা চিকিৎসায় জেলে ভরে রেখেছে। জেলে থাকাবস্থায় তাকে নিয়মিত ওষুধ খেতে দেয়া হয়নি। এমনকি তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি, তার আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করতেও দেয়া হয়নি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই কর্মকর্তা বলেন, মিসরের একনায়ক সরকার মুসরিকে নূনতম বন্দি অধিকার থেকেও বঞ্চিত করেছে।তার প্রতি স্পষ্টত মানবাধিকার লংঘন করা হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই। সেই সঙ্গে মুরসির স্বাভাবিক মৃত্যুর প্রমাণ দাবি করছি। মিসরের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসেন মুরসি। টানা ১৮ দিনের গণআন্দোলনে মোবারকের ৩০ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। মোহাম্মদ মুরসি মুসলিমপন্থী দল মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপরের সারির নেতা ছিলেন। তিনি ২০১২ সালে জনগণের ভোটের মধ্য দিয়ে মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পান। তবে ক্ষমতার এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালে তার বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শুরু হয়। এই বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে মিসরের সেনাবাহিনী মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে। পরে প্রেসিডেন্টের মসনদে বসেন মুরসির হাতে সেনাপ্রধান হওয়া আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি। মিসরের আদালত মুরসিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। সে সময় মুরসির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, ২০১২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ভুল তথ্য দিয়েছিলেন। মুরসির বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল, তিনি অর্থের বিনিময়ে কাতারের কাছে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি পাচার করেছেন। ২০১৪ সালে তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছিল। এরপর ২০১৬ সালের জুন মাসে তথ্য পাচারের এ মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন নিম্ন আদালত। আদালত দেশের গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারের অভিযোগে মুরসিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির মৃত্যুর পর দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল সিসি ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তিনি মুরসিকে শহীদ আখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মিসরীয়দের মুক্তির জন্য কাজ করেছেন মুরসি। সোমবার রাতে জেলেই মৃত্যু হয় মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসির। এ খবর পাওয়ার পর শোকবার্তা জানান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান। তিনি বলেন, মিসরীয়দের মুক্তির জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মুরসি যে সংগ্রাম করে গেছেন, সেটি সব মুসলমান যুগ যুগ স্মরণ করবে। এরদোগান বলেন, আমাদের কাছে মোহাম্মদ মুরসি শহীদ। ইতিহাস সেই (সিসি) একনায়ককে ক্ষমা করবে না যে কিনা জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুরসিকে জেল দিয়েছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নির্যাতন করেছে এবং তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি তার হাজার হাজার বিপ্লবী সমর্থককে নিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে কারাগারে ছিলেন কিন্তু পাশ্চাত্যের কেউ এর প্রতিবাদ করেনি। এরদোগান বলেন, আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের শহীদ ভাইদের জন্য দোয়া করছি, আল্লাহ যেন শহীদদের ওপর রহম করেন। আদালতের এজলাসেই তার মৃত্যু হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি আল্লাহর কাছেই রহমত কামনা করি। ইস্তানবুলের হ্যালিক সেন্টারে দেয়া এক বক্তৃতায় মিসরের শাসকের সমালোচনা করে মুসলিম বিশ্বের এ নেতা বলেন, মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি জনগণের ভোটে নির্বাচিত মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল, গণতন্ত্রকে পদদলিত এবং ক্ষমতায় এসে ৫০ জনকে ফাঁসি দিয়েছেন। মুরসি গণতান্ত্রিক উপায়ে ৫২ শতাংশ ভোট পেয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন; কিন্তু দেশটির সামরিক বাহিনী এ বাস্তবতা মেনে নেয়নি এবং তারা মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার সব ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছিল। এরদোগান বলেন, মুরসিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার সব ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তিনি আদালতে গিয়েও তার ওপর জুলুমের প্রতিবাদ করেছেন। মিসরের জনগণ ও নিজের ওপর রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের প্রতিবাদী মুরসির এ মৃত্যু জুলুমের সাক্ষী হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, মিসরের নিপীড়ক শাসক গণতন্ত্র কায়েম করতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া নেতাদের জুলুম করে হয়তো সাময়িক বিজয় অর্জন করেছে। কিন্তু তাদের আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস মিসরীয়দের মন থেকে মুছে দিতে পারবে না। তুর্কি প্রেসিডেন্ট ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচনা করে বলেন, সিসি ক্ষমতায় আসার পর মিসরীয়দের ফাঁসি দিলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ বিষয়ে নীরব থেকেছে। এমনকি মিসরে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইউরোপীয় দেশগুলো অংশ নিয়েছে যখন সেখানে ফাঁসির ঘটনা ঘটছিল।
সেই মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে না সৌদি আরব!
১৬জুন২০১৯,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবে ১৩ বছর বয়সে আটক মুর্তজা কুরেইরিসকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে দেশটির সরকার। ২০২২ সালেই তাকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে। শনিবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির এক কর্মকর্তা। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। আরবের দুর্নীতিপ্রবণ ও জনবিরোধী শাসকদের বিরুদ্ধে যখন বসন্তের ঢেউ খেলে গিয়েছিল, সে সময় সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল শিশু মুর্তজা কুরেইরিস। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে নিরস্ত্র অবস্থায় সাইকেল নিয়ে অহিংস প্রতিবাদে নেমেছিল সে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সম্প্রতি তাদের এক বিশেষ অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানতে সক্ষম হয়, সুদীর্ঘ নিপীড়ন ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে তার মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। সবশেষে শান্তিপূর্ণ সরকার বিরোধিতার শাস্তি হিসেবে ওই শিশুর মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সিএনএনে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির সত্যতা যাচাই করেছে। লেখক-সাংবাদিক ইয়ান ফ্রেজার এক টুইট বার্তায় বলেন, সৌদি তরুণ এমন ১০ বছর বয়সে গণতন্ত্রের দাবিতে প্রতিবাদে নামার শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড পেতে যাচ্ছে, এরপর তার মরদেহ সম্ভবত জনসমক্ষে ঝুলিয়ে রাখা হবে। তবে সর্বশেষ সৌদি কর্মকর্তা জানালেন, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে না মুর্তজাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে না। সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ডের পর সারা বিশ্বের সমালোচনার মুখে পড়ে সৌদি আরব। এ ছাড়া দেশটিতে মানবাধিকারকর্মীদের ওপর চড়াও হওয়ার রেকর্ড রয়েছে সৌদি সরকারের। বুধবার অস্ট্রিয়ার সরকার জানায়, মুর্তাজার মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে তারা ভিয়েনায় সৌদি অর্থায়নে পরিচালিত ধর্মীয় কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।-এনটিভি
ভারতে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদকে সমর্থন জানিয়ে নয়াদিল্লি, মুম্বাই ও হায়দরাবাদের চিকিৎসকরা একদিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। ফলে এই সব হাসপাতালের আউটডোর এবং অন্যান্য সেবা কার্যত বন্ধ রয়েছে। নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (এইমস) সুপারিটেন্ডেন্ট ডিকে শর্মা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইমার্জেন্সি সেবা স্বাভাবিক থাকবে। রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা ইমার্জেন্সি সেবা দেবেন অন্যদিনের মতোই। এইমসে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর আত্মীয় জানিয়েছেন, তার মায়ের ডায়ালিসিস আজ হওয়ার কথা। তাদের বলা হয়েছে চলে যেতে এবং অন্য কোথাও থেকে এটা করিয়ে নিতে। সোমবার থেকে চলা জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্মঘটের ফলে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালের সেবা ব্যাহত হয়েছে। গত চার দিন ধরে ইমার্জেন্সি বিভাগ, আউটডোর বিভাগ ও প্যাথলজিক্যাল বিভাগের পরিষেবা মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না ব্যক্তিগত চিকিৎসা সেবাও। রোগীর আত্মীয়স্বজনের হাতে এক জুনিয়র চিকিৎসকের আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে ওই ধর্মঘট ডেকেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের পক্ষে জানানো হয়েছে, যতক্ষণ না তারা নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তারা কাজে ফিরবেন না। কলকাতার এক সরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিকিৎসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কাজে ফিরতে হবে। যারা কাজে ফিরতে চান না, তাদের চাকরি ছেড়ে দিতে বলেন তিনি।
নির্দিষ্ট সময়ে অফিস, বাড়িতে ফাইল দেখা যাবে না: মন্ত্রীদের বললেন মোদি
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যরা কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না সে সম্পর্কে তাদের কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্ত্রীদের নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট সময় নিজেদের মন্ত্রণালয়ে আসতে বলেছেন মোদি। একইসঙ্গে বাড়িতে বসে ফাইল দেখার অভ্যাস পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এবার যারা প্রথমবার মন্ত্রী হয়েছেন তাদের সাহায্য করার কথাও বলেছেন মোদি। সরকারি কাজ কিভাবে হয় সে সম্পর্কে নতুনদের ধারণা কম। এজন্য প্রবীণদেরই সাহায্য করতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। মন্ত্রীদের মোদি আরও বলেছেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি ফাইল ভাগ করে নিতে। এতে তাদের আগ্রহ বাড়বে এবং আরও ভালো ও দ্রুত কাজ হবে বলে মনে করেন তিনি। একইসঙ্গে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করার জন্য মন্ত্রীদের একটি করে দিন ধার্য করার কথাও বলেছেন মোদি। সাংসদরা যাতে চাইলেই মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন সেটাও নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তিনি। কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠেন। এরপর শরীরচর্চা শেষ করে দিনের কাজ শুরু করেন। মোদি চান, তার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও প্রতিদিন নিয়ম মেনে কাজ করুক।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর