গাদ্দাফি হত্যায় হাত ছিল ফ্রান্সের, ৩ হাজার ইমেইল ফাঁস
২১অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ার সাবেক একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফি হত্যার ঘটনায় ফ্রান্সের হাত ছিল বলে জানা গেছে। আরবি দৈনিক রাই আল-ইয়াওম জানিয়েছে, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের কাছে পাঠানো তিন হাজার গোপন ইমেইল থেকে এ বিষয়টি ফাঁস হয়। হিলারি ক্লিনটনের কাছে পাঠানো ইমেইলগুলোতে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি পাঁচটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে ন্যাটোর মাধ্যমে লিবিয়ায় হামলা চালিয়েছিলেন। লক্ষ্যগুলো হচ্ছে- লিবিয়ার তেল সম্পদের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা, উত্তর আফ্রিকার সাবেক উপনিবেশগুলোতে ফ্রান্সের প্রভাব ধরে রাখা, সারকোজির আঞ্চলিক সুনাম বাড়ানো, ফ্রান্সের সামরিক শক্তিমত্তা প্রদর্শন এবং পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে গাদ্দাফির প্রভাব ক্ষুণ্ন করা। ওই তিন হাজার ইমেইল ২০১১ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে পাঠানো হয়েছিল। ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে গণঅভ্যুত্থান হয় এবং এর জের ধরে কয়েকটি দেশের সরকারের পতন ঘটে। উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজি থেকে গাদ্দাফি সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন শুরু হয়। এ সময় গাদ্দাফি ওই আন্দোলন দমন করতে বেনগাজির দিকে যে বিশাল সামরিক বহর পাঠান বিমান হামলা চালিয়ে সে বহরকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় ন্যাটো বাহিনী। এর ফলে গাদ্দাফি সরকারের ওপর যে আঘাত আসে তা সামলে ওঠা ত্রিপোলির পক্ষে সম্ভব হয়নি এবং এর জের ধরে সরকারের পতন ও গাদ্দাফি বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে ধরা পড়ে নিহত হন। দৃশ্যত গণ অভ্যুত্থানে গাদ্দাফি সরকারের পতন হলেও এ ঘটনায় মূল অনুঘটকের কাজটি ন্যাটো জোট করে দেয় যে জোটের নামে মূল হামলাটি চালিয়েছিল ফ্রান্সের সেনাবাহিনী।
ফেসবুকের বিরুদ্ধে সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলারের মামলা
২০অক্টোবর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকের বিরুদ্ধে সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলারের ক্লাস-অ্যাকশন মামলা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের ফেসিয়াল রিকগনিশন ডাটার অপব্যবহারের কারণে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। কয়েক বছর ধরেই মামলাটি এড়ানোর চেষ্টা করছিল ফেসবুক। ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া বায়োমেট্রিক ডাটা সংগ্রহ করে ফেসবুক রাজ্যের বায়োমেট্রিক ইনফরমেশন প্রাইভেসি অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছে উল্লেখ করে ২০১৫ সালে ওই আইনি লড়াই শুরু হয়। তবে ফেসবুকের পক্ষ থেকে মামলাটি বাতিলের অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু সানফ্রান্সিসকোর তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল ফেসবুকের ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে ফেসবুক যদি এখন সুপ্রিম কোর্টে না যায়, তবে সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলারের ক্লাস-অ্যাকশন মামলাটির শুনানি শুরু হবে। অভিযোগে বলা হয়, নিজেদের ট্যাগ সাজেশন্স ফিচারের মাধ্যমে ফেসিয়াল রিকগনিশন ডাটার অপব্যবহার করেছে ফেসবুক। এই ফিচারের মাধ্যমে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী তার বন্ধুকে শনাক্ত করতে সক্ষম হন। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ইলিনয়ের বাসিন্দারা তাদের আপলোড করা ছবি ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে স্ক্যান করার অনুমতি দেয়নি এবং ওই ডাটা কতটুকু সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা হবে, সেটিও তাদের জানানো হয়নি। ২০১১ সালে ফেসবুক তাদের ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে। তখন প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, ফেসবুক বন্ধুদের শনাক্ত করতে এটি কাজে লাগবে। ফেসবুক এ মামলায় হেরে গেলে ব্যক্তিপ্রতি এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার ডলার জরিমানা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ৭০ লাখ ব্যবহারকারীকে এ জরিমানা দিতে হলে তাদের পকেট থেকে সাড়ে তিন হাজার ডলার খসবে।
সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬ জনের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি
১৯অক্টোবর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবের মদিনায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬ জনের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি নাগরিক। নিহতদের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। আজ জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, শনিবার সৌদি আরবের সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ই অক্টোবর মদিনায় যে বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। বাসটি মদিনা থেকে মক্কা যাচ্ছিল। বাস দুর্ঘটনায় নিহত হন ৩৬ জন। আর আহত হয়েছেন ৪ জন। বাসে ১৩ জন বাংলাদেশি ছিলেন। তবে ১৩ জনের মধ্যে ২ জন বাংলাদেশি মদিনা নেমে যান। বাকিরা বাসের অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মারা যান। সূত্র বলছে, বাসযাত্রীদের শরীর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাই তাদের চেনা যাচ্ছে না। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।গত ১৬ই অক্টোবর মদিনা থেকে ১৯০ কিলোমিটার দূরে এই বাস দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে মদিনায় বাস দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
ইমরানের পর এবার সৌদি সফরে যাচ্ছেন মোদি
১৯অক্টোবর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের বিরুদ্ধে পুরো মুসলিম বিশ্বকে একজোট করার চেষ্টায় নেমেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ঠিক সেই সময়েই রিয়াদে প্রথম ভারত-সৌদি সহযোগিতা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে অক্টোবরের শেষে বিমানে উঠবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্তমান ভূকৌশলগত রাজনীতির খেলায় নরেন্দ্র মোদির রিয়াদ সফরটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনীতিকরা। মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চ ওআইসি-র রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অনেক চেষ্টা করেও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মত দেশগুলোকে ভারতের কাশ্মীর নীতির বিরোধিতায় পাশে পায়নি পাকিস্তান। বরং গত মাসে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইমরান খানের দেয়া পরমাণু হুমকির সমালোচনাই করেছিল সৌদি। পরে পাকিস্তান নেতৃত্ব অভিযোগ করে যে, ভারতের বিশাল বাজারের হাতছানিতে অনেক দেশ জম্মু-কাশ্মীরের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনে কাশ্মীর নিয়ে ভারত বিরোধী প্রস্তাব আনা না আনা নিয়েও বিভক্ত ওআইসি। একদিকে প্রস্তাব আনার পক্ষে রয়েছে- পাকিস্তান, তুরস্ক, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো। অন্যদিকে সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনের মতো দেশগুলো এর বিরোধিতা করছে। মোদি তার আসন্ন রিয়াদ সফরে বাণিজ্যিক এবং কৌশলগতভাবে সৌদিকে আরও কাছে টানার চেষ্টা করবেন বলে জানাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শক্তি, তেল, কৃষি, খনিজ, অবকাঠামো ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগ করতে চলেছে সৌদি আরব। পাশাপাশি মৌলবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সমন্বয় বাড়ানো নিয়েও আলোচনা ও চুক্তিপত্র সই হওয়ার কথা রয়েছে দুই দেশের। কয়েক সপ্তাহ আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল রিয়াদে গিয়ে পুরো নকশাটি তৈরি করে এসেছেন।
২০০৬ সালের পর ব্রিটিশ রাজদম্পতি পাকিস্তানে
১৬অক্টোবর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকার প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন পাঁচদিনের সফরে পাকিস্তান আছেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি পাকিস্তান পৌঁছান। পাঁচদিনের সফরের আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন। ২০০৬ সালে প্রিন্স চার্লস ও তার স্ত্রী ক্যামেলিয়ার সফরের পর এই প্রথম কোনো ব্রিটিশ রাজদম্পতি আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানে গেলেন। তাদের সম্মানে পাক প্রধানমন্ত্রী বিশেষ ভোজের আয়োজন করেন। প্রিন্স উইলিয়ামের প্রয়াত মা প্রিন্সেস ডায়ানা ইমরান খানের বান্ধবী ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালে শওকত খান মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতালের সহায়তা তহবিল সংগ্রহে সেসময় পাকিস্তান সফর করেন। নীল কুর্তা পরে আসা মিডলটন পরবর্তীতে অভ্যর্থনার জন্য সবুজ ও সাদা ম্যাচ করা পোশাক পরেন। রাজদম্পতির সঙ্গে এসময় পাকিস্তানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত থমাস ড্রিউ ছিলেন। এর আগে সোমবার সফরের প্রথমদিন পাকিস্তানের স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে দেখা করেন ডিউক এবং ডাচেস অব ক্যামব্রিজ। তারা সরকারি স্কুলের প্রাক-প্রাথমিকের ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে কথা বলেন।
মেক্সিকোয় মাফিয়াদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৪ পুলিশ নিহত
১৫অক্টোবর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মেক্সিকোর পশ্চিমাঞ্চলে মাফিয়াদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৪ জন পুলিশ নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে মাইকোয়াকান রাজ্যে এল আগুয়াহে শহরে পুলিশ অভিযান চালানোর সময় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হামলা পেছনে শক্তিশালী অপরাধী গ্রুপ জাসিলকো নুয়েভা জেনেরাসিওন কার্টেলের (সিজেএনজি) হাত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারীদের খুঁজে বের করা হবে। মেক্সিকোর এই অঞ্চল বেশ সহিংস, বিশেষ করে ড্রাগ ব্যবসায়ীদের মধ্যে এখানে প্রায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে থাকে। খবরে বলা হয়েছে, এল আগুয়াহে শহর দিয়ে পুলিশের ভ্যান যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। জানা গেছে, ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একদল লোক কয়েকটি পিক-আপ ট্রাক দিয়ে পুলিশের গাড়িটি ঘিরে ফেলে। পরে তারা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশের গাড়ির ওপর ওই হামলার পর সিজেএনজি গ্রুপ এক বার্তায় জানায়, তাদের গ্রুপের বন্দুকধারীরা ওই হামলা চালিয়েছে। এক সপ্তাহ আগে সিজেএনজি গ্রুপের নেতা মাইকোয়াকান রাজ্য পুলিশের হাতে নিহত হয়েছিল। ওই শহরে লড়াইরত দুটি কার্টেল গ্রুপ জাসিলকো নুয়েভা জেনেরাসিওন কার্টেল (সিজেএনজি) ও নাইটস টেম্পলারের একটি স্প্লিন্টার গ্রুপ লস ভিয়াগ্রাসের কাছে এল আগুয়াহে শহরটি কৌশলগতভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাদক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস মানুয়েল লোপেজ ওবরাদোর।
৫ টাকার বিনিময়ে ভরপেট খাবার
১৪অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্লাস্টিক এখন এই পৃথিবীর বড় হুমকি। পরিবেশ ধ্বংসকারী এই প্লাস্টিক নিয়ে চিন্তিত পরিবেশপ্রেমী থেকে প্রশাসন। শিলিগুড়িতেও ক্ষতিকারক এই প্লাস্টিকে ছেয়ে গেছে। প্লাস্টিক বন্ধে নানাভাবে শিলিগুড়িতে অভিযান চলছে। সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগও থেমে নেই। প্রতিদিনই প্লাস্টিক বন্ধে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়। কোথাও সচেতনতার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার প্রশাসন পথে নেমে কড়াও হচ্ছে। মাঝে মধ্যে চলে সাফাই অভিযান। কিন্তু তাতেও শহর থেকে প্লাস্টিক নির্মূল হয়নি।এখনও দেখা যাচ্ছে প্লাস্টিকের কারণে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে নিকাশি নালা। ক্ষতি হচ্ছে চাষাবাদের। শহরের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ক্ষতিকারক সব প্লাস্টিক। তাতে দৃশ্যদূষণ হচ্ছে। আজকাল এবার প্লাস্টিকমুক্ত শহর গড়তে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে শহরের একটি সংস্থা। তারা শহরের এক জায়গায় এই ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক জড়ো করতে এক অভিনব উপায় বের করেছে। শিলিগুড়িতে এর আগে ওই সংস্থা নিষ্কাম খালসা সেবা এবং গোথালস মেমোরিয়াল স্কুল অ্যালুমনি ৫ টাকার বিনিময়ে ভরপেট খাবার দিয়ে এসেছে। প্রতি শনিবার তারা রাস্তার পাশে স্টল খুলে এভাবে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করে। এবার একই খাবার দেওয়া হবে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক কুড়িয়ে এনে জমা দিলে। বিশেষ করে ফুটপাথবাসী, ভবঘুরে, কুড়ানিদের কথা ভেবে এই আয়োজন। কুড়ানিরা রাস্তার পাশের প্লাস্টিক এনে জমা দিলেই বিনিময়ে ভরপেট খাওয়ানো হচ্ছে। মেনুতে থাকছে ভাত, ডাল, সবজি, চাটনি, আচার, পাঁপড়। কুড়ানিরা সারাদিন কার্যত না খেয়েই কাটায়। এবার এই কর্মসূচিতে মাত্র ৫০০ গ্রাম প্লাস্টিক কুড়িয়ে এনে জমা দিয়েই ভরপেট খাবার খেয়ে যাচ্ছে। প্রতি শনিবার শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের মেঘদূত সিনেমা হলের উল্টো দিকে এই স্টল বসবে। শনিবার এই অভিনব উদ্যোগের সূচনা হওয়ায় শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে কুড়ানিরা প্লাস্টিক জমা দিয়ে খাবার খেয়ে যায়। এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরবাসী। আয়োজক সংস্থার পক্ষে জিএস হোরা বলেন,যে কেউ প্লাস্টিক জমা দিতে পারবেন। সংগৃহীত প্লাস্টিক নষ্ট করা হবে। এভাবে প্লাস্টিক জমা দিলে পেটভরে খাবার মিলবে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক কুড়িয়ে আনায় পক্ষান্তরে প্লাস্টিকমুক্ত শহর গড়ে উঠবে।
অর্থাভাবে জাতিসংঘের এসি, এসক্যালেটর বন্ধ
১৪অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থ সংকটের কারণে এবার বিদ্যুৎ খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। এরই অংশ হিসেবে এসক্যালেটর, এয়ারকুলার ও ওয়াটার কুলার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র ক্যাথরিন পোলার্ড এ তথ্য জানিয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে খরচ কমিয়ে সংস্থাটির ৩৭ হাজার কর্মীর নিয়মিত বেতন পরিশোধের জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো ঠিকমত দেনা পরিশোধ না করলে নভেম্বর মাস থেকে জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেয়া সম্ভব হবে না। গুতেরেস বলেন, চলতি মাসে (অক্টোবর) আমরা চরম অর্থ সংকটে পড়বো। তহবিলে যে পরিমাণ অর্থ রয়েছে তা দিয়ে নভেম্বরে বেতন দেয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, বিগত এক দশকেও জাতিসংঘকে এমন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে হয়নি। ৬০টি দেশের থেকে সংস্থাটির প্রাপ্য অর্থ মেলেনি। তাই চলতি অর্থ বছরে ১৪০ কোটি ডলারের ঘাটতির মুখে পড়তে হয়েছে। এদিকে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর পাশাপাশি কূটনীতিকদের জন্য নির্ধারিত পানশালাটিও বিকেল ৫টার মধ্যে বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিমান ভ্রমণেও কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর