কাশ্মীরের সিয়াচেন হিমবাহে বরফ ধসে সৈন্যসহ ৬ জনের মৃত্যু
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সিয়াচেন হিমবাহে বরফ ধসের ঘটনায় চার সৈন্য ও দুই মালবাহকের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর আট জনের একটি দল হিমালয় পর্বতের ১৯ হাজার ফুট উঁচুতে (পাঁচ হাজার ৮০০ মিটার) টহল দেওয়ার সময় বরফ ধসের ওই ঘটনা ঘটে, জানিয়েছে বিবিসি। সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলো বরফের নিচে চাপা পড়া সবাইকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তাদের মধ্যে সাত জনকে সঙ্কটজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে করে নিকটবর্তী সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে হাইপোথার্মিয়ায় তাদের মধ্যে ছয় জনের মৃত্যু হয়। আলোচনা সত্ত্বেও ভারত ও পাকিস্তান সিয়াচেন হিমবাহ থেকে সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারে ব্যর্থ হয়েছে। এই হিমবাহটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। ভারত ১৯৮৪ সালে হিমবাহটি নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেয়। তারপর থেকে এখানে যুদ্ধের চেয়েও চরম পরিস্থিতিজনিত কারণে বেশি সৈন্য মারা গেছে। ২০১৬-র ফেব্রুয়ারিতে বরফ ধস ওই অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার পর ১০ ভারতীয় সৈন্যের মৃত্যু হয়েছিল। শীতকালে হিমালয়ের ওই অঞ্চলটির তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ৬০ সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। ওই সময় প্রায়ই বরফ ধস ও ভূমিধসের মতো ঘটনা ঘটে থাকে।
মশা মারতে কামান নয়, স্যাটেলাইট দাগছে নাসা!
১৬নভেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মশার জ্বালা যে শুধু ভারত-বাংলাদেশে তা কিন্তু নয়। এবার মশার জ্বালায় অতীষ্ঠ হয়ে মশা তাড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছে নাসা। নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আমেরিকার বিভিন্ন সংস্থার ল্যাবরেটরি। সোজা কথায় বললে মশা মারতে কামান নয়, রীতিমতো স্যাটেলাইটের সাহায্য নিয়েছে নাসা। তবে এর পাশাপাশি ছোট ছোট অজস্র দলও তৈরি করেছে তারা। থাকছে এয়ার ট্র্যাপিংয়ের ব্যবস্থাও। যে ব্যবস্থা সবচেয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত। স্যাটেলাইট ছাড়াও সেই দলের কাছে মজুত থাকবে ক্যামেরা, গ্রাফ, ম্যাপিংয়ের ব্যবস্থা, তথ্য যাচাই ও জমা করার জন্য নানা ধরনের চিপ। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-র তথ্য অনুয়ায়ী, গত কয়েক দশক ধরেই মশার যন্ত্রণায় ব্যতিব্যস্ত ইংল্যান্ড-আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিশেষ করে গরমের সময় এই মশার উৎপাত বাড়ছে। ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোসহ আমেরিকার বেশ কিছু বড় শহর মশার জ্বালায় নাজেহাল। গত কয়েক দশক ধরেই মশার অত্যাচার ক্রমেই বাড়ছে আমেরিকা জুড়ে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, স্যাটেলাইটটি লক্ষ্য রাখবে কোথায় মশা জন্মানোর পরিবেশ-পরিস্থিতি রয়েছে। তারা মশার ডিম পাড়ার খবর, লার্ভা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা, মশার শরীরে কতটা জীবাণু, আদৌ কোনও রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা তাদের আছে কি না এই পুরো বিষয়টাই খতিয়ে দেখবে। তৈরি করবে জায়গাটির মানচিত্র, তুলে রাখবে ছবিও। এসব তথ্য জমা হবে নাসার ওয়েবসাইটে। এখান থেকে তথ্য নিয়ে চলবে দমন প্রক্রিয়া। সূত্র: আনন্দবাজার
মিসরে বিমানবন্দরে ১৯৬ যাত্রী নিয়ে প্লেনে অগ্নিকাণ্ড
১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিসরের শারম আল শেখ বিমানবন্দরে ১৯৬ যাত্রী নিয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে তেমন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। অবতরণের পর দাঁড়িয়ে থাকা বিমানে আগুন লাগায় তা দ্রুতে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ইউক্রেন থেকে মিসরের শারম আল শেখ বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণের সময় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল। খবরে বলা হয়েছে, যাত্রীবাহী বিমানটি ছিল মিসরের। সেটি নাটকীয়ভাবে অবতরণের পর অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়। ইউক্রেন থেকে স্কাইআপ এয়ারলাইন্সের বোয়িং৭৩৭-৮০০ বিমানটি সমুদ্র তীরবর্তী ওই বিমানবন্দরে অবতরণের সময় আগুন ধরে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গেই আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়ে। অবতরণের সময় বিমানটির হাইড্রোলিক ফ্লুইড লিকেজ হয়। ফলে বিমানটির হট ব্রেকে সেই ফ্লুইড ছড়িয়ে পড়ায় দ্রুত আগুন ধরে যায়। মিসরের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বিমানের এই আগুন বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারতো। কর্মীরা পেশাদারিত্ব দেখিয়ে আগুন নিভিয়ে না ফেললে বিমানবন্দরের অন্যান্য বিমানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা ছিল।
সৌদি আরবে বিদেশিদেরকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমোদন দেয়া শুরু
১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবের প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি সেন্টার (এসএপিআরসি) সোমবার ঘোষণা করেছে, আবেদনকারীদের প্রথম ব্যাচটিকে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। খবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম খালিজ টাইমস। সেন্টারটি এদিন এক বিবৃতিতে জানায়, প্রিমিয়াম রেসিডেন্সির জন্য আবেদনকারীদের মধ্যে ৭৩ জনের প্রথম ব্যাচটিকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিশ্বের ১৯টি দেশের এই ৭৩ নাগরিকের কেউ ইতোমধ্যে সৌদি আরবে এবং কেউ দেশটির বাইরে অবস্থান করছে। বিনিয়োগকারী, চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ নানা পেশার যেসব বিদেশি পরিবারসহ সৌদি আরবে থাকতে চায়, তাদেরকে প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ৭৩ জন। সেন্টারটি জানায়, গত কয়েক মাসে এটির অনলাইন পোর্টালে সৌদি আরবে বা দেশটির বাইরে থাকা কয়েক হাজার মানুষ আবেদন করেছে। এসএপিআরসির সিইও (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) বানদার আল আয়িদ বলেন, সৌদি আরব প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বাগত জানাচ্ছে। সৌদি আরবে বা দেশটির বাইরে অবস্থানকারীরা প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো মেনে অনলাইনে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করতে পারবে। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বা বসবাসের জন্য আমাদের দেশ এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলোর একটি। কৌশলগত অবস্থান, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও বৈচিত্র্য, উন্নত অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাসহ এই দেশে অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে। প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি পাওয়া ব্যক্তিরা দেশটির বেসরকারি খাতগুলো কাজ করতে পারবে। তারা এক পেশা থেকে আরেক পেশায় যেতে পারবে। এছাড়া তারা সেলফ-ইস্যু এক্সিট ও এন্ট্রি ভিসা এবং আত্মীয়দের জন্য ভিজিট ভিসা পাবেন।
রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা
১১নভেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ওআইসিভুক্ত দেশ গাম্বিয়া। সোমবার (১১ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডসের দি হেগের দি ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে দেশটি। যুক্তরাজ্যের দৈনিক গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গাম্বিয়া তাদের ৪৬ পৃষ্ঠার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ এবং তাদের আবাস ধ্বংসের কথা বলেছে। ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে মুখে মিয়ানমার ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ পালিয়ে আসে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা। তাদের কথায় উঠে আসে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ, যাকে জাতিগত নির্মূল অভিযান বলে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও (আইসিসি) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নালিশ গেছে। তার মধ্যেই জাতিসংঘের আদালতে মামলা করল আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যদি আইসিজে মামলাটি বিচারের জন্য গ্রহণ করে, তবে এটাই হবে গণহত্যার নিজস্ব তদন্তে আইসিজের প্রথম উদ্যোগ। এর আগে তদন্তের ক্ষেত্রে তারা অন্য সংস্থার ওপর নির্ভর করত। আইসিজের বিধি অনুসারে, জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত এক দেশ অন্য দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ তুলতে পারে। এইচআরডব্লিউর পরিচালক পরম-প্রিত সিং এক বিবৃতিতে বলেন, গাম্বিয়ার এই আইনি পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হল। এখন আদালত রোহিঙ্গাদের নিপীড়নের হাত থেকে বাঁচাতে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নিতে পারে। ১৯৯৩ সালে বসনিয়ায় গণহত্যার বিচারের শুরুতে আইসিজে সার্বিয়ার বিষয়ে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নিয়েছিল। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে গাম্বিয়ার পদক্ষেপে সহায়তা দিতে অন্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নো পিস উইদাউট জাস্টিসর পরিচালক অ্যালিমস স্মিথ, যে সংগঠনটিও একাজে এইচআরডব্লিউর মতো সহায়তা দিচ্ছে।
অযোধ্যা মামলার রায় নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে তসলিমা নাসরিন
১১নভেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের অযোধ্যা মামলার রায় নিয়ে টুইট করে ভারতীয়দের সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ওই রায় নিয়ে শনিবারই নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে এক টুইটের পর এমন সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। খবর ইয়াহু নিউজের। টুইটে তসলিমা লিখেন, আমি বিচারপতি হলে অযোধ্যার ২.৭৭ একর জমি সরকারকে আধুনিক বিজ্ঞান স্কুল বানানোর নির্দেশ দিতাম। যেখানে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পড়তো। আর ৫ একর জমি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের নির্দেশ দিতাম সরকারকে, যেখানে রোগীরা বিনামূল্যে সেবা পেতো। তসলিমার ওই পোস্টের পরই ভারতের ডানপন্থীরা তার ব্যাপক সমালোচনা শুরু করে। তসলিমার পোস্টের কড়া সমালোচনা করে শেফালি বৈদ্য নামের একজন লেখিকা বলেন, আপনি ভারতে শরণার্থী হয়ে হিন্দুদের কাছে জীবন ভিক্ষা চান আর আপনি প্রতিটা ঘটনার সমালোচনা করেন। বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে সেখানে স্কুল বানান। আপনার নিরক্ষর লোকদের তা দরকার। আরেকজন ভারতীয় লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট অনুরাগ সাক্সেনা লিখেছেন, ম্যাডাম আপনি আমাদের দেশে একজন শরণার্থী। আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন, অনধিকারচর্চা নয়। লেখক ও কলামিস্ট সঞ্জয় দীক্ষিত লিখেছেন, ভগবান রামের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন যে এতকিছুর পরও হিন্দুরা আপনাকে সহ্য করে আছে। আপনি নিজের দেশেই বেশি কিছু বলার কারণে টিকতে পারেননি। আপনি একজন অকৃতজ্ঞ অতিথি। মেঘালয়ের গভর্নর তথাগত রায় লিখেছেন, প্রিয় তসলিমা নাসরিন শত্রু তৈরি করবেন না। ভারতকেও নাস্তিক করার চেষ্টা করবেন না। আপনি ১০ হাজার বছরেও সাফল্য পাবেন না। স্বামী বিবেকানন্দ যা বলেছিলেন, তা নিয়ে ভাবুন: ভারতীয়রা ধর্মের প্রাইজমে সব কিছু দেখে... আপনি কখনই এটি পরিবর্তন করতে পারবেন না। উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতত্বাধীন বেঞ্চ শনিবার অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি হিন্দু মামলাকারীকে দেয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। অন্যদিকে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে অযোধ্যার অন্য জায়গায় ৫ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান
০৭নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভূমি থেকে সাগরে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে পাকিস্তান নৌবাহিনী। নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মাহমুদ আব্বাসি এই ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কে জানান, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। আরব সাগরে এ পরীক্ষা চালানো হয়। নির্মাণ থেকে পরীক্ষা পর্যন্ত সকল পর্যায় সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তানের নৌবাহিনী প্রধান। তিনি আরও বলেন, তার বাহিনী শত্রুর যে কোনো তৎপরতা মোকাবেলার ক্ষমতা রাখে। অ্যাডমিরাল মাহমুদ আব্বাসি বলেন, নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৭০০ কিলোমিটার এবং সাগর শত্রুর জাহাজ ধ্বংসের লক্ষ্যেই এটি তৈরি করা হয়েছে। কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো। যুদ্ধের আশঙ্কায় দু'টি দেশই বহু বছর ধরে এক ধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতা চালিয়ে আসছে।-somoynews.tv
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ কমেছে: যুক্তরাষ্ট্র
০৩নভেম্বর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার গতি ও মাত্রা কমেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেরোজিম-২০১৮ শীর্ষক বৈশ্বিক বার্ষিক জঙ্গিবাদবিষয়ক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০১৮ সালের জঙ্গিবাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার গতি ও মাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমেছে। যদিও পৃথক ঘটনায় একজন সেক্যুলার লেখক খুন ও একজন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক গুরুতর আহত হয়েছেন। বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে হামলা পরিকল্পনা নস্যাৎ, সন্দেহভাজন জঙ্গি নেতাদের গ্রেপ্তার, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক দ্রব্য জব্দ করেছে। তবে জঙ্গিদের সফল বিচারের ক্ষেত্রে বিচারিক বাধা ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের সফলতাকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ম্লান করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জঙ্গিবাদ এবং জঙ্গিদের ভূ-স্বর্গ হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে না দিতে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রেখেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায়ই জঙ্গি হামলার জন্য বাংলাদেশ সরকার স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে ২০১৫ সাল থেকে প্রায় ৪০টি হামলার দায় স্বীকার করেছে ভারতীয় উপমহাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাব কন্টিনেন্ট (একিউআইএস) ও আইএস। মার্কিন এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে অনুসারী দলে টানতে ও নিজেদের মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করছে। আইএস এবং একিউআইএস তাদের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশনা, ভিডিও ও ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি জঙ্গিদের উপস্থাপন করেছে।
পাকিস্তানে চলন্ত ট্রেনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৬৫
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানে চলন্ত ট্রেনে গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার করাচি থেকে রাওয়ালপিন্ডিগামী তেজগাম ট্রেনটি লিয়াকতপুর শহরের কাছাকাছি আসলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। জিও টিভির খবরে বলা হয়েছে, একজন যাত্রীর বহন করা রান্নার জন্য ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ট্রেনে ইকোনমি ক্লাসের দুটি বগি এবং বিজনেস ক্লাসের একটি বগি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সংবাদমাদ্যম ডন এর খবরে বলা হয়, দমকল ও উদ্ধারকর্মীদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে আহতদের উদ্ধার করে। এদিকে এ ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের রেলওয়ে মন্ত্রী শেখ রাশিদ বলেছেন,দুটি রান্নার স্টোভও বিস্ফোরিত হয়েছে। সিলিন্ডার বিস্ফোরণের সময় ওইসব স্টোভে তেল দিয়ে রান্না চলছিল, যা আগুনকে আরও চড়িয়ে দেয়। ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ে বেশিরভাগ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন,ওই বগিগুলোতে তাবলিগ জামাত থেকে ফেরা যাত্রীরা ছিলেন। বগিগুলো ভয়ংকরভাবে পুড়ে গেছে এবং ট্রেন থেকে আলাদা হয়ে গেছে। দুই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও যোগ করেন রেলওয়ে মন্ত্রী। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এ ঘটনার শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।সেইসঙ্গে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর