মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১
বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ জন,শনাক্ত ৫২ লাখ
২২ মে,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বে এখন পর্যন্ত ৫১ লাখ ৯৪ হাজার ২১০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ জন। অন্যদিকে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ৮০ হাজার ৯৬৬ জন। পরিসংখ্যান ভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডো মিটারের সবশেষ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভাইরাসের উপস্থিতি থাকা ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ জনের মধ্যে ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ জনের সংক্রমণ মৃদু এবং ৪৫ লাখ ৬২০ জনের অবস্থা গুরুতর। ভাইরাসটিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ২০ হাজার ৯০২ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৯৬ হাজার ৩৫৪ জন। অন্যদিকে রাশিয়ায় শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৪ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৯৯ জন। এছাড়া ব্রাজিল, স্পেন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, ইরান, ভারত ও পেরুতে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা এক লাখের বেশি। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ২৮ হাজার ৫১১ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪০৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬০২ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক্সিকিউটিভ বোর্ড চেয়ারম্যান হচ্ছেন ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর
২১মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর এক্সিকিউটিভ বোর্ড চেয়ারম্যান পদে বসছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। ২২ মে থেকে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব নেবেন। বর্তমানে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট ওই বোর্ডের চেয়ারম্যান জাপানের ডা. হিরোকি নাকাতানির স্থলাভাষিক্ত হবেন হর্ষবর্ধন। ইতিমধ্যেই হর্যবর্ধনের পক্ষে ১৯৪ টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে রোটেশন পদ্ধতিতে এই চেয়ারম্যান পদ আবর্তিত হয়। ওই পদে ভারতের প্রতিনিধিকে সমর্থন জানানো হবে বলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পক্ষ থেকে গত বছরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ওই পদে অভিষেক এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২২ মে এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সভার পরই হর্ষবর্ধনের নামের পাশে সিল পড়বে। এর মধ্য দিয়ে আগামী তিন বছরের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক্সিকিউটিভ বোর্ড চেয়ারম্যান পদে বসতে চলেছেন হর্ষবর্ধন। এই কাজ অবশ্য পুরো সময়ের জন্য নয়। হর্ষবর্ধনকে বছরে দুবার এক্সিকিউটিভ বোর্ডের বৈঠকে নেতৃত্ব দিতে হবে। মূলত জানুয়ারি মাসে বোর্ডের প্রধান বৈঠকটি হয়ে থাকে। দ্বিতীয় বৈঠক হয় প্রতি বছর মে মাসে। বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরাও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ। চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি সদস্যরাও তিন বছরের জন্যই ওই পদে থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর 'হেল্থ অ্যাসেম্বলি'কে স্বাস্থ্য বিষয়ক সিদ্ধান্ত ও নীতি নিয়ে পরামর্শ দেওয়াই এই এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রধান কাজ। সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
আম্ফানে পশ্চিমবঙ্গে মৃত ৭২
২১মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভয়াল ভয়ঙ্কর আম্ফানের জেরে এপার বাংলায় মোট বাহাত্তর জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে পনেরোজন কলকাতার। নিহতদের অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে গাছ পরে, বাড়ির চাল ভেঙে অথবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নিহতদের পরিবারের জন্যে দু লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, তিনি বাংলার দুর্বিপাকের সব ভিজ্যুয়াল দেখেছেন। এই দুর্দিনে তিনি সবরকম ভাবে বাংলার পাশে দাঁড়াবেন। কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম সাহায্য করবে। দুর্দশা মোকাবিলায় তিনি আরও চারটি এন বি আর এফ টিম পাঠাচ্ছেন বলে জানান।মানবজমিন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও ঠিক হয়নি। সব খবর এখনও আসেনি। কার্যত কলকাতা শহরই এখন যোগাযোগবিহীন। ইন্টারনেট নেই, কেবল টিভি সম্প্রচার বন্ধ, মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত। সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ। আম্ফান আছড়ে পড়ার পর চব্বিশ ঘণ্টা কেটে গেছে। জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। বন্ধ জল সরবরাহ ব্যবস্থা। আম্ফান চলে গেলেও নিম্নচাপের জেরে কলকাতার আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। অনেকটা রাজ্যের ভাগ্যের মতোই।
যুক্তরাষ্ট্রের করোনা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ
২১মে,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৪ শে জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৫৪ লাখ। এ সময়ের মধ্যে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে দুই লাখ ৯০ হাজার। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভ্যানিয়ার ওয়ার্টন স্কুল থেকে দেয়া গবেষণা মডেলে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, সামাজিক কোনোরকম দূরত্ব বজায় না রেখে যদি সব রাজ্যকে নতুন করে খুলে দেয়া হয় তাহলে এমন পরিণতি ঘটতে পারে। অন্যদিকে তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করে বলা হয়, যদি সব রাজ্য খুলে দেয়া হয় কিন্তু ব্যক্তিবিশেষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেন তাহলে ২৪ শে জুলাইয়ের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা হতে পারে ৪৩ লাখ। আর মৃতের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে দুই লাখ ৩০ হাজার। অন্যদিকে ইউম্যাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ফোরকাষ্টিং সেন্টার অব এক্সিলেন্স তার প্রক্ষেপণে বলেছে, মধ্য জুনের মধ্যে মৃতের সংখ্যা এক লাখ ১৩ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। ৯টি আলাদা প্রতিষ্ঠানের মডেলকে একত্রিত করে তার ওপর ভিত্তি করে পূর্বাভাষ দিয়েছে তারা। এতে বলা হয়েছে, আগামী ২৫ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মোটামুটি ২২ হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাতে পারেন। এদিকে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল জানায়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখের বেশি। মারা গেছেন কমপক্ষে ৯২ হাজার মানুষ।
পশ্চিমবঙ্গে আম্পানের আঘাতে নিহত ৩
২০মে,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভয়াল গতিতে সুন্দরবনেই আছড়ে পড়েছে আম্পান। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অতি মারাত্মক ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়ে বলে জানিয়েছে দিল্লির আবহাওয়া অফিস। এ সময় আম্পানের আঘাতে তিন জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানা গেছে। আম্পানের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চলের বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে প্রলয়ঙ্করী এ ঝড়ের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়েছে বেশ কিছু এলাকা। তবে এখনও পুরোদমে শুরু হয়নি আম্পানের তান্ডব। এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে অন্তত তিন জনের প্রাণহানি ঘটেছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। আম্পানের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। এর জেরে লন্ডভন্ড পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কলকাতাসহ দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। হাওড়া, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের অবস্থাও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। হাজার হাজার কাঁচাবাড়ি এবং গাছপালা ভাঙেছে। তবে বাস্তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এর অনেক গুণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে কার্যত লন্ডভন্ড দশা এখন দিঘার। কলকাতার একাধিক জায়গায় ঘর-বাড়ি, গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট গাছপালা উপড়ে পড়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভারতের আবহাওয়া দফতরের মহাপরিচালক সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ওডিশ্যা প্রদেশে আম্পান ব্যাপক শক্তি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। বিশেষ করে রাজ্যটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলীয় জেলাগুলোতে এই ঝঢ় ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সৌদিতে ঈদের নামাজ বাড়িতে পড়ার ঘোষণা
১৯মে,মঙ্গলবার,গাজী মেজবাউল,সৌদি আরব প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সৌদি আরবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ বাড়িতে পড়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও সিনিয়র শীর্ষ আলেমগণ এ ঘোষণা দেন। এর আগে দেশটিতে রমজানে তারাবি নামাজ বাড়িতে আদায় করতে বলা হয়। সৌদি আরব গ্র্যান্ড মুফতি এবং সিনিয়র আলেমগণের কাউন্সিল প্রধান শেখ আবদুল আজিজ আল শেখ জানান, ব্যতিক্রমী ও জরুরি পরিস্থিতিতে ঈদের নামাজ বাড়িতে পড়া জায়েজ। কাউন্সিলের সদস্য শেখ আল-সুলাইমান, রাসূল (সা.) এর বিশিষ্ট সাহাবী আনাস বিন মালিকের উদাহরণ উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সালামের প্রিয় সাহাবী আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইরাকের বসরার নিকটবর্তী স্থান জাভিয়াতে তার বাসায় ছিলেন, তখন ঈদের জামাতের সময় শুরু হয় এবং নিকটবর্তী কোথাও নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত না হওয়ায় তিনি পরিবারের সদস্য ও তার সহযোগী আবদুল্লাহ ইবনে আবী ওতবার সঙ্গে সালাত আদায় করেছিলেন। কীভাবে ঈদের নামাজ বাড়ির মধ্যে আদায় করতে হবে এ বিষয়ে শীর্ষ আলেমগণ বলেন, নামাজ পড়তে সালাত শুরু করার জন্য তাকবীর পাঠ করবে এবং সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করার আগে আরও ছয় তাকবীর সহকারে তা অনুসরণ করবে এবং তারপরে সূরা আল-কাফ পড়া উত্তম। দ্বিতীয় রাকাতের শুরুতে তাকবীরের পরে পাঁচটি তাকবীর থাকবে আবার সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত শুরুর আগে এবং পরে নবী করীম (সা.) এর উদাহরণ অনুসরণ করে সূরা-কামার পড়বে। প্রতিটি রাকাতে যথাক্রমে সূরা আল-কাফ এবং আল-কামারের পরিবর্তে সূরা আলা ও আল-গাশিয়া পাঠ করা উত্তম। ঈদের নামাজের সময় সূর্যোদয়ের পরে শুরু হয় এবং সবচেয়ে ভালো সময়টি হলো এক বা দুটি বর্শার উচ্চতায় যখন সূর্য ওঠে। এর অর্থ সূর্যোদয়ের ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের পর ঈদের নামাজ পড়ার উপযুক্ত সময় বলে আলেমগণ মত দিয়েছেন। এটি যোহরের আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সূর্য ওঠার মুহূর্তে ঈদের নামাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। করোনার কারণে ঈদের আগের দিন ২৩ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পুরো পাঁচদিন সৌদি আরব জুড়ে ২৪ ঘণ্টার কারফিউ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
ডব্লিউএইচওর ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল অধিবেশন
১৮মে,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। এরই মধ্যেই দুই দিনের ভার্চুয়াল অধিবেশন শুরু হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)। সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনটি ডব্লিউএইচওর ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল অধিবেশন। তবে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ও চীনের দ্বন্দ্ব বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদিও সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়েও আশা রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধিবেশন সাধারণত তিন সপ্তাহব্যাপী হয়ে থাকে। তবে এবার শুধু করোনা ভাইরাস নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দিনের ভার্চুয়াল অধিবেশন হচ্ছে। এবারের অধিবেশনে কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব যুক্ত হচ্ছেন। কূটনীতিকেরা খসড়া প্রস্তাবে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ কিছু ঐকমত্য ভেঙে দেওয়ার পথ করে দিকে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ লাখ,প্রাণ হারিয়েছেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭১ জন
১৮ মে,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ওয়ার্ল্ডো মিটারের দেয়া তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে মোট ৪৮ লাখ ১ হাজার ৮৭৫ জনের শরীরে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭১ জন। এছাড়া আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৫৮ হাজার ১৭০ জন। বর্তমানে ভাইরাসের উপস্থিতি থাকা ২৬ লাখ ২৭ হাজার ৩৪ জনের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন ৪৪ হাজার ৮১৭ জন। ভাইরাসটিতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দারা। দেশটির মোট ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৯০ হাজার ৯৭৮ জন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮৯ জন। শনাক্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ৭৫২ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২ হাজার ৬৩১ জন। শনাক্তের সংখ্যায় এর পরের অব্স্থানে রয়েছে যথাক্রমে স্পেন, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, তুরস্ক ও ইরান। এই তালিকার প্রত্যেকটি দেশেই সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা লক্ষাধিক। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ২৬৮ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩২৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৩ জন।
লিবিয়ায় বোমা হামলা, বাংলাদেশি শিশুসহ নিহত ৭, আহত ১৭
১৮ মে,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে বাস্তুচ্যুতদের এক আশ্রয়শিবিরে বোমা হামলায় বাংলাদেশি ৫ বছর বয়সী একটি শিশুসহ মোট ৭ জন নিহত হয়েছেন। লিবিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ রোববার এ কথা জানিয়েছে বলে খবর দিয়েছে তুরস্কের অনলাইন ডেইলি সাবাহ। এতে বলা হয়, হামলায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জন। এর মধ্যে রয়েছে নিহত ওই বাংলাদেশি শিশুটির পিতা (৫২) রয়েছেন। শনিবার দিনশেষে ত্রিপোলির ফারনাজ এলাকায় আশ্রয়হীনদের ওই শিবিরে এই হামলা হয় বলে জানিয়েছেন রাজধানীর ফিল্ড মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টারের এক মুখপাত্র। ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ স্বীকৃত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) সরকার এবং পূর্বাঞ্চলীয় দখলদার জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। খলিফা হাফতারের বাহিনী চেষ্টা করছে ত্রিপোলির দখল নিতে। আর জিএনএ এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এই লড়াইয়ের সর্বশেষ বোমা হামলায় বাংলাদেশি ওই শিশুটি নিহত হয়েছে। খবরে বলা হয়, হামলার পর ওই আশ্রয়শিবিরের একাংশে আগুন ধরে যায়। তবে এই হামলার জন্য কোন পক্ষ দায়ী বিবৃতিতে সে বিষয়ে কিছু বলা হয় নি। তবে পরে রোববার জিএনএন বাহিনী হামলার জন্য হাফতার বাহিনীকে দায়ী করেছে। জবাবে তাৎক্ষণিকভাবে হাফতার বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় নি। লিবিয়ায় জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় বিষয়ক অফিস এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ত্রিপোলির আইন জারা এলাকায় এর আগের হামলায় বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোকে রাখা হয়েছিল এখানে। তাদের ওপর হামলাকে ‘রিপালসিভ শেলিং’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘের এই সংস্থা। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ স্বীকৃত জিএনএ সরকারের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হাফতার বাহিনী। এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তারা রাজধানী ত্রিপোলিতে ২৬ শে মার্চ অপারেশন পিস স্টর্ম শুরু করে। লিবিয়ার সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে সামনের দিকে অগ্রসর হলে মে মাসের শুরু থেকে বেসামরিক লোকজনের ওপর হামলা জোরালো করেছে জেনারেল হাফতার। তাকে সমর্থন দিচ্ছে ফ্রান্স, রাশিয়া, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আরবের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেশ। অন্যদিকে জিএনএ সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক, ইতালি ও কাতার। ২০১১ সালে দেশটির নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলছে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর